Tag: cow smuggling scam

cow smuggling scam

  • CBI: কয়লা, গরু পাচার মামলার তদন্তকারী সিবিআই কর্তাকে হায়দরাবাদে বদলি

    CBI: কয়লা, গরু পাচার মামলার তদন্তকারী সিবিআই কর্তাকে হায়দরাবাদে বদলি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ-দুর্নীতি থেকে কয়লা-গরুপাচারের তদন্ত চালানো সিবিআই-এর (CBI) দুর্নীতি দমন শাখার প্রধান (Head Of Anti Corruption Branch Transferred) তথা জয়েন্ট ডিরেক্টর এস বেণুগোপালকে বদলি করা হল। এক বছরের মাথায় বদল করা হল তাঁকে। বেণুগোপালকে পাঠানো হয়েছে সিবিআই-এর হায়দরাবাদ শাখায়। সিবিআইয়ের কলকাতা জোনের নতুন যুগ্ম অধিকর্তা হলেন  মহারাষ্ট্র ক্যাডারের অফিসার রাজেশ প্রধান।

    নয়া যুগ্ম অধিকর্তা 

    কয়লা এবং গরু পাচার তদন্তের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এন বেণুগোপাল। তদন্তের মাঝেই সরিয়ে দেওয়া হল তাঁকে। বেণুগোপালের পাশাপাশি যুগ্ম অধিকর্তা (নীতি) অমিত কুমারকেও বদলি করা হয়েছে। বেণুগোপালের পরিবর্তে আসা রাজেশ (Rajesh Pradhan) ২০০৩ সালের আইপিএস ক্যাডার। সিবিআইয়ের ডিআইজি পদে রয়েছেন তিনি। ডেপুটেশনের ভিত্তিতে আগামী পাঁচ বছরের জন্য তাঁকে সিবিআইয়ের কলকাতা জোনের যুগ্ম অধিকর্তা হিসাবে নিয়োগ করা হয়েছে। সিবিআই সূত্রে খবর, ২০০৩-এর ব্যাচের অফিসার রাজেশ প্রধানকে অবিলম্বে দায়িত্ব বুঝে নিতে বলা হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: পঞ্চায়েত-হিংসার আঁচ সংসদেও! অভিনব প্রতিবাদ বাংলার বিজেপি সাংসদদের

    কেন বদলি

    গত বছর জুন মাসে সিবিআইয়ের কলকাতা জোনের যুগ্ম অধিকর্তা পদে বসানো হয় বেণুগোপালকে। তার আগে ওই পদে ছিলেন পঙ্কজ শ্রীবাস্তব। কলকাতায় নিজাম প্যালেসে সিবিআই-এর অ্যান্টি করাপশন ব্র্যাঞ্চের যে অফিস রয়েছে, সেখান থেকেই নিয়োগ দুর্নীতি, গরু পাচার, কয়লা পাচার, পুরসভার নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্ত চলছে। কিন্তু তদন্তের অগ্রগতি যে সন্তোষজনক নয়, তা নিয়ে একাধিক বার সরব হয়েছে আদালত। কয়েকদিন আগে পুরসভার দুর্নীতি মামলার শুনানি চলাকালীন তখনও বিচারপতি ক্ষোভপ্রকাশ করে জানান, তদন্তের কোনও রকম অগ্রগতি নেই। তার পরই দিল্লি থেকে একটি রিপোর্ট আসে বলে সিবিআই সূত্রে খবর। সেখানে বেশ কয়েকটি বিষয় জানতে চাওয়া হয়েছিল। তার পরই এই সিদ্ধান্ত সিবিআইয়ের। যা শোনা যাচ্ছে, তাতে দু’একদিনের মধ্য়েই চার্জ বুঝে নিতে পারেন রাজেশ প্রধান।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Cow Smuggling Case: কেষ্টর প্রাক্তন দেহরক্ষী সায়গলের আরও কোটি টাকার সম্পত্তির হদিশ পেল সিবিআই

    Cow Smuggling Case: কেষ্টর প্রাক্তন দেহরক্ষী সায়গলের আরও কোটি টাকার সম্পত্তির হদিশ পেল সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি ছিলেন নিছকই এক তৃণমূল (TMC) নেতার দেহরক্ষী। কতই বা আর মাইনে! তবে তৃণমূল জমানায় ঘাসফুল শিবিরের ওই নেতার সঙ্গে সঙ্গে ফুলে ফেঁপে উঠেছেন ওই দেহরক্ষীও (Cow Smuggling Case)। ফের একবার প্রমাণ মিলল তার। তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) প্রাক্তন দেহরক্ষী সায়গল হোসেনের আরও প্রায় ১ কোটি টাকার সম্পত্তির হদিশ পেয়েছে সিবিআই। শুক্রবার এই মর্মে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তরফে নথিও পেশ করা হয়েছে আসানসোলের সিবিআই আদালতে। আদালতে সিবিআই জানিয়েছে, জমা দেওয়া চার্জশিটে সায়গলের নামে যে সম্পত্তি দেখানো হয়েছিল, এখন যে কোটি টাকার সম্পত্তির হদিশ মিলেছে, সেটা তার বাইরে। 

    তিহাড়ে সায়গল

    গরু পাচার কেলেঙ্কারি (Cow Smuggling Case) মামলায় ফেঁসে গিয়ে প্রথমে সিবিআই ও পরে ইডির মামলায় গ্রেফতার হয়ে বর্তমানে দিল্লির তিহাড় জেলে রয়েছেন সায়গল। ওই জেলের গরাদেই বিষণ্ণ দিন গুজরান করছেন সায়গল যাঁর দেহরক্ষী ছিলেন, সেই অনুব্রতও। অনুব্রত ও সায়গলের বিপুল পরিমাণ সম্পত্তির হদিশ আগেই পেয়েছিলেন সিবিআইয়ের গোয়েন্দারা। আদালতে তা পেশও করা হয়েছে। তাতে দেখা গিয়েছে, অনুব্রত ও তাঁর পরিবারের অন্য সদস্যদের নামে থাকা প্রায় ৪৫টি জমির দলিলের পাশাপাশি সায়গলের নামেও ডিড রয়েছে সাতটি জমির লিজের।

    আরও সম্পত্তির হদিশ

    সেই খতিয়ানও জমা দেওয়া হয়েছে আদালতে। সায়গলের বাড়ি ও বিভিন্ন ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালিয়ে নগদ টাকা, গয়না সহ বিপুল পরিমাণ সম্পত্তির দলিলও উদ্ধার করা হয়েছে। সমস্ত তথ্য খতিয়ে দেখে সিবিআই দাবি করেছিল, অনুব্রত ও সায়গলের সম্পত্তির পরিমাণ গরু পাচার মামলায় মূল অভিযুক্ত এনামুল হকের বাজেয়াপ্ত করা সম্পত্তিকে ছাপিয়ে যেতে পারে। এদিন আদালতে সিবিআই (Cow Smuggling Case) জানায়, সায়গলের কাছ থেকে তারা আরও ৮টি জমির হদিশ পেয়েছে। এর বাজারদর অন্তত ৬০ লক্ষ টাকা। জমিগুলি রয়েছে বীরভূমের সিউড়ি ও মুর্শিদাবাদের ডোমকল এলাকায়।

    আরও পড়ুুন: বাদল অধিবেশনেই সংসদে পেশ অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বিল! ভাবনা মোদি সরকারের

    জমিগুলি রয়েছে সায়গলের মা ও স্ত্রীর নামে। তাঁদের নামে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টেরও সন্ধান পেয়েছেন গোয়েন্দারা। অ্যাকাউন্টগুলিতে রয়েছে প্রায় ৩৫ লক্ষ টাকা। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দাবি, গরু পাচারের কালো টাকা প্রথমে একটি শেল কোম্পানিতে জমা করে সাদা করা হয়েছে। পরে গচ্ছিত রাখা হয়েছে ওই অ্যাকাউন্টগুলিতে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Anubrata Mondal: ইডির বিরুদ্ধে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ অনুব্রত! সওয়াল করলেন কপিল সিব্বল

    Anubrata Mondal: ইডির বিরুদ্ধে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ অনুব্রত! সওয়াল করলেন কপিল সিব্বল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেষ্টকে দিল্লিতে নিয়ে যেতে মরিয়া ইডি। গরুপাচার মামলার তদন্তে রাজধানীতে নিয়ে গিয়ে অনুব্রত মণ্ডলকে (Anubrata Mandal) জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় কেন্দ্রীয় সংস্থা। কেষ্টর প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট চেয়ে, গত সপ্তাহে দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ কোর্টে আবেদন জানায় ইডি। তারই পাল্টা হিসেবে গরুপাচার মামলায় এবার ইডির বিরুদ্ধে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ অনুব্রত মণ্ডল। ইডির আবেদন খারিজের দাবিতে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতি।

    আরও পড়ুন: ‘‘অপেক্ষা করুন, ছবি আসছে, সব সামনে আসবে!’’ শুভেন্দুর নিশানায় কে?

    অনুব্রতের হয়ে কপিল সিব্বল

    বাংলার মামলায় দিল্লিতে এনে কেন জেরা করতে হবে? এই প্রশ্ন তুলে অনুব্রতর পক্ষে দিল্লি হাইকোর্টে সওয়াল করেন আইনজীবী কপিল সিব্বল। অনুব্রতের শারীরিক অবস্থা দেখিয়ে দিল্লি যাত্রা এড়ানোর কথা বলা হয়েছে। আগামী শুক্রবার মামলার শুনানি। ফলে এখনই অনুব্রতকে দিল্লি নিয়ে যেতে পারছে না ইডি (Enforcement Directorate)।  মঙ্গলবার আদালতে অনুব্রতের হয়ে সিব্বল জানান যে,পশ্চিমবঙ্গে এই মামলায় অধিকাংশ অভিযোগ উঠেছে। ফলে বাংলাতেই অনুব্রতকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করুক ইডি। সিব্বলের এই যুক্তির বিরোধিতা করে অনুব্রতের দেহরক্ষী তথা গরু পাচার মামলায় ধৃত সায়গল হোসেনের প্রসঙ্গ উত্থাপন করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ইডির তরফে বলা হয়,সায়গলকেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দিল্লিতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: বুধবার থেকে রাজ্যে নির্বাচনী প্রচার শুরু মহাগুরুর! আজ কলকাতায় এলেন মিঠুন

    ইডির মামলা

    ইডির আবেদনের বিরোধিতা করে দিল্লি হাই কোর্টে এই মামলা হওয়ায় অনুব্রতকে নিয়ে যাওয়া নিয়ে ইডির করা মামলার শুনানি মঙ্গলবার হয়নি রাউস অ্যাভিনিউ আদালতে।  গত শুক্রবার দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালতে তৃণমূল নেতার নামে ‘প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট’ জারি করার আবেদন করেন ইডির আইনজীবীরা। সেই আবেদন গ্রহণ করেও কোনও নির্দেশ দেননি বিচারক। এদিন ছিল শুনানি। কিন্তু তা স্থগিত হয়ে যায়। ইডির যুক্তি ইতিমধ্যেই এই মামলায় দিল্লিতে নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে, অনুব্রতকন্যা সুকন্যাকেও। জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে অনুব্রত ও সুকন্যার হিসাবরক্ষক মণীশ কোঠারিকেও। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করে গরুপাচার মামলায় (Cattle Smuggling Case) আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত একাধিক নয়া তথ্য মিলেছে। সূত্রের খবর, সেই তথ্যের ভিত্তিতে অনুব্রতকে আরও বিশদে জেরা করতে চায় ইডি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Anubrata mandal: টানা চার ঘণ্টা জেরা, ধকল সইতে না পেরে হাসপাতালে অনুব্রত!

    Anubrata mandal: টানা চার ঘণ্টা জেরা, ধকল সইতে না পেরে হাসপাতালে অনুব্রত!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টানা চার ঘণ্টার জেরা। তাই বোধহয় ধকল সইতে পারলেন না তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল(Anubrata mandal)। বৃহস্পতিবার সকাল সকাল তিনি চলে যান নিজাম প্যালেসে, সিবিআই(cbi) দফতরে। সেখানেই গরু পাচারকাণ্ডে(cow smuggling scam) জেরা করা হয় তাঁকে। নিজাম প্যালেস থেকে বেরিয়ে অনুব্রত সটান চলে যান এসএসকেএমে(sskm)।

    সিবিআই সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই গরু পাচার মামলায় অনুব্রতর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ উঠেছে। গরু পাচারকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত এনামূল জেরার সময় বেশ কয়েকবার অনুব্রতর নাম করেছে। সেই কারণেই তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতিকে জেরা করা জরুরি। দীর্ঘ প্রতীক্ষিত সেই জেরাই হল বৃহস্পতিবার।

    আরও পড়ুন : গরু পাচারকাণ্ডে সিবিআই দফতরে অনুব্রত মণ্ডল, কী বললেন তৃণমূল নেতা?

    এদিন সকালে ১০টা বাজার ঢের আগেই অনুব্রত হাজির হয়ে যান নিজাম প্যালেসে। তাঁকে হাজির হতে বলা হয়েছিলে সাড়ে ১০টায়। আগাম চলে যাওয়ায় তাঁকে বসিয়ে রাখা হয় গেস্ট রুমে। সাড়ে ১০টা বাজাতেই ডেকে পাঠানো হয় অভিযুক্ত তৃণমূল নেতাকে। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, তিন দফায় ৩৬টি প্রশ্ন করা হয় তাঁকে। জেরা চলে ঘণ্টা চারেক ধরে। দুপুর ১টা ৫৫ মিনিট নাগাদ সিবিআই দফতর থেকে বেরিয়ে আসেন অনুব্রত। যদিও বুকে ব্যথা অনুভব করায় নিজাম প্যালেস থেকে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় এসএসকেএমে। সেখানে ফের উডবার্ন ওয়ার্ডে অনুব্রতকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে খবর।

    গত ৬ এপ্রিল নিজাম প্যালেসে সিবিআই দফতরে হাজিরা দেবেন বলে চিনার পার্কের বাড়ি থেকে বের হন অনুব্রত। সেদিনও বুকে ব্যথা অনুভব করায় তিন সোজা চলে যান এসএসকেএমে। পরে ভর্তি হন উডবার্ন ওয়ার্ডে। চিকিৎসায় সুস্থ হওয়ার পর সিবিআইকে চিঠি দিয়ে অনুব্রত জানান ২১ মে-র পর তিনি সিবিআই দফতরে যেতে পারেন। তার দু দিন আগেই সিবিআই জেরার মুখোমুখি হলেন তৃণমূলের এই দোর্দণ্ডপ্রতাপ নেতা।  

    আরও পড়ুন : “বাঁচার চেষ্টা করবেন…বেশিদিন বাঁচতে পারবেন না”, কার সম্পর্কে একথা বললেন সুকান্ত?

    অসুস্থ হলেও, অনুব্রত যে সিবিআইয়ের হাত থেকে রেহাই পাবেন না, তা আগেই জানিয়ে ছিলেন বিজেপির(bjp) কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ(dilip ghosh)। তিনি বলেছিলেন, জেলে থাকলে ঠিক আছে, হাসপাতালে থাকলে তাঁর(অনুব্রতর) বেঁচে থাকার সম্ভাবনা কম। তিনি বলেন, আমার মনে হচ্ছে, তথ্যপ্রমাণ লোপাটের জন্য এনি হাউ তাঁকে মেরে ফেলা হতে পারে।একই আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন বনগাঁ দক্ষিণের বিধায়ক বিজেপির স্বপন মজুমদারও।

     

LinkedIn
Share