Tag: DA Protest

DA Protest

  • DA Protest: ডিএ আন্দোলন ঘিরে ধুন্ধুমার, নবান্নের মুখে মিছিল আটকেও পিছু হটল পুলিশ

    DA Protest: ডিএ আন্দোলন ঘিরে ধুন্ধুমার, নবান্নের মুখে মিছিল আটকেও পিছু হটল পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যত দিন যাচ্ছে, ডিএ নিয়ে সরকারি কর্মচারীদের আন্দোলনের (DA Protest) ঝাঁঝ যেন ক্রমশ বেড়েই চলেছে। মুখ্যমন্ত্রীর ডিএ দেওয়া সংক্রান্ত ঘোষণাও সেই আগুনে জল ঢালতে পারেনি। বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা শর্তসাপেক্ষে নির্দেশ দিয়েছিলেন, যৌথ মঞ্চের সদস্যরা নবান্ন বাসস্ট্যান্ডের সামনে ধর্নায় বসতে পারবেন। সেইমতো শুক্রবার ভোরের আলো ফোটার আগেই ডিএ নিয়ে আন্দোলনকারীরা মিছিল করে নবান্ন অভিমুখে রওনা দেন। কিন্তু বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছানোর আগেই তাঁদের আটকে দেয় পুলিশ। ব্যারিকেড করে তাঁদের যেতে বাধাও দেওয়া হয়। এই সময় পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের ব্যাপক বচসা শুরু হয়ে যায়। সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের নেতা ভাস্কর ঘোষের নেতৃত্বে সবাই রাস্তার ওপরেই বসে পড়েন। মুহূর্তের মধ্যে ধুন্ধুমার পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, বন্ধ হয়ে যায় যানবাহন চলাচল। পরে বেলার দিকে কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশে শুরু হয় ধর্না।

    মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার পরই ধর্না কর্মসূচি (DA Protest)

    উল্লেখ্য, বড়দিনের অনুষ্ঠানমঞ্চ থেকেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারি কর্মচারীদের চার শতাংশ ডিএ দেওয়ার কথা ঘোষণা করেন। কিন্তু এই রায়ে আন্দোলনকারীরা খুব একটা খুশি হতে পারেননি। তাঁদের সাফ কথা, ইতিমধ্যেই ৪০ শতাংশ ডিএ বকেয়া রয়েছে। সেই জায়গায় চার শতাংশ দেওয়ার অর্থ হল মাত্র ১০ ভাগের এক ভাগ দেওয়া। এরপরেও ৩৬ শতাংশ ডিএ বকেয়া থেকে যাবে। এমনকী সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের নেতা ভাস্কর ঘোষ মুখ্যমন্ত্রীর এই ঘোষণাকে ‘ভিক্ষা’ বলেও কটাক্ষ করেছেন। পাশাপাশি একই দিনে হাইকোর্ট আন্দোলনকারীদের ধর্নায় বসার অনুমতি দেওয়ায় পরিস্থিতি যৌথ মঞ্চের পক্ষে চলে যায়। তাই মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার পরই সংগঠনের পক্ষ থেকে ধর্নার কর্মসূচি (DA Protest) ঘোষণা করে দেওয়া হয়। সেই মতোই কাক ভোরে আন্দোলনকারীরা নবান্ন অভিমুখে রওনা দেন।

    পুলিশ সবরকম চেষ্টা চালায় (DA Protest)

    আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও তাঁদের আটকাতে যাবতীয় ব্যবস্থা নিয়েছিল পুলিশ। প্রথমত সাত সকালে তাঁদের একটি কাগজ দেখিয়ে বলা হয়, ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ রয়েছে। কিন্তু সেটি সম্পূর্ণ মিথ্যা। পাশাপাশি যে নির্দিষ্ট জায়গায় আন্দোলনকারীদের ধর্নায় (DA Protest) বসার কথা ছিল, সেই জায়গাটি ভরিয়ে দেওয়া হয় বেসরকারি বাসে। এখানেই প্রশ্ন উঠেছে, যেখানে সরকারি বাস থাকার কথা, সেখানে বেসরকারি বাস এল কীভাবে। যদিও ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশের জেরে পুলিশের যাবতীয় প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • DA Protest: মধ্যাহ্ন ভোজের বিরতিতে আন্দোলন নয়! পেন ডাউন রুখতে মরিয়া নবান্ন

    DA Protest: মধ্যাহ্ন ভোজের বিরতিতে আন্দোলন নয়! পেন ডাউন রুখতে মরিয়া নবান্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডিএ বৃদ্ধির (DA Protest) দাবিতে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের একাংশ আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। ইতিমধ্যে তাঁরা যন্তর মন্তরে ধর্নাও দিয়েছেন। হাইকোর্টে নির্দেশে মুখ্য সচিবের সঙ্গে বৈঠকও হয়েছে কর্মচারিদের একাংশের। কিন্তু তাতেও মেলেনি রফাসূত্র। এই আবহেই, ২২ মে সোমবার ফের এক দফা পেন ডাউন কর্মসূচির ডাক দিয়েছে সরকারি কর্মচারী সংগঠনগুলি। এবারেও কড়া অবস্থান নিল নবান্ন। আগের বারের মতো এবারেও নবান্নের বক্তব্য যে পেন ডাউন কর্মসূচির ফলে পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হবে সাধারণ মানুষ। এবং তা সরকারি অফিসের কাজকর্মে বিঘ্ন ঘটাবে। নবান্নের আরও হুঁশিয়ারি, নিজের অফিসে থেকে দায়িত্ব পালন করতে যদি কোন কর্মচারীকে না দেখা যায়, তাহলে তার বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    বিজ্ঞপ্তিতে কী জানাল নবান্ন?

    শনিবার বিজ্ঞপ্তিতে নবান্ন স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে যে কোনভাবেই এই কর্মসূচি বরদাস্ত করবেনা সরকার। নির্দেশিকায় নবান্নের বক্তব্য, জনস্বার্থে পদক্ষেপ করবে সরকার। হাসপাতালে ভর্তি, নিকটাত্মীয়ের মৃত্যু বা আগে থেকে নেওয়া অন্যান্য বিশেষ কারণের ছুটিগুলি ছাড়া সেই দিনগুলিতে অর্ধ বা পূর্ণদিবসের ছুটি নেওয়া যাবে না। অন্যথায় কারণ দর্শাতে হবে। এমনকি মধ্যাহ্ন ভোজের বিরতিতেও কোন সরকারি কর্মীকে যদি কর্মসূচি পালন করতে দেখা যায়, তাহলে তার বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ওই বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, উপযুক্ত কারণ এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশ ছাড়া নির্ধারিত সময়ের আগে অফিস থেকে বের হতে পারবেন না কোন সরকারি কর্মী। বেলা দেড়টা থেকে দুটোর মধ্যে মধ্যাহ্ন ভোজের বিরতির সময় অন্য কোন কর্মসূচি পালন করা চলবে না, অন্যথায় প্রশাসনিক পদক্ষেপের মুখেও পড়তে হতে পারে রাজ্যের সরকারি কর্মচারীদের। শুধু তাই নয়, যদি মধ্যাহ্ন ভোজের বিরতির সময় কেউ কর্মসূচি পালন করে তাহলে ধরে নেওয়া হবে যে তিনি সেদিন গরহাজির ছিলেন এবং তাঁর বিরুদ্ধে সেইরকম প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে। প্রসঙ্গত, এই আন্দোলন নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী গত সোমবারেই জানিয়েছেন, সরকারি চাকুরিজীবীরা বেতন এবং অন্যান্য সুযোগ সুবিধা পান কাজ করার জন্য। তাঁদের আন্দোলনের ফলে বিঘ্নিত হয় সাধারণ মানুষের পরিষেবা।

    কী বলছে কর্মচারী সংগঠনগুলি?

    কর্মচারী সংগঠনের এক রাজ্য নেতার কথায়, ‘‘ন্যায্য দাবিতে কর্মীরা আন্দোলন করতে বাধ্য হচ্ছেন। সরকার দাবি মিটিয়ে দিলে এই সব আন্দোলনের দরকার পড়ে না। টিফিনের সময় হল কর্মচারীদের ব্যক্তিগত সময়। সেই অধিকারেও হস্তক্ষেপ করেছে সরকার। ওই নির্দেশনামা বাতিলের দাবিতে সোমবার টিফিনের সময় দফতরে দফতরে বিক্ষোভ সমাবেশ হবে।’’ অপর এক আন্দোলনকারীর মতে, ‘‘রাজ্য সরকার এভাবে স্বৈরতান্ত্রিক মানসিকতার পরিচয় দিচ্ছে। যত দমন পীড়ন চলবে, প্রতিরোধ ততই বাড়বে।’’ আরেকটি কর্মচারী সংগঠনের মত হল, ‘‘কর্মবিরতি পালনে বেতন কাটা যেতে পারে কিন্তু অন্য কোন শাস্তি এভাবে দিতে পারে না সরকার। এটা অত্যন্ত অগণতান্ত্রিক এবং ডিএ সহ নানা দাবীতে আন্দোলন বাছাই করতে পদক্ষেপ।’’ এখন দেখার সোমবারে রাজ্য জুড়ে কতটা প্রভাব ফেলতে পারে সরকারি কর্মীদের আন্দোলন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • DA Protest: নবান্নের কড়া বার্তা উপেক্ষা করে অণ্ডাল ব্লক অফিসের কর্মচারীরা সামিল হলেন কর্মবিরতিতে

    DA Protest: নবান্নের কড়া বার্তা উপেক্ষা করে অণ্ডাল ব্লক অফিসের কর্মচারীরা সামিল হলেন কর্মবিরতিতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বকেয়া ডিএ এর (DA Protest) দাবিতে, সোম-মঙ্গল কর্মবিরতির ডাক দিয়েছিল সরকারি কর্মচারী ইউনিয়নগুলি। সোমবার অণ্ডাল ব্লক অফিসে বেশকয়েকজন কর্মচারি অ্যাটেনডেন্স-এ সই করেও কাজ করতে অস্বীকার করলেন, যা নিয়ে শোরগোল পড়ে যায় ব্লক অফিসের মধ্যেই। বিষয়টি পঞ্চায়েত মন্ত্রী পর্যন্ত গড়ায়। আগেই নবান্ন কড়া বার্তা দিয়েছিল। সার্কুলার জারি করে জানানো হয়েছিল, সোম ও মঙ্গলবার কোনওভাবেই পূর্ণ বা অর্ধ দিবস ছুটি নেওয়া যাবে না। কর্মবিরতিতে সামিল হলে চাকরি জীবন থেকে বাদ যাবে একদিন। করা হবে শোকজ। তা সত্ত্বেও অণ্ডাল ব্লক অফিসের একাংশ কর্মচারী কর্মবিরতিতে সামিল হলেন নবান্নের হুঁশিয়ারিকে উপেক্ষা করে।

    গোটা ঘটনায় পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি অভিযোগ করলেন মন্ত্রীর কাছে

     জানা গেছে, অন্যান্য দিনের মতোই এদিন ব্লক অফিসে আসেন ওই কর্মীরা এবং অ্যাটেনডেন্স-এ সইও করেন, কিন্তু পরে কাজ করতে অস্বীকার করেন, এরফলে বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ আটকে যায়। রুপশ্রী প্রকল্প, কাস্ট সার্টিফিকেটের কাজে এসে ঘুরে যেতে হয় সাধারণ মানুষকে। বিডিও গোটা ঘটনায় নিশ্চুপ ছিলেন, অন্তত এমনটাই অভিযোগ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি লক্ষ্ণী টুডুর। ব্লক অফিসের এই ঘটনায় লক্ষ্মী টুডু সঙ্গে সঙ্গে চিঠি করেন ভারপ্রাপ্ত পঞ্চায়েতমন্ত্রীকে। সেখানে তিনি লেখেন,” কর্মচারীদের একাংশের কর্মবিরতির কারণে হয়রানির শিকার হতে হয় সাধারণ মানুষকে। সরকারি পরিষেবা নিতে এসে ফিরে যেতে হয় সাধারণ মানুষকে। গোটা ঘটনাটি বিডিওকে জানালে তিনি নিশ্চুপ থাকেন এবং পরোক্ষভাবে কর্মচারীদের এই কর্মবিরতিকে উৎসাহিত করতে থাকেন। কর্মবিরতিতে অংশ নেওয়া কর্মচারীদের সঙ্গে বিডিও-এর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি জানানো হয়েছে। 

    দীর্ঘদিন ধরেই অসন্তুষ্ট রাজ্যের সরকারি কর্মচারীরা

    প্রসঙ্গত, রাজ্যের সরকারি কর্মচারীরা দীর্ঘদিন ধরেই অসন্তুষ্ট রয়েছে রাজ্য সরকারের উপর। তাঁদের ডিএ বৃদ্ধির আন্দোলনের দাবি হাইকোর্টের অবধি পৌঁছেছে, কলকাতার রাজপথে সরকারি কর্মচারীদের আন্দোলনে পুলিশের বিরুদ্ধে ঘুঁষি মারা অভিযোগও তোলে বিভিন্ন সরকারি কর্মচারী সংগঠন। চলতি আর্থিক বর্ষে রাজ্য সরকারের পেশ করা বাজেটে দেখা যাচ্ছে মাত্র ৩ শতাংশ ডিএ (DA Protest) বৃদ্ধি করা হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের সরকারি কর্মচারীদের জন্য যা অন্যান্য রাজ্যের সাপেক্ষে অনেক কম।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Calcutta High Court: মুখ পুড়ল রাজ্যের! ডিএ-র দাবিতে মিছিলের নির্দেশ বহাল ডিভিশন বেঞ্চেও

    Calcutta High Court: মুখ পুড়ল রাজ্যের! ডিএ-র দাবিতে মিছিলের নির্দেশ বহাল ডিভিশন বেঞ্চেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের একবার হাইকোর্ট ধাক্কা খেল রাজ্য সরকার। ডিএ-র দাবিতে নবান্ন পর্যন্ত মিছিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্যের কো-অর্ডিনেশন কমিটি। বুধবারই শর্তসাপেক্ষে কমিটিকে ওই কর্মসূচি পালনের অনুমতি দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার সিঙ্গল বেঞ্চ। সেই নির্দেশ চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে যায় রাজ্য সরকার।

    নির্দেশ বহাল ডিভিশন বেঞ্চেও (Calcutta High Court)

    বৃহস্পতিবার শর্তসাপেক্ষে সিঙ্গল বেঞ্চের সেই নির্দেশই বহাল রাখে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমের ডিভিশন বেঞ্চ। এখানেও বেশ কিছু শর্ত মেনে চলার কথা বলা হয়েছে মিছিলকারীদের। বেঞ্চের নির্দেশ, “এক লাইনে মিছিল করতে হবে। মিছিল শেষে কেবল একজন মাত্র বক্তৃতা দিতে পারবেন। শান্তিপূর্ণ মিছিল করতে হবে। মিছিল যেন কোথাও দাঁড়িয়ে না যায়।” প্রধান বিচারপতির (Calcutta High Court) মন্তব্য, “মিষ্টি দই, আলুপোস্ত, লুচি যেমন বাংলার সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ, মিটিং-মিছিলও তাই। এখানে সবাই জন্মগত যোদ্ধা।” তিনি বলেন, “কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা যেন না ঘটে, সেদিকে নজর রাখতে হবে সংগঠনকে। কর্মসূচি শেষ করতে হবে দু’ ঘণ্টার মধ্যে।”

    আরও পড়ুুন: “রাজ্যের ক্ষমতা নেই আটকানোর, রাজনীতি করবেন না”, সিএএ নিয়ে মমতাকে ‘শাহি’ তোপ

    মিছিলে শর্ত আদালতের 

    বুধবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি মান্থাও নির্দেশ দিয়েছিলেন, হাওড়া রেল মিউজিয়াম থেকে নবান্ন বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত মিছিল করতে পারবে কো-অর্ডিনেশন কমিটি। দুপুর ১টা থেকে কর্মসূচি শুরু করা যাবে। মিছিলে সর্বাধিক ১৫০০ জন থাকতে পারবেন। পুলিশ ওই মিছিলের ওপর প্রয়োজনীয় শর্ত আরোপ করতে পারবে। বিচারপতি মান্থার নির্দেশ চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে যায় রাজ্য।

    মিছিল শুরু দুপুর ১টায়

    এদিনের শুনানিতে নবান্ন বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত মিছিলে আপত্তি জানায় রাজ্য। সওয়ালে রাজ্যের এজি বলেন, “ওই জায়গায় কোনও কর্মসূচি হয় না। শাসক বা বিরোধী কাউকে কোনও দিন অনুমতি দেওয়া হয় না। গতবারের চেয়ে এবার কর্মসূচিতে লোকের সংখ্যাও বৃদ্ধি করা হয়েছে।” এজির উদ্দেশে প্রধান বিচারপতি বলেন, “একটি লাইন ধরে মিছিল যাবে। সেখানে সরকারি কর্মচারীরা অংশ নেবেন। সরকার তো তাঁদের সবার পরিচয় জানবে। তাই অসুবিধা হওয়ার কথা নয় (Calcutta High Court)।” প্রসঙ্গত ডিএ-র দাবিতে বৃহস্পতিবার কোঅর্ডিনেশন কমিটির মিছিল শুরু হওয়ার কথা দুপুর ১টায়। শেষ হবে নবান্ন বাসস্ট্যান্ডে গিয়ে।

    ‘মহার্ঘ ভাতা বাড়লে তো পুলিশেরও বাড়বে’

    পুলিশের উদ্দেশেও তাৎপর্যপূর্ণ পর্যবেক্ষণ করেছেন প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেন, ‘‘তারা (আন্দোলনকারী) সরকারি কর্মী, তারা সব নির্দেশ মেনে চলবেন। যদি না মানেন তাহলে তাদের সনাক্ত করতে পুলিশের কোন অসুবিধা হবে না। এর আগে যখন কর্মবিরতি হয়েছিল তখন মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন যে বেতন কাটা হবে। ফলে এই সরকারি কর্মীদের ওপর আপনাদের নিয়ন্ত্রণ আছে।’’ তখন আন্দোলনকারীদের তরফে বলা হয়, ‘‘পুলিশ অসুবিধা সৃষ্টি না করলে অশান্তি কেন হবে?’’ এর উত্তরে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘‘না না, পুলিশ কেন বাধা দেবে। আপনারা যদি মহার্ঘ ভাতা পান, তাহলে পুলিশও পাবে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “নবান্ন অভিযান ডাকুন, আমি সঙ্গে থাকব”, ডিএ আন্দোলনকারীদের আশ্বাস শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “নবান্ন অভিযান ডাকুন, আমি সঙ্গে থাকব”, ডিএ আন্দোলনকারীদের আশ্বাস শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “নবান্ন অভিযান ডাকুন, আমি সঙ্গে থাকব।” মঙ্গল-সকালে ডিএর দাবিতে আন্দোলনকারীদের মঞ্চে গিয়ে এই আশ্বাস দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বকেয়া ডিএর দাবিতে কর্মচারী সংগঠন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের ব্যানারে দীর্ঘদিন ধরেই আন্দোলন করছেন সরকারি কর্মীরা। সম্প্রতি আন্দোলনকারীদের একাংশ শুরু করেছেন আমরণ অনশন।

    নবান্ন অভিযানের পরামর্শ

    এদিন সাত সকালে সটান এই মঞ্চেই হাজির হন শুভেন্দু। আন্দোলনকারীদের নবান্ন অভিযানের ডাক দেওয়ার পরামর্শ দেন। কড়া সমালোচনা করেন রাজ্য সরকারের। নন্দীগ্রামের বিধায়ক বলেন, “এঁদের যদি কিছু হয়, আগুন জ্বলবে বাংলায়। রাজ্য সরকারের দুর্নীতিতে এঁরা প্রশ্রয় দেননি বলেই ডিএ আন্দোলনকারীদের সঙ্গে বিরুপ আচরণ করা হচ্ছে। সরকারি কর্মীদের এই আন্দোলনে বিজেপির নিঃশর্ত সমর্থন রয়েছে।”

    রাজ্য সরকারের দুর্নীতির খতিয়ান

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “এই সরকারি কর্মীরা দেখেছেন আবাস যোজনায় ঘর না দিয়ে তৃণমূলের নেতা নিজের গোয়াল ঘর দেখিয়ে বাড়ি নিয়ে নিয়েছেন। এই সরকারি কর্মীরা দেখেছেন শৌচালয়ের টাকা গরিব মানুষকে না দিয়ে হাজার হাজার টাকা নিজেদের পকেটে ঢুকিয়েছেন তৃণমূল নেতারা। এই সরকারি কর্মীরা দেখেছেন চুরি, এই সরকারি কর্মীরা দেখেছেন স্থায়ী ছ’ লক্ষ পোস্ট অবলুপ্ত করেছে সরকার। অস্থায়ী কর্মী নিয়োগ করছেন চার থেকে বারো হাজার।”

    আরও পড়ুুন: ‘রামের আলো’ থেকে বিদ্যুৎ! ‘প্রধানমন্ত্রী সূর্যোদয় যোজনা’র ঘোষণা মোদির

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “তৃণমূল নেতারা কীভাবে বেকার ভাতার নামে ধাপ্পাবাজি করছেন, নিয়োগ পরীক্ষায় কারচুপি হয়েছে, পিএসসির কর্মচারিরা আমায় সে তথ্য দেন। বামপন্থী কর্মীরা আমায় জানিয়েছেন মিড-ডে মিলের টাকা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারি অনুষ্ঠানে কম্বল বিতরণ করেছেন।” তিনি বলেন, “এ সবের জন্য মুখ্যমন্ত্রী আতঙ্কিত। এই সরকারি কর্মীদের তিনি যে পাশে পাবেন না, তা আগেই বুঝে গিয়েছেন। তাই এঁদের ডিএ আটকে রয়েছে।” এর পরেই আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) বলেন, “ডাকুন নবান্ন অভিযান। আমি সঙ্গে থাকব।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Suvendu Adhikari: বকেয়া নিয়ে উদাসীন রাজ্য! বর্ধিত বেতন ডিএ আন্দোলনকারীদের দেওয়ার ঘোষণা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: বকেয়া নিয়ে উদাসীন রাজ্য! বর্ধিত বেতন ডিএ আন্দোলনকারীদের দেওয়ার ঘোষণা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বকেয়া ডিএ নিয়ে রাজ্য সরকার উদাসীন। মুখ্যমন্ত্রী বলেই দিয়েছেন, বকেয়া ডিএ দিতে গেলে তাঁর অন্য দফতর চলবে না। এদিকে, রাজ্য সরকার বিভিন্ন ভাতা-দান-খয়রাতি করেই চলেছে। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যের হাজার হাজার সরকারি কর্মীদের অনিশ্চয়তার মধ্যে ঠেলে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আদালতের ধাক্কা খেতে খেতে ক্লান্ত আন্দোলনকারীরা। এই পরিস্থিতিতে বিধায়ক হিসেবে নিজের বর্ধিত বেতন ডিএ আন্দোলনকারীদের হাতে তুলে দেওয়ার কথা জানালেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। 

    আন্দোলনকারীদের পাশে শুভেন্দু

    সম্প্রতি মন্ত্রী, বিধায়কদের বেতন বৃদ্ধি করেছে রাজ্য সরকার। প্রতি মাসে সকলের বেতন বৃদ্ধি হয়েছে ৪০ হাজার টাকা। কর্মচারীদের বকেয়া টাকা না দিয়ে মন্ত্রী, বিধায়কদের এই বেতন বৃদ্ধির বিরোধিতা করে বর্ধিত ওই টাকা নেবেন না বলে আগেই জানিয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা। কিন্তু সরকারি নিয়মেই অন্যদের মতো শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) অ্যাকাউন্টেও ঢুকবে বর্ধিত ওই বেতন। বেতন বৃদ্ধির ওই টাকা সরকারি কর্মচারীদের সংগ্রামী যৌথমঞ্চকে (joint platform) দেওয়ার ঘোষণা করলেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, “নিজেদের প্রাপ্য বকেয়া টাকা আদায় করতে কলকাতা হাইকোর্ট এবং সুপ্রিম কোর্টে কর্মচারীদের আইনি লড়াই করতে হচ্ছে। এজন্য অর্থও ব্যয় হচ্ছে তাঁদের। কর্মচারীদের এই আন্দোলনকে নৈতিক সমর্থন জানাতেই বর্ধিত বেতন তাঁদের হাতে তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত।”

    কী বলছেন আন্দোলনকারীরা

    শুভেন্দুর সহযোগিতাকে অভিনন্দন জানিয়ে সংগ্রামী যৌথমঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ বলেন, “বিধায়ক কিংবা মন্ত্রীদের যে ভাতা বাড়ানো হয়েছে তার বিরোধিতা আমরা করছি না। আমরা শুধু আমাদের সরকারি কর্মচারীদের ন্যায্য অধিকারটুকু চাই। রাজ্যে কোষাগার শূন্য, সরকারের তরফে আর্থিক কোনও রিপোর্টে সেকথা বলা হচ্ছে না। তবে অর্থ খরচের ক্ষেত্রে এই সরকারের কোনও ডিসিপ্লিন নেই, আমরা চাই রাজ্যের আর্থিক শৃঙ্খলা ফেরানো হোক।” 

    আরও পড়ুন: ডেঙ্গিতে জেরবার রাজ্যবাসী, আর প্রশাসন ব্যস্ত তথ্য গোপন করতে!

    শুভেন্দুর তোপ

    রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে শুভেন্দু বলেন, “ডিএ মামলা এখনও বিচারাধীন। আগেও কয়েকবার এই মঞ্চে এসেছি। কিন্তু কোনওদিন এঁদের বলিনি, আমাদের রাজনৈতিক মতাদর্শে চলতে হবে। আমাদের রাজনৈতিক প্রচার করে সাহায্য করতে হবে। আমরা মনে করি, এই সরকারি কর্মচারীরা বঞ্চিত হচ্ছেন। কেন্দ্রের হারে মহার্ঘভাতা দেওয়ার বিষয়টি অন্য রাজ্য মেনে নিচ্ছে। কিন্তু আমাদের রাজ্য সেটা বুঝতে পারছে না। ‌এই রাজ্যের অর্থনৈতিক অবস্থা বেহাল। শিক্ষা শেষ। আজ উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হতে গেলে অর্থ লাগে। এই রাজ্যে চাকরি নেই। ভিন রাজ্যে কাজ করতে যেতে হচ্ছে এখানকার ছেলেমেয়েদের। পুরোটাই দোলাচল।”

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • DA Protest: উত্তপ্ত বিকাশ ভবন চত্বর!  ডিএ আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের খণ্ডযুদ্ধ

    DA Protest: উত্তপ্ত বিকাশ ভবন চত্বর! ডিএ আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের খণ্ডযুদ্ধ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য সরকারের নির্দেশিকা সরাসরি অমান্য করলেন কর্মীরা। ডিএ আন্দোলনকারীদের (DA Protest) ঠেকানোর জন্য সম্প্রতি জোড়া নির্দেশিকা জারি করেছিল নবান্ন। তাকে অমান্য করে মঙ্গলবার মহাকরণ ভবন, খাদ্য ভবন, পঞ্চায়েত দফতরে টিফিনের সময়ে ব্যানার হাতে প্রতিবাদ দেখান সরকারি কর্মীরা। এদিকে আজ সল্টলেকের করুণাময়ীতেও বিক্ষোভ দেখানোর কথা সরকারি কর্মীদের একাংশ। ডিএ আন্দোলনকারীদের প্রতিবাদ মিছিলে পুলিশি হস্তক্ষেপের পর বিকাশ ভবনের সামনে ধুন্ধুমার বেঁধে যায়। বহু বিক্ষোভকারীকে আটক করে পুলিশ। পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের ধস্তাধস্তিতে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে সল্টলেকের বিকাশ ভবন চত্বর।

    সরকারি নির্দেশ অমান্য

    উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে সরকারের তরফে দু’টি নির্দেশিকা জারি করে বলা হয়, মধ্যাহ্নভোজের সময় খাওয়া দাওয়া ছাড়া আর অন্য কোনও কাজ করা যাবে না এবং আন্দোলনের জন্য ছুটি নেওয়া যাবে না। তাছাড়া টিফিন বিরতির সময়েও অফিসের বাইরে যাওয়া যাবে না। সরকারি অফিসের কর্মসংস্কৃতি ফেরাতেই এই নির্দেশিকা বলে জানানো হয় নবান্নর তরফে। এদিকে সরকারি কর্মীরা এই নির্দেশিকা অমান্য করলে কড়া পদক্ষেপ করার কথা বলা হয়।তবে এই কঠোর নির্দেশিকা জারির পরই ক্ষুব্ধ হন সরকারি কর্মীরা। এই নির্দেশিকা মানতে নারাজ ডিএ আন্দোলনকারীরা (DA Protest)। 

    আরও পড়ুুন: “মোদিজির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হয়েছে নবান্নে”, বোমা ফাটালেন শুভেন্দু

    আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের খণ্ডযুদ্ধ

    ‘অন্যায্য’ বদলির প্রতিবাদেই বুধবার বিকাশ ভবনের সামনে বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করেছিল সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। আন্দোলনকারী (DA Protest) সরকারি কর্মচারীদের মূল অভিযোগ, যাঁরা আন্দোলন করছেন, তাঁদের বেছে বেছে বদলি করে দেওয়া হচ্ছে। বাসস্থান থেকে অনেক দূরে ইচ্ছাকৃত ভাবে এই বদলি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। ডিএ-র (DA Protest) দাবিতে প্রতিবাদে শামিল হওয়ার কারণেই সরকার এ ভাবে পাল্টা শোধ তুলছে, দাবি বিক্ষোভকারীদের। এদিন বিনা প্ররোচনায় মিছিলে পুলিশ হস্তক্ষেপ করে বলে অভিযোগ। মিছিল এগিয়ে নিয়ে যেতে বাধা দেওয়া হয়। তার পরেই গোলমাল শুরু হয়। রাস্তায় বসে পড়েন আন্দোলনকারীরা। বাসের তলায় শুয়ে পড়েও প্রতিবাদ জানাতে দেখা গিয়েছে। প্ল্যাকার্ড হাতে পুলিশের গাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। মিছিল ছত্রভঙ্গ করতে ধরপাকড় শুরু করে পুলিশ। আন্দোলনকারীদের মধ্যে থেকে অন্তত ৬০ জনকে আটক করা হয়। তাঁদের নিয়ে যাওয়া হয় বিধাননগর দক্ষিণ থানায়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • DA: ‘শান্তিনিকেতনে’র উঠোন দিয়ে গেল ডিএ-র দাবিতে মিছিল, উঠল ‘চোর, চোর’ স্লোগান

    DA: ‘শান্তিনিকেতনে’র উঠোন দিয়ে গেল ডিএ-র দাবিতে মিছিল, উঠল ‘চোর, চোর’ স্লোগান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বকেয়া ডিএ-র দাবিতে বিগত কয়েক মাস ধরেই আন্দোলন করছেন রাজ্য সরকারি কর্মীরা। ডিএ সংক্রান্ত মামলা এখন সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন। অতীতে, ডিএ-র দাবিতে কর্মবিরতি পালন করেছেন তাঁরা। এবার আন্দোলনের শততম দিনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) পাড়া তথা তৃণমূল (TMC) সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে দিয়ে করলেন এক কিলোমিটারেরও বেশি দীর্ঘ মিছিল। আদালতের নির্দেশ অক্ষরে অক্ষরে মেনেই হয়েছে মিছিল। কেবল অভিষেকের প্রাসাদোপম বাড়ির সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় উঠেছে ‘চোর’, ‘চোর’ স্লোগান।

    মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির রাস্তা— হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের দু’ধারে ঠায় দাঁড়িয়ে সাদা পোশাকের কলকাতা পুলিশ। এঁদের মধ্যে যেমন রয়েছেন পুলিশের পদস্থ কর্তারা, তেমনি রয়েছেন ছোট কর্তারাও। ব্যারিকেড করে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ওই রাস্তায় আসা-যাওয়ার যাবতীয় বাই-লেন, বিশেষ করে হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিট ও হরিশ মুখার্জি রোড সংযোগকারী গলি। এহেন নিরাপত্তা বলয়ের পাশ দিয়ে শনিবার দুপুরে হরিশ মুখার্জি রোড ধরে গেল বকেয়া ডিএ-র (DA) দাবিতে আন্দোলনকারীদের মিছিল। 

    ডিএ-র (DA) দাবিতে আন্দোলন…

    এদিন দুপুর ১টা নাগাদ হাজরা মোড় থেকে শুরু হয় মিছিল। হরিশ মুখার্জি রোড ধরে এগোতে শুরু করে মিছিল। শঙ্খধ্বনি, স্লোগানে গমগম করতে থাকে গোটা এলাকা। কলকাতার পাশাপাশি বিভিন্ন জেলা থেকেও সরকারি কর্মীরা যোগ দিয়েছিলেন এদিনের মিছিলে। মিছিলের মধ্যে একটি শববাহী-খাটিয়াও বয়ে নিয়ে যেতে দেখা যায় আন্দোলনকারীদের। সেই খাটিয়ার গায়ে লেখা, ‘পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিবেক’। খাটিয়ায় শোয়ানো হয়েছিল একটি পুতুল। তার গলায় দেওয়া মালা। জ্বালানো হয় ধূপও। মিছিল এগিয়ে চলে ঢিমেতালে। মিছিলের (DA) পথে পড়েছে তৃণমূলের পার্টি অফিস। মিছিল সেখানে পৌঁছতেই ঝড় ওঠে করতালির। আচমকাই বেড়ে যায় স্লোগানের মাত্রাও।

    আরও পড়ুুন: গরুপাচার করে কেষ্টর আয় ৭৭ কোটি ৫৬ লক্ষ টাকা! চার্জশিটে উল্লেখ ইডির

    কেন্দ্রীয় হারে ডিএ-র দাবিতে গত ১০০ দিন ধরে চলছে আন্দোলন। আন্দোলন হচ্ছে যৌথ সংগ্রামী মঞ্চের ব্যানারে। দাবি আদায়ে বন্‌ধ পালন করেছেন আন্দোলনকারীরা। করেছেন কর্মবিরতিও। মহামিছিলও হয়েছে বার কয়েক। গোটা দেশের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে দিল্লির যন্তরমন্তরেও ধর্নায় বসেছিলেন তাঁরা (DA)। বেশ কিছুদিন ধর্মতলায় অনশনও করেছিলেন আন্দোলনকারীরা। আদালতের নির্দেশে সরকারের সঙ্গে আলোচনায়ও বসেছিলেন তাঁরা। তার পরেও সুরাহা হয়নি। শেষমেশ হরিশ মুখার্জি রোডে মিছিল করার পরিকল্পনা করেন আন্দোলনকারীরা (DA)। ঠিক ছিল, ৬ মে ডিএর দাবিতে মিছিল হবে মুখ্যমন্ত্রীর পাড়ায়। যদিও প্রথমে পুলিশ এই মিছিলের অনুমতি দেয়নি। তার পরেই আন্দোলনকারীরা দ্বারস্থ হন কলকাতা হাইকোর্টের। মামলার শুনানি হয় বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার এজলাসে। তৃণমূলের ‘আঁতুড়ঘরে’ মেলে মিছিলের অনুমতি। তবে আদালত এই অনুমতি দিয়েছে শর্ত সাপেক্ষে। হাইকোর্ট সাফ জানিয়ে দিয়েছে, মিছিল করতে হবে সুশৃঙ্খলভাবে। এমন কোনও স্লোগান সেখানে দেওয়া যাবে না, যাতে উত্তেজনা ছড়ায়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • DA Protest: মমতা-অভিষেকের পাড়াতেই মিছিল ডিএ আন্দোলনকারীদের! অনুমতি দিল হাইকোর্ট

    DA Protest: মমতা-অভিষেকের পাড়াতেই মিছিল ডিএ আন্দোলনকারীদের! অনুমতি দিল হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বকেয়া মহার্ঘ ভাতা বা ডিএ-র (DA Protest) দাবিতে কলকাতার রাজপথে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা। আজ, বৃহস্পতিবার একদিকে নবান্ন অভিযানে সামিল হয় কো-অর্ডিনেশন কমিটি (Coordination Committee)। মিছিল করে নবান্নর পথে যান আন্দোলনকারীরা। অন্যদিকে, আজ খুশির খবর মিলল হাইকোর্ট থেকে। আগামী ৬ তারিখ হরিশ মুখার্জি রোড দিয়ে ডিএ-আন্দোলনকারীদের মিছিল নিয়ে যাওয়ার অনুমতি দিল বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার বেঞ্চ।

    মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির কাছে মিছিলের অনুমতি

    বকেয়া মহার্ঘ ভাতার দাবিতে আগামী ৬ মে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) পাড়াতেই মহামিছিলের ডাক দিয়েছে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। কিন্তু সেই মিছিলের অনুমতি না মেলায় হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হন আন্দোলনকারীরা। রাজ্যের রুট বদলের আবেদনে সাড়া দেননি আন্দোলনকারীরা। বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা বৃহস্পতিবার, মিছিল নিয়ে রাজ্যের আপত্তিতে প্রশ্ন তোলেন। আন্দোলনকারীদের পূর্ব প্রস্তাবিত রুটেই মিছিলের অনুমতি দেয় হাইকোর্ট। বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার নির্দেশ, শান্তি বজায় রেখে ওই রাস্তা দিয়ে মিছিল করা যাবে। কিন্তু মিছিল থেকে কোনও রকম কুমন্তব্য করা যাবে না। 

    আদালতের যুক্তি

    কলকাতা পুলিশের তরফে ডিএ আন্দোলনকারীদের তিনটি বিকল্প রুটে মিছিলের প্রস্তাব দেওয়া হলেও তাতে রাজি ছিলেন না তাঁরা। অন্য দিকে, হরিশ মুখার্জি রোড নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিল পুলিশ। রাজ্যের দাবি ছিল, শহরের অন্যতম স্পর্শকাতর এলাকা ওই রাস্তা। বিচারপতি এদিন রাজ্যকে প্রশ্ন করেন, ‘প্রতি একদিন অন্তর হাজরা মোড়ে ধর্না বিক্ষোভ হয়। হঠাৎ হরিশ মুখার্জি রোড নিয়ে আপত্তি কেন?’ বিচারপতির প্রশ্নে রাজ্যের আইনজীবী জানান, ওই এলাকা খুবই স্পর্শকাতর। ওই এলাকায় মিছিল করতে গিয়ে যদি ভিড় ছাড়িয়ে যায় তবে তার দায়িত্ব কে নেবে? ওই এলাকায় ১৪৪ ধারা রয়েছে। 

    আরও পড়ুুন: এবার শুভেন্দুর দুটি মামলা থেকে সরে দাঁড়ালেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি মান্থা

    আন্দোলনকারীদের পক্ষের আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য বলেন, ‘আমরা আদালতে আবেদন করার পরই ওই এলাকার কিছু জায়গায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।’ তখন বিচারপতি মান্থা বলেন, ‘‘তা হলে তো মিছিল ওই রুটে হলে বলতে হবে, শহরের সবচেয়ে শান্ত এলাকা দিয়ে মিছিল যাচ্ছে।’’এর পরে বিকাশরঞ্জনের উদ্দেশে বিচারপতি মান্থা বলেন, ‘‘সকলে যে আশঙ্কা করছে, আদালত তা বুঝতে পেরেছে। ওই এলাকায় কোনও রকম অশান্তি হবে না সেই ভাবে মিছিল করতে হবে। দুপুর ১টা থেকে বিকেল ৪টের মধ্যে ওই এলাকায় শান্তিপূর্ণ ভাবে কর্মসূচি শেষ করতে হবে।’’

    নবান্ন অভিযান

    এদিন নবান্ন (Nabanna) অভিযান করে কো-অর্ডিনেশন কমিটি (Coordination Committee)। হাওড়া স্টেশন থেকে হাওড়া ময়দান পর্যন্ত মিছিল করছে তারা। নেতৃত্বদের দাবি, প্রতিটা জেলা থেকে সরকারি চাকুরিজীবী, এমনকী অবসরপ্রাপ্ত সরকারি চাকুরিজীবীরা মিছিলে পা মিলিয়েছেন। সব মিলিয়ে কয়েক হাজার মানুষ মিছিলে পা মিলিয়েছেন। তবে নির্দিষ্টভাবে জমায়েতের সংখ্যা এখনও জানা যায়নি। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা শিক্ষক-শিক্ষিকা থেকে শুরু করে সরকারি কর্মীরা রয়েছেন মিছিলে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • DA Protest: ঝাঁঝ বাড়ছে ডিএ আন্দোলনের! নবান্ন অভিযান ছাড়াও মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির কাছে সভার ডাক

    DA Protest: ঝাঁঝ বাড়ছে ডিএ আন্দোলনের! নবান্ন অভিযান ছাড়াও মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির কাছে সভার ডাক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের ন্যায় মহার্ঘ ভাতা (DA Protest)-র দাবিতে শহিদ মিনারে অবস্থান করছেন রাজ্য সরকারী কর্মচারীরা। আগামী ৬ মে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আন্দোলন ১০০ দিন পূর্ণ করবে। ওই দিন কলকাতায় এক বিশাল মিছিলের আয়োজন করবেন তাঁরা। পাশাপাশি, ওই দিনই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিধানসভা এলাকায় জনসভা করবে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ।

    নবান্ন অভিযান

    কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে সরকারি কর্মীদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিল সরকার। তবে আন্দোলনকারীরা জানিয়ে দেন, ডিএ-র (DA Protest) সমস্যা তাতে মেটেনি। নিষ্ফল বৈঠকের পরই চরম পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন সরকারি কর্মীরা। এই পরিস্থিতিতে আগামিকাল থেকে রাস্তায় নামছেন কো-অর্ডিনেশন কমিটির সদস্যরা। বাংলার সরকারি কর্মচারীরা ষষ্ঠ বেতন কমিশনের আওতায় ছয় শতাংশ ডিএ পান। সেখানে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীরা  ৪২ শতাংশ হারে ডিএ পাচ্ছেন। কেন্দ্রের থেকে রাজ্য সরকারের কর্মীদের ডিএ-র ফারাক ৩৬ শতাংশ। বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গের সরকারি কর্মীরাই দেশের মধ্যে সর্বনিম্ন হারে মহার্ঘ ভাতা পেয়ে থাকেন। এই নিয়েই চলছে আন্দোলন।

    আরও পড়ুন: রাজ্যে চালু হবে দ্বিতীয় বন্দে ভারত! ছুটবে কোন রুটে?

    বকেয়া ডিএ (DA Protest) মেটানোর দাবিতে আগামী ৪ মে নবান্ন অভিযানের ডাক দিয়েছে কো-অর্ডিনেশন কমিটি। সেই অভিযানে শামিল হতে চলেছে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের সদস্যরাও। তার আগে আগামিকাল, ২৭ এপ্রিল থেকে একাধিক কর্মসূচি রয়েছে কো-অর্ডিনেশন কমিটির। উল্লেখ্য, এর আগে ডিএ ইস্যুতে সরকারের সঙ্গে মঞ্চের বৈঠকে উপস্থিত হননি কো-অর্ডিনেশন কমিটির কোনও সদস্য। তাঁদের দাবি ছিল, মামলা সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন, তাই মামলাকারী হিসেবে সরকাররে সঙ্গে বৈঠকের প্রশ্নই ওঠে না। 

    হাজরা মোড়ে সভা

    অন্যদিকে, এত দিন কলকাতা-সহ জেলায় জেলায় এবং ডিএ-র (DA Protest) দাবিতে দিল্লির যন্তরমন্তরে ধর্না দিয়েছেন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের সদস্যরা। এবার একেবারে  মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির কাছে হাজরা মোড়ে সভা করার কথা জানালেন তাঁরা। হাজরা মোড় এলাকাটি মুখ্যমন্ত্রীর বিধানসভা কেন্দ্র ভবানীপুরের অন্তগর্ত। ৬ মে কলকাতায় মিছিলের পর ডিএ-র দাবিতে সেখানেই সমবেত হবেন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের সদস্যরা। তবে, হাজরা মোড় থেকে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির দূরত্ব এক কিলোমিটারও নয়। তাই এখানে পুলিশ সভার অনুমতি দেবে কি না তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। মঞ্চের নেতা ভাস্কর ঘোষ বলেন, ‘‘হাজরা মোড়ে তো বিভিন্ন সভা হয়। তাই আমরা আমাদের দাবি নিয়ে সভা করব। সেক্ষেত্রে পুলিশ যদি আমাদের সভা করার অনুমতি না দেয়, তাহলে আমরা আদালতের দ্বারস্থ হয়ে অনুমতি এনে সভা করব।’’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share