Tag: crime

crime

  • ABHIGYAN App: মাত্র ৩৫ সেকেন্ডে অপরাধী শনাক্তকরণে ভারতের নতুন ডিজিটাল অস্ত্র ‘অভিজ্ঞান’

    ABHIGYAN App: মাত্র ৩৫ সেকেন্ডে অপরাধী শনাক্তকরণে ভারতের নতুন ডিজিটাল অস্ত্র ‘অভিজ্ঞান’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার ক্ষেত্রে এক নতুন যুগের সূচনা করল ভারত। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) সম্প্রতি চালু করেছেন অভিজ্ঞান (ABHIGYAN App) নামের একটি অত্যাধুনিক মোবাইল অ্যাপ, যা মাত্র ৩৫ সেকেন্ডের মধ্যে আঙুলের ছাপ মিলিয়ে সন্দেহভাজন ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত করতে সক্ষম। এই প্রযুক্তি ভারতের পুলিশি তদন্ত ব্যবস্থাকে আরও দ্রুত, নির্ভুল এবং আধুনিক করে তুলবে বলে মনে করা হচ্ছে। এই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মটি তদন্তকারী সংস্থাগুলোকে খুব অল্প সময়ের মধ্যে অপরাধ-সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ নথি ও তথ্য পেতে সাহায্য করবে। এটি শুধু তদন্তের গতিই বাড়াবে না, বরং বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে উন্নততর সমন্বয় সাধনেও সাহায্য করবে।

    অভিজ্ঞান অ্যাপ কী?

    অভিজ্ঞা(ABHIGYAN App)  হলো আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে সহায়তা করার জন্য নির্মিত একটি উন্নত ডেটা-ভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম। এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো অপরাধ-সম্পর্কিত তথ্যের একটি একক উৎস প্রদান করা। আগে বিভিন্ন বিভাগ ও ডেটাবেসে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা তথ্য খুঁজে বের করতে অনেক সময় লাগত, কিন্তু এখন অভিজ্ঞানের মাধ্যমে এই তথ্য সহজেই এক জায়গা থেকে পাওয়া যাবে। এই প্ল্যাটফর্মটি আঙুলের ছাপের রেকর্ড, অপরাধীদের প্রোফাইল, মানব পাচার নেটওয়ার্ক এবং অপরাধ-সম্পর্কিত অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সরবরাহ করবে। এই অ্যাপটি তদন্তকারীদের দ্রুত মামলাটি সমাধানে সাহায্য করার জন্য বিপুল পরিমাণ ডেটা বিশ্লেষণও করে। এই অ্যাপটির ডেমোতে দেখানো হয়েছে যে, মাত্র ৩৫ সেকেন্ডের মধ্যে ডাটাবেসের সাথে আঙুলের ছাপ মেলানো যায়।

    ফিঙ্গারপ্রিন্ট শনাক্তকরণে বড় অগ্রগতি

    অভিজ্ঞান (ABHIGYAN App) অ্যাপটি দেশের বিভিন্ন আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাকে একটি বিশাল জাতীয় বায়োমেট্রিক ডেটাবেসের সঙ্গে যুক্ত করেছে। বর্তমানে এই ডেটাবেসে ১.২৯ কোটিরও বেশি ব্যক্তির ফিঙ্গারপ্রিন্ট সংরক্ষিত রয়েছে। এর ফলে আগে যেখানে কোনো সন্দেহভাজনের পরিচয় যাচাই করতে কয়েক দিন সময় লাগত, সেখানে এখন মাত্র ৩৫ সেকেন্ডেই সেই কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হবে। এই অ্যাপটি সরাসরি যুক্ত রয়েছে ন্যাশনাল অটোমেটেড ফিঙ্গারপ্রিন্ট আইডেন্টিফিকেশন সিস্টেমের (National Automated Fingerprint Identification System বা NAFIS) সঙ্গে। এনএএফআইএস দেশের স্বয়ংক্রিয় ফিঙ্গারপ্রিন্ট শনাক্তকরণ ব্যবস্থার মূল ভিত্তি। পুলিশ স্টেশন কিংবা প্রথম পর্যায়ে কোনো ব্যক্তির আঙুলের ছাপ স্ক্যান করা হলে, অভিজ্ঞান তাৎক্ষণিকভাবে জাতীয় ডেটাবেসের সঙ্গে মিলিয়ে সম্ভাব্য পরিচয় খুঁজে বের করে। ফলে ফরেনসিক রিপোর্টের জন্য দীর্ঘ অপেক্ষার প্রয়োজন হয় না।

    অ্যাপের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য

    • ● মাত্র কয়েক সেকেন্ডে ফিঙ্গারপ্রিন্ট মিলিয়ে শনাক্তকরণ
    • ● জাতীয় অপরাধ তথ্যভাণ্ডারের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ
    • ● নতুন বায়োমেট্রিক তথ্য যুক্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ডেটাবেস সম্প্রসারণ
    • ● গ্রাউন্ড লেভেল থেকেই তদন্ত ও পুলিশি কাজে সহায়তা
    • ● ম্যানুয়াল যাচাইয়ের উপর নির্ভরতা কমানো

    তদন্তে গতি ও নির্ভুলতা বাড়বে

    দ্রুতগতিতে বাড়ছে সাইবার অপরাধ। প্রতারকরা মানুষকে টার্গেট করতে নতুন নতুন পদ্ধতি ব্যবহার করে স্ক্যাম করছে। ক্রমবর্ধমান সাইবার অপরাধ, অনলাইন প্রতারণা এবং মানব পাচার, আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। অনেক ক্ষেত্রে, অপরাধ নথিভুক্ত হওয়ার পর তদন্ত প্রক্রিয়াটি এত দীর্ঘ সময় নেয় যে অপরাধীরা সহজেই পালিয়ে যেতে পারে। এই সমস্যা সমাধানের জন্য দেশজুড়ে পুলিশ এবং তদন্তকারী সংস্থাগুলো একটি যুগান্তকারী প্রযুক্তি পেতে চলেছে যা তাদের কাজকে উল্লেখযোগ্যভাবে সহজ করে দেবে। সরকারি সূত্রের দাবি, অভিজ্ঞান (ABHIGYAN App) অ্যাপ চালুর ফলে পুনরাবৃত্ত অপরাধী এবং অজ্ঞাত পরিচয়ের সন্দেহভাজনদের দ্রুত শনাক্ত করা সম্ভব হবে। এতে তদন্তের গতি যেমন বাড়বে, তেমনি প্রমাণ সংগ্রহ ও মামলার নিষ্পত্তির ক্ষেত্রেও কার্যকারিতা বৃদ্ধি পাবে।

    রাস্তায় দাঁড়িয়েই অপরাধী শনাক্তকরণ

    অভিজ্ঞান অ্যাপের (ABHIGYAN App) সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, এটি আগের চেয়ে অনেক দ্রুত তদন্ত প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করতে পারে। কোনও সন্দেহভাজন তথ্য বা একটি মামলা সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে বের করার জন্য তদন্তকারীদের বিভিন্ন রেকর্ড ঘাঁটতে হবে না, এখান থেকেই সব পাবেন। এই একটিমাত্র প্ল্যাটফর্মে উপলব্ধ তথ্যের ভিত্তিতে, তাঁরা দ্রুত সেই কেসটি শনাক্ত করতে পারবেন। এছাড়াও, এই প্ল্যাটফর্মটি অপরাধের ধরন বুঝতে সাহায্য করবে। ভবিষ্যতে অপরাধ ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে এমন এলাকা বা কার্যকলাপ শনাক্ত করতে সাহায্য করবে। এর ফলে পুলিশ আগে থেকেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারবে। এই অ্যাপটির সাহায্যে পুলিশ রাস্তায়ও যেকোনো সন্দেহভাজনের বায়োমেট্রিক তথ্য যাচাই করতে পারবে, ফলে পলাতক অপরাধীদের ধরতে আরও সহজ হবে।

    প্রযুক্তিনির্ভর পুলিশিংয়ের দিকে ভারত

    বিশ্বজুড়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলি ক্রমশ বায়োমেট্রিক প্রযুক্তি ও স্বয়ংক্রিয় শনাক্তকরণ ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল হয়ে উঠছে। সেই ধারায় ভারতও দ্রুত এগিয়ে চলেছে। দীর্ঘদিন ধরে ম্যানুয়াল রেকর্ড ও সময়সাপেক্ষ ফরেনসিক প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভরশীল পুলিশি ব্যবস্থা এখন রিয়েল-টাইম ডিজিটাল শনাক্তকরণের যুগে প্রবেশ করছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অ্যাপ শুধু তদন্তের সাফল্যের হারই বাড়াবে না, বরং দ্রুত পরিচয় যাচাইয়ের কারণে অপরাধপ্রবণতার বিরুদ্ধেও কার্যকর প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সাহায্য করবে। ফিঙ্গারপ্রিন্ট ডেটাবেস, অটোমেশন এবং মোবাইল প্রযুক্তির সমন্বয়ে তৈরি অভিজ্ঞান ভারতের প্রযুক্তিনির্ভর পুলিশিং ব্যবস্থার এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

  • Pune Murder: পরিকল্পিত খুন! কেতনকে বিয়ের আগে পাহাড় থেকে ফেলে দেন বাগদত্তা ও তাঁর বন্ধু, অনুমান তদন্তকারীদের

    Pune Murder: পরিকল্পিত খুন! কেতনকে বিয়ের আগে পাহাড় থেকে ফেলে দেন বাগদত্তা ও তাঁর বন্ধু, অনুমান তদন্তকারীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহারাষ্ট্রের পুণেতে ব্যবসায়ীর (Pune Murder) ছেলে কেতনবিশাল আগরওলকে (Ketan Bishal Agarwal) পরিকল্পিতভাবে খুন করা হয়েছিল বলে অনুমান পুলিশের। তদন্তকারী সূত্রের খবর, প্রাথমিক ভাবে এটিকে দুর্ঘটনা বলে মনে হলেও, এটি নিছক কোনও দুর্ঘটনা নয়। এর নেপথ্যে রয়েছে বড় কোনও ষড়যন্ত্র। পরিকল্পনা করেই খুন করা হয়েছে কেতনকে। পাহাড়ে ঘুরতে নিয়ে গিয়ে তাঁকে ঠেলে ফেলে দেওয়া হয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। আর এই ঘটনার স্মৃতি উস্কে দিয়েছে মেঘালয়ে রাজা রঘুবংশী হত্যাকাণ্ডকে। গত বছরের মে মাসে মেঘালয়ে মধুচন্দ্রিমায় স্বামী রাজা রঘুবংশীকে নিয়ে গিয়ে প্রেমিকের সঙ্গে মিলে খুন করার অভিযোগ ওঠে সদ্যবিবাহিত স্ত্রী সোনম রঘুবংশীর বিরুদ্ধে। সেই ঘটনার তদন্ত এখনও চলছে। গ্রেফতার হয়েছেন সোনম, তাঁর প্রেমিক-সহ ন’জন।

    কেতন হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে মেঘালয়ের মিল

    কেতন হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে মেঘালয়ের মিল পাচ্ছেন তদন্তকারীরা। পুণে গ্রামীণ পুলিশের এক তদন্তকারী আধিকারিক বলেন, ‘‘ব্যবসায়ীপুত্রের মৃত্যুর ঘটনায় বেশ কিছু নতুন তথ্য পাওয়া গিয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর এটা নিশ্চিত যে, কেতনের মৃত্যু কোনও দুর্ঘটনা নয়, এটি পরিকল্পিত হত্যা। ইতিমধ্যেই কেতনের বাগদত্তা এবং তাঁর এক পুরুষ বন্ধুকে গ্রেফতার করা হয়েছে।’’ প্রসঙ্গত, গত ১৮ জুন বাগদত্তা সিয়া প্রবীণ বাসেশ্বর গয়াল এবং তাঁর বন্ধুর সঙ্গে পুণের লোহাগড় দুর্গে বেড়াতে গিয়েছিলেন ব্যবসায়ীপুত্র কেতন। পাহাড়ের উপরে সেই দুর্গে নিজস্বী তুলতে গিয়ে পা পিছলে ৪৫০ ফুট গভীর খাদে পড়ে যান। পরে তাঁর দেহ উদ্ধার হয়। প্রাথমিক ভাবে এটিকে দুর্ঘটনা হিসেবে মনে করা হয়েছিল। কিন্তু তদন্ত যত এগিয়েছে, এমন বেশ কিছু তথ্য মিলেছে, যা থেকে এই ঘটনাকে স্রেফ দুর্ঘটনা বলে মেনে নিতে পারেননি তদন্তকারীরা। তাঁদের দাবি, এটি পরিকল্পিত হত্যা।

    কেতনের বাগদত্তা সিয়ার কথায় বেশ কিছু অসঙ্গতি

    তদন্তকারীদের দাবি, কেতনের বাগদত্তা সিয়ার কথায় বেশ কিছু অসঙ্গতি ধরা পড়েছে। সিয়ার ফোন, সমাজমাধ্যম অ্যাকাউন্ট এবং কল ডিটেল-সহ বেশ কিছু গতিবিধি পরীক্ষা করার পর তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, অন্য এক যুবকের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল কেতনের বাগদত্তার। পুলিশের দাবি, সেই সম্পর্ককে টিকিয়ে রাখতে চেয়েছিলেন সিয়া। কিন্তু কেতনের সঙ্গে তাঁর বিয়ে পাকাপাকি হয়ে গিয়েছিল। জুলাইয়েই তাঁদের বিয়ের কথা ছিল। জয়পুরে একটি বড় মহলও বিয়ের জন্য বুক করেছিল কেতনের পরিবার। সিয়ার প্রেমের সম্পর্কে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছিলেন কেতন। তাই তাঁকে সরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়। গত ১৯ জুন ছিল কেতনের জন্মদিন। সেই উপলক্ষে লোহাগড় দুর্গে ঘুরতে গিয়েছিলেন কেতন, তাঁর বাদগত্তা এবং কয়েক জন বন্ধু। বিয়ের আগে একটা ‘ট্যুর প্ল্যান’ করেছিলেন কেতন। সেখানেই এই ভয়াবহ পরিকল্পনাকে পরিণতি দেওয়া হয়, অনুমান তদন্তকারীদের।

  • Kishanganj: কুপ্রস্তাবে রাজি নন, তাই বউমাকে খুন শ্বশুর ও দেওরের

    Kishanganj: কুপ্রস্তাবে রাজি নন, তাই বউমাকে খুন শ্বশুর ও দেওরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর তেইশের আনসারি বেগম ও তাঁর বছর দেড়েকের মেয়েকে গলা কেটে নৃশংসভাবে খুন। বিহারের কিষানগঞ্জ (Kishanganj) জেলার পোঠিয়া থানা এলাকার তেলিবস্তির ঘটনা। ওই ঘটনায় দু’জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ (Crime)। একজন আনসারির শ্বশুর ফারুক আলম এবং অন্যজন আনসারির দেওর এহসান আলম। ফারুকের বয়স পঞ্চান্নর কাছাকাছি। আর এহসানের বয়স উনিশের আশপাশে। পুলিশি জেরায় অপরাধের কথা কবুল করেছে দুই অভিযুক্তই।

    আনসারি ও তাঁর শিশুকন্যার গলা কাটা দেহ (Kishanganj)

    জানা গিয়েছে, ১৯ জুন খবর পেয়ে পুলিশ উদ্ধার করে আনসারি ও তাঁর শিশুকন্যার গলা কাটা দেহ। নিহতের বাবা নাজিমউদ্দিনের অভিযোগের ভিত্তিতে দায়ের হয় এফআইআর। তদন্তের জন্য সিট গঠন করে পুলিশ। তদন্তে জানা যায়, বছর ছয়েক আগে ফারুকের বড় ছেলের সঙ্গে বিয়ে হয় আনসারির। বছর দুয়েক আগে মারা যান আনসারির স্বামী। অভিযোগ, তারপর থেকেই ফারুক বিধবা পুত্রবধূ আনসারিকে কুপ্রস্তাব দিতে থাকেন। তার সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপনের জন্য চাপও দিতে থাকেন।

    শ্বশুর-দেওরের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান

    শ্বশুরের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন আনসারি। ফারুকের ছোট ছেলে এহসানও আনসারিকে বিয়ে করতে উঠেপড়ে লাগে বলে অভিযোগ। যদিও আনসারি তাতেও রাজি হননি। একাধিকবার চেষ্টা করার পরেও আনসারিকে যৌন সম্পর্ক কিংবা বিয়েতে রাজি করাতে না পেরে তাঁকে খুনের ষড়যন্ত্র করে ফারুক ও তার ছোট ছেলে এহসান। অভিযোগ, এর পরেই রাতের অন্ধকারে আনসারির ঘরে ঢুকে তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে খুন করে আনসারি ও তাঁর শিশুকন্যাকে। ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে চালানোর চেষ্টা করে আনসারির শ্বশুর ও দেওর। সেই কারণে তারা ভেতর থেকে ঘরের দরজা বন্ধ করে দিয়ে ভেন্টিলেটর গলে বাড়ি থেকে বেরিয়ে গা ঢাকা দেয় (Kishanganj)।

    মা ও মেয়ের দেহ উদ্ধারের পর জাল বিছানো হয় তদন্তের। এর পরেই পুলিশ তৈয়বপুরের তেলিভাটা থেকে গ্রেফতার করে গুণধর শ্বশুর এবং কীর্তিমান দেওরকে। খুনে ব্যবহৃত অস্ত্র এবং অন্যান্য (Kishanganj) প্রমাণও উদ্ধার করা হয়েছে। আনসারির বাবা নাজিমউদ্দিন মেয়ের শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে তাঁকে (Crime) হুমকি দেওয়ার অভিযোগও করেছেন।

  • Cybercrime: “সাইবার নিরাপত্তা ছাড়া জাতীয় নিরাপত্তাও অসম্ভব”, বললেন শাহ

    Cybercrime: “সাইবার নিরাপত্তা ছাড়া জাতীয় নিরাপত্তাও অসম্ভব”, বললেন শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সাইবার ক্রাইমের (Cybercrime) কোনও সীমানা নেই। সাইবার নিরাপত্তা ছাড়া জাতীয় নিরাপত্তাও অসম্ভব।” কথাগুলি বললেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বড় পদক্ষেপ নেওয়া হল কেন্দ্রের তরফে (Cyber Commandos)।

    সাইবার কমান্ডোদের প্রশিক্ষণ (Cybercrime)

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ পাঁচ হাজার সাইবার কমান্ডোকে প্রশিক্ষণ, ওয়েব ভিত্তিক ডেটা রেজিস্ট্রি স্থাপনের পাশাপাশি সাইবার অপরাধের তথ্য ভাগ করার জন্য একটি পোর্টাল এবং একটি জাতীয় রেজিস্ট্রি সহ বেশ কয়েকটি নয়া উদ্যোগের কথা ঘোষণা করেন তিনি। মঙ্গলবার নয়াদিল্লিতে ইন্ডিয়ান সাইবার ক্রাইম কো-অর্ডিনেশন সেন্টারের প্রথম প্রতিষ্ঠা দিবস উদযাপিত হয়। সেই অনুষ্ঠানেই যোগ দিয়েছিলেন শাহ।

    সাইবার ফ্রড মিটিগেশন সেন্টার

    বক্তৃতা দেওয়ার সময় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বড় ব্যাঙ্ক, আর্থিক মধ্যস্থতাকারী, পেমেন্ট এগ্রিগেটরদের প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি সাইবার ফ্রড মিটিগেশন সেন্টার গঠন করা হবে। রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলির প্রতিনিধিরাও থাকবেন এই সেন্টারে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “এই সব সংস্থা অনলাইন আর্থিক অপরাধ মোকাবিলায় তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ ও নিরবচ্ছিন্ন সহযোগিতার জন্য একযোগে কাজ করবে।” তিনি জানান, সিএফএমসি আইন প্রয়োগে সহযোগিতামূলক ফেডারেলিজমের উদাহরণ হিসেবে কাজ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: ‘সুপ্রিম’ ডেডলাইন পার, পথে ঠায় বসে জুনিয়র ডাক্তাররা

    শাহ বলেন (Cybercrime), “জামতাড়া, আমেদাবাদ, মেওয়াত, হায়দরাবাদ, চণ্ডীগড়, বিশাখাপত্তনম ও গুয়াহাটিতে সাতটি যৌথ সাইবার সমন্বয় দল গঠন করায় ভালো ফল মিলেছে। সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলগুলিতে একটি কার্যকর সচেতনতামূলক প্রচার শুরু হয়েছে।” তিনি বলেন, “লক্ষ্যে পৌঁছতে আমাদের একটি সুনির্দিষ্ট কৌশল তৈরি করতে হবে এবং একই দিকে, এক সঙ্গে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।”

    সাইবার নিরাপত্তায় ‘সমন্বয় প্ল্যাটফর্ম’

    জানা গিয়েছে, ‘সমন্বয় প্ল্যাটফর্ম’টি আদতে একটি যৌথ সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন ফেসিলিটেশন সিস্টেম। এটা একটা ওয়েব-বেসড মডিউল। এটা ওয়ান স্টেপ পোর্টাল হিসেবে কাজ করবে, কাজ করবে সাইবার ক্রাইমের ডেটা রিপোজিটরি হিসেবে। ডেটা শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম হিসেবেও কাজ করবে। ক্রাইম ম্যাপিং, ডেটা অ্যানালিটিক্স কো-অপারেশন এবং কো-অর্ডিনেশনের কাজও করবে এই সমন্বয় প্ল্যাটফর্ম। সাইবার কমান্ডোদের ট্রেনিংও দেওয়া হবে। তাঁরা (Cyber Commandos) রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় বিভিন্ন এজেন্সিগুলোকে সাহায্য করবেন (Cybercrime)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ajmer Gangrape: ৩২ বছর পর আজমের গণধর্ষণ মামলার রায় ঘোষণা, ৬ জনের যাবজ্জীবন

    Ajmer Gangrape: ৩২ বছর পর আজমের গণধর্ষণ মামলার রায় ঘোষণা, ৬ জনের যাবজ্জীবন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় ৩২ বছর আগে ঘটে যাওয়া আজমের গণধর্ষণ (Ajmer Gangrape) মামলার রায় ঘোষণা করল বিশেষ পকসো আদালত। স্কুলের ছাত্রীদের ব্ল্যাকমেল করে দিনের পর দিন গণধর্ষণ। মুখ বন্ধ করতে অশালীন ছবি তুলে ব্ল্যাকমেল। ৩২ বছর আগের এই ঘটনায় নড়ে গিয়েছিল গোটা দেশ। ১০০ জনেরও বেশি কিশোরীকে এ ভাবে হেনস্থা করা হয়েছিল। সেই ঘটনায় ৬ জনকে যাবজ্জীবনের সাজা শোনাল আদালত।

    ঘটনাস্থল ছিল রাজস্থানের আজমের। ১৯৯২ সালে সে শহরের বুকে ধারাবাহিক গণধর্ষণের ঘটনা ঘটেছিল। তার পর যত তদন্ত এগিয়েছে, ততই উঠে এসেছে একের পর এক নতুন তথ্য। মঙ্গলবার ওই মামলায় বাকি ৬ অভিযুক্তকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা দেওয়া হয়। এর আগে পকসো (POCSO Court) আদালত নাফিস চিস্তি, নাসিম ওরফে টারজান, সেলিম চিস্তি, ইকবাল ভাটি, সোয়েল ঘানি এবং সৈয়দ জামিন হুসেনকে দোষী সাব্যস্ত করেছে। এই মামলায় আগেই ১৮ জনকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছিল। এর মধ্যে সাজা হয়েছিল ৯ জনের। একজন আসামী অন্য মামলায় জেলে রয়েছেন। একজন আত্মহত্যা করেছে এবং একজন পলাতক। 

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    ১৯৯২ সালের ২১ এপ্রিল আজমেরের (Ajmer Gangrape) স্থানীয় এক সংবাদপত্র এই ঘটনা সামনে আনে। এলাকার গুন্ডাদের হাতে নির্যাতিত হচ্ছে স্কুলের মেয়েরা, এই খবর ও ছবি প্রকাশিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই হইচই পড়ে যায়। শুরু হয় তদন্ত। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছিল, আজমেরে মেয়েদের স্কুলের পড়ুয়াদের সঙ্গে বন্ধুত্ব করত ফারুখ। তার পর প্রলোভন দিয়ে তাদের সঙ্গে দেখা করত। গণধর্ষণ করা হত। ধর্ষণের সময়কার ছবিও তোলা হত। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পেরেছিল, ছবি দেখিয়ে ওই ছাত্রীকে ব্ল্যাকমেল করা হত। ব্ল্যাকমেল করে নির্যাতিতা ছাত্রীকে বলা হত সে যেন তার বান্ধবীদেরও ফারুখ এবং নাফিসের কাছে পাঠায়। এ ভাবেই ওই স্কুলের একাধিক ছাত্রীকে গণধর্ষণ করা হয়েছিল। ফারুখদের শিকার হয়েছিল আজমেরের আরও একটি স্কুলের ছাত্রীরা। ফারুখ ও নাফিস যুব কংগ্রেসের নেতা ছিল। এলাকায় তাদের একটা গ্যাং ছিল। আজমের ধারাবাহিক গণধর্ষণের ঘটনায় ফারুখ এবং নাফিসই ছিল মূল অপরাধী।

    গুন্ডা-রাজ

    সেই সময় ওই এলাকায় ফারুখ এবং নাফিসের যথেষ্ট প্রভাব ছিল। রাজনৈতিক প্রতাপ, প্রতিপত্তিতে ভর করে এলাকায় রাজ করত তারা। আর সেই কারণেই নির্যাতিতা এবং তাদের পরিবার সব জেনেও মুখে টুঁ শব্দটি করত না। ফারুখ এবং নাফিসদের হাতে নির্যাতিতারা অধিকাংশই ছিল নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান। কোনও কোনও কিশোরীর বাবা সরকারি কর্মীও ছিলেন। এই ঘটনার পর বহু নির্যাতিতার পরিবারই আজমের ছেড়েছিল। কেউই প্রকাশ্যে এ নিয়ে সরব হননি। বহু দিন পর্যন্ত বহাল তবিয়তে ঘুরেছে অভিযুক্তরা। তাদের রাজনৈতিক প্রতিপত্তি ছিল। প্রধান অভিযুক্ত ফারুক চিস্তি আজমের যুব কংগ্রেসের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিল। নাফিস চিস্তি ছিল আজমের (Ajmer Gangrape) ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেসের সহ-সভাপতি। আনোয়ার চিস্তি আজমের ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেসের যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে কাজ করত। এই গ্যাংটি ধর্মীয়, রাজনৈতিক, সামাজিক এবং অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে প্রভাবশালী ছিল। আজমের জেলা পুলিশ সূত্রে খবর, সুফি সাধু খাজা মইনুদ্দিন হাসান চিস্তির দরগার খাদিমদের পরিবার থেকে আসা বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী যুবক এই কেলেঙ্কারিতে জড়িত ছিল। পুলিশ, উচ্চপদস্থ রাজনীতিবিদ এবং কর্মকর্তারাও এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিল বলে অনুমান।

    হিন্দু সংগঠনগুলোর প্রতিবাদ

    অভিযোগ সামনে আসার পরই এদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায় হিন্দু সংগঠনগুলি। বিচার দাবি করে প্রতিবাদ শুরু করে তারা। হিন্দু সংগঠনগুলি আইনগত পদক্ষেপ না নেওয়া হলে নিজের হাতে আইন তুলে নেওয়ারও হুমকি দেয়। তীব্র চাপে, আজমের জেলা বার অ্যাসোসিয়েশন স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে দেখা করে এবং জনগণের ক্রোধ প্রশমিত করতে এবং সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা প্রতিরোধ করতে সন্দেহভাজনদের জাতীয় নিরাপত্তা আইনের অধীনে কারাগারে পাঠানোর প্রস্তাব দেয়। শেষ পর্যন্ত, তদন্তের দায়িত্ব সিআইডি সিবি-র হাতে তুলে দেওয়া হয়। ১৯৯২ সালের ৩০ মে, সিআইডি সিবি আনুষ্ঠানিকভাবে তদন্তের দায়িত্ব গ্রহণ করে। এই কেলেঙ্কারিটি প্রভাবশালী ব্যক্তিদের, যেমন খাদিম চিস্তি পরিবারগুলির সদস্য এবং যুব কংগ্রেসের সদস্যদের জড়িত থাকার বিষয়টি প্রকাশ করে, যারা স্কুলছাত্রীদের শোষণ করেছিল। একটি ফটো ল্যাব থেকে ফাঁস হওয়া স্পষ্ট ছবি অপরাধটির প্রমাণ দেয়।

    আরও পড়ুন: ব্যর্থ রাজ্য, আরজি করের নিরাপত্তার দায়িত্বে কেন্দ্রীয় বাহিনী, নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    তদন্তের পর তদন্ত

    অপরাধের ঘটনা প্রকাশ্যে আসার গ্রেফতার করা হয় অভিযুক্তদের। তাদের সাজাও হয়। ২০০৭ সালে ফারুখকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। ২০১৩ সালে ফারুখকে মুক্তির নির্দেশ দেয় রাজস্থান হাইকোর্ট। ফারুখ গ্রেফতার হলেও পলাতক ছিল নাফিস। ২০০৩ সালে দিল্লি পুলিশের হাতে ধরা পড়ে সে। পরে অবশ্য জামিন পায়। ফারুখের মতোই এলাকায় রয়েছে নাফিস। অন্য অভিযুক্তরাও জামিনে মুক্ত। এই ঘটনায় মোট ৬টি চার্জশিট জমা দিয়েছিল পুলিশ। তাতে নাম ছিল ১৮ জন অভিযুক্তের। ১৪৫ জনেরও বেশি সাক্ষীর নাম ছিল। মাত্র ১৭ জন নির্যাতিতা তাদের বয়ান রেকর্ড করিয়েছিল। আজমের (Ajmer Gangrape) পুলিশের সন্দেহ, ১০০ জনেরও বেশি কিশোরী এই নির্যাতনের শিকার হয়েছিল। তবে তাদের মধ্যে অধিকাংশই তদন্তের মুখোমুখি হয়নি। এখনও ৩০ বছর আগের সেই ঘটনার ক্ষত বয়ে বেড়াচ্ছে আজমের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Cyber Crime in Mewat: হরিয়ানার নুহ পুলিশের জালে ৪২ সাইবার দুষ্কৃতী, উদ্ধার প্রচুর মোবাইল ও সিম

    Cyber Crime in Mewat: হরিয়ানার নুহ পুলিশের জালে ৪২ সাইবার দুষ্কৃতী, উদ্ধার প্রচুর মোবাইল ও সিম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাইবার অপরাধের (Cyber Crime) বিরুদ্ধে নজির গড়ল হরিয়ানার নুহ পুলিশ। পুলিশের পাতা ফাঁদে ধরা পড়েছে ৪২ জন সাইবার অপরাধী। দেশব্যাপী সাইবার প্রতারণার মামলার বিষয়ে দু’ দিনে নুহ ও মেওয়াতের (mewat) বিভিন্ন অংশে অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। ধৃতদের নাম দীন মোহাম্মদ, আসিফ, আরিফ, সরফরাজ, সাকিব, ইজাজ, মুনাজির পবলে সহ আরও অনেক। পুলিশ সূত্রে খবর, গত শনিবার থেকে এই অভিযান চলে রবিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত। অভিযান শেষে অভিযুক্তদের কাছ থেকে ৫০টি মোবাইল, জাল আধার কার্ড (fake adhar card), প্রচুর জাল নথি, ৯০ টিরও বেশি সিম কার্ড, নগদ টাকা এবং বেশ কয়েকটি এটিএম কার্ড বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ধৃতদের বিরুদ্ধে (arrested) আইপিসি ৪১৯, ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮ এবং ৪৭১ ধারা প্রয়োগ করে মামলা রুজু করা হয়েছে। তাদের বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে আগেও ১৮টি মামলা দায়ের করা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের বিশেষ পোর্টালের মাধ্যমে গ্রেফতার

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শেষ বছরের এপ্রিল মাসের পর সাইবার অপরাধীদের বিরুদ্ধে এটাই সবচেয়ে বড় অভিযান। এর আগে পুলিশ একটি অভিযানে ১৪ টি গ্রাম থেকে ৬৬ জন সাইবার প্রতারণায় অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছিল। সেই অভিযানের সময় ৫০০০ পুলিশ কর্মী মোতায়েন করা হয়েছিল। হরিয়ানা রাজ্যের পুলিশ একটি এক্স হ্যান্ডেলে পোস্টে জানিয়েছে, “কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের ইন্টিগ্রেটেড সাইবার ক্রাইম কোঅর্ডিনেশন সেন্টারের (i4C) বিশেষ প্রতিবিম্ব পোর্টালের (protibimb portal) সহায়তায় গ্রেফতার করা হয়েছে দুষ্কৃতীদের। পোর্টালটি এই বছর চালু হয়েছে। এটি মূলত প্রতারকদের সিম এবং আইএমইআই নম্বর রিয়েল-টাইম ভিত্তিতে চিহ্নিত করে শনাক্ত করতে সাহায্য করে।”

    পুলিশ সুপারের বক্তব্য

    এই প্রসঙ্গে হরিয়ানা রাজ্যের ডিজি শত্রুজিৎ কাপুর বলেন, “প্রতিবিম্ব পোর্টাল পুলিশকে রাজ্য জুড়ে ৫৯৪ টি সাইবার জালিয়াতির অবস্থান সম্পর্কে তথ্য দিয়েছে। এই প্রতারকদের মধ্যে ১০১ জন নুহ এবং পার্শ্ববর্তী শহর আলওয়ার এলাকায় ছিল। সন্দেহভাজনদের রিয়েল-টাইম অবস্থানের ডেটা ও তাদের ফোন নম্বরগুলি স্থানীয় পুলিশ এবং পঞ্চকুলায় অবস্থিত সাইবার ক্রাইম কেন্দ্রে দেওয়া হয়েছিল।” এই প্রসঙ্গে শত্রুজিৎ কাপুর আরও জানিয়েছেন, “ধৃতদের কাছ থেকে একাধিক সিম কার্ড এবং জাল আধার কার্ড উদ্ধার করা হয়েছে। তারা কতগুলি মামলায় জড়িত ছিল তা খুঁজে বের করতে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।” সাইবার ক্রাইম থানার এসএইচও, ইন্সপেক্টর বিমল রাই বলেছেন, “পুলিশের যৌথ উদ্যোগে সাইবার প্রতারকদের ধরা হয়েছে। পুলিশ দৃঢ়ভাবে জানিয়েছে, এই জালিয়াতির সাথে যুক্ত আরও অপরাধীদের ধরতে এই অভিযান চলবে।” একই ভাবে নুহ পুলিশ সুপারিনটেনডেন্ট, নরেন্দ্র বিজার্নিয়া সাইবার অপরাধীদের জন্য কঠোর সতর্কতা জারি করেছেন।

    আরও পড়ুনঃ উত্তরবঙ্গের তিন কেন্দ্রে ঝড় তুলবেন মোদি, সভা জলপাইগুড়িতেও

    কীভাবে চলত সাইবার প্রতারণা?

    সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্তরা ভুয়ো বিজ্ঞাপন (fake advertisement), চাকরির (fake job) ভূয়ো প্রস্তাব সহ বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহার করত। নুহ পুলিশের মুখপাত্র কিশান কুমার বলেছেন, “প্রতারকেরা লোভনীয় বিজ্ঞাপন দিয়ে তাদের টার্গেট খুঁজত। এরপর চাকরি খুঁজতে আসা তরুণীদের ভিডিয়ো কল করে তাদের ছবি অপপ্রয়োগ করে হুমকি ও যৌন নির্যাতন করত। আর যুবকদের লোভনীয় রিটার্নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ঠকানো হত।” 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Barrackpore: বারাকপুর শিল্পাঞ্চলে অপরাধে লাগাম কীভাবে, পুলিশকে শেখাচ্ছেন অর্জুন সিং!

    Barrackpore: বারাকপুর শিল্পাঞ্চলে অপরাধে লাগাম কীভাবে, পুলিশকে শেখাচ্ছেন অর্জুন সিং!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারাকপুর (Barrackpore) শিল্পাঞ্চলে পুলিশ অনেক চেষ্টা করেও অপরাধে লাগাম টানতে পারেনি। এক বা দু’বার নয়, বার বার অপরাধীরা প্রকাশ্যে গুলি চালিয়ে খুন করছে। ভাটপাড়ায় তৃণমূল কর্মী খুনের ঘটনা জ্বলন্ত প্রমাণ। শুধু সামান্য বিষয় নিয়ে গন্ডগোলের জেরে মুড়়ি মুড়কির মতো বোমাবাজি হচ্ছে। কার্যত বারাকপুর শিল্পাঞ্চল অপরাধীদের স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে। পুলিশ অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হলেও বারাকপুরের সাংসদ কয়েক দফা দাওয়াই দিয়েছেন। সেগুলি মেনে চললে শিল্পাঞ্চলে অপরাধে লাগাম টানা সম্ভব বলে সাংসদের দাবি। তিনি বলেছেন, আমার বাবা, দাদু সকলেই রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। অপরাধে কী করে লাগাম টানতে হয়, তা আমি জানি। এই শিল্পাঞ্চলে হুকিং, জুয়া আর হেরোইন বন্ধ করতে হবে। এখান থেকে অপরাধীদের হাতে কাঁচা পয়সা আসে। আর তাতে জোর বেড়ে যায়। এই তিনটি জিনিস বন্ধ করতে হবে। আর অপরাধীদের এলাকার বাইরে, নাহলে জেলে রাখতে হবে। এই পদক্ষেপগুলি নেওয়া হলেই শিল্পাঞ্চলে অপরাধে লাগাম টানা যাবে। যদিও তাঁর এইসব বাণী শুনে আড়ালে অনেকেই হাসাহাসি করছেন। কারণ, জনশ্রুতি আছে, বারাকপুর এলাকাজুড়ে তাঁর আগোচরে নাকি কোনও অপরাধই সংঘটিত হতে পারে না। সে হেন অর্জুন দিচ্ছেন নীতিশিক্ষার পাঠ? 

    নাইন এমএম দিয়ে তৃণমূল কর্মী ভিকিকে খুন! (Barrackpore)  

    বারাকপুর (Barrackpore) শিল্পাঞ্চলে অপরাধীদের হাতে সহজেই সেভেন এমএম, নাইন এমএম পৌঁচ্ছে যাচ্ছে। ভাটপাড়ায় তৃণমূল কর্মী ভিকি যাদবকে নাইন এমএম দিয়ে খুন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ নাইন এমএম খোল উদ্ধার করেছে। ইতিমধ্যেই পুলিশের হাতে সিসিটিভি ফুটেজ এসেছে। ফুটেজ খতিয়ে দেখে অপরাধীদের চিহ্নিত করার চেষ্টা করছে পুলিশ। তবে, ঘটনার পর দুদিন কেটে গেলেও মূল অপরাধী তো দূরের কথা, যারা খুনের ঘটনার সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত তাদের নাগাল পেল না পুলিশ।

    জেলে বসেই হচ্ছে সমস্ত অপরাধের পরিকল্পনা

    জেলে বসেই বারাকপুর (Barrackpore) শিল্পাঞ্চলে একের পর এক অপরাধ সংগঠিত হচ্ছে। জগদ্দল থানার ভাটপাড়ার পুরসভায় এলাকায় তৃণমূল কর্মী খুনের ঘটনা চোখে আঙুল দিয়ে আরও একবার প্রমাণ করে দিল। বছরখানেক আগে বারাকপুরে নামী বিরিয়ানি দোকানের মালিকের উপর গুলি চালানোর ঘটনা ঘটেছিল। সেই হামলার ছকও হয়েছিল দমদম জেলে বসে। তদন্তে পুলিশের হাতে এই তথ্য আসে। কিছুদিন আগে পলতা এলাকায় এক তৃণমূল নেতাকে লক্ষ্য করে দুষ্কৃতীরা গুলি করে। সেই ঘটনার পরিকল্পনা জেলে বসেই হয়েছিল। পাশাপাশি জেল থেকে ব্যবসায়ীদের কাছে থেকে তোলার টাকা চাওয়া হয়। বার বার জেলের নাম সামনে আসতেই  বারাকপুর পুলিস কমিশনারেট পক্ষ থেকে বারবার দমদম জেল ও বারাকপুর জেল কর্তৃপক্ষকে দুর্গা পুজোর আগে চিঠি দিয়ে সতর্ক করা হয়েছিল। কিন্তু, তাতে কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না ভাটপাড়ার ঘটনা তা প্রমাণ করে দিয়েছে। জেলে বসেই দাগি অপরাধীরা অনায়াসেই মোবাইল ব্যবহার করছেন। আর সেই মোবাইল থেকেই আসছে তোলাবাজি ও খুনের হুমকি ফোন। রীতিমতো ত্রাসের সৃষ্টি হচ্ছে ওইসব ফোন। ফোনের পর ঘটে যাচ্ছে একটার পর একটা ঘটনা। তৃণমূল কর্মী ভিকিকেও জেল থেকে হুমকি দেওয়া হয়েছিল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: স্ত্রীকে হাতুড়ি দিয়ে থেঁতলে খুন করেও নির্বিকার স্বামী! মেয়েকে নিয়ে ঘুরলেন এলাকায়

    Siliguri: স্ত্রীকে হাতুড়ি দিয়ে থেঁতলে খুন করেও নির্বিকার স্বামী! মেয়েকে নিয়ে ঘুরলেন এলাকায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্ত্রীকে নৃশংসভাবে খুন করে, মেয়েকে নিয়ে পাড়ায় ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন স্বামী। শিলিগুড়ির (Siliguri ) এই ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে এলাকায়। অভিযুক্ত স্বামীকে গ্রেফতার করে, ঘটনায় তদন্ত নেমেছে স্থানীয় পুলিশ। মৃত স্ত্রীর নাম সোনালি মণ্ডল এবং অভিযুক্ত স্বামীর নাম রাহুল মণ্ডল।

    কীভাবে ঘটল (Siliguri)?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শিলিগুড়ির (Siliguri) শিবমন্দিরের চাউমিন মোড় এলাকায় স্ত্রীকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে খুন করেন স্বামী। খুনের পর পালিয়ে যাননি তিনি! মৃত স্ত্রীর দেহ ঘরে রেখে নিজের এলাকায় ঘোরাফেরা করছিলেন। সঙ্গে ছিল তাঁর মেয়ে। আবার পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, খুন করে স্ত্রীর মৃতদেহের মাথার পাশে একটি প্লাস্টিক রেখে তার নিচে একটি গামলা রেখে দেওয়া হয়েছিল। শরীরের রক্ত যাতে বাইরে বেরিয়ে জানাজানি না হয়, সেই চেষ্টাই করা হয় বলে পুলিশের অনুমান। এই নির্মম খুনের ঘটনায় প্রতিবেশীদের মধ্যে তীব্র ভয়ের বাতাবরণ তৈরি হয়েছে। সেই সঙ্গে ঘটনার কথা শুনে অনেকেই আঁতকে উঠেছেন। নিজের স্বামী কীভাবে খুন করলেন, এটা ভেবেই প্রতিবেশীরা অবাক হয়ে যাচ্ছেন। 

    পুলিশের বক্তব্য

    শিলিগুড়ি (Siliguri) পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মৃত মহিলার নাম সোনালি মণ্ডল। খুনে অভিযুক্ত স্বামীর নাম রাহুল মণ্ডল। তাঁদের একটি ছোট্ট কন্যাসন্তানও রয়েছে। রাহুল নিজে কাঠ পালিশের কাজ করতেন বলে জানা গেছে। পুলিশ আরও জানিয়েছে, তাঁরা চাউমিন মোড়ে একটি ভাড়ার বাড়িতে থাকতেন। গত একমাস ধরে এই ভাড়ার বাড়িতে থাকছিলেন তাঁরা। সোমবার ভোর রাতে স্বামী এবং স্ত্রীর মধ্যে বিবাদ হয়। পারিবারিক বিষয় নিয়ে উভয়ের মধ্যে অশান্তি চলছিল বলে জানা গেছে। ঘটনার দিনে ভোর বেলায় হাতুড়ি দিয়ে স্বামী, স্ত্রীর মাথায় আঘাত করে মাথা থেঁতলে খুন করে। খবর পেয়ে স্ত্রীর মৃতদেহ বাড়ি থেকে উদ্ধার করে, পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে যায়। অপর দিকে মাটিগাড়া থেকে খুনের অভিযোগে স্বামী রাহুলকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। কী কারণে খুনের ঘটনা ঘটল, পুলিশ এই বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে বলে জানা গেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Arambagh: গোঘাটে সুদের টাকা আদায় করতে গিয়ে এলোপাথাড়ি গুলি, জখম এক যুবক

    Arambagh: গোঘাটে সুদের টাকা আদায় করতে গিয়ে এলোপাথাড়ি গুলি, জখম এক যুবক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভয়াবহ ঘটনা হুগলির আরামবাগে (Arambagh)। প্রশাসনের উদাসীনতার সুযোগ নিয়ে মানুষ যে কতখানি বেপরোয়া হয়ে উঠেছে, এই ঘটনা তারই জলজ্যান্ত প্রমাণ। সুদে টাকা ধার দিয়ে না পাওয়াতে এক ব্যক্তি দুষ্কৃতীদের সঙ্গে নিয়ে গিয়ে হামলা চালালো একজনের বাড়িতে। শুধু তাই নয়, এলোপাথাড়ি গুলিও চালালো। তাতে জখম হলেন ওই ব্যক্তির ছেলে। এলাকার বাসিন্দারাই বলছেন, এমন ঘটনা তাঁরা আগে কখনও দেখেননি।

    কোথায় ঘটেছে এমন ঘটনা?

    ঘটনা হুগলির আরামবাগের (Arambagh) গোঘাট থানার মথুরা এলাকার। শনিবার রাতে হঠাৎ ঘরে ঢুকে অতর্কিত হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ। রাতেই খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় গোঘাট থানার পুলিশ। একজন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পাশাপাশি ঘটনায় আহতকে আরামবাগ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    কীভাবে ঘটল এই ঘটনা (Arambagh)?

    জানা গেছে, গোঘাটের (Arambagh) মথুরা গ্রামের বাসিন্দা ফটিক রায় তাঁর পরিচিতদের কাছ থেকে বেশ কয়েক হাজার টাকা সুদে ধার নেন। প্রথম কয়েক মাস সুদের টাকা দিতে পারলেও গত দু’মাস তিনি তা দিতে পারেননি। সেই কারণে শনিবার রাতে বাইকে করে ফটিক রায়ের বাড়িতে হঠাৎ চড়াও হয় পাওনাদার সহ তিন দুষ্কৃতী। প্রথমে টাকা ফেরতের দাবি করে। টাকা ফেরত না পেয়ে ফটিক রায়কে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে তারা। সেই সময় পরিবারের লোকজন বাধা দিতে গেলে এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে দেয় তারা। তার মধ্যেই একটি গুলি গিয়ে লাগে ফটিক রায়ের ছেলে অর্জুন রায়ের হাতে। তার পরেই ভয়ে পালাতে শুরু করে দুষ্কৃতীরা। দু’জন পালিয়ে গেলেও একজনকে ধরে ফেলে পরিবারের লোকজন। তার পর খবর দেওয়া হয় গোঘাট থানায়। খবর পেয়ে পুলিশ পৌঁছে গ্রেফতার করে ওই দুষ্কৃতীকে। এখনও পড়ে রয়েছে গুলির খোল। পরিবারের দাবি, প্রায় চার রাউন্ড গুলি চালায়।

    কী বলছেন আক্রান্ত (Arambagh)?

    অন্যদিকে ঘটনায় গুলিবিদ্ধ অর্জুনকে আরামবাগ (Arambagh) মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয় রাতেই। এই ঘটনার বিষয়ে ফটিক রায় বলেন, কৃষ্ণেন্দু সাহা নামে আমার এক পরিচিত ব্যক্তির কাছ থেকে চার মাস আগে ৭৫ হাজার টাকা সুদে ধার নিয়েছিলাম। চার মাস ধরে সুদ দিয়েছি। কিন্তু তাকে এখন পুরো ৭৫ ফেরত টাকা দিতে হবে বলে আমাকে চাপ দেয় বেশ কয়েকদিন ধরে। আমি পুরো টাকা না দিতে পারায় শনিবার প্রায় রাত দেড়টা নাগাদ কৃষ্ণেন্দু সাহা দুই দুষ্কৃতীকে সঙ্গে নিয়ে আমার বাড়িতে ঢুকে তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। পরিবারের লোকজন বাধা দিলে আমাদের মারধর করে, আমার ছেলে বাধা দিলে এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে। তারা চার রাউন্ড গুলি চালায় বলে অভিযোগ। সেই সময় দুষ্কৃতীরা ছেলেকে গুলি চালায়। একটি গুলি ছিটকে হাতে লাগে। মাটিতে পড়ে যায় অর্জুন। তারপরে ভয় পেয়ে দুজন দুষ্কৃতী পালিয়ে গেলেও একজন মোটর বাইকে স্টার্ট দিতে না পারলে আমরা তাকে ধরে ফেলি। পুলিশকে খবর দিই। পুলিশ এলে পুলিশের হাতে তুলে দিই ওই দুষ্কৃতীকে। ঘটনার জেরে ব্যাপক আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। এ ধরনের ঘটনা আগে কখনও ঘটেনি বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Crime: ফ্ল্যাটে স্ত্রী-কন্যার গলাকাটা দেহ! স্বামী রেলে আত্মঘাতী! হাড়হিম করা ঘটনা দমদমে

    Crime: ফ্ল্যাটে স্ত্রী-কন্যার গলাকাটা দেহ! স্বামী রেলে আত্মঘাতী! হাড়হিম করা ঘটনা দমদমে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যমগ্রাম রেল স্টেশনের কাছে ছিন্নভিন্ন দেহ উদ্ধার প্রাক্তন সেনাকর্মীর। একই দিনে তাঁর স্ত্রী-কন্যার মৃতদেহ উদ্ধার (Crime) হল দমদমের ফ্ল্যাটে। এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুলিশ ফ্ল্যাট থেকে দুটি মৃতদেহ উদ্ধার করে তদন্তে নেমেছে। পুলিশের অনুমান, স্ত্রী এবং মেয়েকে খুন করে আত্মঘাতী হয়েছেন ওই সেনাকর্মী।

    কীভাবে ঘটল (Crime)?

    সূত্রে জানা গেছে, দমদম পুরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডে গৌতম বন্দ্যোপাধ্যায় (৪৮), দেবিকা বন্দ্যোপাধ্যায় (৪৪) এবং মেয়ে দিশা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (১৯) নিয়ে ছোট্ট সংসার ছিল তাঁদের। আজ শুক্রবার মধ্যমগ্রাম রেল স্টেশনের কাছ থেকে মৃতদেহ উদ্ধার হয় স্বামী গৌতম বন্দ্যোপাধ্যায়ের (৪৮)। তারপরই তাঁর বাড়িতে গিয়ে দেখা যায় মর্মান্তিক দৃশ্য (Crime)। দমদমের ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হয় স্ত্রী এবং মেয়ের গলাকাটা মৃতদেহ। সূত্রে আরও জানা গেছে, গৌতম নিজে প্রাক্তন সেনাকর্মী এবং বেশ কিছুদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রাথমিক ভাবে তদন্ত শুরু করেছে।

    পুলিশের বক্তব্য (Crime)

    পুলিশের অনুমান, মেয়ে এবং স্ত্রীকে খুন (Crime) করা হয়েছে। কারণ দু’ জনের গলায় ধরালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। গৌতম রেলে ঝাঁপ দিয়ে আত্মঘাতী হয়েছেন বলে অনুমান করছে পুলিশ। আপাতত দেহগুলিকে উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। বাড়ির আশপাশে জিজ্ঞাসাবাদও শুরু করছে পুলিশ।

    প্রতিবেশীদের বক্তব্য

    পাশের বাড়িতে থাকা এক বাসিন্দা বলেন, এই পরিবারে তেমন কোনও অশান্তির কথা আমরা আগে শুনতে পাইনি। সব সময় হাসিখুশি ছিলেন তাঁরা। গোটা পরিবারে এমন মৃত্যুর ঘটনায় (Crime) আমরা স্তম্ভিত। এই প্রতিবেশী আরও বলেন, মৃত গৌতম বন্দ্যোপাধ্যায়ের দেহ রেল লাইনের পাশে পাওয়ার পর সূত্র ধরে পুলিশ দমদমের ফ্ল্যাটে আসে। এরপর উদ্ধার হয় স্ত্রী এবং কন্যার মৃতদেহ। ফলে ওই ব্যক্তি কেন এমন করলেন, তা অনেককেই অবাক করেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share