Tag: D Y Chandrachud

D Y Chandrachud

  • PM Modi: ‘কংগ্রেসকে প্রত্যাখ্যান করেছে ১৪০ কোটি ভারতীয়’, আইনজীবীদের চিঠির পর তোপ মোদির

    PM Modi: ‘কংগ্রেসকে প্রত্যাখ্যান করেছে ১৪০ কোটি ভারতীয়’, আইনজীবীদের চিঠির পর তোপ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতিকে লেখা আইনজীবীদের চিঠির প্রেক্ষিতে সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব হলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। বিচার ব্য়বস্থার পবিত্রতা নিয়ে আশঙ্কাপ্রকাশ করে দেশের প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়কে চিঠি লেখেন দেশের ৬০০ জন আইনজীবী। এর জবাব দিতে গিয়েই কংগ্রেসের তীব্র সমালোচনা করে সোশ্য়াল মিডিয়া হ্যান্ডেল ‘এক্স’-এ মোদি লিখলেন, ‘১৪০ কোটি ভারতীয় যে ওদের প্রত্যাখ্যান করছে, এতে আশ্চর্য কিছু নেই।’ সবাইকে নিজেদের মতো করে ভাবে কংগ্রেস দাবি প্রধানমন্ত্রীর।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী

    বৃহস্পতিবার বিকেলের দিকে সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেল ‘এক্স’-এ একটি পোস্ট করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। সেখানে তিনি লেখেন, ‘কদর্য ভাষায় গালিগালাজ করে ভয় দেখিয়ে কাউকে কিছু করতে বাধ্য করা কংগ্রেসের সংস্কৃতি। পাঁচ দশক আগে, ওরাই একেবারে নিবেদিত বিচারব্যবস্থার ডাক দিয়েছিল। লজ্জাহীন ভাবে নিজেদের স্বার্থসিদ্ধির জন্য বাকিদের সবটুকু চায় ওরা। কিন্তু দেশের জন্য নিজেকে উৎসর্গ করতে নারাজ। ১৪০ কোটি ভারতীয় যে ওদের প্রত্যাখ্যান করছে, এতে আশ্চর্য কিছু নেই।’ 

    আইনজীবীদের চিঠি

    মোদির (PM Modi) সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের কিছুক্ষণ আগে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়কে চিঠি দেন দেশের নানা প্রান্তের প্রায় ৬০০ জন আইনজীবী। দেশের প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়কে দেওয়া চিঠিতে স্বাক্ষর রয়েছে আইনজীবী হরিশ সালভে এবং সুপ্রিম কোর্টের বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান মনন কুমার মিশ্ররও। চিঠিতে অভিযোগ করা হয়েছে যে, স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী বিচার বিভাগকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে। আদালতের সিদ্ধান্তে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করা হচ্ছে এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে ভিত্তিহীন অভিযোগ এনে দেশের বিচার বিভাগের ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টা চলছে। চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, যে সমস্ত মামলায় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা দুর্নীতিতে অভিযুক্ত, সেই সব মামলাতেই এই ধরনের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। 

    আরও পড়ুন: নাইট শিবিরে বদলি, চিন্নাস্বামীতে আজ কলকাতার সামনে বেঙ্গালুরু

    কিরেণ রিজিজুর উত্তর

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং অরুণাচল ওয়েস্টের প্রার্থী, কিরেণ রিজিজু এই নিয়ে গত কালই সরব হন। সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখেন, ‘কংগ্রেসই ভারতীয় সংবিধানকে শিকেয় তুলে একেবারে নিবেদিত বিচারব্যবস্থার ভাবনা এনেছিল। কংগ্রেস এবং বামপন্থীরা চায়, আদালত এবং সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলি যেন শুধু তাদের স্বার্থ রক্ষা করে। না হলেই তারা সেই প্রতিষ্ঠানগুলিকেই আক্রমণ করতে শুরু করে দেয়।’ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Death Penalty in India: মৃত্যুদণ্ড তাদেরই দেওয়া হোক, যাদের সংশোধনের সুযোগ নেই, পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের

    Death Penalty in India: মৃত্যুদণ্ড তাদেরই দেওয়া হোক, যাদের সংশোধনের সুযোগ নেই, পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মৃত্যুদণ্ড (Death Penalty in India ) কেবল সেই সব দোষীকেই দেওয়া হোক, যাদের সংশোধনের কোনও সম্ভাবনাই নেই। পর্যবেক্ষণে এমনই জানাল সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের (D Y Chandrachud) নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ। প্রসঙ্গত, ২০০৯ সালে সুন্দররাজন নামক এক ব্যক্তিকে দেওয়া প্রাণদণ্ডের আদেশ মকুব করে দেশের শীর্ষ আদালত। এই মামলায় সুপ্রিম কোর্টের আরও পর্যবেক্ষণ, প্রয়োজনে কেন্দ্রের উচিত কম বেদনাদায়ক ও মর্যাদাপূর্ণ কোনও উপায়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা।

    মৃত্যুদণ্ড (Death Penalty in India )…

    ফাঁসি দিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করাই কি সব থেকে কম যন্ত্রণাদায়ক শাস্তির সেরা উপায়? বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করে পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখুক কেন্দ্র। মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধি অ্যাটর্নি জেনারেল বেঙ্কটরামানিকে এমনই পরামর্শ দিয়েছে শীর্ষ আদালতের প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ। এই মর্মেই সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ ছিল, মৃত্যুর মধ্যে যেন মর্যাদা থাকে, যতটা সম্ভব কম বেদনাদায়ক হতে হবে মৃত্যু। প্রধান বিচারপতি জানিয়েছিলেন, কেন্দ্রীয় সরকার যদি নিজেরা পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখতে অপারগ হয়, তাহলে সুপ্রিম কোর্টের তরফে তাঁরা একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করে দেবেন, যেখানে রাখা হতে পারে এইমসের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, জাতীয় আইন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তি ও বিজ্ঞানীদের।

    আরও পড়ুুন: ‘এই চোর পার্থ’! স্লোগানের পাশাপাশি সাসপেন্ডেড তৃণমূল নেতার ফাঁসিও চাইল জনতা

    এ প্রসঙ্গে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে প্রধান বিচারপতি বলেন, ফাঁসিতে মৃত্যুর (Death Penalty in India) প্রভাব, কতটা পরিমাণ ব্যথা হয়, মৃত্যু হতে কতক্ষণ সময় লাগে -এই সব বিষয়ে আমাদের কাছে সম্পূর্ণ তথ্য তুলে ধরুন। আজ বিজ্ঞান যেখানে দাঁড়িয়ে আছে, সেখানে ফাঁসির মাধ্যমে মৃত্যুই কি সব থেকে কম যন্ত্রণাদায়ক মৃত্যুর পন্থা না কি এর থেকে কম যন্ত্রণার মৃত্যুও সম্ভব, যেখানে পূর্ণ মাত্রায় মর্যাদা রক্ষার দিকটি সুরক্ষিত থাকবে? জানান আমাদের।

    প্রসঙ্গত, এই মামলায় দোষী সুন্দররাজন সাত বছর বয়সি এক শিশুকে অপহরণ করে খুন করেছিল। সেই মামলায় ২০০৯ সালে তাকে মৃত্যুদণ্ডের সাজা শোনানো হয়। ২০১৩ সালে শীর্ষ আদালতে ফাঁসির মকুবের আর্জি জানিয়ে মামলা করেছিল সুন্দররাজন। তবে ফাঁসির আদেশ বহাল রেখেছিল উচ্চ আদালত। এর পাশাপাশি জেলে সুন্দররাজনের আচরণ সংক্রান্ত একটি রিপোর্ট পেশ করতে বলেছিল আদালত। এই মর্মে কাম্মাপুরম থানার উদ্দেশে একটি নোটিশও জারি করা হয়েছিল। ২০১৮ সালে নতুন করে সুন্দররাজনের রিভিউ পিটিশন শোনে সুপ্রিম কোর্ট। সেই মামলার শুনানি শেষে সুপ্রিম কোর্ট দেখে, ২০০৯ সালের ঘটনার আগে দোষীর কোনও অপরাধমূলক (Death Penalty in India) কর্মকাণ্ডের রেকর্ড নেই। এই আবহে শীর্ষ আদালতের পর্যবেক্ষণ, এই দোষীর সংশোধনের সুযোগ রয়েছে।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

     

  • D Y Chandrachud: বাবার মতো ছেলেও বসতে চলেছে দেশের প্রধান বিচারপতির পদে, চিনে নিন কারা?

    D Y Chandrachud: বাবার মতো ছেলেও বসতে চলেছে দেশের প্রধান বিচারপতির পদে, চিনে নিন কারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গতকালই সুপ্রিম কোর্টের পরবর্তী প্রধান বিচারপতি (Chief Justice of India) হিসাবে ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়ের (D Y Chandrachud) নাম প্রস্তাব করেছেন বর্তমান সিজেআই উদয় উমেশ ললিত। মঙ্গলবার সকালে শীর্ষ আদালতের বিচারপতিদের বৈঠকে উত্তরসূরির নাম প্রস্তাব করে কেন্দ্রের হাতে চিঠি তুলে দেন তিনি। 

    প্রধান বিচারপতি এন ভি রমণা অবসর নেওয়ার পর চলতি বছরের ২৭ অগাস্ট প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন ইউ ইউ ললিত। চলতি বছরের ৮ নভেম্বর তাঁর অবসর নেওয়ার কথা। তারপর ৯ নভেম্বর প্রধান বিচারপতির পদে বসবেন চন্দ্রচূড়। কার্যকালের মেয়াদ হবে দু বছর। নিয়ম অনুযায়ী, দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতিই অবসরগ্রহণের আগে পরবর্তী বিচারপতির নাম প্রস্তাব করে যান। সেই প্রথা মেনেই, ললিতের সুপারিশে দেশের ৫০তম প্রধান বিচারপতি হতে চলেছেন ডিওয়াই চন্দ্রচূড়।   

    আরও পড়ুন: অভিযুক্ত কাশির সিরাপের সমস্ত উৎপাদন বন্ধ করা হয়েছে, জানাল হরিয়ানা সরকার 

    পুরো নাম ধনঞ্জয় যশবন্ত চন্দ্রচূড় (Dhananjaya Yeshwant Chandrachud)৷ তাঁর জন্ম ১৯৫৯ সালের ১১ নভেম্বর ৷ ১৯৯৮ সালে দেশের অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল পদে নিযুক্ত বিচারপতি চন্দ্রচূড়। ২০১৩ সালে এলাহাবাদ হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি হিসাবে শপথগ্রহণ করেন। বম্বে হাইকোর্টের দায়িত্বও কিছুদিন পালন করেছেন। ২০১৬ সালে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি হিসাবে নিযুক্ত হন। পারিবারিক সূত্রেই আইনি পেশায় এসেছিলেন বিচারপতি চন্দ্রচূড় ৷   

    বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি হিসাবে দায়িত্ব সামলানোর পাশাপাশি জাতীয় আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষের (National Legal Services Authority) চেয়ারম্যান পদে রয়েছেন বিচারপতি চন্দ্রচূড় ৷ দেশের পরবর্তী প্রধান বিচারপতি নিযুক্ত হলে, এই প্রথম প্রধান বিচারপতির পদে বসার রেকর্ড তৈরি করবে বাবা-ছেলের জুটি ! 
     
    বিচারপতি চন্দ্রচূড়ের বাবা ওয়াই ভি চন্দ্রচূড়ও দেশের প্রধান বিচারপতি ছিলেন। ১৯৭৮ সালে থেকে ৮৫ সাল পর্যন্ত প্রধান বিচারপতি পদে নিযুক্ত ছিলেন তিনি। ওয়াই ভি চন্দ্রচূড়ই এখন অবধি সব থেকে বেশি সময় পদে থাকা প্রধান বিচারপতি। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share