Tag: da movement

da movement

  • DA Protest: ডিএ আন্দোলন ঘিরে ধুন্ধুমার, নবান্নের মুখে মিছিল আটকেও পিছু হটল পুলিশ

    DA Protest: ডিএ আন্দোলন ঘিরে ধুন্ধুমার, নবান্নের মুখে মিছিল আটকেও পিছু হটল পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যত দিন যাচ্ছে, ডিএ নিয়ে সরকারি কর্মচারীদের আন্দোলনের (DA Protest) ঝাঁঝ যেন ক্রমশ বেড়েই চলেছে। মুখ্যমন্ত্রীর ডিএ দেওয়া সংক্রান্ত ঘোষণাও সেই আগুনে জল ঢালতে পারেনি। বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা শর্তসাপেক্ষে নির্দেশ দিয়েছিলেন, যৌথ মঞ্চের সদস্যরা নবান্ন বাসস্ট্যান্ডের সামনে ধর্নায় বসতে পারবেন। সেইমতো শুক্রবার ভোরের আলো ফোটার আগেই ডিএ নিয়ে আন্দোলনকারীরা মিছিল করে নবান্ন অভিমুখে রওনা দেন। কিন্তু বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছানোর আগেই তাঁদের আটকে দেয় পুলিশ। ব্যারিকেড করে তাঁদের যেতে বাধাও দেওয়া হয়। এই সময় পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের ব্যাপক বচসা শুরু হয়ে যায়। সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের নেতা ভাস্কর ঘোষের নেতৃত্বে সবাই রাস্তার ওপরেই বসে পড়েন। মুহূর্তের মধ্যে ধুন্ধুমার পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, বন্ধ হয়ে যায় যানবাহন চলাচল। পরে বেলার দিকে কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশে শুরু হয় ধর্না।

    মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার পরই ধর্না কর্মসূচি (DA Protest)

    উল্লেখ্য, বড়দিনের অনুষ্ঠানমঞ্চ থেকেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারি কর্মচারীদের চার শতাংশ ডিএ দেওয়ার কথা ঘোষণা করেন। কিন্তু এই রায়ে আন্দোলনকারীরা খুব একটা খুশি হতে পারেননি। তাঁদের সাফ কথা, ইতিমধ্যেই ৪০ শতাংশ ডিএ বকেয়া রয়েছে। সেই জায়গায় চার শতাংশ দেওয়ার অর্থ হল মাত্র ১০ ভাগের এক ভাগ দেওয়া। এরপরেও ৩৬ শতাংশ ডিএ বকেয়া থেকে যাবে। এমনকী সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের নেতা ভাস্কর ঘোষ মুখ্যমন্ত্রীর এই ঘোষণাকে ‘ভিক্ষা’ বলেও কটাক্ষ করেছেন। পাশাপাশি একই দিনে হাইকোর্ট আন্দোলনকারীদের ধর্নায় বসার অনুমতি দেওয়ায় পরিস্থিতি যৌথ মঞ্চের পক্ষে চলে যায়। তাই মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার পরই সংগঠনের পক্ষ থেকে ধর্নার কর্মসূচি (DA Protest) ঘোষণা করে দেওয়া হয়। সেই মতোই কাক ভোরে আন্দোলনকারীরা নবান্ন অভিমুখে রওনা দেন।

    পুলিশ সবরকম চেষ্টা চালায় (DA Protest)

    আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও তাঁদের আটকাতে যাবতীয় ব্যবস্থা নিয়েছিল পুলিশ। প্রথমত সাত সকালে তাঁদের একটি কাগজ দেখিয়ে বলা হয়, ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ রয়েছে। কিন্তু সেটি সম্পূর্ণ মিথ্যা। পাশাপাশি যে নির্দিষ্ট জায়গায় আন্দোলনকারীদের ধর্নায় (DA Protest) বসার কথা ছিল, সেই জায়গাটি ভরিয়ে দেওয়া হয় বেসরকারি বাসে। এখানেই প্রশ্ন উঠেছে, যেখানে সরকারি বাস থাকার কথা, সেখানে বেসরকারি বাস এল কীভাবে। যদিও ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশের জেরে পুলিশের যাবতীয় প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • DA Protest: ঝাঁঝ বাড়ছে ডিএ আন্দোলনের! নবান্ন অভিযান ছাড়াও মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির কাছে সভার ডাক

    DA Protest: ঝাঁঝ বাড়ছে ডিএ আন্দোলনের! নবান্ন অভিযান ছাড়াও মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির কাছে সভার ডাক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের ন্যায় মহার্ঘ ভাতা (DA Protest)-র দাবিতে শহিদ মিনারে অবস্থান করছেন রাজ্য সরকারী কর্মচারীরা। আগামী ৬ মে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আন্দোলন ১০০ দিন পূর্ণ করবে। ওই দিন কলকাতায় এক বিশাল মিছিলের আয়োজন করবেন তাঁরা। পাশাপাশি, ওই দিনই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিধানসভা এলাকায় জনসভা করবে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ।

    নবান্ন অভিযান

    কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে সরকারি কর্মীদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিল সরকার। তবে আন্দোলনকারীরা জানিয়ে দেন, ডিএ-র (DA Protest) সমস্যা তাতে মেটেনি। নিষ্ফল বৈঠকের পরই চরম পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন সরকারি কর্মীরা। এই পরিস্থিতিতে আগামিকাল থেকে রাস্তায় নামছেন কো-অর্ডিনেশন কমিটির সদস্যরা। বাংলার সরকারি কর্মচারীরা ষষ্ঠ বেতন কমিশনের আওতায় ছয় শতাংশ ডিএ পান। সেখানে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীরা  ৪২ শতাংশ হারে ডিএ পাচ্ছেন। কেন্দ্রের থেকে রাজ্য সরকারের কর্মীদের ডিএ-র ফারাক ৩৬ শতাংশ। বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গের সরকারি কর্মীরাই দেশের মধ্যে সর্বনিম্ন হারে মহার্ঘ ভাতা পেয়ে থাকেন। এই নিয়েই চলছে আন্দোলন।

    আরও পড়ুন: রাজ্যে চালু হবে দ্বিতীয় বন্দে ভারত! ছুটবে কোন রুটে?

    বকেয়া ডিএ (DA Protest) মেটানোর দাবিতে আগামী ৪ মে নবান্ন অভিযানের ডাক দিয়েছে কো-অর্ডিনেশন কমিটি। সেই অভিযানে শামিল হতে চলেছে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের সদস্যরাও। তার আগে আগামিকাল, ২৭ এপ্রিল থেকে একাধিক কর্মসূচি রয়েছে কো-অর্ডিনেশন কমিটির। উল্লেখ্য, এর আগে ডিএ ইস্যুতে সরকারের সঙ্গে মঞ্চের বৈঠকে উপস্থিত হননি কো-অর্ডিনেশন কমিটির কোনও সদস্য। তাঁদের দাবি ছিল, মামলা সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন, তাই মামলাকারী হিসেবে সরকাররে সঙ্গে বৈঠকের প্রশ্নই ওঠে না। 

    হাজরা মোড়ে সভা

    অন্যদিকে, এত দিন কলকাতা-সহ জেলায় জেলায় এবং ডিএ-র (DA Protest) দাবিতে দিল্লির যন্তরমন্তরে ধর্না দিয়েছেন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের সদস্যরা। এবার একেবারে  মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির কাছে হাজরা মোড়ে সভা করার কথা জানালেন তাঁরা। হাজরা মোড় এলাকাটি মুখ্যমন্ত্রীর বিধানসভা কেন্দ্র ভবানীপুরের অন্তগর্ত। ৬ মে কলকাতায় মিছিলের পর ডিএ-র দাবিতে সেখানেই সমবেত হবেন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের সদস্যরা। তবে, হাজরা মোড় থেকে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির দূরত্ব এক কিলোমিটারও নয়। তাই এখানে পুলিশ সভার অনুমতি দেবে কি না তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। মঞ্চের নেতা ভাস্কর ঘোষ বলেন, ‘‘হাজরা মোড়ে তো বিভিন্ন সভা হয়। তাই আমরা আমাদের দাবি নিয়ে সভা করব। সেক্ষেত্রে পুলিশ যদি আমাদের সভা করার অনুমতি না দেয়, তাহলে আমরা আদালতের দ্বারস্থ হয়ে অনুমতি এনে সভা করব।’’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • DA Protest: বকেয়া মহার্ঘভাতা নিয়ে আজ সরকারি কর্মীদের সঙ্গে বৈঠক রাজ্যের

    DA Protest: বকেয়া মহার্ঘভাতা নিয়ে আজ সরকারি কর্মীদের সঙ্গে বৈঠক রাজ্যের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডিএ আন্দোলনকারীদের (DA Protest) সঙ্গে আজ, বিকেলে আলোচনায় বসতে চলেছে রাজ্য সরকার। মহার্ঘ ভাতা (ডিএ) নিয়ে জট কাটাতে আজ নবান্নে সরকারি কর্মচারীদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বিকেল ৪ টে ৩০ মিনিট থেকে মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদীর পৌরহিত্যে সেই বৈঠক শুরু হতে চলেছে। এরই মধ্যে ডিএ আন্দোলনকারীরা জানিয়ে দিয়েছেন, বৈঠকে যে বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা হবে, সেগুলি লিখিতভাবে সরকারকে দিতে হবে। 

    বৈঠকে সকলকে স্বাগত

    আদালতের নির্দেশে শহিদ মিনারে আন্দোলনরত যৌথ সংগ্রামী মঞ্চের সরকারি কর্মচারীদের তরফে ৫ জন থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়। গতকাল সেই সংখ্যা বাড়িয়ে ৬ করে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ।আজ রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল জানান যে, আরও বেশ কয়েকটি সংগঠন আলোচনায় অংশগ্রহণ করতে চেয়ে আবেদন জানিয়েছেন। যাঁরা আসতে চান সবাইকে স্বাগত। কিন্তু একটি সংগঠনের তরফে একজনই থাকতে পারবে। রাজ্যের আবেদনে সম্মতি দেয় আদালত।

    হাইকোর্টের নির্দেশে বৈঠক

    হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে ডিএ (DA Protest) আন্দোলনকারীদের সঙ্গে বৈঠকে বসছে রাজ্য সরকার। বৈঠকে থাকতে পারেন অর্থসচিবও। বকেয়া ডিএ-র দাবিতে শহিদ মিনারে লাগাতার আন্দোলনে চালিয়ে যাচ্ছেন সরকারি কর্মচারীরা। বারবার আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে সরকারি কর্মচারীদের সংগঠন। ১৭ এপ্রিলের মধ্যে কর্মচারীদের সঙ্গে রাজ্য সরকারকে বৈঠকে বসতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।  এই সময়সীমার মধ্যে ২ পক্ষের বৈঠক হয়নি। এরপর, চলতি সপ্তাহের সোমবার দ্রুত সরকারি কর্মচারীদের সঙ্গে আলোচনায় বসার জন্য রাজ্যকে নির্দেশ দেন কলকাতা হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি। হাইকোর্টের সেই নির্দেশ মেনে ডিএ আন্দোলনকারীদের সঙ্গে বৈঠকে বসতে চলেছে রাজ্য সরকার।

    বৈঠকের পর পরবর্তী পদক্ষেপ

    এই বৈঠক নিয়ে এখনই কিছু বলতে নারাজ আন্দোলনকারীরা। সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ বলেন, ‘বৃহস্পতিবার নবান্ন থেকে রাজ্য সরকারের তরফে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চকে ইমেল এবং ফোন করা হয়। কলকাতা হাইকোর্ট যে বৈঠকের নির্দেশ দিয়েছে, সেই নির্দেশ মতো ২১ এপ্রিল বিকেল ৪ টে ৩০ মিনিট থেকে বৈঠক হবে বলে জানিয়েছে রাজ্য সরকার। সেই বৈঠকে আমাদের পাঁচ প্রতিনিধিকে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। সেইমতো আমাদের পাঁচ প্রতিনিধিকে নিয়েই সেই বৈঠকে হাজির থাকব আমরা। আশা করি, এই বৈঠকে সদর্থক ভূমিকা পালন করবে রাজ্য সরকার।’ আন্দোলনকারীদের (DA Protest) কথায়, বৈঠকে কী কী আলোচনা হয়েছে, তার ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করা হবে। 

    আরও পড়ুন: কেন্দ্রীয় বাহিনীর জন্য বরাদ্দ বকেয়া টাকা চেয়ে রাজ্যকে চিঠি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের

    উল্লেখ্য ষষ্ঠ বেতন কমিশনের আওতায় পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা ছয় শতাংশ হারে ডিএ পান। যা অন্যান্য রাজ্যের থেকে অনেক কম বলে দাবি রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের। সেখানে সপ্তম বেতন কমিশনের আওতায় কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীরা ৪২ শতাংশ হারে ডিএ (DA Protest) পান। বকেয়া ডিএ-র দাবিতে এর আগে একাধিকবার কর্মবিরতির ডাক দিয়েছে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। তা নিয়ে সরকার ও কর্মচারীদের মধ্যে টানাপোড়েন কম হয়নি। ৮৪ দিনে পড়েছে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের এই আন্দোলন। এবার তাঁদের ডাক পড়ল আলোচনায়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: ডিএ আন্দোলনকারীদের শহিদ মিনার থেকে অন্যত্র সরাতে হাইকোর্টের দ্বারস্থ সেনা

    Calcutta High Court: ডিএ আন্দোলনকারীদের শহিদ মিনার থেকে অন্যত্র সরাতে হাইকোর্টের দ্বারস্থ সেনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শহিদ মিনার ময়দান থেকে ডিএ (DA Protest) আন্দোলনকারীদের সরিয়ে দিতে কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হল সেনাবাহিনী (Indian Army)। বকেয়া ডিএ (DA) বা মহার্ঘভাতার দাবিতে রাজ্য সরকারি কর্মচারিদের একাংশ আন্দোলনে সামিল হয়েছে। শহিদ মিনার ময়দানে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের অবস্থান চলছে। সেনাবাহিনীর অভিযোগ, আদালতের নির্দেশ মতো ওই জায়গায় অবস্থান বিক্ষোভ কর্মসূচি নিয়েছিল পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারি কর্মীদের একাংশ। তার জন্য নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই সময়সীমা অগ্রাহ্য করেই কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন আন্দোলনকারীরা। সেনার তরফে কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) দায়ের করা মামলার শুনানি হতে পারে আগামী শুক্রবার। 

    শুক্রবার শুনানি!

    আগামী শুক্রবার বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার একক বেঞ্চে (Calcutta High Court) মামলাটির শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে। আইনগতভাবে শহিদ মিনার চত্বর সেনাবাহিনীর মালিকানাধীন। তাদের অনুমতি নিয়েই সেখানে যাবতীয় সভা-সমাবেশ করতে হয়। কেন্দ্রীয় হারে ডিএ দেওয়ার দাবিতে দীর্ঘদিন ধরেই শহিদ মিনার চত্বরে অবস্থান বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছেন রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের একাংশ। ইতিমধ্যে ডিএ সংক্রান্ত বিষয়ে সরকারি কর্মীদের সঙ্গে রাজ্য সরকারকে আলোচনায় বসার নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। আগামী ১৭ এপ্রিল রাজ্যের মুখ্যসচিব এবং অর্থসচিবের উপস্থিতিতে আলোচনায় বসবেন সরকারি কর্মচারী সংগঠনের তিন সদস্য। 

    আরও পড়ুুন: দু’দিনের সফরে শুক্রবার রাজ্যে আসছেন অমিত শাহ, কী কী কর্মসূচি থাকছে?

    আন্দোলন মঞ্চ অন্যত্র সরানোর আর্জি

    ইতিমধ্যেই সোমবার থেকে দিল্লির যন্তর-মন্তরে দু’দিনের প্রতীকী অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করেন ডিএ আন্দোলনকারীরা। এই সময়ের মধ্যে রাষ্ট্রপতি, উপরাষ্ট্রপতি, কেন্দ্রীয় শিক্ষা ও অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁদের দেখা করার কথা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আন্দোলনরত সরকারি কর্মচারীদের যুক্তি, বকেয়া ডিএ পেতে সাংবিধানিক হস্তক্ষেপের প্রয়োজন রয়েছে। সেই কারণেই কলকাতার পাশাপাশি আন্দোলনকে দিল্লির দরজায় নিয়ে আসা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তাঁরা। প্রসঙ্গত, এদিন বকেয়া মহার্ঘ ভাতার দাবিতে চলা আন্দোলন ৭৪ দিনে পড়ল। এই নিয়ে কলকাতার শহিদ মিনারে ধর্না-অবস্থান চালাচ্ছে সরকারি কর্মচারীদের সংগঠন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। কিন্তু, প্রায় দেড় মাস ধরে চলা তাঁদের এই আন্দোলন নিয়ে এবার আপত্তি জানিয়েছে সেনাবাহিনী। আন্দোলন মঞ্চ অন্যত্র সরিয়ে দিতে কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হয়েছে ভারতীয় সেনা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share