Tag: Covid 19

Covid 19

  • Covid 19: কেন্দ্রের বরাদ্দের বছর পার, এখনও শেষ হল না রাজ্যের করোনা প্রস্তুতি

    Covid 19: কেন্দ্রের বরাদ্দের বছর পার, এখনও শেষ হল না রাজ্যের করোনা প্রস্তুতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনার (Covid 19) চোখরাঙানি আবার শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যেই কেন্দ্রের স্বাস্থ্য মন্ত্রী রাজ্যগুলোর সঙ্গে বৈঠক করেছেন। জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু বড়দিনের উৎসব আর আলোর রোশনাইয়ে ফিকে হয়ে যাচ্ছে মানুষের মহামারির গুরুত্ব! বড়দিনের উৎসবে সেজে উঠেছে কলকাতা। কিন্তু কলকাতার সরকারি হাসপাতালগুলো কি করোনা মোকাবিলায় সবরকমভাবে সেজে উঠতে পেরেছে?

    করোনার (Covid 19) দ্বিতীয় ঢেউ দেখিয়েছিল, হাসপাতালে অক্সিজেন প্লান্ট কতখানি জরুরি। কৃত্রিম অক্সিজেন ছিল একমাত্র হাতিয়ার। রোগীকে সুস্থ করতে কৃত্রিম অক্সিজেনের ব্যাপক চাহিদা দেখা দিয়েছিল। তাই কেন্দ্রের তরফে হাসপাতালে অক্সিজেন প্লান্ট তৈরির দিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। কেন্দ্র সরকার সরকারি হাসপাতালে অক্সিজেন প্লান্ট তৈরির জন্য আলাদা আর্থিক বরাদ্দ ও করে।

    কাজ কতখানি এগিয়েছে?

    রাজ্যের সব হাসপাতাল তো দূর অস্ত। কলকাতার (Covid 19) সব সরকারি হাসপাতালেও পর্যাপ্ত কৃত্রিম অক্সিজেন সরবরাহ থাকে না। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, কৃত্রিম অক্সিজেনের জন্য এখনও সরকারি হাসপাতালের ভরসা বেলেঘাটা আইডি হাসপাতাল। সেখানেই রয়েছে অক্সিজেন প্লান্ট। কিন্তু বেলেঘাটা আইডি হাসপাতাল হলো সংক্রামক রোগের চিকিৎসার হাসপাতাল। তাই ডেঙ্গি হোক কিংবা করোনা, সবচেয়ে বেশি রোগীর চাপ থাকে এই বেলেঘাটা আইডি-তেই। তাই নিজের হাসপাতালের রোগীদের চাহিদা মিটিয়ে, আরেক হাসপাতালে কৃত্রিম অক্সিজেন পাঠানো বেশ কঠিন হয়ে যায়।

    কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালেও অক্সিজেন প্লান্ট তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। স্বাস্থ্য দফতরের এক কর্তা বলেন, কাজ অনেকটাই বাস্তবায়িত হলেও চাহিদা পূরণের জন্য এখনো স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়নি। এনআরএস, এসএসকেএম কিংবা আরজিকরের মতো প্রথম সারির মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালগুলো এখনও কৃত্রিম অক্সিজেন তৈরিতে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে পারেনি। 
    বিশেষজ্ঞদের একাংশের আশঙ্কা, যদি ফের করোনা (Covid 19) পরিস্থিতি ২০২০-২১ সালের মতো হয়, তাহলে রাজ্যে আরও ভয়ঙ্কর অবস্থা হবে। 

    চিকিৎসকদের আশঙ্কা, রাজ্যে সচেতনতা একেবারে তলানিতে ঠেকেছে। চিনে করোনার (Covid 19) প্রকোপ বাড়তেই কেন্দ্র সতর্ক করেছে। মাস্ক ব্যবহার অপরিহার্য ঘোষণা করেছে। কিন্তু কলকাতায় মাস্ক উধাও। অতিরিক্ত জনসমাগমেও রাশ টানার পরামর্শ দিয়েছে কেন্দ্র। কিন্তু কেন্দ্রের পরামর্শকে একেবারেই গুরুত্ব দিতে নারাজ রাজ্য। বড়দিনের উৎসব হচ্ছে স্বাভাবিক ছন্দেই। পার্ক স্ট্রিট থেকে ব্যান্ডেল চার্চ, গত দুদিন শহর থেকে জেলা, সর্বত্র উপচে পড়া ভিড়। কোথাও মাস্ক পরার রেওয়াজ নেই। প্রশাসনের তরফেও কোথাও নজরদারি নেই। তাই করোনা সংক্রমণ বাড়বে বলেই আশঙ্কা বিশেষজ্ঞ মহলের। 

    সংক্রমণ বাড়লে রাজ্য সামাল দিতে পারবে তো?

    স্বাস্থ্য কর্তারা অবশ্য বলছেন, ইতিমধ্যেই সরকারি হাসপাতালগুলোতে বেড বাড়ানো হয়েছে। আলাদা করে করোনার জন্য প্রস্তুত করার নির্দেশ ও দেওয়া হয়েছে। কিন্তু রাজ্যের টিকা ঘাটতি অন্যতম সমস্যা বলে মনে করছেন স্বাস্থ্য ভবনের কর্তারা। তারা জানাচ্ছেন, করোনার চতুর্থ ডোজ নেওয়ার প্রবণতা অধিকাংশ মানুষের নেই। তবে, চাহিদা তৈরি হলেও জোগান দেওয়ার ক্ষমতা আপাতত রাজ্যের নেই। বাগবাজারের সেন্ট্রাল স্টোর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, কোভ্যাকসিন ছাড়া আর কোনও করোনার (Covid 19) টিকা তাদের কাছে মজুত নেই। ফলে, টিকা না পেলে করোনা প্রতিরোধ আরও কঠিন হয়ে যাবে।

    আরও পড়ুন: “মেয়েকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ঠকিয়েছে”, শীজানের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক তুনিশার মা

    আপাতত উৎসবে মজে থাকা বাঙালির আগামী বছর কেমন কাটবে সে নিয়ে দুশ্চিন্তায় বিশেষজ্ঞ মহল। কারণ, রাজ্যের সরকারি হাসপাতালে করোনা (Covid 19) প্রস্তুতি ছিটেফোঁটাও নেই। সময় মতো কেন্দ্রকে টিকার প্রয়োজনীয়তাও জানাতে পারেনি রাজ্য। তাই সবরকম টিকা ও ভাণ্ডারে নেই। চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, জনসচেতনতাই রেহাই দিতে পারে। মাস্ক, স্যানিটাইজারের ব্যবহার আর অকারণ ভিড় এড়িয়ে চলাই করোনার ঢেউ আটকাতে পারে। কিন্তু বড়দিনের জনপ্লাবন সেটা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Nasal Vaccine: বুস্টার ডোজ নেওয়ার পর নেজাল ভ্যাকসিন নেওয়া যাবে না, জানালেন কোভিড টাস্ক ফোর্স প্রধান

    Nasal Vaccine: বুস্টার ডোজ নেওয়ার পর নেজাল ভ্যাকসিন নেওয়া যাবে না, জানালেন কোভিড টাস্ক ফোর্স প্রধান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন করে করোনা মাথা চাড়া দিয়ে উঠছে। বিশ্বের একাধিক দেশে বাড়ছে কোভিড। এই পরিস্থিতিতে দেশে বুস্টার ডোজ (Booster Dose) নেওয়ার উপর জোর দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। ইতিমধ্যেই ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে ভারত বায়োটেকের নেজাল ভ্যাকসিন (Nasal Vaccine) iNCOVACC-কে। নতুন করে সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কা দেখা দিতেই কোভিড চিকিৎসার অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে নেজাল ভ্যাকসিনকে। জানানো হয়েছে, করোনার দুটি টিকা ও বুস্টার ডোজ নেওয়ার পর এই নেজাল ভ্যাকসিন নেওয়ার আর দরকার নেই। যারা শুধুমাত্র দু’টি টিকা নিয়েছেন, সেই সমস্ত প্রাপ্তবয়স্করাই এটিকে বুস্টার ডোজ হিসেবে নিতে পারেন।

    কারা নিতে পারবেন নেজাল ভ্যাকসিন?

    গত শুক্রবার ভারত বায়োটেকের ইন্ট্রানাসাল কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনকে ছাড়পত্র দিয়েছে কেন্দ্র। এরপর কোউইন অ্যাপে তা যুক্ত করা হয়। এর দামও বেঁধে দেওয়া হয়েছে। তবে কারা এই ভ্যাকসিন নিতে পারবেন তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে দেশবাসীর। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মান্ডব্য জানান, বুস্টার ডোজ হিসেবে এই টিকা (Nasal Vaccine) নেওয়া যাবে। ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে বয়স যাঁদের, আর যাঁরা আগের দু’টি টিকা কোভ্যাকসিন (Covaxin) বা কোভিশিল্ড (Covishield) নিয়েছেন, তাঁরাই বুস্টার ডোজ হিসেবে এটি নিতে পারবেন। আবার ভ্যাকসিন টাস্ক ফোর্সের প্রধান জানিয়েছেন, যাদের বুস্টার ডোজও নেওয়া হয়ে গিয়েছে, তাঁরা এই নেজাল ভ্যাকসিন নিতে পারবেন না।

    আরও পড়ুন: এখন থেকে বুস্টার ডোজ হিসেবে নিতে পারবেন নেজাল ভ্যাকসিন, দাম কত জানেন?

    বুস্টার ডোজের পর কেন নেওয়া যাবে না নেজাল ভ্যাকসিন?

    কোভিড ওয়ার্কিং গ্রুপের চেয়ারম্যান ডাঃ এনকে অরোরা বলেছেন, “নাকের মাধ্যমে টিকা, এটিকে প্রথম বুস্টার হিসাবে সুপারিশ করা হয়েছে। যদি কোনও ব্যক্তি আগেই বুস্টার ডোজ নিয়ে থাকেন, তবে এটি সেই ব্যক্তির জন্য সুপারিশ করা হয় না। এটি তাদের জন্য, যাঁরা এখনও সতর্কতামূলক ডোজ বা বুস্টার ডোজ নেননি।” তিনি জানিয়েছেন, যদি কেউ চতুর্থ ডোজ নিতে চায়, তবে এতে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। আর এটিকে ‘অ্যান্টিজেন সিঙ্ক’ বলা হয়। যদি একজন ব্যক্তিকে বারবার একটি নির্দিষ্ট ধরণের অ্যান্টিজেন দিয়ে টিকা দেওয়া হয়, তবে শরীর রেসপন্ড করা বন্ধ করে দেয়, বা নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। আর এর জন্যই ভ্যাকসিন ছয় মাসের ব্যবধানে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে, যদিও মানুষ তিন মাসের ব্যবধানে নিয়েছে। কিন্তু এ ক্ষেত্রে এটি খুব বেশি সাহায্য করেনি। তাই এই মুহূর্তে চতুর্থ ডোজ নেওয়ার কোনও কারণ নেই।

    কীভাবে কাজ করবে এই নেজাল ভ্যাকসিন?

    ডাঃ অরোরা জানিয়েছেন, এই ভ্যাকসিন (Nasal Vaccine) প্রতিটি নাসারন্ধ্রে চার ফোঁটা, মোট ০.৫ মিলি ড্রপ দিতে হবে। এটি প্রথমে নাক এবং মুখের মাধ্যমে ভাইরাসের প্রবেশে বাধা সৃষ্টি করবে। এছাড়াও কোভিডের বিরুদ্ধে লড়াই করার পাশাপাশি সমস্ত শ্বাসযন্ত্রের ভাইরাস এবং সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে খুব কার্যকর হতে চলেছে। কোনও পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা দেয় কিনা তার জন্য এই ভ্যাকসিন নেওয়ার পর ১৫ থেকে ৩০ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে।

    ডাঃ অরোরাকে জিজ্ঞেস করা হয়, এই নেজাল ভ্যাকসিন বুস্টার ডোজ হিসেবে নেওয়ার পর আর কোনও বুস্টার ডোজ পরবর্তীতে নিতে হবে কি না। তখন তিনি জানান, এই মুহুর্তে এমন কোনও প্রমাণ নেই যে পরবর্তীতে আরও ভ্যাকসিনের প্রয়োজন হবে কিনা।

  • India Covid: চিনে করোনার বাড়বাড়ন্তের মধ্যেই ভারতে সংক্রমণ খানিকটা কমল

    India Covid: চিনে করোনার বাড়বাড়ন্তের মধ্যেই ভারতে সংক্রমণ খানিকটা কমল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনা ভাইরাসের (India Covid) নতুন ভ্যারিয়েন্ট BF.7-এর সঙ্গে লড়াই করছে প্রতিবেশী দেশ চিন। ভারতে এখনও পর্যন্ত চার জনের শরীরে মিলেছে এই নতুন ভ্যারিয়েন্ট। বিশেষজ্ঞদের দাবি, চিনে BF.7-এর সংক্রমণ যতটা ভয়াবহ হয়েছে, ভারতের অবস্থা ততটাও খারাপ নয়। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশজুড়ে করোনায় আক্রান্তর সংখ্যা কমল ১০ শতাংশের বেশি। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. মনসুখ মাণ্ডব্য সোমবার ভারতীয় মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে কোভিড-১৯ পরিস্থিতি এবং প্রস্তুতি নিয়ে একটি ভার্চুয়াল বৈঠক করেন। 

    তবে এরই মধ্যে এসেছে কিছু ভয়েরও খবর। আগ্রার তাজমহলে সম্প্রতি চিন থেকে ফিরে আসা এক ব্যক্তির শরীরে রবিবার করোনা ভাইরাসের (India Covid) অস্তিত্ব পাওয়া গিয়েছে। তবে তা কোন ভ্যারিয়েন্ট সেটা এখনও জানা যায়নি। জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের জন্য নমুনা লখনউতে পাঠানো হয়েছে। ওই ব্যক্তি কার কার সংস্পর্শে এসেছেন, এখন তা জানার চেষ্টা করছে প্রশাসন। আগ্রা বিমানবন্দর, রেল স্টেশন ও বাস স্ট্যান্ডগুলিতে র‍্যাপিড টেস্ট চালানো হচ্ছে। তাজমহলে কোভিড পরীক্ষার রিপোর্ট ছাড়া ঢুকতে দেওয়া হবে না বলেও নির্দেশিকা জারি করেছে আগ্রা পৌর সংস্থা।

    আরও পড়ুন: সময়ের আগেই পৌঁছল গন্তব্যে, ট্রায়াল রানেই সুপারহিট বন্দে ভারত এক্সপ্রেস 

    এই মুহূর্তে দেশের করোনা পরিস্থিতি কী?

    গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ১৯৬ জনের করোনা (India Covid) আক্রান্ত হওয়ার খবর মিলেছে। রবিবার একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ২২ জন। গত একদিনে করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ১৯০ জন। দেশে সব মিলিয়ে করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ৪ কোটি ৪১ লক্ষের বেশি মানুষ। দেশে করোনা থেকে সুস্থতার হার ৯৮.৮ শতাংশ। ৪ বিদেশি পর্যটকের শরীরে মিলেছে করোনার হদিশ।  এর মধ্যে রয়েছেন মায়ানমার থেকে আসা ১ পর্যটকও। এই ৪ বিদেশি পর্যটকেরই খোঁজ মিলেছে বুদ্ধগয়ায়। ব্যাঙ্কক থেকে একই উড়ানে এসেছিলেন এই বিদেশি পর্যটকরা। ওই বিমানে ছিলেন মোট ৩৩ জন যাত্রী। সব যাত্রীর দিকেই লক্ষ্য রেখেছে প্রশাসন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
  • Covid Precautions: ‘মেডিক্যাল অক্সিজেনের নিয়মিত সরবরাহ নিশ্চিত করুন’, রাজ্যগুলিকে নির্দেশ কেন্দ্রের

    Covid Precautions: ‘মেডিক্যাল অক্সিজেনের নিয়মিত সরবরাহ নিশ্চিত করুন’, রাজ্যগুলিকে নির্দেশ কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন করে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে করোনা। গত কয়েকদিন ধরেই চিন-সহ এশিয়ার বেশ কিছু দেশে ফের করোনা সংক্রমণ বাড়ছে। আতঙ্ক ছড়িয়েছে এ দেশেও। ফলে এখন থেকেই বিভিন্ন পদক্ষেপ নিতে দেখা যাচ্ছে কেন্দ্রকে। এই আবহে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকও করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রকের উচ্চ পদস্থ কর্তাদের সঙ্গে। আবার ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রক শনিবার সমস্ত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে কোভিড-১৯ মোকাবিলায় মেডিক্যাল অক্সিজেনের নিয়মিত সরবরাহ সুনিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছে। এর পাশাপাশি কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ করার জন্য বলা হয়েছে (Covid Precautions)।

    অক্সিজেন নিয়ে সতর্কবার্তা কেন্দ্রের

    শুক্রবারই সব রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রীদের নিয়ে বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এর পর শনিবার পাঠানো হয়েছে ওই নির্দেশিকা। রাজ্যগুলিকে পাঠানো ওই নির্দেশিকায় করোনা নিয়ে মূলত ৬টি সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, স্বাস্থ্য পরিকাঠামোয় গুরুত্ব দেওয়ার কথাও জানানো হয়েছে রাজ্যগুলিকে। এদিন রাজ্যগুলোকে চিঠিতে বলা হয়েছে, রোগীর যত্ন এবং কোভিড মোকাবিলার ক্ষেত্রে ঠিক মত অক্সিজেন সরবরাহ গুরুত্বপূর্ণ। যদিও দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা কম ও এখন পর্যন্ত তেমন কোনও আক্রান্তের সংখ্যা নেই। তবে ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি আসার আগেই গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়ে রাখার কথা জানানো হয়েছে। ফলে নিয়মিত মেডিক্যাল অক্সিজেনের সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য রাজ্যগুলিতে চিঠি লিখেছে কেন্দ্র (Covid Precautions)। অক্সিজেনের ব্যাপারে যে সব বিষয়ে রাজ্যগুলোকে বিশেষ নজর দিতে বলা হয়েছে, সেগুলো হল-

    ১) অক্সিজেন উৎপাদনকারী প্ল্যান্টগুলি সম্পূর্ণরূপে সক্রিয় রাখা এবং তাদের পরীক্ষা করার জন্য নিয়মিত মক ড্রিল করার কথা বলা হয়েছে।

    ২) লিকুইড অক্সিজেনের যেন ঘাটতি না হয় এবং রিফিল করার জন্য ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

    ৩) অক্সিজেন সিলিন্ডার পর্যাপ্ত পরিমাণে মজুত এবং রিফিলিং সিস্টেম বজায় রাখার কথা বলা হয়েছে।

    ৪) অক্সিজেন প্ল্যান্ট, ভেন্টিলেটর ইত্যাদির উপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কোভিড-১৯ হাসপাতালগুলির প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।

    ৫) অক্সিজেন-সম্পর্কিত সমস্যা দ্রুত সমাধানের জন্য বিভিন্ন জায়গায় কন্ট্রোল রুম খোলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    উল্লেখ্য, করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের সময় দেশ জুড়ে অক্সিজেনের যে অভাব দেখা গিয়েছিল, সেই পরিস্থিতি যাতে আবার তৈরি না হয়, তা নিশ্চিত করতে রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে এদিন চিঠি পাঠিয়েছে কেন্দ্র। আর তাই সেখানে বলা হয়েছে হাসপাতাল গুলিতে যাতে পর্যাপ্ত পরিমাণে অক্সিজেন সরবরাহে কোন সমস্যা না হয়, তা এখন থেকেই নিশ্চিত করতে হবে (Covid Precautions)।

  • Mock Drill: অতিমারি মোকাবিলায় প্রস্তুত দেশ? দেশজুড়ে হাসপাতালগুলোতে চলল কোভিড ‘মক ড্রিল’

    Mock Drill: অতিমারি মোকাবিলায় প্রস্তুত দেশ? দেশজুড়ে হাসপাতালগুলোতে চলল কোভিড ‘মক ড্রিল’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনা ফের নতুন করে আতঙ্কের সৃষ্টি করছে। করোনার নতুন সাব ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে উদ্বিগ্ন ভারত। চিনে কোভিডের সংক্রমণ বৃদ্ধি হয়েই চলেছে। এছাড়াও দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, আমেরিকা, ব্রিটেন ও ফ্রান্সেও সংক্রমণ বৃদ্ধি হয়েছে। আর এবারে দেশেও যাতে করোনার বাড়বাড়ন্ত না হয়, তার জন্যই কেন্দ্রের তরফে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। কোভিড মোকাবিলায় প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে এদিন দেশের সবকটি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিতে ‘মক ড্রিল’ (Mock Drill) করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মান্ডব্য মঙ্গলবার দিল্লির সফদরজং হাসপাতালে মক ড্রিল চলাকালীন উপস্থিত ছিলেন।

    কী এই ‘মক ড্রিল’?

    কেন্দ্রের উদ্যোগে আজ দেশজুড়েই চলবে নজরদারি, আর একেই বলা হচ্ছে ‘মক ড্রিল’ (Mock Drill)। অর্থাৎ কেন্দ্রীয় সরকারের পরামর্শ অনুসারে, কোভিড ১৯ সম্পর্কিত যে কোনও পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের হাসপাতালগুলি তৈরি কিনা তার নজরদারিই হল মক ড্রিল। করোনার সঙ্গে মোকাবিলা করতে সমস্ত প্রস্তুতি যে একেবারে পাকা, তা নিশ্চিত করতে মঙ্গলবার বেশ কয়েকটি রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের হাসপাতালে মক ড্রিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    আরও পড়ুন: রাজ্যে করোনা টিকার ভাঁড়ার শূন্য! সাফাই শাসকদলের, তীব্র কটাক্ষ বিজেপির

    মক ড্রিলে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মান্ডব্য

    কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মান্ডব্য নিজে সকাল ১০টা ৪৫ মিনিট নাগাদ দিল্লির সফদরজং হাসপাতালের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে যান। এরপর ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের (IMA) ডাক্তারদের সঙ্গে আজ বৈঠকও আছে তাঁর। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে আজ স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন – বিশ্বব্যাপী কোভিড পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে।” তিনি আরও বলেন, “আমাদের প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে হবে। দিল্লির সফদরজং হাসপাতাল যেভাবে প্রস্তুত, আমরা চাই অন্যান্য হাসপাতালগুলিও প্রস্তুত থাকুক। রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রীরা যাতে নিশ্চিত করেন যে সর্বত্র প্রোটোকল অনুসরণ করা হচ্ছে।”

    কী কী বিষয় খতিয়ে দেখা হবে মক ড্রিলে?

    এই মক ড্রিলে (Mock Drill) দেখা হবে আইসোলেশন বেডের সংখ্যা, অক্সিজেনযুক্ত বেডের সংখ্যা, আইসিইউ এবং ভেন্টিলেটর যুক্ত বেডের সংখ্যা। এছাড়া চিকিৎসক, নার্স, প্যারামেডিক্যাল, আশা ও অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের সর্বোচ্চ কতসংখ্যক ফ্রন্টলাইন কর্মী রয়েছেন, তাও খতিয়ে দেখা হবে। এছাড়াও মক ড্রিলে জোর দেওয়া হচ্ছে কোভিড মোকাবিলায় পেশাদাররা কতটা প্রশিক্ষিত তার ওপরে। গুরুতর পরিস্থিতির ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য পরিষেবায় প্রশিক্ষিতরা কতটা ভেন্টিলেটরি ম্যানেজমেন্ট করতে পারছেন তাও খতিয়ে দেখা হবে। পাশাপাশি অ্যাডভান্স এবং বেসিক লাইফ সাপোর্ট, পিএসএ প্ল্যান্টের পরিচালনায় কর্মীরা কতটা দক্ষ তাও খতিয়ে দেখা হবে। এছাড়াও অ্যাম্বুলেন্স, পরীক্ষার সরঞ্জাম, প্রয়োজনীয় ওষুধের ওপরেও নজর রাখা হবে।

  • Nasal Vaccine: ছাড়পত্র দিয়েছে কেন্দ্র, জানুন বিশ্বের প্রথম ন্যাজাল ভ্যাকসিন ‘ইনকোভ্যাক’-এর অ-আ-ক-খ

    Nasal Vaccine: ছাড়পত্র দিয়েছে কেন্দ্র, জানুন বিশ্বের প্রথম ন্যাজাল ভ্যাকসিন ‘ইনকোভ্যাক’-এর অ-আ-ক-খ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোভিডের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বড়সড় পদক্ষেপ নিয়েছে কেন্দ্র। বিশ্বের প্রথম ন্যাজাল ভ্যাকসিন (Nasal Vaccine) হিসাবে ভারত বায়োটেকের ‘ইনকোভ্যাক’- কে ছাড়পত্র দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। শর্তসাপক্ষে আপৎকালীন ব্যবহারের জন্য এই ছাড়পত্র দিয়েছে কেন্দ্র। কোভিডের বিরুদ্ধে ভারতের লড়াইয়ে এই টিকাই নয়া ভূমিকা পালন করতে চলেছে বলে মনে করা হচ্ছে। এর বেশ কয়েকটি পর্বের ট্রায়াল সম্পন্ন হলেও , এর কার্যকারিতা সম্পর্কিত তথ্য এখনও প্রকাশ্যে আসেনি।

    জেনে নিন এই টিকার বিষয়ে জরুরী কিছু তথ্য

    ইনকোভ্যাক কী?

    ইনকোভ্যাক হল কোভিড ১৯- এর বিরুদ্ধে ইন্ট্রা ন্যাজাল ভ্যাকসিন (Nasal Vaccine) । পুরো নাম ইনকোভ্যাক BBV154। ভারত বায়োটেকের ওয়েবসাইটে দাবি করা হয়েছে, এই ভ্যাকসিন SARS-CoV-2- এর বিরুদ্ধে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করবে। 

    ইন্ট্রা ন্যাজাল ভ্যাকসিন কী?

    এই ভ্যাকসিনে (Nasal Vaccine) সূচের ব্যবহার করা হবে না। নাক দিয়ে নেওয়া হবে এই টিকা। 

    এই টিকা নেওয়ার পদ্ধতি কী?

    প্রতি নাকের ফুটোয় ৪ ফোঁটা করে টিকা নিতে হবে। চার সপ্তাহের ব্যবধানে দুবার নিতে হবে এই টিকা।

    লাইসেন্স রয়েছে এই টিকার?

    সেন্ট্রাল ড্রাগ স্ট্যান্ডার্ড কন্ট্রোল অর্গানাইজেশন এই টিকা বাজারে আনার ছাড়পত্র দিয়েছে।

    পার্শ্ব পতিক্রিয়া

    টিকা (Nasal Vaccine) নেওয়ার পর জ্বর, মাথা ব্যাথা, নাক দিয়ে জল পড়া, হাঁচির মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে। 

    কারা নিতে পারবেন এই টিকা?

    ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে সবাই এই টিকা নিতে পারেন।

    কারা এই টিকা নিতে পারবেন না?

    যাদের ভয়ঙ্কর অ্যালার্জি, টিকায় অ্যালার্জি বা এই মুহূর্তে জ্বর রয়েছে তাদের এই টিকা (Nasal Vaccine) নিতে নিষেধ করা হয়েছে?

    আরও পড়ুন: অক্টোবরে ইপিএফও অ্যাকাউন্টের ১৩ লক্ষ নতুন সাবস্ক্রাইবার, বেশিরভাগই ১৮-২১- এর মধ্যে 

    এই টিকা থেকে কি করোনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে?

    না, এই টিকা (Nasal Vaccine) থেকে করোনা হওয়ার কোনও সুযোগ নেই।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Covid 19: তিন মাসে চিনে তিন সংক্রমণ ঢেউয়ের আশঙ্কা! কেন জানেন?   

    Covid 19: তিন মাসে চিনে তিন সংক্রমণ ঢেউয়ের আশঙ্কা! কেন জানেন?   

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিন মাসে চিনে (China) তিন সংক্রমণ ঢেউয়ের আশঙ্কা! অন্তত বিশেষজ্ঞদের ভবিষ্যদ্বাণী তাই। তাঁদের মতে, নতুন মিউটেটেড করোনা (Covid 19) স্ট্রেনের আঁতুড়ঘর হয়ে উঠেছে চিন। এমনিতেই এই মুহূর্তে সংক্রমণের শীর্ষে শি জিনপিংয়ের দেশ। নিত্যদিন প্রাণঘাতী করোনায় মৃত্যু হচ্ছে হাজার হাজার মানুষের। দেশের শ্মশানঘাটগুলিতে লাশের স্তূপ। দেহ দাহ করতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন শ্মশানবন্ধুরা। যদিও চিনের দাবি, দেশে করোনায় মৃত্যুর হার শূন্য। তার কারণ, চিন সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, শুধুমাত্র নিউমোনিয়া ও শ্বাসপ্রশ্বাস জনিত সমস্যায় মৃত্যুকে কোভিডে প্রাণহানি বলে গণ্য করা হবে।

    সংক্রমণ ঠেকাতে…

    তিন বছর আগের এক ডিসেম্বরে চিনের উহান শহরে প্রথম মেলে করোনা ভাইরাসের খোঁজ। সেখান থেকে ক্রমশ ছড়িয়ে পড়ে গোটা বিশ্বে। সংক্রমণ ঠেকাতে লকডাউন সহ নানা পন্থা অবলম্বন করে চিন সরকার। করা হয় জিরো কোভিড নীতি গ্রহণ। চিন সরকার সাফ জানিয়ে দেয়, দেশ কোভিড (Covid 19) শূন্য না হওয়া পর্যন্ত কোভিডবিধি শিথিল করা হবে না। সেই লক্ষ্যে নিভৃতবাস শিবির, লকডাউন, মাস্ক পরা, দূরত্ববিধি সবই বজায় ছিল চিনে। তবে কম ছিল টিকাকরণের হার। যেটুকু টিকাকরণ হয়েছে, তাতেও কম শক্তিশালী দেশীয় কোভিড ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছিল। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই কারণে চিনাদের শরীরে কোভিড রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয়নি। তাঁদের উপযুক্ত টিকাকরণও হয়নি।

    আরও পড়ুন:ফের বাড়তে পারে করোনা! পজিটিভ নমুনার জিনোম সিকোয়েন্সিং করার নির্দেশ কেন্দ্রের

    চিন সরকার জিরো কোভিড নীতি গ্রহণ করায় দেশে শুরু হয় সরকার বিরোধী আন্দোলন। উরুমছিতে কোয়রান্টিন থাকা একটি বাড়িতে আগুন লেগেছিল কিছু দিন আগে। সরকারি নিষেধাজ্ঞার জেরে বাড়ি থেকে বেরতে না পেরে মৃত্যু হয় ওই বাড়ির ১০ জন বাসিন্দার। ঘটনার জেরে ব্যাপক বিক্ষোভ হয় সে দেশে। প্রবল বিক্ষোভের জেরে কোভিড নীতি শিথিল করতে বাধ্য হয় শি জিনপিংয়ের সরকার। আচমকা এই শিথিলতার জেরে ফের ঊর্ধ্বমুখী করোনা সংক্রমণের গ্রাফ। সংক্রমণ বিশেষজ্ঞদের দাবি, চলতি শীতেই করোনার (Covid 19) তিনটি ঢেউ আছড়ে পড়তে পারে ড্রাগনের দেশে। চাইনিজ সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন এর প্রধান সংক্রমণ বিশেষজ্ঞ উ জুনইউ বলেন, তিন মাসে তিনটি ঢেউ এসে পড়বে। প্রথম ঢেউটি এখন থেকে জানুয়ারির মাঝামাঝি অবধি চলবে। দ্বিতীয় ঢেউটি আসবে ঠিক তার পরেই। তাঁর অনুমান, তৃতীয় ঢেউটি আসবে ফেব্রুয়ারির শেষে, চলবে মার্চের মাঝামাঝি পর্যন্ত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
  • Omicron BF.7: চিনে আতঙ্ক সৃষ্টি করা ‘BF.7’ কোভিড ভ্যারিয়েন্টর হদিশ এদেশেও! বিপদ কতটা?

    Omicron BF.7: চিনে আতঙ্ক সৃষ্টি করা ‘BF.7’ কোভিড ভ্যারিয়েন্টর হদিশ এদেশেও! বিপদ কতটা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনার (Covid 19) করাল গ্রাসে চিন (China)! প্রতিদিন মৃত্যুর কবলে ঢলে পড়ছেন বহু মানুষ। শ্মশানঘাটগুলিতে লাশের পাহাড়। যদিও শি জিনপিং সরকারের দাবি, দেশে করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে। তবে কেবল চিন নয়, বিশ্বের আরও কয়েকটি দেশেও চোখ রাঙাচ্ছে মারণ ভাইরাস করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট (Omicron BF.7)।

    জিনোম সিকোয়েন্সিং…

    ঘটনার জেরে উদ্বেগ বাড়ছে ভারতেও (India)। বুধবার দেশের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠকে বসেছিল কেন্দ্রীয় সরকার। এদিন বিকেলে জানা গিয়েছে, করোনার যে ভ্যারিয়েন্টের কারণে চিনে সংক্রমণের লেখচিত্র ঊর্ধ্বমুখী, তার খোঁজ মিলেছে ভারতেও। করোনা সংক্রমিত রোগীদের জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের মাধ্যমে জানা গিয়েছে, আচমকা সংক্রমণ বৃদ্ধির পিছনে রয়েছে করোনার সাব ভ্যারিয়েন্ট বিএফ. ৭ (Omicron BF.7)। চিনে সংক্রমিত সিংহভাগ মানুষের দেহেই মিলেছে করোনার এই সাব ভ্যারিয়েন্টের খোঁজ। কেবল চিন নয়, আমেরিকা, ব্রিটেন, বেলজিয়াম, জার্মানি, ফ্রান্স, ডেনমার্ক সহ বিভিন্ন দেশেও এই সাব ভ্যারিয়েন্টের খোঁজ মিলেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, করোনার (Covid 19) অন্যতম শক্তিশালী রূপ ওমিক্রনেরই সাব ভ্যারিয়েন্ট হল বিএফ. ৭। ওমিক্রনের বিএ.৫ থেকে সাব ভ্যারিয়েন্ট হিসেবে সৃষ্টি হয়েছে এই ভাইরাসের।

    আরও পড়ুন: দেশে মিলল করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট! রাজ্যে কোভিড নজরদারিতে বিশেষ কমিটি

    বিএফ. ৭ (Omicron BF.7) সাব ভ্যারিয়েন্টের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হল, এটি অত্যন্ত সংক্রমণশীল। শরীরে এই ভাইরাসের স্থায়িত্ব তুলনামূলকভাবে অনেকখানি কম। ফলে দ্রুত যেমন সংক্রমণ ছড়াতে পারে, তেমনই সংক্রমিত হল, দ্রুত তা ছড়িয়ে পড়ে গোটা শরীরে। জানা গিয়েছে, করোনার এই সাব ভ্যারিয়েন্ট এতই শক্তিশালী যে যাঁরা টিকাপ্রাপ্ত, তাঁরাও যে কোনও সময় করোনা সংক্রমিত হতে পারেন। তবে এই সংক্রমণ প্রাণঘাতী রূপ নিতে পারে কি না, তা এখনও জানা যায়নি।

    এদিকে, দেশে করোনার (Covid 19) বাড়বাড়ন্ত রুখতে বুধবার জরুরি বৈঠকে বসে কেন্দ্র। এমতাবস্থায় জনবহুল স্থানে মাস্ক পরে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে দেশবাসীকে। সরকারের তরফে এও জানানো হয়েছে, অযথা ভীত হওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই। এদিন বৈঠক শেষে ট্যুইট করেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনশুখ মাণ্ডব্য। ট্যুইট বার্তায় তিনি লেখেন, কোভিড এখনও অতীত হয়নি। আমি সংশ্লিষ্ট সব মহলকে এ ব্যাপারে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিচ্ছি। আমরা যে কোনও পরিস্থিতির মোকাবিলায় তৈরি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Bharat Jodo Yatra: করোনা আবহেও ভারত জোড় যাত্রা! রাহুলকে বিঁধল বিজেপি

    Bharat Jodo Yatra: করোনা আবহেও ভারত জোড় যাত্রা! রাহুলকে বিঁধল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিন (China) সহ একাধিক দেশে চোখ রাঙাচ্ছে করোনা (Corona)। ভারতেও (India) খবর মিলেছে  সংক্রমণের। পরিস্থিতির মোকাবিলায় বৈঠকে বসেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে জনসভা বাতিল করেছেন তিনি। সংসদ সহ অন্যান্য ক্ষেত্রে যেখানে ভিড় হচ্ছে, সেখানেই মাস্ক পরে যাচ্ছেন তিনি। এমতাবস্থায় করোনা বিধি না মেনেই ভারত জোড় যাত্রা (Bharat Jodo Yatra) করে চলেছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। করোনা সংক্রমণের আবহে তাঁর এই কর্মসূচি কতটা প্রাসঙ্গিক, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিজেপি।

    ভারত জোড় যাত্রা…

    কন্যাকুমারিকা থেকে কাশ্মীর পর্যন্ত ভারত জোড় যাত্রা কর্মসূচি পালন করছে কংগ্রেস। এই পদযাত্রায় শামিল হয়েছেন খোদ রাহুল গান্ধী। বর্তমানে হরিয়ানায় পালিত হচ্ছে এই কর্মসূচি। তার আগে হয়েছে রাজস্থানে। রাহুলের ভারত জোড় যাত্রা যখন রাজস্থানে, তখনই কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনশুখ মাণ্ডব্য রাহুলকে চিঠি লিখে করোনা বিধি মেনে চলার পরামর্শ দেন। না হলে আপাতত যাত্রা স্থগিত রাখার নিদান দেন। তার পরেও ভারত জোড় যাত্রা চালিয়ে যাচ্ছেন রাহুল। আগামিকাল, শনিবার ভারত জোড় যাত্রা ঢুকবে দিল্লিতে। বড়দিন ও নববর্ষ উপলক্ষে শনিবারের পর থেকে ২ জানুয়ারি পর্যন্ত বন্ধ থাকবে এই কর্মসূচি।

    রাহুলের এই ভারত জোড় যাত্রা (Bharat Jodo Yatra) কর্মসূচিতে অনড় থাকার সিদ্ধান্তে তাঁকে আক্রমণ শানিয়েছেন বিজেপি নেতৃত্ব। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর বলেন, মাসাধিক কাল ধরে চলছে ভারত জোড় যাত্রা। এর মধ্যে ফের হানা দিয়েছে করোনা। করোনার মোকাবিলায় ভারত সরকার পদক্ষেপ করছে। তাহলে কংগ্রেস কেন বিরোধিতা করছে? করোনাবিধি সকলের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী এনএস তোমর বলেন, গোটা দেশেই অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পড়েছে কংগ্রেস। দল বাঁচাতে হচ্ছে ভারত জোড় যাত্রা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে যে নিউ ইন্ডিয়া নির্মাণ হচ্ছে, তা হজম করতে পারছে না কংগ্রেস। করোনা বিধিকে রাজনীতির দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা না করাই ভাল। আর এক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পি জোশী বলেন, আমি চাই রাহুল গান্ধী ভারত জোড় যাত্রা (Bharat Jodo Yatra) কর্মসূচি পালন করুন। তাঁর একটা রেকর্ড রয়েছে। সেটি হল, যেখানেই তিনি যান, সেখানেই কংগ্রেস পরাজিত হয়। তবে আমি আশা করব, তিনি করোনাবিধি মেনে চলবেন।

     

  • Covid in China: চিনে আগামী এক সপ্তাহে শিখরে পৌঁছবে করোনা সংক্রমণ, দাবি বিশেষজ্ঞদের

    Covid in China: চিনে আগামী এক সপ্তাহে শিখরে পৌঁছবে করোনা সংক্রমণ, দাবি বিশেষজ্ঞদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনার (Covid in China) চোখ রাঙানি কমার লক্ষণই নেই। ফি বছর নতুন ঢেউ নিয়ে হাজির হচ্ছে এই মারণ ভাইরাস। করোনায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ চিন। চিনে সংক্রমণ কমার কোনও নাম নেই। বরং দিন দিন বেড়েই চলেছে। প্রতিবেশী দেশে ফের ঊর্ধ্বমুখী করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা। সরকারের দেওয়া পরিসংখ্যানের থেকে মৃত্যুর সংখ্যা অনেকটাই বেশি বলে অভিযোগ করেছে সে দেশের জনগণ। অভিযোগ, করোনার জেরে চিনে লাগাতার মানুষ মারা যাচ্ছে। তবে তা স্বীকার করতে রাজি নয় জিনপিং সরকার।

    আরও পড়ুন: উদয়পুর দরজি খুন নিয়ে চার্জশিট পেশ এনআইএ- র, পাক যোগ?

    কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা? 

    এরই মধ্যে মহামারি বিশেষজ্ঞদের দাবিতে আতঙ্ক ছড়িয়েছে চিনে। বিশেষজ্ঞদের দাবি, চিনে আগামী ২ মাসে ৩ টি করোনার (Covid in China) ঢেউ আছড়ে পড়বে। যাতে বহু মানুষ মারা যেতে পারেন। আগামী এক সপ্তাহে করোনা সংক্রমণ শিখরে পৌঁছবে বলে দাবি করেছেন বিশেষজ্ঞরা। দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা পৌঁছবে ৫ হাজারে। বিশেষজ্ঞদের আরও দাবি, এখন যে ঢেউ আছড়ে পড়েছে সেটি আসলে প্রথম। এরপর আরও ২টি ঢেউ আছড়ে পড়তে পারে। প্রাথমিকভাবে মহামারি বিশেষজ্ঞদের অনুমান, রাজধানী বেজিংয়ে প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ করোনায় সংক্রমিত। লক্ষ লক্ষ মানুষ ঘরবন্দি। হাসপাতালগুলিতেও বাড়ছে করোনা আক্রান্তদের ভিড়।   

    সংক্রমণ এতটাই বেড়েছে যে, সোমবার রাজধানী বেজিংয়ে ২ জনের মৃত্যুও হয়েছে। যদিও করোনায় চিনে আরও বেশি সংখ্যক মানুষ মারা গিয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। 

    স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, চিনের শহরগুলোতে করোনা সংক্রমণ বাড়ার মূল কারণ করোনা (Covid in China) ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন। ওমিক্রনের দুটি উপ-ভ্যারিয়েন্ট, BA.5.2 এবং BF.7 দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। রাজধানী বেজিং BF.7-এর সংক্রমণ বেড়েই চলেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, BF.7 কে সবচেয়ে দ্রুত ছড়িয়ে পড়া ভাইরাসের আখ্যা দিয়েছে। 

    বিশেষজ্ঞদের আরও দাবি, ওমিক্রনের উপ-ভ্যারিয়েন্টই দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে, তবে তারা ডেল্টা রূপের মতো বিপজ্জনক নয়। নতুন সাব-ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত হলে গলায় মারাত্মক সংক্রমণ, শরীরে ব্যথা, হালকা বা খুব বেশি জ্বর হতে পারে। ২২ ডিসেম্বর দেশজুড়ে আক্রান্ত (Covid in China) হয়েছেন প্রায় ৪ হাজার চিনবাসী।

    চিন প্রশাসনের দাবি, টিকাকরণের জেরে চিনে (Covid in China) মৃত্যুর সংখ্যা কমেছে। তবে আগামী বছর সে দেশে ১০ লক্ষ করোনা আক্রান্তের মৃত্যু হতে পারে বলে দাবি করেছেন আমেরিকার এক গবেষক। তাঁর দাবি, ২০২৩ সালে চিনে করোনা বিস্ফোরণ হতে পারে।

    চিন প্রশাসনের দেওয়া তথ্য (Covid in China) অনুসারে, এখনও পর্যন্ত ৬০ বছরের বেশি জনসংখ্যার ৮৭% সম্পূর্ণরূপে টিকা দেওয়া হয়েছে। তবে ৮০ বছরের বেশি বয়সী বয়স্কদের মধ্যে মাত্র ৬৬.৪ শতাংশ টিকা দেওয়া হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share