Tag: CSC

CSC

  • Calcutta High Court: কেন্দ্রীয় প্রকল্প রাজ্যের নামে! মামলায় ৫০ হাজার টাকা জরিমানার হুঁশিয়ারি হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: কেন্দ্রীয় প্রকল্প রাজ্যের নামে! মামলায় ৫০ হাজার টাকা জরিমানার হুঁশিয়ারি হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় প্রকল্প বন্ধ করে রাজ্যের নামে প্রকল্প করার বিরুদ্ধে হাইকোর্টে মামলা করেছিলেন বিজেপি সাংসদ তথা রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। মঙ্গলবার কমন সার্ভিস সেন্টারের একটি জনস্বার্থ মামলায় রাজ্যকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করার হুঁশিয়ারি দিলেন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমের ডিভিশন বেঞ্চ।

    উল্লেখ্য রাজ্য সরকার কেন্দ্র সরকারের প্রকল্প ‘কমন সার্ভিস সেন্টার’ যে বন্ধ করে দিয়েছে, তার বিরুদ্ধে হাইকোর্টে মামলা করেন সুকান্ত মজুমদার। তিনি আদালতে দাবি করেছিলেন রাজ্যে প্রায় ৪০ হাজার সিএসসি বন্ধ করে দিয়েছে মমতার সরকার।

    আদালতের নির্দেশ কী (Calcutta High Court)?

    কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court)  প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমের ডিভিশন বেঞ্চ স্পষ্ট করে নির্দেশ দিয়ে রাজ্য সরকারকে জানিয়েছে যে আগামী ১২ ডিসেম্বর রাজ্যকে হলফনামা দিতে হবে। উত্তরে, রাজ্য হলফনামা দেওয়ার বিষয়ে অতরিক্ত সময় চাইলে বিচারপতি ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করার হুঁশিয়ারি দেন। প্রধান বিচারপতি বলেন, “সব কিছুতে রাজনীতির রঙ না দেখাই ভালো। এটা যে পিপলস ওয়েলফেয়ার স্কিম।” যদিও এই মাসের প্রথম সপ্তাহে মামলাটি বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের বেঞ্চে উঠেছিল। সেই সময় রাজ্যকে হলফনামা দেওয়ার কথা আগেই জানিয়েছিলেন বিচারপতিরা।

    কী বললেন সুকান্ত মজুমদার?

    রাজ্যে পঞ্চায়েত স্তরে কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধা থেকে মানুষকে বঞ্চনা করা হচ্ছে। কেন্দ্রের সকল প্রকল্পগুলির জন্য ই-পরিষেবার মাধ্যমে সকলকে পরিষেবা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু ২০২০ সাল থেকে এই ‘কমন সার্ভিস সেন্টার’ নাম বদল করে ‘বাংলা সহায়তা কেন্দ্র’ রাখা হয়। এরপর সুকান্ত মজুমদার হাইকোর্টে (Calcutta High Court) মামলা করেন। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “প্রকল্প বন্ধের ফলে অনেকের কাজ চলে গিয়েছে। এখানে অনেক তরুণ-তরুণীর কাছে একটা কাজের সুযোগ ছিল। রাজ্য সরকারের রাজনীতির কারণে মানুষ নিজের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। যেমন-কেন্দ্রের বেটি পড়াও বেটি বাঁচাও প্রকল্পকে রাজ্য সরকার কন্যাশ্রী প্রকল্প নাম দিয়েছে।”  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • CSC: এবার অধ্যক্ষ নিয়োগেও অনিয়মের অভিযোগ! হস্তক্ষেপ চেয়ে চিঠি রাজ্যপালকে

    CSC: এবার অধ্যক্ষ নিয়োগেও অনিয়মের অভিযোগ! হস্তক্ষেপ চেয়ে চিঠি রাজ্যপালকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্কুল স্তরে শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগে সরগরম রাজ্য রাজনীতি। পাশাপাশি কলেজে শিক্ষক নিয়োগেও (CSC) অনিয়মের অভিযোগ জোরালো হচ্ছিল দীর্ঘদিন ধরেই। সেই আবহের মধ্যেই অনিয়মের অভিযোগ উঠছে রাজ্যের সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত কলেজগুলিতে অধ্যক্ষ নিয়োগের প্রক্রিয়া ঘিরে। সিএসসি বা কলেজ সার্ভিস কমিশনের (CSC) তরফে অবশ্য অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, রাজ্যের ৯৮টি সাহায্যপ্রাপ্ত কলেজে সোমবার অধ্যক্ষ পদে নিয়োগের কাউন্সেলিং ছিল। গত ২৭ মার্চ থেকে ১ এপ্রিলের ইন্টারভিউয়ে সফল ১৭২ জনের মেধাতালিকা প্রকাশ করেছিল কলেজ সার্ভিস কমিশন (CSC)। কিন্তু সোমবার কাউন্সেলিংয়ে কমিশনের তরফে অধ্যক্ষহীন কলেজের নাম দেখার জন্য কোনও ডিসপ্লে বা নোটিস বোর্ড ছিল না বলে অভিযোগ জানালেন প্রার্থীরা। পাশাপাশি নিয়োগ পরীক্ষায় কে কত পেয়েছেন সেই স্কোরও এদিন প্রকাশ করেনি কর্তৃপক্ষ। এদিনই অনিয়মের অভিযোগ তুলে রাজ্যপালকে চিঠি দিয়েছে অধ্যাপকদের একাংশ। তাঁদের দাবি, ‘‘আমাদের কাছে এই বিষয়ে বহু অভিযোগ এসেছে। অধ্যক্ষ নিয়োগে স্বচ্ছতার অভাবের কথা জানিয়ে রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোসকে ইমেল করা হয়েছে।’’

    ঠিক কী অভিযোগ

    প্রার্থীদের অভিযোগ, পরের র‍্যাঙ্কে থাকা প্রার্থীর জন্য নির্দিষ্ট কলেজ ‘বুক’ করে রাখা হয়েছিল। মেধাতালিকার প্রথম দিকে থাকা প্রার্থীদেরও পছন্দের কলেজ দিতে অস্বীকার করা হয়েছে। আবার, প্রার্থীদের র‍্যাঙ্ক অনুযায়ী, শূন্য পদ আগেই পূরণ হয়ে গিয়েছে বলেও জানানো হয়। এখানেও শেষ নয়। কাউকে বলা হয়, কলেজের নাম বাইরে বলবেন না। কাউকে বলা হয়েছে, গার্লস কলেজে পুরুষ অধ্যক্ষ নিয়োগ করা যাবে না। আবার অনেককে বলা হয়েছে, বিজ্ঞানের শিক্ষিকার পছন্দের কলেজে শূন্য পদ নেই।

    অধ্যক্ষ নিয়োগের যোগ্যতামানও লঙ্ঘন করা হয়েছে বলে অভিযোগ

    অধ্যক্ষ হওয়ার ন্যূনতম যোগ্যতামান হলো অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর ও ১৫ বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা থাকা। সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত কলেজে অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর হওয়ার আগে কোনও শিক্ষককে তিনটি যোগ্যতামান পেরোতে হতে হয়। বেসরকারি কলেজের ক্ষেত্রে এমন কোনও ব্যবস্থা নেই। তা হলে বেসরকারি কলেজে কর্মরত প্রার্থীরা ইউজিসির বিধি অনুযায়ী ন্যূনতম যোগ্যতামান অর্জন করলেন কী ভাবে, সে প্রশ্ন তুলেছেন অনেক প্রার্থী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share