Tag: CV Anand Bose

CV Anand Bose

  • CV Anand Bose: রাজ্যপাল পদে বর্ষপূর্তি, আনন্দ বোসের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজের সুযোগ রাজভবনে

    CV Anand Bose: রাজ্যপাল পদে বর্ষপূর্তি, আনন্দ বোসের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজের সুযোগ রাজভবনে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যপাল পদে তাঁর বর্ষপূর্তি। গত বছর ২৩ নভেম্বর রাজ্যপাল পদে শপথ নিয়েছিলেন তিনি। তাই বর্ষপূর্তিতে গুচ্ছ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে রাজ্যপাল ভবনের তরফে। যেহেতু ২৩ তারিখে হচ্ছে বর্ষপূর্তি, তাই এদিনই হবে ‘মিল উইথ গভর্নর’ (CV Anand Bose)।

    ‘মিল উইথ গভর্নর’

    রাজ্যপালের সঙ্গে এক পঙক্তিতে মধ্যাহ্নভোজ সারতে পারবেন আম বাঙালি। কেবল এদিন নয়, সপ্তাহের একটি বিশেষ দিনে রাজ্যপালের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজ করতে পারবেন সাধারণ মানুষ। তফশিলি জাতি-উপজাতি পড়ুয়াদের বৃত্তিও দেওয়া হবে। মঙ্গলবার সাংবাদিক সম্মেলনে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস বলেন, “আমি বাংলাকে ভালবাসি। বাংলার মানুষকে অত্যন্ত ভালবাসি। আমি বাংলাকে নিজের ভূমি হিসেবে মনে করতে শুরু করেছি। এখানকার রাজ্যপাল হিসেবে আমার কিছু দায়িত্ব রয়েছে।”

    “বাংলা আমার কর্মভূমি”

    তিনি (CV Anand Bose) বলেন, “বাংলা আমার কর্মভূমি। রাজ্যপাল হিসেবে যে দায়িত্ব আমার কাঁধে রয়েছে, সেটা গত এক বছরে পালন করার চেষ্টা করছি আমি। সংবিধান রক্ষা করা এবং মানুষের উপকার করা আমার দুটি কাজ। আমি তা হৃদয় দিয়ে করেছি। হিংসা বা দুর্নীতি সরকার করেছে, সেটা বলছি না। আমি মনে করি হিংসা বা দুর্নীতি হলে সরকার ব্যবস্থা নেবে। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে রাজ্যপালের মতপার্থক্য হতে পারে। কিন্তু দুজনকেই মানুষের কথা ভাবতে হবে। মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত ও রাজ্যপাল মনোনীত। তাই দু পক্ষকেই পরস্পরের জায়গা বুঝে কাজ করতে হবে।”

    আরও পড়ুুন: লস্কর-ই-তৈবাকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করল ইজরায়েল, ভারতকে নয়া বার্তা তেল আভিভের?

    রাজ্যপাল বলেন, “আমি বলছি না যে গত এক বছরে রাজ্যে যা যা ঘটনা ঘটেছে, তার পিছনে প্রশাসন বা রাজ্য সরকার সরাসরি জড়িত রয়েছে। আমার লক্ষ্য হিংসা ও দুর্নীতি বন্ধ করা। তাই আবারও রাজ্যবাসীর কাছে আবেদন, ঘুষ নেবেন না, ঘুষ দেবেন না। আর রাজভবনের সঙ্গে রাজ্য সরকারের যে ধরনের সংঘাতের কথা বলা হয়, তেমন সংঘাত আদতে নেই। মুখ্যমন্ত্রী-রাজ্যপালের (CV Anand Bose) মধ্যে সম্পর্কের কয়েকটি স্তর থাকে। মানুষের চাহিদা মেটাবেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যপাল সেই বিষয়টা সাংবিধানিকভাবে দেখবেন। উভয়কেই আইন মেনে চলতে হবে। পরস্পরের প্রতি সম্মান থাকলে ভাল কাজ হয়।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Soumendranath Mukherjee: ‘‘আত্মসম্মান বাঁচাতেই অ্যাডভোকেট জেনারেলের পদ ছেড়েছি’’, বললেন সৌমেন্দ্রনাথ

    Soumendranath Mukherjee: ‘‘আত্মসম্মান বাঁচাতেই অ্যাডভোকেট জেনারেলের পদ ছেড়েছি’’, বললেন সৌমেন্দ্রনাথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্রিটেনে থাকাকালীন গত ১০ নভেম্বর রাজ্যপালের কাছে ই-মেল মারফত নিজের পদত্যাগ পত্র পাঠিয়েছিলেন সৌমেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় (Soumendranath Mukherjee)। দেশে ফিরে শুক্রবার তিনি সরাসরি রাজভবনে হাজির হন এবং পদত্যাগ পত্র জমা দেন সিভি আনন্দ বোসের কাছে। এদিন মমতা সরকারের অসহযোগিতা এবং তাঁর প্রতি অসম্মানের কথাই উঠ আসে সৌমেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়ের কণ্ঠে। এজির পদত্যাগ ঘিরে জোর চর্চা শুরু হয়েছে বাংলার রাজনৈতিক মহলে। সৌমেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় এদিন বলেন, ‘‘আত্মসম্মান বাঁচাতেই অ্যাডভোকেট জেনারেলের পদ ছেড়েছি।’’

    মমতা সরকারের অসহযোগিতা

    প্রশ্ন হল, রাজ্যে ফিরেই সশরীরে সিভি আনন্দ বোসের কাছে ইস্তফাপত্র জমা দেওয়া যেত কিন্তু তড়িঘড়ি করে হঠাৎ তিনি বিদেশ থেকে কেন ইমেল মারফত পদত্যাগ পত্র পাঠালেন? এর উত্তরে সৌমেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় (Soumendranath Mukherjee) বলেন, “অস্বস্তি অনেকদিন ধরেই ছিল। যারা আমাকে বলেছিল এই পদ নিতে, ওরা সবসময় আমার সঙ্গে দাঁড়ায়নি। কয়েকটা স্টেটমেন্ট ছিল, যা আমার ছিল না। সেই বেসিসে যখন দেখলাম সরকার এগোচ্ছে আর ওই স্টেটমেন্টগুলোকে হাতিয়ার করছে, আমার এই পদে থাকার কোনও মানেই হয় না।”

    মমতা সরকার অসম্মান করেছে

    মমতা সরকার তাঁকে অসম্মানিত করেছে। এই অভিযোগ এনে সৌমেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় (Soumendranath Mukherjee) বলেন, “আমারও মান-সম্মান আছে। তাই ঠিক করলাম আর একদিনও এই পদে যেন থাকতে না হয়। পলিটিকাল এস্টাবলিশমেন্টের জন্য রাজনীতি হল সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ। মতভেদ হতেই পারে। কিন্তু যে ধরনের সাপোর্ট দরকার ছিল এই পদে থেকে, তা হয়নি। যে কারণেই হোক, আইনজীবীরা আছেন, প্যানেল বদল হয়, কোনও ক্ষেত্রেই আমার সঙ্গে কোনও আলোচনা হয়নি। যে ধরনের প্যানেল হলে হয়ত সুবিধা হত, তা আমি পাইনি। কাজের চাপ প্রচুর ছিল।”

    দুর্নীতি ইস্যুতে কী বললেন সৌমেন্দ্রনাথ 

    রাজ্য সরকারের একাধিক নেতা-মন্ত্রী দুর্নীতির অভিযোগে জেলে রয়েছেন। এনিয়ে নিজের অবস্থানের কথা বলতে গিয়ে সৌমেন্দ্রনাথ (Soumendranath Mukherjee) বলেন, “দুর্নীতির ব্যাপারে আমার অবস্থান স্পষ্ট ছিল। রাজ্য কোনও দুর্নীতি সমর্থন করতে পারে না। কোনও দুর্নীতি হয়ে থাকলে, রাজ্যের অবস্থান স্পষ্ট থাকা দরকার যে তারা সমর্থন করছে না। রাজ্যের দেখা উচিত যারা দুর্নীতির জন্য দায়ী, তারা যেন শাস্তি পায়। আমি সে ধরনের কাউকে সমর্থন করিনি, করবও না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Partha Chatterjee: পার্থর বিরুদ্ধে চার্জশিটের অনুমোদন রাজ্যপালের, ক্রমেই শক্ত হচ্ছে প্রাক্তন মন্ত্রীর দুর্নীতির ফাঁস!

    Partha Chatterjee: পার্থর বিরুদ্ধে চার্জশিটের অনুমোদন রাজ্যপালের, ক্রমেই শক্ত হচ্ছে প্রাক্তন মন্ত্রীর দুর্নীতির ফাঁস!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chatterjee) বিরুদ্ধে চার্জশিটের অনুমোদন দিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। এই প্রথম সিবিআই মামলায় পার্থর নামে এল চার্জশিটের অনুমোদন। গ্রুপ সি নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় পার্থর নামে চার্জশিটের অনুমতি দিলেন রাজ্যপাল। বৃহস্পতিবার আদালতে এ কথা জানায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই।

    মন্ত্রীর ক্ষেত্রে চার্জশিট দেওয়ার নিয়ম

    এতদিন পর্যন্ত রাজ্যপালের অনুমোদন না থাকায় চার্জশিট গ্রহণ করেনি আদালত। উল্লেখ্য, রাজ্যের মন্ত্রী ছিলেন পার্থ। মন্ত্রীকে শপথবাক্য পাঠ করান রাজ্যপাল। তাই কোনও মন্ত্রীকে গ্রেফতার করার ক্ষেত্রে কিংবা চার্জশিটে নাম দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রয়োজন হয় রাজ্যপালের অনুমতির। গ্রুপ সি নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় ওই চার্জশিটে শান্তিপ্রসাদ সিনহা সহ কয়েকজন প্রাক্তন আধিকারিকের নাম রয়েছে। তাঁদের জন্য প্রয়োজন রাজ্য সরকারের অনুমোদন। সেই অনুমোদন চাওয়াও হয়েছে। যদিও মেলেনি। তাই ওই চার্জশিট আদালত গ্রহণ করবে কিনা, সে প্রশ্নও উঠছে।

    নেপথ্য কাহিনি

    প্রসঙ্গত, গত বছর ২২ জুলাই রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chatterjee) বাড়িতে হানা দেয় ইডি। পরের দিন গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। ইডির গ্রেফতারির মাস কয়েক পরে পার্থকে গ্রেফতার করে সিবিআই। তাঁকে হেফাজতে নিয়ে জেরা করার পর বিচার প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রেও প্রয়োজন ছিল রাজ্যপালের অনুমোদনের। সেটা আগেই দিয়েছিলেন রাজ্যপাল। এবার দিলেন চার্জশিটে নাম দেওয়ার প্রয়োজনীয় অনুমোদনও।

    নিয়োগ কেলেঙ্কারি প্রকাশ্যে আসার পর প্রথম যে হেভিওয়েট গ্রেফতার হন, তিনি হলেন পার্থ। তাঁর বাড়ির পাশাপাশি পার্থর বান্ধবী অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের জোড়া ফ্ল্যাটে হানা দেয় ইডি। উদ্ধার হয় নগদ প্রায় ৫০ কোটি টাকা। তার পরেই গ্রেফতার করা হয় সবান্ধব পার্থকে। প্রেসিডেন্সি জেলের আলাদা আলাদা সেলে রয়েছেন পার্থ ও অর্পিতা।

    আরও পড়ুুন: ‘‘ডাউনলোড হওয়া ১৬টি ফাইল নিয়ে পুলিশের এত আগ্রহ কীসের?’’ প্রশ্ন আদালতের

    কিছু দিন আগেই আদালতে সিবিআই জানিয়েছিল, পার্থর (Partha Chatterjee) বাড়িতেই ছিল চাকরি বিক্রির অফিস। তাঁর নাকতলার বাড়ির গ্রাউন্ড ফ্লোরে একটি অফিস ছিল। সেখানে অবাধে যাতায়াত করতেন দালালরা। গ্রুপ সি-র নিয়োগ তালিকা তৈরি হত সেখানেই। পরে তা চলে যেত এসএসসির প্রাক্তন চেয়ারম্যান সুবীরেশ ভট্টাচার্যের কাছে। যাঁরা টাকা দিতেন, তালিকাভুক্ত হত তাঁদের নাম।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: উপাচার্য নিয়োগ বিল নিয়ে রাজ্যপালের বিরুদ্ধে মামলা, হলফনামা তলব হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: উপাচার্য নিয়োগ বিল নিয়ে রাজ্যপালের বিরুদ্ধে মামলা, হলফনামা তলব হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উপাচার্য নিয়োগ বিল নিয়ে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের বিরুদ্ধে দায়ের হয়েছে মামলা। তার জেরে মঙ্গলবার রাজ্যপালের দফতরের হলফনামা চাইল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। হলফনামা জমা দিতে হবে ৪ অক্টোবরের মধ্যে। বিচারপতি ইন্দ্রপ্রসন্ন মুখোপাধ্যায় ও বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চের তরফে চাওয়া হয় হলফনামা। এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ১৬ অক্টোবর।

    কেন্দ্রের আইনজীবীকে প্রশ্ন আদালতের

    মামলাকারীর অভিযোগ, রাজ্যের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলির আচার্য হিসেবে মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়োগের যে বিল বিধানসভায় পাশ হয়েছে, তা আটকে রেখে সাংবিধানিক সঙ্কট তৈরি করেছেন রাজ্যপাল। এদিন মামলার শুনানিতে কেন্দ্রের আইনজীবীকে আদালতের (Calcutta High Court) প্রশ্ন, “যদি সাংবিধানিক সঙ্কট তৈরি হয়, তাহলেও কি আদালত রাজ্যপালকে কোনও একটি সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়ার অনুরোধ জানাতে পারে না? ডানদিকে হোক, বামদিকে হোক বা কেন্দ্রে হোক, যেখানেই হোক, কোনও সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়ার অনুরোধ রাজ্যপালকে আদালত জানাতে পারে না? এই ধরনের সাংবিধানিক পদে থাকা ব্যক্তিদের কৈফিয়ত তলব করা যায় না, সময় বেঁধে দেওয়া যায় না, কিন্তু যুক্তিসঙ্গত সময়ের মধ্যে সিদ্ধান্ত গ্রহণের অনুরোধও কি আদালত করতে পারে না?”

    কী জবাব দিলেন কেন্দ্রের আইনজীবী?

    কেন্দ্রের আইনজীবী বলেন, “সংবিধান রাজ্যপাল সহ একাধিক সাংবিধানিক পদে থাকা ব্যক্তিকে রক্ষাকবচ দিয়েছে। তাঁরা জবাবদিহি করতে বাধ্য নন। মামলাকারীর রাজনৈতিক পরিচয় খতিয়ে দেখা হোক। তিনি একটি রাজনৈতিক দলের সাধারণ সম্পাদক। এই পরিচয় গোপন করে তিনি মামলা করেছেন। তাই এই মামলা গ্রহণযোগ্য নয়।”

    রাজ্য সরকারের আইনজীবী বলেন (Calcutta High Court), “একটি বিল যাওয়ার পরে রাজ্যপাল তিনটি কাজ করতে পারেন। প্রথমত, তিনি বিলে সম্মতি জানিয়ে সই করতে পারেন। দ্বিতীয়ত, তিনি পরামর্শ দিয়ে বা না দিয়ে পুনরায় বিবেচনার জন্য বিধানসভায় বিলটি ফেরত পাঠাতে পারেন। তৃতীয়ত, তিনি বিলটি রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠিয়ে দিতে পারেন। বিলটি তাঁর কাছে যাওয়ার পর এক বছরেরও বেশি সময় অতিক্রান্ত হলেও, রাজ্যপাল এই তিনটি পদক্ষেপের কোনওটিই করেননি।

    আরও পড়ুুন: লোকসভা ভোটের ঢাকে কাঠি! ভোটার তালিকায় ত্রুটি রুখতে গুচ্ছ নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের

    প্রসঙ্গত, বিধানসভা ও রাজ্য মন্ত্রিসভায় পাশ হওয়ার পর ২০২২ সালের ১৫ জুন বিলটি পাঠানো হয় রাজ্যপালের কাছে। বিলটিতে তিনি সই করলে সেটি আইনে পরিণত হত। রাজ্যপাল বিলটি নিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেননি। এর প্রেক্ষিতেই দায়ের হয়েছে জনস্বার্থ মামলা (Calcutta High Court)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • JU Student Death: স্বপ্নদীপের মৃত্যুতে গ্রেফতার এক প্রাক্তনী, র‌্যাগিং রুখতে কমিটি গড়বেন রাজ্যপাল

    JU Student Death: স্বপ্নদীপের মৃত্যুতে গ্রেফতার এক প্রাক্তনী, র‌্যাগিং রুখতে কমিটি গড়বেন রাজ্যপাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম বর্ষের ছাত্র স্বপ্নদীপ কুণ্ডুর মৃত্যু রহস্যে (JU Student Death) প্রথম গ্রেফতারি। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র সৌরভ চৌধুরীকে এদিন গ্রেফতার করে যাদবপুর থানার পুলিশ। প্রসঙ্গত, সৌরভের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছিলেন স্বপ্নদীপের বাবা রামপ্রসাদ কুণ্ডু। বুধবার রাতে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের হস্টেলের এ-২ ব্লকের নিচে বাংলা বিভাগের ছাত্র প্রথম বর্ষের স্বপ্নদীপকে উদ্ধার করা হয়। হাসপাতালে নিয়ে গেলে বৃহস্পতিবার ভোরে তাঁর মৃত্যু (JU Student Death) হয়। 

    স্বপ্নদীপের পরিবারের অভিযোগ

    পরিবারের অভিযোগ, র‌্যাগিংয়ের দ্বারা চরম নির্যাতন করা হয় স্বপ্নদীপকে। গ্রেফতার হওয়া সৌরভ চৌধুরীর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন স্বপ্নদীপের বাবা। তা থেকে জানা গিয়েছে যে সৌরভই ছিল মেস কমিটির একজন এবং তাঁর ছেলে প্রথমে হস্টেলে থাকার সুযোগ পায়নি। সৌরভই তাঁকে হস্টেলে থাকার ব্যবস্থা করে দেয়।  প্রথমে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্রকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় এবং শুক্রবার রাতেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। কলকাতার পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েল নিজেও সৌরভ চৌধুরীকে জেরা করেন বলে জানা গিয়েছে। সৌরভের সঙ্গে স্বপ্নদীপের (JU Student Death) বাবার আলাপ হয় গত ৩ অগাস্ট যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে একটি চায়ের দোকানে। জানা গিয়েছে, বিজ্ঞান বিভাগে এমএসসি পাস করেছে সৌরভ ২০২২ সালে। এবং তার বাড়ি চন্দ্রকোণায়।স্বপ্নদীপ (JU Student Death) হস্টেলের ৬৮ নম্বর রুমে থাকতো। তার রুমমেট ছিল কল্লোল ঘোষ। এছাড়াও যাদবপুরে মেইন হস্টেলে মনোতোষ নামে এক ছাত্রের সঙ্গে স্বপ্নদীপকে আলাপ করিয়ে দেওয়া হয় বলে জানা গিয়েছে।

    র‌্যাগিং বিরোধী কমিটি গঠনে উদ্যোগী রাজ্যপাল

    অন্যদিকে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-মৃত্যুর (JU Student Death) ঘটনায় এবার র‌্যাগিং বিরোধী কমিটি গঠনে উদ্যোগে হলেন রাজ্যপাল তথা আচার্য সিভি আনন্দ বোস। শুক্রবারই বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন অধ্যাপককে তিনি ডেকে পাঠিয়েছিলেন বলে রাজভবন সূত্রে জানা গিয়েছে। এবং সেখানে রাজ্যপাল জানিয়েছেন শুধু যাদবপুর নয় রাজ্যের সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে অ্যান্টি রাগিং কমিটি তৈরি করা হবে। এবং ওই কমিটির নেতৃত্বে থাকবেন কর্নাটক হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি শুভ্রকমল মুখোপাধ্যায়। বর্তমানে তিনি রবীন্দ্রভারতীর অন্তর্বর্তী উপাচার্য আছেন বলেও জানা গিয়েছে। ওই কমিটি র‌্যাগিং সংক্রান্ত যাবতীয় অভিযোগ শুনবে এবং র‌্যাগিং আটকাতে নীতি নির্ধারণ করবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • C V Ananda Bose: ২৪ ঘণ্টাতেই ১০টা ফোন! রাজভবনে খোলা হল অ্যান্টি কোরাপশন সেল

    C V Ananda Bose: ২৪ ঘণ্টাতেই ১০টা ফোন! রাজভবনে খোলা হল অ্যান্টি কোরাপশন সেল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে কোনভাবেই বরদাস্ত নয় দুর্নীতি, এই বার্তা দিতেই এবার রাজভবনে খোলা হল ‘অ্যান্টি কোরাপশন সেল’। পঞ্চায়েত নির্বাচন থেকে শিক্ষাক্ষেত্রে দুর্নীতি সবটা নিয়েই বারবার মুখ খুলেছেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস (C V Ananda Bose)। তিনি যে কোনওভাবেই রাজ্যে দুর্নীতি বরদাস্ত করবেন না, সেই বার্তা দিতেই রাজভবনের পিস রুমে চালু করলেন হেল্প লাইন নম্বর। ১ অগাস্ট থেকে শুরু হয়েছে এই অ্যান্টি কোরাপশন সেল’। 

    রাজ্যপালের অভিমত

    ২৪ ঘণ্টায় অন্তত ১০ টি ফোন এসেছে বলে রাজভবন সুত্রে জানা গেছে। এই অ্যান্টি কোরাপশন সেল নিয়ে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (C V Ananda Bose) বলেন, ”দুর্নীতি রুখতে মুখ্যমন্ত্রী যা বলেছিলেন, আমরা তাই করছি। কোচবিহারে মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, কাউকে টাকা দেবেন না, আমরা চুরি বরদাস্ত করব না। আমরাও সেটাই করছি, কেউ দুর্নীতি করলে, অ্যান্টি কোরাপশন সেলে রিপোর্ট করুন। আমরা যথাযথ জায়গায় পৌঁছে দেব। ” বেশ কয়েকজন আধিকারিক ওই সেলের দায়িত্বে রয়েছেন। রাজ্যের যে কোনও মানুষ, যে কোনও দুর্নীতির অভিযোগ জানাতে পারেন ওই সেলে। অভিযোগ পেলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হবে বলে জানিয়েছেন আধিকারিকরা। পুরো সমাজ, বিশেষত শিক্ষা ব্যবস্থাকে দুর্নীতিমুক্ত করতে এই পদক্ষেপ করেছেন রাজ্যপাল। রাজ্যপাল বলেন, ‘কোনও প্রকারের দুর্নীতি বরদাস্ত করা হবে না।’ তিনি জানিয়েছেন, কেউ টাকা নিচ্ছে দেখা গেলেই, তা ছবি তুলে জানানো যেতে পারে রাজভবনের ওই সেলে।

    আরও পড়ুন: এবার থেকে জন্ম শংসাপত্রেই মিলবে সব নাগরিক পরিষেবা! বিল পাশ সংসদে

    মুখ্যমন্ত্রীর কটাক্ষ

    পঞ্চায়েত ভোটের সময় রাজভবনে ‘পিস রুম’ খুলে চমকে দিয়েছিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (C V Ananda Bose)। এবার রাজভবনে রাজ্যপালের নেতৃত্বে খোলা হল ‘‌অ্যান্টি কোরাপশন সেল’‌। মমতা সরকারের বিরুদ্ধে এখানে অভিযোগ জমা পড়বে। রাজ্যপাল সমান্তরাল প্রশান চালাতে চাইছেন বলে ইতিমধ্যেই সরব শাসক দল তৃণমূল। বুধবার বিকেলে নবান্নে এই ‘‌অ্যান্টি কোরাপশন সেল’‌ নিয়ে মন্তব্য করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। জগদীপ ধনখড়ের আমলের সঙ্গে বর্তমান অবস্থার তুলনা করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘রাজ্যপাল নাকি স্পেশাল সেল করেছেন! এটা রাজ্যপালের কাজ নয়। ধনখড় যখন ছিলেন তখন‌ও অনেক বিষয়ে আমরা একমত হতাম না, কিন্তু তিনি এটা করেননি। ইনি তো দেখছি বিজেপি যা বলে দিচ্ছে তাই করছেন।’

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Elections 2023: “আক্রান্তদের অপরাধ, তাঁরা মোদিকে ভালবাসেন”, ‘শান্তিকক্ষ’ থেকে বেরিয়ে বললেন রবিশঙ্কর

    Panchayat Elections 2023: “আক্রান্তদের অপরাধ, তাঁরা মোদিকে ভালবাসেন”, ‘শান্তিকক্ষ’ থেকে বেরিয়ে বললেন রবিশঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচনকে (Panchayat Elections 2023) ঘিরে যাতে অশান্তি না হয়, সেজন্য রাজভবনে ‘শান্তিকক্ষ’ খুলেছিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Anand Bose)। বৃহস্পতিবার সকালে রাজভবনে পৌঁছলেন বিজেপির ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটির সদস্যরা। এদিন রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করতে যান বিএসএফের স্পেশাল ডিজি পর্যায়ের এক আধিকারিকও।

    রাজভবনে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম

    রাজ্যে নির্বাচনোত্তর হিংসা খতিয়ে দেখতে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম গঠন করেছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। বুধবার ওই দলের সদস্যরা পৌঁছান এ রাজ্যে। সেদিন ঘুরে দেখেন উত্তর ২৪ পরগনা। বৃহস্পতিবার যান রাজভবনে। ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ। এদিন রাজভবন থেকে বেরিয়ে তিনি বলেন (Panchayat Elections 2023), আমরা বুধবার সন্ত্রাসের শিকার কয়েকটি পরিবারের সঙ্গে দেখা করেছি। আশ্চর্য হয়ে দেখেছি, ১২-১৩ বছরের শিশুও হামলার শিকার হয়েছে। মিনাখাঁর রাজমিস্ত্রি শান্তনু পাত্রের বাড়িতে গিয়েছিলাম। তামিলনাড়ুতে পরিযায়ী শ্রমিকের কাজ করা শান্তনু তাঁর বাড়িতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ছবি লাগিয়েছিলেন। সেই অপরাধে তাঁর বাড়ি তছনছ করা হয়েছে।

    দুর্ভাগ্যের বিষয়

    প্রাক্তন আইনমন্ত্রী বলেন, রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করে আবেদন করেছি, সাধারণ মানুষের জীবন ও সম্পত্তির সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়া, যেখানে হামলা হয়েছে, সেখানে পুলিশের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা হোক। প্রয়োজন মনে হলে আপনি সেই সব জায়গা পরিদর্শন করুন। কোথাও তো বিচার হওয়া উচিত। মমতার রাজ্যে সুবিচারের আবেদন জানানোর সুযোগও শেষ হয়ে গিয়েছে।

    পুলিশ আক্রান্তদের সুবিচার দিতে চায় না, প্রশাসন শোনে না। এরা সবাই ওঁর সরকারের অপরাধমূলক আচরণের শামিল হয়ে হয়ে পড়েছে। এটা খুবই দুর্ভাগ্যের।

    আরও পড়ুুন: রাজভবনে জমা সব হিংসার অভিযোগ পাঠাতে হবে হাইকোর্টে, নির্দেশ রাজ্যপালের

    রবিশঙ্কর (Panchayat Elections 2023) বলেন, যেখানে তৃণমূলের সঙ্গে তৃণমূলের সংঘর্ষ চলছে, সেখানেও পুলিশ পদক্ষেপ করছে না। আমরা এটা রাজ্যপালকে জানিয়েছি। রাজ্যপাল কী করবেন, সেটা আমি বলতে পারব না। কিন্তু আমরা এখানকার মানুষের যন্ত্রণার কথা তুলে ধরেছি। তিনি বলেন, আমরা ভোট-হিংসার যন্ত্রণাদায়ক ছবি দেখেছি। যাঁদের ওপর হামলা হয়েছে, তাঁদের বাড়িতে গিয়েছি। আক্রান্তদের একটাই অপরাধ, তাঁরা নরেন্দ্র মোদিকে ভালবাসেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Suvendu Adhikari: আলিপুরে কারা দফতরের জমি বিক্রিতেও দুর্নীতি! রাজ্যপালকে চিঠি দিলেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: আলিপুরে কারা দফতরের জমি বিক্রিতেও দুর্নীতি! রাজ্যপালকে চিঠি দিলেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি, গরু পাচার কাণ্ডে নাজেহাল অবস্থা রাজ্যের। এই আবহেই আরও এক দুর্নীতির কথা প্রকাশ্যে আনলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। আলিপুরে কারা দফতরের জমি বিক্রি নিয়ে বড়সড় দুর্নীতি হয়েছে বলে অভিযোগ করলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই অভিযোগের তদন্ত চেয়ে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসকে চিঠি দিলেন তিনি। রাজ্যপাল যাতে বিষয়টি অনুসন্ধান করে দেখেন, সেই অনুরোধ জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা। বুধবার পাঁচ পাতার চিঠিটি রাজভবনে পাঠিয়ে একটি ট্যুইট করেছেন নন্দীগ্রাম বিধায়ক।

    কী দাবি শুভেন্দুর?

    শুভেন্দু লিখেছেন, “আমি মাননীয় রাজ্যপালকে একটি বড় কেলেঙ্কারির তদন্ত করার জন্য অনুরোধ করেছি যেখানে আলিপুরের সংশোধনাগারের ৫.৬ একর জমি ‘আলিপুর গ্রিন সিটি ডেভেলপমেন্ট’ প্রকল্পের অধীনে অত্যধিক কম দামে দেওয়া হয়েছে। যার ফলে ৮৭৬ কোটি টাকা রাজস্ব ক্ষতি হয়েছে।” চিঠিতে শুভেন্দু আরও দাবি করেছেন, আলিপুরের জমিটি মুম্বইয়ের একটি সংস্থাকে নূন্যতম দামে ৯৯ বছরের জন্য লিজ দিয়েছে। ৮৭৬ কোটি টাকার জমি মাত্র ৪১৪ কোটি টাকা বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে।

    শুভেন্দুর দাবি, আলিপুরে ৫.৬ একর জমি যেখানে ১০ লাখ স্কোয়ার ফুট বিক্রয়যোগ্য জায়গা রয়েছে, তা এক সংস্থাকে ৪১৪ কোটি টাকায় দিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু সেখানে মোট বিক্রয়যোগ্য জমির দাম ২ হাজার ৩০০ কোটি টাকারও বেশি। আলট্রা প্রিমিয়াম ওই অ্যাপার্টমেন্টগুলির দাম আনুমানিক সাড়ে পাঁচ হাজার টাকা স্কোয়ার ফুট হতে পারে। সেক্ষেত্রে ওই আলিপুরের ওই জমি জলের দরে দিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ শুভেন্দুর। এই দুর্নীতিতে রাজ্যের এক মন্ত্রীর পাশাপাশি কয়েকজন আমলার নামে এই গোটা প্রক্রিয়ায় যুক্ত থাকার অভিযোগ এনেছেন তিনি। এমন সব অভিযোগ এনে জমি বিক্রি ও ওই আবাসন প্রকল্প নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ এনে রাজ্যপালের কাছে তদন্তের দাবি করেছেন বিরোধী দলনেতা।

    উল্লেখ্য, আলিপুর সংশোধনাগার বারুইপুরে স্থানান্তরিত হয়ে যাওয়ার পরেই ওই জমিটির একাংশে স্বাধীনতার ৭৫ বর্ষপূর্তি উপলক্ষে একটি মিউজিয়াম তৈরি করা হয়েছে। জমির বাকি অংশটি আবাসন প্রকল্পের জন্য দেওয়া হয়েছে। সেই আবাসন প্রকল্পটি তৈরি করছে একটি বেসরকারি সংস্থা। আর এটি নিয়েই অভিযোগ করেছেন শুভেন্দু। 

    কারামন্ত্রীর কী বক্তব্য?

    অন্যদিকে, শুভেন্দু অধিকারীর এই অভিযোগের বিষয়ে রাজ্যের কারামন্ত্রী অখিল গিরিকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলছেন, “কেন্দ্রীয় সরকারের সব নিয়ম মেনেই ওখানে আবাসন প্রকল্প তৈরি হচ্ছে। কোথাও কোনও দুর্নীতি নেই। অভিযোগের কোনও সারবত্তা নেই বলে মনে করি। তবে যে কেউ অভিযোগ করতেই পারেন।” এই পরিস্থিতিতে শুভেন্দুর লেখা চিঠিতে কী পদক্ষেপ নিতে চলেছে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস, তারই অপেক্ষায় রাজ্যবাসী।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • DA Protesters: রাজভবনে ডিএ সংক্রান্ত বৈঠক আন্দোলনকারীদের, দাবি মেটানোর আশ্বাস রাজ্যপালের

    DA Protesters: রাজভবনে ডিএ সংক্রান্ত বৈঠক আন্দোলনকারীদের, দাবি মেটানোর আশ্বাস রাজ্যপালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডিএ সংক্রান্ত সমস্যা সমাধানের আশায় রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোসের সঙ্গে দেখা করতে রাজভবনে গিয়েছিলেন আন্দোলনকারীদের পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধি দল (DA Protesters)। রবিবার বেলা ১১টা নাগাদ রাজভবনে পৌঁছে গিয়েছিলেন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের পাঁচ সদস্য। রাজভবনে প্রায় ১৫ মিনিট ছিলেন তাঁরা। রাজভবন থেকে বেরিয়ে এসে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে আন্দোলনকারীরা বলেন, “সিভি আনন্দ বোস নিজেও প্রাক্তন সরকারি কর্মচারী। তিনি আমাদের আশ্বস্ত করে জানিয়েছেন যে, আন্দোলনকারীদের ডিএ সংক্রান্ত দাবি যথার্থ।”

    রাজ্যপাল কী বললেন?

    শনিবার ডিএ সংক্রান্ত সমস্যা নিয়ে ট্যুইট করেছিলেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস। তাঁর মত ছিল আলোচনার মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান সম্ভব। ফলে সরকারি কর্মচারীদের (DA Protesters) অনশন তুলে নিতে বলেন এবং এর পাশাপাশি রবিবার বৈঠকের ডাক দেওয়া হয় সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের সরকারি কর্মচারীদের। ডিএ সমস্যা নিয়ে আলোচনা চেয়েছিলেন কর্মীরাও। এর পরেই আজ রাজভবনে তাঁরা পৌঁছে যান ও ১০ থেকে ১৫ মিনিট পর তাঁরা বেরিয়ে আসেন। এরপর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের প্রতিনিধি দল জানান যে, রাজ্যপাল তাঁদেরকে আশ্বাস দিয়েছেন তাঁদের দাবি মেটানোর। এছাড়াও রাজ্যপাল জানিয়েছেন, আন্দোলনকারীদের ডিএ সংক্রান্ত দাবি যথার্থ। সাংবিধানিক পদে থেকে তিনি এই দাবি পূরণের জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করবেন।

    আরও পড়ুন: বালি পাচারের সঙ্গেও যুক্ত শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়! কীভাবে জড়ালেন এই কারবারে?

    আবার ডিএ সংক্রান্ত আলোচনার জন্য মুখ্যমন্ত্রী এবং রাজ্যপালের সঙ্গে ত্রিপাক্ষিক বৈঠক চেয়েছিলেন আন্দোলনকারীরা (DA Protesters)। রাজ্যপাল জানিয়েছেন, সেই বৈঠক আয়োজনেরও চেষ্টা করবেন তিনি। উল্লেখ্য, রাজ্যপালের মধ্যস্থতা চান, তাই আজকে বৈঠকে সামিল হয়েছিলেন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের সরকারি কর্মচারীরা।

    অনশন অব্যাহত

    তবে রাজ্যপালের তরফে আশ্বাস পাওয়া গেলেও এখনই আন্দোলন থেমে যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা (DA Protesters)। সংগ্রামী যৌথ মঞ্চে কর্মচারীদের অনুষ্ঠান তুলে নেওয়ার কথা জানানো হলেও এখনই অনশন বন্ধ করা হচ্ছে না। যতদিন পর্যন্ত তাঁদের দুই দফা দাবি অর্থাৎ বকেয়া মহার্ঘ ভাতা মেটানো এবং স্বচ্ছ নিয়োগ, এই দুটি মেটানো হচ্ছে, ততদিন পর্যন্ত তাঁরা অবস্থান বিক্ষোভ এবং অনশন চালিয়ে যাবেন বলে জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। এছাড়াও রাজ্যপালের আশ্বাসের পর কী পদক্ষেপ করা হয়, তা আগে দেখবেন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের সদস্যেরা। সেই অনুযায়ী আন্দোলন নিয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন তাঁরা।  

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • CV Anand Bose: পশ্চিমবঙ্গ তফশিলি জাতি ও তফশিলি উপজাতি সংশোধন বিলে স্বাক্ষর রাজ্যপালের

    CV Anand Bose: পশ্চিমবঙ্গ তফশিলি জাতি ও তফশিলি উপজাতি সংশোধন বিলে স্বাক্ষর রাজ্যপালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দায়িত্ব নিয়েই কাজ শুরু করে দিলেন নয়া রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Anand Bose)। শপথের পর তিনি জানিয়েছিলেন,মানুষের স্বার্থে কোনও আপোষ নয়। উন্নয়নের স্বার্থে রাজ্য প্রশাসনকে সঙ্গে নিয়েই তিনি কাজ করবেন। সেই কথামতোই দায়িত্ব নেওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই পশ্চিমবঙ্গ তফশিলি জাতি ও তফশিলি উপজাতি সংশোধন বিল ২০২২-এ সই করলেন তিনি। বিলে স্বাক্ষর করার পাশাপাশি ট্যুইট করে তা জানিয়েও দিলেন।

    আরও পড়ুন: ভারতের ইতিহাস বীরত্বের, যোদ্ধাদের! নতুন করে তা লিখতে হবে অভিমত প্রধানমন্ত্রীর

    রাজ্যপালের ট্যুইট

    বুধবারই বাংলার নতুন রাজ্যপাল (Governor) হিসেবে শপথ নিয়েছেন তিনি। আর বৃহস্পতিবারই, তফশিলি জাতি ও উপজাতি সংশোধনী বিলে সই করেন সিভি আনন্দ বোস (CV Anand Bose)। নিজেই ট্যুইট করে জানান সেকথা। ট্যুইট বার্তায় তিনি লেখেন,’সংশোধনী এই বিলে সম্মতি দিতে পেরে তিনি আনন্দিত।’  সেপ্টেম্বর মাসেই এই সংশোধনী বিল বিধানসভায় পাস হয়। তারপর থেকেই তা ছিল রাজ্যপালের অনুমোদনের অপেক্ষায় ছিল। পরবর্তীকালে, অস্থায়ী রাজ্যপাল লা গণেশন বেশ কিছু বিলে স্বাক্ষর করলেও, এই বিলের ক্ষেত্রে সবুজ সঙ্কেত পাওয়া যায়নি। অবশেষে এই সংশোধনী বিলে বৃহস্পতিবার অনুমোদন দিলেন নতুন রাজ্যপাল। এদিকে, দায়িত্বগ্রহণের পর শুক্রবার বিকেলে, ন্যাশনাল লাইব্রেরি পরিদর্শনে যান সিভি আনন্দ বোস। ছিলেন প্রায় ৪৫ মিনিট। ঘুরে দেখেন লাইব্রেরি। হাতে তুলে নেন বহু দুষ্প্রাপ্য বই।

    বিলের সুবিধা

    এই বিলে সই হয়ে যাওয়ায় আদিবাসী মানুষদের অনেক সুবিধা হবে। উল্লেখ্য, এতদিন SC/ST শংসাপত্রের জন্য মাত্র একবার আবেদন করা যেত। উচ্চতর কর্তৃপক্ষ সেই আবেদন খারিজ করে দিলে,আর আবেদনের সুযোগ ছিল না। বিল সংশোধনের ফলে, এবার আবেদন খারিজ হলেও, ফের আবেদন জানানো যাবে। এই তফশিলি জাতি ও তফশিলি উপজাতি সংশোধন বিলকে সামনে রেখে আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনে প্রচারে আসতে পারবে শাসক-বিরোধী দুই শিবিরই। রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে এই বিলে স্বাক্ষর করেছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Anand Bose)। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

LinkedIn
Share