Tag: Cyclone Sitrang

Cyclone Sitrang

  • Cyclone Sitrang: বাংলাদেশে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের আঘাতে মৃত বেড়ে ৩৫

    Cyclone Sitrang: বাংলাদেশে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের আঘাতে মৃত বেড়ে ৩৫

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের দক্ষিণ উপকূলীয় অঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলে সিত্রাং (Cyclone Sitrang) ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে শেষ খবর অনুযায়ী ৩৫ জন নিহত হয়েছে। সংবাদসূত্রে জানা গিয়েছে, ১০ হাজারেরও বেশী ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

    বাংলাদেশের দূর্যোগ মোকাবিলা মন্ত্রকের মুখপাত্র মহম্মদ মনিরুজ্জামান জানিয়েছেন, বাংলাদেশ সরকার ঘূর্ণিঝড় (Cyclone Sitrang) মোকাবিলার জন্য ৬ হাজার দুশো পঁচিশটি নিরাপত্তা কেন্দ্র প্রস্তুত রেখেছে। এখন পর্যন্ত প্রায় ২ লক্ষেরও বেশী মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।এক সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, ১০ হাজার ঘরবাড়ি জলের তোড়ে ভেসে গিয়েছে এবং ৬ হাজার হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হয়েছে,জমি গুলি জলমগ্ন।

    তবে বিভিন্ন সূত্রে জানা যাচ্ছে মূলত বাংলাদেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ পশ্চিমের উপকূলীয় অঞ্চল গুলিতেই ঝড়ের প্রভাবে বেশী লক্ষ্যণীয়।

    [tw]


    [/tw] 

    এদিকে, বাংলাদেশে জাতিসংঘের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভাসানচর দ্বীপের প্রায় ৩০ হাজার ও কক্সবাজারে ১০ লক্ষ রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে কোনও বন্যা বা বড়োসড়ো ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

    ভারতের উওর পূর্বের রাজ্যগুলিতে এই ঝড়ের (Cyclone Sitrang) প্রভাব দেখা গিয়েছে।উত্তর পূর্বের রাজ্যগুলির কিছু অঞ্চলে ঝড়ের দাপটে কিছু গাছ উপড়ে পড়েছে এবং বেশ কিছু ঘরবাড়িও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, সিত্রাং ঘূর্ণিঝড়টি সোমবার রাত সাড়ে ৯ টা থেকে সাড়ে ১১ টা নাগাদ পশ্চিমবঙ্গ উপকূল ঘেঁষে বাংলাদেশের বরিশালে এসেই তান্ডব শুরু করে।

    উত্তর পূর্বের রাজ্য মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের (Cyclone Sitrang) কারণে, মেঘালয়ের বিভিন্ন জেলাগুলিতে ক্ষয়ক্ষতির মূল্যায়ন করতে জেলা কালেক্টরদের সাথে বৈঠক করেন। ড্রোন ব্যবহার করে দ্রুত ক্ষয়ক্ষতির মূল্যায়ন করে দ্রুত ক্ষতিগ্রস্তদের হাতে ত্রাণ তুলে দেবার নির্দেশ দিয়েছেন।

    [tw]


    [/tw] 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
  • Cyclone Sitrang: সিত্রাং এর প্রবাহে দীপাবলির আলো ম্লান হবার মুখে

    Cyclone Sitrang: সিত্রাং এর প্রবাহে দীপাবলির আলো ম্লান হবার মুখে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও নতুন ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানতে চলেছে আমাদের রাজ্যে, সিত্রাং নামক ঘূর্ণিঝড়টি শক্তি বাড়িয়ে আন্দামান সাগরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপ থেকে। পোর্টব্লেয়ার থেকে ১১০ কিমি উত্তর-পশ্চিমে অবস্থান করেছে এই  নিম্নচাপ এবং সাগরদ্বীপ থেকে ১৪৬০ কিমি দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করেছে। আবহাওয়া দপ্তরের তরফে জানা গিয়েছে আগামীকাল সোমবার দীপান্বিতা কালীপূজার দিন  পশ্চিমবঙ্গে এবং পরবর্তী দিন মঙ্গলবার বাংলাদেশের উপকূলের তিনকোনা দ্বীপের উপর আছড়ে পড়বে এই ঘূর্ণিঝড়।

    পশ্চিমবঙ্গের দুই ২৪ পরগনা ও দুই মেদিনীপুর সহ হাওড়া, হুগলি, নদীয়ায় ভারী বৃষ্টিপাত ও ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবার সর্বোচ্চ ৬৫ কিমি আর মঙ্গলবার ৯০ কিমি বেগে বইবে ঝোড়ো হাওয়া।
    তবে দুই পরগণা আর দুই মেদিনীপুরে ১১০ কিমি বেগে ঝড় হতে পারে বলে আশঙ্কা। 
     সরকারের পক্ষ থেকে উপকূলীয় এলাকার সতর্কতা জারি করা হয়েছে এবং সুন্দরবন এলাকায় ফেরি পরিষেবা বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। 

    [tw]


    [/tw]

    সুন্দরবন কোস্টাল থানার তরফ থেকে মাইকে করে বিশেষ সতর্কতা মূলক প্রচার চালানো হয়েছে, মৎস্যজীবিদের মাছ ধরতে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়ার পাশাপাশি সমুদ্র তীরবর্তী বাসিন্দাদের কয়েকটি দিন বিশেষ সতর্কতায় কাটানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং তেমন বুঝলে ফ্ল্যাড সেন্টারে আশ্রয় নিতে বলা হয়েছে। 
    এই ঝড় পাশ্ববর্তী রাজ্য উড়িষ্যা হয়ে পশ্চিমবঙ্গে প্রবেশ করে ভারতে যাবে। এই ঘুর্ণিঝড়ের কারণে পশ্চিমবঙ্গের বেশ কিছু রাজ্যে সারাদিন বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে, মাঝে মাঝে ঝড় বিদ্যুৎ সহ ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা। 
    কালীপূজার দিন সকাল থেকে নবান্নে থাকার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে মুখ্যসচিব সহ প্রশাসনের শীর্ষকর্তাদের।

    নবান্নের তরফ থেকে উপকূলীয় জেলার প্রশাসনকে যে কোনো পরিস্থিতির জন্য তৈরি থাকতে বলা হয়েছে।  সাইক্লোন সিত্রাং মোকাবিলায় এনডিআরএফের তরফ থেকে থাকবে পশ্চিমবঙ্গে ১৪টি পরিষেবা দল রাজ্যের উপকূল সহ বিভিন্ন স্থানে । ৪টি দল থাকবে দক্ষিন ২৪ পরগণায়, ২ দল থাকবে উত্তর ২৪ পরগণা ,৩ টি দল  পূর্ব মেদিনীপুর আর ১ টি দল পশ্চিম মেদিনীপুর,হুগলি ও নদীয়ায় থাকবে। এবং কলকাতা কর্পোরেশনে থাকছে দুটো দল।
    দক্ষিণ ২৪ পরগনার মধ্যে রয়েছে সাগর, কাকদ্বীপ, গোসাবা, কুলতলি, উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যে রয়েছে সন্দেশখালি এবং হাসনাবাদ। এছাড়া পূর্ব মেদিনীপুরের মধ্যে  দিঘাতে রয়েছে একটি টিম, রামনগরে দুটি টিম এবং হলদিয়াতে এনডিআরএফের টিম রয়েছে। হুগলির আরামবাগ, কলকাতা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন, পশ্চিম মেদিনীপুরে হাসিমপুর, নদিয়া হরিণঘাটাতেও এনডিআরএফ টিম মোতায়েন রয়েছে। মূল কন্ট্রোলরুম খোলা হয়েছে হরিণঘাটাতে সেকেন্ড ব্যাটেলিয়নের এনডিআরএফের কন্ট্রোল রুম। কন্ট্রোল রুমের নাম্বার-  ৮০১৭১৬৬৬৫৫ । ২৪ ঘণ্টা এই হরিণঘাটার মেইন কন্ট্রোল রুম থেকেই চলবে গোটা পরিস্থিতির উপর নজরদারি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
  • Cyclone Sitrang: কমল সিত্রাংয়ের দাপট! আজ সকাল থেকেই ঝলমলে আকাশ

    Cyclone Sitrang: কমল সিত্রাংয়ের দাপট! আজ সকাল থেকেই ঝলমলে আকাশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কালীপুজোর রাতে কনকনে ঠান্ডা হাওয়া আর ঝিড়ঝিড়ে বৃষ্টির পর মঙ্গলবার সকাল থেকেই ঝলমলে আকাশ। পশ্চিমবঙ্গ থেকে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের (Cyclone Sitrang) বিপদ কেটে গিয়েছে, বলে আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর। এদিন আবহাওয়ার ক্রমশ উন্নতি হয়েছে। ভোর রাত থেকেই বৃষ্টি কমে যায়। কমেছে ঝোড়ো হাওয়ার বেগ। তবে এপার বাংলা রক্ষা পেলেও ওপার বাংলা ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বিধ্বস্ত। পূর্বাভাস মতো সোমবার রাতে বাংলাদেশের উপকূলে আছড়ে পড়ে সিত্রাং। স্থলভাগ ছুঁয়ে সিত্রাংয়ের  গতিপথ এখন ভারতের উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলির দিকে। ভারতীয় মৌসম ভবনের (IMD) তরফে ট্যুইট করে জানানো হয়েছে, ‘গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং। এদিন ভোর থেকেই তা দুর্বল হয়ে নিম্নচাপে পরিণত হবে এবং তারপর পরবর্তী ৬ ঘণ্টায় আরও দুর্বল হবে।’বাংলাদেশে আঘাত হানলেও পশ্চিমবঙ্গের উপকূলবর্তী এলাকায় তেমন কোনও ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, নিম্নচাপ কাটলেও আজও এর প্রভাবে দক্ষিণবঙ্গের কয়েকটি জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হবে।

    আরও পড়ুন: আজ বছরের শেষ সূর্যগ্রহণ, কখন শুরু হবে ও কোথায় দেখা যাবে?

    আলিপুর আবহাওয়া দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, ভারতীয় সময় রাত সাড়ে নটা থেকে সাড়ে এগারোটার মধ্যে সিতরাং বাংলাদেশের বরিশালের কাছে তিনকোনা ও সন্দীপের মধ্যবর্তী জায়গায় ল্যান্ডফল করে। সেই সময় তার বেগ ছিল ঘন্টায় প্রায় ৯০ কিমি। রাত সাড়ে এগারোটা নাগাদ সিতরাং-এর অবস্থান ছিল ঢাকা থেকে ৪০ কিমি পূর্বে, আগরতলা থেকে ৫০ কিমি পশ্চিম-দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং বাংলাদেশের বরিশাল থেকে ১২০ কিমি উত্তর-উত্তর-পূর্বে।

    আরও পড়ুন: উপলক্ষ কালীপুজো, তারাপীঠ, দক্ষিণেশ্বর, লেক কালী বাড়িতে ভক্ত সমাগম

    দক্ষিণ বাংলাদেশের খেপুপাড়ার কাছে স্থলভাগে আঘাত হানার পর থেকে সেখানে বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়ে। বাংলাদেশে এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বাড়িঘর এবং ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গিয়েছে। গাছ পড়ে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এখনও পর্যন্ত দেওয়াল চাপা পড়ে এবং বাড়ি ধসে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে কুমিল্লায় ৩, ভোলায় ২, সিরাজগঞ্জে ২ এবং নড়াইল এবং বরগুনায় ১ জন করে মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। প্রায় ৫ থেকে ৬ ঘন্টা তাণ্ডব চালানোর পরে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং রাতেই বাংলাদেশের সীমা অতিক্রম করেছে। অন্ততপক্ষে ২৮,১৫৫ জন মানুষ ও ২,৭৩৬ গবাদি পশুকে নিরাপদ আশ্রয়স্থলে সরিয়ে আনা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় সবরকম প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল বাংলাদেশ স্থানীয় প্রশাসনের তরফে। মঙ্গলবার খুলনা, বরিশাল এবং চট্টগ্রামে স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকবে।

  • Cyclone Sitrang: জারি হয়েছে লাল সতর্কতা, সিত্রাং মোকাবিলায় তৎপর প্রশাসন

    Cyclone Sitrang: জারি হয়েছে লাল সতর্কতা, সিত্রাং মোকাবিলায় তৎপর প্রশাসন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বাংলাদেশেই আছড়ে পড়তে চলেছে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং (Cyclone Sitrang)। মঙ্গলবার সকালে স্থলভাগে প্রবেশ করবে এই ঘূর্ণিঝড়। এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব পড়বে দেশের বেশ কয়েকটি রাজ্যে। পশ্চিমবঙ্গেই বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা সবথেকে বেশি। পাশাপাশি উত্তর-পূর্বের একাধিক রাজ্য, ত্রিপুরা, অসম, মিজোরাম, মণিপুর ও নাগাল্যান্ডেও ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    সিত্রাং-এর প্রভাবে ভোর রাত থেকেই বৃষ্টি শুরু হয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিভিন্ন এলাকায়। বইছে ঝোড়ো হাওয়া। কুলতলি ব্লকের কৈখালিতে ইতিমধ্যেই পৌঁছে গিয়েছে এনডিআরএফ (NDRF) দল। ঘূর্ণিঝড় নিয়ে মাইকে সতর্ক করা হচ্ছে l এছাড়াও সতর্ক করছেন সুন্দরবন এলাকার বন কর্মীরা। 

    সিত্রাং পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত দক্ষিণ ২৪ পরগনা। সাগর, কুলতলি, কাকদ্বীপ গোসাবা সহ বিভিন্ন এলাকায় প্রস্তুর এনডিআরএফ ও এসডিআরএফ দল। অপেক্ষাকৃত নিচু এলাকার বাসিন্দাদের সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। কন্ট্রোল রুমের নম্বরগুলি হল ০৩৩-২৪৪৮৮০৫১ এবং ০৩৩-২৪৪৮৮০৫২।    

    জেলা শাসকের দফতরে তরফ থেকে, ঝড়ের উপর সর্বক্ষণ নজর রাখার জন্য রয়েছে বিশেষ জায়ান্ট স্ক্রিনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। জেলার যে পাঁচটি জায়গায় ক্ষতির সম্ভাবনা সব থেকে বেশি সেই জায়গাগুলিতে লাইভ মনিটারিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। একজন আধিকারিক সবসময় সেদিকে নজর রাখবেন। 

    আরও পড়ুন: মঙ্গলবার ভোরে ল্যান্ডফল, কোথায় আছড়ে পড়ছে সিত্রাং?  

    এ দিকে, শনিবার রাতের মধ্যে তিরে ফিরে এসেছে মৎস্যজীবী ট্রলারগুলি। প্রায় ৩৫০০টি ট্রলার ফিরে এসেছে। এখনও কোনও ট্রলার সমুদ্রে আছে কি না তা খোঁজ নিয়েছে পুলিশ। বকখালির ফ্রেজারগঞ্জ ঘাঁটির উপকূল রক্ষী বাহিনী ও ড্রোনিয়ার দিয়ে ট্রলারের খোঁজ চালানো হয়েছে। জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা দলের সদস্যরা বেলায় সাগর ও কাকদ্বীপে মাইকিং করছে।   

    আবহাওয়া দফতরের তরফে ইতিমধ্যেই ত্রিপুরা, মিজোরাম, মণিপুর ও নাগাল্যান্ডে লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ ও অরুণাচল প্রদেশে। আসামের কাচার, করিমগঞ্জ ও হালাইকাণ্ডিতে লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। মিজোরামের ১১টি জেলায়, ত্রিপুরার ৮টি জেলায় ও নাগাল্যান্ডের ১৬টি জেলাতেও লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে।   

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।     

  • Cyclone Sitrang: মঙ্গলবার ভোরে ল্যান্ডফল, কোথায় আছড়ে পড়ছে সিত্রাং?

    Cyclone Sitrang: মঙ্গলবার ভোরে ল্যান্ডফল, কোথায় আছড়ে পড়ছে সিত্রাং?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আলোর উৎসবকে কি ছারখার করে দেবে ঘূর্ণিঝড়? এখন এই আতঙ্কেই দিন কাটাচ্ছে বাঙালি। রবিবার বিকেলে হাওয়া অফিসের তরফে জানানো হয়েছে, শেষ পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গে হয়তো ঘূর্ণিঝড়টি আছড়ে পড়বে না। তবে বৃষ্টি থেকে রেহাই নেই রাজ্যবাসীর। ভারতীয় আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া গভীর নিম্নচাপটি রবিবার সন্ধ্যায় ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে। এবার এটি বাংলাদেশের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। মঙ্গলবার সকালে বাংলাদেশের তিনকোনা দ্বীপ ও সন্দ্বীপের মধ্যবর্তী স্থানে উপকূলে আছড়ে পড়ার সম্ভবনা রয়েছে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং- এর। 

    আরও পড়ুন: সিত্রাং এর প্রবাহে দীপাবলির আলো ম্লান হবার মুখে

    মৌসম ভবনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রবিবার বিকেল সাড়ে পাঁচটায়, পশ্চিমবঙ্গের সাগরদ্বীপ থেকে ৫৮০ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং বাংলাদেশের বরিশাল থেকে ৭৪০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে ছিল ঘূর্ণিঝড়টি। ক্রমশ এটি উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হতে থাকবে। ২৪ তারিখ শক্তি বাড়িয়ে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। ২৫ অক্টোবর সকালে তিনকোনা দ্বীপ এবং সন্দ্বীপের মধ্য দিয়ে, ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং বাংলাদেশ উপকূলে আছড়ে পড়বে।

     


    ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং-এর প্রভাবে ইতিমধ্যে বাংলার জেলায় জেলায় বৃষ্টি শুরু হয়ে গিয়েছে। ২৪ অক্টোবর সকাল থেকেই কলকাতার আকাশ মেঘাচ্ছন্ন, তার সঙ্গে চলছে বৃষ্টি। সিত্রাং-এর ল্যাজের ঝাপটা বঙ্গের একাধিক উপকূলে পড়বে। যার জেরে উত্তাল হবে সমুদ্র। আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, ৬ ফুট উঁচু সমুদ্রের ঢেউ হতে পারে। ঘূর্ণিঝড়ের সবচেয়ে বেশি প্রভাবব পড়বে দক্ষিণবঙ্গের ৩ জেলায়। বেশি প্রভাব পড়বে দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরে। প্রভাব পড়বে উত্তর ২৪ পরগনা জেলাতেও। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টি হবে রবিবার গভীর রাত থেকে মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত। এরপর থেকে বাতাসের গতি ও বৃষ্টি দুটোই কমবে। পশ্চিমবঙ্গে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং-এর প্রভাবে বড় কোনও ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা নেই। তবে এর সঙ্গে ভরা কোটালের কারণে বাড়তি নজরজারির কথা জানিয়ে, সতর্কবার্তা জারি করেছে আবহাওয়া দফতর। 

    কলকাতায় মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবার বিকেল থেকে বুধবার সকাল পর্যন্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা সবথেকে বেশি। সোমবার ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার সর্বোচ্চ ৫০ কিলোমিটার গতিবেগে আর মঙ্গলবার ৪০-৫০ কিলোমিটার ও সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার গতিবেগে দমকা ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে শহরে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে সোমবার সকাল থেকেই তিলোত্তমার আকাশ মেঘাচ্ছন্ন। সঙ্গে রয়েছে হাল্কা বৃষ্টি। এদিন শহরের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৮ ও ২৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

         

            

  • Cyclone Sitrang: বাংলায় আছড়ে পড়ছে না সিত্রাং, তবে বৃষ্টি থেকে রেহাই নেই কালীপুজোয়

    Cyclone Sitrang: বাংলায় আছড়ে পড়ছে না সিত্রাং, তবে বৃষ্টি থেকে রেহাই নেই কালীপুজোয়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কালীপুজোর আগেই খুশির খবর দিল হাওয়া অফিস। বাংলায় আছড়ে পড়ছে না সিত্রাং। তবে বৃষ্টি থেকে এখনই রেহাই মিলছে না। ঘূর্ণিঝড় আছড়ে না পড়লেও, এর জেরে রাজ্যের একাধিক জেলায় ঝোড়ো হাওয়া ও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। 

    মৌসম ভবন সূত্রে খবর, আগামী সোমবার থেকে বৃষ্টি শুরু হবে। উপকূল এলাকায় ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। প্রভাব পড়তে পারে কলকাতাতেও (Kolkata)। তবে তিলোত্তমায় ঝোড়ো হাওয়ার থেকে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা বেশি। তবে আজ এবং আগামীকাল আকাশ পরিষ্কার থাকবে। বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। সকালে ও রাতের দিকে আবহাওয়া মনোরম থাকবে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় শহরের তাপমাত্রা থাকবে ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ৩৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

    আরও পড়ুন: ডেঙ্গির বাড়বাড়ন্ত, রাজ্যে এক সপ্তাহেই আক্রান্ত প্রায় ৭ হাজার 

    আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আন্দামানের নিম্নচাপটি সুস্পষ্ট নিম্নচাপে পরিণত হচ্ছে। আন্দামান সাগর ও পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগরে এটি আজ গভীর নিম্নচাপে পরিণত হবে। এরপর পশ্চিম উত্তর-পশ্চিম দিকের বদলে উত্তর-পশ্চিম দিকে এগোবে। আগামীকাল এটি অতি গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়ে আবার দিক পরিবর্তন করে উত্তর দিক বরাবর অগ্রসর হবে। পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও মধ্য বঙ্গোপসাগরে সোমবার তা ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে। এরপর উত্তর ও উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর হবে ঘূর্ণিঝড়টি। মঙ্গলবার তা সিভিয়ার সাইক্লোনিক স্টর্মে পরিণত হয়ে বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের উপকূল বরাবর সমুদ্রে অবস্থান করবে। এরপর বাংলাদেশের সুন্দরবন এলাকা দিয়ে এটি স্থলভাগে ঢুকতে পারে বলে অনুমান করছেন আবহাওয়াবিদরা। তাই বাংলাদেশে আছড়ে পড়ার আশঙ্কা বেশি।

    তবে ইতিমধ্যেই ঘূর্ণিঝড় নিয়ে সতর্ক প্রশাসন। প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে সবদিক থেকে। এদিকে মাইকিং চলছে সুন্দরবনের একাধিক এলাকায়। ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের মোকাবিলায় বাংলা-ওড়িশা উপকূলে নৌবাহিনীর বিশেষ দল নামানো হয়েছে। এ ছাড়া আকাশপথে নজরদারি চালাচ্ছে উপকূলরক্ষী বাহিনী। নিউ দিঘা থেকে খেজুরি অবধি দীর্ঘ ৭১ কিলোমিটার উপকূল এলাকায় নৌ-বাহিনীর পাশাপাশি নজর রাখতে চলেছে ভারতীয় উপকূলীয় বাহিনী। হলদিয়া থেকে উপকূলীয় বাহিনীর জাহাজে নজর রাখা হচ্ছে। নৌবাহিনীর মোট তিনটি বিশেষ দল এসেছে বিশাখাপত্তনম থেকে।

    সমুদ্রের পাড়ের একাধিক গ্রাম সাময়িক সময়ের জন্যে খালি করা হতে পারে। তারপরেও যদি কেউ সমুদ্রে তলিয়ে যান তা হলে এই বিশেষ ডাইভিং টিম উদ্ধার কাজে নেমে পড়বেন। আর যদি কোথাও মাটির বাড়ি বা পাকা বাড়ির নীচে কেউ চাপা পড়ে যান বা দুর্ঘটনা ঘটে তাহলে নৌ-বাহিনীর এই বিশেষ দল কাজ করবে। এ ছাড়া ডরনিয়ার বিমানে চেপে চক্কর কাটছে ভারতীয় উপকূল রক্ষী বাহিনী। মাঝসমুদ্রে থাকা পণ্যবাহী জাহাজ ও ভেসল যা আছে তাদের উপকূলে ফেরানোর ব্যবস্থা করছে। 

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, নেভির দুটো ডাইভিং টিম, ৫ খানা ফ্লাড রিলিফ টিম ও বিশেষ নৌকা আনা হয়েছে। এই টিম থাকতে পারে দিঘা ও ফ্রেজারগঞ্জে। এ ছাড়া একটি ফ্লাড রিলিফ টিম ডায়মন্ড হারবারে স্ট্যান্ডবাই হিসাবে রাখা হতে পারে। এই সব দল গাছ কেটে রাস্তা পরিষ্কার করা, আহতদের উদ্ধার করে নিয়ে আসা, রিলিফ মেটিরিয়াল পৌছে দেওয়ার কাজ করবে। নৌ বাহিনীর তরফে এয়ারড্রপ করানোর ব্যবস্থা থাকছে। রাজ্য সরকার সাহায্য চাইলেই ত্রাণ পাঠানো বা উদ্ধার কাজের জন্যে এই টিম ঝাঁপিয়ে পড়বে। এ ছাড়া চিকিৎসকদের একটি দল প্রস্তুত রাখা হচ্ছে। সাইক্লোনের পরেই তাঁরা বিভিন্ন এলাকায় পৌঁছে যাবেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

        

  • Cyclone Sitrang: ১১০ কিলোমিটার বেগে ছুটে আসছে সিত্রাং, কোথায় প্রভাব বেশি?

    Cyclone Sitrang: ১১০ কিলোমিটার বেগে ছুটে আসছে সিত্রাং, কোথায় প্রভাব বেশি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং ( (Cyclone Sitrang)। আন্দামানে তৈরি হওয়া ঘূর্ণাবর্তই শক্তি বাড়িয়ে নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। আর সেই নিম্নচাপই বঙ্গোপসাগরের উপরে পৌঁছেই শক্তি বাড়াতে শুরু করেছে। কালীপুজোর দিনই ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং-এ পরিণত হতে পারে এই নিম্নচাপ। মঙ্গলবারই তা আরও শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। তবে ঘূর্ণিঝড়ের অভিমুখ সম্পর্কে এখনও কিছু জানা যায়নি। পশ্চিমবঙ্গেও প্রভাব দেখাতে পারে সিত্রাং। বাংলাদেশেও আছড়ে পড়তে পারে। ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা, অন্ধ্র প্রদেশ সহ একাধিক রাজ্যে সতর্কতা জারি করা হয়েছে।  

    দুর্গাপুজোর আনন্দে জল ঢেলেছিল বৃষ্টি। ফের কালীপুজোতেও একই আশঙ্কা। বঙ্গোপসাগরের উপরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপের জেরেই দীপাবলি থেকে ভাইফোঁটা অবধি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে মৌসম ভবনের তরফে জানানো হয়েছে, অন্ধ্র উপকূল ধরে ঘূর্ণিঝড়টি পশিচিমবঙ্গের উপকূলের কাছ ঘেষে বাংলাদেশের উপরে আছড়ে পড়তে পারে। যদি এই পথেই এগোয় ঘূর্ণিঝড়টি, তবে রাজ্যে দুর্যোগের আশঙ্কা কম। তবে, ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় প্রস্তু প্রশাসন। দক্ষিণবঙ্গের জেলাপ্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন মুখ্যসচিব। ধান তুলে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী। হেল্পলাইন নম্বর চালু করেছে বিদ্যুত্‍ দফতর। জরুরি পরিষেবায় যুক্ত সরকারি কর্মীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে (Weather Update)।

    আরও পড়ুন: গরু পাচার কাণ্ডে বিপত্তি বাড়ল অনুব্রতের! আজই দিল্লিতে ইডির হাতে সায়গল

    বিশেষ করে সাবধান করা হয়েছে উপকূলবর্তী জেলাগুলিকে। উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগণা ও পূর্ব মেদিনীপুরে ঝড়বৃষ্টির সঙ্গে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। একদিকে যেখানে নিম্নচাপের জেরে ঘূর্ণিঝড় তৈরি হচ্ছে, অন্যদিকে অমাবস্যায় ভরা কোটালেরও সম্ভবনা রয়েছে। এই কারণেই আগামী ২৩ থেকে ২৫ অক্টোবর অবধি মৎসজীবীদের সমুদ্রে যাওয়ার বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। উপকূল এলাকায় যাদের বাড়ি তাদের সাবধানতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছে প্রশাসন। 

    আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২২ অক্টোবর বঙ্গোপসাগরের দক্ষিণ-পূর্বদিকে পৌঁছে যাবে নিম্নচাপটি। আগামিকাল তা গভীর নিম্নচাপে পরিণত হবে। মঙ্গলবার, ২৫ অক্টোবরের মধ্যেই ঘূর্ণিঝড়টি পশ্চিমবঙ্গ-বাংলাদেশ উপকূলে পৌঁছে যাবে। ঘূর্ণিঝড়টি ল্য়ান্ডফল বা স্থলভাগে প্রবেশের সময় বাতাসের গতিবেগ থাকবে ঘণ্টায় ১১০ কিলোমিটার। রবিবার থেকেই রাজ্যের উপকূলবর্তী তিন জেলা উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগণা এবং পূর্ব মেদিনীপুরে আকাশের মুখ ভার হতে শুরু করবে৷ তিন জেলারই উপকূল লাগোয়া এলাকায় শুরু হবে হাল্কা বৃষ্টি৷

    সোমবার থেকেই অবশ্য দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায় আবহাওয়ার পরিবর্তন চোখে পড়বে৷ শুরু হবে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া৷ উপকূলের জেলাগুলিতে মাঝারি বৃষ্টির পাশাপাশি দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে৷ মঙ্গলবার উপকূলের জেলাগুলিতে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে৷ এর পাশাপাশি উপকূলের তিন জেলা দুই চব্বিশ পরগণা এবং পূর্ব মেদিনীপুরে ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৭০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে৷ দমকা হাওয়ার গতিবেগ পৌঁছতে পারে প্রতি ঘণ্টায় ৯০ থেকে ১১০ কিলোমিটার৷

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

      

              

        
  • Cyclone Sitrang: একদিকে ঘূর্ণিঝড় ‘সিত্রাং’, অন্যদিকে অমাবস্যার ভরা কোটাল! উপকূলে জারি বিশেষ সতর্কতা

    Cyclone Sitrang: একদিকে ঘূর্ণিঝড় ‘সিত্রাং’, অন্যদিকে অমাবস্যার ভরা কোটাল! উপকূলে জারি বিশেষ সতর্কতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একদিকে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং (Cyclone Sitrang), অন্যদিকে অমাবস্যার ভরাকোটাল আর চন্দ্রগ্রহণ। তিন দশায় সমুদ্র আরও উত্তাল হবে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন আবহাওয়াবিদরা। ফলে বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে সুন্দরবন উপকূলে। এদিন দিঘা উপকূলেও আগাম সতর্কবার্তা জারি করল পূর্ব মেদিনীপুর জেলা প্রশাসন। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২৫ অক্টোবরেই আছড়ে পড়তে চলেছে ঘূর্ণিঝড়। আর তার ফলে রাজ্যের একাধিক জায়গায় ভারী থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।

    ঘূর্ণিঝড় ও ভরা কোটালের ফলে জলস্তর বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। আর এর ফলে যাতে কোনও দুর্ঘটনা না ঘটে, তার জন্য উপকূলবর্তী অঞ্চল জুড়ে সতর্ক করছে পুলিশ-প্রশাসন। ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে মাইকিং। মৎস্যজীবীদের সতর্ক করা হচ্ছে অবিলম্বে সমুদ্র থেকে ফিরে আসার জন্য। আগামী ২২ অক্টোবর অর্থাৎ শনিবার থেকে ২৪ অক্টোবর, সোমবার পর্যন্ত দিঘায় পর্যটকদের সমুদ্রে নামার ব্যাপারে সতর্কতা জারি করেছে প্রশাসন। বৃহস্পতিবার থেকেই এব্যাপারে প্রশাসনের তরফে দিঘা সৈকতে মাইকিং শুরু করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: কালীপুজোর দিনই আছড়ে পড়বে ঘূর্ণিঝড় ‘সিত্রাং’? কী হবে এর গতিপ্রকৃতি? জানুন

    আবার বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে সুন্দরবন উপকূলেও। নামখানা, সাগরদ্বীপে তাণ্ডব চালাতে পারে সিত্রাং সেকারণে সকাল থেকেই সতর্কতা জারি করা হয়েছে। মাইকে করে সুন্দরবনের উপকূলবর্তী এলাকায় প্রচার করা হচ্ছে। এছাড়াও কাকদ্বীপ মহকুমায় মাইকিং শুরু হয়েছে। কাকদ্বীপ মহকুমায় পাঁচটি কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। মূল কন্ট্রোল রুমটি খোলা হয়েছে কাকদ্বীপ মহকুমা শাসকের অফিসে। বাকি চারটি খোলা হয়েছে কাকদ্বীপ, সাগর, নামখানা ও পাথরপ্রতিমা ব্লকে। ফ্লাড শেল্টারগুলিকে প্রস্তুত রাখা হচ্ছে। এছাড়াও কাকদ্বীপ মহকুমায় ৬৪টি মাল্টিপারপাস সাইক্লোন শেল্টার এবং ১১৭টি স্কুলবাড়িকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করা হয়েছে। ফ্লাড শেল্টারগুলিতে বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবস্থা ঠিকঠাক রয়েছে কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কাকদ্বীপ এবং সাগরদ্বীপে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীকে প্রস্তুত রাখা হচ্ছে।

    আবহাওয়া দফতর অনুযায়ী, বঙ্গোপসাগরে চোখ রাঙাচ্ছে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং (Cyclone Sitrang)। তীব্র গতিতে ধেয়ে আসছে সে। প্রতিমুহূর্তে নজর রাখা হচ্ছে ঘূর্ণিঝড়ের গতিপথের দিকে। প্রাথমিক ভাবে জানানো হয়েছে বাংলাদেশ এবং পশ্চিমবঙ্গের উপকূলের দিকে এগোচ্ছে সিত্রাং। সূত্র অনুযায়ী, ঘণ্টায় প্রায় ২০০ কিলোমিটার বেগে উপকূলে আছড়ে পড়তে পারে সিত্রাং।

    নবান্নের তরফে ইতিমধ্যে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক করে সবরকম পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ত্রাণের বন্দোবস্ত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ব্লক অফিস ও পঞ্চায়েত অফিসে ত্রিপল ও শুকনো খাবার মজুত রাখা হচ্ছে। এসডিআরএফ ও এনডিআরএফের দলকেও উপকূল এলাকায় মোতায়েন রাখা হবে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।

  • Cyclone Sitrang: কালীপুজোর দিনই আছড়ে পড়বে ঘূর্ণিঝড় ‘সিত্রাং’? কী হবে এর গতিপ্রকৃতি? জানুন

    Cyclone Sitrang: কালীপুজোর দিনই আছড়ে পড়বে ঘূর্ণিঝড় ‘সিত্রাং’? কী হবে এর গতিপ্রকৃতি? জানুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্গাপুজার মতো কালীপুজোর আনন্দও মাটি হতে চলেছে? কালীপুজোর (Kali Puja 2022) সন্ধ্যাতেই আছড়ে পড়তে চলেছে ঘূর্ণিঝড় (Cyclone Sitrang)? এই নিয়েই এখন আশঙ্কা করা হচ্ছে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২৪ অক্টোবর অর্থাৎ কালীপুজোতেই প্রবল বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বাংলার একাধিক রাজ্যে। আগামী ২৫ অক্টোবর, মঙ্গলবার ওড়িশা উপকূল ছুঁয়ে পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশ উপকূলে আছড়ে পড়তে পারে এই ঘূর্ণিঝড় ‘সিত্রাং’ (Cyclone Sitrang)।

    ইতিমধ্যেই উত্তর এবং দক্ষিণ আন্দামান সাগর ও দক্ষিণ পূর্ব বঙ্গোপসাগরের উপর একটি নিম্নচাপ তৈরী হয়েছে। যা ২৩ অক্টোবরে ক্রমশই গভীর নিম্নচাপে পরিণত হবে। এর পরের ৪৮ ঘণ্টায় আরও শক্তি বাড়িয়ে নিম্নচাপ যখন ঘূর্ণিঝড়ে (Cyclone Sitrang) পরিণত হবে, তখন সেটির অবস্থান থাকবে পশ্চিম মধ্য বঙ্গোপসাগরে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২৪ অক্টোবরের মধ্যে পশ্চিম-মধ্য এবং সংলগ্ন পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগরে একটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে এবং উত্তর দিকে পুনরায় বাঁক নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এরপর ২৫ তারিখ নাগাদ এই ঘূর্ণিঝড় আরও বাঁক নিয়ে উত্তর পূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে বাংলাদেশ এবং পশ্চিমবঙ্গ উপকূলের কাছে আসবে।

    আরও পড়ুন: ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘সিত্রাং’, কালীপুজোতেও বৃষ্টিতে ভাসবে রাজ্য!

    আইএমডির ডিরেক্টর জেনারেল মৃত্যুঞ্জয় মহাপাত্র জানিয়েছেন, এই ঘূর্ণিঝড়ের (Cyclone Sitrang) তীব্রতা এবং বাতাসের গতি সম্পর্কে কোনও পূর্বাভাস দেওয়া হয়নি৷ তবে জানা গিয়েছে, এই ঘূর্ণিঝড় ওড়িশা উপকূলের মধ্য দিয়ে যাবে এবং রাজ্যে ল্যান্ডফল করার কোন সম্ভাবনা নেই। তবে এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব বেশি দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে পড়তে পারে। বিশেষত উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হুগলির মতো জেলাগুলিতে প্রভাব বেশি পড়বে। তারই সঙ্গে পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরেও এর প্রভাব পড়বে বলে জানা গিয়েছে। মূলত ২৪ এবং ২৫ অক্টোবর এই জেলাগুলোতে হালকা থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।

    আবার আগামী ২২ ও ২৩ অক্টোবর মৎসজীবীদের সমুদ্রে যেতে বারণ করা হয়েছে। যে সব মৎস্যজীবী সমুদ্রে গিয়েছেন, তাঁদের ২২ তারিখের মধ্যে ফিরে আসার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে প্রশাসন থেকেও এই ঘূর্ণিঝড়ের (Cyclone Sitrang) জন্য আগাম সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। এই ঘূর্ণিঝড়ের ফলে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিকে বিশেষ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে নবান্নের তরফে।

  • Kali Puja: কালীপুজোর আগেই চোখ রাঙাচ্ছে ‘সিত্রাং’?

    Kali Puja: কালীপুজোর আগেই চোখ রাঙাচ্ছে ‘সিত্রাং’?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিত্রাং ঘূর্ণিঝড় নিয়ে ক্রমাগত আশঙ্কা বাড়ছে রাজ্যবাসীর মনে। হাওয়া অফিসের তরফে জানানো হয়েছে আগামী ২৪ ঘণ্টায় এটি দক্ষিণ-পূর্ব ও পূর্ব মধ্য বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ সৃষ্টি হবে। বৃহস্পতিবার এই নিম্নচাপ ক্রমশ পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিকে এগোবে। শুক্রবার সুস্পষ্ট নিম্নচাপ এবং শনিবার গভীর নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। এর পরেই এটি ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং- এ পরিণত হবে বলে অনুমান মৌসম ভবনের। তার গতিপ্রকৃতি কোন দিকে হবে, তা নজর রাখা হচ্ছে। আর এতেই সিঁদুরে মেঘ দেখছেন আবহাওয়াবিদরা। কারণ জেলায় জেলায় কালীপুজোর বড় বড় প‌্যান্ডেল হয়েছে। কোনও কারণে যদি দমকা হাওয়া বওয়া শুরু করে, সেক্ষেত্রে বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে। তাই পুজোকর্তাদের আগেই সতর্ক করা হচ্ছে প্রশাসনের তরফে।

    আরও পড়ুন: ভোটের আগেই মাত কংগ্রেসকে! হিমাচল প্রদেশে প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ বিজেপির 

    আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাঞ্চলীয় অধিকর্তা গণেশকুমার দাস বলেন, ‘‘ইতিমধ্যে আন্দামান সাগরে ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়ে গিয়েছে। তা থেকে নিম্নচাপ তৈরি হবে। ২২ তারিখ নাগাদ তা ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। তবে তার অভিমুখ কোন দিকে হবে তা থেকে বোঝা যাবে বাংলায় এর প্রভাব কতটা পড়বে।’’

    ঘূর্ণিঝড়ের অভিমুখ বদলালেও কালীপুজোয় দুর্যোগের আশঙ্কা যাচ্ছে না। দীপাবলিতে ঝকঝকে আকাশ থাকার সম্ভাবনা বেশ কম। হাওয়া অফিসের তরফে জানানো হয়েছে, ঘূর্ণিঝড় তৈরি হবে অন্ধ্র উপকূলের কাছে। অন্ধ্র উপকূলে থাকা সিত্রাং যদি বাংলার দিকে ধেয়ে আসে সেক্ষেত্রে কালীপুজোয় প্রবল ঝড়-বৃষ্টি হবে রাজ্যে। একদিকে ঘূর্ণিঝড়ের সতর্কতা, পাশাপাশি সেই সময় ভরা অমাবস‌্যা। ফলে ভরা কটাল এবং ঘূর্ণিঝড়ের জোড়া ফলায় সুন্দরবনে ব‌্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। এমনকী চাষবাসেও ব‌্যাপক ক্ষতি হতে পারে।      

    যদিও এর অভিমুখ কোন দিকে হবে সে বিষয়ে নিশ্চিতভাবে এখনও কিছু জানাননি আবহবিদরা। এই সাইক্লোন এর প্রভাব ২৩  অক্টোবর থেকে বুঝতে পারা যাবে বলে জানা গিয়েছে৷ কালীপুজোর আগে ফের এমন সাইক্লোনের আশঙ্কা নতুন করে ভাবিয়ে তুলছে। এদিকে দক্ষিণবঙ্গের উপকূলীয় জেলা অর্থাৎ দুই মেদিনীপুর ও দুই ২৪ পরগনায় আজ হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। 

    এছাড়াও আরও একটি ঘূর্ণাবর্ত সৃষ্টি হয়েছে মহারাষ্ট্র উপকূলে। আরব সাগরের এই ঘূর্ণাবর্তের দুটি অক্ষরেখা। একটি রয়েছে উত্তর আন্দামান সাগর থেকে তামিলনাডু উপকূল পর্যন্ত, অন্যটি আরব সাগর উপকূল বরাবর, কেরল থেকে মহারাষ্ট্র উপকূলে বিস্তৃত। 

    হাওয়া অফিসের তরফে জানানো হয়েছে, কলকাতায় আজ আংশিক মেঘলা আকাশ থাকবে। আপেক্ষিক আর্দ্রতা বেড়ে ফের নব্বই এর কোঠা ছুঁয়েছে। শীত শীত ভাব আপাতত নেই। কাল দিনের তাপমাত্রা ছিল ৩২.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস । কাল রাতের তাপমাত্রা যদিও রাতারাতি ২ ডিগ্রি বেড়ে হল ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ কাল ছিল ৮৮ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টি হয়নি।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

LinkedIn
Share