Tag: crack

crack

  • Sand Mining: রূপনারায়ণ নদে চলছে দেদার বালি চুরি! ফাটল রেলের সেতুতে, শোরগোল

    Sand Mining: রূপনারায়ণ নদে চলছে দেদার বালি চুরি! ফাটল রেলের সেতুতে, শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রূপনারায়ণের বালি চুরির (Sand Mining) অভিযোগে রেলের সেতুতে ফাটল দেখা দিয়েছে। কোলাঘাটে রূপনারায়ণ নদের উপর রেলের দুটি সেতু, একটিতে ডাউন লাইন এবং মেইন লাইন। অপর দিকে আরেকটি সেতুতে আপ লাইন রয়েছে। এই ফাটলের ঘটনায় রেললাইনে ট্রেন চলাচলে বিপদ বৃদ্ধির আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।

    তবে রাজ্যে অজয়, দামোদর, কংসাবতী সহ একাধিক নদ-নদী থেকে অবৈধ ভাবে বালি তোলার অভিযোগে তৃণমূলের বিরুদ্ধে আগেও সরব হয়েছে বিজেপি। ইতিমধ্যে বালি পাচারের তদন্তে একাধিক তৃণমূল নেতাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এবার রেল, বালি চুরির অভিযোগ তুলেছে।

    ১৭ মিটার পর্যন্ত গর্ত তৈরি হয়েছে (Sand Mining)!

    রূপনারায়ণ (Rupnarayanan) নদের উপর ৫৭ নম্বর রেল সেতুর লোহার বিমে গত মে মাসেই ফাটল দেখা গিয়েছিল। কিন্তু সময়মতো ঠিক করে মেরামত করলেও ফের আরেকবার ফাটল লক্ষ্য করা গিয়েছে। এই ফাটল নিয়ে রেলের আধিকারিকরা চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুলেছেন। এই রেল সেতুর কাছেই তোলা হচ্ছে দেদার বালি। অবৈধ ভাবে বালি তোলার (Sand Mining) ঘটনায় সেতুর পিলারের গোড়া থেকে বালি সরে গিয়েছে। প্রায় ১৭ মিটার পর্যন্ত গর্ত তৈরি হয়েছে। ইতিমধ্যে সেতু বাঁচাতে বিমের গোঁড়ায় বোল্ডার ফেলা হয়েছে। কিন্তু তাতেও খুব একটা উপকার হচ্ছে না। বিপদের আশঙ্কা ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে।

    রেলের আধিকারিকের বক্তব্য

    এই বিষয়ে দক্ষিণ-পূর্ব রেলের এক আধিকারিক বলেছেন, “কোলাঘাটে ৫৭ নম্বর রেল সেতুতে বারবার ফাটল দেখা যাচ্ছে। সেতুর পাইলের গোড়া আলগা হয়ে গিয়েছে। পিলারের ক্ষমতা কমে যাচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসনের উচিত ওই এলাকায় অবৈধ ভাবে বালি (Sand Mining) উত্তোলন বন্ধ করা।”

    আরও পড়ুনঃ ক্লাস রুমের মেঝেতে ধস! বেঞ্চ সমেত ৫ ফিট মাটির ভিতরে ঢুকে গেল ৪ ছাত্র, চাঞ্চল্য

    সেচ দফতরের বক্তব্য

    সেচ দফতরের অনুমতি ছাড়াই দেনানে (Rupnarayanan) বাঁধের গায়ে গর্ত করে বালি মজুত করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে খোদ এই দফতরই। এই নিয়ে সেচ দফতর কোলাঘাট থানাকে একটি চিঠি পাঠায়। তবে এর পরেও বন্ধ হয়নি বালি চুরি (Sand Mining)। এই বিষয়ে পাঁশকুড়া-১ ডিভিশনের এসডিও নাজেস আফরোজ বলেছেন, ‘‘কেন্দ্রীয় অভ্যন্তরীণ জল পরিবহণ বিভাগের নির্দেশে প্রথমে বালি তোলার কাজ শুরু হয়েছিল। কিন্তু বালি তোলার মেয়াদ শেষ যাওয়ার পরও কীভাবে আবার অনুমতি না নিয়ে অবৈধ ভাবে বালি তোলা হচ্ছে? সেই বিষয়ে তথ্য জানতে কেন্দ্রীয় অভ্যন্তরীণ জল পরিবহণ বিভাগে চিঠি পাঠাবো।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ECL: খনি এলাকায় বাড়ছে ফাটল! নতুন করে ধসের আতঙ্কে এলাকাবাসী

    ECL: খনি এলাকায় বাড়ছে ফাটল! নতুন করে ধসের আতঙ্কে এলাকাবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিগত কয়েকদিনে খনি অঞ্চলে অণ্ডাল ও পাণ্ডবেশ্বর এলাকায় বেশ কয়েকটি ধসের ঘটনা ঘটেছে। কয়েকদিন আগেই পাণ্ডবেশ্বরের অণ্ডাল থানার পড়াশকোল এলাকায় বহুলা – কাজোড়া যাওয়ার প্রধান রাস্তার উপর একাধিক জায়গায় বিশাল আকারে ফাটলের জেরে স্থানীয় বাসিন্দারা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন। এমনকী আতঙ্কে অনেকে ঘরবাড়ি, দোকানপাট ছেড়ে পালাতে বাধ্য হন। সেই জের মিটতে না মিটতেই ই সি এল (ECL) এর কেন্দা এরিয়ার শংকরপুর খোলা মুখ খনি চত্বরে একাধিক জায়গায় ফাটল দেখা দেওয়ায় নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। গত তিন-চারদিন ধরেই ফাটল ক্রমশ বাড়ছে। আর এতেই আতঙ্কিত এলাকাবাসী।

    কী বললেন স্থানীয় বাসিন্দারা?

    এক লরির চালক বলেন, ২৬ এপ্রিল রাত সাড়ে দশটা নাগাদ আচমকা এলাকাটা কেঁপে ওঠে। প্রথমে ভূমিকম্প ভেবেছিলাম। সকাল হতেই নজরে আসে এলাকার বিভিন্ন জায়গায় গভীর ফাটল। খবর দেওয়া হয় ই সি এলের (ECL) আধিকারিকদের। পাশাপাশি খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে অণ্ডাল থানার বনবহাল ফাঁড়ির পুলিশ। সুরক্ষার খাতিরে সেই মুহূর্তে খনির কাজ বন্ধ রাখা হয়। কিন্তু, দুদিন কাজ বন্ধ রাখার পর ফের বিপদের ঝুঁকি নিয়েই শুরু হয় খনির কাজ। শুক্রবার আবার কেন্দা এরিয়ার শংকরপুর খোলা মুখ খনি এলাকায় ফের ফাটল শুরু হয়। শনিবার সেই পুরানো ফাটল বড় আকার নেওয়ায় আতঙ্ক ছড়ায় খনি চত্ত্বর এবং আশেপাশের গ্রামেও। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, এই ফাটলের কারণে এলাকায় যেকোনও সময় ধস নামতে পারে। খনি এলাকার ৫০০ মিটার দূরে রয়েছে দুটি গ্রাম। যেভাবে দিনে দিনে খনি চত্ত্বর জুড়ে ফাটল দেখা দিচ্ছে, তাতে আগামীদিনে গ্রাম পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। সব দেখেও উদাসীন ই সি এল (ECL) কর্তৃপক্ষ। সিঁদুলি থেকে শীতলপুর যাওয়ার প্রধান রাস্তার দু’পাশেই দেখা দিয়েছে গভীর ফাটল। খনির চত্বর থেকে ৩০০ মিটার দূরে রয়েছে দিঘির বাগান নামক একটা জনবসতি। দিঘির বাগান এলাকার বাসিন্দা আরশাদ হোসেন বলেন, যেভাবে ধীরে ধীরে ফাটল বাড়ছে এবং আশেপাশের মাঠ ধীরে ধীরে বসছে তাতে আতঙ্কিত হওয়া স্বাভাবিক। আর এখন মেঘলা আবহাওয়া। বৃষ্টি নামলেই এই ফাটলই বড় ধসের আকার নেবে। এই নিয়ে ই সি এল (ECL) কর্তৃপক্ষকে বারবার জানানোর পরও কোনও কাজ হয়নি। অবিলম্বে ফাটল প্রতিরোধে কোনও ব্যবস্থা না নিলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে। এই বিষয়ে ইসিএলের কেন্দা এরিয়ার জেনারেল ম্যানেজারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে ফোন না ধরায় তাঁর প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share