Tag: cross border terrorism

cross border terrorism

  • Terror Outfits: কাশ্মীরে কৌশল বদলাচ্ছে আইএসআই, জঙ্গিদের ভিড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে ভারতের রাজনীতিতে! সতর্ক করলেন গোয়েন্দারা

    Terror Outfits: কাশ্মীরে কৌশল বদলাচ্ছে আইএসআই, জঙ্গিদের ভিড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে ভারতের রাজনীতিতে! সতর্ক করলেন গোয়েন্দারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কৌশল বদলানোর চেষ্টা করছে পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই। বিভিন্ন জঙ্গি কার্যকলাপের তদন্ত এবং নিরাপত্তা বাহিনীর নিরন্তর অভিযানের হাত থেকে বাঁচতে জম্মু-কাশ্মীরে তাদের ওভার গ্রাউন্ড ওয়ার্কার (OGW) নেটওয়ার্ককে মূলধারার জাতীয় রাজনৈতিক দলের কর্মী-সমর্থকদের ভিড়ে মিশে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে বলে জানান আধিকারিকরা।

    আইএসআইয়ের কৌশল পরিবর্তনের চেষ্টা (Terror Outfits)

    আন্তর্জাতিক অর্থ পাচার ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ফিন্যান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্স (FATF)-এর নজরদারিতে রয়েছে পাকিস্তান। সেই কারণেও আইএসআইয়ের কৌশল পরিবর্তনের চেষ্টা। এরই অংশ হিসেবে তারা নয়ের দশকের শুরুতে স্থানীয়ভাবে গঠিত এবং বর্তমানে নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়া জঙ্গি সংগঠনগুলিকে সক্রিয় করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। জঙ্গি কার্যকলাপগুলির ‘ভারতীয়করণে’র রূপ দিতে এবং পাকিস্তানের প্রত্যক্ষ মদত দেওয়ার বিষয়টিকে আড়াল করতেই এই পন্থা অবলম্বন করছে পাক-চর সংস্থা।

    জেরায় কী জানিয়েছে জঙ্গিরা?

    কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা সংস্থার আধিকারিকদের মতে, সম্প্রতি শ্রীনগর পুলিশ পাকড়াও করেছে কয়েকজন ওজিডব্লিউকে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেই জানা গিয়েছে, তাদের মধ্যে কেউ কেউ জাতীয় রাজনৈতিক দলের সদস্য ছিল। জঙ্গি সংগঠনগুলির জন্য গুরুত্বপূর্ণ লজিস্টিক সহায়তা, নিয়োগ এবং অর্থায়নকারী সমর্থকদের বৈধ রাজনৈতিক কাঠামোর মধ্যে ভিড়িয়ে দিয়ে আইএসআই তাদের এজেন্টদের নিরাপত্তা অভিযানের হাত থেকে রক্ষা করতে চাইছে।

    জঙ্গি গোষ্ঠীগুলির কোমর ভেঙে গিয়েছে

    নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক আধিকারিক জানান, এই কৌশলটি মূলত হতাশা থেকে নেওয়া। কারণ নিরাপত্তা বাহিনীর প্রবল চাপে জঙ্গি গোষ্ঠীগুলির কোমর ভেঙে গিয়েছে। উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গিয়েছে নয়া প্রক্সি সংগঠনগুলির প্রতি স্থানীয়দের সমর্থনও। পুরানো সংগঠনগুলির নাম পুনরুজ্জীবিত করে এবং তাদের কর্মীদের মূলধারার রাজনীতির স্রোতে মিশিয়ে দিয়ে নতুন প্রজন্মের যুবকদের আকৃষ্ট করতে এবং একই সঙ্গে তাদের কর্মীদের রাজনৈতিক সুরক্ষাও নিশ্চিত করতে চাইছে আইএসআই। আধিকারিকদের মতে, যখন কোনও ওজিডব্লিউ ঘেরাও এবং তল্লাশি অভিযানে ধরা পড়ে, তখন তারা অনেক সময় জাতীয় রাজনৈতিক দলের সাধারণ সদস্যপদের ‘প্রমাণপত্র’ দেখিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়ানোর ব্যর্থ চেষ্টা করে।

    জঙ্গিদের ছল

    নিরাপত্তা আধিকারিকরা লক্ষ্য করেছেন, জঙ্গিদের এই কৌশল বদলেছে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে। নয়ের দশকের শেষ দিকে সন্দেহভাজনরা পুলিশের হাত এড়াতে ভোটারকার্ড ব্যবহার করত। পরে তদন্ত এড়াতে তারা আধার কার্ডও ব্যবহার করার চেষ্টা করেছে। যদিও তাঁরা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, কোনও রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতৃত্ব কখনও এই ধরনের লোকজনকে রক্ষা করতে হস্তক্ষেপ করেনি। এদিকে, ওজিডব্লিউ কার্যকলাপের মাধ্যমে ১৯৯৩ সালের পর প্রায় নিষ্ক্রিয় হয়ে যাওয়া কিছু সংগঠনকে ফের সক্রিয় করার চেষ্টা করতেও দেখা যাচ্ছে।

    আইএসআইয়ের কৌশল

    নিরাপত্তা সংস্থাগুলি বর্তমানে ১৯৯০ ও ২০০০-এর দশকের শুরুর দিকে জম্মু- কাশ্মীরের সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে জড়িত পুরোনো সংগঠনগুলির নাম ফের সামনে আসার বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। এই সব সংগঠনের মধ্যে রয়েছে আল-উমর মুজাহিদিন, আল বদর, এবং তেহরিক-উল-মুজাহিদিনও। আধিকারিকদের মতে, এই পুরোনো স্থানীয় পরিচয়ের সংগঠনগুলিকে পুনরুজ্জীবিত করে আইএসআই এমন একটি ভুল ধারণা তৈরি করতে চায় যে জম্মু-কাশ্মীরের জঙ্গি কার্যকলাপ একটি অভ্যন্তরীণ এবং স্থানীয় আন্দোলন, সীমান্তপারের পরিকল্পিত ছায়াযুদ্ধ নয়।

    বহাল তবিয়তে রয়েছে জঙ্গিদের মাথারা

    তাঁরা এও জানান, পুনরুজ্জীবিত এই সব সংগঠনের শীর্ষ নেতৃত্ব পাকিস্তান এবং পাক-অধিকৃত কাশ্মীরে নিরাপদে রয়েছে। যদিও তারা ফিল্ড লেভেলের নেটওয়ার্ক প্রচার, অর্থ জোগাড় এবং উগ্রপন্থায় প্ররোচনা দেওয়ার কাজে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করছে। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলি জঙ্গিদের এসব তৎপরতার ওপর কঠোর নজরদারি চালিয়ে যাচ্ছে এবং ফের সক্রিয় হওয়া ওজিডব্লিউ নেটওয়ার্কের লজিস্টিক সহায়তা ব্যবস্থাকে নিষ্ক্রিয় করার কাজ করছে। একই সঙ্গে, জঙ্গিদের সমর্থকদের মাধ্যমে তরুণদের মধ্যে উগ্র মতাদর্শ ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টাও প্রতিরোধ করা হচ্ছে। অর্জিত শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেই জানান গোয়েন্দা সংস্থাগুলির কর্তারা।

     

  • India: সীমান্তপার সন্ত্রাসে ভারতকে জড়ানোর চেষ্টা, পাকিস্তানের দাবি পত্রপাঠ খারিজ নয়াদিল্লির

    India: সীমান্তপার সন্ত্রাসে ভারতকে জড়ানোর চেষ্টা, পাকিস্তানের দাবি পত্রপাঠ খারিজ নয়াদিল্লির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সীমান্তপার সন্ত্রাসের ঘটনায় ভারতকে (India) জড়ানোর চেষ্টা পাকিস্তানের। ইসলামাবাদের অভিযোগ পত্রপাঠ খারিজ করে দিয়েছে নয়াদিল্লি (Terrorism Link)। বিদেশমন্ত্রক জানিয়ে দিয়েছে, এটি এমন একটি দেশের মরিয়া চেষ্টা, যার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন জঙ্গিগোষ্ঠীকে আশ্রয় ও মদত দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। সাংবাদিক বৈঠকে এমনই জানালেন ভারতের বিদেশমন্ত্রকের (MEA) মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল। পাকিস্তান একটি বিবৃতিতে সাম্প্রতিক কিছু জঙ্গি কার্যকলাপের জন্য ভারতকে কাঠগড়ায় তুলেছে। তারই প্রেক্ষিতে জয়সওয়াল বলেন, “আমরা এই সব ভিত্তিহীন অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করছি। নিজেদের অপকর্মের দায় ভারতের ওপর চাপানো পাকিস্তানের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। কয়েক দশক ধরে রাষ্ট্রীয়ভাবে সন্ত্রাসবাদে মদতদাতা হিসেবে পরিচিত পাকিস্তানের সীমান্তপার সন্ত্রাসবাদ নিয়ে কোনও বিশ্বাসযোগ্যতাই নেই। যত গল্পই বানানো হোক না কেন, বাস্তবতা বদলাবে না, আর পাকিস্তানের এই তথাকথিত ‘ভুক্তভোগী’ হওয়ার দাবিতে কেউ আর বিভ্রান্তও হবে না।”

    পাকিস্তানের চেষ্টা ব্যর্থ (India)

    তিনি বলেন, “নিজেকে ভুক্তভোগী হিসেবে তুলে ধরতে পাকিস্তানের এই দীর্ঘ প্রয়াস আন্তর্জাতিক মহলে এখন আর কোনও গুরুত্ব পায় না। কারণ বিশ্বব্যাপী নিষিদ্ধ ঘোষিত বহু জঙ্গি এবং জঙ্গি সংগঠনকে আশ্রয় দেওয়ার ইতিহাস পাকিস্তানের রয়েছে।” এদিনই জয়সওয়াল পাকিস্তানের আর একটি বিবৃতিরও জবাব দেন। ওই বিবৃতিতে পাকিস্তান ভারত এবং কানাডার মধ্যে সম্প্রতি হওয়া পারমাণবিক ও রফতানি-নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত সহযোগিতা চুক্তির সমালোচনা করেছে। ইসলামাবাদের দাবি, এই চুক্তি পারমাণবিক বিস্তারের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে এবং ভারতের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তোলে।

    কী বললেন জয়সওয়াল

    এর জবাবে জয়সওয়াল বলেন, “এই বিষয়ে পাকিস্তানের দেওয়া বিবৃতি আমরা প্রত্যাখ্যান করছি। পারমাণবিক বিস্তার রোধের ক্ষেত্রে ভারতের বিশ্বাসযোগ্যতা নিখুঁত এবং আন্তর্জাতিক মহলে তা সুপরিচিত। গোপনে পারমাণবিক প্রযুক্তি ছড়িয়ে দেওয়ার সুপরিচিত ইতিহাস রয়েছে যে দেশের, তাদের মুখে রফতানি নিয়ন্ত্রণ বা বিস্তার-ঝুঁকি নিয়ে নীতিকথা বড়ই হাস্যকর। এই ধরনের অবান্তর কথা আসলে পাকিস্তানের নিজেদের দুর্বল রেকর্ড থেকে দৃষ্টি সরানোর একটি প্রচেষ্টা (Terrorism Link)।”

    কী বলছেন কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা

    কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পাকিস্তানের এই দু’টি বিবৃতি আন্তর্জাতিক মহলের মনোযোগ তাদের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যর্থতা এবং পারমাণবিক বিস্তার সংক্রান্ত অতীত থেকে সরিয়ে নেওয়ার একটি যৌথ প্রচেষ্টার অংশ (India)। ভারতের বিদেশমন্ত্রকের প্রতিক্রিয়া আবারও স্পষ্ট করে দিয়েছে, ইসলামাবাদ জঙ্গি পরিকাঠামো ভেঙে না ফেলা পর্যন্ত এবং রাষ্ট্রনীতির হাতিয়ার হিসেবে সন্ত্রাসবাদের ব্যবহার বন্ধ না করা পর্যন্ত পাকিস্তানের অভিযোগে কান দেবে না ভারত। প্রসঙ্গত, এই ঘটনাগুলি ঘটছে নিয়ন্ত্রণরেখা (Line of Control) বরাবর উত্তেজনা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে এবং পাকিস্তানের সন্ত্রাসবিরোধী প্রতিশ্রুতি নিয়ে (Terrorism Link) আন্তর্জাতিক মহলের নতুন করে নজরদারির মধ্যেই (India)।

     

  • S Jaishankar: হ্যান্ডশেক নয়, দূর থেকে নমস্কার! বিলাওয়াল ভুট্টোর সামনেই সন্ত্রাস নিয়ে কড়া বার্তা জয়শঙ্করের

    S Jaishankar: হ্যান্ডশেক নয়, দূর থেকে নমস্কার! বিলাওয়াল ভুট্টোর সামনেই সন্ত্রাস নিয়ে কড়া বার্তা জয়শঙ্করের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত (India) হাসিমুখে একদিকে যেমন অতিথি আপ্যায়ন করতে জানে, তেমন ভাবেই কঠোর চোয়ালে মুখের ওপর জবাব দিতে জানে। গোয়ায় এসে এই কথাটা হয়ত ভালো ভাবেই টের পেলেন বিলাওয়াল ভুট্টো (Bilawal Bhutto Zardari)। পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রীর (Pakistan Foreign Minister) সামনেই সীমান্তপার সন্ত্রাস ইস্যুতে নাম না করে পাকিস্তানকে (Pakistan) কড়া কথা শুনিয়ে দিলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)।

    গোয়ায় দুদিনের সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন বা সংক্ষেপে এসসিও (SCO Meet) গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলির বিদেশমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক চলছে। এই বৈঠকে যোগ দিতে সদস্য দেশের বিদেশমন্ত্রীরা গতকালই গোয়ায় উপস্থিত হয়েছেন। গতকালই ভারতে এসেছেন পাক বিদেশমন্ত্রী বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি, যিনি বেনজির ভুট্টোর ছেলে ও জুলফিকার আলি ভুট্টোর নাতিও বটে। প্রায় এক যুগ পর ভারতে এসেছেন কোনও পাক বিদেশমন্ত্রীও। ভারতীয় ঐতিহ্য অনুযায়ী ‘নমস্তে’ বলে বিলাওয়ালকে অভিবাদন জানান জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। পাল্টা প্রতি-নমস্কার করেন বিলাবলও।

    আজ এই বৈঠকের দ্বিতীয় তথা শেষ দিন। এদিন বক্তব্য পেশ করতে গিয়ে পাক বিদেশমন্ত্রীর উপস্থিতিতেই সন্ত্রাসবাদ নিয়ে কড়া বার্তা দিলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। সন্ত্রাসবাদের তীব্র বিরোধিতা করে ভারতের বিদেশমন্ত্রী জানান, সন্ত্রাস যেকোনও উপায়ে বন্ধ করতে হবে। জয়শঙ্কর বলেন, ‘‘সীমান্ত সন্ত্রাস একটি বড় সমস্যা। একে যে কোনও পদ্ধতিতে বন্ধ করা উচিত।’’ তিনি বলেন, ‘‘গোটা বিশ্ব যখন কোভিড এবং এর প্রভাব মোকাবিলায় ব্যস্ত ছিল, তখনও সন্ত্রাসবাদের হুমকি নিরবচ্ছিন্নভাবে অব্যাহত রয়েছে। এই হুমকি থেকে আমাদের চোখ সরিয়ে নেওয়া আমাদের নিরাপত্তার স্বার্থের জন্য ক্ষতিকর হবে।’’

    আরও পড়ুন: লাদেনের সঙ্গে তুলনা করেছিলেন মোদিকে, ভারত সফরে এলেন সেই বিলাওয়াল

    জয়শঙ্কর (S Jaishankar) আরও বলেন, ‘‘আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি সন্ত্রাসবাদের কোনও যৌক্তিকতা থাকতে পারে না। আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসবাদ সহ সব ধরনের বিবাদই বন্ধ করা উচিত। সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপে আর্থিক অনুদান জোগানোর চ্যানলগুলিকেও বন্ধ করতে হবে। সদস্যদের মনে করিয়ে দিতে হবে না যে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করা এসসিও-র মূল নির্দেশগুলির মধ্যে একটি।’’ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jaishankar: ‘মোদি বিশ্বের কণ্ঠস্বর, উন্নয়নশীল দেশগুলির স্বর ভারত’, বললেন জয়শঙ্কর

    Jaishankar: ‘মোদি বিশ্বের কণ্ঠস্বর, উন্নয়নশীল দেশগুলির স্বর ভারত’, বললেন জয়শঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সীমান্তপারের সন্ত্রাস নিয়ে শুক্রবার ফের একবার সুর চড়ালেন ভারতের (India) বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। এশিয়া কাপ ২০২৩ নিয়ে বিসিসিআই (BCCI) এবং পিসিবি (PCB)-র বিতর্ক চলছে। কারণ বিসিসিআইয়ের তরফে ঘোষণা করা হয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট খেলোয়াড়রা পাকিস্তানে যাবেন না। এই প্রসঙ্গেই ভারতের বিদেশমন্ত্রী বলেন, টুর্নামেন্ট হবে। এ নিয়ে আপনারা সরকারের অবস্থান জানেন। দেখা যাক, কী হয়!

    জয়শঙ্কর উবাচ…

    ভারতের বিদেশমন্ত্রী বলেন, আমি আবারও বলতে চাই যে আমাদের এটা গ্রহণ করা উচিত হবে না যে কোনও একটি দেশের সন্ত্রাসবাদে মদত দেওয়ার অধিকার রয়েছে। এটাকে বৈধতা দিতে হবে। আর তা করতে গেলে ওই দেশটির ওপর আন্তর্জাতিক চাপ সৃষ্টি করতে হবে। এই চাপ ততক্ষণ জারি থাকবে যতক্ষণ না সন্ত্রাসবাদের বলি যাঁরা হয়েছেন, তাঁদের পরিবার সুর চড়াবেন। জয়শঙ্কর বলেন, এ ব্যাপারে আমাদের নেতৃত্ব দিতে হবে। কারণ সন্ত্রাসবাদের কারণে আমরা রক্তাক্ত হয়েছি।

    প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তানের সঙ্গে ভারত এখনই কোনও আলোচনায় যেতে রাজি নয় বলে এদিন ফের একবার জানিয়ে দেন জয়শঙ্কর। ভারতের বিদেশমন্ত্রী বলেন, এটা একটা জটিল বিষয়। প্রতিবেশী যদি লজ্জা না করে সন্ত্রাসবাদে মদত দেয়, তাহলে কী করবেন? মাথায় বন্দুক ধরলে আপনি কী করবেন? যদি আপনার প্রতিবেশী প্রকাশ্যে সন্ত্রাসবাদে মদত দেয়…এবং এ ব্যাপারে কোনও রহস্য নেই, কারা এর নেতৃত্ব দিচ্ছে, তাদের শিবিরই বা কোথায়। জয়শঙ্কর (S Jaishankar) বলেন, আমাদের কখনওই ভাবা উচিত নয় যে সীমান্তপারের সন্ত্রাস স্বাভাবিক।

    আরও পড়ুন: ‘রাশিয়া থেকে তেল আমদানি নিয়ে দু’ রকম কথা বলছে পশ্চিম’, বললেন জয়শঙ্কর

    তিনি বলেন, আমাকে আর একটা উদাহরণ দিন, যেখানে আর কোনও প্রতিবেশী দেশ তার পড়শি দেশের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসে মদত দিচ্ছে। জয়শঙ্কর বলেন, এমন কোনও উদাহরণ নেই। এক দিক থেকে এটা অস্বাভাবিক নয়, তবে ব্যতিক্রম। তিনি বলেন, আমরা চাই পাকিস্তান সন্ত্রাসবাদের রাস্তা থেকে সরে আসুক। কারণ কোনও দেশের অধিকার নেই সন্ত্রাস করার। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ প্রসঙ্গে জয়শঙ্কর (S Jaishankar) বলেন, আমরা চাই শান্তি আসুক। যুদ্ধ থামুক। তেলের দাম, অন্য পণ্যের দাম কমুক। তিনি বলেন, ভারত ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বিশ্বের কণ্ঠস্বর হয়ে গিয়েছে। উন্নয়নশীল দেশগুলির স্বর হয়েছে ভারত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
     
LinkedIn
Share