Tag: Covid

Covid

  • Covid: রাজ্যে ফিরল মাস্ক যুগ! কাদের সবচেয়ে বেশি সতর্ক থাকতে নির্দেশ দিল নবান্ন

    Covid: রাজ্যে ফিরল মাস্ক যুগ! কাদের সবচেয়ে বেশি সতর্ক থাকতে নির্দেশ দিল নবান্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে আবারও ফিরল মাস্কযুগ। সূত্রের খবর সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার পরই মুখ্যমন্ত্রী বলেন আর দেরি করা ঠিক হবেনা। সেইমতো করোনা বিধি মেনে চলার নির্দেশ জারি করে রাজ্য সরকার। মাস্ক এবং স্যানিটাইজার ব্যবহার করার উপর জোর দেওয়া হয়। প্রসঙ্গত, করোনার (Covid) নতুন প্রজাতি এক্সবিবি.১.১৬ (XBB.1.16) সংক্রমণ ছড়াতে শুরু করেছে। দিল্লি, মহারাষ্ট্র, গুজরাতে কোভিড রোগীর সংখ্যা সবথেকে বেশি, পিছিয়ে নেই পশ্চিমবঙ্গও। জানা গিয়েছে, নতুন সংক্রমণের ৩৮.২ শতাংশই করোনার নতুন প্রজাতি, এক্সবিবি.১.১৬ (XBB.1.16)।

    নবান্নে বৈঠক….

    গোটা দেশের সঙ্গেই এরাজ্যে ফের একবার করোনার  প্রকোপ বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে রাজ্য সরকার করোনা বিধি মেনে চলার জন্য নির্দেশিকা জারি করেছে। বিশেষভাবে বয়স্ক এবং অসুস্থ ব্যক্তিদের উপর নজর দেওয়া হয়েছে। সোমবার রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে ফের বিভিন্ন বিধি মেনে চলার পরামর্শ দেন। তারপরেই এদিন নবান্ন থেকে এই মর্মে বিস্তারিত নির্দেশিকা জারি করা হয়। সেখানে বলা হয়েছে রাজ্যে করোনা সংক্রমণ বাড়লেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মৃদু সংক্রমণ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তবে সামান্য কিছু ক্ষেত্রে হলেও রোগ জটিল আকার নিচ্ছে, বিশেষ করে অত্যন্ত বয়স্ক এবং যাদের হার্ট, কিডনি বা লিভার জনিত সমস্যা রয়েছে বা ক্যান্সার এবং এইচআইভি আক্রান্ত ব্যক্তিরা জটিল শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন। তাই তাদের আপাতত ভিড় এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। শিশু এবং গর্ভবতী মহিলাদেরও একই আচরণবিধি মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ভিড়ে বা গণপরিবহনে মাস্ক ব্যবহার করার এবং স্যানিটাইজার বা সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। যারা যারা এখনও পর্যন্ত কোভিডের তৃতীয় ডোজের ভ্যাকসিন নেননি তাদের অবিলম্বে তা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা

    ভাইরোলজিস্টরা বলছেন, এই নতুন ভ্যারিয়ান্ট হল করোনা এক্সবিবি (XBB) প্রজাতির জিনগতভাবে পরিবর্তিত (Genetically Mutated) রূপ। এই প্রজাতিকে ওমিক্রনের এক্সবিবি উপরূপেরই নিকট আত্মীয় বলা যেতে পারে। ওমিক্রনের BA.2.10.1 এবং BA.2.75 উপপ্রজাতির সঙ্গে এর অনেক মিল আছে। বিশেষজ্ঞদের তাই অনুমান, ওই দুই উপপ্রজাতি বদলে গিয়েই এই নয়া রূপ তৈরি করেছে। জিনগত বিন্যাসের বদল হবে। মানুষের শরীরে ছড়াতে হলে ভাইরাসকে সংখ্যায় বাড়তে হবে, তাই দ্রুত তার বিভাজন হবে। আর যত বেশি বিভাজন হবে ততই ভাইরাস নিজেকে নতুন করে গড়েপিটে নেবে। সংক্রামক থেকে অতি সংক্রামক হয়ে উঠবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
  • Covid-19: শহরে করোনা আক্রান্তের মৃত্যু! ভিড় এড়িয়ে চলার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের

    Covid-19: শহরে করোনা আক্রান্তের মৃত্যু! ভিড় এড়িয়ে চলার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একদিকে প্রখর দাবদাহ, অন্যদিকে করোনা (Covid-19)—সাঁড়াশি আক্রমণে নববর্ষের প্রাক্কালে সাধারণ মানুষের নাভিঃশ্বাস ওঠার উপক্রম। কোভিড সংক্রামিতের সংখ্যা বাড়ছে দেশে। বাদ নেই পশ্চিমবঙ্গও। নতুন বছরের গোড়ার দিকে করোনা নিয়ে তেমন ভ্রুক্ষেপ ছিল না কারও। কারণ, এই রোগে আক্রান্ত রোগীর মৃত্যুর খবর সামনে আসেনি। তবে আবার উদ্বেগ বাড়ল এক করোনা রোগীর মৃত্যু ঘিরে। 

    কলকাতায় মৃত্যু

    কলকাতার রিজেন্ট পার্কের বাসিন্দা ভাস্কর দাস (৭৬) করোনায় (Covid-19) সংক্রামিত হয়েছিলেন। তাঁকে ভর্তি করা হয়েছিল বাঘাযতীনের এক বেসরকারি হাসপাতালে। সোমবার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে ভেন্টিলেশনে দেওয়া হয়। ওই দিনই বৃদ্ধর কোভিড টেস্টের রিপোর্ট পজিটিভ আসে। আজ সকালে তিনি মারা যান। পরিবারের লোকজনের দাবি, তিনি উত্তরবঙ্গ বেড়াতে গিয়েছিলেন। তার পরেই অসুস্থ হয়ে পড়েন। গত ২৪ ঘণ্টায় পশ্চিমবঙ্গে নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৪৮ জন। তার মধ্যে কলকাতায় ১৭ জন। দিন কয়েক আগেও দৈনিক সংক্রমণের সংখ্যা ষাটের ঘরে পৌঁছে গিয়েছিল। সেদিক থেকে এটাই ইতিবাচক যে, সংক্রামিতের সংখ্যা কমছে। তবে এই মুহূর্তে রাজ্যে মোট করোনা রোগীর সংখ্যা ৩৭০। তার মধ্যে কেউ বাড়িতে থেকে কেউ বা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। কয়েক জনের অবস্থা আশঙ্কাজনকও।

    আরও পড়ুন: কলকাতা-সহ সাত জেলায় জারি তাপপ্রবাহের সতর্কবার্তা! বৃষ্টি নিয়ে কী পূর্বাভাস?

    বুস্টার ডোজ নেওয়ার পরামর্শ

    গতকালই কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানিয়েছে, একদিনে দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৭৮৩০ জন। বুধবার দিল্লিতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১ হাজারের গণ্ডি পার করেছে। গত সাত মাসে এটাই সর্বোচ্চ। বিশেষজ্ঞদের মতে, সাধারণ মানুষ অনেকটাই বেপরোয়া হয়ে ওঠায় করোনা নতুন করে মাথা চাড়া দিয়েছে। ভিড় এলাকায় অনেকেই মাস্ক ব্যবহার করছেন না। ফলে সংক্রমণ ছড়াচ্ছে দ্রুত। শুধু তাই নয়, আম জনতার করোনার টিকা নেওয়ার প্রতি অনীহা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। করোনার (Covid-19) বাড় বাড়ন্তের পিছনে সেটাও একটা বড় কারণ। চিকিৎসকদের একাংশের মতে, করোনা সবচেয়ে বিপজ্জনক বয়স্ক ও শিশুদের পক্ষে। তাই যাঁরা গুরুতর রোগে আক্রান্ত, তাঁদের অবিলম্বে তৃতীয় বুস্টার ডোজ নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। বিভিন্ন মহলে করোনা নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে ঠিকই, তবে বিশেষজ্ঞদের একাংশের মত, রাজ্যে করোনার যে ভ্যারিয়েন্ট ধরা পড়েছে, তা হল ওমিক্রন XBB.1.16। যা মানুষের শরীরে দীর্ঘদিন বাসা বেঁধে থাকতে পারছে না। চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনে চললে দিন পনেরোর মধ্যে রোগী সুস্থ হয়ে উঠছেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Covid: করোনা প্রস্তুতি কেমন? খতিয়ে দেখতে দেশজুড়ে দু’ দিনের মক ড্রিল

    Covid: করোনা প্রস্তুতি কেমন? খতিয়ে দেখতে দেশজুড়ে দু’ দিনের মক ড্রিল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের চোখ রাঙাচ্ছে করোনা (Covid)। দেশে আবারও করোনার ঢেউ এলে তার মোকাবিলা যাতে করা যায় সেজন্য শনিবার কেন্দ্রের তরফে ঘোষণা করা হল মক ড্রিলের কথা। এপ্রিলের ১০-১১ দুদিন ধরে দেশজুড়ে হবে ওই মক ড্রিল (Mock Drill)। কোভিড পরিস্থিতির মোকাবিলায় দেশের হাসপাতালগুলি কতটা প্রস্তুত, মূলত তা দেখতেই আয়োজন করা হচ্ছে মক ড্রিলের। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক ও ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিকেল রিসার্চের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দেশের প্রতিটি জেলার সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালগুলি এই মহড়ায় অংশ নেবে। মহড়ায় দেখা হবে করোনা চিকিৎসায় প্রয়োজনীয় অক্সিজেন, ভেন্টিলেটর ইত্যাদি পর্যাপ্ত পরিমাণে রয়েছে কিনা।

    করোনা (Covid) পরিস্থিতি…

    দিল্লিতে মক ড্রিলে অংশ নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য বলেন, যদি করোনা (Covid) সংক্রমিতের সংখ্যা বৃদ্ধি পায়, তার জন্য সরকার প্রস্তুতি নিচ্ছে। সবাই যাতে সঠিক চিকিৎসা পায়, তা নিশ্চিত করতেই এই মহড়া। এদিন দিল্লির সফদরজং হাসপাতালে মহড়ায় যোগ দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের সেক্রেটারি রাজেশ ভূষণ জানান, ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি সময় থেকে দেশে ধাপে ধাপে করোনার সংক্রমণ বাড়ছে। এর মধ্যে সিংহভাগ করোনা সংক্রমিতের খবর মিলেছে কয়েকটি রাজ্য থেকে। যেহেতু ব্যাপক করোনা টিকাকরণ হয়েছে, হাসপাতালে ভর্তি এবং মৃত্যুর হারও কম, তা সত্ত্বেও বাড়ছে সংক্রমণ।

    জানা গিয়েছে, মক ড্রিলের সময় দেখা হবে কোন জেলায় করোনা (Covid) চিকিৎসার কী ব্যবস্থা রয়েছে, করোনা সংক্রমিতদের জন্য হাসপাতালে কত বেড রয়েছে।এক সঙ্গে কতজন রোগীর জন্য আইসোলেশনের ব্যবস্থা করা সম্ভব, হাসপাতালে কতজন করোনা সংক্রমিতকে অক্সিজেন দেওয়া যাবে, তাও খতিয়ে দেখা হবে মক ড্রিলে। অক্সিজেন, ভেন্টিলেটর, বাইপ্যাপের কী ব্যবস্থা রয়েছে, কী প্রয়োজন, তাও নথিভুক্ত করা হবে। কেবল হাসপাতালের বেড বা অক্সিজেন নয়, জরুরি পরিস্থিতি সামাল দিতে স্বাস্থ্যকর্মীরা কতটা প্রস্তুত, তাও দেখা হবে।

    আরও পড়ুুন: ডিএ ইস্যুতে রাজ্য সরকারকে নিশানা শুভেন্দুর, বাম আমলে স্বজনপোষণের অভিযোগ

    কোভিড মোকাবিলায় কতজন প্রশিক্ষিত, অভিজ্ঞ চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী রয়েছেন, তাও দেখা হচ্ছে। অক্সিজেন, ভেন্টিলেটর ব্যবহারে প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মী কতজন রয়েছেন, তাও দেখা হবে এই মক ড্রিলে। করোনার নয়া ভ্যারিয়েন্ট যাতে কোনওভাবেই না ছড়ায় সেজন্য বছর শেষে উৎসবের মরশুমে চূড়ান্ত তৎপরতা। মাস্ক পরার পাশাপাশি দেশবাসীকে কোভিড বিধি মেনে চলতে অনুরোধ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kraken: করোনার নয়া রূপ ক্র্যাকেন! জানেন কতটা ভয়াবহ এই উপপ্রজাতি?

    Kraken: করোনার নয়া রূপ ক্র্যাকেন! জানেন কতটা ভয়াবহ এই উপপ্রজাতি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনার আরও এক নতুন রূপের খোঁজ মিলল। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (হু) মতে,সংক্রমণের প্রশ্নে করোনার এই নয়া রূপ ক্র্যাকেন সবথেকে শক্তিশালী উপপ্রজাতি। আমেরিকা-সহ বিশ্বের অন্তত ২৯টি দেশে এই মুহূর্তে সংক্রমণ ছড়াচ্ছে ক্র্যাকেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (হু) মতে, সংক্রমণের প্রশ্নে এর আগের বিকিউ১ থেকে ক্র্যাকেন ১২০ গুণ বেশি সক্রিয়। ভারতেও এই মুহূর্তে মূলত সাত জনের দেহে ক্র্যাকেনের নমুনা পাওয়া গিয়েছে—ছত্তীসগঢ়, গুজরাট, তেলঙ্গানা, রাজস্থান ও কর্নাটকে। বিশেষজ্ঞদের মতে, যেহেতু অনেক দেশেই কোভিড বিধি শিথিল করা হয়েছে এবং পরীক্ষা কমানো হয়েছে, ফলে নিঃশব্দে থাবা বসাতে পারে এই উপরূপ।

    টিকা নিলেও হতে পারে ক্র্যাকেন

    জাতীয় কোভিড টাস্ক ফোর্সের কো-চেয়ারম্যান রাজীব জয়দেবনের কথায়, ‘‘এই উপপ্রজাতিটির বিরল ধরনের চরিত্র পরিবর্তন (মিউটেশন) হয়েছে এবং সে কারণে এটি করোনার বিরুদ্ধে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে (প্রতিষেধক বা সংক্রমণের ফলে তৈরি হওয়া) ফাঁকি দিতে সক্ষম।’’ বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, তাই যাঁরা সদ্য করোনা থেকে সেরে উঠেছেন কিংবা সদ্য করোনার টিকা নিয়েছেন, তাঁরাও ক্র্যাকেন-এ আক্রান্ত হতে পারেন এবং ক্র্যাকেন এক বার ছড়িয়ে পড়লে রোখা কঠিন। এই পরিস্থিতিতে, বয়স্ক ও শিশুদের প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বার না হওয়াই বাঞ্ছনীয় বলে মনে করছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। 

    আরও পড়ুুন: শুভেন্দুর দাবিতেই শিলমোহর তৃণমূল বিধায়কের! দল ‘কোম্পানি’, মমতা ‘ব্র্যান্ড’, বললেন গৌতমও

    কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, এখনও পর্যন্ত যা গবেষণা হয়েছে তাতে দেখা গিয়েছে, শরীরে করোনার বিরুদ্ধে যথেষ্ট প্রতিরোধ ক্ষমতা থাকলেও, সংক্রমণ ছড়াতে সক্ষম এক্সবিবি ও এক্সবিবি.১.৫। চরিত্র পরিবর্তনের ফলে এক্সবিবি.১.৫ মানবকোষকে আঁকড়ে ধরে, শরীরে দ্রুত সংক্রমণ ছড়ায়। তবে আশার বিষয়, ক্র্যাকেনে আক্রান্তদের গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে যাওয়া কিংবা মৃত্যুর ঘটনা তুলনায় কম। তবে যাঁরা বিভিন্ন ধরনের ক্রনিক রোগে আক্রান্ত, তাঁরা আক্রান্ত হলে পরিস্থিতি আশঙ্কাজনক হওয়ার সম্ভাবনা একেবারে উড়িয়ে দিচ্ছেন না বিশেষজ্ঞরা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • China Covid: বাড়ছে করোনা সংক্রমণ, ফের লকডাউন চিনে

    China Covid: বাড়ছে করোনা সংক্রমণ, ফের লকডাউন চিনে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। তাই আবারও লকডাউনের (Lockdown) সিদ্ধান্ত নিল চিন প্রশাসন। প্রশাসনের এহেন সিদ্ধান্তের আওতায় আসবেন চিনের ২০৮ মিলিয়ন মানুষ। জানা গিয়েছে, দেশের ২৮টি শহরে এই লকডাউন জারি করা হয়েছে। এই শহরগুলির মধ্যে রয়েছে উহানও। বছর তিনেক আগে এই উহানেই প্রথম খোঁজ মিলেছিল মারণ ভাইরাসের (China Covid)। সম্প্রতি করোনার নয়া স্ট্রেইনের সন্ধান মিলেছে। এটি আগেরগুলোর তুলনায় অনেক বেশি সংক্রামক। চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং (Xi Jinping) সাফাই গেয়েছেন লকডাউনের পক্ষে। তিনি একে ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব রুখতে জনতার যুদ্ধ আখ্যা দিয়েছেন। তার পরেই প্রবল সমালোচনার মুখে পড়েছে তাঁর জিরো-কোভিড টলারেন্স নীতি।

    করোনার এই যে দুটি নয়া স্ট্রেইন চোখ রাঙাচ্ছে চিনে, সেগুলি ভয় ধরিয়েছে সে দেশের প্রশাসনের বুকেও। আধিকারিকদের মতে, এবার যে সংক্রমণ হচ্ছে, সেজন্য দায়ী বিএফ.৭ এবং বিএ.৫.১.৭। চিনের স্পেশালিস্ট ফার্ম নোমুরা জানিয়েছে, সরকারি পরিসংখ্যান এবং আমাদের সমীক্ষা থেকে জানা গিয়েছে দেশের ২৮টি শহরে বিভিন্ন পর্যায়ের লকডাউন জারি করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, উহান জেলায় প্রায় ৮ লক্ষ মানুষকে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত ঘরবন্দি থাকতে বলা হয়েছে। এই উহানেই চলতি সপ্তাহে প্রতিদিন নথিভুক্ত কোভিড (China Covid) রোগীর সংখ্যা বাড়ছে ২৫ জন করে।

    আরও পড়ুন: পুজোর মুখে ঊর্ধ্বমুখী রাজ্যের করোনা গ্রাফ, পজিটিভিটি রেট বেড়ে ৫.৩১%

    শহরে ঢোকার বিভিন্ন রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ওয়াংঝাউয়ে। অর্থনৈতিক দিক থেকে এটি চিনের চতুর্থ বৃহত্তম শহর। বৃহস্পতিবার দিনভর শহরবাসীকে বন্দি থাকতে হয়েছে ঘরেই। আশপাশের শহরগুলিতে ক্রমেই বাড়ছে সংক্রমণের বহর। সেই কারণেই আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে অবলম্বন করা হয়েছে এই পন্থা। করোনার (China Covid) বাড়বাড়ন্তে দেশের অর্থনীতি হাল খারাপ হতে শুরু করেছে চিনে। জিডিপি পড়ে গিয়েছে ২.৬ শতাংশ। চলতি আর্থিক বর্ষের প্রথম ত্রৈমাসিকের হিসেব এটি। এদিকে, করোনা (China Covid) ঠেকাতে একটি টিকা আবিষ্কার করেছে সাংহাই। নয়া এই ভ্যাকসিন ইনজেকশনের মাধ্যমে শরীরে নিতে হবে না, ইনহেল করতে হবে। বিশ্বে এটাই প্রথম এই ধরনের করোনা প্রতিষেধক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Covid Wave: শীতের শুরুতে আরেকটা করোনার প্রকোপ? সতর্কতা জারি করল ‘হু’

    Covid Wave: শীতের শুরুতে আরেকটা করোনার প্রকোপ? সতর্কতা জারি করল ‘হু’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শীতের শুরুতে ফের করোনার প্রকোপ (Covid Wave) বাড়ায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সতর্কতা জারি করেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (World Health Organisation) করোনার এই প্রকোপ থেকে বাঁচতে বুস্টার ডোজ নেবার জন্য আহ্বান জানিয়েছে। ভারতে এখন এক্টিভ কেসের সংখ্যা ২৫ হাজার ৫১০ থেকে কমে ২৫ হাজার ৩৭ জন হলেও ২৪ ঘন্টার মধ্যে অন্তত ৫ জনের মৃত্যু ঘটেছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রক।

    বর্তমানে চীনে নতুন করে মাথা চাড়া দিয়েছে করোনাভাইরাস। চিনের মঙ্গোলিয়ায় করোনা ভাইরাসের নতুন একটি প্রজাতির খোঁজ মিলেছে। চিকিৎসকদের মতে, ওমিক্রনের বিএ.৫.১.৭ (Omicron BA 5.1.7) এবং বিএফ.৭ প্রজাতির ভাইরাসের সংক্রমণ ক্ষমতা অন্যান্য প্রজাতির তুলনায় অনেক গুণ বেশি। তাই করোনা টিকা নেওয়ার পর বা এই ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার পর শরীরে যে প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে ওঠে, তা নতুন এই প্রজাতিটিকে ঠেকানোর জন্য যথেষ্ট নয় বলেই মনে করছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

    ইতিমধ্যেই চিনের বেশ কিছু জেলায় ছড়িয়ে (Covid Wave) পড়েছে এই ভাইরাস। আমেরিকা, ব্রিটেন, জার্মানি এবং ফ্রান্সের ক্ষেত্রেও সংক্রমণের হার বেশ দ্রুত। ভারতে এই ভ্যারিয়েন্টের নাম এক্সবিবি ( XBB variant)। এই ভ্যারিয়েন্টটিও শরীরের অ্যান্টিবডিকে কাটিয়ে উঠতে পারে। করোনার  ঢেউ যাতে পুনরায় না উঠতে পারে তা নিশ্চিত করতে বিদেশ থেকে আসা ব্যক্তিদের ট্র্যাকিং করতে হবে পাশাপাশি, ভারতে এর আগে করোনায় (Covid Wave) সবচেয়ে বেশী বয়স্ক ব্যক্তিরা সংক্রমিত হয়েছিল। তাই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বয়স্কদের যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এই বুস্টার ডোজটি নিতে বলেছে।

    উৎসবের মরসুমে করোনার বিধি-নিষেধে ছাড় এবং মানুষের লাগামছাড়া মনোভাব, নতুন করে সংক্রমণের ভয় উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। চিকিৎসকরা আরও এক বার মনে করিয়ে দিয়েছেন যে, সংখ্যাটি এক হলেও নতুন প্রজাতিটি কিন্তু দেশে ঢুকে পড়েছে। তার উপর শীতকাল আসছে। এটি এমনিই ফ্লুয়ের সময়। তাই অতিরিক্ত সাবধানতা থাকতেই হবে। করোনা থিতু হতেই ভাইরাস প্রতিরোধে সুরক্ষাবিধি কেউই প্রায় মানছেন না। আমজনতার একটা বড় অংশ করোনার সুরক্ষাবিধি ছাড়াই ঘুরে বেড়াচ্ছেন। অধিকাংশ মানুষের মুখেই মাস্ক থাকছে না। তা ছাড়া শারীরিক দুরত্ববিধিরও বালাই নেই। আবার, কোথাও কোথাও মাস্ক পরা নিয়ে কড়াকড়ি শিথিলও করা হয়েছে।তাই সব কিছু বন্ধ করে ঘরে বসে থাকা কোনও সমাধান হতে পারে না।এ ক্ষেত্রে সচেতনতা গড়ে তোলাই একমাত্র হাতিয়ার বলে মনে করছেন চিকিৎসকরা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Xi Jinping: পার্টি কংগ্রেসে হংকং, তাইওয়ান তাস খেললেন শি জিনপিং, কেন জানেন?

    Xi Jinping: পার্টি কংগ্রেসে হংকং, তাইওয়ান তাস খেললেন শি জিনপিং, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাঁকে একনায়ক বিশ্বাসঘাতক বলে দেগে দিয়েছেন চিনের (China) বাসিন্দারা। পরিস্থিতি যে বিশেষ সুবিধার নয়, তা বোধহয় আঁচ করতে পেরেছেন চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং (Xi Jinping)। তাই পার্টি কংগ্রেসের উদ্বোধনী ভাষণে চিনা প্রেসিডেন্ট বলেন, হংকংয়ের পরিস্থিতির ওপর সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। তাইওয়ানে বিচ্ছিন্নতাবাদী কার্যকলাপ এবং তৃতীয় শক্তির হস্তক্ষেপ মেনে নেওয়া হবে না।

    প্রতি পাঁচ বছরে একবার বসে চিনা কমিউনিস্ট পার্টি (CCP) কংগ্রেস। এবারের পার্টি কংগ্রেসে উপস্থিত রয়েছেন প্রায় ২৩০০ দলীয় প্রতিনিধি। বেজিংয়ের গ্রেট হলে জড়ো হয়েছেন তাঁরা। এর মধ্যেই যখন ঢুকলেন শি জিনপিং (Xi Jinping), তখন কার্যত হাততালির বন্যা। রবিবার থেকে শুরু হয়েছে চিনের ২০তম পার্টি কংগ্রেস। পর পর দুটো টার্মে চিনের কমিউনিস্ট পার্টি ও প্রেসিডেন্ট পদে রয়েছেন শি জিনপিং। আগামী পাঁচ বছরের জন্যও ফের ওই পদে ফিরতে চলেছেন তিনি।

    এদিন বক্তৃতা দিতে উঠে হংক ও তাইওয়ান তাস খেলে দেন শি জিনপিং (Xi Jinping)। বলেন, হট্টগোলের রাজনীতি থেকে সুশাসনের পথে ফিরেছে হংকং। স্বশাসিত তাইওয়ানে বিচ্ছিন্নতাবাদ ও বিদেশি শক্তির হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে লড়াই চলছে। দেশজুড়ে চলা দুর্নীতির বিরুদ্ধেও এদিন সুর চড়িয়েছেন তিনি। বলেন, দেশজুড়ে দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই চলছে। যা মানুষ ও দেশের সেনাবাহিনীকে বিপন্মুক্ত করেছে। তাইওয়ানের দাবি যে চিন ছাড়ছে না, এদিন তা আরও একবার স্পষ্ট করে দিয়েছিন শি জিনপিং। তিনি বলেন, তাইওয়ান সমস্যার সমাধান করা চিনা জনগণের ওপর নির্ভর করে। চিন কখনওই শক্তি প্রয়োগের দাবি পরিত্যাগ করবে না।

    আরও পড়ুন: মুখ থুবড়ে পড়েছে চিনের ‘জিরো কোভিড নীতি’, ফের লকডাউনে জিনপিং- এর দেশ

    চিনা প্রেসিডেন্ট বলেন, আমরা আন্তরিকতার সঙ্গে একটি শান্তিপূর্ণ পুনর্মিলনের চেষ্টা চালিয়ে যাব। তবে প্রয়োজনে শক্তির ব্যবহার করব না, এমন প্রতিশ্রুতি দেব না। চিনা নাগরিকদের সুরক্ষার জন্যই যে কড়া কোভিড নীতি লাগু করা হয়েছে, তাও মনে করিয়ে দিয়েছেন চিনের সর্বাধিনায়ক। সরকারের কোভিড নীতিতে আমজনতার হাঁসফাঁস দশা হলেও, শি জিনপিং (Xi Jinping) বলেন, নাগরিকদের সুরক্ষা দিতে এবং তাঁদের সুস্বাস্থ্য যাতে বজায় থাকে তাই এই নীতি নেওয়া হয়েছে। এতে ফলও মিলেছে উল্লেখযোগ্যভাবে। মহামারি আপাতত নিয়ন্ত্রণেও বলে জানান তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Heart Disease: জানেন হৃদরোগীর থেকেও করোনায় মৃত্যুর ঝুঁকি বেশি কাদের?

    Heart Disease: জানেন হৃদরোগীর থেকেও করোনায় মৃত্যুর ঝুঁকি বেশি কাদের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা এক সমীক্ষায় জানিয়েছেন, করোনা আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে যেই সকল রোগী অত্যধিক ওজনের সমস্যা রয়েছে সেই সব রোগীর মারা যাওয়ার সম্ভাবনা অত্যধিক। এছাড়াও ধূমপানে অভ্যস্ত রোগী ও ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীদেরও ঝুঁকি বেড়ে যায়। হৃদরোগে (Heart Disease) আক্রান্ত রোগীর চেয়ে এদের ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি। গবেষণায় দেখা যায় আইসিইউ’তে থাকা  ৭৩% রোগী অতিরিক্ত ওজনের সমস্যায় ভুগছিলেন। যুক্তরাজ্যের জনসংখ্যার ৬৪% মানুষের অতিরিক্ত ওজনের সমস্যা রয়েছে।  এছাড়াও বয়স বেশি হলে, অন্য জটিল স্বাস্থ্য সমস্যা থাকলে এবং কোভিডে জটিলভাবে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি বলে উঠে এসেছে গবেষণায়।

    অতিরিক্ত ওজন হওয়া মানে দেহ অতিরিক্ত চর্বি বহন করছেন। অর্থাৎ শরীর শতভাগ ফিট নেই। আর শরীর যত ফিটনেস কম হবে, ফুসফুসের কর্মক্ষমতা তত কমবে। ফলে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় অক্সিজেন পৌঁছাতে সমস্যা হবে। ফলত, হৃৎপিণ্ড (Heart Disease) ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

    [tw]


    [/tw]

    রিডিং বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসক ডিয়ান সেলাইয়াহ বলেন, “শরীরের প্রধান অঙ্গগুলোয় যথেষ্ট অক্সিজেন না যাওয়ায় স্থূল দেহ এক পর্যায়ে চাপ নিতে পারে না।” এ কারণে আইসিইউতে থাকা স্বাভাবিক ওজনের মানুষের তুলনায় অতিরিক্ত ওজনের মানুষের শ্বাস প্রশ্বাসে সহায়তা ও কিডনির কার্যক্রম চালানোর জন্য সহায়তা বেশি প্রয়োজন হয়।

    সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো, করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করার যে সক্ষমতা শরীরের থাকে, যেটিকে আমরা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা (Immunity power) হিসেবে জানি, সেই ক্ষমতা স্বাভাবিক ওজনের মানুষের তুলনায় স্থূলকায় ব্যক্তিদের শরীরে কম থাকে। আমাদের শরীরের চর্বিতে থাকা ম্যাক্রোফেইজ নামক কোষ যখন অতিরিক্ত সক্রিয় হয়ে যায়, তখন এই সমস্যা তৈরি হয়।

    বিজ্ঞানীরা মনে করেন, এর ফলে শরীরে ‘সাইটোকাইন ঝড়’ তৈরি হতে পারে, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার এক ধরণের প্রতিক্রিয়া যার ফলে মানুষের মৃত্যুও হতে পারে। সেলাইয়া বলেন, “অতিরিক্ত ওজনের মানুষের মধ্যে এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ নিষ্ক্রিয় থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। হয়তো এর ফলেই কৃষ্ণাঙ্গ, এশিয়ান এবং মধ্যপ্রাচ্যের বংশোদ্ভূত ব্যক্তিদের মধ্যে ভাইরাসে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার হার বেশি দেখা যাচ্ছে।”

    স্থূলতার সঙ্গে সাধারণত দুর্বল হৃৎপিণ্ড বা ফুসফুস, যথাযথভাবে কাজ না করা কিডনি এবং টাইপ ২ ডায়াবেটিসের মত অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যাও তৈরি হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
  • Deadly Triad Disease: কোভিড, এইচআইভি, মাঙ্কিপক্স, বিশ্বে এই প্রথম তিন মারণ রোগে একসঙ্গে আক্রান্ত যুবক

    Deadly Triad Disease: কোভিড, এইচআইভি, মাঙ্কিপক্স, বিশ্বে এই প্রথম তিন মারণ রোগে একসঙ্গে আক্রান্ত যুবক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোভিড (Covid), মাঙ্কিপক্স (Monkey Pox) নিয়ে ইতিমধ্যেই সন্ত্রস্ত গোটা বিশ্ব। ফের নতুন করে ভয় ধরাতে শুরু করেছে এইচআইভি (HIV)। নতুন করে আক্রান্ত হচ্ছেন বহু মানুষ। এরই মধ্যে এক বিরলতম ঘটনার সাক্ষী হল পৃথিবী। ইতালির এক যুবকের দেহে একই সঙ্গে ধরা পড়ল করোনা, মাঙ্কিপক্স এবং এইচআইভি। বিজ্ঞানীদের মতে বিশ্বে প্রথম এমন ঘটনা ঘটল। স্পেনে (Spain) ঘুরতে গিয়েছিলেন ইতালির এই ৩৬ বছর বয়সী যুবক। তারপরই এসে তিনি একই সঙ্গে তিনটে রোগে আক্রান্ত হন বলেই জানিয়েছে সিসিলির ক্যাটানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়।

    আরও পড়ুন: করোনা, মাঙ্কি পক্সের পরে এবারে নতুন আতঙ্ক টোম্যাটো ফ্লু, নির্দেশিকা জারি করল কেন্দ্র
     
    উপসর্গ হিসেবে এই ভদ্রলোকের জ্বর ছিল সঙ্গে গলা ধরা, মাথা ব্যথা ছিল বলে জানা গিয়েছে। জুনের ১৬ থেকে ২০ তারিখ অবধি তিনি স্পেনে ছিলেন। আর সেইসময় তিনি অন্য এক পুরুষের সঙ্গে অসুরক্ষিত যৌনতায় লিপ্ত হন। এরপর জুলাইয়ের ২ তারিখ তাঁর করোনার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। যদিও তার তিন দিন আগে থেকেই উপসর্গ দেখা দিয়েছিল। যেদিন তাঁর কোভিড ধরা পড়ে সেদিনই তাঁর সারা গায়ে র‍্যাশ বেরোতে শুরু করে। কোমরে, মুখে, হাতে বড় বড় ফোস্কা দেখা যায়। এরপর ৫ জুলাই তাঁকে স্যান মার্কো বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ছোঁয়াচে রোগের বিভাগে রাখা হয়। সেখানেই তাঁর মাঙ্কিপক্স টেস্ট করা হলে পজিটিভ আসে রিপোর্ট। একইসঙ্গে অন্যান্য আরও পরীক্ষা করা হয়, যেখানে ধরা পড়ে তিনি এইচআইভি ১ পজিটিভ। তাঁর এই প্রতিটা সংক্রমণ খুব সম্প্রতি হয়েছে বলেই দাবি করেছেন চিকিৎসকরা। কারণ এর আগে তিনি ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে যখন এইচআইভি টেস্ট করিয়েছিলেন তখন তাঁর রিপোর্ট নেগেটিভ ছিল।

      আরও পড়ুন: কোভিড এবং টোম্যাটো জ্বরের উপসর্গে অনেকটাই মিল, পার্থক্য বুঝবেন কীভাবে?

    এর পরই বিজ্ঞানীরা জানান, কোভিড এবং মাঙ্কিপক্স এক সঙ্গে হতেই পারে। এছাড়াও যাঁদের মাঙ্কিপক্স হচ্ছে তাঁদের সতর্ক থাকা উচিত। কারণ ২০ দিন পরেও অনেক ক্ষেত্রে রিপোর্ট পজিটিভ আসছে। সবকটি রোগ একসঙ্গে হলে প্রাণহানির কোনও আশঙ্কা বাড়ে কিনা সে বিষয়ে এখনও কিছু জানা যায়নি। তবে সকলকে সচেতন থাকার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা।    

    হাসপাতালে এক সপ্তাহের বেশি ভর্তি ছিলেন ওই ইতালীয় যুবক। কোভিড-১৯ এবং মাঙ্কিপক্স থেকে সেরে উঠেছেন তিনি। এইচআইভি সংক্রমণের চিকিৎসাও শুরু হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে গবেষকরা বলেছেন, “এই বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করে দেখা গিয়েছে কোভিড এবং মাঙ্কিপক্সের লক্ষণ কী ভাবে মিশে গিয়েছে। ২টি সংক্রমণ এক সঙ্গে হলে কী ধরনের সমস্যা তৈরি হতে পারে, তা নিয়ে পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Covid: শিশুদের মধ্যে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ, স্কুল খোলা রাখার পক্ষেই সওয়াল চিকিৎসকদের 

    Covid: শিশুদের মধ্যে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ, স্কুল খোলা রাখার পক্ষেই সওয়াল চিকিৎসকদের 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  করোনা (Covid) সংক্রমণ বাড়ছে শিশুদের (Kids) মধ্যে। ১২ বছরের নীচে যাদের বয়স, তাদের করোনা প্রতিষেধক (Corona Vaccine) দেওয়া হয়নি। সেই সব শিশুদের মধ্যেই সংক্রমণ মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। তা সত্ত্বেও অবশ্য শিশুদের স্কুল বন্ধ না করার পক্ষেই সওয়াল করেছেন কলকাতার(Calcutta) শিশুরোগ বিশেষজ্ঞরা। অভিভাবকদের প্রতি তাঁদের আবেদন, করোনা উপসর্গ দেখা দিলে সেই শিশুকে যেন কয়েকদিনের জন্য স্কুলে না পাঠানো হয়।

    দিন কয়েক ধরে গোটা দেশেই করোনা সংক্রমণের লেখচিত্র ছিল ঊর্ধ্বমুখী। তবে সোমবারের পর থেকে সেটা কিছুটা কমেছে। অবশ্য সংক্রমণ বাড়ছে শিশুদের। শিশুদের মধ্যে মূলত ধুম জ্বর, সর্দিকাশির মতো উপসর্গ দেখা যাচ্ছে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে পেটের গন্ডগোলও হচ্ছে। যাদের হাঁপানির সমস্যা রয়েছে, তাদের শ্বাসকষ্ট হচ্ছে ঠিকই, তবে তা কোনওভাবেই করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের মতো মারাত্মক নয়।

    আরও পড়ুন : করোনায় আক্রান্ত হওয়া মানেই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়া নয়, জানাল হু

    ২০২১ সালের এপ্রিল মাসে করোনার ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের হানায় ত্রাহি ত্রাহি রব উঠেছিল ভারতে। সেই সময় শ্বাসকষ্ট ছিল অন্যতম মূল উপসর্গ। সেবারও শিশুরা সংক্রমিত হয়েছিল। তবে তখন সংক্রমিত শিশুদের সিংহভাগকেই ভর্তি হতে হয়েছিল হাসপাতালে। এবার অবশ্য এখনও পর্যন্ত তা হয়নি। সিএমআরআই হাসপাতালের শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ শতরূপা মুখোপাধ্যায় বলেন, এবার শ্বাসকষ্টের সমস্যা খুব কম শিশুর মধ্যে দেখা যাচ্ছে। গতবার যেটা খুব বেশি ছিল। তিনি বলেন, ১২ বছরের শিশুরা যেহেতু টিকাপ্রাপ্ত নয়, তাই অভিভাবকদের সতর্ক থাকতে হবে। শিশুদের জ্বর বা কাশি হলে স্কুলে পাঠানো যাবে না।

    আরও পড়ুন : সক্রিয় রোগীর সংখ্যা এক লক্ষ পার, ফের ভয় ধরাচ্ছে করোনা!

    কলকাতার বিশিষ্ট শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ অপূর্ব ঘোষ বলেন, এবার সংক্রমণ খুব দ্রুত ছড়িয়েছে। কিন্তু যেহেতু রোগীরা মূলত মৃদু উপসর্গেই সংক্রমিত, তাই জরুরি কোনও পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়নি। এবারের মূল উপসর্গ মৃদু জ্বর ও সর্দিই। এই সংক্রমণের জেরে শিশুদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হচ্ছে, যা তাদের ভবিষ্যতে সাহায্য করবে। সংক্রমণ বাড়লেও, স্কুল বন্ধ না করার পক্ষেই সওয়াল করেছেন আর এক শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ শান্তনু রায়। তিনি বলেন, স্কুল বন্ধ করে দেওয়া কোনও সমাধান নয়। কারণ এর ফল মারাত্মক। শিশুরা প্রায় দু বছর স্কুলে যায়নি। তাই তাদের ক্যাম্পাসে ফিরতেই হবে। মাস্ক পরতে বাধ্য করা, জ্বরে আক্রান্ত শিশুদের স্কুলে না পাঠানো, ঘেঁষাঘেঁষি না করে বসার মতো পদক্ষেপ নিতে হবে স্কুলগুলিকে। এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টার পশ্চিমবঙ্গে নতুন করে করোনা সংক্রমিত হয়েছেন ১ হাজার ৯৭৩ জন। এর মধ্যে কলকাতায়ই সংক্রমিত হয়েছেন ৭১৭ জন।

     

LinkedIn
Share