Tag: Cow Smuggling Court

Cow Smuggling Court

  • Manish Kothari: গরু পাচারের টাকা-পয়সা কোথায়, সব জানেন মণীশ! দাবি ইডির

    Manish Kothari: গরু পাচারের টাকা-পয়সা কোথায়, সব জানেন মণীশ! দাবি ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরুপাচার মামলায় আবার অনুব্রত মণ্ডল ও তাঁর হিসাব রক্ষক মণীশ কোঠারিকে (Manish Kothari) মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করতে পারে ইডি। মণীশকে আরও ৫ দিন ইডির হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছে দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালত। ফলে আগামী সোমবার পর্যন্ত এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-এর হেফাজতেই থাকবেন মণীশ। 

    সব জানেন মণীশ

    ইডি সূত্রে খবর, অনুব্রত মণ্ডল জানিয়েছেন গরু পাচারকাণ্ডের টাকা-পয়সার যাবতীয় তথ্য জানেন তাঁর হিসাব রক্ষক মণীশ কোঠারি (Manish Kothari)। রাউস অ্যাভিনিউ আদালতে এমনটাই দাবি করেছেন ED-র আইনজীবী। মঙ্গলবারই গরু পাচার মামলায় অনুব্রত মণ্ডলের হিসাব রক্ষক মণীশ কোঠারিকে গ্রেফতার করে ইডি।  তাঁকে জেরা করে গরু পাচারকাণ্ডের টাকা কোথায় যায়, সেই সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যেতে পারে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।

    কে এই মণীশ

    জানা গিয়েছে, মণীশ(Manish Kothari) বোলপুরের এক ব্যবসায়ী পরিবারের সন্তান। ব্যবসা সম্পর্কিত বিষয়ে তাঁর ছোট থেকেই আগ্রহ ছিল। কিন্তু, মণীশ ব্যবসায়ী হতে চাননি। হিসাব রক্ষক হিসেবে তাঁর কেরিয়ার তৈরি করেন মণীশ। বীরভূমের ওয়াকিবহাল মহলের একাংশের কথায় ২০১১ সালে অনুব্রত মণ্ডলের হিসাবের কাজে হাত লাগান মণীশ। ধীরে ধীরে বীরভূমের এই নেতার অন্যতম বিশ্বাসভাজন হয়ে উঠেছিলেন তিনি। শুধু অনুব্রত নয়, তাঁর মেয়ের একাধিক সংস্থার হিসাব দেখার দায়িত্ব ছিল মণীশের উপরেই।

    আরও পড়ুন: সুকন্যাকে ফের হাজিরার নির্দেশ! কেষ্ট-ঘনিষ্ঠ আরও তিনজনকে দিল্লিতে তলব ইডির

    কেঁদে ফেলেন মণীশ

    এদিন এই মামলা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তরে কেঁদে ফেলেন মণীশ (Manish Kothari)। তিনি বলেন, চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট হয়ে কাজ করাটাই তাঁর ভুল! এদিন ইডির আইনজীবী মণীশ কোঠারিকে হেফাজতে চেয়ে বলেন, তিনি অনুব্রত মণ্ডলের হিসাব রক্ষক। অনুব্রতর হয়ে তিনি এই অপরাধকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন! অনুব্রতর হয়ে একাধিক শেল কোম্পানি তৈরির পাশাপাশি কর্মীও নিয়োগ করতেন তিনি। মণীশ সব জানেন। শুধু অনুব্রতই নন, সায়গল হোসেনের হয়েও তিনি আর্থিক দুর্নীতি করেছেন! এরপর মণীশের (Manish Kothari) আইনজীবী বলেন, তিনি কোনও অপরাধী নন। তিনি চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্ট হিসেবে কাজ করেছেন মাত্র। তাঁকে ইডি যখনই ডেকেছে, হাজিরা দিয়েছেন। পরবর্তীকালেও সহযোগিতা করবেন। তিনি অসুস্থ। গ্রেফতার করার প্রয়োজন ছিল না। 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share