Tag: Covid pandemic

Covid pandemic

  • PM Modi: “ভারতে ১০টি নয়া সেমিকন্ডাক্টর প্রকল্প উৎপাদনে এসেছে”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “ভারতে ১০টি নয়া সেমিকন্ডাক্টর প্রকল্প উৎপাদনে এসেছে”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারতে ১০টি নতুন সেমিকন্ডাক্টর প্রকল্প উৎপাদনে আসার ফলে এর বহুগুণ প্রভাব ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্প, স্টার্টআপ এবং ইলেকট্রনিক শিল্পের পুরো ভ্যালু চেইনে পৌঁছে যাবে (Micron Plant Inauguration)।” মাইক্রনের সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদন কেন্দ্রের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। আন্তর্জাতিক বাজারে ভারতের অবস্থান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “বিশ্বের কাছে বার্তা পৌঁছে গিয়েছে—ভারত সক্ষম, প্রতিযোগিতামূলক এবং প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমি বিশ্বব্যাপী বিনিয়োগকারী ও ভারতের অংশীদারদের আশ্বস্ত করছি যে কেন্দ্রীয় সরকার ও রাজ্য সরকার—উভয়ই আপনাদের পাশে রয়েছে।”

    দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব (PM Modi)

    বর্তমান প্রযুক্তিগত দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব সম্পর্কে তিনি বলেন, “এই দশক ভারতের প্রযুক্তি ভবিষ্যতের জন্য এক মোড় পরিবর্তনের সময় হিসেবে প্রমাণিত হবে।” বিশ্ব প্রযুক্তি শক্তির পরিবর্তন প্রসঙ্গে মোদি বলেন, “এটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) বিপ্লবের শতাব্দী। সেমিকন্ডাক্টর এই বিপ্লবের একটি প্রধান সেতুবন্ধন। গত শতাব্দীতে যেমন তেল ছিল নিয়ন্ত্রক শক্তি, এই শতাব্দীতে মাইক্রোচিপ হবে নিয়ন্ত্রক।” তিনি আরও বলেন, “যখন বিশ্ব কোভিড মহামারির সঙ্গে লড়াই করছিল, তখনই ভারত সেমিকন্ডাক্টর প্রকল্প ঘোষণা করেছিল। মহামারির সময় সবকিছু ভেঙে পড়ছে বলে মনে হচ্ছিল। কিন্তু আমরা যে দৃঢ় বিশ্বাস নিয়ে বীজ বপন করেছিলাম, তা এখন অঙ্কুরিত হয়ে ফল দিচ্ছে (PM Modi)।” দেশে ইলেকট্রনিক পণ্যের চাহিদা ও উৎপাদন বৃদ্ধির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “ভারতের বিশাল জনসংখ্যার একটি বড় অংশ এখন (Micron Plant Inauguration) গ্যাজেটের বড় ভোক্তা হয়ে উঠছে এবং দেশে চাহিদা বাড়ছে। ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ পূর্ণ গতিতে এগিয়ে চলছে। গত ১১ বছরে ইলেকট্রনিক উৎপাদন ও রফতানি বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।”

    বিশ্বব্যাপী গ্রাহকদের সেবা

    সানন্দে নির্মিত এই উৎপাদন কেন্দ্রটি পূর্ণ সক্ষমতায় চালু হলে প্রায় ৫ লাখ বর্গফুট ক্লিনরুম স্পেস থাকবে, যা বিশ্বের বৃহত্তম রেইজড-ফ্লোর ক্লিনরুমগুলোর একটি হবে। এই কেন্দ্রটি বিশ্বব্যাপী গ্রাহকদের সেবা দেবে এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও উচ্চ-ক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটিংয়ের দ্রুত অগ্রগতির ফলে মেমোরি ও স্টোরেজ সমাধানের যে বাড়তি বৈশ্বিক চাহিদা তৈরি হয়েছে, তা পূরণে সহায়তা করবে (PM Modi)। মোট ২২,৫০০ কোটিরও বেশি রুপি বিনিয়োগে এই প্রকল্পের নির্মাণকাজ অনুমোদনের পরপরই শুরু হয়, যা দেশে কৌশলগত সেমিকন্ডাক্টর বিনিয়োগ দ্রুত বাস্তবায়নে সরকারের অঙ্গীকারের প্রতিফলন। এই উৎপাদন কেন্দ্রের স্থাপন ও কার্যক্রম শুরু হওয়া প্রমাণ করে যে ভারত এখন সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদনের ক্ষেত্রে একটি বিশ্বস্ত ও প্রতিযোগিতামূলক গন্তব্য হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। এটি (Micron Plant Inauguration) দেশে একটি স্থিতিশীল ও আত্মনির্ভর প্রযুক্তি ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার প্রধানমন্ত্রীর ভিশনের সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ (PM Modi)।

     

  • Amit Shah on CAA: “মমতা দিদি, আপনি কিছুই করতে পারবেন না…”, কোন প্রসঙ্গে একথা বললেন অমিত শাহ?

    Amit Shah on CAA: “মমতা দিদি, আপনি কিছুই করতে পারবেন না…”, কোন প্রসঙ্গে একথা বললেন অমিত শাহ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনা ঢেউ কমলেই সিএএ (CAA) চালু করা হবে। বঙ্গ (West Bengal) সফরে এসে এমনটা ফের একবার জানিয়ে দিলেন অমিত শাহ (Amit Shah)।

    রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Assembly elections) পর প্রায় বছরখানেক কেটে গিয়েছে। দু দিনের সফরে বাংলায় এসেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Union Home minister) অমিত শাহ। বৃহস্পতিবার দুপুরে বনগাঁর পেট্রাপোল সীমান্তে বিএসএফের (BSF) হরিদাসপুর ১৫৮ ব্যাটালিয়নে আসেন দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। ‘মৈত্রী মিউজিয়ামের’ শিলান্যাস করেন। সেখানেই বিজেপি (BJP) নেতা সাংসদ শান্তনু ঠাকুর (Santanu Thakur) সহ বিজেপি নেতা কর্মীরা দেখা করেন শাহের সঙ্গে। 

    বৈঠক শেষে শান্তনু ঠাকুর জানান, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগেই বাংলায় ‘সিএএ’ চালু করতে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার। সাংবাদিকদের পাল্টা প্রশ্নের উত্তরে বিজেপি সাংসদ ও মতুয়া মহাসংঘের প্রধান জানান, যদিও এবিষয়ে তাঁর সঙ্গে কোন কথাও হয়নি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর।

    কিন্তু শান্তনু ঠাকুরের সঙ্গে আলোচনায় যে সিএএ প্রসঙ্গ উঠেছে তা বোঝা গেল শিলিগুড়িতে অমিত শাহের জনসভায়। সভা থেকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্টই জানান, করোনা প্রকোপ কমলেই চালু হবে সিএএ। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করে অমিত বলেন, “তৃণমূল (TMC) সিএএ-র বিরোধিতা করছে। সেকারণেই মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে। তৃণমূল বলছে, সিএএ নাকি কোনও দিনই বাস্তবের আলো দেখবে না। কিন্তু আমি পরিষ্কার বলে দিতে চাই করোনা প্রকোপ কমলেই নাগরিকত্ব পাবেন আমাদের ভাইরা।” 

    অমিত শাহ জানান, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী চান অনুপ্রবেশ চলুক। আর বাংলাদেশের হিন্দু শরণার্থীরা কোনওদিন যেন নাগরিকত্ব না পায়। তিনি বলেন, “কান খুলে শুনে নিন, সিএএ ছিল, আছে, থাকবে। মমতা (Mamata) দিদি, আপনি কিছুই করতে পারবেন না।”

    গত লোকসভা নির্বাচনে সিএএ চালু করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে নির্বাচনী সাফল্য পেয়েছিল বিজেপি। বছর ঘুরতে না ঘুরতেই সংসদে পাশ হয় সিএএ আইন (Citizenship Act)। করোনা সংক্রমণ শুরু হওয়ায় সিএএ কার্যকর করার কোনও পদক্ষেপ করেনি কেন্দ্র। সিএএ-র দাবিতে আন্দোলনও করেন জয়ী সাংসদ শান্তনু ঠাকুর। বিধানসভা নির্বাচনের আগে ঠাকুরনগরে এসে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রতিশ্রুতি ছিল — করোনার প্রকোপ কমলেই চালু হবে সিএএ। আজও শিলিগুড়িতে সেই কথাই বললেন অমিত শাহ।

    যদিও কেন্দ্রীয় সরকার সূত্রে খবর, করোনার কারণেই এখনও CAA নীতি প্রণয়ন করা যায়নি। সেই কারণেই দেরি সিএএ প্রয়োগে।

  • Jobs: ভারতে এপ্রিলেই কাজে যোগ ৮৮ লক্ষ মানুষের!

    Jobs: ভারতে এপ্রিলেই কাজে যোগ ৮৮ লক্ষ মানুষের!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেবল এপ্রিল মাসেই ভারতে কাজে যোগ দিয়েছেন প্রায় ৮৮ লক্ষ (India adds 88 lakh jobs)। অতিমারী-পর্ব কাটিয়ে ওঠার পর এক মাসে একসঙ্গে এত মানুষ কাজে ফিরেছেন। সেন্টার ফর মনিটরিং ইন্ডিয়ান ইকোনমি-র (centre for monitoring Indian Economy) সর্বশেষ প্রতিবেদনে এই তথ্যের উল্লেখ করা হয়েছে। যদিও কাজের চাহিদা অনুযায়ী এটা পর্যাপ্ত নয় বলেও দাবি করা হয়েছে ওই রিপোর্টে।  

    কোভিড (covid)অতিমারীর আকার নেওয়ার পর দেশে দেশে শুরু হয় লকডাউন (Lockdown)। করোনার বাড়বাড়ন্ত রুখতে ভারতেও হয় লকডাউন। লকডাউন পর্বে কাজ হারান বহু মানুষ। জীবিকা নির্বাহ করতে বেছে নেন অন্য কোনও পেশা। সম্প্রতি মারণ ভাইরাস করোনার আগ্রাসন রুখে দিতে পেরেছেন বিজ্ঞানীরা। তার জেরে অতিমারী পর্ব কাটিয়ে ক্রমেই ছন্দে ফিরছে ভারত (India)। প্রত্যাশিতভাবেই খুলেছে কাজের বাজারও। পুরানো কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করেছেন বহু মানুষ। সেন্টার ফর মনিটরিং ইন্ডিয়ান ইকোনমি-র ম্যানেজিং ডিরেক্টর এবং সিইও মহেশ ব্যাস বলেন, ভারতের শ্রমশক্তি এপ্রিল মাসে ৮.৮ মিলিয়ন বেড়ে ৪৩৭.২ মিলিয়ন হয়েছে, যা অতিমারী শুরুর পর থেকে সব চেয়ে বড় মাসিক বৃদ্ধির মধ্যে একটি।

    আরও পড়ুন : মেয়াদী জীবনবিমা নাকি আজীবনবিমা কোনটা আপনার জন্যে বেশি লাভজনক?

    সেন্টার ফর মনিটরিং ইন্ডিয়ান ইকোনমি-র রিপোর্টে বলা হয়েছে, ৮০ লক্ষ কর্মীর মতো বড় সংযোজন তখনই সম্ভব কারণ অতিমারীর ফলে একাংশ মানুষ যাঁদের কর্মে সাময়িক বিরতি পড়েছিল, এপ্রিল মাসে তাঁরা ফের নিজ কর্মে ফিরে এসেছেন। রিপোর্টে বলা হয়েছে,  কর্মসংস্থানের সংখ্যা প্রতি মাসে দু লাখের বেশি বাড়তে পারে না। তাই কর্মসংস্থানের আকস্মিক বৃদ্ধি বোঝায় যে যাঁদের চাকরিতে ছেদ পড়েছিলতাঁরা কর্মস্থলে ফিরে এসেছেন।

    লক্ষ্যণীয় যে, এপ্রিল মাসে ৮৮ লক্ষ কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পূর্ববর্তী তিন মাসে ১২ লক্ষ হ্রাসের পরে আসে বলেও দাবি করা হয়েছে সেন্টার ফর মনিটরিং ইন্ডিয়ান ইকোনমি-র রিপোর্টে। কোন কোন ক্ষেত্রে কর্মসংস্থান বেড়েছে? রিপোর্টে মিলেছে তারও তথ্য। এপ্রিল মাসে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পেয়েছে শিল্প ও সেবা খাতে। প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে, শিল্পে ৫৫ লক্ষ চাকরি এবং পরিষেবা খাতে যোগ হয়েছে ৬৭ লক্ষ চাকরি। শিল্পের মধ্যে আবার উৎপাদন ক্ষেত্রে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে ৩০ লক্ষ। নির্মাণ শিল্পে কাজের সুযোগ হয়েছে ৪ কোটির। কৃষিক্ষেত্রে ৫২ লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে ওই রিপোর্টে।

     

LinkedIn
Share