Tag: cpm

cpm

  • BJP: সিপিএমের সঙ্গে আঁতাত! লজ্জা ও ঘৃণায় তৃণমূলের প্রথম নির্বাচিত পঞ্চায়েত প্রধান বিজেপিতে

    BJP: সিপিএমের সঙ্গে আঁতাত! লজ্জা ও ঘৃণায় তৃণমূলের প্রথম নির্বাচিত পঞ্চায়েত প্রধান বিজেপিতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রে সিপিএম, কংগ্রেস এবং তৃণমূলের আঁতাত দেখে লজ্জায় এবং ঘৃণায় তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে (BJP) যোগদান করলেন রাজ্যের প্রথম তৃণমূলের নির্বাচিত পঞ্চায়েত প্রধান স্বপন সান্যাল। এদিন জেলা সভাপতি ও বিজেপি নেতা জয় ব্যানার্জির উপস্থিতিতে পতাকা হাতে তুলে নেন তিনি। ১৯৯৮ সালে শান্তিপুর ব্লকের ফুলিয়া টাউনশিপ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রথম তৃণমূলের নির্বাচিত প্রধান ছিলেন তিনি। উল্লেখ্য, ২১ শে জুলাই নিহতদের শ্রদ্ধা জানিয়ে কলকাতার ধর্মতলায় ঐতিহাসিক জন সমাবেশ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। আর সেই দিন যাদের অত্যাচারে তাঁরা শহিদ হয়েছিলেন, রাজ্যের বাইরে গিয়ে তাদের সঙ্গেই জোটবদ্ধ হচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। সেই লজ্জা আর ঘৃণাতেই এবার তৃণমূল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।

    কোথায় যোগদান করলেন বিজেপিতে (BJP)?

    এদিন একুশে জুলাই উপলক্ষে তৃণমূল  একদিকে যখন জনসভা করছে, ঠিক তার উল্টোদিকে গোটা রাজ্য জুড়ে ব্লক অফিসে বিক্ষোভ সমাবেশ কর্মসূচি পালন করছে বিজেপি (BJP)। সেই মতো নদিয়ার শান্তিপুর ব্লকের ফুলিয়া বিডিও অফিসের কিছুটা দূরে মঞ্চ বেঁধে বিক্ষোভ সমাবেশ করতে দেখা যায় বিজেপিকে। সেখানেই নীল-সাদা পতাকা ছেড়ে গেরুয়া পতাকা হাতে তুলে নেন পোড় খাওয়া তৃণমূলের এই প্রবীণ নেতা।

    কী বললেন প্রাক্তন তৃণমূল প্রধান?

    এ বিষয়ে প্রাক্তন তৃণমূল প্রধান স্বপন সান্যাল বলেন, যাদের অত্যাচারে আজ এই শহিদ দিবস পালন হচ্ছে, তাদের সঙ্গেই তৃণমূল জোটবদ্ধ হচ্ছে। আমি এই রাজ্যের প্রথম তৃণমূল কংগ্রেসের প্রধান ছিলাম। আমি স্বপ্ন দেখেছিলাম আমার পঞ্চায়েতটিকে মডেল হিসাবে তৈরি করব। কিন্তু দুর্ভাগ্য বিজেপিকে হারানোর জন্য সব নীতিবোধ বিসর্জন দিয়ে চিরশত্রুদের সঙ্গেই তিনি জোটবদ্ধ হয়েছেন। সেই কারণেই আমি আজ বিজেপিতে (BJP) যোগদান করলাম। 

    উল্লেখ্য, কয়েক দিন আগেই সিপিএমের এক পরিবার তৃণমূলের হামলা নিয়ে একই ধরনের প্রতিক্রিয়া দিয়েছিল। তাঁরাও মমতার পদক্ষেপের ব্যাপারে ক্ষোভ এবং ঘৃণাই উগরে দিয়েছিলেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: এবার তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে বোমাবাজি, আতঙ্কে মহিলারা, কাঠগড়ায় সিপিএম

    Murshidabad: এবার তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে বোমাবাজি, আতঙ্কে মহিলারা, কাঠগড়ায় সিপিএম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদের ধুলাউড়ি (Murshidabad) অঞ্চলের যুব তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতির বাড়িতে বোমা বিস্ফোরণ ঘটানোর অভিযোগ উঠল সিপিএমের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার রাত ১০ টার দিকে তুলসীপুর গ্রামে ধুলাউড়ি অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের যুব সভাপতি আঞ্জারুলের বাড়িতে বোমা বিস্ফোরণ হয় বলে জানা গেছে। পরপর তিনটি বোমা বিস্ফোরণ হয়। বাড়ির লোকজন ঘটনায় ভীষণ আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন।

    কীভাবে বোমা বিস্ফোরণ হল (Murshidabad)?

    তৃণমূল কংগ্রেসের সমর্থক হওয়ায়, তাঁর বাড়ি (Murshidabad) লক্ষ্য করে বোমা মারে দুষ্কৃতীরা। এরপর সেই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে আঞ্জারুল, সিপিএমের দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ সরজমিনে গিয়ে তদন্ত শুরু করে দেখে, কে বা কারা এই বোমা বিস্ফোরণের পিছনে রয়েছে। যদিও ওই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সিপিএম নেতৃত্ব। তাঁদের দাবি, ভোটের দিন থেকেই  তৃণমূল কংগ্রেসের অত্যাচারে সিপিএম কর্মীরা এলাকাছাড়া রয়েছেন। সিপিএম কর্মীদের নামে মিথ্যে অভিযোগ দেওয়া হচ্ছে।

    আক্রান্ত পরিবারের বক্তব্য

    তৃণমূল নেতা আঞ্জারুলের মা মঞ্জুরা বিবি বলেন, ভোটের দিন থেকেই আমাদের উপর অত্যাচার চলছে। গতকাল রাতে পরপর তিনটি বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে সিপিএমের দুষ্কৃতীরা। আমার ছেলে আঞ্জারুল, রানা প্রত্যেকেই ঘরছাড়া সিপিএমের দুষ্কৃতীদের তাণ্ডবে। ভোটের দিনেই বাড়িতে ঢুকে মারামারি করে ছেলেদের সঙ্গে। প্রাণের ভয়ে ছেলেরা বাড়িতে ঢুকতে পারছে না। গতকাল রাতে ১০ টার পর আমি এবং আমার বৌমা বাড়িতে (Murshidabad) ছিলাম। রাতের খাবার খেয়ে নমাজ পড়ার পর হঠাৎ দেখি ঘর ধোঁয়ায় ভরে গেছে। এরপর বাইরে বেরিয়ে দেখি বোমা বিস্ফোরণ করেছে দুষ্কৃতীরা। যারা করেছে তাদের চিনি না। তবে সকলেই সিপিএম করে। আমরা দুই মহিলা আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছি। পুলিশে খবর দিলে পুলিশ আসে এবং এসে উল্টে আমদের বিরুদ্ধেই বোমা মারার অভিযোগ করে। অত্যন্ত অসহায় বোধ করছি!

    সিপিএমের বক্তব্য

    সিপিএমের ডোমকল (Murshidabad) লোকাল কমিটির সম্পাদক মস্তাফিজুর রহমান বলেন, সিপিএমের কর্মীরা এলাকায় তৃণমূলের অত্যাচারে ঘর ছাড়া। তৃণমূলের এই অভিযোগ মিথ্যা ভিত্তিহীন। তিনি আরও বলেন, তৃণমূলের কর্মীরা নিজেরাই বিস্ফোরণ ঘটিয়ে সিপিএমের বিরুদ্ধে মিথ্যা কেস দেওয়ার পরিকল্পনা করছেন।    

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: ভোটের দিন বুথে তৃণমূলের সন্ত্রাস, হরিহরপাড়ায় ফের খুন হলেন সিপিএম কর্মী

    TMC: ভোটের দিন বুথে তৃণমূলের সন্ত্রাস, হরিহরপাড়ায় ফের খুন হলেন সিপিএম কর্মী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিন তৃণমূলের (TMC) সন্ত্রাসের জেরে মুর্শিদাবাদের আরও একজন রাজনৈতিক কর্মীর মৃত্যু হল। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম রিন্টু শেখ। তাঁর বাড়ি হরিহরপাড়া ব্লকের নিয়ামতপুর গ্রামে। তিনি সিপিএমের সক্রিয় কর্মী ছিলেন। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছিল?

    পঞ্চায়েত ভোটের দিন তৃণমূলের (TMC) দুষ্কৃতীরা বুথে ঢুকে  ভোট লুটের চেষ্টা করে। তাতে এই সিপিএম কর্মী বাধা দেন। এরপরই তাঁর উপর হামলা চালানো হয়। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করা হয়। তাঁর শারীরিক পরিস্থিতি অবনতি হলে তাঁকে কলকাতার এনআরএস মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। সেখানে এতদিন ভর্তি ছিলেন। এদিন দুপুরে তাঁর মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় পরিবারের শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

    কী বললেন সিপিএম নেতৃত্ব?

    তৃণমূলের (TMC) হামলায় দলীয় কর্মীর মৃত্যুর ঘটনায় রবিবার সিপিএমের জেলা সম্পাদক জামির মোল্লা সাংবাদিক সম্মেলন করেন। তিনি বলেন, ভোটে তৃণমূল লুট করেছিল। সেটা বাধা দিতে গিয়ে আমাদের আরও এক কর্মীকে প্রাণ হারাতে হল।

    দৌলতাবাদে ও বড়ঞায় উদ্ধার হল বোমা

    দৌলতাবাদ থানার গৌরীপুর এলাকায় পাটের জমিতে তিনটি সকেট বোমা উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য। জমিতে পাট কাটতে গিয়ে স্থানীয় লোকজন বোমাগুলি দেখতে পান। তারপর দৌলতাবাদ থানায় খবর দেওয়া হলে ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে বোমা তিনটি উদ্ধার করে নিয়ে যায়। এদিন  বড়ঞায় দুই জার ভর্তি বোমা উদ্ধার হয়। জানা গিয়েছে, নিমা গ্ৰামের মাঠ থেকে এদিন সকালেই এলাকার বাসিন্দারা একটি জার দেখতে পেয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন, পরে পুলিশ গেলে সেটি বোমা বলে জানানো হয়। অন্যদিকে এই ঘটনার এক ঘণ্টার মধ্যেই বড়ঞার সুন্দরপুর সংলগ্ন  হাতিশালা গ্রামের মাঠেও উদ্ধার হয়েছে আরও একটি জার ভর্তি তাজা বোমা। বিরোধীদের অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা ভোটের জন্য বোমা মজুত করেছিল। তৃণমূল (TMC) নেতৃত্ব সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: ব্যুমেরাং! তৃণমূলে যোগ দিয়ে তবেই বাড়ি ফেরার ছাড়পত্র জয়ী সিপিএম প্রার্থীর

    TMC: ব্যুমেরাং! তৃণমূলে যোগ দিয়ে তবেই বাড়ি ফেরার ছাড়পত্র জয়ী সিপিএম প্রার্থীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এ যেন ঠিক ‘ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি’। ৩৪ বছরের বামফ্রন্ট সরকারের অত্যাচার যেন ফিরে এসেছে তৃণমূলের নামে। সিপিএম না তৃণমূল (TMC) কার সন্ত্রাস বেশি? এনিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে দিকে দিকে। কেউ সিপিএমকে এগিয়ে রাখছেন তো কেউ তৃণমূলকে। এই আবহে তৃণমূলের অত্যাচারে বাড়ি থাকতে পারছেন না বলে অভিযোগ সিপিএমের জয়ী প্রার্থীর। অবশেষে তৃণমূলে যোগদান করার পর বাড়ি ফেরার আশ্বাস মিলেছে। ঘটনাটি নদীয়ার শান্তিপুর থানার গয়েশপুর টেংরিডাঙ্গা এলাকার।

    ঘটনার পূর্ণাঙ্গ বিবরণ

    জানা গিয়েছে, এবারের পঞ্চায়েত নির্বাচনে ওই এলাকা থেকে সিপিএমের প্রার্থী ছিলেন আব্দুল শেখ। সেখানে তিনি জয়লাভও করেন। উল্লেখ্য গয়েশপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মোট আসন সংখ্যা ২১ টি রয়েছে। তার মধ্যে বিজেপি পেয়েছে দশটি আসন। আর তৃণমূল (TMC) পেয়েছে নয়টি আসন। পাশাপাশি সিপিএমের আসন সংখ্যা ছিল একটি এবং অন্যান্য একটি। অভিযোগ ওঠে সিপিএম প্রার্থীর জয় লাভের পরেই প্রাক্তন তৃণমূল প্রধানঁ তার দলবল নিয়ে সিপিএম প্রার্থীর বাড়ির উপর চড়াও হয়। বাড়ি ভাঙচুর সহ প্রাণনাশের হুমকি দিতে থাকে লাগাতার। অবশেষে বাধ্য হয়ে তিনি সেদিন শান্তিপুর বিধায়ক ব্রজকিশোর গোস্বামীর হাত ধরে তৃণমূলে (TMC) যোগদান করলেন। তৃণমূলে যোগদান করার পরেই তিনি সরাসরি শান্তিপুর থানায় চলে আসেন। প্রশাসনের তরফ থেকে তাঁকে নিরাপত্তার আশ্বাস দেওয়া হয়।

    কী বলছেন সিপিএম প্রার্থী?

    এ বিষয়ে সিপিএম প্রার্থী আব্দুল শেখ বলেন, ‘‘আমি জয়লাভ করার পর থেকেই ওই এলাকার প্রাক্তন তৃণমূল প্রধান হেরে যাওয়ার কারণে আমার বাড়ির উপরে অত্যাচার চালাচ্ছিল। আমি বাড়িতে ঠিকমত থাকতে পারছিলাম না। অবশেষে বাধ্য হয়ে তৃণমূলে (TMC) যোগদান করি।’’ শান্তিপুরের তৃণমূল বিধায়ক ব্রজ কিশোর গোস্বামী বলেন, ‘‘তৃণমূল এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের উন্নয়ন দেখে অনেকে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করছেন এবং তারা তৃণমূলে যোগদান করছেন। ঠিক সেই রকম গয়েশপুরের এই সিপিএম প্রার্থী উন্নয়নের সামিল হতে তৃণমূলে (TMC) যোগদান করলেন।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: মালদায় জোট প্রার্থীর বাড়ি ভাঙচুর,বোমাবাজি, ভোটদানে বাধা, বারাকপুরে আক্রান্ত সিপিএম কর্মী

    TMC: মালদায় জোট প্রার্থীর বাড়ি ভাঙচুর,বোমাবাজি, ভোটদানে বাধা, বারাকপুরে আক্রান্ত সিপিএম কর্মী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুনর্নির্বাচনেও আবার অশান্তি ছবি দেখা গেল মালদায় সুলতান নগর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার সাহাপুর এলাকায়। সোমবার সকালে তৃণমূল (TMC) আশ্রিত দুষ্কৃতীরা ভোটারদের ভোটদানে বাধা দেয় বলে অভিযোগ। পাশাপাশি রবিবার গভীর রাতে জোট প্রার্থী আশরাফুল হকের বাড়িতে হামলা চালানো ও বোমাবাজির অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ভাঙচুর করা হয়েছে জোট প্রার্থী আশরাফুল হকের বাড়ি,বাইক ও আসবাবপত্র। এমনকী গোয়াল ঘর থেকে খুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে গোবাদি পশু। তৃণমূলের সশস্ত্র হামলায় আতঙ্কে বাড়ি ছাড়া আশরাফুল হক ও তাঁর পরিবার। থমথমে পরিস্থিতি সাহাপুর এলাকায়।

    পুলিশ প্রশাসনের উদ্যোগে ভোটদানের ব্যবস্থা

     উল্লেখ্য,শনিবার সাহাপুর ৪৫ নং বুথে ছাপ্পা ভোট ও ব্যালট বাক্স ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছিল তৃণমূলের (TMC) বিরুদ্ধে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে সারা রাজ্যের পাশাপাশি হরিশ্চন্দ্রপুর-১ নং ব্লকে ৩টি বুথে ও হরিশ্চন্দ্রপুর-২ নং ব্লকে ৮ টি বুথে পুনর্নির্বাচনের নির্দেশ দিয়েছে। জোট প্রার্থী ও‌ এলাকাবাসীর অভিযোগ, সোমবার সকালবেলা ৪৫ নং বুথের মানুষ ভোট দিতে গেলে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতাকর্মীরা তাদের পথ আটকে হুমকি দিতে থাকে। প্রশাসনকে বিষয়টি জানান বাম কংগ্রেসের প্রার্থীরা। এরপর নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। শেষ পর্যন্ত পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর সহযোগিতায় মানুষ ভোট দিতে যায় বলে অভিযোগ।

    ভোট লুট রুখে দেওয়ায় আক্রান্ত হলেন এক সিপিএম কর্মী, প্রতিবাদে রাস্তা অবরোধ

     ভোট লুট রুখে দেওয়ায় আক্রান্ত হলেন এক সিপিএম কর্মী। সোমবার ঘটনাটি ঘটেছে বাসুদেবপুর থানার পানপুর মোড়ে। আক্রান্ত সিপিএম কর্মীর নাম ডালিম মণ্ডল। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকা রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়। বিষয়টি জানতে পেরে সিপিএম কর্মীরা জোটবদ্ধ হয়ে রাস্তা অবরোধ করে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    নির্বাচনের দিন ভোট লুট রুখে দিয়েছিলেন সিপিএম কর্মী ডালিম মণ্ডল। ফলে, তার উপর তৃণমূল (TMC) কর্মীদের রাগ ছিল। জানা গিয়েছে, পানপুর-কেউটিয়া পঞ্চায়েতের শঙ্করপুর গ্রামের বাসিন্দা পেশায় টোটো চালক ডামিলসাহেব সোমবার দুপুরে টোটো নিয়ে পানপুর মোড়ে গিয়েছিলেন। অভিযোগ, ডালিমকে একা পেয়ে বেধড়ক পেটায় তৃণমূলের (TMC) লোকজন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় সিপিএম কর্মী ডালিমকে উদ্ধার করে স্থানীয় লোকজন কল্যাণীর জেএনএম হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে তিনি এখন চিকিৎসাধীন। ঘটনার প্রতিবাদে কাঁকিনাড়া রোডের শঙ্করপুর মোড়ে রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান সিপিএমের কর্মী-সমর্থকরা। উত্তেজনার খবর পেয়ে শঙ্করপুর মোড়ে আসে বাসুদেবপুর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। স্বামীকে মারধর করায় ক্ষোভে লোকজন নিয়ে আহতের স্ত্রী শঙ্করপুর মোড়ে তৃণমূলের কার্যালয়ে ভাঙচুর চালায়। পরে পুলিশ অবশ্য আহতের স্ত্রীকে সেখান থেকে সরিয়ে দেয়।

    কী বললেন সিপিএম নেতৃত্ব?

    সিপিএম নেত্রী গার্গী চট্টোপাধ্যায় বলেন, ভোট লুট রুখে দেওয়ার অপরাধে এই হামলা। পুলিশের মদতেই সব জায়গায় ভোট লুট করেছে তৃণমূল (TMC)। এখানে সাধারণ মানুষের বাধায় সেটা সম্ভব হয়নি। এখন তাদের চিনিয়ে দিয়ে তৃণমূল দুষ্কৃতীরা হামলা চালাচ্ছে। এটা মেনে নেওয়া যায় না। সোমনাথ শ্যামের নেতৃত্বে আগে ভোট লুট করার চেষ্টা হয়ছিল। এদিনও তার নির্দেশে আমাদের ওই কর্মী আক্রান্ত হলেন।

    কী বললেন তৃণমূল (TMC) নেতৃত্ব?

    যদিও এই বিষয়ে তৃণমূল (TMC) বিধায়ক সোমনাথ শ্যাম বলেন, বিষয়টি জানা নেই। কী কারণে এই ঘটনা ঘটেছে। তবে, তৃণমূল জড়িত নয়। তবুও,  বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখে এই বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • TMC: নাকাশিপাড়ায় সিপিএম কর্মীকে লক্ষ্য করে গুলি, অভিযুক্ত তৃণমূল

    TMC: নাকাশিপাড়ায় সিপিএম কর্মীকে লক্ষ্য করে গুলি, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট পরবর্তী হিংসা অব্যাহত। রাজ্য জুড়ে বোমাবাজি, বিরোধীদের বাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটছে। এবার সিপিএম কর্মীকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূল (TMC) আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। রবিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার নাকাশিপাড়া থানার পাটুয়াডাঙা পূর্বপাড়া এলাকায়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। যদিও তৃণমূল নেতৃত্ব হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার রাতে কাজ সেরে বাইকে করে বাড়ি ফিরছিলেন সিপিএম কর্মী সাজ্জাদ মণ্ডল এবং তাঁর ভাই তারিকুল মণ্ডল। একটি বাড়ি থেকে তাঁদের লক্ষ্য করে আচমকা গুলি চলতে থাকে। বাইক ফেলে রেখে দুজনেই ঘটনাস্থল ছেড়ে পালাতে যান। সেই সময় সাজ্জাদ মণ্ডলের পায়ে একটি গুলি লাগে। কোনও রকমে রক্তাক্ত অবস্থায় সেখান থেকে তাঁরা পালিয়ে নিরাপদ জায়গায় আশ্রয় নেন। অভিযোগ, শাসকদলের (TMC) দুষ্কৃতীদের তাণ্ডবে এতটাই আতঙ্কিত ছিলেন যে তাঁরা সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে পর্যন্ত যেতে পারেননি। এরপর রবিবার গভীর রাতে কোনওরকমে হাসপাতালে ভর্তি হন সাজ্জাদসাহেব।

    কী বললেন আক্রান্ত সিপিএম কর্মী?

    আক্রান্ত সিপিএম কর্মী সাজ্জাদ মণ্ডল হাসপাতালের বেডে শুয়ে বলেন, এলাকায় তৃণমূল (TMC) সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করে রেখেছে। ভোটের আগে গণ্ডগোল হয়েছিল। তবে, এরকমভাবে গুলি চালানোর ঘটনা ঘটেনি। রাতে আমরা বাইকে করে বাড়ি ফেরার সময় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এই হামলা চালায়। আমরা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি। অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।

    নাকাশিপাড়ার একাধিক বুথে সোমবার সকাল থেকেই শুরু হয়েছে পুনঃনির্বাচন। তার আগের রাতে সিপিএম কর্মী গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় যথেষ্ট আতঙ্ক রয়েছে এলাকায়। তবে, এদিন সকাল থেকেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে চলছে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া। বুথে ভোট দেওয়ার জন্য ভোটারদের লাইন রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Poll: ভোটের আগেই মুর্শিদাবাদে দু’জন তৃণমূল কর্মী খুন, কোচবিহারে গুলিবিদ্ধ কংগ্রেস কর্মী

    Panchayat Poll: ভোটের আগেই মুর্শিদাবাদে দু’জন তৃণমূল কর্মী খুন, কোচবিহারে গুলিবিদ্ধ কংগ্রেস কর্মী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচন (Panchayat Poll) শুরু হওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগেই রাজ্যে দু’জন রাজনৈতিক কর্মী খুন হলেন। শুক্রবার রাতে মুর্শিদাবাদ জেলার বেলডাঙা থানার কাপাসডাঙা ষষ্ঠীতলা এলাকায় তৃণমূল কর্মীকে খুন করল দুষ্কৃতীরা। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম বাবর আলি। অন্যদিকে, রেজিনগর থানার নাজিরপুরে দুষ্কৃতীদের বোমার আঘাতে এক তৃণমূল কর্মীর মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম ইয়াসিন সেখ। পাশাপাশি কোচবিহারের ওকড়াড়ির মহেশ্বর এলাকায় এক কংগ্রেস কর্মী গুলিবিদ্ধ হন। পুলিশ জানিয়েছে, গুলিবিদ্ধ কংগ্রেস কর্মীর নাম রফিকুল ইসলাম ব্যাপারি। তিনি দিনহাটা মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে,  শুক্রবার রাতে গ্রামে একটি চায়ের দোকানে বসেছিলেন বাবর আলি। তখনই দুষ্কৃতীরা এসে ফুলচাঁদ শেখ ও বাবর আলিকে মারধর করে এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপায় বলে অভিযোগ। গুরুতর জখম অবস্থায় ওই দুজন তৃণমূল কর্মীকে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই বাবর আলির মৃত্যু হয়।  

    তৃণমূল ও বাম কংগ্রেস জোট কর্মীদের সংঘর্ষ

    ভোটের (Panchayat Poll) কয়েক ঘণ্টা আগে উত্তপ্ত হয়ে উঠল ইসলামপুর। তৃণমূল ও  বাম-কংগ্রেস জোট সমর্থকদের সংঘর্ষে দুই পক্ষের একাধিক কর্মী জখম হন। ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার সন্ধ্যা নাগাদ মুর্শিদাবাদের রানিনগর-১ নম্বর ব্লকের ইসলামপুর থানার লোচনপুর পঞ্চায়েতের কেশবপুর এলাকায়। জানা গিয়েছে, তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীরা বাড়ি বাড়ি ভোটের স্লিপ দিতে যাওয়ার সময় তাঁদের উপর হামলা চালায় বাম-কংগ্রেস জোট কর্মীরা। এমনই অভিযোগ তৃণমূলের। যদিও পাল্টা বাম-কংগ্রেসের অভিযোগ, জোটের কর্মীদের মারধর করে তৃণমূল কর্মীরা। চারজন কংগ্রেস কর্মীর বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়েছে। এই ঘটনায় এলাকা ব্যাপক উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। গ্রামবাসীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ইসলামপুর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। একইসঙ্গে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে সামশেরগঞ্জের সুলিতলা। কংগ্রেস ও তৃণমূলের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ। মুড়ি মুড়কির মতো বোমাবাজি। দোকান ও বাড়িঘর ভাঙচুর করার ঘটনা। ঘটনাস্থলে সামশেরগঞ্জ থানার পুলিস।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: মালদায় জোট প্রার্থীকে লক্ষ্য করে গুলি, বাড়ি ভাঙচুর, অভিযুক্ত তৃণমূল

    Malda: মালদায় জোট প্রার্থীকে লক্ষ্য করে গুলি, বাড়ি ভাঙচুর, অভিযুক্ত তৃণমূল

    ধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনের আগের রাতে অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠল মালদার (Malda) রতুয়ার-২ নম্বর ব্লকের পরানপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকা। বাম ও কংগ্রেস জোট প্রার্থী‌ ও কর্মী সমর্থকদের লক্ষ্য করে গুলি চালানোর পাশাপাশি ব্যাপক মারধর ও বাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ উঠল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। অন্যদিকে, অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতির। বৃহস্পতিবার রাতে ওই ঘটনার জেরে আতঙ্কের পরিবেশ রয়েছে পরানপুরে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মালদার (Malda) রতুয়া-২ নম্বর ব্লকের পরানপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মির্জাদপুর চাঁদপুর এলাকায় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যেবেলা নিজেদের প্রচার ক্যাম্পে বসেছিলেন ওই এলাকার বাম কংগ্রেস সমর্থিত কংগ্রেস পঞ্চায়েত প্রার্থী শারিফুল শেখ ও তাঁর কর্মী সমর্থকেরা। অভিযোগ, ওই সময় হঠাৎ করেই পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামী তথা তৃণমূল কংগ্রেসের অঞ্চল সভাপতি শেখ শাহজাহান ১২ থেকে ১৪ জনের দল নিয়ে সশস্ত্র হামলা চালায় জোট প্রার্থী ও তাঁদের কর্মী সমর্থকদের ওপর। মোট সাত রাউন্ড গুলি চালানোর পাশাপাশি জোট প্রার্থী ও কর্মীদের ব্যাপক মারধোর করা হয় বলে অভিযোগ। এমনকী তাঁদের বাড়ি ভাঙচুর ও টেবিল চেয়ার ভাঙচুর করা হয়। হামলার জেরে  মোট ৯ জন জোট কর্মী সমর্থক জখম হন। তাদের মধ্যে দুজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গিয়েছে।

    কী বললেন জোটের নেতৃত্ব?

     জোট প্রার্থী শারিফুল শেখ বলেন, পঞ্চায়েতে মালদা (Malda) জেলা জুড়ে সন্ত্রাস ছড়ানোর লক্ষ্যে এবং সাধারণ মানুষকে ভয় দেখানোর জন্য আমাদের উপর পরিকল্পনা মাফিক হামলা চালিয়েছে তৃণমূল প্রধানের স্বামী শাহজাহান শেখ ও তাঁর দলবল। আমরা আক্রমনের পরেও চুপ রয়েছি। কংগ্রেসের প্রাক্তন প্রধান তথা জেলা কংগ্রেসের সদস্য আবদুল মান্নান অভিযোগ করেন,  পঞ্চায়েত নির্বাচনে নিজেদের হার নিশ্চিত জেনেই আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করতে চাইছে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের গুন্ডা বাহিনী। আমরা কোনও প্ররোচনায় পা না দিলেও তাদের উদ্দেশ্য হচ্ছে ভোট বানচাল করে দেওয়া। আমরা আমাদের কর্মী সমর্থকদের শান্ত থাকতে বলেছি।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

     যদিও জোটের তোলা এই অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত শেখ শাহজাহান। তিনি পাল্টা অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই জোট প্রার্থী ও তাঁর দলবল তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী সমর্থকদের ওপর হামলা চালিয়ে আসছে। বৃহস্পতিবারেও তারাই আমাদের কর্মী সমর্থকদের লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছে। আমাদের কর্মী সমর্থকদের ব্যাপক মারধর করেছে। আমরা চাই অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: ডোমকলে তৃণমূল প্রার্থীকে লক্ষ্য করে বোমা, হাঁসুয়ার কোপ, অভিযুক্ত সিপিএম

    TMC: ডোমকলে তৃণমূল প্রার্থীকে লক্ষ্য করে বোমা, হাঁসুয়ার কোপ, অভিযুক্ত সিপিএম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোটের দুদিন আগেও উত্তপ্ত রাজ্য। বৃহস্পতিবার রাতে দিনহাটায় ৩ জন বিজেপি কর্মীকে লক্ষ্য করে গুলি করার অভিযোগ ওঠে দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার রাতেই তৃণমূল (TMC) প্রার্থীর উপর হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। প্রথমে প্রার্থীকে লক্ষ্য করে বোমা ছোঁড়া হয়। পরে, ধারালো অস্ত্রের কোপ মারা হয় বলে অভিযোগ। গুরুতর জখম প্রার্থীর নাম সাইফুল ইসলাম বিশ্বাস। তাঁকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এই ঘটনায় মুর্শিদাবাদের ডোমকলের গড়াইমারি পঞ্চায়েতের শ্রীকৃষ্ণপুর এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। সিপিএম আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এই হামলা চালিয়েছে বলে তৃণমূলের অভিযোগ।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    তৃণমূল (TMC) প্রার্থীর নাম সাইফুল ইসলাম বিশ্বাস দুবারের নির্বাচিত সদস্য ছিলেন। এবারও তিনি প্রার্থী। বৃহস্পতিবার রাতে দলীয় কর্মীদের সঙ্গে এলাকায় ভোটের প্রচার করছিলেন। আচমকাই দুষ্কৃতীরা দল বেঁধে এসে তৃণমূল প্রার্থীকে লক্ষ্য করে বোমা ছোঁড়ে। পরে, তাঁকে হাঁসুয়া দিয়ে এলোপাথারি কোপানো হয়। তৃণমূল প্রার্থীর সঙ্গে থাকা এক তৃণমূল কর্মী বলেন, প্রচার সেরে বাড়ি ফেরার পথেই হামলা চালানো হয়। হঠাৎ আমাদের লক্ষ্য করে বোমা ছোড়ে সিপিএম আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। তারপরে আমরা ছুটে পালিয়ে গিয়ে পাটের জমিতে আশ্রয় নিই। দলীয় প্রার্থীকে একা পেয়ে ধারালো অস্ত্রের কোপ মারে। তারপর হামলাকারীরা পালায়। রক্তাক্ত অবস্থায় প্রার্থীকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ডোমকল সুপার ষ্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

    কী বললেন তৃণমূল (TMC) নেতৃত্ব?

    তৃণমূলের (TMC) ব্লক সভাপতি হাজিকুল ইসলাম বলেন, সাইফুলসাহেব এলাকায় অত্যন্ত জনপ্রিয়। তিনি দুবার জয়ী হয়েছেন। এবারও তিনি জিতবেন। এটা এই এলাকার সিপিএম তথা জোটের কর্মীরা মেনে নিতে পারছে না। তাই, পরিকল্পিতভাবে তারা এই হামলা চালিয়েছে।

    কী বললেন সিপিএম নেতৃত্ব?

    সিপিএমের জেলা সম্পাদক জামির মোল্লা বলেন, বোমা, গুলির কারবার তৃণমূলরাই (TMC) শুধু করছে। গোটা রাজ্যে তারা বিরোধীদের উপর হামলা চালাচ্ছে। এই ঘটনার সঙ্গে সিপিএম কোনওভাবেই জড়িত নয়। এটা ওদের নিজেদের গণ্ডগোল। এরসঙ্গে আমাদের কোনও যোগ নেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Poll: জোট প্রার্থীকে কুপিয়ে গুলি করে খুনের চেষ্টা, অভিযুক্ত তৃণমূল

    Panchayat Poll: জোট প্রার্থীকে কুপিয়ে গুলি করে খুনের চেষ্টা, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুদিন পরই হচ্ছে পঞ্চায়েত ভোট (Panchayat Poll)। তার আগেই মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুরের সাদিকপুরে এক জোট  প্রার্থীকে ধারাল অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুলি করে খুনের চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ। তাঁর ছেলে মকবুল শেখকেও মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। আক্রান্ত জোট প্রার্থীর নাম বদর শেখ। তিনি সিপিএমের এরিয়া কমিটির সদস্য ও রঘুনাথগঞ্জ ১ পঞ্চায়েত সমতিরি এবারের জোট প্রার্থী। তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এই হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    পঞ্চায়েত ভোট (Panchayat Poll) নিয়ে এলাকা সরগরম। বৃহস্পতিবার জোট প্রার্থী বদরসাহেব  হেঁটে বাড়ি ফিরছিলেন। রাস্তাতেই তৃণমূলের লোকজন পথ আটকায়। প্রথমে দুপক্ষের মধ্যে বচসা হয়। পরে, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা বেধড়ক মারধর করে। পরে, ধারাল অস্ত্র দিয়ে এলোপাথারি কোপায়। বিষয়টি জানতে পেরে প্রার্থী ছেলে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে। বাবাকে বাঁচাতে গিয়ে তিনিও আক্রান্ত হন। ধারাল অস্ত্র দিয়ে তাঁকে কোপানো হয়। এরপরই জোট প্রার্থীকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। তাঁর পায়ে গুলি লাগে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে তাঁদের ভর্তি করা হয়। অন্যদিকে, এদিন সাদিকপুরে গ্রাম পঞ্চায়েত স্তরে জোট প্রার্থী সাহিদা খাতুন বাড়িতে দুষ্কৃতীরা চড়াও হয়। বোমাবাজি করে বলে অভিযোগ। হামলার জেরে চারজন জখম হয়েছেন।

    কী বললেন সিপিএম নেতৃত্ব?

    সিপিএমের রাজ্য কমিটির সদস্য সোমনাথ সিংহরায়ের বক্তব্য, বৃহস্পতিবার ভোরে এই ঘটনায় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা জড়িত। দুষ্কৃতীরা প্রথমে দলীয় প্রার্থী বদরের পরিবারের লোকজনের মোবাইল কেড়ে নেয়। তারপর ওই প্রার্থীর উপর হামলা চালায়। এলাকায় পঞ্চায়েতের প্রার্থীর বাড়িতে বোমাবাজি হয়েছে। প্রায় দু’ঘণ্টা পর পুলিশ যায় ঘটনাস্থলে। এখনও কেউ গ্রেফতার হয়নি। ভোটের (Panchayat Poll) আগে তৃণমূল সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করতে চাইছে। ওরা ভাবছে এসব করে মানুষকে আতঙ্কিত করবে। ভয়ে কেউ ভোট দিতে যাবে না। আর ওরা ভোট লুট করবে।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূলের রঘুনাথগঞ্জ-১ ব্লকের সভাপতি গৌতম ঘোষ বলেন, হামলা চালানো বা  বোমাবাজি করার অভিযোগ ভিত্তিহীন। আসলে জোট প্রার্থীদের এলাকায় কোনও গ্রহণযোগ্যতা নেই। তাই, এই ধরনের মিথ্যা অভিযোগ করে তারা খবরের শিরোনামে আসতে চাইছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share