Tag: Crisis

Crisis

  • Bangladesh Crisis: “বাংলাদেশ অচিরেই পাকিস্তানের দাদা হয়ে উঠবে”, বললেন গিরিরাজ

    Bangladesh Crisis: “বাংলাদেশ অচিরেই পাকিস্তানের দাদা হয়ে উঠবে”, বললেন গিরিরাজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) ভার এমন হাতে পড়েছে যে, অচিরেই হয়ে উঠবে পাকিস্তানের দাদা।” বুধবার এমনই মন্তব্য করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিং (Giriraj Singh)। তিনি বলেন, “এই কারণেই বিনিয়োগকারীরা আমাদের প্রতিবেশী এই দেশটি থেকে দূরে থাকবেন।”

    কী বললেন গিরিরাজ? (Bangladesh crisis)

    বুধবার ‘ভারত টেক্স ২০২৫’ এর আবরণ উন্মোচন অনুষ্ঠানে যোগ দেন গিরিরাজ। ভারত মণ্ডপমে অনুষ্ঠিত হবে আগামী ফেব্রুয়ারির ১৪ থেকে ১৭ তারিখে। সেখানেই তাঁর বক্তব্যে চলে আসে বাংলাদেশের হিংসা এবং রাজপাট বদলের প্রেক্ষাপট। এবং তখনই বলেন, “বাংলাদেশের ভার এমন হাতে পড়েছে যে, অচিরেই হয়ে উঠবে পাকিস্তানের দাদা। বিনিয়োগকারীরা আমাদের প্রতিবেশী এই দেশটি থেকে দূরে থাকবেন।” বক্তব্যের ব্যাখ্যায় মন্ত্রী বলেন, “ভারতীয় বস্ত্র শিল্প বাংলাদেশ কিংবা ভিয়েতনাম কারও কাছেই চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে না। কারণ ভারতের একটা বড় শ্রম বাজার রয়েছে।”

    পিএলআই স্কিম

    গিরিরাজ বলেন, “বাংলাদেশ পাকিস্তানের মতো হলে বিনিয়োগকারীরা সেখানে যাওয়ার আগে ভাববে।” মন্ত্রী বলেন, “আমরা আরও পিএলআই স্কিম আনার চেষ্টা করছি। প্রতিটি সেক্টরকে এর সঙ্গে যুক্ত করতেই পিএলআই স্কিম আনার চেষ্টা চলছে।” প্রসঙ্গত, ভারত টেক্স ২০২৫ হল একটি (Bangladesh Crisis) মেগা গ্লোবাল টেক্সটাইল ইভেন্ট, যা টেক্সটাইল এক্সপোর্ট প্রমোশন কাউন্সিলের একটি কনসর্টিয়াম দ্বারা আয়োজিত এবং বস্ত্রমন্ত্রক দ্বারা সমর্থিত। এটি একটি বিশ্বব্যাপী টেক্সটাইল বাণিজ্য মেলা। নলেজ প্লাটফর্ম হিসেবেও কাজ করছে। গ্রেটার নয়ডার মার্ট, ভারত মণ্ডপম ও ইন্ডিয়া এক্সপো সেন্টারে একযোগে হবে অনুষ্ঠান।

    আরও পড়ুন: পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে আরএসএসের স্বেচ্ছাসেবকরা রয়েছে মণিপুরে, বললেন ভাগবত

    জানা গিয়েছে, মেন ইভেন্টটি হবে ভারত মণ্ডপমে, ১৪-১৭ ফেব্রুয়ারি। ইন্ডিয়া এক্সপো সেন্টার ও মার্টে হবে ১২-১৫ ফেব্রুয়ারি। টেক্সটাইল, হস্তশিল্প, গার্মেন্টস যন্ত্রপাতি ও জাতিগত পোশাক প্রদর্শনী হবে ইন্ডিয়া এক্সপো এবং মার্টে। গত বছর ব্যাপক সাফল্য পায় ভারত টেক্স। সেই কারণেই এবার এবার কোমর বেঁধে নেমে পড়ছেন উদ্যোক্তারা।জানা গিয়েছে, এবার ইভেন্টে এক্সিবিটর থাকবেন ৫ হাজারের বেশি। বিশ্বের ১১০টিরও বেশি দেশ থেকে ৬ হাজার আন্তর্জাতিক ক্রেতা এবং ১ লাখ ২০ হাজারেরও বেশি (Giriraj Singh) দর্শক আসবেন বলেও আশা উদ্যোক্তাদের (Bangladesh Crisis)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা নিয়ে কথা হয়েছে মোদি-বাইডেনের, স্বীকার আমেরিকার

    Bangladesh Crisis: বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা নিয়ে কথা হয়েছে মোদি-বাইডেনের, স্বীকার আমেরিকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের মানুষের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে কথা বলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন (Joe Biden)। নয়াদিল্লির বক্তব্যকে মান্যতা দিয়ে এ কথা জানাল আমেরিকা। বুধবার আমেরিকার জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত অন্যতম উপদেষ্টা জন কিরবি সাংবাদিক বৈঠক করে জানান, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বাংলাদেশের পরিস্থিতি (Bangladesh Crisis) নিয়েও কথা বলেছিলেন বাইডেন।

    কী বললেন কিরবি (Bangladesh Crisis)

    আমেরিকার জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত অন্যতম উপদেষ্টা বলেন, “প্রেসিডেন্ট (বাইডেন) বাংলাদেশের মানুষের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিয়ে নিজের ধারাবাহিক উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন। সে দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ভবিষ্যৎ নিয়েও নিজের মনোভাব জানিয়েছেন।” ২৬ অগাস্ট মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ফোনে কথা বলার পর প্রধানমন্ত্রীর দফতর সূত্রেও জানানো হয়েছিল, বাংলাদেশ প্রসঙ্গ নিয়েও আলোচনা হয়েছে দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে।

    কী লিখেছিলেন মোদি

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্বয়ং এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছিলেন, “বাইডেনের সঙ্গে আজ ফোনে কথা হয়েছে। ইউক্রেন পরিস্থিতি-সহ বিভিন্ন আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিষয়ে আমাদের বিশদে মত বিনিময় হয়েছে। আমরা বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা করেছি। দ্রুত স্বাভাবিক পরিস্থিতি পুনরুদ্ধারের প্রয়োজনীয়তার ওপরও গুরুত্ব দিয়েছি। জোর দিয়েছি, বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের, বিশেষ করে হিন্দুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর।”

    আরও পড়ুন: ত্রিপুরায় দুই জঙ্গিগোষ্ঠীর সঙ্গে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর, ‘ঐতিহাসিক পদক্ষেপ’, বললেন শাহ

    হোয়াইট হাউসের তরফেও জারি করা হয়েছিল বিবৃতি (Bangladesh Crisis)। তাতে বলা হয়েছিল, “প্রেসিডেন্ট জোসেফ আর বাইডেন আজ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে কথা বলেছেন। প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক পোল্যান্ড এবং ইউক্রেন সফরের পাশাপাশি আলোচনায় এসেছে সেপ্টেম্বরে রাষ্ট্রসঙ্ঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের প্রসঙ্গও।” এই বিবৃতিতে বাংলাদেশের প্রসঙ্গ ছিল না। তা নিয়ে চড়ে জল্পনার পারদ। সেই জল্পনায়ই জল ঢেলে দিল কিরবির বিবৃতি।

    সংরক্ষণকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয়ে ওঠে বাংলাদেশ। অশান্তির সুযোগে শুরু হয় হিন্দু নিধন যজ্ঞ। হিন্দু পদাধিকারীদের জোর করে ইস্তফা দিতে বাধ্য করা হয়। হিন্দু নারীদের জোর করে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও ওঠে। ধর্ষণের অভিযোগেও তপ্ত হয় বাংলাদেশ। ৫ অগাস্ট প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে দেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা। তারপর পরিস্থিতি চরমে ওঠে। এই ঘটনায় মোদির পাশাপাশি (Bangladesh Crisis) উদ্বেগ প্রকাশ করেন বাইডেনও (Joe Biden)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর অত্যাচার অব্যাহত, পদত্যাগে বাধ্য ৪৯ জন শিক্ষক!

    Bangladesh Crisis: বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর অত্যাচার অব্যাহত, পদত্যাগে বাধ্য ৪৯ জন শিক্ষক!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশি হিন্দুদের ওপর অত্যাচার (Bangladesh Crisis) অব্যাহত বিএনপি এবং জামায়াতে ইসলামির সঙ্গে যুক্ত বিক্ষোভকারী ছাত্র ও উগ্রপন্থীদের। গত ৫ অগাস্ট প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে বাংলাদেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা। বস্তুত, তার পর থেকেই সে দেশে হিন্দুদের (Minority Teachers) ওপর অত্যাচার চরমে উঠেছে। হাসিনা দেশ ছাড়ার পর মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার একটা হয়েছে বটে, তবে তার পরেও বাংলাদেশে বন্ধ হয়নি হিন্দু নির্যাতন।

    হিন্দুদের ইস্তফা দিতে বাধ্য করা হচ্ছে (Bangladesh Crisis)

    উচ্চ পদে থাকা হিন্দুদের ইস্তফা দিতে বাধ্য করা হচ্ছে। হাসিনা বাংলাদেশ ছাড়ার পর থেকে এ পর্যন্ত সব মিলিয়ে ধর্মীয় সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর ৪৯জন শিক্ষককে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, উগ্রপন্থী এবং তাদের দ্বারা চালিত ছাত্ররা ধর্মীয় সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর শিক্ষকদের নানা অছিলায় ঘেরাও করে অফিসে আটকে রাখছে। অপমান করার পাশাপাশি তাঁদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারও করা হচ্ছে। দেওয়া হচ্ছে হুমকিও। এর পর ওই শিক্ষকদের সাদা কাগজ সই করাতে বাধ্য করছে তারা। কাগজের সাদা অংশে লিখে দেওয়া হচ্ছে ইস্তফাপত্র।

    বাংলাদেশ ছাত্র ঐক্য পরিষদের দাবি

    বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের ছাত্র শাখা বাংলাদেশ ছাত্র ঐক্য পরিষদ জাতীয় প্রেস ক্লাবে ৩১ অগাস্ট সাংবাদিক সম্মেলন করে এই তথ্য প্রকাশ্যে এনেছে। সংগঠনের দাবি, হাসিনা সরকারের পতনের পর ৫ অগাস্টের ছাত্রনেতৃত্বাধীন গণঅভ্যুত্থানের মধ্যে সারা দেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অন্তত ৪৯ জন শিক্ষককে পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছে। সংগঠনের সমন্বয়কারীদের একজন সাজিব সরকার। তিনি বলেন, “হাসিনা সরকারের পতনের পর ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুরা শিকার হয়েছেন হামলা, লুটপাট, নারীদের ওপর আক্রমণ, মন্দির ভাঙচুর, বাড়িঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অগ্নিসংযোগ এবং সর্বোপরি হত্যার। দেশজুড়ে সংখ্যালঘু শিক্ষকদের শারীরিকভাবে নিগ্রহ করা হয়েছে। ৩০ অগাস্ট পর্যন্ত তাঁদের মধ্যে অন্তত ৪৯জনকে বাধ্য করা হয়েছে পদত্যাগ করতে।” তিনি জানান, প্রবল সমালোচনার মুখে পড়ে অন্তর্বর্তী সরকার (Bangladesh Crisis) পদত্যাগী শিক্ষকদের মধ্যে ১৯জনকে পুনর্বহাল করেছে।

    শুক্লা রানির কাহিনি

    পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছিল বাংলাদেশের যেসব শিক্ষককে, তাঁদের মধ্যে ছিলেন বাকেরগঞ্জ সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ শুক্লা রানি হালদারও। বাংলাদেশের বহুল প্রচারিত দৈনিক প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২৯ অগাস্ট দুপুরে ছাত্র এবং বহিরাগতরা তাঁর (Minority Teachers) অফিস ঘেরাও করে। তাঁকে কয়েক ঘণ্টা বন্দি করে রাখে। পরে উন্মত্ত জনতা তাঁকে পদত্যাগে বাধ্য করে। তাঁর অসহায় অবস্থার ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। যা নিয়ে ব্যাপক ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। তাঁর পুরানো বেশ কিছু ছাত্রছাত্রী ফেসবুকে এ নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। বলেছেন, ‘ছাত্রবান্ধব এই শিক্ষককে জঙ্গিরা যে অপমান করেছে, তা তাঁর প্রাপ্য নয়’।

    কে এই শুক্লা?

    ১৪তম বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তা শুক্লা। ২০২২ সালের মাঝামাঝি সময় বাকেরগঞ্জ সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ হন তিনি। তার আগে তিনি ছিলেন বরিশালের সরকারি ব্রজমোহন কলেজে ইংরেজির অধ্যাপক। প্রথম আলোর প্রতিবেদন থেকেই জানা গিয়েছে, ২৯ অগাস্ট সকাল ১০টা নাগাদ তাঁকে ঘিরে ধরে প্রতিবাদীরা। এদের মধ্যে পড়ুয়ার চেয়ে বেশি ছিল বহিরাগত। এদের নেতৃত্ব দিচ্ছিল বিএনপির স্থানীয় এক নেতার ছেলে। ছেলেটি ওই কলেজেরই পড়ুয়া। প্রতিবাদীদের সিংহভাগই বিএনপির কর্মী। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হিন্দু এই প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে আনা হয় আর্থিক দুর্নীতি, অনিয়মিত উপস্থিতি এবং অন্যান্য অসদাচরণের অভিযোগ। দুপুর ২টো নাগাদ তাঁকে সাদা কাগজে ‘আমি পদত্যাগ করছি’ লিখতে বাধ্য করা হয়। স্বাক্ষর করতেও বাধ্য করা হয়।

    কী বলছেন তসলিমা?

    ঘটনায় ইউনূস নেতৃত্বাধীন অন্তবর্তী সরকারকে নিশানা করেছে হাসিনার দল আওয়ামি লিগ। তারা সংখ্যালঘু শিক্ষকদের গণহারে (Bangladesh Crisis) জোরপূর্বক পদত্যাগের প্রতিবেদন শেয়ার করেছে। এই জাতীয় ঘটনাকে আওয়ামি লিগ বর্ণনা করেছে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের শিক্ষকদের বৃহত্তর পরিসরে অপসারণ হিসেবে। বাংলাদেশের সঙ্কট ও ইউনূসের ব্যর্থতার কথা তুলে ধরে বিশিষ্ট লেখিকা তসলিমা নাসরিন লিখেছেন, ‘বাংলাদেশে শিক্ষকরা বাধ্য হয়ে পদত্যাগ করছেন। সাংবাদিক, মন্ত্রী, সাবেক সরকারের কর্মকর্তারা নিহত, হয়রানির শিকার ও বন্দি হচ্ছেন। জেনারেশন জেড আহমদিয়া মুসলমানদের শিল্প কারখানা পুড়িয়ে দিচ্ছে। সুফি মুসলমানদের মাজার ও দরগাগুলো ধ্বংস করে দিচ্ছে ইসলামি সন্ত্রাসীরা। ইউনূস এ বিষয়ে কিছুই বলেন না’।

    আরও পড়ুন: আর নমাজ বিরতি পাবেন না অসমের মুসলমান বিধায়করা, কেন জানেন?

    শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলির পাশাপাশি ইসলামপন্থী ও অন্তর্বর্তী সরকার হাসিনার দল ঘনিষ্ঠ হিন্দু সাংবাদিকদের ওপর নির্মম অত্যাচার চালিয়েছে। ৫ অগাস্টের পর থেকে হত্যা করা হয়েছে বেশ কিছু সাংবাদিককে। হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে এ পর্যন্ত সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে (Minority Teachers) দায়ের হয়েছে ২৬৮টি মামলা। প্রসঙ্গত, সংরক্ষণকে ঘিরে অশান্ত হয়ে ওঠে বাংলাদেশ (Bangladesh Crisis)। তার জেরেই শুরু হয় হিন্দুমেধ যজ্ঞ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: সম্পাদক সুরাবর্দির উত্তরসূরি! তাই কি হিন্দু নিধনের খবর চাপল ‘ঢাকা ট্রিবিউন’?

    Bangladesh Crisis: সম্পাদক সুরাবর্দির উত্তরসূরি! তাই কি হিন্দু নিধনের খবর চাপল ‘ঢাকা ট্রিবিউন’?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis) চলেছে হিন্দু নিধন যজ্ঞ। সে দেশের বেশ কিছু সংবাদপত্র সে খবর ‘চেপে’ গিয়েছে বলে অভিযোগ। পাছে সরকারের রোষে পড়তে হয়, তাই খবর চাপা হয়েছে বলে অভিযোগ। সরকারের ধামাধরা পত্রপত্রিকাগুলো তো আবার হিন্দুদের ওপর নির্যাতন হয়নি বলেই দাবি করেছে। এই তালিকায় রয়েছে বাংলাদেশের দৈনিক ‘ঢাকা ট্রিবিউন’ও। সে দেশে সংখ্যালঘুদের ওপর যে নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে, সেই নৃশংসতা হোয়াইটওয়াশ করতে চেষ্টার ত্রুটি করেনি ‘ঢাকা ট্রিবিউন’। বাংলাদেশে জনপ্রিয় এই দৈনিকের সম্পাদক পদে রয়েছেন জাফর শোভন (Zafar Sobhan)। তিনি হুসেন সইদ সুরাবর্দির বংশের উত্তরসূরী। এই সুরাবর্দিকে সবাই চেনেন ‘দ্য গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং’-এর মাস্টারমাইন্ড হিসেবে। তাঁর জন্যই স্বাধীনতার আগে আগে প্রাণ খোয়াতে হয়েছিল অখণ্ড ভারতের বহু হিন্দুকে।

    ‘ঢাকা ট্রিবিউনে’র প্রতিবেদন (Bangladesh Crisis)

    গত ২৩ অগাস্ট, শুক্রবার একটা প্রতিবেদন প্রকাশিত হয় ‘ঢাকা ট্রিবিউনে’। শিরোনাম ছিল ‘টেন থিংস ইন্ডিয়া নিডস টু নো অ্যাবাউট বাংলাদেশ’। এই প্রতিবেদনে জাফর সে দেশে নৈরাজ্য ও অনাচারের পরিণতি হিসেবে হিন্দুদের ওপর হামলাকে যুক্তিযুক্ত বলে প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করেছেন। প্রতিবেদনের শুরুতেই তিনি লিখেছেন, ‘হিন্দুরা বিপদে নেই। হ্যাঁ, শেখ হাসিনার পালানোর পর প্রাথমিক বিশৃঙ্খলায় অল্প সময় দেশে অরাজকতা ও অনাচার ছিল। এবং হ্যাঁ, দুর্ভাগ্যবশত, যাদের টার্গেট করা হয়েছিল, তাদের মধ্যে হিন্দু সম্প্রদায়ের কিছু সদস্যও ছিল।’ নিজের দাবি সত্য বলে প্রতিপন্ন করতে ভারতের সঙ্গে তুলনা টেনেছেন ‘ঢাকা ট্রিবিউনে’র সম্পাদক। ভারতে এটি ‘রেগুলার ইভেন্ট’ বলে দাবি করেছেন তিনি। লিখেছেন, ‘এরকম সময় যাদের টার্গেট করা হয়েছে, তারা প্রায়ই সব চেয়ে ক্ষমতাহীন ও আমরা সবাই জানি দক্ষিণ এশিয়ায় দুঃখজনকভাবে সংখ্যালঘুরা সব সময়ই অরক্ষিত থাকে।’

    হিন্দুদের ওপর নৃশংসতার ঘটনা আড়ালের চেষ্টা 

    বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis) হিন্দুদের ওপর নৃশংসতার ঘটনা আড়াল করতে পত্রিকা সম্পাদক উন্মত্ত মুসলমান জনতা দ্বারা সংঘটিত হিংসাকে রাজনৈতিক লক্ষ্যবস্তুর পরিণতি হিসেবে মানতে রাজি নন। হিন্দুদের ওপর হামলার ঘটনার নেপথ্যে যে ধর্মীয় উদ্দেশ্যই ছিল, তাও স্বীকার করেননি তিনি। সম্পাদক লিখেছেন, ‘হিন্দুরা যে গণহত্যার লক্ষ্যবস্তু ছিল, এটা সম্পূর্ণ ভুল। এটা ছিল বিপ্লবেরই একটা অংশ। তাদের লক্ষ্যবস্তু ও ক্ষমতাচ্যুত করা আসলে বিপ্লবেরই অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল নিছকই একটি কল্পকাহিনি।’ বস্তুত, এর আগে প্রায় একই ধরনের কৌশল অবলম্বন করেছিল ব্রিটেনের জাতীয় সম্প্রচার সংস্থা বিবিসি। তারাও হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর আক্রমণকে লঘু করে দেখিয়েছিল বলে অভিযোগ।

    পরিস্থিতি শান্ত!

    হিন্দুদের ওপর সে দেশের মুসলমানরা কতটা সহমর্মী, তা প্রমাণ করতে ‘ঢাকা ট্রিবিউনে’র সম্পাদক (Zafar Sobhan) দেখানোর চেষ্টা করেছেন, কীভাবে বাংলাদেশে হামলাকারীদের হাত থেকে হিন্দুদের মন্দির রক্ষা করছেন মুসলমানরা, সেই ছবি। প্রতিবেদনে তিনি দাবি করেছেন, ‘পরিস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে শান্ত হয়েছে। হিন্দুদের ওপর হামলার পাশাপাশি কীভাবে হিন্দু-মুসলমান হাত ধরাধরি করে মন্দির রক্ষা করেছে, সেটাও উল্লেখযোগ্য বই কি!’ তাঁর দাবি, বাংলাদেশে সংখ্যালঘুরা ভারতের চেয়ে ঢের বেশি সুরক্ষিত রয়েছেন। সংখ্যালঘুদের অধিকারের ক্ষেত্রে বিষয়গুলি বাংলাদেশে নিখুঁত নয় বলেও ওই প্রতিবেদনে স্বীকার করে নিয়েছেন ‘ঢাকা ট্রিবিউনে’র সম্পাদক।

    কিন্তু, প্রশ্ন হল, ভারতে যদি সংখ্যালঘুরা সুরক্ষিত না হন, তবে মুসলমান জনসংখ্যা কীভাবে বাড়ছে? স্বাধীনতার সময় যে দেশে মুসলমান জনসংখ্যা ছিল ৯.৮৪ শতাংশ, সেখানে ২০১১ সালের জনগণনায় দেখা গেল তাদের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৪.৯ শতাংশ। এটা কীভাবে হল, তার কোনও ব্যাখ্যা ওই প্রতিবেদনে নেই। যেমন ছিল না বাংলাদেশে কীভাবে দিন দিন কমছে হিন্দু জনসংখ্যা, তার কৈফিয়ত।

    জাফর শোভনের এই ‘মিথ্যাচারে’র কারণ

    জাফর শোভনের এই ‘মিথ্যাচারে’র কারণ রয়েছে বলে ধারণা রাজনৈতিক মহলের। মনে রাখতে হবে, জাফরের শরীরে বইছে ‘দ্য গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং’-এর মাস্টারমাইন্ডের রক্ত। জাফর বাংলাদেশি সমাজকর্মী তথা আইনজীবী সালমা শোভনের ছেলে। এই সালমার সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে বাংলার ঘাতক হুসেন সইদ সুরাবর্দির। ১৯৪৬ সালের ৬ অগাস্ট কলকাতা চাক্ষুষ করেছিল ‘ডায়রেক্ট অ্যাকশন ডে’। মুসলিম লিগ নেতা মহম্মদ আলি জিন্নার নির্দেশে এটা কার্যকর করা হয়েছিল। এই সময় বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন সুরাবর্দি। তাঁর নির্দেশেই হিন্দুদের ওপর ব্যাপক অত্যাচার করে মুসলমানরা (Bangladesh Crisis)।

    আরও পড়ুন: পাকিস্তানে এসসিও সম্মেলন, মোদিকে আমন্ত্রণ শরিফের, যোগ দেবেন কি প্রধানমন্ত্রী?

    সুরাবর্দির কীর্তি

    সুরাবর্দি মুসলমান জনতার উদ্দেশে উস্কানিমূলক বক্তৃতা দেন। হিন্দুদের আক্রমণ করতে উৎসাহিতও করেছিলেন তিনি। সুরাবর্দি পুলিশকে নিষ্ক্রিয় করে রেখেছিলেন বলে অভিযোগ। তাই অত্যাচারিত হয়ে, সাহায্য চাইলেও, হিন্দুদের ডাকে (Zafar Sobhan) সাড়া দেয়নি পুলিশ। প্রসঙ্গত, ‘ডায়রেক্ট অ্যাকশন ডে’-র সাফল্যে উৎসাহিত হয়ে কট্টরপন্থী মুসলমানরা নোয়াখালি হিংসার মতো হত্যাকাণ্ড চালাতে থাকে। সুরাবর্দির এই ‘ডায়রেক্ট অ্যাকশন ডে’-ই ইতিহাসে ‘দ্য গ্রেট কিলিং ডে’ হিসেবে বিখ্যাত (Bangladesh Crisis)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • PM Modi: “হিন্দুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করায় জোর দিয়েছি”, বাংলাদেশ ইস্যুতে বাইডেনকে বলেন মোদি

    PM Modi: “হিন্দুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করায় জোর দিয়েছি”, বাংলাদেশ ইস্যুতে বাইডেনকে বলেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের, বিশেষ করে হিন্দুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপরে জোর দিয়েছি।” মঙ্গলবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে ফোনে আলোচনার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় একথা জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন, “আমরা বাংলাদেশের পরিস্থিতি (Bangladesh Crisis) নিয়েও আলোচনা করেছি এবং দ্রুত স্বাভাবিকতা পুনরুদ্ধারের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দিয়েছি।” এর পরেই তিনি লিখেছেন, “বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের, বিশেষ করে হিন্দুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপরে।”

    মোদির শিরঃপীড়ার কারণ হিন্দু নিপীড়ন (PM Modi)

    সংরক্ষণকে কেন্দ্র করে হিংসার আগুন জ্বলছে বাংলাদেশে। বেছে বেছে আক্রমণ করা হচ্ছে হিন্দুদের। ঘরবাড়ি জ্বালানোর পাশাপাশি করা হয় খুন। হিন্দু মহিলাদের জোর করে তুলে নিয়ে যাওয়া এবং ধর্ষণের অভিযোগও উঠেছে। জোর করে পদত্যাগে বাধ্য করা হয় হিন্দু পদাধিকারিদের। প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে শেখ হাসিনা দেশ ছাড়ার পর হিংসা ওঠে চরমে। পড়শি দেশে হিন্দুদের ওপর অত্যাচার যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শিরঃপীড়ার কারণ, তার আঁচ মিলেছিল ১৫ অগাস্ট, ৭৮তম স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে। এদিন দিল্লির লালকেল্লায় দেশবাসীর উদ্দেশে ভাষণ দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, “১৪০ কোটি ভারতীয় হিন্দু বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তিত। ভারত সর্বদাই বাংলাদেশের শুভাকাঙ্খী। ভারত বাংলাদেশের অগ্রগতি চায়। আমরা আশা রাখি, বাংলাদেশের পরিস্থিতি শীঘ্রই স্বাভাবিক হবে। ভারতীয়রা চায়, বাংলাদেশে হিন্দু-সহ সমস্ত সংখ্যালঘুর নিরাপত্তা সুনিশ্চিত হোক।”

    আরও পড়ুন: ভারত-বিরোধী জঙ্গি জসিমউদ্দিনকে মুক্ত করল বাংলাদেশ সরকার

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    বাইডেনকে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “ভারত সব সময় শান্তি বজায় রাখার পক্ষে। আমেরিকা ও ভারত দুই দেশই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে বদ্ধপরিকর।” ইউক্রেন ইস্যুতেও কথা হয়েছে দুই রাষ্ট্রপ্রধানের। এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “ইউক্রেনের পরিস্থিতি-সহ বিভিন্ন আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ইস্যুতে আমাদের বিশদ মত বিনিময় হয়েছে।” প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহেই ইউক্রেন সফরে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখানে তিনি বৈঠক করেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে। বর্তমান (Bangladesh Crisis) যুগে যুদ্ধে যে কোনও সুফল মেলে না, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টকে তাও জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: বিশ্ববিদ্যালয়ে কোরান পাঠে না, বাংলাদেশে পদত্যাগে বাধ্য করা হল ডিনকে

    Bangladesh Crisis: বিশ্ববিদ্যালয়ে কোরান পাঠে না, বাংলাদেশে পদত্যাগে বাধ্য করা হল ডিনকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এতদিন কেবল হিন্দুদের জোর করে পদত্যাগ করানো হচ্ছিল। এবার পদত্যাগ করতে বাধ্য করানো হল ঢাকা বিশ্ববিদ্যায়ের (Dhaka University) ডিনকে (Bangladesh Crisis)। তাঁর ‘অপরাধ’, পড়ুয়াদের বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে প্রকাশ্যে কোরান পাঠ করতে বারণ করেছিলেন তিনি। অভিযোগ, তার জেরে বাংলাদেশের নয়া অন্তর্বর্তী সরকার পদত্যাগে বাধ্য করেন তাঁকে।

    ডিনের পদত্যাগ (Bangladesh Crisis)

    জানা গিয়েছে, ছাত্রদের বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে কোরান পাঠে না করার পরেই তাঁকে ঘিরে ধরেন পড়ুয়ারা। এর পরেই অন্তর্বর্তী সরকারের নির্দেশে পদত্যাগ করেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়ায় এ নিয়ে একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন সে দেশের সমাজকর্মী সাহিব আহমেদ তুহিন। পোস্টে লেখা হয়েছে, “ইনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যায়ের ডিন। ইনি বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে প্রকাশ্যে কোরান পাঠে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিলেন। আজ পড়ুয়ারা তাঁর অফিসেই কোরান পাঠ করল। তাঁর গাইডেন্স প্রার্থনা করল এবং তাঁকে পদত্যাগে বাধ্য করল। পোয়েটিক জাস্টিস!”

    তসলিমার পোস্ট

    বাংলাদেশের নামী পত্রিকা ঢাকা ট্রিবিউনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ‘ফ্যাকাল্টি অফ আর্টসের ডিন অধ্যাপক আবদুল বসির পদত্যাগ করেছেন। ইস্তফাপত্রে তিনি লিখেছেন, ফ্যাকাল্টি অফ আর্টসের ডিন পদে আমি ইস্তফা দিচ্ছি। এ ব্যাপারে যথাযথ ব্যবস্থা নিন।’ দিন দুই আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের ডিনের পদত্যাগ সংক্রান্ত একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছিলেন বিশ্বশ্রুত লেখিকা তসলিমা নাসরিন। ডিনের পদত্যাগের কারণ হিসেবে লেখা হয়েছে, ডিন নিসার হোসেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহাসিক বটতলায় কোরান পাঠে বাধা দিয়েছেন। তাই তাঁকে পদত্যাগে বাধ্যা করিয়েছেন আন্দোলনকারী পড়ুয়ারা।

    আরও পড়ুন: ধর্মান্তরণে জড়িত থাকলেই ব্যবস্থা, রায় এলাহাবাদ হাইকোর্টের

    তসলিমার ভিডিওর নীচে বন্যা বয়ে গিয়েছে কমেন্টের। একজন লিখেছেন, ‘বাংলাদেশ ধীরে ধীরে মৌলবাদীদের গ্রাসে চলে যাচ্ছে।’ একজন আবার লিখেছেন, ‘দখলের শেষ পর্যায় আসতে খুব বেশি দেরি নেই।’

    ইতিহাসবিদ এস ইরফান হাবিব পাশে দাঁড়িয়েছেন দুই ডিনের। তাঁর প্রশ্ন, “কেন বিশ্ববিদ্যালয়ে ধর্মীয় গ্রন্থ পড়ানো হবে?” তিনি বলেন, “কেন কোনও বিশ্ববিদ্যালয়ে ধর্মীয় গ্রন্থ পড়ানো হবে? বাড়িতে ধর্মগ্রন্থ পাঠ করুন এবং তারপর আসুন। বিশ্ববিদ্যালয়ে যে কাজটা করতে এসেছেন (Dhaka University), সেটা মন দিয়ে করুন। ভাবুন এবং স্টাডি করুন (Bangladesh Crisis)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: বাংলাদেশে অশান্তি, ভারতে ঢুকে পড়তে পারে জঙ্গিরা, আশঙ্কা প্রাক্তন কূটনীতিকের

    Bangladesh Crisis: বাংলাদেশে অশান্তি, ভারতে ঢুকে পড়তে পারে জঙ্গিরা, আশঙ্কা প্রাক্তন কূটনীতিকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পড়শির ঘরে আগুন। স্বাভাবিকভাবেই গৃহস্থ যে নিশ্চিন্তে থাকবে না, এ আর নতুন কথা কী! ভারতের পড়শি বাংলাদেশের অশান্তির (Bangladesh Crisis) আঁচ লাগতে পারে এ পারেও। সংরক্ষণকে ঘিরে অশান্ত হয়ে উঠেছিল (Terrorists Infiltration) বাংলাদেশ। প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে দেশ ছেড়ে পালান শেখ হাসিনা। বর্তমান বাংলাদেশ চালাচ্ছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। এই সরকারের প্রধান নোবেল জয়ী মহম্মদ ইউনূস। তার পর বাংলাদেশের পরিস্থিতি ছন্দে ফিরছে। তবে অনুপ্রবেশের আশঙ্কায় কাঁটা ভারত। প্রাক্তন হাইকমিশনার তথা প্রাক্তন সচিব এবং রাষ্ট্রদূত পিনাক রঞ্জন চক্রবর্তী বলেন, “ভারতকে অত্যন্ত সতর্ক থাকতে হবে। অনুপ্রবেশ রুখতে সীমান্তে অতিরিক্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে হবে।”

    হতে পারে জঙ্গি অনুপ্রবেশ (Bangladesh Crisis)

    তাঁর মতে, ডামাডোলের বাজারে ভারতে অনুপ্রবেশ করতে পারে সন্ত্রাসবাদী এবং ধর্মীয় উগ্রপন্থীরা। এ দেশে চালাতে পারে সন্ত্রাসবাদী কাজকর্ম। তিনি মনে করেন, বাংলাদেশের এই অশান্তির প্রভাব পড়তে পারে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে। ভারতের ‘নেইবারহুড ফার্স্ট পলিসি’ এবং ‘অ্যাক্ট ইস্ট পলিসি’র ওপরও প্রভাব পড়বে। প্রভাব পড়বে আঞ্চলিক টাইয়ের ওপরও। আর এই রাজনৈতিক অনিশ্চিয়তা বাংলাদেশে সূচনা করবে অর্থনৈতিক দূরাবস্থা এবং সামাজিক অস্থিরতার।

    দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে প্রভাব!

    বাংলাদেশের অস্থিরতার ব্যাপক প্রভাব দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে পড়বে বলেও মনে করেন এই প্রাক্তন হাইকমিশনার। তবে বাংলাদেশের নয়া সরকারের সঙ্গে ভারত নতুন উদ্যমে কাজ করবে বলেও মনে করেন তিনি। প্রসঙ্গত, আওয়ামি লিগের সঙ্গে ভারত সরকারের বোঝাপড়া বেশ ভালো। পদ্মার এক পারে হাসিনা এবং অন্য পারে মোদি জমানায় দুই দেশের সম্পর্ক আরও গাঢ় হয়েছিল। অশান্তির আঁচ ‘গণভবনে’ (বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন) আছড়ে পড়ার আগেই প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে দেশ ছাড়েন হাসিনা। দেশের রাশ চলে আসে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের হাতে।

    কী বলছেন প্রাক্তন হাইকমিশনার

    তিনি বলেন, “বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর সব কিছুই মসৃণভাবে চলছিল। সম্প্রতি একটি বিদেশি রাষ্ট্র তাঁকে উৎখাত করার ষড়যন্ত্র করছে বলে দাবি করেছিলেন হাসিনা।” বিশ্লেষকদের মতে, তার পর থেকেই একটু একটু করে গরম হতে থাকে আন্দোলনের তাওয়া। সংরক্ষণকে কেন্দ্র (Terrorists Infiltration) করে দেশজুড়ে হিংসার আগুন ছড়ায় সেই তাওয়া থেকে।

    হাসিনার সঙ্গে আমেরিকা-পাকিস্তানের সম্পর্ক

    হাসিনার সঙ্গে আমেরিকা ও পাকিস্তানের সম্পর্ক কোনও কালেই ভালো ছিল না। বাংলাদেশকে মিলিটারি ফেসিলিটি দিতে চেয়েছিল আমেরিকা। তা নিতে অস্বীকার করেন হাসিনা। হাসিনা সরকারের চিনের দিকে ঢলে পড়াটাও ভালো চোখে দেখেনি বাইডেনের দেশ। এদিকে, পাকিস্তানের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক কোনওকালেই ভালো ছিল না। বাংলাদেশের জন্মের আগে পাকিস্তানিদের কাছে এই বাঙালি মুসলমানরা ছিল উপেক্ষার পাত্র। একাত্তরের মুক্তি যুদ্ধের সময় থেকে স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম হওয়া ইস্তকও খান সেনারা বাঙালি মুসলমানদের ভালো চোখে দেখেনি। পাকিস্তানের হাতে খুন হন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মুজিবুর রহমান। সম্পর্কে তিনি শেখ হাসিনার বাবা। মুজিবুর খুন হওয়ার পর থেকে বাংলাদেশ-পাকিস্তানের সম্পর্ক কার্যত তলানিতে চলে যায়।

    হিন্দুদের ওপর অত্যাচার

    বাংলাদেশ যখন ক্রমেই উন্নতির জন্য নিরন্তর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, তখন মোদি জমানায় দ্রুত উন্নতি করছে ভারত। বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকায় ১০ নম্বরে ছিল ভারত। সেই দেশই আজ উঠে এসেছে ৫ নম্বরে। অচিরেই (Bangladesh Crisis) চতুর্থ স্থান দখল করবে বলেও ইঙ্গিত মিলেছে একাধিক সমীক্ষায়। রাষ্ট্রদূতের মতে, এমতাবস্থায় ভারতে অনুপ্রবেশ ঘটার সম্ভাবনা প্রবল। তাই সীমান্তে অতিরিক্ত নিরাপত্তার প্রয়োজন। কারণ ঝাঁকের কইয়ের সঙ্গে ঢুকে যাবে জঙ্গি এবং ধর্মীয় উগ্রপন্থীরা। ভারতে ঘটাবে নাশকতামূলক কাজ। তিনি বলেন, “বাংলাদেশে যখনই কোনও অস্থিরতা দেখা দিয়েছে, তখনই তার ফল ভোগ করতে হয়েছে সে দেশের হিন্দুদের। দেশভাগ এবং সাম্প্রদায়িক উত্তরাধিকারের কারণে সে দেশের মুসলমানরা বারবার হামলা চালিয়েছে হিন্দুদের বাড়িঘরে। জোর করে কেড়ে নেওয়া হয়েছে তাঁদের জমিজিরেত।” তাঁর মতে, সেই কারণেই বাংলাদেশে হিন্দুদের সংখ্যা কমছে দ্রুত। কারণ এই দেশের হিন্দু নাগরিকরা সব সময় ভোগেন নিরাপত্তাহীনতায়।

    আওয়ামি লিগের ভবিষ্যৎ

    হাসিনার রাজনৈতিক কেরিয়ার আপাতত অনিশ্চিত বলেও মনে করেন এই রাষ্ট্রদূত। তিনি বলেন, “তবে তাঁর কেরিয়ার শেষ হয়ে গিয়েছে, এ কথা বলার সময় এখনও আসেনি। তাঁর দল আওয়ামি লিগ মুছে যাবে না।”  তিনি বলেন, “এটা বাংলাদেশের সব চেয়ে বড় রাজনৈতিক দল। স্বাধীনতা আন্দোলনেও এর অবদান রয়েছে। ভবিষ্যতে নির্বাচন (Terrorists Infiltration) হলে তাতে নিশ্চয়ই অংশ নেবে হাসিনার দল (Bangladesh Crisis)।”

     

  • Bangladesh Crisis: বাংলাদেশে হিন্দু নিধন যজ্ঞ, ইসলামি রাষ্ট্রই ভবিষ্যৎ?

    Bangladesh Crisis: বাংলাদেশে হিন্দু নিধন যজ্ঞ, ইসলামি রাষ্ট্রই ভবিষ্যৎ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নামেই ধর্ম নিরপেক্ষ রাষ্ট্র! তবে মুসলমান অধ্যুষিত বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis) চিরকালই হয়ে আসছে হিন্দু নিধন যজ্ঞ (Violence Against Hindus)। যে দেশে হিন্দুরাই সংখ্যাগরিষ্ঠ, সেই দেশের সাহায্যেই ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার সূর্য দেখে বাংলাদেশ। আর সেই দেশেই প্রায়ই হয়েছে হিন্দুমেধ যজ্ঞ। কারণ ছাড়াই যখন তখন নির্বিচারে চলেছে হিন্দু-হত্যা।

    ‘ইন্ডিয়া আউট’ স্লোগান (Bangladesh Crisis)

    এখন যেটা বাংলাদেশ, ব্রিটিশ জমানায় সেটা ছিল অখণ্ড ভারতে। দেশভাগের পর মুসলমান অধ্যুষিত বাংলাদেশ চলে যায় অখণ্ড পাকিস্তানে। ভারতের সহায়তায়  একাত্তরে স্বাধীনতার স্বাদ পায় বাংলাদেশ। তবে ভারতের প্রতি, আরও স্পষ্ট করে বললে হিন্দুদের প্রতি কখনওই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেনি অকৃতজ্ঞের (নিন্দুকরা বলে) দল! তাই মলদ্বীপের মতো ‘ইন্ডিয়া আউট’ স্লোগান ওঠে বাংলাদেশেও।

    ‘ডিরেক্ট অ্যাকশন ডে’-র ডাক

    যে দেশের মানুষ এত অকৃতজ্ঞ (?), সে ‘দেশে’ (দেশ বলা যায় না কারণ তখনও স্বাধীন হয়নি বাংলাদেশ নামক ভূখণ্ড। স্বাধীন হয়নি ভারতও) হিন্দু নিধন চলছে সেই ১৯৪৬ সাল থেকে। ভারত স্বাধীন হতে তখনও বছরখানেক বাকি। ১৯৪৬ সালের ১৬ অগাস্ট ‘ডিরেক্ট অ্যাকশন ডে’ ঘোষণা করে মুসলিম লিগ কাউন্সিল। মুসলমানদের জন্য নিজস্ব একটা দেশের জন্য ‘ডিরেক্ট অ্যাকশন ডে’-র ডাক দেওয়া হয়েছিল। উদ্দেশ্য ছিল, হিন্দু এবং হিন্দু নেতাদের আতঙ্কিত করা। কলকাতার তৎকালীন মেয়র এসএন উসমান এবং কলকাতা মুসলিম লিগের সেক্রটারি লিফলেট বিলি করেন। তাতে লেখেন, ‘কাফের, তোদের ধ্বংসের আর দেরি নেই। সার্বিক হত্যাকাণ্ড ঘটবে।’

    আরও পড়ুন: ‘তিন তালাক বিপজ্জনক’, সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা দিয়ে জানাল কেন্দ্র

    হিন্দু-হিংসার সেই শুরু

    এর পরেই শুরু হয় হিংসা। হিন্দু-হিংসার সেই শুরু। নৃশংসভাবে হত্যা করা হয় হিন্দুদের। কলকাতার বিভিন্ন পকেটে নির্বিচারে চলে হিন্দু নিধন যজ্ঞ। অধুনা বাংলাদেশের নোয়াখালিতে ব্যাপক গণহত্যা হয়। হিন্দু মহিলাদের ধর্ষণ, অপহরণ, লুট-রাহাজানি কী হয়নি অশান্তির সেই সময়। জোর করে কেড়ে নেওয়া হয়েছে হিন্দুদের জমি-জমা। চোদ্দ পুরুষের ভিটে ছেড়ে এক বস্ত্রে স্ত্রী-ছেলেমেয়েদের নিয়ে নোয়াখালি ছেড়ে এপারে চলে এসেছেন বহু হিন্দু। যাঁরা কোনওক্রমে ভিটে আঁকড়ে পড়েছিলেন, তাঁদের অবস্থা কহতব্য নয়। হিংসার এই আঁচ ছড়িয়ে পড়েছিল মুসলমান অধ্যুষিত বিভিন্ন এলাকায়। যার জেরে বেঘোরে প্রাণ যায় হাজার হাজার নিরীহ হিন্দুর (Bangladesh Crisis)।

    পূর্ব পাকিস্তানে সেনা অভিযান

    ১৯৪৭ সালের ১৫ অগাস্ট ভারতে ওঠে (Violence Against Hindus) স্বাধীনতার সূর্য। এদিনই মধ্যরাতে আত্মপ্রকাশ করে স্বাধীন পাকিস্তানও। তার ঢের আগে থেকেই শুরু হয়ে যায় সীমানা তৈরির কাজ। এই সময়ই ঠিক হয়, মুসলিম অধ্যুষিত অধুনা বাংলাদেশ চলে যাবে পাকিস্তানে। স্বাধীনতার পর ১৯৪৮ সালের মার্চ মাসে পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মহম্মদ আলি জিন্না ঢাকায় সিভিক রিসেপশনের আয়োজন করেন। সেখানে তিনি ঘোষণা করেন পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হবে উর্দু, কেবল উর্দু। প্রতিবাদ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা। বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা ঘোষণার দাবি তোলেন তারা। তার জেরে পূর্ব পাকিস্তানে সেনা অভিযান চালায় পাকিস্তান সরকার।

    ফের গণহত্যা

    ফের গণহত্যা হয় ১৯৭১ সালে। এবার পাকিস্তান থেকে স্বাধীনতা দাবি করে পূর্ব পাকিস্তান। এই সময়ও নির্বিচারে চলে হিন্দু নিধন যজ্ঞ। বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ায় ভারত। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর স্বাধীনতা লাভ করে বাংলাদেশ। এই সময় ব্যাপক হিন্দু হত্যা হয়। হিন্দু মা-বোনেদের ধর্ষণ এবং অপহরণ করা হয়। এবারও চলে লুটতরাজ। আবারও ভিটে ছাড়া হন বাংলাদেশি হিন্দুদের একটা বড় অংশ। ১৯৯২ সালে ধ্বংস হয় বাবরি মসজিদ। তার জেরে বাংলাদেশে ফের শুরু হয় হিন্দু হত্যা। এবারও কয়েকশো হিন্দুকে হত্যা করা হয়। ঢাকায় ভোলানাথ গিরি আশ্রমে হামলা চালায় দুষ্কৃতীরা। চালানো হয় লুটপাট। হিন্দু মালিকানাধীন সোনার গয়নার দোকানেও লুটতরাজ চালায় দুষ্কৃতীরা। ১৯৯৩ সালের ৭ ডিসেম্বর হামলা হয় ইতিহাসখ্যাত ঢাকেশ্বরী মন্দিরে। এদিনই লাঠি ও লোহার রড নিয়ে ঢাকা ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে হামলা চালায় হাজার পাঁচেক মুসলমান।এখানেই হওয়ার কথা ছিল বাংলাদেশ বনাম ইন্ডিয়া এ-র ম্যাচ। ঘটনার জেরে ভন্ডুল হয়ে যায় ম্যাচ।

    সাম্প্রতিক হিংসা

    চলতি বছরের জানুয়ারিতে নির্বাচন হয় বাংলাদেশে। তার আগেও হিন্দুদের বহু বাড়িতে হামলা চালায় দুষ্কৃতীরা। খুলনা ডিভিশনের বিভিন্ন জায়গায় হিন্দুদের বাড়ি খালি করে দিতে বলা হয়। বাংলাদেশের হিন্দুরা আওয়ামি লিগের সমর্থক। তাই সাম্প্রতিক অতীতে সে দেশে যে হিংসা হয়েছে, তার বলি হয়েছেন ৬৫০জন হিন্দু। অন্তত রাষ্ট্রসংঘের রিপোর্টে এমনই দাবি করা হয়েছে। হিন্দুদের হাজারের বেশি মন্দির ও বাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। হাজারো মহিলা শিকার হয়েছেন যৌন নির্যাতনের (Bangladesh Crisis)।

    কমছে হিন্দু

    ১৯৪০ সালে বাংলাদেশে হিন্দু ছিল মোট জনসংখ্যার ২৮ শতাংশ। কমতে কমতে সেটাই এখন দাঁড়িয়েছে ৮.৯৬ শতাংশে (২০১১ সালের জনগণনা অনুযায়ী)। যেভাবে হিন্দু নিধন চলছে, তাতে অচিরেই হিন্দু শূন্য হয়ে যাবে বাংলাদেশ। সেক্ষেত্রে বিপদ হবে ভারতেরই। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, হিন্দু শূন্য বাংলাদেশ হয়ে উঠবে আক্ষিরক (Violence Against Hindus) অর্থেই জঙ্গিদের স্বর্গরাজ্য (Bangladesh Crisis)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Bangladesh Crisis: বাংলাদেশে হিংসায় মৃত ৬৫০, বলছে রাষ্ট্রসংঘের রিপোর্ট

    Bangladesh Crisis: বাংলাদেশে হিংসায় মৃত ৬৫০, বলছে রাষ্ট্রসংঘের রিপোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis) বিদ্রোহ মোকাবিলায় অযথা শক্তি প্রয়োগ করা হয়েছে।’ শুক্রবার এই মর্মে রিপোর্ট দিল রাষ্ট্রসংঘ (UN Report)। শুধু তাই নয়, ১৬ জুলাই থেকে ১১ অগাস্ট পর্যন্ত হিংসার জেরে বাংলাদেশে প্রাণ হারিয়েছেন ৬৫০ জন মানুষ। প্রাথমিক রিপোর্টে এমনই জানিয়েছে রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার দফতর। বিচার বিভাগীয় হেফাজতে খুন, আটক, প্রমাণ ছাড়া গ্রেফতারি নিয়ে স্বচ্ছ, পক্ষপাতহীন তদন্তের সুপারিশও করেছে তারা।

    কী বলা হয়ে রিপোর্টে? (Bangladesh Crisis)

    এদিন ‘প্রিলিমিনারি অ্যানালিসিস অফ রিসেন্ট প্রোটেস্ট অ্যান্ড আনরেস্ট ইন বাংলাদেশ’ নামে ১০ পাতার একটি রিপোর্ট জমা পড়েছে রাষ্ট্রসংঘে। তাতে বলা হয়েছে, পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে নিরাপত্তা বাহিনী অপ্রয়োজনে এবং সামঞ্জস্যহীনভাবে বলপ্রয়োগ করেছে বলে ইঙ্গিত মিলেছে। এ নিয়ে তদন্তের প্রয়োজন। হিংসায় মৃত্যুর খতিয়ানও দেওয়া হয়েছে ওই রিপোর্টে। বলা হয়েছে, ১৬ জুলাই থেকে ৪ অগাস্ট পর্যন্ত সময়ে বাংলাদেশে মারা গিয়েছেন ৪০০ জন। ৫ এবং ৬ অগাস্ট এই দুদিনে মৃত্যু হয়েছে আরও ২৫০ জনের। সংবাদ মাধ্যমের দাবি, ১৬ জুলাই থেকে ১১ অগাস্ট পর্যন্ত হিংসায় প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৬০০ জন।

    সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা

    রাষ্ট্রসংঘের রিপোর্টে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার কথাও বলা হয়েছে। বাংলাদেশের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি মুজিবুর রহমান খুন হন ১৫ অগাস্ট। তার পর থেকে বাংলাদেশে দিনটি পালিত হয় জাতীয় শোক দিবস হিসেবে। এদিন প্রাক্তন রাষ্ট্রপতিকে শ্রদ্ধা জানাতে জড়ো হয়েছিলেন আওয়ামি লিগের কর্মী-সমর্থকরা। তাঁদের ওপর লাঠি-রড নিয়ে যে চড়াও হয়েছিল, সেই ঘটনারও উল্লেখ রয়েছে রিপোর্টে (Bangladesh Crisis)।

    আরও পড়ুন: “বাংলা অনাচার ও নৈরাজ্যের ঘাঁটি”, আরজি করকাণ্ডে মমতার মুন্ডুপাত বিজেপির

    বাংলাদেশে মানবাধিকার লঙ্ঘনে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার দফতরের প্রধান ভোলকার টার্ক। পক্ষপাতহীন, স্বচ্ছ তদন্তের দাবিও তুলেছেন তিনি। প্রসঙ্গত, আগামী সপ্তাহেই বাংলাদেশে যাবে রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার দফতরের একটি প্রতিনিধি দল। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ইস্তফার আগে-পরে প্রতিবাদীদের হত্যা নিয়ে (UN Report) তদন্ত করবে ওই দল (Bangladesh Crisis)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mohan Bhagwat: “কারণ ছাড়াই টার্গেট করা হচ্ছে হিন্দুদের”, বাংলাদেশ নিয়ে বললেন মোহন ভাগবত

    Mohan Bhagwat: “কারণ ছাড়াই টার্গেট করা হচ্ছে হিন্দুদের”, বাংলাদেশ নিয়ে বললেন মোহন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “কোনও কারণ ছাড়াই টার্গেট করা হচ্ছে হিন্দুদের।” বৃহস্পতিবার কথাগুলি বললেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত। তিনি বলেন, “তাঁরা যাতে কোনও (Bangladesh Crisis) অবিচার ও নৃশংসতার শিকার না হন, তা নিশ্চিত করার দায় রয়েছে আমাদের দেশেরও।”

    হিন্দুরাই টার্গেট (Mohan Bhagwat)

    এদিন স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল নাগপুরের মহল এলাকায়, আরএসএসের সদর দফতরে। সেখানেই তিনি বলেন, “আগামী প্রজন্মের কর্তব্য হল ‘স্বতন্ত্রে’র (স্বাধীনতা) ‘স্ব’ (নিজের)-কে রক্ষা করা। কারণ পৃথিবীতে এমন অনেক লোক আছে, যারা সব সময় অন্য দেশকে ডমিনেট করতে চায়। এ ব্যাপারে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে, যত্নবান হতে হবে। তাদের হাত থেকে আমাদের নিজেদের রক্ষা করতে হবে।” সরসঙ্ঘচালক বলেন, “পরিস্থিতি যে সব সময় একই রকম থাকবে, তা নয়। কখনও কখনও এটা ভালো, অন্যের পক্ষে সেটা ভালো নাও হতে পারে। এই উত্থান-পতন চলতেই থাকবে।” ভাগবত বলেন, “আমরা এখন এই পরিস্থিতিই দেখতে পাচ্ছি। প্রতিবেশী দেশে প্রচুর হিংসার ঘটনা ঘটছে। সেখানে যেসব হিন্দু বাস করেন, কোনও কারণ ছাড়াই তাঁদের টার্গেট করা হচ্ছে।” ভাগবত (Mohan Bhagwat) এক বারের জন্যও বাংলাদেশের নাম না নিলেও, তাঁর আক্রমণের অভিমুখ যে বাংলাদেশের দিকেই, তা স্পষ্ট।

    ভারতের ঐতিহ্য

    আরএসএস প্রধান বলেন, “অন্যদের সাহায্য করার ঐতিহ্য রয়েছে ভারতের। আমরা গত কয়েক বছরে দেখেছি, ভারত কখনও কাউকে আক্রমণ করেনি। তারা আমাদের সঙ্গে যেমনই আচরণ করুক না কেন, তাদের সাহায্য করেছে। এই পরিস্থিতিতেও আমরা দেখেছি, আমাদের দেশ নিরাপদেই রয়েছে। একই সঙ্গে অন্য দেশকে সাহায্য করছে।” এর পরেই সরসঙ্ঘচালক বলেন, “আমাদের দেশের দায়িত্ব রয়েছে তাদের বাঁচানোর, যাঁরা ভিন দেশে নৃশংসতার শিকার হচ্ছেন।” তিনি বলেন, “কিছু ক্ষেত্রে সরকারকে তার নিজের লেভেলে দেখতে হয়। তবে এটি তখনই শক্তি পায় যখন সমাজ তার দায়িত্ব পালন করে। দেশের প্রতি অঙ্গীকার প্রদর্শন করে।”

    আরও পড়ুন: “বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দুদের অবশ্যই বাঁচাতে হবে”, স্বাধীনতা দিবসের ভাষণে মোদি

    প্রসঙ্গত, সংরক্ষণকে কেন্দ্র করে অশান্ত হয়ে ওঠে বাংলাদেশ। অশান্তির আঁচ থেকে বাঁচতে প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে দেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা। এর আগে-পরে বাংলাদেশে ব্যাপক অত্যাচার হয় হিন্দুদের ওপর। সেই প্রসঙ্গেই এদিন (Bangladesh Crisis) ভাগবতের এহেন মন্তব্য বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের (Mohan Bhagwat)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।      

LinkedIn
Share