Tag: Cyclone Michaung

Cyclone Michaung

  • Cyclone Michaung: ‘বাংলার থেকে আয় হয় দ্বিগুণ,’ দাবি দুর্যোগে আটকে থাকা পরিযায়ী শ্রমিকের

    Cyclone Michaung: ‘বাংলার থেকে আয় হয় দ্বিগুণ,’ দাবি দুর্যোগে আটকে থাকা পরিযায়ী শ্রমিকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘূর্ণিঝড় মিগজাউমের (Cyclone Michaung) ধাক্কায় বেহাল চেন্নাই। প্রবল বৃষ্টিতে কার্যত স্তব্ধ জনজীবন। চারিদিক জলমগ্ন। দুর্যোগের মধ্যে আটকে রয়েছেন এই রাজ্যের বহু পরিযায়ী শ্রমিক। স্বাভাবিকভাবে বাড়ি ফিরছেন তাঁরা।  মালদা ও বাংলার অন্য নানা জেলা থেকে চেন্নাইয়ে এসেছেন বহু শ্রমিক। তাঁরা এখন দুর্দশায় পড়েছেন।

    চেন্নাইয়ের মজুরি দ্বিগুণ, দাবি পরিযায়ী শ্রমিকদের

    পরিযায়ী শ্রমিক মালদার বাসিন্দা সেলিম সেখ। তিনি পেশায় রাজমিস্ত্রি। তিনি বলেন, বৃষ্টি দেখে বুঝতেই পারিনি এমন পরিস্থিতি হবে। বাড়ি যাওয়ার উদ্যোগ নিয়েছিলাম। কিন্তু, ঘূর্ণিঝড় মিগজাউমের (Cyclone Michaung) জেরে এমনভাবে জল বেড়েছে যে আটকে পড়েছিলাম আমরা। ইন্টারনেট নেই, বিদ্যুৎ সংযোগও নেই। ফলে মোবাইল বন্ধ হয়ে বাড়ির সঙ্গে যোগাযোগও করতে পারছিলেন না। বৃষ্টির জন্য বন্ধ রয়েছে সব কাজ। এখানে রোজগার না থাকলে বসে খরচ বেড়ে যায়। তাই বাড়ি ফেরার চেষ্টা করছি। কিন্তু বাড়ি-ঘর ছেড়ে এতদূরে কেন আসেন তাঁরা? কারণ স্পষ্ট জানালেন ওই শ্রমিক। তিনি বলেন, রাজ্যেও রাজমিস্ত্রির হেল্পারের কাজ করতাম। কিন্তু বাংলায় যে কাজের জন্য দিনে ৩০০-৩৫০ টাকা মেলে, সেই কাজের জন্যই চেন্নাইয়ে মেলে ৭০০ টাকা। বাংলার থেকে দ্বিগুণ আয় হয় এখানে। বেশি আর্থিক স্বচ্ছলতার জন্য রাজ্য ছাড়তে বাধ্য হই। ডালিম হক বলেন, বাংলায় কাজ নেই। মজুরিও কম। এখানে মজুরি অনেকটাই বেশি। তাই, বাড়তি রোজগারের আশায় আমরা বাড়ি ছেড়ে এখানে এসেছি।

    দুদিন পরই খোঁজ মিলল তথ্যপ্রযুক্তি কর্মী

    চেন্নাইয়ে থারাইপক্কমে থাকেন হুগলির কোন্নগরের বাসিন্দা তথ্যপ্রযুক্তি কর্মী সৌমাভ মিত্র। ঘূর্ণিঝড় মিগজাউমের (Cyclone Michaung) জেরে  দুদিন ধরে তিনি পাননি খাবার ও পানীয় জল। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় পরিবারের সঙ্গে। প্রশাসনের বিভিন্ন জায়গায় যোগাযোগ করে শেষমেশ খোঁজ মেলে সৌমাভর। শেষ পর্যন্ত,  ভিডিও কলে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন তথ্যপ্রযুক্তি কর্মী। তাঁর বাড়ি ফেরার অপেক্ষায় রয়েছেন পরিবারের লোকজন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Cyclone Michaung: মিগজাউমের দাপট! চেন্নাইয়ে চিকিৎসা করাতে গিয়ে আটকে হাওড়ার পরিবার

    Cyclone Michaung: মিগজাউমের দাপট! চেন্নাইয়ে চিকিৎসা করাতে গিয়ে আটকে হাওড়ার পরিবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘুর্ণিঝড় মিগজাউমের (Cyclone Michaung) দাপটে রাজ্যে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই টানা বৃষ্টি হচ্ছে। গত দুদিন আকাশের মুখ ভার ছিল। বিভিন্ন জেলায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হয়েছে। এই ঘুর্ণিঝড়ের কারণে তামিলনাডুতে আটকে রয়েছেন মুর্শিদাবাদের বেশ কিছু পরিযায়ী শ্রমিক। বহু অঞ্চল জলে ডুবে থাকায় একপ্রকার অনাহারে ভুগছেন ওই সমস্ত শ্রমিকেরা। মাথা গোঁজার জায়গাটুকুও নেই তাঁদের। কেউ কেউ বাস করছেন তালপাতার ঘরে। বাড়ি ফেরার টাকাও নেই অনেকের কাছে। পরিস্থিতি কবে স্বাভাবিক হবে সেই চিন্তায় রয়েছেন এই রাজ্যের ওই পরিযায়ী শ্রমিকেরা।

    দুর্যোগে (Cyclone Michaung) আটকে মুর্শিদাবাদের পরিযায়ী শ্রমিকরা

    জানা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদ জেলার হরিহরপাড়া, নওদা ব্লকের প্রায় ৩০ জন শ্রমিকের খোঁজ পাওয়া গিয়েছে। মিগজাউমের (Cyclone Michaung) প্রভাবে তামিলনাডুর বিভিন্ন এলাকায় তাঁরা আটকে রয়েছেন। তাঁরা জেলা প্রশাসনের কাছে মোবাইলের মাধ্যমে বাড়ি ফেরানোর আর্জি জানিয়েছেন। তাঁদের বক্তব্য, চারদিকে জল। চরম আতঙ্কে রয়েছি। পরিস্থিতি কবে স্বাভাবিক হবে তা বুঝতে পারছি না। বাড়ি ফেরানোর ব্যবস্থা করলে খুব ভালো হয়। খুব কষ্টে আছি।

    চিকিৎসা করাতে গিয়ে দুর্যোগের কবলে পড়ে হাসপাতালে আটকে হাওড়ার বাসিন্দা

    চেন্নাইয়ে ক্যান্সার আক্রান্তের চিকিৎসা করাতে গিয়ে দুর্যোগের (Cyclone Michaung) কবলে পড়ে হাসপাতালে আটকে হাওড়ার সন্ধ্যাবাজারের একই পরিবারের ছয় সদস্য। জলমগ্ন অবস্থার কারণে ট্রাকে করে রোগীদের স্থানান্তরিত করতে হচ্ছে। দু’দিন ধরে কোনওরকমে খাবারের ব্যবস্থা করেছে সেখানকার হাসপাতাল। বুধবার থেকে তাও বন্ধ। ভিডিও কলে সেই শোচনীয় পরিস্থিতির কথা জানিয়েছেন চেন্নাইয়ে আটকে পড়া পরিবারের সদস্য মহম্মদ আজম খান।

    মিগজাউমের প্রভাবে ক্ষতি

    মিগজাউমের (Cyclone Michaung) প্রভাব অন্ধ্রপ্রদেশের তুলনায় তামিলনাড়ুতেই বেশি পড়েছে। ইতিমধ্যে চেন্নাইয়ে মারা গিয়েছেন সতেরো জন। ঘূর্ণিঝড়ের জেরে অস্বাভাবিক বেশি পরিমাণে বৃষ্টি হয়েছ চেন্নাই ও তামিলনাড়ুতে। ঘূর্ণিঝড়ে বিপর্যস্ত অন্ধ্রপ্রদেশও। ৭৭০ কিলোমিটার রাস্তা সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর দফতর থেকে জানানো হয়েছে, ১৯৪টি গ্রামের ৪০ লক্ষ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্লাবিত ২৫টি গ্রাম।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Cyclone Michaung: কলকাতায় শুরু বৃষ্টি! ঘূর্ণিঝড় মিগজাউম-এর পরোক্ষ প্রভাব দক্ষিণবঙ্গে

    Cyclone Michaung: কলকাতায় শুরু বৃষ্টি! ঘূর্ণিঝড় মিগজাউম-এর পরোক্ষ প্রভাব দক্ষিণবঙ্গে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘূর্ণিঝড় মিগজাউমের (Cyclone Michaung) প্রভাবে কলকাতায় শুরু হল বৃষ্টি। সকাল থেকেই আকাশে মেঘ ছিল। ভোর রাত থেকেই ছিল ঝোড়ো হাওয়ার দাপট। আজ, মঙ্গলবার দুপুরেই অন্ধ্র উপকূলে আছড়ে পড়তে পারে এই ঝড়। সমতলে আছড়ে পড়ার সময় তার গতিবেগ হতে পারে ঘণ্টায় ১১০ কিলোমিটার। ইতিমধ্যেই অন্ধ্র উপকূল থেকে সাধারণ মানুষকে নিরাপদে সরানো হয়েছে। অন্ধ্র উপকূলে আছড়ে পড়লেও প্রবল ঘূর্ণিঝড় মিগজাউমের পরোক্ষ প্রভাব পড়বে বাংলার জেলাগুলিতেও। দক্ষিণবঙ্গে এর প্রভাবে আগামী দু’দিন বৃষ্টি চলবে।

    ভিজবে বাংলা

    আবহাওয়া দফতরের (Weather Update) পূর্বাভাস, মিগজাউমের (Cyclone Michaung) প্রভাবে ভিজবে দক্ষিণবঙ্গের একাংশ। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা, মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা ১১টি জেলায়। আজ বেশি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, বাঁকুড়া ও কলকাতায়। বুধবার ও বৃহস্পতিবার বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি, পূর্ব বর্ধমান ও নদিয়ায়। বৃষ্টির সঙ্গে দমকা ঝোড়ো হওয়া বইতে পারে উপকূলের জেলাগুলিতে। মৎস্যজীবীদের জন্য জারি করা হয়েছে সতর্কবার্তা। অন্ধ্র ও ওড়িশা উপকূলে বুধবার পর্যন্ত সমুদ্রে যেতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। দুর্যোগের কারণে একাধিক ট্রেন বাতিল করা হচ্ছে। আজ এর্নাকুলাম-পাটনা এক্সপ্রেস ও তিরুচিরাপল্লি-হাওড়া এক্সপ্রেস বাতিল করা হয়েছে।  

    আরও পড়ুন: নেল্লোরের কাছে ল্যান্ডফল! ঘূর্ণিঝড় মিগজাউমের প্রভাবে লন্ডভন্ড চেন্নাই, মৃত ৫

    কবে থেকে পারদ-পতন

    আলিপুর হাওয়া অফিস (Weather Update) জানাচ্ছে, মঙ্গলবার উত্তরবঙ্গের কোথাও বৃষ্টি হবে না। ঘূর্ণিঝড় মিগজাউমের (Cyclone Michaung) প্রভাব পড়বে না দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর কিংবা মালদায়। এই সব জেলার আবহাওয়া শুষ্কই থাকবে আজ। এদিকে আলিপুর আবহাওয়া দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, আগামী দু’দিনে পশ্চিমবঙ্গের কোনও জেলায় তাপমাত্রার কোনও হেরফের হবে না। শীতের পথে কার্যত কাঁটা হয়ে উঠেছে ঘূর্ণিঝড়। থমকে শীতের আমেজ। হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, শুক্রবার থেকে আবহাওয়ার পরিবর্তন হবে। কলকাতায় আজ সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৩.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।  শনিবার থেকে নামতে পারে তাপমাত্রা। পরবর্তী তিন থেকে চারদিনে একধাক্কায় তিন থেকে চার ডিগ্রি সেলসিয়াস পারদ পতনের সম্ভাবনা রয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Cyclone Michaung: বানভাসি চেন্নাইয়ের রাস্তায় কুমির! ঘূর্ণিঝড় মিগজাউমের তাণ্ডবে বিপর্যস্ত তামিলনাড়ু

    Cyclone Michaung: বানভাসি চেন্নাইয়ের রাস্তায় কুমির! ঘূর্ণিঝড় মিগজাউমের তাণ্ডবে বিপর্যস্ত তামিলনাড়ু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘূর্ণিঝড় ‘মিগজাউম’-এর (Cyclone Michaung) প্রভাবে মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে অন্ধ্র এবং তামিলনাড়ুর উপকূলবর্তী এলাকাগুলি। ঝোড়ো হাওয়া আর বৃষ্টির তাণ্ডবে গাছগাছালি উপড়ে সমগ্র উপকূলীয় এলাকাগুলি এখন প্রায় বিদ্যুৎবিহীন। ইতিমধ্যেই ভারী বৃষ্টির জেরে বানভাসি চেন্নাইয়ে এখনও পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৮ জনের। চেন্নাইয়ের নিচু এলাকাগুলোতে জল ঢুকছে। এর মধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় চেন্নাইয়ে প্রকাশ্য রাস্তায় বহাল তবিয়তে হেঁটে-চলে যেতে দেখা গেল একটি কুমিরকে। রাস্তা না নদী বোঝা দায়।

    অন্ধকার রাস্তায় কুমির 

    ভাইরাল ভিডিও-য় দেখা গিয়েছে, চেন্নাইয়ের পেরুনগালাতুর এলাকায় রাস্তার উপরেই একটি কুমির ঘুরে বেড়াচ্ছে। রাতের অন্ধকারে রাস্তার ওপর দিয়েই হেঁটে যাচ্ছে কুমির। গাড়ির আলোয় সেটি চোখে পড়তেই গাড়ি থামিয়ে ভিডিও রেকর্ডিং করতে শুরু করেন চালক। সোশ্যাল মিডিয়ায় শহরের ভিডিও ছড়িয়ে পড়তেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন চেন্নাই শহরের বাসিন্দারা। অনেকে ভিডিওর নীচে কমেন্ট করেছেন, “আগে ছিল সাপ, মাছ। এখন এসে গেছে কুমিরও। চেন্নাই শহর এখন পুরোপুরি একটা অ্যাকোয়ারিয়াম।” তবে, ভিডিওতে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে তামিলনাড়ুর পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং বন বিভাগের অতিরিক্ত মুখ্য সচিব সুপ্রিয়া সাহু মানুষজনকে অনুরোধ করেছেন যে, সরীসৃপটিকে দেখতে পেলে কেউ যেন তার কাছে না যান। 

    বিপর্যস্ত চেন্নাই

    ঘূর্ণিঝড় ও বৃষ্টিপাতের জেরে সোমবার থেকেই চেন্নাই (Chennai) এবং সংলগ্ন জেলাগুলোতে সরকারি স্কুল-কলেজ বন্ধ রাখা হয়েছে। অন্ধ্রপ্রদেশ ও পুদুচেরিতে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আগামী দুদিনের জন্য বন্ধ রাখা হয়েছে। বেসরকারি অফিসগুলোও কর্মীদের বাড়ি থেকে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছে। বিধ্বস্ত চেন্নাই বিমানবন্দরও। জলের তলায় চলে গিয়েছে রানওয়ে। রাত ১১টা পর্যন্ত বিমান চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। ১২টি অভ্যন্তরীণ বিমান এবং ৪টি আন্তর্জাতিক বিমান বাতিল করা হয়েছে। কয়েকটি বিমান বেঙ্গালুরুতে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছে। বাতিল হয়েছে বহু ট্রেনও।

    রাতভর ভারী বৃষ্টির দাপটে ব্যাহত হয়েছে বিদ্যুৎ পরিষেবাও। চেন্নাইয়ের বেশ কয়েকটা এলাকা বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছে। বিঘ্নিত হয়েছে ইন্টারনেট পরিষেবাও। ঝুঁকি এড়াতে শহরের অন্যতম বাসিন ব্রিজে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়েছে। চেন্নাইয়ে উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে ভারতীয় সেনার মাদ্রাজ ইউনিট। মোতায়েন করা হয়েছে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীও (এনডিআরএফ)। নদীতে পরিণত হয়েছে শহরের বিভিন্ন রাস্তা। কোথাও জল দাঁড়িয়ে আছে। কোথাও আবার জলের স্রোত বয়ে যাচ্ছে। না বলে দিলে মনে হবে যেন বয়ে যাচ্ছে কোনও নদী। ঝোড়ো হাওয়ার কারণে উপড়ে গিয়েছে গাছ। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Cyclone Michaung: আসছে ‘মিচাং’, অন্ধ্র ও তামিলনাড়ুতে জারি সতর্কতা, বাতিল ট্রেন, বন্ধ স্কুল-কলেজ

    Cyclone Michaung: আসছে ‘মিচাং’, অন্ধ্র ও তামিলনাড়ুতে জারি সতর্কতা, বাতিল ট্রেন, বন্ধ স্কুল-কলেজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর তামিলনাড়ু ও অন্ধ্রের উপকূলবর্তী জেলাগুলিত প্রবল ঘূর্ণিঝড় (Cyclone Michaung) আছড়ে পড়তে চলেছে। দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের তৈরি হওয়া গভীর নিম্নচাপের তৈরি হয়েছে ঘূর্ণিঝড়। এমনটাই জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ‘মিচাং’ ঘূর্ণিঝড় আছড়ে পড়বে এই দুই দক্ষিণে রাজ্যের উপকূলে। আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, বর্তমানে ওই ঘূর্ণিঝড় অবস্থান করছে পুদুচেরি থেকে ৪৪০ কিলোমিটার দূরে এবং চেন্নাই থেকে ৪২০ কিমি দূরে রয়েছে ‘মিচাং’। ঘূর্ণিঝড়ের কারণে বাতিল হয়েছে অজস্র ট্রেন এবং বন্ধ রয়েছে স্কুল-কলেজও।

    ভালোই ক্ষতির আশঙ্কা

    আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, বিধ্বংসী এই ঘূর্ণিঝড়ের কারণে ভালো পরিমাণ ক্ষতিই হতে পারে তামিলনাড়ু ও অন্ধ্রের উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে। দক্ষিণ অন্ধ্রপ্রদেশ এবং তার সংলগ্ন উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে এবং উত্তর তামিলনাড়ু এবং পন্ডিচেরিতে রবিবার নিম্নচাপের কারণে ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। রাজধানী শহর চেন্নাইতেও ভারী বৃষ্টির পূর্বভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। ঘূর্ণিঝড় ‘মিচাং’-এর (Cyclone Michaung)  বিপর্যয় থেকে অন্ধ্রপ্রদেশ এবং তামিলনাড়ুর বিস্তীর্ণ এলাকাতে সুরক্ষিত করতে ইতিমধ্যে সক্রিয় হয়ে উঠেছে প্রশাসন। এই দুই রাজ্যের পুলিশ ইতিমধ্যে সতর্কতা জারি করেছে। মৎস্যজীবীদের সমুদ্র যাত্রায় নিষেধাজ্ঞা জারি আগেই করা হয়েছে।

    প্রস্তুত এনডিআরএফ-এর ১৮ দল

    জানা গিয়েছে এনডিআরএফ এর ১৮ টি দলকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। তামিলনাড়ু, অন্ধপ্রদেশ, ওড়িশা এবং পুদুচেরিতে। এর পাশাপাশি দশটি অতিরিক্ত দলও প্রস্তুত রয়েছে। সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবারই এই ঘূর্ণিঝড়ের (Cyclone Michaung) কারণে চেন্নাই, কাঞ্চীপুরম থিরুভাল্লুর জেলাতে স্কুল এবং কলেজে ছুটি দেওয়া হয়েছে। মাদ্রাস ইউনিভার্সিটি এবং অন্য ইউনিভার্সিটি তাদের পরীক্ষাও স্থগিত রেখেছে ঠিক এ কারণে। অনেক ট্রেনও বাতিল করা হয়েছে। ১১৮টি ট্রেন বাতিল হয়েছে তামিলনাড়ুতে, ৩ থেকে ৬ ডিসেম্বরের মধ্যে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এই ঘূর্ণিঝড় অন্ধ এবং তামিলনাড়ুর উপকূলে আছড়ে পড়ার পর তা পৌঁছাবে অন্ধ্রপ্রদেশের নেলর এবং মছলিপত্তনমের মধ্যবর্তী উপকূলে অঞ্চলে। আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘূর্ণিঝড়ের (Cyclone Michaung) গতি থাকবে আশি থেকে নব্বই কিলোমিটার।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Cyclone Michaung: ডিসেম্বরের প্রথমেই ঘূর্ণিঝড়! ‘মিগজাউম’-এর প্রভাবে থমকে  শীত

    Cyclone Michaung: ডিসেম্বরের প্রথমেই ঘূর্ণিঝড়! ‘মিগজাউম’-এর প্রভাবে থমকে শীত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের শীতের পথে বাধা ঘূর্ণিঝড়। বঙ্গোপসাগরে নতুন করে একটি ঘূর্ণিঝড় তৈরি হতে চলেছে, এমনটাই জানিয়েছে মৌসম ভবন। ঘূর্নিঝড় মিধিলির (Cyclone Midhili) পর ‘মিগজাউম’ (Cyclone Michaung)। বাংলায় এর কোনও প্রভাব পড়বে কিনা, তা এখনও পর্যন্ত স্পষ্ট নয়। তবে বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপের জন্য এখনই জাঁকিয়ে শীত পড়ার কোনও সম্ভাবনা নেই দক্ষিণবঙ্গে।

    কী বলছে হাওয়া অফিস

    মৌসম ভবন (India Meteorological Department) সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই আন্দামান সাগরে একটি নিম্নচাপ তৈরি হয়েছে। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত নিম্নচাপটি অবস্থান করছে দক্ষিণ আন্দামান সাগর এবং সংলগ্ন মালাক্কা প্রণালীর উপর। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস, নিম্নচাপটি ক্রমেই পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হবে। আগামিকাল, ২৯ নভেম্বরের মধ্যে শক্তি বাড়িয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হবে এটি। গভীর নিম্নচাপটি আগামী দুই দিনের মধ্যে গভীর ঘূর্ণিঝড়ে (Cyclone Michaung) পরিণত হবে। আবহবিদদের কথায়, ‘সাইক্লোনের গতিপ্রকৃতি ঠিক কী হতে চলেছে, সেই বিষয়ে এখনও স্পষ্ট কোনও ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি। এই ঘূর্ণিঝড় কোন দিকে অগ্রসর হবে তা এখনও পর্যন্ত স্পষ্ট নয়। এর জন্য আরও বেশ কিছুটা সময় প্রয়োজন রয়েছে।’ বেশ কয়েকটি আবহাওয়া মডেল এই সাইক্লোনের একটি সম্ভাব্য গতিপথের ইঙ্গিত দিয়েছে। আর এই পূর্বাভাস মডেলগুলি অনুযায়ী, ৬ ডিসেম্বর নাগাদ স্থলভাগ ছুঁতে পারে সাইক্লোনটি। বাংলাদেশ বা মায়ানমার উপকূলের দিকে তা যেতে পারে। আগামী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত মৎস্যজীবীদের আন্দামানসাগরে যেতে নিষেধ করা হয়েছে।

    শীত পড়তে দেরি

    ঘূর্ণিঝড় মিগজাউমের প্রভাবে উত্তরবঙ্গে (North Bengal) ভারী বা মাঝারি বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। তবে পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে ডিসেম্বরের শুরুর দিকে দার্জিলিং কালিম্পং-এ হালকা বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। এই সাইক্লোনের ফলে রাজ্যে উত্তুরে হাওয়ার প্রবেশ বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে। আর যার ফলে পারদ পতনেও হচ্ছে বিলম্ব। আপাতত আগামী কয়েকদিন রাজ্যে জাঁকিয়ে শীত পড়ার সম্ভাবনা নেই বলেই জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, দক্ষিণবঙ্গে (South Bengal) বুধবার থেকে আংশিক মেঘলা আকাশ থাকবে। সপ্তাহান্তে উপকূলীয় এলাকাগুলির হাওয়া বদলের সম্ভাবনা প্রবল। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: নিম্নচাপ দুর্বল হয়ে ঘূর্ণাবর্ত! এবার আসছে শীত, কী বলছে হাওয়া অফিস?

    Weather Update: নিম্নচাপ দুর্বল হয়ে ঘূর্ণাবর্ত! এবার আসছে শীত, কী বলছে হাওয়া অফিস?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবহাওয়া দফতরের (Weather Update) পূর্বাভাস মতোই বৃহস্পতিবার ভিজল কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, বর্ধমান-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলা। সারাদিন কখনও হালকা আবার কখনও ঝেঁপে বৃষ্টি হয়েছে শহরে। সারাদিনই আকাশ ছিল মেঘলা। সন্ধ্যের পরও বৃষ্টি হয়েছে নানা প্রান্তে। শুক্রবার থেকে আবহাওয়ার উন্নতি হতে পারে বলে মত আবহবিদদের। নিম্নচাপ সরলেই শীতের স্পেল শুরু হবে বলে আগেই জানিয়েছিল হাওয়া অফিস। সেই মতো সপ্তাহান্তে শনিবার থেকেই পারদ (Winter in Kolkata) নামতে পারে শহরে।

    ঘূর্ণাবর্তে পরিণত নিম্নচাপ

    উত্তর-পূর্ব তেলঙ্গানা, সংলগ্ন দক্ষিণ ছত্তিশগড়, দক্ষিণ ওড়িশা এবং অন্ধ্র উপকূলের উপর নিম্নচাপ অঞ্চল দুর্বল হয়ে ঘূর্ণাবর্তে পরিণত হয়েছে। সেই ঘূর্ণাবর্ত এখন রয়েছে দক্ষিণ ছত্তীসগঢ় এবং সংলগ্ন বিদর্ভ অঞ্চলে। এই ঘূর্ণাবর্তের কারণেই দক্ষিণবঙ্গের বেশির ভাগ জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হচ্ছে। উত্তরবঙ্গের কিছু অংশেও হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। শুক্রবার সকাল থেকে শহরে বৃষ্টির দাপট কমবে বলে মনে করা হচ্ছে। শুক্রবার বৃষ্টির পূর্বাভাস জারি থাকছে দুই মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, বীরভূম, হাওড়া, পুরুলিয়া দুই বর্ধমান সহ একাধিক জায়গায়। নিম্নচাপ সরলেই আগামী তিন দিনে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা তিন থেকে পাঁচ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে।

    আরও পড়ুন: ‘জাতীয় সঙ্গীতকে সম্মান করুন, হাতিয়ার নয়’ হাইকোর্টে ফের ধাক্কা রাজ্যের

    মেঘ সরলেই পারদ পতন

    আলিপুর আবহাওয়া দফতর (Weather Update) জানিয়েছে, মেঘ সরলে তাপমাত্রা আরও কিছুটা নামবে। শুক্রবারের পর রাজ্যে উত্তুরে হাওয়ার পথ খুলে যেতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। সে ক্ষেত্রে ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময় থেকেই ঠান্ডা (Winter in Kolkata) উপভোগ করতে পারেন শহরবাসী। আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, আগামী সপ্তাহে তাপমাত্রা অনেকটাই নেমে যেতে পারে। আগামী মঙ্গলবারের মধ্যে রাতের তাপমাত্রা ৩ থেকে ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস নামবে। দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে দিনের তাপমাত্রা ২ থেকে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে। বের করতে হবে সোয়েটার, মাফলার। এবার শীতের লম্বা ইনিংসের অপেক্ষায় শহরবাসী।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Cyclone Michaung: আছড়ে পড়ল ঘূর্ণিঝড় মিগজাউম! তাণ্ডব অন্ধ্রপ্রদেশে, বাংলায় বুধবার থেকে বৃষ্টি

    Cyclone Michaung: আছড়ে পড়ল ঘূর্ণিঝড় মিগজাউম! তাণ্ডব অন্ধ্রপ্রদেশে, বাংলায় বুধবার থেকে বৃষ্টি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্থলভাগে আছড়ে পড়ল ঘূর্ণিঝড় মিগজাউম। অন্ধ্রপ্রদেশের নেল্লোর এবং মছলিপত্তনমের মাঝে বাপাটলা উপকূলে দুপুরে স্থলভাগে প্রবেশ করে মিগজাউম। অন্ধ্রের নেল্লোর এবং মছিলিপত্তনমের মাঝামাঝি জায়গা দিয়ে ভূভাগে প্রবেশ করছে ঘূর্ণিঝড়টি। এই আবহে অন্ধ্র উপকূলে ঘণ্টায় ৯০ থেকে ১০০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইছে। দমকা হাওয়ার বেগ ১১০ কিমিতে পৌঁছে যাচ্ছে। ইতিমধ্যেই দক্ষিণ অন্ধ্রের জন্য লাল সতর্কবার্তা জারি করেছে হাওয়া অফিস। উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশে জারি করা হয়েছে কমলা সতর্কতা।

    সতর্কতা জারি

    মঙ্গলবার ঘূর্ণিঝড় মিগজাউমের তাণ্ডব চলল অন্ধ্র উপকূলে। দুপুর দেড়টা নাগাদ ঘূর্ণিঝড় মিগজাউমের ল্যান্ডফলের প্রক্রিয়া শুরু হয়। ঘূর্ণিঝড়টি প্রবেশ করে নেল্লোর এবং মছিলিপত্তনমের মাঝামাঝি জায়গা দিয়ে। ঘূর্ণিঝড়ের জেরে সতর্কতা জারি করা হয়েছে অন্ধ্রপ্রদেশের তিরুপতি, নেল্লোর, প্রকাশম, বাপতালা, কৃষ্ণ, পশ্চিম গোদাবরী, কোনাসীমা ও কাকিনাড়া জেলায়। তেলঙ্গানার বহু জায়গাতেও আজ ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বৃষ্টি হচ্ছে। ঘূর্ণিঝড়ের সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়বে অন্ধ্রপ্রদেশে উপকূলে। জারি হয়েছে সতর্ককা। মঙ্গলবার উপকূলবর্তী সব এলাকাতেই ভারী বৃষ্টি হবে। ঘূর্ণিঝড়ের সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়তে চলেছে। দক্ষিণ অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে। আবহাওয়া খারাপ হওয়ায় বাতিল হয়েছে একাধিক ট্রেন। অন্যদিকে একাধিক বিমান বাতিল করেছে উড়ান সংস্থাগুলি। গতকাল চেন্নাইয়ে বিমানবন্দর বন্ধ রাখা হয়েছিল। 

    কথা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    মিগজাউম আছড়ে পড়ার আগেই টানা বৃষ্টিতে জলমগ্ন অন্ধ্রপ্রদেশ, তামিলনাড়ু, পুদুচেরির বিস্তীর্ণ এলাকা। তেলঙ্গানা ও ওড়িশাকেও সতর্ক থাকতে নির্দেশ দিয়েছে আবহাওয়া দফতরের। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সোমবার তামিলনাড়ু, অন্ধ্রপ্রদেশ এবং পুদুচেরির মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন। কেন্দ্র থেকে প্রয়োজনীয় সমস্ত সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, পর্যাপ্ত জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।  জনজীবন কার্যত বিপর্যস্ত। অন্ধ্রপ্রদেশ সরকার আগেভাগেই আটটি জেলায় সতর্কতা জারি করেছে। তিরুপতি, নেলোর, প্রকাশম, বাপটলা, কৃষ্ণা, পশ্চিম গোদাবরি, কোনসিমা এবং কাকিনাদায় সকলকে সতর্ক থাকতে অনুরোধ করা হয়েছে। পুদুচেরির উপকূলীয় অঞ্চলে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। বাড়ির বাইরে বেরতেই বারণ করা হয়েছে প্রশাসনের তরফে। 

    আরও পড়ুন: কলকাতায় শুরু বৃষ্টি! ঘূর্ণিঝড় মিগজাউম-এর পরোক্ষ প্রভাব দক্ষিণবঙ্গে

    বাংলায় প্রভাব

    মিগজাউমের প্রভাব পড়েছে দক্ষিণবঙ্গেও। মঙ্গলবার সকাল থেকেই আকাশ মেঘলা বঙ্গে। বুধবার ও বৃহস্পতিবারে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়ার সম্ভাবনা দক্ষিণবঙ্গে। হলুদ সতর্কবার্তা জারি রয়েছে বাংলা এবং ওড়িশা উপকূলে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Cyclone Michaung: নেল্লোরের কাছে ল্যান্ডফল! ঘূর্ণিঝড় মিগজাউমের প্রভাবে লন্ডভন্ড চেন্নাই, মৃত ৫

    Cyclone Michaung: নেল্লোরের কাছে ল্যান্ডফল! ঘূর্ণিঝড় মিগজাউমের প্রভাবে লন্ডভন্ড চেন্নাই, মৃত ৫

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোরেই অন্ধকার। সকাল থেকে আকাশে কালো মেঘের আনাগোনা। সঙ্গে ঝড়ো হাওয়ার দাপট। ঘূর্ণিঝড় মিগজাউমের প্রভাব শহর কলকাতাতেও। মঙ্গলবার অন্ধ্রপ্রদেশের নেল্লোরের কাছে ল্যান্ডফল করার কথা শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় মিগজাউমের।  ইতিমধ্যেই মিগজাউম পেরিয়ে গিয়েছে অন্ধ্র প্রদেশের উপকূল এলাকা। নেল্লোর এবং মছলিপট্টনমের মধ্যবর্তী এলাকায় ঘূর্ণিঝড়ের আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ল্যান্ডফলের সময় এই ঘূর্ণিঝড়ের গতিবেগ থাকতে পারে ঘণ্টায় ৯০ থেকে ১১০ কিলোমিটার।

    অন্ধ্র প্রদেশে জারি সতর্কতা

    মঙ্গলবার সকাল থেকেই ঘূর্ণিঝড় নিয়ে সতর্ক করে একের পর এক পোস্ট করেছে আবহাওয়া দফতর (IMD)। পূর্বাভাস রয়েছে, দক্ষিণ অন্ধ্র প্রদেশ উপকূলের সমান্তরাল ভাবে উত্তর দিকে এই ঘূর্ণিঝড় এগোবে। ইতিমধ্যেই সমুদ্র উথাল-পাতাল শুরু হয়েছে। বেড়ে গিয়েছে জলস্তর। ল্যান্ডফলের সময় এই ঘূর্ণিঝড়ের জেরে অন্ধ্রের একাধিক এলাকায় ৮৫ থেকে ৯৫ কিলোমিটার বেগে হাওয়া বইতে পারে। কোনও কোনও ক্ষেত্রে হাওয়ার গতিবেগ বেড়ে দাঁড়াতে পারে ১১০ কিলোমিটার পর্যন্ত। উপকূলবর্তী এলাকায় দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় বন্দোবস্ত করা হয়েছে।

    তাণ্ডব চেন্নাইয়ে

    ল্যান্ডফলের আগে সোমবার এই ঝড় তাণ্ডব চলল চেন্নাই-সহ আশপাশের এলাকায়। বৃষ্টির কারণে চেন্নাইয়ে মৃত্যু হয়েছে পাঁচ জনের। মঙ্গলবার সকাল ৯টা পর্যন্ত বন্ধ রাখা হয়েছে বিমানবন্দর। ভারী বৃষ্টির কারণে চেন্নাইয়ের বহু এলাকা জলমগ্ন। চেন্নাই পুলিশ জানিয়েছে, ভারী বৃষ্টিতে শহরে পাঁচ জনের মৃত্যুর খবর পেয়েছে তারা। বৈদ্যনাথন উড়ালপুলের কাছে ৭০ বছরের এক প্রবীণের দেহ মিলেছে। তাঁর পরিচয় জানা যায়নি। ফোরশোর এস্টেট বাস ডিপোর কাছে ৬০ বছরের এক মহিলার দেহ মিলেছে। তাঁরও পরিচয় জানা যায়নি। দিণ্ডিগুল জেলায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা গিয়েছেন ৫০ বছরের এক ব্যক্তি। তাঁর নাম পদ্মনাভন। পাণ্ডিয়ান নগরেও নিজের বাড়ির কাছে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হয়েছে এক জনের। মৃতের নাম গণেশন (৭০)। বেসান্ত নগরে গাছ চাপা পড়ে মৃত্যু হয়েছে ৩৫ বছরের এক যুবকের। নাম মুরুগান।

    আরও পড়ুন: মোদি ঝড়ের প্রভাব পড়ল দালাল স্ট্রিটেও! সর্বকালীন রেকর্ড উচ্চতায় বন্ধ হল বাজার

    কলকাতার আবহাওয়া

    আজ, মঙ্গলবার সকাল থেকেই মেঘলা আকাশ। নিম্নচাপের প্রভাবে চলছে ঝড়ো হাওয়া। পারদ আপাতত না নামলেও মেঘলা থাকায় স্যাঁতস্যাঁতে আবহাওয়া। শীতের মিঠে-কড়া রোদ উধাও। অকাল বর্ষণের পূর্বাভাস শহরে। হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, বুধবার এবং বৃহস্পতিবার হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের কয়েকটি জেলায়। শুক্রবারের পর আবহাওয়ার পরিবর্তন হতে পারে। সপ্তাহান্তে পারদ নামার ইঙ্গিত রয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Cyclone Michaung: প্রবল বেগে এগোচ্ছে ঘূর্ণিঝড় মিগজাউম! রাজ্যে বৃষ্টির পূর্বাভাস, ল্যান্ডফল কখন?

    Cyclone Michaung: প্রবল বেগে এগোচ্ছে ঘূর্ণিঝড় মিগজাউম! রাজ্যে বৃষ্টির পূর্বাভাস, ল্যান্ডফল কখন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  শহর কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় সকাল থেকেই মেঘলা আকাশ। দ্রুত বেগে স্থলভাগের দিকে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় মিগজাউম (Cyclone Michaung)। আজ, সোমবার বিকেলের মধ্যে দক্ষিণ অন্ধ্রপ্রদেশ ও সংলগ্ন উত্তর তামিলনাড়ু উপকূলে ল্যান্ডফল করতে চলেছে এই ঘূর্ণিঝড়। ইতিমধ্যেই এর প্রভাবে তামিলনাড়ু উপকূল এবং অন্ধ্রপ্রদেশে (Andhra Pradesh) শুরু হয়েছে এক নাগাড়ে বৃষ্টি। ভাসছে চেন্নাই।

    ভাসছে চেন্নাই, অন্ধ্র

    এদিন সকাল থেকেই তামিলনাড়ু ও অন্ধ্রপ্রদেশে দুই রাজ্যে শুরু হয়েছে প্রবল বৃষ্টিপাত সেই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে দমকা হাওয়া (Cyclone Michaung)। সকালেই চেন্নাইয়ের (Chennai) ইস্ট কোস্টাল রোডের কানাথুর এলাকায় একটি নবনির্মিত দেওয়াল ধসে পড়ে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। গুরুতর আহত ১ জন। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবের তামিলনাড়ুর চেন্নাই-সহ একাধিক জায়গায় একটানা বৃষ্টি শুরু হয়েছে। ভেসে যাচ্ছে চেন্নাই বিমানবন্দরের (Chennai Airport) রানওয়ে। বাতিল হয়েছে একাধিক বিমান। অন্ততপক্ষে ২০টি উড়ানের সময়ে পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।  

    ১০০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া

    তামিলনাডুর পাল্লিকরণী এলাকায় হু হু করে জল ঢুকতে শুরু করেছে। পল্লিকরণী এলাকা সমুদ্র সৈকতের বেশ কাছে। ফলে সেখানে যে বহুতলগুলি রয়েছে, অতি ভারি বৃষ্টির প্রভাবে রেহাই পাচ্ছেন না সেখানকার বাসিন্দারাও। পল্লিকরণীর সাধারণ মানুষকেও সতর্ক করা হয়ছে। যদিও এক নাগাড়ে বৃষ্টির জেরে পল্লিকরণী এলাকায় রাস্তায় যে গাড়িগুলি দাঁড় করানো রয়েছে, সেগুলি জলের তোড়ে এক জায়গা থেকে অন্যত্র প্রায় ভেসে যেতে শুরু করেছে। ফলে পল্লিকরণী এলাকার অবস্থা দেখে চিন্তায় প্রশাসন। ঘূর্ণিঝড়ের জেরে প্রচণ্ড গতিতে বাতাস বইতে পারে পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরের উপর দিয়ে। রবিবারই ৫৫-৬৫ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা থেকে বাতাসের গতিবেগ ছিল ৭৫ কিমি/ঘণ্টা। সন্ধ্যার মধ্যে যা ৯০ কিমি ঘণ্টা ছোঁয়ার আশংকা করা হয়। আজ সোমবার সকাল থেকেই ৮০-৯০ কিমি/ঘণ্টা বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে। যা আজ সন্ধ্যা থেকে মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত ৯০-১০০ কিমি/ঘণ্টা পর্যন্ত হওয়ার আশংকা করা হচ্ছে।

    শহরে মেঘলা আকাশ

    বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া ঘূর্ণিঝড় মিগজাউমের (Cyclone Michaung) প্রভাবে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে তিন দিন বৃষ্টি হতে পারে। তবে দুর্যোগের দাপট বেশি হবে না। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বাংলায়। বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া ঘূর্ণিঝড় মিগজাউমের প্রভাবে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে তিন দিন বৃষ্টি হতে পারে। তবে দুর্যোগের দাপট বেশি হবে না। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বাংলায়। আজ, সোমবার সকাল থেকেই শহরে মেঘলা আকাশ। নিম্নচাপ কাটলেই, শুক্রবারে পর থেকে রাজ্যে আবহাওয়ায় বদল আসতে পারে। ওই দিন থেকেই নতুন করে পারদ নামার সম্ভাবনা প্রবল। ফিরবে শীতের আমেজ। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share