Tag: Cyber Crime

Cyber Crime

  • Cyber Crime: বিনিয়োগ জালিয়াতির অভিযোগে হায়দ্রাবাদে চিনা নাগরিকসহ গ্রেফতার ১০

    Cyber Crime: বিনিয়োগ জালিয়াতির অভিযোগে হায়দ্রাবাদে চিনা নাগরিকসহ গ্রেফতার ১০

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি একটি বহুজাতিক গ্যাংয়ের পর্দাফাঁস করেছে হায়দ্রাবাদের সাইবার ক্রাইম পুলিশ (Hyderabad cybercrime police)। সারা দেশে ছড়িয়ে পড়া একটি বড় বিনিয়োগ জালিয়াতিতে জড়িত থাকার অভিযোগে দুই  চিনা নাগরিকসহ ১০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, বিনিয়োগ জালিয়াতির পরিমাণ ৯০৩ কোটি টাকারও বেশি।

    হায়দ্রাবাদের পুলিশ কমিশনার সিভি আনন্দ এ বিষয়ে জানান, এই বিনিয়োগ জালিয়াতির সঙ্গে কম্বোডিয়া, দুবাই ও চিনের মতো দেশের যোগাযোগ রয়েছে। আনন্দ বলেন, “হায়দ্রাবাদের সাইবার ক্রাইম পুলিশ সারা দেশে ছড়িয়ে থাকা প্রায় ৯০৩ কোটি টাকার একটি বড় বিনিয়োগ জালিয়াতিতে জড়িত থাকার অভিযোগে দুই চিনা নাগরিকসহ ১০ জনকে গ্রেফতার করেছে।” 

    দুর্নীতির অভিযোগ পেয়ে পুলিশ দিল্লি এবং দেশের অন্যান্য জায়গায় কল সেন্টারগুলিতেও অভিযান চালায়। আনন্দ বলেন, “সাইবার ক্রাইম পুলিশ দিল্লি ও অন্যান্য জায়গা থেকে পরিচালিত কয়েকটি কল সেন্টারে অভিযান চালিয়েছে এবং ভুয়ো বিনিয়োগ সংস্থাগুলির নেটওয়ার্ক ভেঙে দিতে সক্ষম হয়েছে। মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের প্রতারণা করা হচ্ছিল। কমিশন দেওয়ার লোভ দেখিয়ে মানুষের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করা হত।”   

    একটি ট্যুইটে বার্তায় আনন্দ বলেন, “এটি একটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য। এইচসিপি-র সাইবার ক্রাইম উইং ৯০৩ কোটি টাকার বিনিয়োগ জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত একটি বহুজাতিক গ্যাংকে ধ্বংস করেছে, যাদের কম্বোডিয়া, দুবাই এবং চিনে সংযোগ রয়েছে। অভিযুক্তরা ভুয়ো ইনভেস্টমেন্ট অ্যাপসের মাধ্যমে ভ্রান্ত বিনিয়োগকারীদের প্রলুব্ধ করে অর্থ পাচার করেছে।”  

    তিনি আরও বলেন, “এই ধরনের মানুষরা গোটা দেশে ছড়িয়ে আছে। এরা দেশের অর্থনীতির জন্যে অত্যন্ত ক্ষতিকারক।” 

    আনন্দ তাঁর ট্যুইটে আরও লিখেছেন, “আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, প্রশাসক এবং নিয়ন্ত্রকদের মধ্যে একটি সুসংহত দৃষ্টিভঙ্গি এবং সমন্বয় থাকলে জাতীয় নিরাপত্তা ও অর্থনীতিকে এইসব বিপদের থেকে বাঁচানো সহজ হয়ে পড়ে।”   

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

     

  • Remove Private Video: সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়েছে ব্যক্তিগত ছবি, ভিডিও! এই পরিস্থিতিতে কী করা উচিত?

    Remove Private Video: সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়েছে ব্যক্তিগত ছবি, ভিডিও! এই পরিস্থিতিতে কী করা উচিত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চণ্ডীগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬০ জন ছাত্রীর স্নানের ভিডিও ভাইরাল হওয়ার অভিযোগ ঘিরে শোরগোল পড়ে গিয়েছে পাঞ্জাব সহ পুরো দেশে। ওই ভিডিওগুলি নেটমাধ্যমে ছড়ানো হয়েছে বলেও অভিযোগ ওঠে। এমনকি, এর জেরে আট ছাত্রী আত্মহত্যার চেষ্টা করেন বলে দাবি করা হয়। এর ফলে গত শনিবার রাত থেকে পড়ুয়ারা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে। যদিও পরে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয় যে, একটি ভিডিওই ফাঁস হয়েছে এবং কোনও ছাত্রীই আত্মহত্যার চেষ্টা করেননি।

    ফলে সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যক্তিগত বা নগ্ন ছবি বা ভিডিও ভাইরাল হওয়ার মত অনেক ঘটনা প্রায়ই শোনা যায়। তবে কারোর ব্যক্তিগত ভিডিও ভাইরাল করা বিশ্বাসঘাতকতাই নয়, এটি একটি অপরাধও। তাই এমন দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা ঘটলে আপনার কী করা উচিত, জানেন?

    এমন পরিস্থিতিতে, সবার আগে ইন্টারনেট থেকে কীভাবে ভিডিও বা ছবি সরিয়ে ফেলা যায়, তার উপায় বের করতে হবে। এমন অনেক উপায় আছে যার মাধ্যমে আপনি যেকোনো সাইট বা সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে আপলোড করা এমএমএস (MMS) বা ফটোগ্রাফ ডিলিট করতে পারেন।

    আরও পড়ুন: চণ্ডীগড় বিশ্ববিদ্যালয় এমএমএস কাণ্ডে গ্রেফতার আরও দুই, ৬ দিনের জন্য বন্ধ ক্যাম্পাস

    পুলিশের সাথে যোগাযোগ করুন

    প্রথমে নিকটবর্তী থানায় গিয়ে এবং সাইবার সেলের কাছে একটি অভিযোগ দায়ের করা উচিত। আপনার অভিযোগের পর, পুলিশ ওয়েবসাইটের মালিক বা সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলির সঙ্গে যোগাযোগ করবে৷ আপনার অভিযোগ সঠিক প্রমাণিত হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    য়েবসাইটের মালিকের কাছে অভিযোগ করুন

    ভিডিও বা ছবি সরানোর আরেকটি উপায় হল সরাসরি ওয়েবসাইট বা সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের মালিকের সঙ্গে যোগাযোগ করা। মালিকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে যদি আপনার সমস্যা হয়, তবে www.whois.com নামক ওয়েবসাইটের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। এর মাধ্যমে, আপনি সাইটের মালিকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন এবং ভিডিওটি সরানোর জন্য অনুরোধ করতে পারবেন।

    গুগল সার্চ রেজাল্ট থেকে সরান

    যদি সেই আপত্তিকর ছবি বা এমএমএস গুগল সার্চ রেজাল্টে থাকে, তাহলে আপনি এটিকে সরানোর জন্য টেক জায়ান্টের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। এর জন্য, আপনাকে গুগল-এর সাপোর্ট পেজে যেতে হবে (support.google.com) এবং সেখানে তালিকাভুক্ত পদক্ষেপগুলি অনুসরণ করতে হবে।

  • WhatsApp Scam: হোয়াটসঅ্যাপে প্রতারণার শিকার! মুহূর্তে গায়েব কোটি কোটি টাকা? কী করবেন, জানুন…

    WhatsApp Scam: হোয়াটসঅ্যাপে প্রতারণার শিকার! মুহূর্তে গায়েব কোটি কোটি টাকা? কী করবেন, জানুন…

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনলাইনে যেবাবে প্রতারণা বৃদ্ধি পাচ্ছে, তাতে নিজেদের এই জাল থেকে দূরে রাখা খুবই মুশকিল হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে মেসেজ বা হোয়াটসঅ্যাপের (WhatsApp) মাধ্যমে প্রতারকরা এই জাল পেতে চলেছে। প্রায়ই হোয়াটসঅ্যাপে ব্ল্যাকমেল করে, কোনও লিঙ্কে ক্লিক করতে বলে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার ঘটনা শোনা যায়। সাধারণ মানুষ তো এই প্রতারণার কথা বুঝতে না পেরে অনেক সময় প্রতারকদের ফাঁদে পা দিয়েই দেয়, তবে এবারে এরকম ঘটনা ঘটল এক বড় সংস্থার সঙ্গেও, আর এদিকে হুশ নেই সংস্থার মালিকের।

    ভ্যাকসিন প্রস্তুতকারক ‘সিরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়া’ (এসআইআই) থেকে এক কোটি টাকারও বেশি প্রতারণার ঘটনা সামনে এসেছে। রবিবার জানা যায় যে, কিছু অজানা ব্যক্তি সিরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়ার থেকে এক কোটি টাকার প্রতারণা করেছে, পরে তাদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতারকরা আদর পুনাওয়ালা সেজে ভুয়ো মেসেজ পাঠায় এসআইআই-এর অর্থ বিভাগের পরিচালক সতীশ দেশপান্ডের হোয়াটসঅ্যাপে এবং ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা দ্রুত ট্রান্সফারের জন্য বলে। দেশপাণ্ডে ওই মেসেজ সত্যিই আদর পুনাওয়ালা পাঠিয়েছেন এই ভেবে তিনি ১,০১,০১,৫৫৪ কোটির বেশি টাকা প্রতারকদের অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দেন। পরে তাঁরা বুঝতে পারেন যে এসআইআই প্রতারিত হয়েছে।

    আরও পড়ুন: হোয়াটসঅ্যাপে সেক্স ট্র্যাপ, ভিডিও কলের ফাঁদে ৫.২৮ লক্ষ টাকা খোয়ালেন এক মুম্বইবাসী

    তবে আদর পুনাওয়ালার সঙ্গে ঘটা ঘটনা নতুন নয়। এর আগেও বিভিন্ন সরকারী সংস্থার কর্মচারীদের সঙ্গেও এমন প্রতারণা করা হয়েছে ও বিগত কয়েক মাস ধরে একাধিক সরকারী বিভাগ এই প্রতারণার বিষয়ে সতর্কতা জারি করেছে। এমন অনেক সময়ে দেখা গিয়েছে প্রতারকরা যাকে টার্গেট করছে তাদের পরিচিত কারোর ছবি দিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট খুলে হোয়াটসঅ্যাপে টাকা চাওয়া হয়।

    তবে এমন অবস্থার শিকার হলে আপনাদের কী করা উচিত, জানেন?

    প্রথমত, হোয়াটসঅ্যাপ প্রোফাইলে আপনার পরিচিত কারোর ছবি থাকুক না কেন, টাকা চাইলেই প্রথমে সেই ব্যক্তির নম্বর চেক করুন। আর যদি দেখতে পান যে নম্বরটি অন্য, তখনই সেই নম্বরে রিপ্লাই করা বন্ধ করুন। আর এই রকম সাইবার ক্রাইমের ক্ষেত্রে সঙ্গে সঙ্গে http://cybercrime.gov.in- পোর্টালে অভিযোগ দায়ের করুন।

  • Mumbai: হোয়াটসঅ্যাপে সেক্স ট্র্যাপ, ভিডিও কলের ফাঁদে ৫.২৮ লক্ষ টাকা খোয়ালেন এক মুম্বইবাসী

    Mumbai: হোয়াটসঅ্যাপে সেক্স ট্র্যাপ, ভিডিও কলের ফাঁদে ৫.২৮ লক্ষ টাকা খোয়ালেন এক মুম্বইবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবারে এক অচেনা মহিলার সঙ্গে বন্ধুত্ব করার ফলে খোয়াতে হল ৫ লক্ষের বেশি টাকা। সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে ফাঁদে ফেলে, গোপনীয় ভিডিও ভাইরাল করে দেওয়ার হুমকি দিয়ে এক ৫৪ বছর বয়সী বিপত্নীক ব্যক্তির লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ করল এক মহিলা। পরে সেই মহিলার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। নগ্ন ছবি বা গোপনীয় ভিডিও ভাইরাল করে দেওয়ার মত ঘটনা প্রায়শই শোনা যায়। এবার এমনই এক ঘটনা ঘটল মুম্বইয়ে।

    জানা গিয়েছে, মুম্বইয়ের আন্ধেরির এক ব্যক্তির কাছে ফেসবুকে প্রিয়াঙ্কা জৈন নামের এক মহিলা ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট পাঠান। তারপর সেই মহিলা ওই ব্যক্তিকে মেসেজ করে তাঁর থেকে তাঁর হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরও চান। এরপর ২ সেপ্টেম্বর প্রিয়াঙ্কা সেই ব্যক্তিকে হঠাৎ হোয়াটসঅ্যাপে ভিডিও কল করে বাথরুমে যেতে বলেন ও তাঁর জামাকাপড় খুলতে বলেন। এরপর সেই ভিডিও কল পাঁচ মিনিট পরে কেটে দেন এবং শুধুমাত্র একটি ভয়েস কল করে সেই ব্যক্তিকে বলেন যে সে তাদের পুরো কলটি রেকর্ড করেছে। আর এরপরেই শুরু হয় প্রিয়াঙ্কার হুমকি। ভিডিও ভাইরাল করে দেওয়ার হুমকি দিয়ে তখনই ১৬,৪০০ টাকা পাঠানোর কথা বলে। তখন সেই ব্যক্তি সম্মানহানির ভয়ে ৩০০০০ টাকা তাকে পাঠিয়েও দেয়। কিন্তু এটি তো কেবল শুরু ছিল।

    আরও পড়ুন: মেধাবী ছাত্রকে অপহরণ করে খুন, বাগুইআটিকাণ্ডের ছায়া বীরভূমে?

    টাকা পাঠানোর পরেও সেই ব্যক্তি রেহাই পায়নি। এই ঘটনার দুদিন পরেই অন্য এক ব্যক্তির কাছ থেকে একটি ফোন আসে, আর সে নিজেকে সিবিআই অফিসার হিসাবে পরিচয় দেয় এবং ওই ব্যক্তিকে সতর্ক করে বলে যে তার নগ্ন ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় আপলোড করা হয়েছে। এবং এই ভিডিও টাকার বিনিময়ে সরিয়ে দেওয়া হবে বলে ফের টাকা আদায় করা হয়। এভাবে সেই ব্যক্তির মোট ৫.২৮ লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়।

    এরপর তিনি আর সহ্য করতে না পেরে তাঁর ভাইয়ের সঙ্গে পরামর্শ নিয়ে শেষ পর্যন্ত পুলিশের দ্বারস্থ হন ওই ব্যক্তি এবং সেই মহিলার বিরুদ্ধে ইন্ডিয়ান পেনাল কোডের অধীনে ৪১৯, ৪২০ ও ৫০৬ ধারায় অভিযোগ দায়ের করা হয়।

    সাইবার বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের ভিডিও কল এবং ব্ল্যাকমেলিংয়ের পিছনে বড় ষড়যন্ত্র থাকে। তাদের কাজ হল মানুষকে ভিডিও কল করে ব্ল্যাকমেইল করে টাকা আদায় করা। এর জন্য সবার প্রথমে প্রত্যেককে সতর্ক থাকতে হবে। প্রথমে, অজানা নম্বর থেকে ভিডিও কল এলে কোনওমতেই ধরা উচিত নয়। ভুলবশত আপনি যদি এই দুর্ঘটনার শিকার হন। তবে অবিলম্বে প্রতারকদের ফাঁদে পা না দিয়ে সঙ্গে সঙ্গে পুলিশে খবর দিন।

  • Cyber Attack: সাধের ফোনটিকে দুর্বৃত্তদের হাত থেকে সুরক্ষিত রাখবেন কীভাবে? এই রইল উপায়

    Cyber Attack: সাধের ফোনটিকে দুর্বৃত্তদের হাত থেকে সুরক্ষিত রাখবেন কীভাবে? এই রইল উপায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোবাইল ফোনও এখন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হয়ে উঠেছে। যত দিন যাচ্ছে মানুষের হাতের মুঠোয় থাকা যন্ত্রটির প্রতি নির্ভরতা বাড়ছে। আর একই সঙ্গে বাড়ছে সাইবার ক্রাইমের (cyber crime) ঘটনাও। ম্যালওয়্যারের (malware) মাধ্যমে খুব সহজেই দুর্বৃত্তরা আপনার আইফোন (iPhone) বা অ্যান্ড্রয়েড (Android) ফোনটিকে নিজেদের কব্জায় করে নিতে পারে। এই ভাইরাসটি আপনার মোবাইলের দুর্বল জায়গাগুলিকে লক্ষ্য করে আক্রমণ চালায়। 

    ফলস্বরূপ Data mining, Financial gain, network corruption- এর মতো সমস্যায় পড়তে হয় আপনার সাধের ফোনটিকে। যদিও বেশিরভাগ অ্যাপে তথ্য আদান প্রদানের সুবিধা থাকে না। কিন্তু কিছু কিছু অ্যাপের তথ্য চুরি করার বদনাম আছে।  অহরহই সাইবার ক্রাইমের শিকার হতে হয় আইফোন এবং অ্যান্ড্রয়েড ফোনগুলিকে।

    জেনে নিন কী করে বেআইনি অনুপ্রবেশ থেকে বাঁচাবেন আপনার ফোনটিকে–

    ১। অবাঞ্ছিত পপআপ বা লিঙ্কে ক্লিক করবেন না। এমন সামাজিক মাধ্যমে মেসেজ, ইমেল এবং টেক্সট মেসেজও ফাঁদ হতে পারে।

    ২। অনুমোদিত জায়গা থেকেই একমাত্র অ্যাপ ইনস্টল করুন। যেমন গুগল প্লেস্টোর বা অ্যাপেলের অ্যাপস্টোর। অ্যাপটি ডাউনলোড করার আগে তার বিষয়ে বিশদে জেনে নিন। 

    ৩। ফোনে জেল ব্রেকিং বা মডিফাই করা এড়িয়ে চলুন।

    ৪। অ্যাপ ইনস্টল (App Install) করার আগে দেখে নিন কোন কোন অ্যাপে ঢোকার অনুমতি দিচ্ছেন সেই অ্যাপকে।

    ৫। ফোনে তথ্যের ব্যাকআপ (Data backup) রাখুন এবং সবসময় আপনার ফোনের সফটওয়্যার আধুনিকতম ভার্সানে  আপডেটেড (software update) রাখুন।

    ৬। ফোনে সবসময় নজর রাখুন। কোন সন্দেহজনক ঘটনা ঘটছে কি না সেদিকে খেয়াল রাখুন।  

    ৭। অপটিমাইজিং এবং ক্লিনিং অ্যাপ ইনস্টল করা এড়িয়ে চলুন। ২০২০- তে এই অ্যাপগুলি থেকেই সবচেয়ে বেশি ম্যালওয়্যার ছড়িয়েছিল।

     

LinkedIn
Share