Tag: crime news

crime news

  • Cooch Behar: ছোট মেয়ের প্রেমে বাধা! তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যা, তাঁর স্বামী এবং বড় মেয়েকে খুন করল প্রেমিক

    Cooch Behar: ছোট মেয়ের প্রেমে বাধা! তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যা, তাঁর স্বামী এবং বড় মেয়েকে খুন করল প্রেমিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মেয়ের সঙ্গে প্রতিবেশী যুবকের সম্পর্ক মেনে না নেওয়ায় সেই প্রেমিকের হাতে খুন হতে হল তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যা, তাঁর স্বামী এবং বড় মেয়েকে। আততায়ীদের হামলায় গুরুতর জখম হয়েছেন পঞ্চায়েত সদস্যার ছোট মেয়েও। শুক্রবার কোচবিহারের শীতলকুচির পশ্চিমপাড়ায় ঘটনাটি ঘটেছে। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত তিন যুবককে গ্রেফতার করেছে শীতলকুচি থানার পুলিশ।

    প্রেমে বাধা, তাই খুন

    শুক্রবার ভোর রাতে ওই তৃণমূল নেতার বাড়ি থেকে আর্তনাদ, গোঙানিতে ঘুম ভেঙেছিল প্রতিবেশীদের। স্থানীয় সূত্রে খবর, ভোর রাতে চিৎকার শুনে পঞ্চায়েত সদস্যা নীলিমা বর্মণের বাড়িতে ছুটে যান পড়শিরা। গিয়ে দেখেন, নীলিমা, তাঁর স্বামী বিমলকুমার বর্মণ (৬৮) এবং তাঁদের বড় মেয়ে রুনা বর্মণ (২৪) রক্তাক্ত অবস্থায় মেঝেতে পড়ে রয়েছেন। তড়িঘড়ি তাঁদের মাথাভাঙা মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে নীলিমা ও তাঁর স্বামীকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকেরা। পরে বড় মেয়েকে কোচবিহার মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁরও মৃত্যু হয়। ছোট মেয়ে ওই হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন। হাসপাতাল সূত্রে খবর, তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক।

    আরও পড়ুন: প্রতিষ্ঠা দিবসেই যোগদান! বিজেপিতে প্রাক্তন মন্ত্রী তথা কংগ্রেস নেতা এ কে অ্যান্টনির ছেলে অনিল অ্যান্টনি

    শুক্রবার ভোর সাড়ে চারটে নাগাদ এই ঘটনার পরই এলাকায় তুমুল উত্তেজনা ছড়িয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে ওই দম্পতির মেয়ে ইতি বর্মন প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়েছিল পাশের গ্রামের যুবক বিভূতি রায়ের সঙ্গে। যা নিতে তীব্র আপত্তি ছিল তার বাবা-মা দুজনেরই। বেশ কিছুদিন ধরে পরিবারে এই নিয়ে অশান্তিও চলছিল। অভিযোগ,  শুক্রবার কাকভোরে বিভূতি হাতে একটি কাঠারি নিয়ে ঘরে ঢুকে পড়ে। অতর্কিতে হামলা চালাতে শুরু করে সে। প্রেমিকার মাকেই সবার আগে ধারাল অস্ত্র দিয়ে কোপায়। এরপর কোপায় বাবাকে। বাধা দিতে গিয়ে আহত হয় প্রেমিকা ও তার দিদিও। একাধিকবার নৃশংসভাবে কোপানো হয়েছে বিমল বর্মন ও তাঁর স্ত্রী নিলীমাকে।

    ব্যক্তিগত আক্রোশ নাকি রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র

     মাথাভাঙার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অমিত বর্মা বলেন, ‘‘প্রধান অভিযুক্ত বিভূতিভূষণ রায় এবং তাঁর সঙ্গীদের গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রেমঘটিত সম্পর্কের কারণেই এই ঘটনা বলে মনে করা হচ্ছে।’’এই ঘটনার প্রতিবাদে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে শীতলকুচি বাজার এলাকায় পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয়েরা। কেবলই কি ব্যক্তিগত আক্রোশ নাকি রয়েছে কোনও রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রও? মৃত নিলীমা বর্মন শীতলকুচি গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল সদস্য। তাঁর স্বামী বিমল চন্দ্র বর্মন তৃণমূলের এসসিএসটি ওবিসি সেলের শীতলকুচি ব্লক সভাপতি। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতিবেশীদের বয়ান ও ধৃতদের জেরায় করে তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, ইতির সঙ্গে বিভূতিভূষণের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সে কথা বিভূতিভূষণ জেরায় স্বীকারও করে নিয়েছেন। প্রাথমিক ভাবে অনুমান, ‘প্রেমিকা’র পরিবার সেই সম্পর্কে বাধা হয়ে দাঁড়ানোর কারণেই এই খুন। তবে আর অন্য কোনও কারণ আছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Tiljala Murder Case: তিলজলায় শিশুকন্যাকে যৌন নির্যাতন করে খুনের ঘটনায় উদ্বিগ্ন কেন্দ্রীয় শিশুসুরক্ষা কমিশন

    Tiljala Murder Case: তিলজলায় শিশুকন্যাকে যৌন নির্যাতন করে খুনের ঘটনায় উদ্বিগ্ন কেন্দ্রীয় শিশুসুরক্ষা কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিলজলায় (Tiljala murder case) সাত বছরের শিশুকে যৌন নির্যাতন করে খুনের ঘটনায় উদ্বিগ্ন কেন্দ্রীয় শিশুসুরক্ষা কমিশন। সোমবার রাতে কেন্দ্রীয় শিশুসুরক্ষা কমিশনের চেয়ারপার্সন প্রিয়ঙ্ক কানুনগো ট্যুইট করে একথা জানান। ট্যুইট বার্তায় তিনি লেখেন, ‘‘কলকাতায় সাত বছরের শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় কমিশন উদ্বিগ্ন। ওই রাজ্যের ডিজিপি এবং মুখ্যসচিবের কাছে আমরা নোটিস পাঠাচ্ছি। আমাদের একটি প্রতিনিধি দল এই ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ জানবেন।’’

    কেন্দ্রীয় শিশুসুরক্ষা কমিশনের নোটিস

    মঙ্গলবার রাজ্যকে পাঠানো কমিশনের ওই নোটিসে বলা হয়েছে, আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তিলজলার (Tiljala murder case) ঘটনায় বিস্তারিত তদন্ত করে রিপোর্ট জমা দিতে হবে। শুধু রিপোর্ট তলবই নয় কলকাতায় টিম পাঠানোরও সিদ্ধান্ত নিয়েছে ন্যাশনাল কমিশন ফর প্রোটেকশন অফ চাইল্ড রাইটস (NCPCR)। সূত্রের খবর, আগামী ৩১শে মার্চ কমিশনের চেয়ারপার্সন প্রিয়ঙ্ক কানুনগো নিজেই আসছেন কলকাতা। মৃত শিশুর পরিবারের সঙ্গে দেখা করবেন তিনি। কথা বলবেন রাজ্য প্রশাসনের সঙ্গেও। তিলজলা ছাড়াও মালদায় স্কুলে শিশু নিগ্রহের ঘটনায় প্রতিনিধিদল পাঠানোরও সিদ্ধান্ত নিয়েছে এনসিপিসিআর।

    অগ্নিগর্ভ এলাকা

    তিলজলায় (Tiljala murder case) শিশুমৃত্যুর ঘটনায় ইতিমধ্যেই মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অভিযোগ, ওই শিশুটি রবিবার সকালে আবাসনের নীচে আবর্জনা ফেলতে গিয়েছিল। সেই সময় তাকে দোতলার ফ্ল্যাটে টেনে নিয়ে যান প্রতিবেশী যুবক অলোক কুমার। শিশুর হাত, পা, মুখ বেঁধে তার উপর অত্যাচার চালানো হয়। তার পর শিশুটিকে খুন করেন অলোক। রবিবার সন্ধ্যায় ওই ফ্ল্যাট থেকে নাবালিকার বস্তাবন্দি দেহ উদ্ধার করা হয়। এর পরেই এলাকা অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। 

    আরও পড়ুন: সন্তান পেতে তান্ত্রিকের নির্দেশে ‘শিশু-বলি’! নাবালিকা হত্যাকাণ্ডের জেরে ধুন্ধুমার তিলজলায়

    স্থানীয় সূত্রে খবর, শিশুকন্যা খুনে পুলিশ প্রথমে নিষ্ক্রিয় ছিল। তাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে তিলজলা (Tiljala murder case), পার্ক সার্কাস, বন্ডেল রোড, পিকনিক গার্ডেন এবং তপসিয়ার একাংশ। সকাল থেকে শিশুটিকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। থানায় সে খবরটি জানানোও হয়। তারপরও পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ করেনি। অনেক পরে তল্লাশি শুরু করে। তিলজলাকাণ্ডের প্রতিবাদে এবং দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবিতে সোমবার পার্ক সার্কাসে রেল অবরোধ করা হয়। স্থানীয়েরা বিক্ষোভ দেখান এবং পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর করেন। সরকারি সম্পত্তি নষ্ট, পুলিশের কাজে বাধা দেওয়া এবং পুলিশের উপর হামলার অভিযোগে ২০ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে অভিযুক্তদের চিহ্নিত করা হয়েছে। তারপর রাতভর তল্লাশি চালিয়ে এলাকা থেকেই গ্রেফতার করা হয় অভিযুক্তদের।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Tiljala Case: সন্তান পেতে তান্ত্রিকের নির্দেশে ‘শিশু-বলি’! নাবালিকা হত্যাকাণ্ডের জেরে ধুন্ধুমার তিলজলায়

    Tiljala Case: সন্তান পেতে তান্ত্রিকের নির্দেশে ‘শিশু-বলি’! নাবালিকা হত্যাকাণ্ডের জেরে ধুন্ধুমার তিলজলায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গর্ভবতী স্ত্রীর গর্ভপাত ঠেকাতে তান্ত্রিকের নির্দেশে শিশু বলি দিয়েছিল তিলজলা-কাণ্ডে অভিযুক্ত অলোক কুমার। জেরায় পুলিশকে একথাই জানিয়েছে অলোক। তিলজলায় শিশুকে যৌন নির্যাতনের পর খুনের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত অলোক কুমার সন্তানহীন। সন্তান লাভের আশাতেই সাত বছরের প্রতিবেশী শিশুকে খুন করেছে সে, দাবি পুলিশের। মাথায় হাতুড়ির আঘাত, সারা শরীর সুচলো অস্ত্রে ক্ষতবিক্ষত। শেষমেশ শ্বাসরোধ করে খুন। তিলজলাকাণ্ডে প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের হাতে উঠে আসছে আরও বিস্ফোরক তথ্য।

    সন্তান লাভের আশা

    পুলিশ সূত্রে খবর, বিহারের এক তান্ত্রিক সন্তান লাভের জন্য অলোককে নরবলি দিতে বলেছিলেন। তার পর থেকেই নাকি তক্কে তক্কে ছিল বিহারের সমস্তিপুরের বাসিন্দা অলোক। স্থানীয়দের দাবি, অভিযুক্ত সন্তানহীন। তার স্ত্রী বার বার চেষ্টা করেও মা হতে পারেননি। তিন বার তাঁর গর্ভপাত হয়ে গিয়েছে। সূত্রের খবর, এর পরেই সন্তান লাভের আশায় বিহারের এক তান্ত্রিকের পরামর্শ নেয় অলোক। ওই তান্ত্রিককে ধরতে বিহারে যেতে পারে কলকাতা পুলিশের একটি দল।  খুনের অভিযোগের পাশাপাশি অভিযুক্ত অলোক কুমারের বিরুদ্ধে পকসো আইনেও মামলা শুরু করেছে পুলিশ। 

    তান্ত্রিকের কাণ্ড!

    পুলিশ সূত্রে খবর অলোক জানিয়েছে, প্রথমে ওই নাবালিকাকে যৌন নির্যাতন করে সে। তার পর মাথায় হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করে এবং শ্বাসরোধ করে শিশুটিকে খুনের চেষ্টা করে সে। মৃত্যু নিশ্চিত করতে শিশুটিকে ধর্ষণও করে। তবে এ বিষয়ে নিশ্চিত হতে নাবালিকার ময়নাতদন্তের রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা করছে পুলিশ।  

    আরও পড়ুন: নবরাত্রিতে উপবাস রাখছেন? সুস্থ, সতেজ থাকতে কী করবেন আর কী করবেন না

    প্রসঙ্গত রবিবার সকালে তিলজলার ওই আবাসনের বাইরে ময়লা ফেলতে গেছিল সাত বছরের নাবালিকা। কিন্তু সে আর নিজের ফ্ল্যাটে ফেরেনি। এর পরেই শিশুটির খোঁজ শুরু করে বাবা-মা। কিন্তু শিশুটি বাড়ি না আসায় শেষে পুলিশের দ্বারস্থ হন তাঁরা। কিন্তু অভিযোগ, পুলিশ বিষয়টি শুনে কোনও তৎপরতাই দেখায়নি। এর পরেই ওই ফ্ল্যাটের সিসিটিভি ফুটেজ সামনে আসে। সেখানে দেখা যায়, ময়লা ফেলার পরে আবাসনের মধ্যে প্রবেশ করেছিল ওই নাবালিকা। কিন্তু নিজের ফ্ল্যাটে ঢোকেনি। তখনই সন্দেহ হয়, আবাসনের মধ্যেই অন্য কোনও একটি ফ্ল্যাটে রয়েছে সে। ওই আবাসনে মোট ৩২ টি ফ্ল্যাট রয়েছে। প্রত্যেকটি ফ্ল্যাটে তল্লাশি শুরু করে পুলিশ। অলোকের ফ্ল্যাটটি বাইরে থেকে বন্ধ ছিল। সন্ধ্যায় সেখান থেকে শিশুর দেহ উদ্ধার করা হয়।

    পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ

    তিলজলার ঘটনায় পুলিশের বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগও উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা তিলজলা থানায় বিক্ষোভ দেখান। তাঁদের অভিযোগ, রবিবার সকাল থেকে শিশুটিকে পাওয়া যাচ্ছে না বলে থানায় অভিযোগ জানালেও পুলিশ পাত্তা দেয়নি। আরও আগে পদক্ষেপ করলে হয়তো শিশুটিকে বাঁচানো যেত, দাবি প্রতিবেশীদের। রবিবার রাতে তিলজলা থানায় ঢিল ছোড়ে উত্তেজিত জনতা। বিক্ষোভ সামলাতে লাঠিচার্জও করে পুলিশ। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Rajasthan Crime: রাজস্থানে শ্রদ্ধা কাণ্ডের ছায়া! কাকিমাকে খুন করে ১০ টুকরো করলেন যুবক

    Rajasthan Crime: রাজস্থানে শ্রদ্ধা কাণ্ডের ছায়া! কাকিমাকে খুন করে ১০ টুকরো করলেন যুবক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের শ্রদ্ধা ওয়াকারকাণ্ডের ছায়া! ঘটনাস্থল এবার দিল্লি (Delhi) নয়, রাজস্থান (Rajasthan Crime)। অভিযোগ, কাকিমাকে কেটে ১০ টুকরো করলেন এক যুবক। পরে দেহাংশগুলিকে ছুড়ে দেন হাইওয়ের (Highway) পাশে। তদন্তে নেমে বছর বত্রিশের অভিযুক্ত যুবক অনুজ শর্মাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    ঘটনার নেপথ্যে…

    পুলিশ সূত্রে খবর, বাবা ও বোনের সঙ্গে জয়পুরের বিদ্যাধর নগরে থাকতেন অনুজ। করোনার সময় স্বামী মারা যাওয়ায় তাঁর কাকিমাও অনুজদের সঙ্গে  থাকতে শুরু করেন। ১১ ডিসেম্বর বাড়িতে ছিলেন অনুজ এবং তাঁর কাকিমা। সেই সময় দিল্লিতে এক বন্ধুর বাড়িতে যাবেন বলে কাকিমাকে বলেন অনুজ। কাকিমা তাঁকে যেতে নিষেধ করেন। এনিয়ে কাকিমার সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন অনুজ। এর পর রান্নাঘরে চা করতে চলে যান বছর চৌষট্টির ওই প্রৌঢ়া। অভিযোগ, সেই সময় আচমকাই রান্না ঘরে গিয়ে হাতুড়ি দিয়ে অনুজ সজোরে তাঁর মাথায় আঘাত করেন। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাঁর। এর পর দেহ লোপাট করতে মার্বেল পাথর কাটার মেশিন দিয়ে দেহটিকে ১০ টুকরো করেন অনুজ। পরে দেহাংশগুলি সুটকেসে ভরে জয়পুর-শিখর হাইওয়ের পাশে ফাঁকা জায়গায় ফেলে আসেন।

    আরও পড়ুন: “অনার কিলিং- এর নামে প্রতিবছর এ দেশে শয়ে শয়ে মানুষ খুন হয়”, উদ্বেগ প্রকাশ প্রধান বিচারপতির

    জানা গিয়েছে, বাড়ি ফিরে অনুজ জানান কাকিমা কোথায় তা তিনি জানেন না। বাবা ও বোনের সঙ্গে গিয়ে থানায় নিখোঁজ ডায়েরিও করেন তিনি। তদন্তে নেমে সিসিটিভির ফুটেজ খতিয়ে দেখে পুলিশ। দেখা যায়, ১১ ডিসেম্বর একটি বড় সুটকেস ও কম্বল নিয়ে বাড়ি থেকে বের হচ্ছেন অনুজ। শুরু হয় পুলিশি জেরা। টানা জেরায় ভেঙে পড়েন অনুজ। কবুল করেন খুনের কথা। অনুজ অত্যন্ত শিক্ষিত ও বুদ্ধিমান বলেই দাবি পুলিশের। তবে তাঁর মানসিক সমস্যা রয়েছে বলেও মনে করা হচ্ছে। কাকিমাকে খুনের কথা স্বীকার করলেও, তাঁকে অনুশোচনা করতে দেখা যায়নি। অনুজের বিরুদ্ধে দায়ের হয়েছে খুন ও প্রমাণ লোপাটের অভিযোগ। প্রসঙ্গত, দিল্লিতে প্রেমিকা তথা লিভ ইন পার্টনার শ্রদ্ধা ওয়ালকারকে খুন করে দেহ ৩৫ টুকরো করে বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে দিয়েছিল তাঁর প্রেমিক আফতাব পুনাওয়ালা। ওই ঘটনার বেশ কয়েক মাস পরে গ্রেফতার করা হয় আফতাবকে। পুলিশি জেরায় খুনের কথা কবুল করে সে-ও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share