Tag: Cyber fraud

Cyber fraud

  • Digital Arrest: ‘ডিজিটাল অ্যারেস্ট’ জালিয়াতি, ১৭ হাজারের বেশি হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট ব্লক করল কেন্দ্র

    Digital Arrest: ‘ডিজিটাল অ্যারেস্ট’ জালিয়াতি, ১৭ হাজারের বেশি হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট ব্লক করল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘ডিজিটাল অ্যারেস্ট’ (Digital Arrest) জালিয়াতির বিরুদ্ধে কড়়া ব্যবস্থা নিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক (MHA)। অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে প্রতারিত হওয়া ব্যক্তিরা অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক অভিযোগগুলি পর্যালোচনা করেছে। সন্দেহজনক অ্যাকাউন্টগুলিকে চিহ্নিত করে হোয়াটসঅ্যাপকে এই নম্বরগুলি ব্লক করার নির্দেশ দিয়েছে। এখনও পর্যন্ত ১৭ হাজারের বেশি হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট ব্লক করেছে। সূত্রের মতে, এই অ্যাকাউন্টগুলির বেশিরভাগই কম্বোডিয়া, মায়ানমার, লাওস এবং তাইল্যান্ডের মতো দেশে খুঁজে পাওয়া গিয়েছে। সবই সাইবার জালিয়াতির জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ।

    ডিজিটাল অ্যারেস্ট কী? (Digital Arrest)

    ডিজিটাল অ্যারেস্ট আসলে এক ধরনের প্রতারণার কৌশল। এতে সাইবার জালিয়াতরা অন্য একজনকে গ্রেফতারের হুমকি দিয়ে তার থেকে টাকা হাতিয়ে নেয়। এতে সাইবার প্রতারকরা আপনাকে ভিডিও কল করে এবং  চারপাশের ব্যাকগ্রাউন্ডকে হুবহু থানার মতো করে নেয়। অথবা এটিকে কোনও এজেন্সির অফিসের মতো করে নেয়। এই সব দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন সাধারণ মানুষ। এরপর ওই ব্যক্তি ভয় পেয়ে প্রতারণাচক্রের জালে জড়িয়ে পড়েন। এর পরে এই সাইবার জালিয়াতিরা (Digital Arrest) আপনাকে প্রতারণা করতে শুরু করে। আপনার থেকে নানা ভাবে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করতে থাকে।

    আরও পড়ুন: ‘‘পশ্চিমবঙ্গ চলছে কিং জং উনের শাসনের মতো’’, বেলডাঙাকাণ্ডে মমতাকে আক্রমণ গিরিরাজের

    প্রতারকরা কোথায় থেকে কারবার চালায়!

    প্রতারকরা বেশিরভাগই কম্বোডিয়ায় চিনা ক্যাসিনোতে অবস্থিত কল সেন্টার থেকে কাজ করে। তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, কীভাবে মানব পাচারকারীরা ভারতীয় নাগরিকদের চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়ে অনলাইন আর্থিক কেলেঙ্কারি এবং সাইবার অপরাধ চালাচ্ছে। ‘ডিজিটাল অ্যারেস্ট’-এর (Digital Arrest) মধ্যে রয়েছে জালিয়াতরা আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তাদের ছদ্মবেশ ধারণ করে নির্দোষ লোকদের প্রতারিত করে এবং তাদের ওপর বড় অঙ্কের অর্থ দেওয়ার জন্য চাপ দেয়। প্রতারকরা সিবিআই এজেন্ট, আয়কর অফিসার বা শুল্ক এজেন্ট হিসেবে নিজেদের পরিচয় দিয়ে ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করে।

    প্রতিদিন ৬ কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে প্রতারকরা!

     সম্প্রতি, প্রধানমন্ত্রী মোদিও এই কেলেঙ্কারির (Digital Arrest) বিষয়ে জনসাধারণের কাছে একটি সতর্কতা জারি করেছেন। তাঁদের সাইবার হেল্পলাইনে এই ধরনের কোনও ঘটনা রিপোর্ট করার জন্য জানিয়েছেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের সাইবার শাখার সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতারকরা ডিজিটাল গ্রেফতার জালিয়াতির মাধ্যমে প্রতিদিন প্রায় ৬ কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। শুধুমাত্র এই বছরের প্রথম ১০ মাসে সাইবার অপরাধীরা ২ হাজার ১৪০ কোটি টাকা চুরি করেছে। অক্টোবর পর্যন্ত সাইবার উইং ডিজিটাল গ্রেফতার (Digital Arrest) জালিয়াতি সংক্রান্ত ৯২,৩৩৪টি মামলা নথিভুক্ত হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Cyber Crime: ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ‘ভাড়া নিয়ে’ গজিয়ে উঠেছে সাইবার প্রতারণা-চক্র, সতর্কবার্তা কেন্দ্রের

    Cyber Crime: ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ‘ভাড়া নিয়ে’ গজিয়ে উঠেছে সাইবার প্রতারণা-চক্র, সতর্কবার্তা কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাইবার জালিয়াতি (Cyber Crime) নিয়ে ফের দেশবাসীকে সতর্ক করল কেন্দ্র। অবৈধ পেমেন্ট গেটওয়ে ব্যবহার করে নেট দুনিয়ায় প্রতারণার জাল বুনছে অপরাধীরা। কোনও পেমেন্ট গেটওয়ে ব্যবহার করার আগে ভালো করে তা খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক (Home Ministry)। কেন্দ্রের রিপোর্ট, অনলাইনে আর্থিক লেনদেনের একাধিক বেআইনি মাধ্যম চালু করেছে প্রতারকরা, তাই সেই অ্যাকাউন্টগুলো সম্পর্কে সতর্ক থাকা উচিত। কেন্দ্রের তরফে এই অ্যাকাউন্টগুলো চিহ্নিত করার কাজ চলছে।

    তৃতীয় কোনও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের ব্যবহার

    অনলাইন প্রতারণার (Cyber Crime) ক্ষেত্রে বেশিরভাগ সময়েই দেখা যায় প্রতারকরা নিজেদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে না। কারণ এতে ধরা পড়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। তাই তৃতীয় কোনও ব্যক্তির ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করা হয়। এগুলিকে অনেকটা ভাড়ায় নেওয়া ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট বলা যায়। সম্প্রতি এই ভাড়ায় নেওয়া ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে বেআইনি ‘পেমেন্ট গেটওয়ে’ তৈরি করে ফেলেছে প্রতারকরা। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীনস্থ ইন্ডিয়ান সাইবার ক্রাইম কোঅর্ডিনেশন সেন্টার (আই৪সি) থেকে এ বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক জানিয়েছে, গুজরাট পুলিশ এবং অন্ধ্রপ্রদেশ পুলিশ সম্প্রতি দেশের একাধিক প্রান্তে হানা দিয়েছিল। সেই অভিযান চলাকালীনই এই তথ্য গোয়েন্দাদের হাতে এসেছে। মূলত সাইবার অপরাধের জন্যই এই ধরনের বেআইনি লেনদেন মাধ্যমগুলি ব্যবহার করা হচ্ছে।  

    আরও পড়ুন: আখনুরে সেনা কনভয়ে হামলায় ব্যবহৃত স্টিল-বুলেট, পাল্টা অভিযানে খতম তিন জঙ্গি

    কোন ধরনের অ্যাকাউন্টের ব্যবহার

    ইন্ডিয়ান সাইবার ক্রাইম কোঅর্ডিনেশন (Home Ministry) সেন্টারের তথ্য অনুসারে, প্রতিদিন প্রায় চার হাজারের আশপাশে এই ধরনের ভাড়া নেওয়া ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট চিহ্নিত করছে বিভিন্ন তদন্তকারী সংস্থা। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক জানিয়েছে, বেশির ভাগ ক্ষেত্রে সমাজমাধ্যম ব্যবহার করেই ভাড়া নেওয়ার জন্য ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টগুলি খোঁজে প্রতারকরা। মূলত ব্যবহার হয় টেলিগ্রাম এবং ফেসবুক। কখনও ভুতুড়ে সংস্থা আবার কখনও কোনও ব্যক্তির নামে থাকা এই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টগুলি সাধারণত বিদেশ থেকে পরিচালিত হয়। প্রতারণার কাজে ব্যবহারের জন্য এগুলিকেই আগে পছন্দ করে সাইবার জালিয়াতরা। কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে ‘পিস পে’, ‘আরটিএক্স পে’, ‘পোকো পে’, ‘আরপি পে’-সহ এমন আরও বেশ কিছু ভুয়ো ‘পেমেন্ট গেটওয়ে’ জালিয়াতরা ব্যবহার করছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Digital Arrest: ‘ডিজিটাল গ্রেফতার’ ফাঁদে চার মাসে ১২০ কোটি টাকা খুইয়েছেন লক্ষাধিক মানুষ, উদ্বিগ্ন কেন্দ্র

    Digital Arrest: ‘ডিজিটাল গ্রেফতার’ ফাঁদে চার মাসে ১২০ কোটি টাকা খুইয়েছেন লক্ষাধিক মানুষ, উদ্বিগ্ন কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাইবার প্রতারণার এক নতুন অস্ত্র ‘ডিজিটাল গ্রেফতার’ (Digital Arrest)। সাম্প্রতিক সময়ে ‘ডিজিটাল গ্রেফতার’ যে ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, তাতে চিন্তার ভাঁজ দেখা দিয়েছে পুলিশ ও তদন্তকারী আধিকারিকদের কপালে। চলতি বছরের প্রথম চার মাসেই প্রায় ১২০ কোটি টাকার প্রতারণা হয়েছে। এই নথি শুধু সরকারি হিসাবে। যে অভিযোগগুলো জমা পড়েনি, তার হিসাব যোগ করলে প্রতারণার অঙ্ক আরও বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ প্রসঙ্গে ইতিমধ্যেই রবিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) তাঁর ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানে সকলকে সতর্ক করেছেন।

    কোন ফাঁদে কত টাকা খুইছে মানুষ

    কেন্দ্রীয় সরকারের সাইবার অপরাধ (Digital Arrest) নথিভুক্তির পোর্টাল (এনসিআরপি)-র তথ্য অনুসারে গত কয়েক বছরে সাইবার অপরাধের প্রবণতা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পেয়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এপ্রিলের মধ্যে ৭ লাখ ৪০ হাজার অভিযোগ জমা পড়েছে। ২০২৩ সালে গোটা বছরে অভিযোগ জমা হয়েছিল সাড়ে ১৫ লাখের কিছু বেশি। ২০২২ সালে অভিযোগ জমা পড়েছিল সাড়ে ৯ লাখের কিছু বেশি। ২০২১ সালে ছিল তা ছিল সাড়ে ৪ লাখ। এই পরিসংখ্যান ক্রমশ বাড়ছে। সরকারি হিসাব অনুসারে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এপ্রিলের মধ্যে ১২০ কোটি ৩০ লাখ টাকার ‘ডিজিটাল গ্রেফতার’ হয়েছে। এ ছাড়া ওই একই সময়ের মধ্যে লগ্নির টোপ দিয়ে প্রতারণা হয়েছে ২২২ কোটি ৫৪ লাখ টাকার। বন্ধুত্বের অ্যাপ থেকে প্রতারণা হয়েছে ১৩ কোটি ২৩ লাখ টাকার। পাশাপাশি, শেয়ার বাজার সংক্রান্ত সাইবার প্রতারণাতেও প্রচুর মানুষ টাকা খুইয়েছেন। ট্রেডিংয়ের টোপে ১৪২০ কোটি টাকার প্রতারণা হয়েছে চলতি বছরের প্রথম চার মাসে।

    আরও পড়ুন: সাইবার অপরাধের নতুন ফাঁদ ‘ডিজিটাল গ্রেফতারি’! সতর্কবার্তা প্রধানমন্ত্রী মোদির

     সজাগ থাকার পরামর্শ

    এর মধ্যে একেবারে নতুন প্রতারণার পন্থা হল ‘ডিজিটাল গ্রেফতার’ (Digital Arrest)। নামের সঙ্গেই রয়েছে ‘গ্রেফতার’। প্রথম বার ‘ডিজিটাল গ্রেফতার’ শুনলে মনে হতেই পারে, হয়তো ডিজিটাল মাধ্যমে গ্রেফতার করা হচ্ছে। প্রতারকরাও এটাই বোঝানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু গ্রেফতারির সঙ্গে এর দূর দূরান্তেও কোনও সম্পর্ক নেই। পুরোটাই জালিয়াতি। সাইবার প্রতারণা থেকে বাঁচতে মানুষকে ভেবেচিন্তে কাজ করার পরামর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। ভয় না পেয়ে সজাগ থাকতে বলেছেন সকলকে। ন্যাশনাল সাইবার হেল্পলাইনে ফোন করে জানানোর পরামর্শ দেন মোদি। হেল্পলাইন নম্বরটি হল ১৯৩০। পাশাপাশি স্থানীয় থানাতেও এ বিষয়ে অভিযোগ জানানোর কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Digital Arrest: সাইবার অপরাধের নতুন ফাঁদ ‘ডিজিটাল গ্রেফতারি’! সতর্কবার্তা প্রধানমন্ত্রী মোদির

    Digital Arrest: সাইবার অপরাধের নতুন ফাঁদ ‘ডিজিটাল গ্রেফতারি’! সতর্কবার্তা প্রধানমন্ত্রী মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘ ‘ডিজিটাল গ্রেফতারি’ (Digital Arrest) বলে কিছু হয় না। দেশের কোনও আইনে এই ধরনের গ্রেফতারির কথা বলা নেই। এটি হল সাইবার প্রতারণার ফাঁদ।’’ রবিবার (২৭ অক্টোবর), তাঁর ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানে ভারতীয় নাগরিকদের এ সম্পর্কে সতর্ক করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, সমাজের সমস্ত অংশই এই অপরাধের শিকার হয়েছে। তদন্ত সংস্থাগুলি এই সমস্যার মোকাবিলায়, সমস্ত রাজ্যর সঙ্গে হাত মিলিয়ে কাজ করছে। তবে, এই অপরাধ থেকে নিজেকে রক্ষা করার জন্য সচেতনতা অপরিহার্য।

    কী ভাবে চলে প্রতারণা

    ‘ডিজিটাল অ্যারেস্ট’ (Digital Arrest) এর সঙ্গে সত্যিকারের গ্রেফতারির কোনও যোগ নেই। অনলাইনে জালিয়াতি চক্রের পাণ্ডাদের হাতে নতুন ‘অস্ত্র’ হয়ে উঠেছে এটি। পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন কেন্দ্রও। কীভাবে চলে এই প্রতারণা তা দেখাতে একটি ভিডিও চালান প্রধানমন্ত্রী মোদি। ওই ভিডিওর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi) জানিয়েছেন, প্রথমে অপরাধীরা তাদের সম্ভাব্য শিকারদের সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করে। তারপর, তারা তদন্তকারী সংস্থার কর্তাদের ভেক ধরে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে। সাধারণ মানুষের ভয়কে তারা নিজেদের সুবিধায় কাজে লাগায়। মোদি বলেন, “ডিজিটাল অ্যারেস্ট জালিয়াতি থেকে সাবধান থাকুন। কখনও এই ধরনের তদন্তের জন্য কোনও তদন্তকারী সংস্থা ফোন বা ভিডিও কল করে আপনার সঙ্গে যোগাযোগ করবে না।”

    কী ভাবে সুরক্ষা

    এই ধরনের প্রতারণার ফাঁদ (Digital Arrest) থেকে সুরক্ষিত থাকতে তিনটি বিষয় মাথার রাখার পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi)। তাড়াহুড়োয় কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার বদলে ঠান্ডা মাথায় বিষয়টি বিবেচনার কথা বলেন তিনি। তাঁর কথায়— “থামুন, ভাবুন এবং তার পরে পদক্ষেপ করুন।” প্রথমত, অযথা ভয় না পেয়ে মাথা ঠান্ডা রেখে ফোনকলটি রেকর্ড করার পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী। সম্ভব হলে ‘স্ক্রিন রেকর্ড’ করার কথাও বলেন তিনি। দ্বিতীয়ত, মাথায় রাখতে হবে যে কোনও সরকারি তদন্তকারী সংস্থা অনলাইনে কাউকে ধমক বা হুমকি দেয় না। তৃতীয়ত, যখনই এই ধরনের কোনও ঘটনা ঘটবে, তা ন্যাশনাল সাইবার হেল্পলাইনে ফোন করে জানান। হেল্পলাইন নম্বরটি হল ১৯৩০। পাশাপাশি স্থানীয় থানাতেও এ বিষয়ে অভিযোগ জানানোর পরামর্শ দেন মোদি। 

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের সতর্কতা

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীনস্থ ইন্ডিয়ান সাইবার ক্রাইম কো-অর্ডিনেশন সেন্টার থেকে সম্প্রতি একটি অ্যাডভাইজরিও প্রকাশ করা হয়েছিল। সেখানেও বলা হয়েছিল এই ধরনের ‘ডিজিটাল গ্রেফতারি’ এক ধরনের দুর্নীতি। সাধারণ মানুষকে সজাগ থাকার পরামর্শ দিয়ে ওই অ্যাডভাইজরিতে বলা হয়েছিল, সিবিআই, পুলিশ, কাস্টমস, ইডি কিংবা বিচারক— কেউই ভিডিও কলের মাধ্যমে কাউকে গ্রেফতার করতে পারেন না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Cyber fraud: অল্প বিনিয়োগে বিপুল মুনাফার ফাঁদ, সামনে এল ৮৫৪ কোটির প্রতারণা, গ্রেফতার ৬

    Cyber fraud: অল্প বিনিয়োগে বিপুল মুনাফার ফাঁদ, সামনে এল ৮৫৪ কোটির প্রতারণা, গ্রেফতার ৬

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাত্র হাজার টাকা বিনিয়োগ করলে রিটার্ন পাওয়া যাবে এক থেকে পাঁচ হাজার টাকা! প্রতারণার (Cyber fraud) এই ফাঁদে পড়েই লাখ লাখ টাকা হারালেন বহু মানুষ। ইতিমধ্যে অনলাইন এই প্রতারণায় গ্রেফতার করা হয়েছে ৬ জনকে। জানা গিয়েছে, মোট প্রতারণার টাকার অঙ্ক ৮৫৪ কোটি। শনিবার প্রতারণা চক্রের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতার করা হয় বেঙ্গালুরু থেকে। পুলিশ জানিয়েছে, হোয়াটসঅ্যাপ এবং টেলিগ্রামের মাধ্যমেই চলত প্রতারণা। জানা গিয়েছে সারা দেশেই সক্রিয় ছিল এই চক্র। কয়েক হাজার মানুষের সঙ্গে এই প্রতারণা করা হয়েছে বলে অভিযোগ। তবে ৮৫৪ কোটি টাকার মধ্যে মাত্র পাঁচ কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত করতে পেরেছে পুলিশ। বাকি টাকা কোথায় রয়েছে তার খোঁজে তল্লাশি চলছে।

    কীভাবে টোপ দেওয়া হত?

    বিপুল মুনাফার হাতছানি (Cyber fraud) এবং টাকার বিনিয়োগের পরিমাণ অল্প, তাই সেই বিশ্বাসে সকলেই এক থেকে পাঁচ হাজার টাকা করে রেখেছিলেন এবং সেই মতো তাঁরা রিটার্নও পান। রিটার্ন পাওয়ার পরেই বহু মানুষের বিশ্বাস জন্মায় সংস্থার উপর। তাঁরা বেশি বেশি করে টাকা সেখানে বিনিয়োগ করতে থাকেন। পুলিশ সূত্রে খবর, পরবর্তীকালে প্রত্যেকের বিনিয়োগের পরিমাণ এক থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত হয়ে যায়। এভাবেই বাজার থেকে তোলা হয় ৮৫৪ কোটি টাকা। জানা গিয়েছে, যে টাকা সংগ্রহ করা হত, তা একটি মূল অ্যাকাউন্টে জমা হত এবং পরবর্তীকালে তা বিভিন্ন গেমিং অ্যাপে মজুত (Cyber fraud) হতে থাকে।

    কী বলছেন সাইবার বিশেষজ্ঞরা?

    প্রসঙ্গত এ নিয়ে একাধিকবার সাধারণ মানুষকে সচেতনও করছেন সাইবার বিশেষজ্ঞরা। অল্প সময়ে বেশি রিটার্ন পাওয়ার লোভে কোথাও টাকা রাখতে নিষেধ করেন তাঁরা। অল্প সময়ে বেশি রিটার্নের (Cyber fraud) কথা আসলে যে প্রতারণা ছাড়া কিছু নয়, তাও বলেন সাইবার বিশেষজ্ঞরা। এসত্ত্বেও মানুষের অজ্ঞানতার সুযোগ নিয়ে প্রতারকরা সব সময় সক্রিয় থাকে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share