Tag: Covishield

Covishield

  • Covishield Vaccine: কোভিশিল্ড পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া! করোনাকালে টিকা নিয়েছিলেন যাঁরা, তাঁদের কতটা বিপদ?

    Covishield Vaccine: কোভিশিল্ড পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া! করোনাকালে টিকা নিয়েছিলেন যাঁরা, তাঁদের কতটা বিপদ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনার ছোবল থেকে বিশ্ববাসীকে বাঁচাতে তৈরি করা হয়েছিল কোভিড প্রতিরোধী টিকা। অ্যাস্ট্রাজেনেকা ও অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা যৌথভাবে ওই টিকা তৈরি করেছিলেন। ভারতে কোভিশিল্ড (Covishield Vaccine) নামের এই টিকা তৈরি করেছিল সিরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়া। প্রচুর মানুষ এই টিকা নিয়েছিলেন।

    বিরল রোগের শিকার হতে পারেন!

    তবে এখন জানা গেল, যাঁরা কোভিশিল্ড নিয়েছেন, তাঁরা শিকার হতে পারেন বিরল রোগ থ্রম্বোসাইটোপেনিয়া সিনড্রোমের। জানা গিয়েছে, এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরে সচরাচর যেসব জায়গায় রক্ত জমাট বাঁধে না, সেখানেও রক্ত জমাট বেঁধে যেতে পারে। রক্তে প্লেটলেট কমে যাবে অস্বাভাবিক হারে। যার জেরে ঘনিয়ে আসবে বিপদ। গবেষণায় জানা গিয়েছে, রক্ত জমাট (Covishield Vaccine) বাঁধার নেপথ্যে যে প্রোটিন কাজ করে, তার বিরুদ্ধেও অ্যান্টিবডি গড়ে তোলে। তার জেরে কাবু হয়ে পড়েন রোগীরা। চিকিৎসকদের মতে, এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির মারাত্মক মাথার যন্ত্রণা, পেটে ব্যথা, পা ফুলে যাওয়া, শ্বাসকষ্টের সমস্যা, খিঁচুনির সমস্যা দেখা দিতে পারে। প্রসঙ্গত, অ্যাজট্রাজেনেকার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া একটি মামলার প্রেক্ষিতে আদালতে কোভিশিল্ডের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নিয়ে এই ঝুঁকির কথা কবুল করেছে সংস্থা। ব্রিস্টল বিশ্ববিদ্যালয়ের পেডিয়াট্রিক্সের অধ্যাপক অ্যাডাম ফিন এনওয়াই বলেন, “ব্রিটেনে এখনও পর্যন্ত এই ভ্যাকসিনের প্রায় ৫০ মিলিয়ন ডোজ দেওয়া হয়েছে। রক্ত জমাট বাঁধার কারণে মারা গিয়েছেন ৪০ জন। এঁরা প্রত্যেকেই এই টিকা নিয়েছিলেন।”

    আরও পড়ুুন: তৃতীয় দফায় কী প্রচার করবেন, কৌশল বাতলে এনডিএ প্রার্থীদের চিঠি মোদির

    করোনাকালে কোভিশিল্ড টিকা নিয়েছিলেন যাঁরা, তাঁদের বিপদ কতটা?

    ২০২২ সালের ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে জানা গিয়েছে, ভারতে কোভিশিল্ড টিকার ডোজ দেওয়া হয়েছে ১৬০ কোটি। অ্যাস্ট্রাজেনেকা আদালতে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কথা মেনে নেওয়ায় উদ্বেগ বাড়ছে ভারতেও। তবে চিকিৎসকদের মতে, সাধারণত টিকা নেওয়ার কয়েক সপ্তাহ পরেই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। ভারতে টিকা দেওয়া হয়েছিল দু’বছর আগে। তাই ভারতীয়দের ভীত হওয়ার কোনও কারণ নেই। নিউরোলজিস্ট সুধীর কুমার বলেন, “টিকা নেওয়ার ১ থেকে ৬ সপ্তাহের মধ্যে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। তাই ভারতে যাঁরা দু’বছর আগে টিকা নিয়েছিলেন, তাঁদের উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনও কারণ নেই (Covishield Vaccine)।” ন্যাশনাল ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের কো-চেয়ারম্যান রাজীব জয়দেবন বলেন, ‘‘প্রথম ডোজ নেওয়ার পর প্রথম মাসেই এই বিশেষ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। তার পর আর হয় না।’’ তিনি জানান, ১৯২৪ সালে প্রথম এই রোগে আক্রান্ত এক রোগীর সন্ধান মেলে। বছর ষোলোর মেয়েটির নাম ইলি মস্কোকুইটজ। গত চার দশক ধরে এই রোগ সম্পর্কে পড়ানো হচ্ছে চিকিৎসাবিজ্ঞানের পড়ুয়াদের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Covishield: কোভিড টিকা কোভিশিল্ডে বিপদ! বিরল রোগের সম্ভাবনা রয়েছে কতটা?

    Covishield: কোভিড টিকা কোভিশিল্ডে বিপদ! বিরল রোগের সম্ভাবনা রয়েছে কতটা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২০-২১ এর মহামারীর সেই দিনগুলোর স্মৃতি এখনও দগদগে। করোনা ভাইরাসের হাত থেকে তখন কোভ্যাকসিন-কোভিশিল্ডের (Covishield) মতো টিকাগুলোই হাজার হাজার মানুষের প্রাণ রক্ষা করেছিল। কিন্তু এবার সেই করোনার টিকা কোভিশিল্ড নিয়ে বড়সড় তথ্য ফাঁস হল। আদালতে পেশ করা নথি বলছে বিরল ঘটনা হলেও কোভিশিল্ড টিকার (covishield vaccine) পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় টিটিএস বা ‘থ্রম্বোসিস উইথ থ্রম্বোসাইটোপেনিয়া সিনড্রোম’ -এর মতো বিরল রোগ। কোভিশিল্ডের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় (Covishield) কি হতে পারে মৃত্যু? এই নিয়ে প্রশ্নের দানা বেঁধেছে।

    আইনি মামলা দায়ের (Covishield)

    বিরল এই রোগে শারীরিক ক্ষতির পাশাপাশি মৃত্যু হয়েছে বলে সম্প্রতি একটি আইনি মামলা করা হয়েছে কোভিশিল্ড টিকা (Covishield Side Effect) প্রস্তুতকারীদের বিরুদ্ধে। এ নিয়ে বেশ কয়েকটি পরিবার আদালতে অভিযোগ করেছে যে, কোভিশিল্ড টিকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া (Side Effect) মারাত্মক ক্ষতিকারক প্রভাব ফেলেছে।

    গত ফেব্রুয়ারি মাসে আদালতে জমা দেওয়া একটি নথিতে অ্যাস্ট্রাজেনেকা সংস্থা জানায়, তাদের তৈরি করা প্রতিষেধকের কারণে বিরল রোগ থ্রম্বোসিস উইথ থ্রম্বোসাইটোপেনিয়া সিনড্রোমে (TTS)-এ আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। এই রোগে আক্রান্ত হলে রক্তে অণুচক্রিকার পরিমাণ কমে যায় এবং রক্ত জমাট বাঁধতে শুরু করে।

    আরও পড়ুনঃ প্রয়াত হলেন সারদা মঠ ও রামকৃষ্ণ-সারদা মিশনের অধ্যক্ষা আনন্দপ্রাণা মাতাজি

    রোগের লক্ষণ

    এই বিরল রোগে শরীরের নানা জায়গায় রক্ত জমাট বেঁধে (Blood Clots) কমে যেতে পারে রক্তে প্লেটলেটসের মাত্রা। রক্তে প্লেটলেটসের মাত্রা কমে এলে তা শরীরের পক্ষে বিপজ্জনক হতে পারে। ফলে  মাথায় অসহ্য যন্ত্রণা, পেটে যন্ত্রণা, পা ফুলে যাওয়া, শ্বাসকষ্ট,  জ্ঞান হারানোর মত সমস্যা দেখা দিতে পারে।

    মূলত যাঁরা ভ্যাক্সজেভরিয়া বা অ্যাস্ট্রেজেনেকার কোভিশিল্ড টিকা নিয়েছেন বা জনসন অ্যান্ড জনসন/জ্যানসেন-এর কোভিড টিকা নিয়েছেন, তাঁদেরই এই ধরনের রোগের ঝুঁকি আছে। তাই উপরিউক্ত কোনোরকম সমস্যা হলে তৎক্ষণাৎ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

    প্রসঙ্গত, করোনা পর্বের ভারতে কোভিশিল্ড সর্বাধিক জনপ্রিয় হয়েছিল। ঘরে ঘরে মানুষ এই টিকার দুটি আবার কেউ কেউ তো তিনটি অর্থাৎ বুস্টার ডোজও (Booster dose) গ্রহণ করেছেন। সে ক্ষেত্রে এতদিন পর কোভিশিল্ড টিকা (Covishield) সম্পর্কিত এই ভয়ংকর তথ্য প্রকাশ্যে আসতে আতঙ্কিত হচ্ছেন সকলেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Corbevax Booster Dose: কোভিশিল্ড-কোভ্যাক্সিনের পর বুস্টার ডোজ হিসেবে নেওয়া যাবে কর্বেভ্যাক্সও, অনুমোদন কেন্দ্রের

    Corbevax Booster Dose: কোভিশিল্ড-কোভ্যাক্সিনের পর বুস্টার ডোজ হিসেবে নেওয়া যাবে কর্বেভ্যাক্সও, অনুমোদন কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুস্টার ডোজ (Booster Dose) নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের। এতদিন কোভিডের টিকা হিসেবে কোভিশিল্ড (Covishield) ও কোভ্যাক্সিন (Covaxin) ব্যবহার করা হত। করোনা (Corona) প্রতিষেধক হিসেবে বুস্টার ডোজেও অনুমোদন পেয়েছিল কোভ্যাক্সিন ও কোভিশিল্ড। এবার কোভ্যাক্সিন ও কোভিশিল্ডের সঙ্গে অনুমোদন পেল কর্বেভ্যাক্সও (Corbevax)। দেশে এই প্রথম বুস্টার ডোজ হিসেবে ব্যবহার করা হবে কর্বেভ্যাক্সকে। এই টিকা এতদিন প্রাথমিক ডোজ হিসেবে ব্যবহৃত হত। এই প্রথমবার যে, করোনা প্রতিরোধে ব্যবহৃত প্রথম ভ্যাকসিন থেকে অন্য ভ্যাকসিন বুস্টার ডোজ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে।

    কেন্দ্রের স্বাস্থ্য দফতর থেকে কর্বেভ্যাক্সকে এই ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। ১৮ বছরের বেশি বয়সিদের জন্য প্রফিল্যাকটিক ডোজ হিসেবে বায়োলজিক্যাল ই কর্বেভ্যাক্স (Biological E’s Corbevax) ব্যবহার করা যাবে। অর্থাৎ যেসব ব্যক্তিরা কোভিড ভ্যাক্সিনে কোভিশিল্ড বা কোভ্যাক্সিন দুটি ডোজ নিয়েছেন তারা এখন থেকে তৃতীয় ডোজে কর্বেভ্যাক্স নিতে পারবেন।

    আরও পড়ুন: ভয় ধরাচ্ছে করোনা, দেশে একদিনে আক্রান্ত ১৬,০৪৭ জন, মৃত্যু ৫৪ জনের

    জাতীয় প্রযুক্তিগত উপদেষ্টা গ্রুপের (NTAGI) সুপারিশ মেনে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সিদ্ধান্তে বলা হয়েছে, ১৮ বছরের বেশি বয়সিদের জন্য কোভিশিল্ড বা কোভ্যাক্সিনের দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার তারিখ থেকে ছয় মাস বা ২৬ সপ্তাহ শেষ হওয়ার পর কর্বেভ্যাক্স সতর্কতামূলক ডোজ হিসেবে নেওয়া যাবে।

    সূত্রের খবর, এই কর্বেভ্যাক্স হল ভারতের প্রথম দেশীয়ভাবে তৈরি আরবিডি প্রোটিন সাবুনিট ভ্যাকসিন যা ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সি শিশুদের টিকা দেওয়ার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে। ২০ জুলাইয়ে অনুষ্ঠিত একটি বৈঠকে কোভিড-১৯ ওয়ার্কিং গ্রুপ একটি ডাবল ব্লাইন্ড ব়্যান্ডমাইজড ফেজ-৩ ক্লিনিক্যাল স্টাডি থেকে তথ্য নিয়ে পর্যবেক্ষণ করে সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, করোনার সতর্কতামূলক বুস্টার ডোজ হিসেবে এই কর্বেভ্যাক্স মানব শরীরে ইমিউনিটি গড়ে তুলতে পারছে। এমনকি অ্যান্টিবডি গঠনেও সাহায্য করছে। ১৮ থেকে ৮০ বছর বয়সি স্বেচ্ছাসেবক যাঁরা আগে কোভিশিল্ড বা কোভ্যাক্সিন ডোজ পেয়েছিলেন, তাঁদের শরীর এই টিকা প্রয়োগ করে দেখা হয়, এর ফলে তাদের শরীরে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। ভারতের ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল (Drugs Controller General of India) বা ডিজিসিআই কর্বেভ্যাক্সকে ১৮ বছরের বেশি বয়সিদের জন্য প্রফিল্যাকটিক ডোজ হিসেবে অনুমোদন দিয়েছে। উল্লেখ্য ১০ এপ্রিল থেকে ১৮ বছরের বেশি বয়সিদের কোভিড ১৯ টিকার প্রফিল্যাকটিক ডোজ বা বুস্টার ডোজ দেওয়া শুরু হয়।

     

     

  • COVID vaccine: কোভিশিল্ড বা কোভ্যাক্সিন টিকাপ্রাপকেরা বুস্টার ডোজ হিসেবে নিতে পারবেন কর্বেভ্যাক্স

    COVID vaccine: কোভিশিল্ড বা কোভ্যাক্সিন টিকাপ্রাপকেরা বুস্টার ডোজ হিসেবে নিতে পারবেন কর্বেভ্যাক্স

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোভিশিল্ড (Covishield) অথবা কোভ্যাক্সিন (Covaxin) টিকাপ্রাপকদের বায়োলজিক্যাল ই-র তৈরি কর্বেভ্যাক্সের (Corbevax) বুস্টার ডোজ দেওয়া যাবে বলে জানাল, ন্যাশনাল টেকনিক্যাল অ্যাডভাইসরি গ্রুপ অন ইমিউনাইজেশন (NTAGI)। কেন্দ্র নিযুক্ত বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গঠিত এই কমিটি জানিয়েছে, যে সব ১৮ ঊর্ধ্ব ইতিমধ্যেই কোভিশিল্ড অথবা কোভ্যাকসিনের দু’টি ডোজ নিয়েছেন, তাঁদের কর্বেভ্যাক্সের বুস্টার ডোজ দেওয়া যাবে।

    এ ব্যাপারে সম্প্রতি বৈঠকে বসেছিল এনটিএজিআই। সেখানেই বুস্টার ডোজ হিসেবে অন্য ভ্যাকসিন ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নেন বিশেষজ্ঞরা। ভারতের ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল (DCGI) কর্বেভ্যাক্সকে ছাড়পত্র দিয়েছিল গত ৪ জুন। ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সিদের বুস্টার ডোজ হিসেবে ব্যবহার করার অনুমোদন পেয়েছিল বায়োলজিক্যাল ই-র তৈরি ভারতের প্রথম আরবিডি প্রোটিন সাব-ইউনিট ভ্যাকসিন। বর্তমানে এই ভ্যাকসিন ১২-১৪ বছর বয়সিদের জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: জানেন কি, কয়েকটি সহজ পদ্ধতি মেনেই আপনি হারাতে পারেন ফুসফুসের ক্যান্সারকে?

    ভিন্নধর্মী বুস্টার (Heterologous Booster) হিসেবে আগেই ড্রাগস কন্ট্রোলার জেনারেল অফ ইন্ডিয়া (DCGI) এর অনুমোদন পেয়েছিল বায়োলজিক্যাল ই লিমিটেডের (Biological E Ltd) তৈরি কোভিড টিকা কর্বেভ্যাক্স (Corbevax)। কর্বেভ্যাক্সই ভারতের প্রথম কোভিড টিকা, যা ভিন্নধর্মী বুস্টার ডোজ হিসেবে অনুমোদন পেল। টিকার দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার ছয় মাস পরে কর্বেভ্যাক্স বুস্টার নেওয়া যেতে পারে। কোভিশিল্ড বা কোভ্যাক্সিন (Covaxin)-র সম্পূর্ণভাবে টিকা পাওয়া প্রাপ্তবয়স্করা তাদের তৃতীয় বা বুস্টার ডোজ হিসেবে কর্বেভ্যাক্স নিতে পারেন।

    এনটিএজিআইয়ের এক আধিকারিকের মতে, বিশেষজ্ঞরা ছাড়পত্র দিয়েছে। এখন যদি কেন্দ্র কোভিশিল্ড অথবা কোভ্যাকসিনের বুস্টার ডোজ হিসেবে কর্বেভ্যাক্সকে ব্যবহার করার অনুমতি দেয় তাহলে টিকাকরণ নয়া দিশা পাবে। উল্লেখ্য, ১৮-৫৯ বছর বয়সিদের বিনামূল্যে সতর্কতামূলক কোভিড টিকার ডোজ (বুস্টার ডোজ) দেওয়া শুরু হয়েছে দেশ জুড়ে। ১৫ জুলাই থেকে পরবর্তী ৭৫ দিন কোভিডের বুস্টার ডোজ পাওয়া যাবে বিনামূল্যে। স্বাধীনতার ৭৫তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আজাদি কী অমৃত মহোৎসব কর্মসূচির অংশ হিসেবে ৭৫ দিন ধরে চলবে এই বিনামূল্যের বুস্টার ডোজ টিকাকরণ।

  • Covishield: দেশে চতুর্থ ঢেউয়ের ভ্রুকুটির মধ্যেই কোভিশিল্ড তৈরি বন্ধ করল সেরাম!

    Covishield: দেশে চতুর্থ ঢেউয়ের ভ্রুকুটির মধ্যেই কোভিশিল্ড তৈরি বন্ধ করল সেরাম!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর থেকেই তাঁর সংস্থা করোনার টিকা (Covid Vaccine) উৎপাদন বন্ধ করে দিয়েছে। শুক্রবার একটি অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে একথা জানান সেরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়া (Serum Institute of India)-র কর্ণধার আদর পুনাওয়ালা (Adar Poonawalla)। তাঁর বক্তব্য, টিকা (কোভিশিল্ড) যাতে কোনওভাবেই নষ্ট না হয়, তা নিশ্চিত করতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। একইসঙ্গে তাঁর দাবি, শুধুমাত্র টাকার জন্য তাঁর সংস্থা টিকা তৈরি করে না।

    এই অনুষ্ঠানেই টিকা সংক্রান্ত বেশ কিছু সমালোচনার জবাব দেন পুনাওয়ালা। তিনি বলেন, করোনার টিকাকরণ (vaccination) নিয়ে বাণিজ্যিক মানসিকতা থাকলে চলবে না। এটা ঠিক যে অতিমারি (pandemic) আর আমাদের পিছনে তাড়া করে বেড়াচ্ছে না। কিন্তু, তা বলে “একজন নাগরিকের জীবনের জন্য কোনও দাম ধার্য করা যায় না।”

    প্রসঙ্গত, ইতিমধ্যেই টিকাকরণের মাঝের দূরত্ব কমানোর পক্ষে সওয়াল করতে শুরু করেছেন আদর পুনাওয়ালা। বর্তমান নিয়ম অনুসারে, টিকার দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার নয় মাস পর বুস্টার ডোজ নিতে হয়। কিন্তু, আদর এই ব্যবধান কমিয়ে ছয় মাস করতে চাইছেন। যা নিয়ে ইতিমধ্যেই নানা মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। অনেকেরই অভিযোগ, শুধু ব্যবসায়িক লাভের জন্যই এমনটা করছেন আদর পুনাওয়ালা।

    এদিন তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা এই অভিযোগ একেবারেই নস্যাৎ করে দিয়েছেন আদর। তিনি বোঝানোর চেষ্টা করেন, শুধুমাত্র আর্থিক লাভের আশায় তাঁর সংস্থা করোনার টিকা তৈরি করেনি। তাঁর মতে, প্রথম ও বিশেষ করে অতিমারির দ্বিতীয় ঢেউয়ের সময় ভারতবাসীকে যে ভয়াবহতার সাক্ষী হতে হয়েছে, তার পুনরাবৃত্তি যাতে আর না ঘটে, তা নিশ্চিত করতেই দ্বিতীয় ডোজের সঙ্গে বুস্টার ডোজের ব্যবধান কমানোর পক্ষে সওয়াল করেছেন তিনি। যদিও কোভিশিল্ড তৈরি এবং বিক্রি করে তাঁর সংস্থা যে অনেক টাকা রোজগার করেছে, এ নিয়ে কোনও দ্বিমত থাকতে পারে না।

    তারপরও আদর পুনাওয়ালার বক্তব্য, “অপচয়ের পথ পুরোপুরি বন্ধ করতে আমি বিনামূল্যেও টিকা দেওয়ার কথা বলেছি। আমার লক্ষ্য যদি শুধুই টাকা রোজগার করা হত, তাহলে কখনই এমনটা করতাম না। আমি বলতে চাই, দেশের কোনও নাগরিকের জীবনের মূল্য টাকা দিয়ে নির্ধারণ করা সম্ভব নয়। তা তিনি কোনও প্রাপ্তবয়স্ক হন, কিংবা কোনও নাবালক। তাই এই বিষয়ে আমাদের সময় থাকতেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে। বুস্টার ডোজ (booster dose) দেওয়ার ক্ষেত্রেই হোক, কিংবা নাবালকদের টিকাকরণ (child vaccination), আমাদের সঠিক সময় সিদ্ধান্ত নিতে হবে।”

    সেরামের (SII) কর্ণধারের অভিযোগ, নাগরিকদের জীবন বাঁচাতে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং পদক্ষেপ করা দরকার। কিন্তু, যাঁদের উপর সেই দায়িত্ব রয়েছে, তাঁরা অযথা সময় নষ্ট করছেন বলেও অভিযোগ করেন আদর পুনাওয়ালা।

     

LinkedIn
Share