Tag: CPIM

CPIM

  • Kerala: কেরালায় সমবায় ব্যাঙ্কে বিনিয়োগকারীর আত্মহত্যা, প্রতিবাদ বিজেপির

    Kerala: কেরালায় সমবায় ব্যাঙ্কে বিনিয়োগকারীর আত্মহত্যা, প্রতিবাদ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেরলে (Kerala) সমবায় ব্যাঙ্কে দুর্নীতির বলি আরও একজন। কেরলের সিপিএম সরকারের এই সমবায় জালিয়াতির কবলে পড়ে সব কিছু খুইয়ে নিঃস্ব হয়ে আত্মহত্যা করলেন এক ব্যক্তি। সাবু নামে ওই ব্যক্তি ইদুক্কি জেলার সমবায় সমিতিতে টাকা রেখেছিলেন। সিপিএম-নিয়ন্ত্রিত কাট্টপ্পানা গ্রামীণ উন্নয়নে নিজের টাকা খুইয়ে ২০ ডিসেম্বর ব্যাঙ্কের সামনেই আত্মহত্যা করেন ওই ব্যক্তি। 

    অসহায় সাবু

    সাবু সমবায় ব্যাঙ্কে ৩৫ লাখ টাকা জমা করেছিলেন, এর মধ্যে তিনি মাত্র ১৪ লক্ষ টাকা পুনরুদ্ধার করতে পেরেছিলেন। বাকি টাকা বারবার চেয়েও তিনি ব্যাঙ্ক থেকে সেই টাকা ফেরত পাননি। ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষের দাবি, প্রতিষ্ঠানটি আর্থিক সংকটে ছিল। তাই এই মুহূর্তে টাকা ফেরত দেওয়া সম্ভব হয়নি। মৃত্যুর দিন, সাবু আবারও ব্যাঙ্কের কাছে গিয়েছিলেন। তাঁর স্ত্রী মেরিকুট্টির চিকিৎসার জন্য টাকার দরকার ছিল। তিনি আশা করেছিলেন টাকা পেয়ে যাবেন। কিন্তু টাকা না পেয়ে হতাশায় নিজের জীবন শেষ করে দেন। সাবুর স্ত্রী এখন হাসপাতালে ভর্তি।

    আরও পড়ুন: এক যুগের অবসান! প্রয়াত পরিচালক শ্যাম বেনেগাল

    বিজেপির প্রতিবাদ

    মেরিকুট্টির কথায়, সাবু যতবারই ব্যাঙ্কের কাছে সাহায্য চেয়েছেন ততবারই অপমানিত হয়েছেন। সাবু তাঁর সুইসাইড নোটে ব্যাঙ্ক সেক্রেটারি রেজি এবং কর্মচারী সুজামল ও বিনয়ের নাম লিখে গিয়েছেন। তাঁদেরই নিজের মৃত্যুর জন্য দায়ী করেছেন সাবু। এই ঘটনার প্রতিবাদ জানায় বিজেপি। বিক্ষোভকারীরা প্রথমে সাবুর দেহ ব্যাঙ্ক প্রাঙ্গণ থেকে সরাতে বাধা দেয়, ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জোর দেওয়া হয়। পুলিশ অবশেষে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের গ্রেফতার করে। ২০১০ সালে এই সমবায় ব্যাঙ্ক দুর্নীতি মামলা প্রথম প্রকাশ্যে আসে। ইডি-র দাবি, জেলাস্তরের নেতাদের অঙ্গুলিহেলনেই ব্যাঙ্কের ম্যানেজার ও এজেন্টদের মাধ্যমে দরিদ্র গ্রাহকদের সম্পত্তি বন্ধক রেখে বেনামিদের নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়েছে। পাশাপাশি একই নামে একাধিকবার ঋণ দেওয়ারও অভিযোগ তুলেছে কেন্দ্রীয় এজেন্সি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sitaram Yechury: প্রয়াত প্রবীণ সিপিএম নেতা সীতারাম ইয়েচুরি, বয়স হয়েছিল ৭২ বছর

    Sitaram Yechury: প্রয়াত প্রবীণ সিপিএম নেতা সীতারাম ইয়েচুরি, বয়স হয়েছিল ৭২ বছর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রয়াত হলেন সিপিআইএম-এর সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি (Sitaram Yechury)। অসুস্থ হয়ে তিনি দিল্লির এইমস হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। ২৫ দিনের যুদ্ধ শেষ। জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার দুপুরে ৭২ বছর বয়সে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর ফুসফুসে সংক্রমণ ছিল। নিউমোনিয়া হয়েছিল সিপিএম নেতার। বুধবার রাতে এইমসের চিকিৎসকরা জানিয়েছিলেন, সিপিএমের সাধারণ সম্পাদকের শারীরিক অবস্থা সংকটজনক হলেও স্থিতিশীল। একদিন পরই, আজ বৃহস্পতিবার তিনি মারা যান।

    ১৯ অগাস্ট হাসপাতালে ভর্তি হন (Sitaram Yechury)

    গত অগাস্টে সীতারাম ইয়েচুরি (Sitaram Yechury) চোখের ছানি অপারেশন হয়েছিল। সেই কারণে তিনি বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যর প্রয়াণের পরও কলকাতায় আসতে পারেননি। এরপরই ফুসফুসের সংক্রমণে আক্রান্ত হন তিনি। প্রসঙ্গত, ২০২১ সালে ইয়েচুরির জ্যেষ্ঠ পুত্র আশিস ইয়েচুরি (৩৫) কোভিডে আক্রান্ত হওয়ার পর ফুসফুসের জটিল সংক্রমণে মারা যান। গত ১৯ অগাস্ট থেকে বুকে সংক্রমণ নিয়ে দিল্লির এইমসে ভর্তি ছিলেন সীতারাম। তারপর থেকে তাঁর শারীরিক অবস্থার আর উন্নতি হয়নি। এইমসের আইসিইউ-তেই চলছিল চিকিৎসা। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের একটি দল তাঁর শারীরিক অবস্থার উপর নজর রাখছিলেন। গত মঙ্গলবার, সিপিআইএমের (CPIM) তরফে এক্স হ্যান্ডলে বলা হয়েছিল, সীতারাম ইয়েচুরিকে ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে রাখা হয়েছে। তাঁর অবস্থা সংকটজনক। বুধবার অবশ্য জানা গিয়েছিল, তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। সূত্রের খবর, শেষ মুহূর্তে একটি ইনজেকশন দিয়ে তাঁর প্রাণ রক্ষার চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু চিকিৎসকদের সব চেষ্টা ব্যর্থ হয়ে যায়। সিপিআইএম পলিটব্যুরোর সদস্য নীলোৎপল বসু জানিয়েছেন, সীতারাম আর নেই। দুপুর ৩টে ৩ মিনিটে প্রয়াত হন।

    আরও পড়ুন: উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালের হস্টেলে গড়ে উঠেছে ‘মসজিদ’! প্রতিবাদ করলেই হুমকি

    সিপিআইএমের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ছিলেন ৯ বছর

    ১৯৫২ সালে তৎকালীন মাদ্রাজে (চেন্নাই)-র এক তেলুগু ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্মেছিলেন সীতারাম ইয়েচুরি (Sitaram Yechury)। দিল্লির সেন্ট স্টিফেন্স কলেজ থেকে অর্থনীতিতে বিএ এবং জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএ ডিগ্রি অর্জন করেছিলেন তিনি। ছাত্র-জীবন থেকেই বাম রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েছিলেন। তিনবার জেএনইউ ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৭৫ জরুরি অবস্থার সময় জেনেইউ-এর ছাত্র থাকাকালীন গ্রেফতার হয়েছিলেন তিনি। ওই বছরই তিনি ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য হয়েছিলেন। ২০১৫ সালের ১৯ এপ্রিল সিপিআইএমের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন সীতারাম। গত ৯ বছর ধরে সেই দায়িত্ব পালন করছিলেন তিনি। ২০০৫ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত বাংলা থেকে নির্বাচিত হয়ে রাজ্যসভার সাংসদ ছিলেন ইয়েচুরি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Uttar Dinajpur: তৃণমূলকে ভোট না দিলে ভোটারদের দেখে নেওয়ার হুমকি চোপড়ার বিধায়কের

    Uttar Dinajpur: তৃণমূলকে ভোট না দিলে ভোটারদের দেখে নেওয়ার হুমকি চোপড়ার বিধায়কের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামনেই লোকসভা নির্বাচন (Lok Sabha Vote 2024), আর সেই নির্বাচনকে কেন্দ্র করেই চলছে শাসক-বিরোধী দলের তীব্র লড়াই। ভোটের মুখে এবার তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) বিরোধী ভোটারদের প্রকাশ্যে দেখে নেবার হুমকি দিলেন উত্তর দিনাজপুরের (Uttar Dinajpur) চোপড়ার (Chopra) বিধায়ক হামিদুল রহমান। তৃণমূল কংগ্রেসকে ভোট না দিলে পরিস্থিতি হবে ভয়ঙ্কর । ২৬ এপ্রিল কেন্দ্রীয় বাহিনী চলে যাবার পর তৃণমূল বাহিনীই থাকবে, তখন বিরোধী ভোটারদের (Voter) কিছু হলে তার সমাধান তিনি করবেন না বলে প্রকাশ্যে জানালেন তৃণমূল বিধায়ক।

    চোপড়ায় সভায় হুমকি (Uttar Dinajpur)

    বুধবার দার্জিলিং লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী (TMC Candidate) গোপাল লামার সমর্থনে চোপড়া ব্লকের (Uttar Dinajpur) মাঝিয়ালি গ্রাম পঞ্চায়েতের চুয়াগাড়ি চৌরঙ্গী মোড়ে নির্বাচনী সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে চোপড়ার বিধায়ক বিরোধী দলের ভোটারদের এমনই হুমকি দিলেন। বিধায়কের এই হুমকির পরেই জোর বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। অপরদিকে তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ককে এই নির্বাচনী প্রচারে হুমকি না দেবার জন্য সতর্ক করেছে চোপড়ার বিজেপি (BJP) নেতা বরুন সিংহ।

    তৃণমূল বিধায়কের বক্তব্য

    চোপড়া (Uttar Dinajpur) তৃণমূল বিধায়ক হামিদুল সভায় বলেছেন, “চোপড়ার প্রতিটি পঞ্চায়েত বিরোধী শূন্য। এলাকায় প্রতিটি বুথে ৯০ শতাংশ ভোট তৃণমূল কংগ্রেস না পেলে দলের পঞ্চায়েত সদস্যদের বসিয়ে দিয়ে দলের নেতাদের দিয়ে উন্নয়ন করাবো। পঞ্চায়েত সদস্যদের শুধু বুথে লিড দিলেই হবে না, বুথে বুথে ৯০ শতাংশ ভোট দলের প্রার্থী গোপাল লামাকে দিতে হবে। যদি এই কাজ না হয় তাহলে কড়া পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে।” ঘটনায় এলাকায় ভোটারদের মধ্যে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরী হয়েছে।

    বিজেপির বক্তব্য

    তবে এই প্রসঙ্গে চুপ থাকেননি চোপড়ার (Uttar Dinajpur) বিজেপি নেতা বরুন সিংহও। লোকসভা নির্বাচনের আগে বিধায়ক হামিদুল রহমানকে অত হুমকি না দেবার জন্য সতর্ক করেছেন তিনি। এই প্রসঙ্গে এই বিজেপি নেতা বলেছেন, “ভোটে তৃণমূল সন্ত্রাস তৈরি করতে চাইছে। পঞ্চায়েত নির্বাচন এবং লোকসভা নির্বাচন (lok sabha vote 2024) দুটি আলাদা নির্বাচন। নির্বাচনে বল খাটাতে গেলে তার পরিনাম ভাল হবে না।”

    আরও পড়ুনঃ নির্বাচনী প্রচারে বিজেপি প্রার্থীদের কীভাবে যেতে হবে মানুষের কাছে, জানালেন অমিত মালব্য

    পঞ্চায়েত নির্বাচনে উত্তপ্ত ছিল চোপড়া

    উল্লেখ্য, গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে রাজ্যের মধ্যে সবচেয়ে স্পর্শকাতর এলাকা ছিল চোপড়া (Uttar Dinajpur)। বিরোধী সিপিএম (CPIM), কংগ্রেস (congress) মিছিল করে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় মিছিলের উপর গুলি, বোম ছোড়া হয়েছিল। গুলিবিদ্ধ হয়ে এক সিপিএম কর্মীর মৃত্যুও পর্যন্ত হয়েছিল। গুলি এবং বোমার আঘাতে বেশ কয়েকজন গুরুতরভাবে আহত হয়েছিলেন। এই ঘটনার পর রাজ্য রাজনীতি উত্তাল হয়ে উঠেছিল। বিরোধীদের ওপর তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) এই হামলার পর বিরোধীরা কেউ মনোনয়নপত্র দাখিল করতেই পারেননি। ফলে বিনা প্রতিদ্বন্দীতায় গ্রাম পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি এবং জেলা পরিষদের আসনগুলি জয় লাভ করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: “দল না থাকলে রোজগার হবে না”, এ কী বললেন বিধায়ক লাভলি মৈত্র?

    South 24 Parganas: “দল না থাকলে রোজগার হবে না”, এ কী বললেন বিধায়ক লাভলি মৈত্র?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের তৃণমূলের মা-মাটি সরকারের বিরুদ্ধে প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযোগে বার বার সরব হয়েছে রাজ্যের বিরোধী দলগুলি। রাজ্যে গরু পাচার, কয়লা পাচার, শিক্ষক নিয়োগ, রেশন দুর্নীতি এবং পুর নিয়োগ নিয়ে শাসক দলের একাধিক মন্ত্রী, বিধায়ক, নেতামন্ত্রী জেলের মধ্যে রয়েছেন। সকলেই দুর্নীতি করে আয় বা রোজগার করছে বলে অভিযোগ রয়েছে। ইতিমধ্যে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ‘চোর মমতা’ মন্তব্যে ব্যাপক সরব হয়েছেন। ঠিক এই আবহেই তৃণমূল বিধায়কের মন্তব্যেও ফের একবার দুর্নীতির কথা ফাঁস হয়ে গেল। দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) সোনারপুর দক্ষিণের বিধায়ক লাভলি মৈত্র বলেন, “দল না থাকলে রোজগার হবে না।”এই ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

    কী বললেন তৃণমূল বিধায়ক (South 24 Parganas)?

    সোনারপুর দক্ষিণের (South 24 Parganas) প্রতাপনগরে এক কর্মী সভায় রবিবার উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল নেত্রী লাভলি মৈত্র। তিনি দলের কর্মীদের বলেন, “দল থাকলে রোজগার হবে, উপার্জন হবে। রোজাগার কে কীভাবে কোথা থেকে করেন আমি সব জানি। আমার কাছে সব খবর আছে। দলটাই যদি না থাকে তাহলে কীভাবে সম্ভব হবে। তাই বলছি গ্রুপবাজি বন্ধ করুন। দলের কাজে মন দিন।”

    কর্মীদের কড়া হুঁশিয়ারি

    সোনারপুর (South 24 Parganas) কর্মীসভায় বিধায়ক লাভলি আরও বলেন, “মাত্র দুই মাস পরেই নির্বাচন! এটা একটা কর্মী সম্মেলন মাত্র, অর্ধেক লোক এসেছেন! বুথ কমিটির মধ্যে যে যে নাম আমাকে দেওয়া হয়েছিল তাতে মাত্র হাতে গোনা কয়েকটা লোক! অর্ধেক মানুষ অনুপস্থিত। রাজ্যের তো উন্নয়ন কোথাও থেমে নেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে কাজ চলছে। আপনাদের ফাজলামোর জন্য প্রত্যেক অঞ্চলের প্রত্যেক বুথে কিছু এমন মানুষ রয়েছেন যারা কোনও দলের মধ্যেই নেই। সকালে তৃণমূল, রাতে বিজেপি এবং দুপুরে সিপিএম। দলের ভীষণ ক্ষতি হচ্ছে।”

    বাইরে থেকে লোক এনে দল চালাব

    সোনারপুর (South 24 Parganas) কর্মীসভায় বিধায়ক লাভলি এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, “আমি দিদি ও অভিষেকদার সঙ্গে কথা বলব। যারা রেজাল্ট দিতে পারবেন না তারা সদস্য সেজে বাসে থাকলে চলবে না। আসন অলঙ্কৃত করে বসে থাকা সদস্যদের আমরা চাই না। বুথের মধ্যে এখনও দলাদলি, গ্রুপবাজি চলছে। এই গ্রুপবাজির কারণে প্রতাপনগরে দল শেষ হয়ে যাচ্ছে। আপনাদের দরকার নেই আমি বাইরে থেকে লোক এনে দল চালাবো। তারপর দলের রেজাল্ট দেখাবো।”      

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: বিরোধী জোট শোচনীয় ভাবে পরাস্ত হবে লোকসভা ভোটে, তোপ বিজেপির

    BJP: বিরোধী জোট শোচনীয় ভাবে পরাস্ত হবে লোকসভা ভোটে, তোপ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুম্বইয়ে বিরোধী জোটের বৈঠককে তীব্র আক্রমণ শানাল বিজেপি (BJP)। সাংবাদিক সম্মেলনে বিজেপির (BJP) দাবি, লোকসভা ভোটে শোচনীয়ভাবে পরাস্ত হবে তথাকথিত বিরোধী জোট। বিজেপির (BJP) সদর দফতরে সাংবাদিক সম্মেলনে দলের নেতা রবি শঙ্কর প্রসাদ তোপ দাগেন বিরোধী জোটের বৈঠককে এবং তিনি বলেন, ‘‘তথাকথিত বিরোধীদের বৈঠকে আলোচনায় উঠে আসেনি কৃষক, মহিলা এবং শিশুদের নিয়ে কোনও প্রসঙ্গ। তাদের কোনও রকমের নীতি দেখা যায়নি ভারতের সার্বিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে, কোনও রকমের রূপরেখা তারা তৈরি করেনি দারিদ্র উন্নয়নের ক্ষেত্রে।’’ 

    জগাখিচুড়ি জোট পরস্পরবিরোধী দলে ভর্তি

    রবি শঙ্কর প্রসাদের আরও দাবি, মুম্বইয়ের তথাকথিত বিরোধী জোটের তৃতীয় বৈঠকে সন্ত্রাসবাদ, মৌলবাদ এ সমস্ত কিছু নিয়েও কোনও রকমের আলোচনা হয়নি। বিজেপির (BJP) আরও কটাক্ষ, ‘‘তিন তিনটে বৈঠক হয়ে যাওয়ার পরেও বিরোধী জোটের কোনওরকমের কনভেনার ঘোষণা করা হল না। কোনও কমিটিও তৈরি করা হল না।’’ প্রসঙ্গত, ওয়াকিবহাল মহলের মতে পরস্পর বিরোধী দলগুলি একত্রিত হয়েছে বটে কিন্তু  রাজ্যে রাজ্যে তাদের মধ্যে কোনও রকমের জোট হওয়ার সম্ভাবনা নেই। যেমন ইতিমধ্যে ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি জানিয়ে দিয়েছে যে কেরলে তাদের সরাসরি লড়াই কংগ্রেসের সঙ্গে হবে। অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে তৃণমূলের সঙ্গে কংগ্রেস এবং সিপিএমের জোটের সম্ভাবনা নেই। আবার দিল্লির আম আদমি পার্টির সঙ্গে কংগ্রেসের লোকসভা ভোটে কোনও রকমে জোটের সম্ভাবনা নেই। অর্থাৎ এই জগাখিচুড়ি জোট লোকসভায় কতটা দাগ কাটতে পারবে তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে।

    জোটে দুর্নীতিগ্রস্ত নেতাদের ভিড়

    এদিন রবিশঙ্কর প্রসাদ আরও বলেন, ‘‘নরেন্দ্র মোদি (BJP) হলেন বিশ্বের সবথেকে জনপ্রিয় নেতা। যিনি তাঁর দূরদর্শিতা এবং নীতির মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিয়ে চলেছেন। জনমুখী বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে উন্নয়ন হচ্ছে দেশে। অন্যদিকে বিরোধী জোটের নেতা-নেত্রীদের না আছে কোন নীতি না আছে কোন দূরদর্শিতা।’’ দুর্নীতিতে অভিযুক্ত বিরোধী জোটের নেতাদেরও কটাক্ষ করতে ছাড়েননি রবিশঙ্কর প্রসাদ। তাঁর মতে, ২জি স্ক্যাম, কয়লা কেলেঙ্কারি এ সমস্ত কিছুতে অভিযুক্ত কংগ্রেস। অন্যদিকে, পশুখাদ্য কেলেঙ্কারির পরে আরজেডি সুপ্রিমো লালু প্রসাদ যাদবকেও সেখানে দেখা যাচ্ছে (BJP)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Dakshin Dinajpur: বালুরঘাটে ডেঙ্গি সংক্রমণ বৃদ্ধি পাচ্ছে, পুরসভার বিরুদ্ধে সরব বিরোধীরা

    Dakshin Dinajpur: বালুরঘাটে ডেঙ্গি সংক্রমণ বৃদ্ধি পাচ্ছে, পুরসভার বিরুদ্ধে সরব বিরোধীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য জুড়ে ডেঙ্গি আবহে, তা রোধে কতটা সচেতন? তা নিয়ে প্রশ্নের মুখে বালুরঘাট (Dakshin Dinajpur) পুরসভা। বিরোধীদের দাবি, সময় মতো নর্দমা ও জঞ্জাল পরিষ্কার না করায়, বৃদ্ধি পাচ্ছে মশা। অপর দিকে ডেঙ্গি প্রতিরোধে উদাসীন বালুরঘাট পুরসভা বলে অভিযোগ বিজেপির। বামেদের দাবি, সাফাইয়ে প্রয়োজনের তুলনায় কম কাজ হচ্ছে। যদিও শহর পরিচ্ছন্ন রাখতে এবং ডেঙ্গি প্রতিরোধে কাজ হচ্ছে বলে জানিয়েছে বালুরঘাট পুরসভা কর্তৃপক্ষ। রাজনৈতিক চাপন-উতোরে শোরগোল জেলায়।

    ডেঙ্গির কেমন অবস্থা বালুরঘাটে (Dakshin Dinajpur)?

    রাজ্য জুড়েই বাড়ছে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় সে ভাবে সংক্রমণ না বাড়লেও, সতর্কতা জারি রয়েছে। জেলা স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, দক্ষিণ দিনাজপুর (Dakshin Dinajpur) জেলায় গত জানুয়ারি মাস থেকে চলতি সপ্তাহ পর্যন্ত মোট ৫০ জনের সংক্রমণের খবর রয়েছে। এর মধ্যে বালুরঘাট শহরের তিনজন সংক্রমিত হয়েছিল। বর্তমানে জেলায় মাত্র দু’ জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। একজন বালুরঘাট জেলা হাসপাতালে এবং একজন গঙ্গারামপুর মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

    বিজেপির বক্তব্য

    বালুরঘাট পুরসভা ডেঙ্গি সংক্রমণ রোধে উদাসীন বলে অভিযোগ বিজেপির। বিজেপির বালুরঘাট শহর মণ্ডল সভাপতি সমীরপ্রসাদ দত্ত জানান, শহরের যত্রতত্র আবর্জনায় ভরে উঠেছে। নিয়মিত নর্দমা পরিষ্কার, মশা মারার তেল স্প্রে করছে না বালুরঘাট পুরসভা (Dakshin Dinajpur)। রাজ্যে যেভাবে ডেঙ্গি বেড়ে চলেছে, তাতে পুরসভা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নিলে শহরে ছড়িয়ে পড়তে পারে সংক্রমণ।

    সিপিএমের বক্তব্য

    বালুরঘাট পৌরসভার (Dakshin Dinajpur) ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাম কাউন্সিলার প্রবীর দত্ত বলেন, আমার ওয়ার্ডে ডেঙ্গি সার্ভে সহ স্প্রে, নর্দমা পরিষ্কারের কাজ চলছে। তবে প্রয়োজনের তুলনায় ব্লিচিং পাওয়া যাচ্ছে না। ডেঙ্গি রোধে আরও বেশি করে কাজ করা প্রয়োজন। পরিচ্ছন্নতা ও মশা নিধনে প্রয়োজনের তুলনায় কম কাজ হচ্ছে বলে তৃণমূল পরিচালিত বালুরঘাট পুরসভার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন প্রবীর দত্ত।

    বালুরঘাট পুরসাভার বক্তব্য

    বালুরঘাট পুরসভার (Dakshin Dinajpur) চেয়ারম্যান অশোক মিত্র জানান, বালুরঘাট পুরসভা শহরের পরিচ্ছন্নতার কাজ নিয়মিতভাবে করছে। ডেঙ্গি রোধে সচেতনতা, বাড়ি বাড়ি সার্ভে সহ অন্যান্য কাজ চলছে। স্বাস্থ্য দফতরের সাথে যোগাযোগ রেখে, স্বাস্থ্য দফতরের গাইড লাইন মেনে, ডেঙ্গি রোধে সমস্ত কাজ করছে বালুরঘাট পুরসভা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা জোর করে মুচলেকা লিখিয়েছে, বাড়ি ফিরে বললেন অপহৃতরা

    South 24 Parganas: তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা জোর করে মুচলেকা লিখিয়েছে, বাড়ি ফিরে বললেন অপহৃতরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চসায়ের এলাকা থেকে রায়দিঘির (South 24 Parganas) কৃষ্ণচন্দ্রপুরের চার বিরোধী জয়ী প্রার্থীর অপহরণের ঘটনার পর অবশেষে রবিবার বাড়ি ফিরলেন তাঁরা। বাড়ি ফিরেই বললেন, অপহরণ করে জোর করে স্বীকারোক্তি এবং লিখিত নেওয়া হয়। মূলত পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠনের জন্যই দুষ্কৃতীরা তাঁদের অপহরণ করে। অভিযোগের তির মূলত তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধেই। এলাকায় এই নিয়ে রাজনৈতিক মহলে তীব্র উত্তেজনা।

    যাঁরা অপহরণ হয়েছিলেন তাঁদের বক্তব্য (South 24 Parganas)

    অপহরণের শিকার হওয়া চার জয়ী বিরোধী প্রার্থীর নাম হল সুশান্ত মণ্ডল, কমলা মণ্ডল, নারায়ণ চন্দ্র হালদার এবং পুজা ছাটুই। বাড়ি (South 24 Parganas) ফিরেই তাঁদের বক্তব্য, গত ২৭ জুলাই কলকাতা থেকে রাতের অন্ধকারে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা অপহরণ করেছিল। এরপরেই জোরপূর্বক তাঁদের থেকে লিখিত ও ভিডিও বার্তা নেওয়া হয়। এরপর একাধিক গেস্ট হাউসে স্থানান্তরিত করে রাখা হয়েছিল। পরে সাদা কাগজে তাঁদের স্বাক্ষর করিয়ে নেওয়াও হয়। আজ রবিবার সকালে তাঁদেরকে আবার অপহরণমুক্ত করে বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। অপহরণ যাঁদের করা হয়েছিল তঁদের মাধ্যে ছিলেন বিজেপির তিনজন প্রার্থী এবং সিপিআইএমের এক প্রার্থী।

    কৃষ্ণচন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের সমীকরণ কেমন?

    কৃষ্ণচন্দ্রপুরের (South 24 Parganas) মোট আসন সংখ্যা ১৫, যেখানে তৃণমূল কংগ্রেস জয়লাভ করেছে ৪ টি আসনে, বিজেপি জয়লাভ করেছে ৬টি আসনে এবং সিপিআইএম জয়লাভ করেছে ৩ টি আসনে। আর বাকি দুটিতে নির্দল জয়লাভ করেছে। বোর্ড গঠন করতে হলে মোট আটজন সদস্যের প্রয়োজন। যেখানে তৃণমূল কংগ্রেসের হাতে রয়েছে মাত্র চারজন সদস্য। তৃণমূল কংগ্রেস বোর্ড গঠন করার লক্ষ্যে বিরোধীদের চারজন সদস্যকে অপহরণ করে, এমনটাই অভিযোগ বিজেপির। পাশাপাশি সিপিআইএমও বোর্ড গঠনের জন্য তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের এই অপকর্ম করে বলে উল্লেখ করে।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    অন্যদিকে বিজেপির তোলা অভিযোগ অস্বীকার করে তৃণমূল কংগ্রেসের সুন্দরবন (South 24 Parganas) সাংগঠনিক জেলার সভাপতি জয়দেব হালদার বলেন, যেখানে সিপিআইএমের মাত্র তিনজন সদস্য, তাঁরা কিভাবে এই অভিযোগ তুলতে পারেন! তিনি আরও বলেন, সিপিআইএম এবং বিজেপির মধ্যে সেটিং হয়েছে। সিপিআইএম চক্রান্ত করে তৃণমূলের উপর দোষ চাপানোর চেষ্টা করছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Uttar Dinajpur: ইসলামপুরে বাম নেতার ছেলেকে ধারালো অস্ত্রের কোপ, শরীর ক্ষতবিক্ষত!

    Uttar Dinajpur: ইসলামপুরে বাম নেতার ছেলেকে ধারালো অস্ত্রের কোপ, শরীর ক্ষতবিক্ষত!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর দিনাজপুর (Uttar Dinajpur) জেলার ইসলামপুরে ছুরিকাহত হয়ে অসীম সাহার মৃত্যুর রেশ কাটতে না কাটতেই এবার চোপড়ায় বাম নেতার ছেলেকে ধারালো অস্ত্রের কোপ। ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন সেই যুবক। তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে গোটা এলাকা জুড়ে। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, আহত ওই যুবকের নাম রবিউল হাবিব (৩২)। তার পিতা মোকলেশ্বর রহমান এলাকার প্রভাবশালী বাম নেতা। বৃহস্পতিবার রাতে স্থানীয় দলুয়া এলাকায় এক অনুষ্ঠান বাড়িতে গিয়েছিলেন রবিউল। গভীর রাতে সেখান থেকে বাড়ি ফেরার পথে আখতার আলি নামে এক ব্যক্তি তাঁকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে বলে অভিযোগ। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে ইসলামপুর মহকুমা হাসপাতালে আনা হয়। তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক রয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, তাঁর শরীরের বেশ কিছু জায়গায় ক্ষত রয়েছে।

    শাসক দলের (Uttar Dinajpur) বিরুদ্ধেই অভিযোগ

    এই ঘটনার নেপথ্যে রাজনৈতিক হিংসা রয়েছে বলে অনুমান করছেন স্থানীয় বাম নেতৃত্ব। তাদের অনুমান, শাসক দল তৃণমূলের মদতেই ঘটনাটি ঘটেছে। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। আহত রবিউলের পিতা মোকলেশ্বর রহমান বলেন, “আমি বাড়িতেই ছিলাম। হঠাৎ দেখি ছেলে রক্তাক্ত অবস্থায় বাড়িতে আসে। আমি কোনওদিক না দেখে গাড়ি করে ছেলেকে নিয়ে সোজা ইসলামপুর মহকুমা হাসপাতালে আসি। ওর শরীরের বেশ কিছু জায়গায় ক্ষত রয়েছে। কী কারণে ওর উপরে হামলা হল, তা এখনই বুঝতে পারছি না।” অপরদিকে, সিপিআইএমের জেলা কমিটির সদস্য বিকাশ দাস বলেন,” আমরা খবর পাই যে আমাদেরই সদস্য মোকলেশ্বর রহমানের ছেলেকে কেউ বা কারা রাতের অন্ধকারে ধারালো অস্ত্র দিয়ে প্রাণে মেরে ফেলার চেষ্টা চালিয়েছে। আমরা তড়িঘড়ি ইসলামপুর মহকুমা হাসপাতালে (Uttar Dinajpur) ছুটে আসি। ওর অবস্থা আশঙ্কাজনক রয়েছে। চা গাছ কাটার যে ‘হাসুয়া’ রয়েছে সেই অস্ত্র দিয়েই তার ওপর আক্রমণ করা হয়েছে। এর পিছনে রাজনৈতিক কোনও ষড়যন্ত্র রয়েছে বলেই আমাদের অনুমান।”

    কী বললেন তৃণমূল জেলা সভাপতি (Uttar Dinajpur)?

    অপরদিকে, তৃণমূলের জেলা সভাপতি (Uttar Dinajpur) কানাইয়ালাল আগরওয়াল বলেন, “এ ঘটনার সাথে তৃণমূল জড়িত নয়। অভিযুক্ত যাতে দ্রুত গ্রেফতার হয় এবং আইন-শৃঙ্খলার অবনতি যাতে না হয় তা পুলিশকে জানিয়েছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: বিজেপি কর্মীদের ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাথাড়ি কোপ, অভিযুক্ত সিপিআইএম

    Murshidabad: বিজেপি কর্মীদের ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাথাড়ি কোপ, অভিযুক্ত সিপিআইএম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিনদুপুরে বিজেপি কর্মীদের বাড়িতে ঢুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলার অভিযোগ উঠল সিপিআইএমের দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার দুপুরে মু্র্শিদাবাদের ইসলামপুর (Murshidabad) থানার বনমালী ঘাট এলাকায়। ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

    কেন ঘটল ঘটনা?

    সূত্র মারফত জানা গেছে, পঞ্চায়েত ভোটের আগে থেকেই ওই বিজেপি (Murshidabad) কর্মীদের হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। ওই এলাকায় বিজেপি প্রার্থী মাত্র ১৫ ভোটে হেরে যায়। তারপর থেকেই সিপিআইএমের লোকজন লাগাতার শাসানি, হুমকি দিত বলে জানান আহত বিজেপি কর্মীদের পরিবারের সদস্যরা। যদিও হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে সিপিআইএম নেতৃবৃন্দ। বিজেপি কর্মীদের ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলার ঘটনায় এলাকায় বিশাল পুলিশ বাহিনী এসে পৌঁছেছে। এই ঘটনায় পাঁচজন বিজেপি কর্মীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানোর অভিযোগ উঠেছে সিপিআইএমের বিরুদ্ধে। তাঁদের মধ্যে তিনজনকে তড়িঘড়ি গোধনপাড়া (Murshidabad) গ্রামীণ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসা হয়। ওই হামলার ঘটনায় রবীন্দ্র মণ্ডল নামের একজন বিজেপি কর্মী গুরুতর জখম হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। তাঁদের সারা শরীরে কোপানো হয়েছে বলে অভিযোগ। পরে গোধনপাড়া গ্রামীণ হাসপাতাল থেকে আহত বিজেপি কর্মীদের বহরমপুরে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

    বিজেপির বক্তব্য

    বিজেপি কর্মী রাজদীপ মণ্ডল বলেন, গতকাল বিকেলে মাঠে নিজের মধ্যে আমরা মজা করছিলাম। সেখান থেকেই দুষ্কৃতীরা আমাদের লক্ষ্য করে। এরপর আজ দুপুর ১২ টায় হঠাৎ আক্রমণ হয় আমাদের উপর। সিপিআইএম দলের প্রতাপ, বাপি, সঞ্জিত সকলে ধারালো অস্ত্র নিয়ে আমার বাবা, ভাই এবং আমাকে কোপায়। খুনের উদ্দেশ্য নিয়েই তারা বাড়িতে আসে। আমার জ্যাঠার পেটে গভীর আঘাত লাগে। আমি আগে থানায় (Murshidabad) জানিয়েছিলাম। কিন্তু জানিয়ে লাভ হয় না। পুলিশ কোনও সক্রিয়তা দেখায়নি।

    সিপিআইএমের বক্তব্য

    সিপিআইএমের জেলা সম্পাদক (Murshidabad) জামির মোল্লা বলেন, আক্রান্ত পরিবার বিজেপির হলেও বিষয়টা পারিবারিক। এই ঘটনায় সিপিআইএমের সঙ্গে কোনও যোগ নেই। বিষয়টিকে ইচ্ছে করে রাজনৈতিক রং দেওয়া হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 parganas: ভুতুড়ে কাণ্ড! মন্দিরবাজারে মোট ভোট ১২৪৮, কাউন্টিং হল ১৫৭৩!

    South 24 parganas: ভুতুড়ে কাণ্ড! মন্দিরবাজারে মোট ভোট ১২৪৮, কাউন্টিং হল ১৫৭৩!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য জুড়ে ভোটের গণনায় অনেক জায়গায় কারচুপির অভিযোগ হয়েছে। মোট ভোটার, প্রদত্ত ভোটার এবং গণনার পর ভোটের সংখ্যা বদলে গেছে অনেক জায়গায়। আর এই অভিযোগে বিরোধীরা হাইকোর্টের পর্যন্ত দ্বারস্থ হয়েছেন বলে জানা গেছে। গণনায় ভুতুড়ে ভোটার এবার মন্দিরবাজারে। ভোট কেন্দ্রে মোট ভোট পোলিং হয় ১২৪৭, সেই ভোট কাউন্টিং সেন্টারে বেড়ে হয় ১৫৭৩, যা ভোট কেন্দ্রের মোট ভোটের থেকে ৩২৬ টি বেশি। এই নিয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েও কোনও সুরাহা না মেলায়, অবশেষে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন মন্দিরবাজার (South 24 parganas) বিধানসভার পূর্ব মল্লিকপুর ৮৪ নং বুথের সিপিআইএম প্রার্থী মাসুদা পুরকাইত।

    প্রার্থী কী বললেন (South 24 parganas)?

    সিপিআইএম প্রার্থী মাসুদা পুরকাইত বলেন, পূর্ব মল্লিকপুর (South 24 parganas) এলাকার ৮৪ নং কেন্দ্রে দুটি বুথ, সেখানে মোট ভোট যা পড়েছে তা ভোট কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার ফর্ম নম্বর ১৮ তে উল্লেখ করেছেন। কিন্তু বিপত্তি ঘটে কাউন্টিং হলে, সেখানে ব্যালট বাক্স খুলতেই অতিরিক্ত ভোট বেড়ে মোট সংখ্যার অনেক পরিবর্তন হয়ে গেছে। তিনি আরও বলেন, ভোট গণনার দিন ব্লক প্রশাসনকে এই ভোটের কারচুপির বিষয়ে অভিযোগ জানালে কোনও ভ্রুক্ষেপ করেননি। শুধু তাই নয়, ভোট গণনা কেন্দ্র থেকে জোর করে বিরোধীদের বের করে দেওয়া হয়। প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করলেও প্রথমে কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি বিডিও।

    কোর্টের দ্বারস্থ প্রার্থী

    অবশেষে ন্যায় বিচার চেয়ে হাইকোর্টে দ্বারস্থ সিপিআইএম প্রার্থী মাসুদা পুরকাইত (South 24 parganas)। অবশ্য এরপর এই ঘটনায় মন্দির বাজারের বিডিওকে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, বিষয়টি নজরে এসেছে। খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

    উল্লেখ্য, পঞ্চায়েত ভোটের গণনা এবং ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ব্যালট পেপার নিয়ে হাইকোর্টে মামাল হয়েছে। জ্যাংড়া-হাতিয়ারা গ্রাম পাঞ্চায়েতে ভোট কেন্দ্রে ছাপ্পা মারার অভিযোগে এলাকার মানুষ ভোট প্রদানে বয়কট করেছিলেন। কিন্তু গণনার দিনে দেখা যায় মোট ভোটারের থেকে প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা অনেক বেশি হয়েছে। ফলে হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা এই মামলার বিশেষ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share