Tag: DA Agitation

DA Agitation

  • Mamata Banerjee: ‘‘৩৬ হাজার চাকরি বাতিল হল ডিএ আন্দোলনের জন্য’’! এ কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী?

    Mamata Banerjee: ‘‘৩৬ হাজার চাকরি বাতিল হল ডিএ আন্দোলনের জন্য’’! এ কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডের মামলায় গত সপ্তাহে বড় নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। প্রাথমিকের প্রশিক্ষণবিহীন ৩৬ হাজার চাকরি বাতিলের নির্দেশ দেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। তিন মাসের মধ্যে নতুন নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি৷ আদালতের এই সিদ্ধান্তে রাজ্য সরকার যে চরম বিপাকে পড়েছে, তা বলাই বাহুল্য। 

    দুর্নীতির জালে রাজ্যের বর্তমান শাসক দল এতটাই আষ্টেপৃষ্টে জড়িয়ে পড়েছে যে, এই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে পারছে না। একের পর এক দুর্নীতির জেরে ভুরি ভুরি সিবিআই-ইডি তদন্তের নির্দেশ দিচ্ছে আদালত। যা নিয়ে ক্রমাগত আক্রমণ ধেয়ে আসছে বিরোধী শিবির থেকে। তার ওপর দোসর হয়েছে ডিএ আন্দোলন! বকেয়া ডিএ-র দাবিতে, বেশ কিছুদিন ধরেই আন্দোলন করছেন রাজ্য সরকারি কর্মীরা। রাজ্য প্রশাসন ও রাজ্য সরকারি কর্মীদের মধ্যে এই সংঘাত গড়িয়েছে আদালত পর্যন্তও। সম্প্রতি, হাইকোর্টের অনুমতিতে মুখ্যমন্ত্রীর (Mamata Banerjee) পাড়ায় বিশাল মিছিল করেছেন ডিএ আন্দোলনকারীরা। এই নিয়েও সরকারের বিড়ম্বনা যারপরনাই বেড়েছে। 

    আরও পড়ুন: মুখ্যমন্ত্রীর পাড়ায় গ্রুপ ডি চাকরিপ্রার্থীদের হ্যারিকেন মিছিলের অনুমতি হাইকোর্টের

    এই পরিস্থিতিতে, সোমবার, ডিএ আন্দোলনকে তীব্র আক্রমণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী(Mamata Banerjee)। আর তা করতে গিয়ে যা দাবি করলেন, তা শুনে অনেকের চোখ কপালে উঠেছে। এদিন নবান্ন সভাঘরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানালেন, এই ৩৬ হাজার চাকরি যে বাতিল হল, তার জন্য দায়ী ডিএ আন্দোলন! মমতা বলেন, “যাঁরা ডিএ নিয়ে চিৎকার করে, ৩ শতাংশ ডিএ এবছরও পেয়েছে। প্রতিদিন গিয়ে গিয়ে মিছিল করছে। আর তাঁদের জন্যই ৩৬ হাজার ছেলেমেয়ের চাকরি চলে গেল।’’ বিরোধীদের প্রশ্ন, দুর্নীতির জন্য চাকরি হারাল, সেখানে ডিএ আন্দোলন দায়ী হল কী করে? তাঁদের কটাক্ষ, মুখ্যমন্ত্রীর এহেন কথা থেকেই স্পষ্ট, দুর্নীতির গেরোয় তিনি যুক্তি হারিয়ে ফেলেছেন।

    এখানেই থেমে থাকেননি মুখ্যমন্ত্রী (Mamata Banerjee)। তিনি আরও দাবি করেন, ডিএ আবশ্যিক নয়, এটা অপশন। মমতা বলেন, ‘‘ডিএ বাধ্যতামূলক নয়, ঐচ্ছিক। সরকার সামর্থ মতো ডিএ দেবে।’’ অথচ, অতীতে একাধিকবার রাজ্যকে হাইকোর্ট স্মরণ করিয়ে দিয়েছে যে, ডিএ কর্মীদের অধিকার। এই ডিএ-সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে আগে হাইকোর্ট তার স্পষ্ট রায়ে জানিয়েছে— ডিএ বা মহার্ঘ ভাতা ‘সরকারের দয়ার দান’ নয়, কর্মীদের আইনি অধিকার। এই ভাতা রাজ্য সরকারি কর্মীদের প্রাপ্য।

    যা শুনে বিরোধীদের কটাক্ষ, ক্রমশ পায়ের তলার জমি যে সরে যাচ্ছে, তা ভালোমতোই টের পাচ্ছেন মমতা।

  • DA Protest: মমতা-অভিষেকের পাড়াতেই মিছিল ডিএ আন্দোলনকারীদের! অনুমতি দিল হাইকোর্ট

    DA Protest: মমতা-অভিষেকের পাড়াতেই মিছিল ডিএ আন্দোলনকারীদের! অনুমতি দিল হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বকেয়া মহার্ঘ ভাতা বা ডিএ-র (DA Protest) দাবিতে কলকাতার রাজপথে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা। আজ, বৃহস্পতিবার একদিকে নবান্ন অভিযানে সামিল হয় কো-অর্ডিনেশন কমিটি (Coordination Committee)। মিছিল করে নবান্নর পথে যান আন্দোলনকারীরা। অন্যদিকে, আজ খুশির খবর মিলল হাইকোর্ট থেকে। আগামী ৬ তারিখ হরিশ মুখার্জি রোড দিয়ে ডিএ-আন্দোলনকারীদের মিছিল নিয়ে যাওয়ার অনুমতি দিল বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার বেঞ্চ।

    মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির কাছে মিছিলের অনুমতি

    বকেয়া মহার্ঘ ভাতার দাবিতে আগামী ৬ মে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) পাড়াতেই মহামিছিলের ডাক দিয়েছে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। কিন্তু সেই মিছিলের অনুমতি না মেলায় হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হন আন্দোলনকারীরা। রাজ্যের রুট বদলের আবেদনে সাড়া দেননি আন্দোলনকারীরা। বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা বৃহস্পতিবার, মিছিল নিয়ে রাজ্যের আপত্তিতে প্রশ্ন তোলেন। আন্দোলনকারীদের পূর্ব প্রস্তাবিত রুটেই মিছিলের অনুমতি দেয় হাইকোর্ট। বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার নির্দেশ, শান্তি বজায় রেখে ওই রাস্তা দিয়ে মিছিল করা যাবে। কিন্তু মিছিল থেকে কোনও রকম কুমন্তব্য করা যাবে না। 

    আদালতের যুক্তি

    কলকাতা পুলিশের তরফে ডিএ আন্দোলনকারীদের তিনটি বিকল্প রুটে মিছিলের প্রস্তাব দেওয়া হলেও তাতে রাজি ছিলেন না তাঁরা। অন্য দিকে, হরিশ মুখার্জি রোড নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিল পুলিশ। রাজ্যের দাবি ছিল, শহরের অন্যতম স্পর্শকাতর এলাকা ওই রাস্তা। বিচারপতি এদিন রাজ্যকে প্রশ্ন করেন, ‘প্রতি একদিন অন্তর হাজরা মোড়ে ধর্না বিক্ষোভ হয়। হঠাৎ হরিশ মুখার্জি রোড নিয়ে আপত্তি কেন?’ বিচারপতির প্রশ্নে রাজ্যের আইনজীবী জানান, ওই এলাকা খুবই স্পর্শকাতর। ওই এলাকায় মিছিল করতে গিয়ে যদি ভিড় ছাড়িয়ে যায় তবে তার দায়িত্ব কে নেবে? ওই এলাকায় ১৪৪ ধারা রয়েছে। 

    আরও পড়ুুন: এবার শুভেন্দুর দুটি মামলা থেকে সরে দাঁড়ালেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি মান্থা

    আন্দোলনকারীদের পক্ষের আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য বলেন, ‘আমরা আদালতে আবেদন করার পরই ওই এলাকার কিছু জায়গায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।’ তখন বিচারপতি মান্থা বলেন, ‘‘তা হলে তো মিছিল ওই রুটে হলে বলতে হবে, শহরের সবচেয়ে শান্ত এলাকা দিয়ে মিছিল যাচ্ছে।’’এর পরে বিকাশরঞ্জনের উদ্দেশে বিচারপতি মান্থা বলেন, ‘‘সকলে যে আশঙ্কা করছে, আদালত তা বুঝতে পেরেছে। ওই এলাকায় কোনও রকম অশান্তি হবে না সেই ভাবে মিছিল করতে হবে। দুপুর ১টা থেকে বিকেল ৪টের মধ্যে ওই এলাকায় শান্তিপূর্ণ ভাবে কর্মসূচি শেষ করতে হবে।’’

    নবান্ন অভিযান

    এদিন নবান্ন (Nabanna) অভিযান করে কো-অর্ডিনেশন কমিটি (Coordination Committee)। হাওড়া স্টেশন থেকে হাওড়া ময়দান পর্যন্ত মিছিল করছে তারা। নেতৃত্বদের দাবি, প্রতিটা জেলা থেকে সরকারি চাকুরিজীবী, এমনকী অবসরপ্রাপ্ত সরকারি চাকুরিজীবীরা মিছিলে পা মিলিয়েছেন। সব মিলিয়ে কয়েক হাজার মানুষ মিছিলে পা মিলিয়েছেন। তবে নির্দিষ্টভাবে জমায়েতের সংখ্যা এখনও জানা যায়নি। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা শিক্ষক-শিক্ষিকা থেকে শুরু করে সরকারি কর্মীরা রয়েছেন মিছিলে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • DA Protest: বকেয়া মহার্ঘভাতা নিয়ে আজ সরকারি কর্মীদের সঙ্গে বৈঠক রাজ্যের

    DA Protest: বকেয়া মহার্ঘভাতা নিয়ে আজ সরকারি কর্মীদের সঙ্গে বৈঠক রাজ্যের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডিএ আন্দোলনকারীদের (DA Protest) সঙ্গে আজ, বিকেলে আলোচনায় বসতে চলেছে রাজ্য সরকার। মহার্ঘ ভাতা (ডিএ) নিয়ে জট কাটাতে আজ নবান্নে সরকারি কর্মচারীদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বিকেল ৪ টে ৩০ মিনিট থেকে মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদীর পৌরহিত্যে সেই বৈঠক শুরু হতে চলেছে। এরই মধ্যে ডিএ আন্দোলনকারীরা জানিয়ে দিয়েছেন, বৈঠকে যে বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা হবে, সেগুলি লিখিতভাবে সরকারকে দিতে হবে। 

    বৈঠকে সকলকে স্বাগত

    আদালতের নির্দেশে শহিদ মিনারে আন্দোলনরত যৌথ সংগ্রামী মঞ্চের সরকারি কর্মচারীদের তরফে ৫ জন থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়। গতকাল সেই সংখ্যা বাড়িয়ে ৬ করে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ।আজ রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল জানান যে, আরও বেশ কয়েকটি সংগঠন আলোচনায় অংশগ্রহণ করতে চেয়ে আবেদন জানিয়েছেন। যাঁরা আসতে চান সবাইকে স্বাগত। কিন্তু একটি সংগঠনের তরফে একজনই থাকতে পারবে। রাজ্যের আবেদনে সম্মতি দেয় আদালত।

    হাইকোর্টের নির্দেশে বৈঠক

    হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে ডিএ (DA Protest) আন্দোলনকারীদের সঙ্গে বৈঠকে বসছে রাজ্য সরকার। বৈঠকে থাকতে পারেন অর্থসচিবও। বকেয়া ডিএ-র দাবিতে শহিদ মিনারে লাগাতার আন্দোলনে চালিয়ে যাচ্ছেন সরকারি কর্মচারীরা। বারবার আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে সরকারি কর্মচারীদের সংগঠন। ১৭ এপ্রিলের মধ্যে কর্মচারীদের সঙ্গে রাজ্য সরকারকে বৈঠকে বসতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।  এই সময়সীমার মধ্যে ২ পক্ষের বৈঠক হয়নি। এরপর, চলতি সপ্তাহের সোমবার দ্রুত সরকারি কর্মচারীদের সঙ্গে আলোচনায় বসার জন্য রাজ্যকে নির্দেশ দেন কলকাতা হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি। হাইকোর্টের সেই নির্দেশ মেনে ডিএ আন্দোলনকারীদের সঙ্গে বৈঠকে বসতে চলেছে রাজ্য সরকার।

    বৈঠকের পর পরবর্তী পদক্ষেপ

    এই বৈঠক নিয়ে এখনই কিছু বলতে নারাজ আন্দোলনকারীরা। সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ বলেন, ‘বৃহস্পতিবার নবান্ন থেকে রাজ্য সরকারের তরফে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চকে ইমেল এবং ফোন করা হয়। কলকাতা হাইকোর্ট যে বৈঠকের নির্দেশ দিয়েছে, সেই নির্দেশ মতো ২১ এপ্রিল বিকেল ৪ টে ৩০ মিনিট থেকে বৈঠক হবে বলে জানিয়েছে রাজ্য সরকার। সেই বৈঠকে আমাদের পাঁচ প্রতিনিধিকে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। সেইমতো আমাদের পাঁচ প্রতিনিধিকে নিয়েই সেই বৈঠকে হাজির থাকব আমরা। আশা করি, এই বৈঠকে সদর্থক ভূমিকা পালন করবে রাজ্য সরকার।’ আন্দোলনকারীদের (DA Protest) কথায়, বৈঠকে কী কী আলোচনা হয়েছে, তার ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করা হবে। 

    আরও পড়ুন: কেন্দ্রীয় বাহিনীর জন্য বরাদ্দ বকেয়া টাকা চেয়ে রাজ্যকে চিঠি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের

    উল্লেখ্য ষষ্ঠ বেতন কমিশনের আওতায় পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা ছয় শতাংশ হারে ডিএ পান। যা অন্যান্য রাজ্যের থেকে অনেক কম বলে দাবি রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের। সেখানে সপ্তম বেতন কমিশনের আওতায় কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীরা ৪২ শতাংশ হারে ডিএ (DA Protest) পান। বকেয়া ডিএ-র দাবিতে এর আগে একাধিকবার কর্মবিরতির ডাক দিয়েছে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। তা নিয়ে সরকার ও কর্মচারীদের মধ্যে টানাপোড়েন কম হয়নি। ৮৪ দিনে পড়েছে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের এই আন্দোলন। এবার তাঁদের ডাক পড়ল আলোচনায়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • DA Agitation: ডিএ-র দাবিতে রণক্ষেত্র ধর্মতলা, সরকারি কর্মীদের বিধানসভা অভিযান ঘিরে ধুন্ধুমার

    DA Agitation: ডিএ-র দাবিতে রণক্ষেত্র ধর্মতলা, সরকারি কর্মীদের বিধানসভা অভিযান ঘিরে ধুন্ধুমার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবারে ডিএ-র দাবিতে রাস্তায় সরকারি কর্মীরা (DA Agitation)। তাঁদের আন্দোলনে রণক্ষেত্র হয়ে উঠেছে ধর্মতলা চত্বর। আজ শুরু হয় বিধানসভা অভিযান। রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের সংগঠনের যৌথ মঞ্চের মিছিল ঘিরে ধুন্ধুমার পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

    ডিএ-র দাবিতে আন্দোলন সরকারি কর্মীদের

    প্রায় কয়েক মাস ধরে চাকরির দাবিতে শহরের বিভিন্ন জায়গায় আন্দোলন করতে দেখা যায় চাকরিপ্রার্থীদের। ফলে চাকরিপ্রার্থীদের বিক্ষোভে যখন উত্তাল পুরো রাজ্য, তারই মাঝে এবারে আন্দোলনে নামলেন রাজ্যের সরকারি কর্মীরা (DA Agitation)। তাঁদের বিধানসভা অভিযানকে ঘিরে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি ধর্মতলা চত্বর। ধর্মতলা থেকে মিছিল যায় বিধানসভার দিকে। আর সেই মুহূর্তেই পুলিশের সঙ্গে এবারে ধস্তাধস্তি শুরু হয় সরকারি প্রবীণ কর্মীদের। ফের অভিযোগ উঠেছে পুলিশি বর্বরতার। এবারও ঝরল রক্ত। পুলিশের হাত থেকে বাদ যায়নি প্রবীণ কর্মীরাও। তাঁদেরকেও জোর করে টেনে-হিঁচড়ে আন্দোলন থেকে সরানোর অভিযোগ উঠে এসেছে।  

    রাজ্যে চাকরিপ্রার্থীরা এর আগে আন্দোলনে নামলে তাঁদের কপালে জুটেছে পুলিশের মার, কামড়। আর এবারে পুলিশের লাঠিচার্জের মুখোমুখি হতে হয় প্রবীণ কর্মীদের (DA Agitation)। তাঁদের ঘুষি মারার ও মাথা ফাটিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। আবার কিছু আন্দোলনকারীদের জোর করে টেনে তোলা হয় প্রিজন ভ্যানে। মহিলারাও বাদ যায়নি এতে। আজ এই আন্দোলন রুখতে প্রথম থেকেই বড়সড় প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছিল পুলিশ। ব্যারিকেডে ঢেকে গিয়েছিল ধর্মতলা চত্বর। এরপর আন্দোলনকারীরা বিধানসভার দিকে যেতে গেলে তখনই তাঁদের বাধা দেওয়া হয় ও শুরু হয় ধস্তাধস্তি। অনেকে বিধানসভা গেটের কাছে পৌঁছে গেলে তাঁদের চ্যাংদোলা করে তুলে গাড়িতে ঢোকায় পুলিশ (DA Agitation)।

    আবার বিধানসভার ২ নম্বর গেটের কাছে চলে আসেন বেশ কিছু সরকারি কর্মী। সেখানে দাঁড়িয়েই তাঁরা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। এরপর বিশাল পুলিশ বাহিনী এসে তাঁদের আটক করে নিয়ে যায়। এখন বিধানসভায় অধিবেশন চলছে। সাধারণভাবে বিধানসভায় অধিবেশন চললে ওই গেটে কখনওই বিক্ষোভের অনুমতি দেওয়া হয় না। ফলে পুলিশ রাস্তায় নেমে বিক্ষোভকারীদের তুলে লালবাজারে নিয়ে যায় (DA Agitation)।

    সুপ্রিম কোর্টে রাজ্য

    প্রসঙ্গত, বকেয়া ৩৫ শতাংশ ডিএ নিয়েই আজকের এই বিক্ষোভ সরকারি কর্মীদের (DA Agitation)। তাঁদের দাবি, ৩৫ শতাংশ ডিএ এখনও তাঁদের পাওনা আছে। ডিএ নিয়ে হাইকোর্টে মামলা হওয়ায় ডিভিশন বেঞ্চ রাজ্যকে নির্দেশ দেয়, ৩ মাসের মধ্যে রাজ্য সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ মেটাতে হবে। আবার এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করে রাজ্য সরকার। এরপর হাইকোর্টের নির্দেশ না মানায় সরকারের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলাও দায়ের করা হয়। আর এই মামলায় আদালতকে হলফনামা দিয়ে ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকার জানিয়েছে, সরকারি কর্মীদের মহার্ঘ ভাতা ইতিমধ্যেই দেওয়া হয়েছে। তাঁদের কোনও বকেয়া ডিএ নেই। আর এরপরেই কর্মীরা আজ আন্দোলনে নেমেছেন ও আর এতেও পুলিশি বর্বরতার অভিযোগ উঠে এসেছে। 

     

LinkedIn
Share