Tag: Cyclone Mandous

Cyclone Mandous

  • Cyclone Mandous: তামিলনাড়ুর উপকূলে আছড়ে পড়েছে মন্দৌস, দুর্যোগের কবলে চেন্নাই

    Cyclone Mandous: তামিলনাড়ুর উপকূলে আছড়ে পড়েছে মন্দৌস, দুর্যোগের কবলে চেন্নাই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার মধ্যরাতে তামিলনাড়ুর উপকূলে আছড়ে পড়ে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় মন্দৌস (Cyclone Mandous)। রাত দেড়টা নাগাদ পুদুচেরি ও শ্রীহরিকোটার মধ্যে আছড়ে পড়েছে ঘূর্ণিঝড়টি। ল্যান্ডফলের সময় ঘূর্ণিঝড়ের সর্বোচ্চ বেগ ছিল ঘণ্টায় ৮৫ কিলোমিটার। শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ের দাপটে প্রায় দুশোটি গাছ উপড়ে পড়েছে তামিলনাড়ুর উপকূল সংলগ্ন এলাকায়। ভারী বৃষ্টির জেরে জল জমেছে বিভিন্ন এলাকায়। একাধিক ট্রেন বাতিল হয়েছে, বাতিল করা হয়েছে বিমানও।      

    হাওয়া অফিস জানিয়েছে, ল্যান্ডফলের পরেই শক্তি কমতে শুরু করে মন্দৌস (Cyclone Mandous)। এখন তা আবার দুর্বল নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। চেঙ্গালপাট্টু জেলা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। ইস্ট কোস্ট রোড ও জিএসটি রোডে গাছ উপড়ে পড়ায় যান চলাচল ব্যহত হয়েছে।

    ব্যহত হয়েছে ট্রেন-বিমান  

    ঘূর্ণিঝড়ের (Cyclone Mandous) জেরে টানা বৃষ্টিপাত হচ্ছে চেন্নাইতে। একাধিক এলাকা জলমগ্ন। ১৩টি ডোমেস্টিক ও ৩টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। ট্রেন চলাচলও আপাতত বন্ধ রয়েছে। আবহাওয়া দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব পড়বে তামিলনাড়ু, পুদুচেরি ও অন্ধ্রপ্রদেশে। ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস জারি করা হয়েছে তামিলনাড়ু ও পুদুচেরিতে। বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সমস্ত স্কুল-কলেজ এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। মৎস্যজীবীদের গভীর সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। ট্রলার ও নৌকাগুলিকে মাঝসমুদ্র থেকে ফিরে আসার পরামর্শ দিয়েছে হাওয়া অফিস।

    আরও পড়ুন: ওএমআর শিটে কারচুপির প্রচুর প্রমাণ সিবিআইয়ের হাতে, রিপোর্ট পেশ হাইকোর্টে

    তামিলনাড়ু, পুদুচেরি এবং অন্ধ্রপ্রদেশে চূড়ান্ত সতর্কতা অবলম্বন করা হয়েছে। এনডিআরএফ বাহিনীও মোতায়েন করা হয়েছে কেন্দ্রের তরফ থেকে। ১৬৯ টি ত্রাণ শিবির স্থাপন করা  হয়েছে। এই ঘূর্ণিঝড়ের (Cyclone Mandous) খুব বেশি প্রভাব পড়েনি বাংলায়। আকাশ মেঘলা থাকলেও বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। প্রত্যক্ষ প্রভাব না পড়লেও পরোক্ষ প্রভাব থাকবে। 

    তামিলনাড়ুর বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টিপাত চলছে। আপাতত মহাবলীপুরম ও তার আশেপাশের অঞ্চলে এই ঝড়ের (Cyclone Mandous) প্রভাব রয়েছে। রাস্তায় চলাচলের ক্ষেত্রে বিভিন্ন সতর্কতা জারি করেছে ট্রাফিক পুলিশ। সিরুমালাই এবং কোদাইকানালে স্কুল-কলেজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ট্রেন বাতিল হতে পারে বলেও সতর্ক করেছে চেন্নাই রেলওয়ে।

    ১৬০০০ পুলিশ এবং ১৫০০ হোমগার্ডকে মোতায়েন করা হয়েছে। ‘মন্দৌস’ (Cyclone Mandous) একটি আরবি শব্দ। এই শব্দের অর্থ গুপ্তধনের বাক্স। এই ঘূর্ণিঝড়টির নাম দিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।    

                                                                                   

     

  • Cyclone Mandous: আজ মধ্যরাতেই উপকূলে আছড়ে পড়বে ঘূর্ণিঝড় মন্দৌস, লাল সতর্কতা জারি তামিলনাড়ুতে

    Cyclone Mandous: আজ মধ্যরাতেই উপকূলে আছড়ে পড়বে ঘূর্ণিঝড় মন্দৌস, লাল সতর্কতা জারি তামিলনাড়ুতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত কয়েকদিন ধরেই চর্চায় রয়েছে ঘূর্ণিঝড় ‘মন্দৌস’ (Cyclone Mandous)। এই ঘূর্ণিঝড় নিয়ে বার বার সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আবহাওয়া দফতর সূত্রের খবর, তামিলনাড়ুর উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড়টি। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে স্কুল-কলেজ। হাওয়া অফিসের তরফ থেকে আগেই তামিলনাড়ুর ১৩ টি জেলায় ৭ থেকে ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত ভারি থেকে অতিভারি বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল। ভারি বৃষ্টির সম্ভাবনায় ১৩ টি জেলায় লাল সতর্কতাও জারি করা হয়েছে। তারমধ্যে রয়েছে চেন্নাই, তিরুভেল্লুর, চেঙ্গালপট্টু, ভেলোর রানিপেট্টাই, কাঞ্চিপূরম। এনডিআরএফ- এর দল ইতিমধ্যেই প্রস্তুত। তারা ১০টি জেলায় ছড়িয়ে রয়েছেন। 

    আরও পড়ুন: ‘‘১২, ১৪, ২১… খেয়াল রাখুন, দেখুন কী হয়’’, নিশানায় রাজ্য! কীসের ইঙ্গিত শুভেন্দুর?

    নির্দেশিকা জারি সরকারের 

    তৎপর রয়েছে তামিলনাড়ু সরকারও। সূত্রের খবর, আজ মধ্যরাতেই চেন্নাই উপকূল পেরোবে ঘূর্ণিঝড় মন্দৌস (Cyclone Mandous)। ইতিমধ্যেই ভারি বৃষ্টি শুরু হয়েছে রাজ্যে। ভারি থেকে অতিভারি বৃষ্টির আশঙ্কায় আজ চেন্নাই, তিরুইভাল্লুর, ভেলোরসহ ১২ জায়গায় স্কুল, কলেজ বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সরকারের পক্ষ থেকে। রাজ্যের উত্তরাঞ্চলে সকাল থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হচ্ছে। সমুদ্র তীরে যাওয়ার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। উপকূলের সমস্ত দোকান বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ পর্যন্ত পার্কে, ময়দানে যাওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। গাছের নিচে গাড়ি পার্ক করতেও নিষেধ করা হয়েছে। শুক্রবার ভোরে চেন্নাই ৫২.৫ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। গোটা শহর বিপর্যস্ত।

    শুক্রবার মাঝরাতে উপকূলে আছড়ে পড়বে ঘূর্ণিঝড়টি। শ্রীহরিকোটায় ঘণ্টায় ৬৫ থেকে ৭৫ কিলোমিটার বেগে বইতে শুরু করেছে ঝোড়ো হাওয়া। কারাইকাল উপকূল থেকে ২৭০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে মন্দৌস (Cyclone Mandous)।

    পরিস্থিতি (Cyclone Mandous) সামাল দিতে ইতিমধ্যেই একগুচ্ছ গাইডলাইন জারি করেছে তামিলনাড়ু সরকার। প্রয়োজন ছাড়া কাউকে বাড়ির বাইরে বেরোতে নিষেধ করা হয়েছে। বাড়িতে শুকনো খাবার মজুত করে রাখতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে মোমবাতি, ব্যাটারি টর্চ মজুত রাখতে বলা হয়েছে। মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। হাসপাতালগুলিকেও সতর্ক করা হয়েছে। ইতিমধ্যে সেচ দফতর একাধিক জায়গায় অতিরিক্ত জল ছাড়ার সতর্কতা জারি করেছে। 

    ৫০৯৩টি ত্রাণ শিবির খোলা হয়েছে। শুধু চেন্নাইতেই ১৬৯টি ত্রাণ শিবির খোলা হয়েছে। ইতিমধ্যেই সমুদ্রে জলোচ্ছ্বাস (Cyclone Mandous) শুরু হয়ে গিয়েছে। পণ্ডিচেরি, চেঙ্গালপেট্টু, ভিল্লুপুরম, কাঞ্চিপুরমে অতিভারি বৃষ্টি শুরু হয়ে গিয়েছে।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • West Bengal Weather: ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে রাজ্যে ফের কমবে শীত? কী জানাল আবহাওয়া দফতর?

    West Bengal Weather: ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে রাজ্যে ফের কমবে শীত? কী জানাল আবহাওয়া দফতর?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে শীতের পথে কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে ঘূর্ণিঝড় (West Bengal Weather)। শীতের আমেজ বজায় থাকলেও কনকনে শীতের দেখা নেই কলকাতায়। আগামীকাল পর্যন্ত শীতের আমেজ বজায় থাকবে। আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, ৯ ডিসেম্বর থেকে তাপমাত্রা বাড়তে পারে ঘূর্ণিঝড়ের পরোক্ষ প্রভাব হিসেবে। তবে বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। আজ কলকাতায় সামান্য নেমেছে পারদ। সকাল-সন্ধ্যা শীতের আমেজ বহাল থাকবে।

    কলকাতার আবহাওয়া

    এদিন সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৬.৭ থেকে কমে ১৬.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস হয়েছে। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৭.৬ ডিগ্রি থেকে সামান্য কমে ২৭.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস হয়েছে। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ থাকবে ন্যূনতম ৪৮ শতাংশ, সর্বাধিক ৯১ শতাংশ। কলকাতায় আজ পরিস্কার আকাশ থাকবে। সঙ্গে থাকবে শুষ্ক আবহাওয়া। শীতের আমেজ বেশি টের পাওয়া যাবে ভোর ও রাতের দিকে৷ উত্তুরে হাওয়ার আধিক্যও থাকবে (West Bengal Weather)।

    আরও পড়ুন: ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘মন্দৌস’! বাংলায় আবহাওয়ার কি পরিবর্তন হবে?

    ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে পশ্চিমবঙ্গের তাপমাত্রায় পরিবর্তন হবে?

    আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গ নয়, ঘূর্ণিঝড় মন্দৌস-এর লক্ষ্য অন্ধ্রপ্রদেশ ও তামিলনাড়ু। বঙ্গোপসাগরে তৈরি নিম্নচাপ শক্তি বাড়িয়ে বৃহস্পতিবার নাগাদ অন্ধ্রপ্রদেশ-তামিলনাড়ু উপকূলে হাজির হবে। ঝড়ের সরাসরি প্রভাব এ রাজ্যে পড়বে না বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। শুধু কিছুটা শীতের প্রকোপ কমবে। তাপমাত্রা কয়েকদিন সামান্য বাড়বে। আগামী পাঁচদিন পশ্চিমবঙ্গের কোথাও বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। মূলত পরিস্কার আকাশ থাকবে। তবে আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে (West Bengal Weather)।

    আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (৮ ডিসেম্বর) পর্যন্ত তাপমাত্রারও তেমন উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হবে না। আপাতত যেমন তাপমাত্রা আছে, তেমনই থাকবে। অর্থাৎ যেমন ঠান্ডা আছে, সেরকমই থাকবে। আবহবিদরা জানিয়েছেন, ৯ ডিসেম্বর থেকে তাপমাত্রা কিছুটা বাড়বে। আপাতত যা তাপমাত্রা আছে, সেটার থেকে এক ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়বে (West Bengal Weather)।

    সাধারণত কলকাতায় ঠান্ডা পড়ে ডিসেম্বরের ১৫ তারিখের পর থেকে। ফলে শীতের জন্য এখনও দেড় সপ্তাহ অপেক্ষা করতে হবে। তবে হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় আসার ফলে আবহাওয়ার পরিবর্তন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই জাঁকিয়ে শীত পড়তে এখনও দেরী (West Bengal Weather)।

  • Cyclone Mandous: ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘মন্দৌস’! বাংলায় আবহাওয়ার কি পরিবর্তন হবে?

    Cyclone Mandous: ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘মন্দৌস’! বাংলায় আবহাওয়ার কি পরিবর্তন হবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতায় শীতের আমেজ বজায় থাকলেও কনকনে শীতের পথে কাঁটা হয়ে দাঁড়াল নিম্নচাপ। নতুন করে তৈরি হয়েছে ঘূর্ণাবর্ত যা নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। এই নিম্নচাপ শক্তি বাড়িয়ে গভীর নিম্নচাপ ও ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে। আবহাওয়া দফতরের থেকেও জানানো হয়েছে, ধেয়ে আসছে মন্দৌস ঘূর্ণিঝড় (Cyclone Mandous)। আগামীকাল, ৭ নভেম্বর থেকে এর প্রভাব লক্ষ্য করা যাবে। তবে আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব তেমন ভাবে বাংলায় পড়বে না। কারণ এটির অভিমুখ দক্ষিণমুখী। ফলে এর প্রভাব দক্ষিণের রাজ্যগুলিতেই বেশি পড়বে।  

    ঘূর্ণিঝড় ‘ম্যানডাউস’

    বঙ্গোপসাগরের উপরে তৈরি ঘূর্ণাবর্তটি ৬ ডিসেম্বর সন্ধ্যার মধ্যে দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপে পরিণত হবে। তারপর তা শক্তি বাড়িয়ে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে। এর নামকরণ করা হয়েছে মন্দৌস (Cyclone Mandous)। দুর্যোগ আরও ঘনীভূত হয়ে ৮ ডিসেম্বর সকালের মধ্যে উত্তর তামিলনাড়ু, পুদুচেরি এবং সংলগ্ন দক্ষিণ অন্ধ্র প্রদেশের কাছে দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে। তবে জানা গিয়েছে, উপকূলে পৌঁছে গিয়ে এটি দুর্বল হয়ে পড়বে। কিন্তু ৭ ডিসেম্বর থেকে বৃষ্টিপাত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ৭ ডিসেম্বর মধ্যরাত থেকে উত্তর উপকূলীয় তামিলনাড়ু, পুদুচেরি এবং কারাইকালের উপর বৃষ্টিপাত শুরু হবে। ৮ ও ৯ ডিসেম্বর বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে, বলছে আবহাওয়া দফতর।

    আরও পড়ুন:পারদ ওঠা-নামার মাঝেই নিম্নচাপের পূর্বাভাস, বাংলায় কি প্রভাব পড়বে?

    কলকাতার আবহাওয়া

    অন্যদিকে গতকালের তুলনায় আজ কলকাতা ও তার আশেপাশের এলাকায় ফের সামান্য তাপমাত্রা বেড়েছে। ৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত বর্তমান ঠাণ্ডার আমেজ বজায় থাকবে। এরপর ২-৩ দিনের জন্য তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে, তৈরি হতে পারে মেঘলা আকাশ, জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। আজকের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৭ ও ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে। এদিন কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৬.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি বেশি। গতকাল ছিল ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

    উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া

    উত্তরবঙ্গে জাঁকিয়ে পড়েছে শীত। তবে আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, আগামী দুদিন তাপমাত্রার তেমন কোনও পরিবর্তন হবে না। দক্ষিণবঙ্গেও তাপমাত্রার তেমন কোনও পরিবর্তন হবে না। তবে ৮ ডিসেম্বরের থেকে নিম্নচাপের (Cyclone Mandous) পরোক্ষ প্রভাব হিসাবে বাংলায় তাপমাত্রা বাড়তে পারে। আকাশ মেঘলা থাকার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।

  • Cyclone Mandous: ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘মন্দৌস’! জারি লাল সতর্কতা, কী ব্যবস্থা নিল তামিলনাড়ু সরকার?

    Cyclone Mandous: ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘মন্দৌস’! জারি লাল সতর্কতা, কী ব্যবস্থা নিল তামিলনাড়ু সরকার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘মন্দৌস’ (Cyclone Mandous)। দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে ধীরে ধীরে ঘনীভূত হওয়া নিম্নচাপ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হলে এই নাম দেওয়া হবে বলেই আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর। এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব বাংলায় তেমন না পড়লেও তামিলনাড়ু, অন্ধ্রপ্রদেশ এবং পুদুচেরির উপকূলবর্তী এলাকাগুলিতে প্রভাব বেশি পড়বে বলে আবহবিদরা জানিয়েছেন। যা নিয়ে সতর্কবার্তা জারি করেছে আবহাওয়া (Weather) দফতর। তামিলনাড়ুর ১৩ টি জেলায় ৭ থেকে ১০ ডিসেম্বরের মধ্যে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির সম্ভাবনায় ১৩ টি জেলায় লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

    নিম্নচাপের অবস্থান

    বর্তমানে নিম্নচাপ আকারে তা দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর এবং তৎসংলগ্ন দক্ষিণ আন্দামান সাগরে অবস্থান করছে। আবহাওয়া সূত্রে খবর, ৮ ডিসেম্বর সকালের মধ্যে এটি ঘূর্ণিঝড়ে (Cyclone Mandous) পরিণত হবে ও উত্তর তামিলনাড়ু, পুদুচেরি এবং সংলগ্ন দক্ষিণ অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলের কাছে দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে।

    কোথায় কোথায় বৃষ্টি হবে?

    আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, তামিলনাড়ুর উত্তর উপকূলের পাশাপাশি অন্ধ্রপ্রদেশের দক্ষিণ উপকূলকেও প্রভাবিত করবে এই ঘূর্ণিঝড় (Cyclone Mandous)। অন্ধ্রপ্রদেশে ৭ ডিসেম্বর মধ্যরাত থেকে বৃষ্টি শুরু হবে। এর পরবর্তী সময়ে বৃষ্টির বেগ বাড়বে। ৮-৯ ডিসেম্বর অন্ধ্রপ্রদেশের কোনও কোনও জায়গায় ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সঙ্গে ঘন্টায় ৫৫-৬৫ কিমি বেগে হাওয়া বইতে পারে। ৮ ডিসেম্বর নাগাদ ঝড়ের বেগ সর্বোচ্চ ঘন্টায় ৯০ কিমি পর্যন্ত হতে পারে বলে জানানো হয়েছে আবহাওয়া দফতরের তরফে। চেন্নাইয়ের পাশাপাশি পুদুচেরিতেও মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। কোনও কোনও জায়গায় ভারী বৃষ্টিও হতে পারে। আবহাওয়া দফতরের তরফে ৭-৯ ডিসেম্বরের মধ্যে পুদুচেরিতে ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর।

    রেড অ্যালার্ট জারি ও পরিস্থিতি মোকাবিলায় এনডিআরএফ

    তামিলনাড়ুর ১৩টি জেলায় রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে চেন্নাই, নাগাপট্টিনাম, ভিলুপুরম, চেঙ্গলপাট্টু, কুড্ডালোর, কাঞ্চিপুরম, থিরুভাল্লুর, আরিয়ালুর, পেরাম্বলুর, কাল্লাকুরিচি, থাঞ্জাভুর, মায়িলাদুথুরাই, থিরুভারুর। ৮ ডিসেম্বর ভারী বৃষ্টিপাতের জন্য পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। যার ফলে তামিলনাড়ুতে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর (এনডিআরএফ) ছয়টি দল মোতায়েন করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই এনডিআরএফ-এর দলগুলিকে নাগাপট্টিনাম, থাঞ্জাভুর, তিরুভারুর, কুদ্দালোর, মায়িলদুথুরাই এবং চেন্নাইতে মোতায়েন করা হয়েছে। মঙ্গলবার এনডিআরএফ-এর কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তামিলনাড়ু সরকারের বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর থেকে দেওয়া নির্দেশের পরেই জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীকে মোতায়েন করা হয়েছে।

    কোন দেশ এই ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ করেছে ও এর অর্থ কী?

    কোনও ঘূর্ণিঝড় তৈরি হলে কোনও না কোনও দেশ ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ করে। সেই পর্যায়ক্রমেই ‘মন্দৌস’ নামকরণটি করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাশাহি। যদি নিম্নচাপ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়, তবে তার নাম হবে ‘মন্দৌস’। আরবি ভাষায় এর অর্থ হল টাকা বা ধন-দৌলতের বাক্স।

LinkedIn
Share