Tag: Cyber Crime

Cyber Crime

  • Cyber Crime in Mewat: হরিয়ানার নুহ পুলিশের জালে ৪২ সাইবার দুষ্কৃতী, উদ্ধার প্রচুর মোবাইল ও সিম

    Cyber Crime in Mewat: হরিয়ানার নুহ পুলিশের জালে ৪২ সাইবার দুষ্কৃতী, উদ্ধার প্রচুর মোবাইল ও সিম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাইবার অপরাধের (Cyber Crime) বিরুদ্ধে নজির গড়ল হরিয়ানার নুহ পুলিশ। পুলিশের পাতা ফাঁদে ধরা পড়েছে ৪২ জন সাইবার অপরাধী। দেশব্যাপী সাইবার প্রতারণার মামলার বিষয়ে দু’ দিনে নুহ ও মেওয়াতের (mewat) বিভিন্ন অংশে অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। ধৃতদের নাম দীন মোহাম্মদ, আসিফ, আরিফ, সরফরাজ, সাকিব, ইজাজ, মুনাজির পবলে সহ আরও অনেক। পুলিশ সূত্রে খবর, গত শনিবার থেকে এই অভিযান চলে রবিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত। অভিযান শেষে অভিযুক্তদের কাছ থেকে ৫০টি মোবাইল, জাল আধার কার্ড (fake adhar card), প্রচুর জাল নথি, ৯০ টিরও বেশি সিম কার্ড, নগদ টাকা এবং বেশ কয়েকটি এটিএম কার্ড বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ধৃতদের বিরুদ্ধে (arrested) আইপিসি ৪১৯, ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮ এবং ৪৭১ ধারা প্রয়োগ করে মামলা রুজু করা হয়েছে। তাদের বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে আগেও ১৮টি মামলা দায়ের করা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের বিশেষ পোর্টালের মাধ্যমে গ্রেফতার

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শেষ বছরের এপ্রিল মাসের পর সাইবার অপরাধীদের বিরুদ্ধে এটাই সবচেয়ে বড় অভিযান। এর আগে পুলিশ একটি অভিযানে ১৪ টি গ্রাম থেকে ৬৬ জন সাইবার প্রতারণায় অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছিল। সেই অভিযানের সময় ৫০০০ পুলিশ কর্মী মোতায়েন করা হয়েছিল। হরিয়ানা রাজ্যের পুলিশ একটি এক্স হ্যান্ডেলে পোস্টে জানিয়েছে, “কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের ইন্টিগ্রেটেড সাইবার ক্রাইম কোঅর্ডিনেশন সেন্টারের (i4C) বিশেষ প্রতিবিম্ব পোর্টালের (protibimb portal) সহায়তায় গ্রেফতার করা হয়েছে দুষ্কৃতীদের। পোর্টালটি এই বছর চালু হয়েছে। এটি মূলত প্রতারকদের সিম এবং আইএমইআই নম্বর রিয়েল-টাইম ভিত্তিতে চিহ্নিত করে শনাক্ত করতে সাহায্য করে।”

    পুলিশ সুপারের বক্তব্য

    এই প্রসঙ্গে হরিয়ানা রাজ্যের ডিজি শত্রুজিৎ কাপুর বলেন, “প্রতিবিম্ব পোর্টাল পুলিশকে রাজ্য জুড়ে ৫৯৪ টি সাইবার জালিয়াতির অবস্থান সম্পর্কে তথ্য দিয়েছে। এই প্রতারকদের মধ্যে ১০১ জন নুহ এবং পার্শ্ববর্তী শহর আলওয়ার এলাকায় ছিল। সন্দেহভাজনদের রিয়েল-টাইম অবস্থানের ডেটা ও তাদের ফোন নম্বরগুলি স্থানীয় পুলিশ এবং পঞ্চকুলায় অবস্থিত সাইবার ক্রাইম কেন্দ্রে দেওয়া হয়েছিল।” এই প্রসঙ্গে শত্রুজিৎ কাপুর আরও জানিয়েছেন, “ধৃতদের কাছ থেকে একাধিক সিম কার্ড এবং জাল আধার কার্ড উদ্ধার করা হয়েছে। তারা কতগুলি মামলায় জড়িত ছিল তা খুঁজে বের করতে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।” সাইবার ক্রাইম থানার এসএইচও, ইন্সপেক্টর বিমল রাই বলেছেন, “পুলিশের যৌথ উদ্যোগে সাইবার প্রতারকদের ধরা হয়েছে। পুলিশ দৃঢ়ভাবে জানিয়েছে, এই জালিয়াতির সাথে যুক্ত আরও অপরাধীদের ধরতে এই অভিযান চলবে।” একই ভাবে নুহ পুলিশ সুপারিনটেনডেন্ট, নরেন্দ্র বিজার্নিয়া সাইবার অপরাধীদের জন্য কঠোর সতর্কতা জারি করেছেন।

    আরও পড়ুনঃ উত্তরবঙ্গের তিন কেন্দ্রে ঝড় তুলবেন মোদি, সভা জলপাইগুড়িতেও

    কীভাবে চলত সাইবার প্রতারণা?

    সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্তরা ভুয়ো বিজ্ঞাপন (fake advertisement), চাকরির (fake job) ভূয়ো প্রস্তাব সহ বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহার করত। নুহ পুলিশের মুখপাত্র কিশান কুমার বলেছেন, “প্রতারকেরা লোভনীয় বিজ্ঞাপন দিয়ে তাদের টার্গেট খুঁজত। এরপর চাকরি খুঁজতে আসা তরুণীদের ভিডিয়ো কল করে তাদের ছবি অপপ্রয়োগ করে হুমকি ও যৌন নির্যাতন করত। আর যুবকদের লোভনীয় রিটার্নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ঠকানো হত।” 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Fraud: কোচবিহারের পুলিশ সুপারের নাম করে প্রতারণা! কৃষ্ণনগরের স্কুল শিক্ষকের অ্যাকাউন্ট সাফ করল প্রতারকরা

    Fraud: কোচবিহারের পুলিশ সুপারের নাম করে প্রতারণা! কৃষ্ণনগরের স্কুল শিক্ষকের অ্যাকাউন্ট সাফ করল প্রতারকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিত্য নতুন কৌশলের মাধ্যমে রাজ্যজুড়়ে সাধারণ মানুষের অ্যাকাউন্ট সাফ করে দিচ্ছে প্রতারকরা। দুদিন আগেই সেনা বাহিনীর নাম করে বারাকপুরে একটি ডায়াগনাস্টিক সেন্টারের দুই কর্মীর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট সাফ করে দিয়েছে প্রতারকরা। এরইমধ্যে আবার কোচবিহার জেলার পুলিশ সুপারের নাম ভাঙিয়ে এক স্কুল শিক্ষকের অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা হাতিয়ে নিয়েছে প্রতারকরা। প্রতারিত স্কুল শিক্ষকের নাম গৌতম মণ্ডল। তাঁর বাড়ি বারাকপুর। আর তিনি নদিয়ার কৃষ্ণনগরের একটি স্কুলে শিক্ষকতা করেন। তিনি কৃষ্ণনগর কোতোয়ালি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তবে, পুলিশ- প্রশাসনের কর্তাদের নাম ও ছবি ব্যবহার করে প্রতারকেরা যদি এমন প্রতারণা (Fraud) ঘটানোর সাহস পায়, সে ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষ কী করবেন, উঠেছে সে প্রশ্নও।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Fraud)

    লেখালেখির সুবাদে কোচবিহারের পুলিশ সুপার দ্যুতিমান ভট্টাচার্য  এবং কৃষ্ণনগরের শিক্ষক গৌতম মণ্ডল পূর্ব পরিচিত। অভিযোগ, গত ৩০ অক্টোবর দ্যুতিমানের নামে বানানো মেসেঞ্জার থেকে কম দামে আসবাব ও গাড়ি কেনার দু’টি প্রস্তাব পান গৌতম। মেসেঞ্জার বার্তায় বলা হয়েছিল, এসপির বন্ধুস্থানীয় কপিল কুমার নামে সিআইএসএফের এক আধিকারিক কলকাতা থেকে হঠাৎ বদলি হয়ে কাশ্মীর চলে যাচ্ছেন। তিনি কম দামে আসবাব বিক্রি করতে চান। আপনি (গৌতম মণ্ডল) যেন সে সুযোগ হাতছাড়া না করেন। ওই মেসেজের পরে, কপিল কুমার বলে পরিচয় দিয়ে এক জন ফোন করে গৌতমবাবুকে। হোয়াটসঅ্যাপে আসবাবপত্রের ছবিও পাঠায়। পুলিশ সুপারের সঙ্গে সরাসরি ফোনে কথা না বলে গৌতমবাবু আসবাবের জন্য কৃষ্ণনগরের একটি রাষ্ট্রায়াত্ত্ব ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট থেকে ৬০,০০০ টাকা ‘ট্রান্সফার’ করেন। অভিযোগ, এরপরে, আসবাব পাঠানোর গাড়ির ‘সিকিওরিটি মানি’ হিসাবে ‘ফেরতযোগ্য ২১ হাজার টাকা চায় ‘প্রতারক’। গৌতমবাবু তাও দেন। তাঁর দাবি, এর পরে একটি গাড়ির ছবি পাঠিয়ে সেটিও কিনতে তাঁকে ‘প্ররোচিত’ করা হয়। সন্দেহ হওয়ায় সরাসরি কোচবিহারের পুলিশ সুপারকে ফোন করেন গৌতমবাবু। তারপরই প্রতারণার (Fraud) বিষয়টি তিনি জানতে পারেন।

    কী বললেন প্রতারিত শিক্ষক?

    প্রতারিত শিক্ষক গৌতমবাবু বলেন, সমস্ত বিষয়টি পুলিশকে জানাই। সব শুনে এসপি জানান, এটা সাইবার অপরাধের ঘটনা। এর আগেও পুলিশ সুপারের নামে সমাজমাধ্যমে ভুয়ো অ্যাকাউন্ট খুলে প্রতারণা (Fraud) করা হয়েছে। পুলিশ সুপারের সঙ্গে ফোনে কথা না বলে টাকা দিতে গেলেন কেন? গৌতমের দাবি, কৃষ্ণনগরে একটি ফ্ল্যাট বিক্রি করলেও পুরো টাকা আমি পাইনি। সে ব্যাপারে পুলিশ সুপারের সাহায্য নেব ভেবেছিলাম।  তাই কোচবিহারের এসপির নাম করে পাঠানো মেসেজে বাড়তি গুরুত্ব দিয়েছিলাম।

    কী বললেন কোচবিহারের জেলা পুলিশ সুপার?

    কোচবিহারের পুলিশ সুপার দ্যুতিমান ভট্টাচার্য বলেন, সাইবার অপরাধীরা দু’ভাবে প্রতারণা (Fraud) করার চেষ্টা করছে। এক, ভয় দেখিয়ে, দুই, লোভ দেখিয়ে। তাঁর বক্তব্য, আইনানুগ যা-যা ব্যবস্থা নেওয়ার সব নেওয়া হয়েছে। এ সব ক্ষেত্রে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। আচমকা এমন কোনও প্রস্তাব পেলে, সঙ্গে সঙ্গে নির্দিষ্ট ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে। তা হলেই সব স্পষ্ট হবে।

    নদিয়ার পুলিশ সুপারের কী বক্তব্য?

    কৃষ্ণনগর পুলিশ-জেলার সুপার অমরনাথ কে বলেন, সাইবার প্রতারণার অনেক অভিযোগ আমাদের কাছে জমা পড়ছে। গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হচ্ছে। নাগরিকদের সতর্ক করতে সচেতনতা প্রচার চলছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Darjeeling: পাহাড়ে অনলাইনে হোটেল বুক করে পর্যটক দেখছেন, তার অস্তিত্বই নেই!

    Darjeeling: পাহাড়ে অনলাইনে হোটেল বুক করে পর্যটক দেখছেন, তার অস্তিত্বই নেই!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনলাইনে হোটেল বুক করে এসে পর্যটকরা দেখছেন, তাঁদের নামে সেই হোটেলে কোনও বুকিং হয়নি। আবার কোনও ক্ষেত্রে সেই হোটেলের অস্তিত্বই নেই। গত ১০ মাসে দার্জিলিং জেলা পুলিশে মোট পাঁটশোরও বেশি এ ধরনের প্রতারণার অভিযোগ দায়ের হয়েছে। তারপরেও এই প্রতারণা বন্ধ হয়নি। অভিযোগকারীদের অধিকাংশই টাকা ফেরৎ পাননি। এই সাইবার ক্রাইম প্রতারণা নিয়ে উদ্বেগে রয়েছেন পর্যটন ব্যবসায়ীরা।

    প্রতারিত পর্যটকদের অভিজ্ঞতা

    অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপত্তনম থেকে এম ভিট্টাল নামে এক ব্যক্তি গত ২৩ জুন দার্জিলিং (Darjeeling) ও গ্যাংটক ভ্রমণের পরিকল্পনা করেছিলেন। গুগল সার্চের মাধ্যমে যোগাযোগ করে তিনি ১ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা প্রতারিত হন। এনিয়ে তিনি গত ১৩ জুন অভিযোগ দায়ের করেন। তিনি জানিয়েছেন, রাহুল রায় নামে এক ব্যক্তি ফোনে যোগাযোগ করার পর হোয়াটসঅ্যাপে সব কিছু আদান-প্রদান হয়। তারপর তার কথামতো একটি ব্যাঙ্কে ফোন-পে করে তাকে ১ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা জমা করি। তার সব প্রমাণ রয়েছে। কিন্তু টাকা জমা দেওয়ার সাত দিন পর তার ফোনে ফোন করে পাওয়া যায়নি। এসএমএসেরও কোনও উত্তর মেলেনি। 

    গত ২৩ সেপ্টেম্বর এরকমই প্রতারণার অভিযোগ করেন তানিয়া সুলতানা। তাঁর অভিযোগ, গুগল সার্চ করে দার্জিলিংয়ে (Darjeeling) হোটেল বুক করেছিলাম। সেই মতো ফোন-পে’তে টাকা পাঠাই। কিন্তু সপরিবারে দার্জিলিঙে এসে দেখি আমাদের নামে কোনও হোটেল বুকিং হয়নি। একের পর এক অভিযোগ জমা পড়লেও পুলিশ এর কুলকিনারা করতে পারেনি। এতে দার্জিলিঙে ঘুরতে আসা নিয়ে বাইরের পর্যটকদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। যা দার্জিলিংয়ের পর্যটন ব্যবসাকে বিপর্যয়ের মুখে ঠেলে দিচ্ছে বলে মনে করেন ট্যুর অপারেটররা। পুলিশ-প্রশাসনের ভূমিকায় কার্যত তারা হতাশ।

    কী  বলছে পুলিশ প্রশাসন (Darjeeling)

    দার্জিলিং জেলার পুলিশ সুপার প্রবীণ প্রকাশ বলেন, বিভিন্ন সময়ে পর্যটকদের অভিযোগ নিয়ে স্থানীয় হোটেল, রিসর্ট মালিকদের সঙ্গে একাধিকবার আলোচনায় বসে অ্যাপ ও কিউ আর কোড চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তা কার্যকর করা হয়েছে। এই অ্যাপ এবং কিউআর কোডের সাহায্যে গুগল সার্চে গিয়ে পর্যটকরা দার্জিলিংয়ের (Darjeeling) হোটেল, রিসর্ট, হোমস্টে গাড়ির যাবতীয় তথ্য ও সহযোগিতা পাবেন। যে কোনও সমস্যায় প্রশাসনের সহযোগিতাও পাবেন পর্যটকরা।

    আশার আলো দেখছেন না ট্যুর অপারেটররা 

    হিমালয়ান হসপিটালিটি ট্যুরিজম ডেভেলপমেন্ট নেটওয়ার্কের সম্পাদক সম্রাট সান্যাল বলেন, অ্যাপ ও কিউআর কোডের সাহায্যে পর্যটকরা হোটেল সম্পর্কে তথ্য জানতে পারবেন। এ ধরনের অ্যাপে পর্যটকদের (Darjeeling) সঙ্গে প্রতারণার ঘটনা বন্ধ হবে না। সাইবার ক্রাইম শাখাকে শক্ত হাতে মোকাবিলা করতে হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Cyber Crime: পাকিস্তানি যোগ! ১০ দিনে ৫২জন সাইবার অপরাধীকে গ্রেফতার করল ঝাড়খণ্ড পুলিশ

    Cyber Crime: পাকিস্তানি যোগ! ১০ দিনে ৫২জন সাইবার অপরাধীকে গ্রেফতার করল ঝাড়খণ্ড পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত ১০দিন ধরে পরপর অভিযান চালিয়ে সাইবার ক্রাইমে যুক্ত থাকার অভিযোগে ৫২ জনকে গ্রেফতার করেছে ঝাড়খণ্ড পুলিশ। গিরিডি, হাজারিবাগ, জামতারা অঞ্চলে এই অভিযানগুলো চালানো হয়েছিল। সীমান্তবর্তী ঝাড়খণ্ডের এই গ্রামগুলিতে অভিযান চালিয়ে আন্তর্জাতিক সাইবার চক্রেরও খোঁজ পেয়েছে পুলিশ। ওই সাইবার চক্রটি পাকিস্তান থেকে চালানো হয় বলেও অনুমান পুলিশের।

    কী বলছে পুলিশ

    ঝাড়খণ্ড পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, অ্যাপের মাধ্যমে নগ্ন ভিডিয়ো কল করে প্রতারণার জাল বিস্তার করেছিল ওই দুষ্কৃতীরা। ব্যবহারকারীকে ভিডিয়ো কলের মাধ্যমে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হত। নগ্ন ভিডিয়ো কলের ছবি তুলে তা দেখিয়ে চলত লাগাতার ব্ল্যাকমেল। এ ছাড়া, সন্তানসম্ভবা মহিলাদেরও ঠকানো হত ভিন্ন কৌশলে। হাজারিবাগ পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, রবিবার অভিযান চালিয়ে বিহারের চম্পারণের বাসিন্দা সইফ রিয়াজ ওরফে শিবুকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঝাড়খণ্ডের ছাতরা ও হানতুরগঞ্জের অরবিন্দ কুমার, নীতীশ কুমার, রামান কৌশিককেও ধরেছে পুলিশ। এরা পাকিস্তানের একটি নম্বর থেকে নির্দেশ পেত সেইরকমই কাজ চলত।  

    গিরিডিতে অভিযান

     ঝাড়খণ্ডের গিরিডিতেও কয়েক জন সাইবার অপরাধীর খোঁজ পায় পুলিশ। পরিকল্পনা করে ফাঁদ পেতে তাঁদের কাছে পৌঁছে যায়। কিন্তু পুলিশ দেখেই পালানোর ফন্দি আঁটে ওই দুষ্কৃতীরা। নানা কৌশলে গ্রামের রাস্তা দিয়ে তারা ছুটছিল। পিছনে ধাওয়া করে রুদ্ধশ্বাসে ছুটছিলেন পুলিশ আধিকারিকেরাও। তবে তাঁরা কেউ পুলিশের পোশাকে ছিলেন না। সাদা পোশাকে দুষ্কৃতীদের ধরতে গিয়েছিলেন তাঁরা। ছ’জনকেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাদের কাছ থেকে নগদ ৮,২৯,৬০০ টাকা উদ্ধার করা হয়। সঙ্গে ছিল ১২টি মোবাইল ফোন, ২১টি এটিএম কার্ড, ১৮টি সিম কার্ড, ১২টি ব্যাঙ্কের পাসবই, ছয়টি চেকবই, চারটি প্যান কার্ড এবং দু’টি আধার কার্ড। জামতারা অঞ্চলেও অভিযান চালিয় ৩০ জন অপরাধীকে ধরা হয়েছে বলে খবর।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Darjeeling: গুগল সার্চ করে দার্জিলিংয়ের হোটেল, হোম স্টে বুক করলে প্রতারিত হতে পারেন!

    Darjeeling: গুগল সার্চ করে দার্জিলিংয়ের হোটেল, হোম স্টে বুক করলে প্রতারিত হতে পারেন!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দার্জিলিংয়ে ঘুরতে আসার বহুদিন আগেই দেশ-বিদেশের পর্যটকরা অনলাইনে হোটেল, হোম স্টে বুক করে থাকেন নির্ঝঞ্ঝাট এবং শান্তিপূর্ণ ভ্রমণের জন্য। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই এভাবে পর্যটকদের প্রতারিত হতে হচ্ছে। এমন ঘটনা সামনে আসার পর দার্জিলিংয়ের (Darjeeling) পুলিশ সুপার প্রবীণ প্রকাশ পর্যটকদের উদ্দেশে সতর্কবাণী শুনিয়েছেন। তিনি বলেন, গুগলে গিয়ে দার্জিলিং হোটেল লিখে সার্চ করলে এখানকার বিভিন্ন থাকার জায়গার ছবি সহ তথ্য পাওয়া যায়। বহু ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে, গুগলের তালিকায় থাকা দার্জিলিংয়ের হোটেল, হোম স্টের নাম করে একটা প্রতারণা চক্র সক্রিয় রয়েছে। সেই তালিকায় থাকা টেলিফোন নম্বরে যোগাযোগ করার পর অনলাইনে অগ্রিম টাকা দিয়ে বুক করছেন পর্যটকরা। কিন্তু তাঁরা এসে দেখছেন, তাঁদের নামে কোনও বুকিংই হয়নি। দার্জিলিংয়ের হোটেল এবং হোম স্টে নিয়ে এভাবে সাইবার ক্রাইম চলছে। এখনও পর্যন্ত সরাসরি নির্দিষ্ট করে কোনও অভিযোগ আমাদের কাছে আসেনি। তবে বিভিন্ন সূত্র মারফত পাওয়া খবরের ভিত্তিতে পুলিশের নিজস্ব তদন্তে এমন ঘটনা ধরা পড়েছে। 

    (Darjeeling) তাহলে সমাধানের পথ? 

    এই প্রতারণার হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য দেশ-বিদেশের পর্যটকদের কাছে দার্জিলিংয়ের (Darjeeling) পুলিশ সুপারের আবেদন, গুগল সার্চ করে নয়, দার্জিলিং পুলিশের ওয়েবসাইটে গিয়ে সেখান থেকে হোটেলের নাম, নম্বর, ওয়েবসাইট, ই-মেল আইডি নিয়ে অনলাইনে হোটেল, হোম স্টে বুক করলে প্রতারিত হতে হবে না। তিনি বলেন, আমরা, দার্জিলিং পুলিশের তরফে এখানে যত হোম স্টে, হোটেল রয়েছে, তার একটি তালিকা তৈরি করেছি। সেখানে প্রতিটি হোটেল, হোম স্টে-র ফোন নম্বর, ওয়েবসাইট, ই মেইল আইডি পাওয়া যাবে। ভিডিও করে এই তালিকা আমাদের ওয়েবসাইটে আপলোড করা হয়েছে। www.darjeelingpolice.org এই ওয়েবসাইটে গিয়ে সার্চ করলেই দার্জিলিংয়ের হোটেল এবং হোম স্টে-র  নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যাবে।

    হোটেল ও হোম স্টে মালিকদেরও (Darjeeling) সচেতন হওয়ার আবেদন পুলিশের

    এই উদ্যোগে দার্জিলিংয়ের হোটেল এবং হোম স্টে মালিকদেরও সহযোগিতা চেয়েছেন দার্জিলিংয়ের (Darjeeling) পুলিশ সুপার। তিনি বলেন, আমরা প্রত্যেক হোটেল এবং হোম স্টে মালিকদের এ ব্যাপারে সচেতন করেছি। তাঁদের আবেদন জানিয়েছে, তাঁরাও যেন নিয়মিত গুগল সার্চ করে দেখেন, তাঁদের হোম স্টে, হোটেলের ছবি ও নাম দিয়ে কেউ প্রতারণা করছে কি না। যদি এরকম ঘটনা নজরে আসে, তাহলে সঙ্গে সঙ্গে জানালে আমরা সাইবার ক্রাইমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Cyber Crime: ১০ লক্ষ টাকা খোয়ালেন হরিয়ানার মহিলা! সাইবার প্রতারণা ঠেকাতে কী কী সাবধানতা নেবেন?

    Cyber Crime: ১০ লক্ষ টাকা খোয়ালেন হরিয়ানার মহিলা! সাইবার প্রতারণা ঠেকাতে কী কী সাবধানতা নেবেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অভিনব পদ্ধতিতে প্রতারণা। তাতেই খোয়া গেল এক মহিলার ১০ লক্ষ টাকা। ঘটনাটি হরিয়ানার গুরুগ্রামের।

    ঠিক কীভাবে পাতা হয়েছিল প্রতারণার ফাঁদ (Cyber Crime)

    মহিলার অভিযোগ যে তাঁকে প্রথমে প্ররোচিত করা হয় ইউটিউবে ভিডিও দেখা এবং লাইক করার জন্য, এরপর প্রতারকরা তাঁকে একটি টেলিগ্রাম গ্রুপে জয়েন করায় এবং কমসময়ে বেশি টাকা রিটার্ন পাওয়ার জন্য বিনিয়োগের আবেদন জানায়। 
    শানু প্রিয়া নামে ওই মহিলার অভিযোগ, গত ১ ফেব্রুয়ারি হোয়াটসঅ্যাপে তাঁর মেসেজ আসে, অনলাইন ব্যবসাতে বিনিয়োগ করার আবেদন জানিয়ে। সেখানে আরও বলা হয়, বিনিয়োগ করলে কম সময়ে বেশি রিটার্ন পাওয়া যাবে। এরপর তাঁকে টেলিগ্রাম গ্রুপে জয়েন করানো হয়। তখন কিছু টাকার কমিশনও দেওয়া হয় ওই মহিলাকে, এতে তাঁর বিশ্বাসযোগ্যতা আরও বেড়ে যায় প্রতারকদের প্রতি। এরপর ২ ফেব্রুয়ারি ভিআইপি মেম্বারশিপ দেওয়ার নামে তাঁর কাছ থেকে ৮,০০০ টাকা নেওয়া হয়। ৪ ফেব্রুয়ারি সুপার ভিআইপি মেম্বারশিপ দেওয়ার নামে আরও বেশি টাকা চাওয়া হয়। ওই মহিলা প্রতিবারই টাকা দিতে থাকেন। এইভাবে ধাপে ধাপে প্রতারকরা তাঁর কাছ থেকে ১০,৭৫,০০০ টাকা নেয়। এরপর ওই মহিলা ব্যবসার শর্ত অনুযায়ী বিনিয়োগের রিটার্ন চাইলে, তাঁকে আরও ৪ লক্ষ টাকা চাওয়া হয়। তখন ওই মহিলা বোঝেন তিনি প্রতারণার (Cyber Crime)
     ফাঁদে পড়েছেন।

    পুলিশ কী বলছে

    ওই মহিলা স্থানীয় সাইবার (Cyber Crime) থানায় অভিযোগ করেন। তদন্তকারী অফিসাররা বলছেন, তদন্ত শুরু হয়েছে। প্রতারকদের ব্যাঙ্ক আকাউন্টগুলি প্রিজ করার কাজ চলছে। ভারতীয় দণ্ডবিধি ৪১৯ এবং ৪২০ নং ধারা অনুসারে মামলা দায়ের হয়েছে।

    সাইবার প্রতারণার (Cyber Crime) ফাঁদে না পড়তে কী কী সাবধানতা অবলম্বন করবেন

    ১. বিশেষজ্ঞরা বলছেন কম সময়ে বেশি রিটার্নের কথা মানেই প্রতারণাষ মনে রাখবেন খুব সহজ উপায়ে টাকা রোজগার এত সহজ নয়।

    ২. অপরিচিত কাউকে নিজের ব্যক্তিগত তথ্য দেবেন না।

    ৩. নিজের সোশ্যাল মিডিয়া আকাউন্টে সর্বদাই প্রাইভেসি বজায় রাখবেন।

    ৪. ইন্টারনেটে টাকা লেনদেন এড়িয়ে চলুন।

    ৫. অপরিচিত ব্যক্তির ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট গ্রহণ করবেন না।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Cyber Crime: বিনিয়োগ জালিয়াতির অভিযোগে হায়দ্রাবাদে চিনা নাগরিকসহ গ্রেফতার ১০

    Cyber Crime: বিনিয়োগ জালিয়াতির অভিযোগে হায়দ্রাবাদে চিনা নাগরিকসহ গ্রেফতার ১০

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি একটি বহুজাতিক গ্যাংয়ের পর্দাফাঁস করেছে হায়দ্রাবাদের সাইবার ক্রাইম পুলিশ (Hyderabad cybercrime police)। সারা দেশে ছড়িয়ে পড়া একটি বড় বিনিয়োগ জালিয়াতিতে জড়িত থাকার অভিযোগে দুই  চিনা নাগরিকসহ ১০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, বিনিয়োগ জালিয়াতির পরিমাণ ৯০৩ কোটি টাকারও বেশি।

    হায়দ্রাবাদের পুলিশ কমিশনার সিভি আনন্দ এ বিষয়ে জানান, এই বিনিয়োগ জালিয়াতির সঙ্গে কম্বোডিয়া, দুবাই ও চিনের মতো দেশের যোগাযোগ রয়েছে। আনন্দ বলেন, “হায়দ্রাবাদের সাইবার ক্রাইম পুলিশ সারা দেশে ছড়িয়ে থাকা প্রায় ৯০৩ কোটি টাকার একটি বড় বিনিয়োগ জালিয়াতিতে জড়িত থাকার অভিযোগে দুই চিনা নাগরিকসহ ১০ জনকে গ্রেফতার করেছে।” 

    দুর্নীতির অভিযোগ পেয়ে পুলিশ দিল্লি এবং দেশের অন্যান্য জায়গায় কল সেন্টারগুলিতেও অভিযান চালায়। আনন্দ বলেন, “সাইবার ক্রাইম পুলিশ দিল্লি ও অন্যান্য জায়গা থেকে পরিচালিত কয়েকটি কল সেন্টারে অভিযান চালিয়েছে এবং ভুয়ো বিনিয়োগ সংস্থাগুলির নেটওয়ার্ক ভেঙে দিতে সক্ষম হয়েছে। মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের প্রতারণা করা হচ্ছিল। কমিশন দেওয়ার লোভ দেখিয়ে মানুষের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করা হত।”   

    একটি ট্যুইটে বার্তায় আনন্দ বলেন, “এটি একটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য। এইচসিপি-র সাইবার ক্রাইম উইং ৯০৩ কোটি টাকার বিনিয়োগ জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত একটি বহুজাতিক গ্যাংকে ধ্বংস করেছে, যাদের কম্বোডিয়া, দুবাই এবং চিনে সংযোগ রয়েছে। অভিযুক্তরা ভুয়ো ইনভেস্টমেন্ট অ্যাপসের মাধ্যমে ভ্রান্ত বিনিয়োগকারীদের প্রলুব্ধ করে অর্থ পাচার করেছে।”  

    তিনি আরও বলেন, “এই ধরনের মানুষরা গোটা দেশে ছড়িয়ে আছে। এরা দেশের অর্থনীতির জন্যে অত্যন্ত ক্ষতিকারক।” 

    আনন্দ তাঁর ট্যুইটে আরও লিখেছেন, “আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, প্রশাসক এবং নিয়ন্ত্রকদের মধ্যে একটি সুসংহত দৃষ্টিভঙ্গি এবং সমন্বয় থাকলে জাতীয় নিরাপত্তা ও অর্থনীতিকে এইসব বিপদের থেকে বাঁচানো সহজ হয়ে পড়ে।”   

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

     

  • Remove Private Video: সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়েছে ব্যক্তিগত ছবি, ভিডিও! এই পরিস্থিতিতে কী করা উচিত?

    Remove Private Video: সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়েছে ব্যক্তিগত ছবি, ভিডিও! এই পরিস্থিতিতে কী করা উচিত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চণ্ডীগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬০ জন ছাত্রীর স্নানের ভিডিও ভাইরাল হওয়ার অভিযোগ ঘিরে শোরগোল পড়ে গিয়েছে পাঞ্জাব সহ পুরো দেশে। ওই ভিডিওগুলি নেটমাধ্যমে ছড়ানো হয়েছে বলেও অভিযোগ ওঠে। এমনকি, এর জেরে আট ছাত্রী আত্মহত্যার চেষ্টা করেন বলে দাবি করা হয়। এর ফলে গত শনিবার রাত থেকে পড়ুয়ারা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে। যদিও পরে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয় যে, একটি ভিডিওই ফাঁস হয়েছে এবং কোনও ছাত্রীই আত্মহত্যার চেষ্টা করেননি।

    ফলে সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যক্তিগত বা নগ্ন ছবি বা ভিডিও ভাইরাল হওয়ার মত অনেক ঘটনা প্রায়ই শোনা যায়। তবে কারোর ব্যক্তিগত ভিডিও ভাইরাল করা বিশ্বাসঘাতকতাই নয়, এটি একটি অপরাধও। তাই এমন দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা ঘটলে আপনার কী করা উচিত, জানেন?

    এমন পরিস্থিতিতে, সবার আগে ইন্টারনেট থেকে কীভাবে ভিডিও বা ছবি সরিয়ে ফেলা যায়, তার উপায় বের করতে হবে। এমন অনেক উপায় আছে যার মাধ্যমে আপনি যেকোনো সাইট বা সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে আপলোড করা এমএমএস (MMS) বা ফটোগ্রাফ ডিলিট করতে পারেন।

    আরও পড়ুন: চণ্ডীগড় বিশ্ববিদ্যালয় এমএমএস কাণ্ডে গ্রেফতার আরও দুই, ৬ দিনের জন্য বন্ধ ক্যাম্পাস

    পুলিশের সাথে যোগাযোগ করুন

    প্রথমে নিকটবর্তী থানায় গিয়ে এবং সাইবার সেলের কাছে একটি অভিযোগ দায়ের করা উচিত। আপনার অভিযোগের পর, পুলিশ ওয়েবসাইটের মালিক বা সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলির সঙ্গে যোগাযোগ করবে৷ আপনার অভিযোগ সঠিক প্রমাণিত হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    য়েবসাইটের মালিকের কাছে অভিযোগ করুন

    ভিডিও বা ছবি সরানোর আরেকটি উপায় হল সরাসরি ওয়েবসাইট বা সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের মালিকের সঙ্গে যোগাযোগ করা। মালিকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে যদি আপনার সমস্যা হয়, তবে www.whois.com নামক ওয়েবসাইটের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। এর মাধ্যমে, আপনি সাইটের মালিকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন এবং ভিডিওটি সরানোর জন্য অনুরোধ করতে পারবেন।

    গুগল সার্চ রেজাল্ট থেকে সরান

    যদি সেই আপত্তিকর ছবি বা এমএমএস গুগল সার্চ রেজাল্টে থাকে, তাহলে আপনি এটিকে সরানোর জন্য টেক জায়ান্টের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। এর জন্য, আপনাকে গুগল-এর সাপোর্ট পেজে যেতে হবে (support.google.com) এবং সেখানে তালিকাভুক্ত পদক্ষেপগুলি অনুসরণ করতে হবে।

  • WhatsApp Scam: হোয়াটসঅ্যাপে প্রতারণার শিকার! মুহূর্তে গায়েব কোটি কোটি টাকা? কী করবেন, জানুন…

    WhatsApp Scam: হোয়াটসঅ্যাপে প্রতারণার শিকার! মুহূর্তে গায়েব কোটি কোটি টাকা? কী করবেন, জানুন…

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনলাইনে যেবাবে প্রতারণা বৃদ্ধি পাচ্ছে, তাতে নিজেদের এই জাল থেকে দূরে রাখা খুবই মুশকিল হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে মেসেজ বা হোয়াটসঅ্যাপের (WhatsApp) মাধ্যমে প্রতারকরা এই জাল পেতে চলেছে। প্রায়ই হোয়াটসঅ্যাপে ব্ল্যাকমেল করে, কোনও লিঙ্কে ক্লিক করতে বলে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার ঘটনা শোনা যায়। সাধারণ মানুষ তো এই প্রতারণার কথা বুঝতে না পেরে অনেক সময় প্রতারকদের ফাঁদে পা দিয়েই দেয়, তবে এবারে এরকম ঘটনা ঘটল এক বড় সংস্থার সঙ্গেও, আর এদিকে হুশ নেই সংস্থার মালিকের।

    ভ্যাকসিন প্রস্তুতকারক ‘সিরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়া’ (এসআইআই) থেকে এক কোটি টাকারও বেশি প্রতারণার ঘটনা সামনে এসেছে। রবিবার জানা যায় যে, কিছু অজানা ব্যক্তি সিরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়ার থেকে এক কোটি টাকার প্রতারণা করেছে, পরে তাদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতারকরা আদর পুনাওয়ালা সেজে ভুয়ো মেসেজ পাঠায় এসআইআই-এর অর্থ বিভাগের পরিচালক সতীশ দেশপান্ডের হোয়াটসঅ্যাপে এবং ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা দ্রুত ট্রান্সফারের জন্য বলে। দেশপাণ্ডে ওই মেসেজ সত্যিই আদর পুনাওয়ালা পাঠিয়েছেন এই ভেবে তিনি ১,০১,০১,৫৫৪ কোটির বেশি টাকা প্রতারকদের অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দেন। পরে তাঁরা বুঝতে পারেন যে এসআইআই প্রতারিত হয়েছে।

    আরও পড়ুন: হোয়াটসঅ্যাপে সেক্স ট্র্যাপ, ভিডিও কলের ফাঁদে ৫.২৮ লক্ষ টাকা খোয়ালেন এক মুম্বইবাসী

    তবে আদর পুনাওয়ালার সঙ্গে ঘটা ঘটনা নতুন নয়। এর আগেও বিভিন্ন সরকারী সংস্থার কর্মচারীদের সঙ্গেও এমন প্রতারণা করা হয়েছে ও বিগত কয়েক মাস ধরে একাধিক সরকারী বিভাগ এই প্রতারণার বিষয়ে সতর্কতা জারি করেছে। এমন অনেক সময়ে দেখা গিয়েছে প্রতারকরা যাকে টার্গেট করছে তাদের পরিচিত কারোর ছবি দিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট খুলে হোয়াটসঅ্যাপে টাকা চাওয়া হয়।

    তবে এমন অবস্থার শিকার হলে আপনাদের কী করা উচিত, জানেন?

    প্রথমত, হোয়াটসঅ্যাপ প্রোফাইলে আপনার পরিচিত কারোর ছবি থাকুক না কেন, টাকা চাইলেই প্রথমে সেই ব্যক্তির নম্বর চেক করুন। আর যদি দেখতে পান যে নম্বরটি অন্য, তখনই সেই নম্বরে রিপ্লাই করা বন্ধ করুন। আর এই রকম সাইবার ক্রাইমের ক্ষেত্রে সঙ্গে সঙ্গে http://cybercrime.gov.in- পোর্টালে অভিযোগ দায়ের করুন।

  • Mumbai: হোয়াটসঅ্যাপে সেক্স ট্র্যাপ, ভিডিও কলের ফাঁদে ৫.২৮ লক্ষ টাকা খোয়ালেন এক মুম্বইবাসী

    Mumbai: হোয়াটসঅ্যাপে সেক্স ট্র্যাপ, ভিডিও কলের ফাঁদে ৫.২৮ লক্ষ টাকা খোয়ালেন এক মুম্বইবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবারে এক অচেনা মহিলার সঙ্গে বন্ধুত্ব করার ফলে খোয়াতে হল ৫ লক্ষের বেশি টাকা। সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে ফাঁদে ফেলে, গোপনীয় ভিডিও ভাইরাল করে দেওয়ার হুমকি দিয়ে এক ৫৪ বছর বয়সী বিপত্নীক ব্যক্তির লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ করল এক মহিলা। পরে সেই মহিলার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। নগ্ন ছবি বা গোপনীয় ভিডিও ভাইরাল করে দেওয়ার মত ঘটনা প্রায়শই শোনা যায়। এবার এমনই এক ঘটনা ঘটল মুম্বইয়ে।

    জানা গিয়েছে, মুম্বইয়ের আন্ধেরির এক ব্যক্তির কাছে ফেসবুকে প্রিয়াঙ্কা জৈন নামের এক মহিলা ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট পাঠান। তারপর সেই মহিলা ওই ব্যক্তিকে মেসেজ করে তাঁর থেকে তাঁর হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরও চান। এরপর ২ সেপ্টেম্বর প্রিয়াঙ্কা সেই ব্যক্তিকে হঠাৎ হোয়াটসঅ্যাপে ভিডিও কল করে বাথরুমে যেতে বলেন ও তাঁর জামাকাপড় খুলতে বলেন। এরপর সেই ভিডিও কল পাঁচ মিনিট পরে কেটে দেন এবং শুধুমাত্র একটি ভয়েস কল করে সেই ব্যক্তিকে বলেন যে সে তাদের পুরো কলটি রেকর্ড করেছে। আর এরপরেই শুরু হয় প্রিয়াঙ্কার হুমকি। ভিডিও ভাইরাল করে দেওয়ার হুমকি দিয়ে তখনই ১৬,৪০০ টাকা পাঠানোর কথা বলে। তখন সেই ব্যক্তি সম্মানহানির ভয়ে ৩০০০০ টাকা তাকে পাঠিয়েও দেয়। কিন্তু এটি তো কেবল শুরু ছিল।

    আরও পড়ুন: মেধাবী ছাত্রকে অপহরণ করে খুন, বাগুইআটিকাণ্ডের ছায়া বীরভূমে?

    টাকা পাঠানোর পরেও সেই ব্যক্তি রেহাই পায়নি। এই ঘটনার দুদিন পরেই অন্য এক ব্যক্তির কাছ থেকে একটি ফোন আসে, আর সে নিজেকে সিবিআই অফিসার হিসাবে পরিচয় দেয় এবং ওই ব্যক্তিকে সতর্ক করে বলে যে তার নগ্ন ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় আপলোড করা হয়েছে। এবং এই ভিডিও টাকার বিনিময়ে সরিয়ে দেওয়া হবে বলে ফের টাকা আদায় করা হয়। এভাবে সেই ব্যক্তির মোট ৫.২৮ লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়।

    এরপর তিনি আর সহ্য করতে না পেরে তাঁর ভাইয়ের সঙ্গে পরামর্শ নিয়ে শেষ পর্যন্ত পুলিশের দ্বারস্থ হন ওই ব্যক্তি এবং সেই মহিলার বিরুদ্ধে ইন্ডিয়ান পেনাল কোডের অধীনে ৪১৯, ৪২০ ও ৫০৬ ধারায় অভিযোগ দায়ের করা হয়।

    সাইবার বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের ভিডিও কল এবং ব্ল্যাকমেলিংয়ের পিছনে বড় ষড়যন্ত্র থাকে। তাদের কাজ হল মানুষকে ভিডিও কল করে ব্ল্যাকমেইল করে টাকা আদায় করা। এর জন্য সবার প্রথমে প্রত্যেককে সতর্ক থাকতে হবে। প্রথমে, অজানা নম্বর থেকে ভিডিও কল এলে কোনওমতেই ধরা উচিত নয়। ভুলবশত আপনি যদি এই দুর্ঘটনার শিকার হন। তবে অবিলম্বে প্রতারকদের ফাঁদে পা না দিয়ে সঙ্গে সঙ্গে পুলিশে খবর দিন।

LinkedIn
Share