Tag: Covid

Covid

  • West Nile Virus: আতঙ্কের নয়া নাম ওয়েস্ট নাইল! কীভাবে মানবদেহে ছড়ায় এই ভাইরাস?

    West Nile Virus: আতঙ্কের নয়া নাম ওয়েস্ট নাইল! কীভাবে মানবদেহে ছড়ায় এই ভাইরাস?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে করোনা (Covid-19) সংক্রমণের গ্রাফ ফের ঊর্ধ্বমূখী। এর মধ্যেই আবার দেশে মিলল ওয়েস্ট নাইল ভাইরাস (West Nile Virus)। সম্প্রতি এই ভাইরাসের কবলে পড়ে কেরালায় (Kerala) মৃত্যু হয়েছে ৪৭ বছরের এক ব্যক্তির। এর আগে ২০১৯ সালে এই রাজ্যেরই কোঝিকোড়ে এই ভারাসের হানায় মৃত্যু হয়েছিল সাত বছরের এক শিশুর।  তারপর থেকেই এই ভাইরাস নিয়ে ছড়িয়ে পড়েছে আতঙ্ক।  

    কী এই ভাইরাস: ওয়েস্ট নাইল ভাইরাস বা ডব্লিউএনভি (WNV) হল নাইল ভাইরাসের পুরো নাম। এটি একটি মশাবাহিত রোগ (vector borne virus)। সাধারণত কিউলেক্স (culex sp) মশা থেকে এই রোগ ছড়ায়। মূলত পাখির দেহ থেকে মশার মাধ্যমে এই ভাইরাস ঢোকে মানুষের শরীরে। আফ্রিকা, ইউরোপ, নর্থ আমেরিকা ও পশ্চিম এশিয়ায় এই রোগের প্রাদুর্ভাব বেশি। এই ভাইরাসের আক্রমণে প্রাথমিকভাবে জ্বর আসে, মাথা যন্ত্রণা হয়, গায়ে র‌্যাশও বেরোতে দেখা যায় মাঝে মাঝে। এ ছাড়া হয় গ্ল্যান্ডের সমস্যা। এই লক্ষ্মণগুলি কয়েক দিন থেকে কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত থাকতে পারে।

    কখন বিপদ: নাইল ভাইরাস যদি কোনও ক্রমে মস্তিষ্কে পৌঁছে যায় তাহলেই বিপদ। মস্তিষ্কে পৌঁছলেই ছড়িয়ে পড়ে সংক্রমণ। মস্তিষ্কে সংক্রমণ হলে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। সংক্রমণ মস্তিষ্ক থেকে ছড়িয়ে পড়ে সুষুম্নাকাণ্ডে। যার জেরে মানবশরীরের স্নায়ুতন্ত্র বিকল হয়ে পড়ে।

     বিপদ বেশি কাদের: যে সব মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম তাঁরা সহজেই এই রোগের শিকার হন। সাধারণত শিশু ও বয়স্ক মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম হয়। তাই শিশু ও বয়স্কদের এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা সবথেকে বেশি।

    ওষুধ: মানুষের দেহে এই রোগ হলে তা নিরাময়ের কোনও ওষুধ বা ভ্যাকসিন এখনও পর্যন্ত নেই। স্নায়ুতন্ত্র (nervous system) যাতে পুরোপুরি বিকল হয়ে না পড়ে সে জন্য নিউরো-ইনভেসিভ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। সঙ্গে বিভিন্ন লাইফ সাপোর্ট সিস্টেমের মাধ্যমে ওই রোগের মোকাবিলা করা হয়। 

    ওষুধ নেই তাই এই রোগ হওয়ার আগেই সাবধান হওয়া ভাল। এই রোগ থেকে বাঁচার সবথেকে ভাল উপায় মশার কামড় থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে চলা। বর্ষার আগে নিয়মিত মশারি টাঙিয়ে শোয়াই বাঞ্ছনীয়।

     

  • Sonia Gandhi: হাসপাতালে করোনা সংক্রমিত সোনিয়া, অবস্থা স্থিতিশীল, জানাল কংগ্রেস

    Sonia Gandhi: হাসপাতালে করোনা সংক্রমিত সোনিয়া, অবস্থা স্থিতিশীল, জানাল কংগ্রেস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনা (Covid) সংক্রমিত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি কংগ্রেস (Congress) সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী (Sonia Gandhi)। ২ জুন কংগ্রেসের অন্তর্বর্তীকালীন সভানেত্রীর করোনা সংক্রমিত হওয়ার খবর প্রকাশ্যে আসে। রাখা হয়েছিল হোম আইসোলেসনে। পরে অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় রবিবার তাঁকে ভর্তি করা হয় দিল্লির (Delhi) গঙ্গারাম হাসপাতালে। হাসপাতাল সূত্রে খবর, কংগ্রেস হাইকমান্ডের অবস্থা স্থিতিশীল।

    রাহুল গান্ধী বিদেশে থাকাকালীন সময়েই অসুস্থ হয়ে পড়েন সোনিয়া। নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষায় জানা যায় তিনি করোনা সংক্রমিত। এর পরেই হোম আইসোলেশনে রাখা হয় গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টির সর্বময় কর্ত্রীকে। পরে ভর্তি করা হয় হাসপাতালে। কংগ্রেস মুখপাত্র রণদীপ সিং সুরজওয়ালা জানান, করোনা সংক্রমিত কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধিকে দিল্লির গঙ্গারাম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁর শারীরিক অবস্থা আপাতত স্থিতিশীল। পর্যবেক্ষণের জন্য হাসপাতালে রাখা হয়েছে তাঁকে। যাঁরা ওঁর শারীরিক সুস্থতা কামনা করেছেন, তাঁদের আমরা ধন্যবাদ জানাই।

    আরও পড়ুন : ইডি দফতরে হাজিরার আগেই করোনা পজিটিভ সোনিয়া

    এদিকে, সোনিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনা করে ট্যুইট করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে দুদিন আগেই মমতার সঙ্গে ফোনে কথা বলেন সোনিয়া। কথা বলার সময় সোনিয়া কাশছিলেন। মুখ্যমন্ত্রী তাঁকে বিশ্রাম নেওয়ার পরামর্শ দেন। ১৫ জুন দিল্লির কনস্টিটিউশন হলে বিজেপি বিরোধী দলগুলির নেতাদের নিয়ে বৈঠকে বসবেন মমতা। সেখানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে সোনিয়াকেও। সেই বৈঠকের আগেই তাঁকে ভর্তি হতে হল হাসপাতালে।

    আরও পড়ুন : সোনিয়া, রাহুলকে সমন ইডি-র! ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় বিপাকে কংগ্রেস

    প্রসঙ্গত, ১ জুন ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় রাহুল ও সোনিয়াকে তলব করেছিল ইডি। ৮ জুন ইডি দফতরে হাজিরা দেওয়ার কথা ছিল সোনিয়ার। করোনা সংক্রমিত হয়ে পড়ায় তিনি আপাতত হাজিরা দিতে পারছেন না। তবে সোমবার ইডি দফতরে গিয়ে হাজিরা দিয়েছেন রাহুল গান্ধী। পায়ে হেঁটে গিয়ে ইডি দফতরে যান তিনি। তার আগে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন কংগ্রেস কর্মীরা।

     

     

  • Tomato Flu: এবার টমেটো ফ্লু, নয়া ভাইরাসে আক্রান্ত শিশুরা

    Tomato Flu: এবার টমেটো ফ্লু, নয়া ভাইরাসে আক্রান্ত শিশুরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনা (Covid) এখনও বর্তমান। তার মধ্যেই আর এক অজানা ভাইরাসের হানা। এবার আক্রান্ত পাঁচ বছর বয়সের কম শিশুরা। ইতিমধ্যেই দ্রুত এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে কেরলে। খাদ্যে বিষক্রিয়ার পরে নতুন এই ভাইরাসের সংক্রমণে জর্জরিত কেরল। এখনও পর্যন্ত ৮২ জন এই ভাইরাসে আক্রান্ত বলে খবর পাওয়া গিয়েছে। সেই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন চিকিৎসকরা।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন মূলত শিশুরাই আক্রান্ত হচ্ছে এই রোগে। তীব্র জ্বর এবং সারা গায়ে ছোট ছোট লাল ফোস্কার মতো ক্ষত এই রোগের প্রধান বৈশিষ্ট্য।  ক্ষুদ্রাকৃতি টমেটোর মতো এই ফোস্কার কারণেই রোগটির নাম ‘টমেটো ফ্লু’ (Tomato Flu)। এটি একটি বিরল ভাইরাল রোগ। কেরলের কোল্লাম জেলায় ইতিমধ্যেই ৮০টি শিশু এই জ্বরে আক্রান্ত হয়েছে বলে খবর। আক্রান্ত শিশুদের প্রত্যেকেরই বয়স ৫ বছরের কম বলে জানিয়েছে কেরলের (Keral) স্বাস্থ্য দফতর। কোল্লাম ছাড়াও পার্শ্ববর্তী কয়েকটি জেলাতেও কিছু রোগীর সন্ধান মিলেছে। আরিয়ানকাভু, আঁচল এবং নেদুভাথুর থেকেও সংক্রমণের খবর পাওয়া গিয়েছে।

    এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে যাতে ভাইরাস ছড়িয়ে না পড়ে তাই কেরল-তামিলনাড়ু (Tamilnadu) সীমানায় জারি করা হয়েছে সতর্কতা। প্রশাসনের তরফে কড়া নজরদারির ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।  জ্বর বা অন্য অসুস্থতা নিয়ে যাতে এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে কেউ যেতে না পারেন, সে বিষয়ে নজর দেওয়া হচ্ছে। জ্বরের উপসর্গের হদিশ মিললেই করা হচ্ছে পরীক্ষা।

     চিকুনগুনিয়ার উপসর্গের সঙ্গে কিছুটা মিল রয়েছে এই জ্বরের। তীব্র জ্বর,গা ব্যথা ও ক্লান্তির মতো উপসর্গ দেখা যাচ্ছে রোগীর শরীরে। কিছু ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে বমি ও পেটের গোলযোগও। তবে এই সব লক্ষণ ছাড়াও রোগীর দেহে দেখা যাচ্ছে টমেটোর মতো ছোট ছোট ফোস্কা। হাতের বা পায়ের তালুতে এই লাল রঙের ফুসকুড়ি বেশি দেখা যাচ্ছে।
     
    রোগটির কারণ সম্পর্কে এখনও নিশ্চিত নন বিশেষজ্ঞরা। তাই নির্দিষ্ট কোনও চিকিৎসা পদ্ধতির কথা এখনই নিশ্চিত ভাবে বলা যাচ্ছে না। তবে প্রাথমিক ভাবে সংক্রমণ আটকাতে পরিচ্ছন্নতা ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার কথাই বলছেন চিকিৎসকরা। পাশাপাশি পর্যাপ্ত পরিমাণে জল পান করারও পরামর্শ দিচ্ছেন তাঁরা। সঙ্গে নিতে হবে যথেষ্ট বিশ্রাম। ফোস্কাগুলি চুলকালে বিপদ আরও বাড়তে পারে বলেও সতর্ক করেছেন চিকিৎসকরা। যাঁরা সংক্রমণে আক্রান্ত হচ্ছেন, তাঁদের অন্যদের থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আর ফোসকাগুলি যাতে গলে না যায়,সেদিকে খেয়াল রাখার কথাও বলছেন চিকিসকেরা।

    এখনও পর্যন্ত যা জানা গিয়েছে, তাতে ৫ বছরের বয়সের নীচের শিশুদের এই সংক্রমণটি হচ্ছে। তাই তাদের বেশি সাবধানে রাখার কথা বলা হচ্ছে। যদিও এটি একেবারে নতুন কোনও ভাইরাস নাকি চিকুনগুনিয়া বা ডেঙ্গির প্রভাবে এটি হচ্ছে— তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে চিকিৎসকদের মধ্যে। এখনও পর্যন্ত কেরলের বিভিন্ন অংশে এই ভাইরাস সংক্রমণের কথা জানা গেলেও অন্যত্র এটি ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা।  

  • Modi Meets Adityanath: “বিশ্রামের সময় নেই…”, যোগী-মন্ত্রিসভাকে কোন পরামর্শ দিলেন মোদি?

    Modi Meets Adityanath: “বিশ্রামের সময় নেই…”, যোগী-মন্ত্রিসভাকে কোন পরামর্শ দিলেন মোদি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যোগী (Yogi Adityanath) রাজ্যে গিয়ে লোকসভা নির্বাচনের দামামা বাজিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi)। যোগী মন্ত্রিসভার সঙ্গে বৈঠকে তিনি জানিয়ে দিলেন, বিশ্রামের সময় নেই। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের (2024 Loksabha election) জন্য প্রস্তুতি শুরু করা উচিত। জনগণের সেবায় রাজ্যের মন্ত্রীদের উৎসর্গ করা উচিত বলেও সোমবার জানিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী।

    বুদ্ধজয়ন্তী (Buddha Jayanti) উপলক্ষে এদিন নেপালের (Nepal) লুম্বিনিতে গিয়েছিলেন মোদি। বিকেলে ফেরেন লখনউতে। বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath) স্বয়ং। এদিন মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর মন্ত্রিসভার সঙ্গে বৈঠক করেন মোদি। ব্রেনস্টর্মিং এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “শুধুমাত্র সুশাসনই পথ খুলে দেয় ক্ষমতায় ফেরার। মন্ত্রীদের জনগণের সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করার নির্দেশ দেন। মোদি বলেন, ২০২৪ সালে লোকসভা নির্বাচন। তাই সকলের উচিত প্রস্তুতি শুরু করা। বিশ্রামের কোনও সময় নেই।”

    বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রীর ভূয়সী প্রশংসা করেন মোদি। অপরাধ দমনে যোগী সরকারের বুলডোজার (Bulldozer drive) অভিযানেরও প্রশস্তিও শোনা যায় প্রধানমন্ত্রীর মুখে। যোগী-জমানায় যে উত্তর প্রদেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির প্রভূত উন্নতি হয়েছে, এদিন তাও জানিয়ে দেন মোদি। মুখ্যমন্ত্রীকে অভিনন্দনও জানান। করোনা পরিস্থিতির মোকাবিলায় রাজ্য সরকার যেসব পদক্ষেপ নিয়েছে, তারও প্রশংসা শোনা যায় প্রধানমন্ত্রীর গলায়।

    লোকসভা নির্বাচনের বেশি দেরি নেই। তাই এখন থেকেই শুরু করতে হবে প্রস্তুতি। যোগী মন্ত্রিসভার মন্ত্রীদের আরও বেশি করে তাঁদের বিধানসভা এলাকায় সময় দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন মোদি। সরকারের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করার পরামর্শও দেন তিনি। সরকারি প্রকল্পগুলি যোগ্য উপভোক্তাদের কাছে পৌঁছচ্ছে কিনা, তাও তাঁদের নিশ্চিত করতে হবে। মোদি বলেন, কেবল সুশাসনই ক্ষমতায় ফেরার পথ। দলের সঙ্গে সরকারকে সমন্বয় রেখে চলার পরামর্শও এদিন দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর মতে, দল ও সরকারের মধ্যে সমন্বয় রেখে কাজ করা প্রয়োজন। কারণ উভয়ই একে অপরের পরিপূরক।

    দেশের সব চেয়ে বড় রাজ্য উত্তরপ্রদেশ। বিধানসভার আসন সংখ্যা ৪০৩টি। স্বাভাবিকভাবেই লোকসভা কেন্দ্রের সংখ্যাও বেশি। এই উত্তরপ্রদেশের রাশ যার দখলে থাকে, তারাই কেন্দ্রে সরকার গড়ে। উত্তরপ্রদেশে (Uttar Pradesh) বিপুল জনাদেশ নিয়ে ক্ষমতায় ফিরেছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকার। অতএব, লোকসভা নির্বাচনে কেন্দ্রের শাসন ক্ষমতায় যে বিজেপি-ই (BJP) ফিরছে, তা এক প্রকার নিশ্চিত। বিজেপি যাতে আরও বেশি সংখ্যক আসন নিয়ে ক্ষমতায় ফিরতে পারে, এদিন যোগী রাজ্যের মন্ত্রীদের সেই দাওয়াই-ই দিয়ে গেলেন নরেন্দ্র মোদি।

     

  • CBSE Board Exams: আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে পরীক্ষা ব্যবস্থায় ফের বড় বদল আনছে CBSE

    CBSE Board Exams: আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে পরীক্ষা ব্যবস্থায় ফের বড় বদল আনছে CBSE

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সেন্ট্রাল বোর্ড অফ সেকেন্ডারি এডুকেশন (সিবিএসই) আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে বড় বদল আনতে চলেছে পরীক্ষা (CBSE Exam) ব্যবস্থায়। এর প্রভাব পড়বে দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির কয়েক লক্ষ পড়ুয়ার উপর।

    করোনা (Covid) মহামারীর আগে সিবিএসই একটি পরীক্ষার মাধ্যমেই পড়ুয়াদের মূল্যায়ন করত। তবে বিদায়ী শিক্ষাবর্ষে দশম এবং দ্বাদশ শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষা দুটি ভাগে হয়।

    ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে সিবিএসই দুটি ভাগে বোর্ড পরীক্ষা (Board Exam) চালু করেছিল সেই মতো গত বছরের নভেম্বর-ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত হয়েছিল টার্ম ১ পরীক্ষা। টার্ম ২ পরীক্ষা ২৬ এপ্রিল থেকে হওয়ার কথা।

    এর আগে কোভিড মহামারীর দ্বিতীয় ঢেউয়ের কারণে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের বোর্ড পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছিল। তারপরই দুই ভাগে বোর্ড পরীক্ষা করানোর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। এদিকে পরীক্ষা বাতিলের জেরে পড়ুয়াদের মূল্যায়ন হয়েছিল অসাইনমেন্ট, প্র্যাক্টিকাল মার্কসের উপর ভিত্তি করে। 

    তবে এবছর কোভিড পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে কোভিড পূর্ববর্তী একটি পরীক্ষার নিয়ম ফেরাতে চলেছে সিবিএসই। আগামী শিক্ষবর্ষ থেকেই ফের একটি বোর্ড পরীক্ষা হতে পারে।

    এই বিষয়ে বোর্ডের এক কর্তার বক্তব্য, সিবিএসই কখনই ঘোষণা করেনি যে দুই ভাগের পরীক্ষা ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে। এটা এককালীন ফর্মুলা ছিল। এখন যেহেতু স্কুলগুলি পুরোপুরি খুলে গিয়েছে, তাই আমরা ফের পুরোনো পদ্ধতিতে ফিরতে পারি। 

  • China: ভারতীয় পডুয়াদের দু’বছর পর চিনে ফেরাতে উদ্যোগী হল বেজিং

    China: ভারতীয় পডুয়াদের দু’বছর পর চিনে ফেরাতে উদ্যোগী হল বেজিং

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  কোভিড বিধিনিষেধের কারণে চিনে পাঠরত ভারতীয় ছাত্ররা দেশে দু’বছর ধরে আটকা পড়ে আছেন। তাঁদের একাংশকে চিনে ফেরার জন্য অনুমতি দিতে চলেছে সে দেশের সরকার। ভিসা এবং বিমান চলাচলে নিষেধাজ্ঞার জন্য ভারতীয় পড়ুয়ারা চিনে ফিরতে পারছিলেন না।

    চিনা বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র ঝাও লিজিয়ান বলেন, ‘‘চিনে যে সব ভারতীয় ছাত্ররা পড়াশুনার জন্য এসেছিলেন। তাঁরা ফিরতে পারছিলেন না। তাঁদের সমস্যাকে যথেষ্ট গুরুত্ব দেয় চিন। তাই অন্যান্য দেশের পডুয়াদের সঙ্গে তাঁরাও যাতে ফিরতে পারেন সে বিষয়টিকে যথেষ্ট অগ্রাধিকার দিয়ে দেখা হচ্ছে।’’তিনি আরও বলেন, ‘‘ভারতীয় ছাত্রদের প্রত্যাবর্তনের কাজ ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। যাঁরা ফিরে আসবেন ভারতকে তার তালিকা দিতে হবে।’’

    তথ্য অনুযায়ী ২৩ হাজারেরও বেশি ভারতীয় পডুয়া চিনে পড়তে গিয়েছিলেন। এঁদের অধিকাংশ ডাক্তারি পড়ুয়া। ২০১৯ সালে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে  পড়ায় তাঁদের একাংশ দেশে ফিরে এসেছিলেন। কিন্তু ভাইরাসের প্রকোপ শুরু হওয়ায় চিন একাধিক বিধিনিষেধ জারি করে। ফলে তাঁরা আর চিনে ফিরতে পারেননি। তার পর থেকে তাঁরা চিনে ফেরার মরিয়া চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন। কিন্তু বিমান চলাচলের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি হওয়ার ফলে শুধু মাত্র অনলাইন ক্লাস করতে হচ্ছিল। অন্যদিকে কিছুদিন আগেই চিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে ইউজিসি। অনলাইন পাঠক্রমের ডিগ্রি ভারতে মান্যতা পাবে না এমন‌ই ঘোষনা করেছিল বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জরী কমিশন। এক‌ই সময় চিনের বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতের বিদেশমন্ত্রীর বৈঠকে উঠে আসে এই প্রসঙ্গ। এমনকি চিনা পর্যটকদের ভিসাও বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেয় ভারত। তারপরই শেষমেষ ভারতের চাপে পড়ে ভারতীয় পড়ুয়াদের বিষয়ে সদর্থক পদক্ষেপ গ্রহণ করল চিন। ফলে পড়াশোনা মাঝপথে ফেলে চিন থেকে যাঁরা ফিরে এসেছিলেন এবার সেই সব ছাত্রদেরই আবার দেশে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে উদ্যোগী হয়েছে চিন।

  • China Ban on India: ২ বছর পর ভারতীয়দের জন্য কোভিড ভিসা নিষেধাজ্ঞা তুলল চিন

    China Ban on India: ২ বছর পর ভারতীয়দের জন্য কোভিড ভিসা নিষেধাজ্ঞা তুলল চিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনা (Coronavirus) অতিমারির জেরে বন্ধ করা হয়েছিল কোভিড (Covid-19) ভিসা। দু’বছরেরও বেশি সময় ধরে জারি ছিল এই নিষেধাজ্ঞা। ২ বছর পর তা তুলে নেওয়া হল। চিনা (China) সরকার সে দেশে কর্মরত ভারতীয় (Indian) ও তাঁদের পরিবারকে ফের ভিসা (Visa) দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই নিষেধাজ্ঞার জেরে চিনে কর্মরত ভারতীয়রা যোগ দিতে পারছিলেন না কর্মক্ষেত্রে। নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ায় এবার পারবেন।

    সোমবার ভারতে চিনা দূতাবাসের (Chinese Embassy) তরফে জারি করা এক বিবৃতিতেই এই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার কথা জানানো হয়েছে। করোনা পরিস্থিতির আগে চিনে পড়াশোনা করতেন প্রচুর ভারতীয় ছাত্রছাত্রী। চাকরি সূত্রেও বাস করতেন অনেকে। করোনা অতিমারির জেরে এঁরা ফিরে এসেছিলেন ভারতে। ফের চিনে পুরানো জায়গায় ফিরতে চাইছেন তাঁরা। এনিয়ে তাঁরা বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের (S Jaishankar) সঙ্গেও যোগাযোগ করেন। চিনে গিয়ে ফের পড়াশোনার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন তাঁরা। করোনা পরিস্থিতির উন্নতি এবং আগ্রহী ছাত্রছাত্রীদের কথা ভেবেই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয় ড্রাগনের দেশ।

    আরও পড়ুন : পারমাণবিক অস্ত্রসম্ভার বাড়াচ্ছে চিন, ভারত, পাকিস্তানের হাতে কত?

    সম্প্রতি চিনা দূতাবাসের তরফে জানানো হয়েছে, স্থায়ীভাবে চিনে বসবাসের অনুমতিপ্রাপ্ত বিদেশিদের পরিবার এবার থেকে ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন। কর্মসূত্রে চিনে গিয়ে সেখানকার মহিলাদের বিয়ে করেছিলেন অনেক ভারতীয়। করোনা পরিস্থিতির জেরে ভারতীয়দের ফিরতে হয়েছিল দেশে। নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ায় এবার এই ভারতীয়রাও ফিরতে পারবেন চিনে। চিনের প্রচুর নাগরিকও কর্মসূত্রে ভারতে এসেছিলেন। অতিমারি পরিস্থিতিতে আটকে পড়েছিলেন তাঁরাও। নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ায় এবার তাঁরাও ফিরতে পারবেন স্বদেশে। চিনা দূতাবাসের তরফে জানানো হয়েছে, পর্যটন ভিসা (Tourist visa) এখনই দেওয়া হচ্ছে না।

    আরও পড়ুন : এখন শ্রীলঙ্কাকে সাহায্য করতে ভারতের সঙ্গে কাজ করতে চাইছে চিন!

    চলতি বছরের এপ্রিল মাসে দীর্ঘ আলোচনার পর চিনা সরকার ফাইনাল ইয়ারের বেশ কিছু ভারতীয় ছাত্রছাত্রীকে চিনে ফেরার অনুমতি দিয়েছিল। সেই সময়ই ভারতীয় দূতাবাসকে চিনে ফিরতে ইচ্ছুক পড়ুয়াদের তথ্য সংগ্রহের কথা বলেছিল। সেই তথ্য সংগ্রহের কাজ শেষেই উঠল নিষেধাজ্ঞা।

    প্রসঙ্গত, একটি রিপোর্ট থেকে জানা গিয়েছে, ২৩ হাজারেরও বেশি ভারতীয় ছাত্রছাত্রী চিনে পড়াশোনা করেন। এঁদের সিংহভাগই সে দেশের বিভিন্ন কলেজে পড়াশোনা করেন চিকিৎসা বিজ্ঞান নিয়ে। অতিমারি পরিস্থিতিতে দেশে ফেরেন তাঁরা। পঠনপাঠন চলছিল অনলাইনে। নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া এবার তাঁরাই চিনে গিয়ে ক্লাস করতে পারবেন অফলাইনে।

     

  • Omicron: বুস্টার ডোজ নিলেও হতে পারে ওমিক্রন, গবেষণায় মিলল প্রমাণ

    Omicron: বুস্টার ডোজ নিলেও হতে পারে ওমিক্রন, গবেষণায় মিলল প্রমাণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোভিড ভ্যাকসিন ও বুস্টার শট দেওয়ার পর উৎপাদিত অ্যান্টিবডিগুলি আগের করোনভাইরাস স্ট্রেনের তুলনায় ওমিক্রন ভাইরাসের বিরুদ্ধে কম কার্যকর হতে পারে বলে মনে করছেন আমেরিকার জনস হপকিন্স ইউনিভার্সিটির গবেষকরা। 

    ভারতেও দেখা গিয়েছে কোভিডের টিকা নেওয়ার পরও ওমিক্রনে আক্রান্ত হয়েছেন বহু মানুষ। এর কারণ হিসেবে মনে করা হয়, ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করা অ্যান্টিবডিগুলি নতুন এই প্রজাতির কাছে অনেকটা দুর্বল হয়ে পড়ে। তবে আমেরিকার জন হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা গত ডিসেম্বর থেকে জানুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে ১৮ জন সুস্থ এবং কোভিডের বুস্টার ডোজ প্রাপ্ত ব্যক্তিদের উপর একটি সমীক্ষা চালায়। সেখানেই দেখা যায়, ১৪ থেকে ৯২ দিনের মধ্যে তাঁরা আবারও নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন। এদের বেশিরভাগেরই বয়স ২১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে। এঁরা সকলেই কোভিড টিকা ও বুস্টার ডোজ পেয়েছিলেন। কিন্তু এর আগে কোভিডের কোনও সংক্রমণের আঁচ তাঁদের উপর এসে পড়েনি।

    জনস হপকিন্স ইউনিভার্সিটি স্কুল অফ মেডিসিনের অধ্যাপক সিনিয়র লেখক ড. জোয়েল ব্ল্যাঙ্কসন জানান, এই রোগীদের উচ্চ মাত্রায় অ্যান্টিবডি রয়েছে যা করোনা ভাইরাসের স্পাইক প্রোটিনকে কোষের উপরিভাগে বাঁধতে বাধা দেয়, কিন্তু অ্যান্টিবডিগুলি আসল স্ট্রেনের তুলনায় ‘ওমিক্রন স্ট্রেনের সাথে প্রতিক্রিয়ার সময় সেই কাজটি সম্পাদন করেনি। গবেষকরা জানান, সার্স কোভ-২-এর ভাইরাস আমাদের শরীরে মূল স্ট্রেনের প্রতি প্রতিক্রিয়া ঘটায়। ভাইরাসের অ্যাঞ্জিওটেনসিন-কনভার্টিং এনজাইম ২ (সাধারণত ACE2 নামে পরিচিত) এর সঙ্গে তা যুক্ত হলেই কোভিড সংক্রমণ হয়। ওমিক্রনের ভাইরাস এই ACE2 এপ স্পাইপ প্রোটিনের সঙ্গে কোভিড অ্যান্টিবডিকে সংযুক্ত হতে বাধা দেয়। যা সংক্রমণের প্রধান কারণ। তবে অনেকের ক্ষেত্রে এই টি-কোশই প্রধান ঢাল হিসেবে দাঁড়িয়েছে। যে কারণে ওমিক্রনের সংক্রমণ ততটাও শরীরে জাঁকিয়ে বসতে পারেনি। 

  • Sonia Gandhi: ইডি দফতরে হাজিরার আগেই করোনা পজিটিভ সোনিয়া

    Sonia Gandhi: ইডি দফতরে হাজিরার আগেই করোনা পজিটিভ সোনিয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার করোনা সংক্রমিত সোনিয়া গান্ধী (Sonia Gandhi)। রয়েছেন নিভৃতবাসে (Home Isolation)। বৃহস্পতিবার এই খবর জানান কংগ্রেসের প্রধান মুখপাত্র রণদীব সিং সুরজওয়ালা (Randeep Singh Surjewala)। ন্যাশনাল হেরাল্ড (National Herald) মামলায় কংগ্রেসের অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট সোনিয়া গান্ধী ও দলের সাংসদ রাহুল গান্ধীকে (Rahul Gandhi) তলব করেছে  এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate)। তার আগেই কোভিড পজিটিভ সোনিয়ার।

    ৮ জুন ইডি (ED) দফতরে হাজিরা দেওয়ার কথা ছিল সোনিয়ার। রাহুল রয়েছেন বিদেশে। তাঁরও হাজিরা দেওয়ার কথা ছিল ইডি দফতরে। তবে কোভিড-১৯ (Covid-19) পজিটিভ হওয়ায় সোনিয়া আদৌ ওই দিন ইডি দফতরে হাজির হতে পারবেন কিনা, তা নিয়েই উঠছে প্রশ্ন।

    দিনকয়েক আগে রাজস্থানের উদয়পুরে তিনদিন ব্যাপী কংগ্রেসের চিন্তন শিবিরে উপস্থিত ছিলেন সোনিয়া। সেখান থেকে ফেরার পর একের পর এক কংগ্রেস নেতার সঙ্গে দেখা করেছেন তিনি। বুধবার সন্ধেয় হালকা জ্বর অনুভব করেন। অন্যান্য উপসর্গও ছিল। কংগ্রেস নেত্রীকে পরীক্ষা করে চিকিৎসক জানান, করোনা সংক্রমিত (Corona positive) হয়েছেন সোনিয়া। এর পরেই চলে যান হোম আইশোলেশনে।

    আরও পড়ুন : সোনিয়া, রাহুলকে সমন ইডি-র! ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় বিপাকে কংগ্রেস

    সুরজওয়ালা জানান, সোনিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করা কংগ্রেস নেতাদের আরও অনেকেই করোনা সংক্রমিত। তবে দ্রুত সুস্থ হচ্ছেন কংগ্রেস নেত্রী। কংগ্রেসের তরফে অবশ্য জানানো হয়েছে, নির্ধারিত দিনেই ইডির দফতরে হাজিরা দেবেন কংগ্রেস সভানেত্রী। সোনিয়া ৮ তারিখে ইডির দফতরে হাজিরা দিলেও, বিদেশে থাকায় রাহুল আপাতত উপস্থিত হতে পারবেন না বলে কংগ্রেসে সূত্রে খবর। তাই তিনি কিছুটা সময় চেয়েছেন।

    এদিকে, তদন্তে সহযোগিতা করার আশ্বাস দেওয়ার পাশাপাশি এর আগে প্রধানমন্ত্রীকে একহাত নেন কংগ্রেস নেতৃত্ব। সুরজওয়ালা বলেন, পুরো ষড়যন্ত্রের পিছনে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর পোষা সংস্থা ইডি। মোদি সরকার প্রতিশোধের জন্য অন্ধ হয়ে গিয়েছে।

    জওহরলাল নেহরু প্রতিষ্ঠিত ন্যাশনাল হেরাল্ড পত্রিকা নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ বিজেপি তুলেছিল মনমোহন সিংয়ের জমানায়। ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদি সরকার ক্ষমতায় আসার পর বিষয়টি নিয়ে নতুন করে জলঘোলা শুরু হয়। যার মূল হোতা ছিলেন বিজেপি নেতা সুব্রহ্মণ্যম স্বামী। তাঁর অভিযোগ, অ্যাসোসিয়েটেড জার্নালস লিমিটেড নামে যে সংস্থার হাতে সংবাদপত্রটির মালিকানা ছিল, বাজারে ৯০ কোটি টাকা দেনা ছিল তাদের। সংবাদপত্রটির সম্পত্তি বিক্রি করে কেন কংগ্রেস নেতৃত্ব ঋণের টাকা মেটালেন না প্রশ্ন তুলে আদালতে অভিযোগ করেন ঘুরপথে আয়কর মুক্ত পুরো টাকা নিজেদের পকেটে ভরেছেন সোনিয়া, রাহুল সহ কংগ্রেস নেতৃত্ব।

    আরও পড়ুন : “আলবিদা কংগ্রেস”, ফেসবুক লাইভ করে সোনিয়া-সঙ্গ ছাড়লেন সুনীল জাখর

     

LinkedIn
Share