Tag: DA

DA

  • DA: ডিএ আন্দোলনকারীদের একী বললেন ভাঙড়ের তৃণমূল নেতা কাইজার আহমেদ?

    DA: ডিএ আন্দোলনকারীদের একী বললেন ভাঙড়ের তৃণমূল নেতা কাইজার আহমেদ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ ডিএ (DA) নিয়ে কলকাতায় আন্দোলন করছেন রাজ্য সরকারি কর্মীরা। মুখ্যমন্ত্রী কর্মীদের চাহিদা মতো ডিএ দিতে পারবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছেন। মূলত এই ঘটনা নিয়ে রাজ্য রাজনীতি যখন সরগরম, তখন ডিএ আন্দোলনকারীদের পঞ্চায়েত ভোটের সময় কার্যত দেখে নেওয়ার হুমকি দিলেন ভাঙরের তৃণমূল নেতা কাইজার আহমেদ। ভাঙড় ১ নম্বর ব্লকে বড়ালিতে একটি দলীয় সভার আয়োজন করা হয়। সেখানে দাঁড়িয়ে বিরোধীদের আক্রমণ না করে তাঁর যত ক্ষোভ ডিএ (DA)  আন্দোলনকারীদের উপর গিয়ে পড়ে। তিনি তাঁদের অনশন আন্দোলনকে কটাক্ষ করে  বলেন, যত খায়, পোষায় আর না। এটা কিন্তু দিদির কথা। ওরাই আবার ভোট করাতে আসবে। আমাদের জায়গার লোক অন্য জায়গায় যাবে, আর অন্য জায়গার লোক এখানে আসবে। যারা সব প্রিসাইডিং অফিসার হয়। ওরা সব ওই লোক, যারা ভাতা (DA)  দাও বলে আন্দোলন করছে, ভোট করতে যাব না বলে আন্দোলন করছে। ওরা যখন বুথে আসবে, নিজেদের লোক বলে চাটাচাটি করো না। সব ডিস্টার্ব। ওরা যে ভোট দিয়ে আসবে, সেখানে ডিস্টার্ব। আবার বুথে এসেও ওরা ডিস্টার্ব করবে। এরপরই দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে তাঁর নিদান, ওদের ডিস্টার্ব সারিয়ে দিতে হবে।

    ভোটের সময় ভাঙড়ে তৃণমূল কর্মীরা কী করে জানেন? DA

    ভোটের সময় তৃণমূল কর্মীরা কী করেন সেটাও এদিন দাপুটে তৃণমূল নেতা প্রকাশ্য সভায় বলেছেন। তিনি বলেন, ভাঙড়ের মানুষের কালচার হল আতিথেয়তা। খাবার-ফ্যান-আলোর ব্যবস্থা করে দেয় আমাদের কর্মীরা। আমাদের কর্মীরা আবার রান্নাবান্না করে খাবার নিয়ে যায়। আমি এবার বলে দিয়েছি, অতো বেশি আপ্পায়ন করার দরকার নেই। ওদের ওই মুরগির মাংস খাওয়ানোর চিন্তাভাবনা করিস না। চাপে রাখবি। তাঁর এই বক্তব্য নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে। ডিএ (DA) আন্দোলনকারীরা ভোটের সময় বুথে গিয়ে আক্রান্ত হতে পারেন বলে আশঙ্কা করছেন। আইএসএফ বিধায়ক নওসাদ সিদ্দিকী বলেন, ওরা সবসময়ই প্রভাবিত করার চেষ্টা করে এসেছে তা ওদের বক্তব্যে পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে। তবে, এটা ২০১৮ সাল নয়। এক চেটিয়া ভোট করিয়ে  ওরা বেরিয়ে যাবে, তা হবে না। অন্যদিকে, সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের তরফে ভোট কর্মীদের নিরাপত্তার দাবি জানানো হয়েছে। রাজভবনে ডেপুটেশন দেওয়ার পাশাপাশি রাজ্য নির্বাচন কমিশন ও কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনেও এই দাবি তাঁরা জানিয়েছেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • DA Protesters: রাজভবনে ডিএ সংক্রান্ত বৈঠক আন্দোলনকারীদের, দাবি মেটানোর আশ্বাস রাজ্যপালের

    DA Protesters: রাজভবনে ডিএ সংক্রান্ত বৈঠক আন্দোলনকারীদের, দাবি মেটানোর আশ্বাস রাজ্যপালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডিএ সংক্রান্ত সমস্যা সমাধানের আশায় রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোসের সঙ্গে দেখা করতে রাজভবনে গিয়েছিলেন আন্দোলনকারীদের পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধি দল (DA Protesters)। রবিবার বেলা ১১টা নাগাদ রাজভবনে পৌঁছে গিয়েছিলেন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের পাঁচ সদস্য। রাজভবনে প্রায় ১৫ মিনিট ছিলেন তাঁরা। রাজভবন থেকে বেরিয়ে এসে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে আন্দোলনকারীরা বলেন, “সিভি আনন্দ বোস নিজেও প্রাক্তন সরকারি কর্মচারী। তিনি আমাদের আশ্বস্ত করে জানিয়েছেন যে, আন্দোলনকারীদের ডিএ সংক্রান্ত দাবি যথার্থ।”

    রাজ্যপাল কী বললেন?

    শনিবার ডিএ সংক্রান্ত সমস্যা নিয়ে ট্যুইট করেছিলেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস। তাঁর মত ছিল আলোচনার মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান সম্ভব। ফলে সরকারি কর্মচারীদের (DA Protesters) অনশন তুলে নিতে বলেন এবং এর পাশাপাশি রবিবার বৈঠকের ডাক দেওয়া হয় সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের সরকারি কর্মচারীদের। ডিএ সমস্যা নিয়ে আলোচনা চেয়েছিলেন কর্মীরাও। এর পরেই আজ রাজভবনে তাঁরা পৌঁছে যান ও ১০ থেকে ১৫ মিনিট পর তাঁরা বেরিয়ে আসেন। এরপর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের প্রতিনিধি দল জানান যে, রাজ্যপাল তাঁদেরকে আশ্বাস দিয়েছেন তাঁদের দাবি মেটানোর। এছাড়াও রাজ্যপাল জানিয়েছেন, আন্দোলনকারীদের ডিএ সংক্রান্ত দাবি যথার্থ। সাংবিধানিক পদে থেকে তিনি এই দাবি পূরণের জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করবেন।

    আরও পড়ুন: বালি পাচারের সঙ্গেও যুক্ত শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়! কীভাবে জড়ালেন এই কারবারে?

    আবার ডিএ সংক্রান্ত আলোচনার জন্য মুখ্যমন্ত্রী এবং রাজ্যপালের সঙ্গে ত্রিপাক্ষিক বৈঠক চেয়েছিলেন আন্দোলনকারীরা (DA Protesters)। রাজ্যপাল জানিয়েছেন, সেই বৈঠক আয়োজনেরও চেষ্টা করবেন তিনি। উল্লেখ্য, রাজ্যপালের মধ্যস্থতা চান, তাই আজকে বৈঠকে সামিল হয়েছিলেন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের সরকারি কর্মচারীরা।

    অনশন অব্যাহত

    তবে রাজ্যপালের তরফে আশ্বাস পাওয়া গেলেও এখনই আন্দোলন থেমে যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা (DA Protesters)। সংগ্রামী যৌথ মঞ্চে কর্মচারীদের অনুষ্ঠান তুলে নেওয়ার কথা জানানো হলেও এখনই অনশন বন্ধ করা হচ্ছে না। যতদিন পর্যন্ত তাঁদের দুই দফা দাবি অর্থাৎ বকেয়া মহার্ঘ ভাতা মেটানো এবং স্বচ্ছ নিয়োগ, এই দুটি মেটানো হচ্ছে, ততদিন পর্যন্ত তাঁরা অবস্থান বিক্ষোভ এবং অনশন চালিয়ে যাবেন বলে জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। এছাড়াও রাজ্যপালের আশ্বাসের পর কী পদক্ষেপ করা হয়, তা আগে দেখবেন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের সদস্যেরা। সেই অনুযায়ী আন্দোলন নিয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন তাঁরা।  

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘নির্দ্বিধায় ধর্মঘট করুন, পাশে আছি’, বার্তা শুভেন্দু, সুকান্তর 

    Suvendu Adhikari: ‘নির্দ্বিধায় ধর্মঘট করুন, পাশে আছি’, বার্তা শুভেন্দু, সুকান্তর 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধর্মঘট করুন। আমি পাশে আছি। আপনাদের দায়িত্ব আমি নেব। বৃহস্পতিবার কথাগুলি বললেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির (BJP) শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এদিনই ধর্মঘট রুখতে কড়া নির্দেশিকা দিয়ে ধর্মঘটের দিন সমস্ত সরকারি কর্মীকে অফিসে আসার নির্দেশ দিয়েছে রাজ্যের অর্থ দফতর। তার পরেই বকেয়া ডিএ-র (DA) দাবিতে আন্দোলনকারীদের পাশে থাকার বার্তা দেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, ধর্মঘট করুন। আমি পাশে আছি। আপনাদের দায়িত্ব আমি নেব। আমি আইনজীবী নিয়ে আইনি লড়াই করব।

    শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) উবাচ…

    এদিন হুগলির খানাকুলে শুভেন্দু বলেন, ধর্মঘটীদের বিরুদ্ধে সরকার যদি সরকারি কর্মীদের ব্রেক অফ সার্ভিস, বেতন কাটে, দমনপীড়ন নীতি নিয়ে ট্রান্সফার কিংবা সাসপেন্ড করে আমি বিরোধী দলনেতা হিসেবে সেই সরকারি কর্মীর পাশে থাকব। শুধু পাশে থাকাই নয়, সেই সরকারি কর্মীর পূর্ণ দায়িত্ব আমি নেব। তাঁর আইনি লড়াই, তাঁর মামলা লড়ার জন্য বড় আইনজীবী নিয়োগ এবং আইনি লড়াই করার জন্য যে যে খরচ হবে, তার সম্পূর্ণ ব্যয়ভার আমার। যাঁরা মহার্ঘ ভাতার জন্য নিজেদের অধিকারের জন্য কাল ধর্মঘট করতে যাচ্ছেন, তাঁরা নির্দ্বিধায় ধর্মঘট করুন। পাশে আছি। তিনি (Suvendu Adhikari) বলেন, আপনাদের বিরুদ্ধে কোনও কড়া পদক্ষেপ করার ক্ষমতা নেই এই সরকারের।

    বকেয়া ডিএ-র (DA) দাবিতে ফেব্রুয়ারি মাসে দু দিনের কর্মবিরতি পালন করেছেন আন্দোলনকারী সরকারি কর্মচারিরা। তার পরেও সমস্যার সমাধান হয়নি। তার জেরে ১০ মার্চ রাজ্য জুড়ে ধর্মঘট পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ৩৬টি সরকারি কর্মচারি সংগঠনের যৌথ মঞ্চ। বৃহস্পতিবার অতিরিক্ত মুখ্যসচিবের তরফে জারি করা আরও এক দফা নির্দেশিকায় স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, শুক্রবার কোনওভাবেই পূর্ণ বা অর্ধ দিবস ছুটি নেওয়া যাবে না। ধর্মঘটে শামিল হলে কর্মজীবন থেকে বাদ যাবে একদিন। সেই সঙ্গে করা হবে শোকজও।

    আরও পড়ুুন: ধর্মঘটের দিন উপস্থিতির হার কত, নজর রাখবেন মমতা, পাল্টা হুঁশিয়ারি আন্দোলনকারীদের

    ধর্মঘটীদের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারও (Sukanta Majumdar)। তিনি বলেন, আজ ধর্মঘটে অংশ নিয়ে যদি কোনও সরকারি কর্মীর ব্রেক অফ সার্ভিস হয়, তাহলে বিজেপি ক্ষমতায় আসার সঙ্গে সঙ্গেই সেই সব সরকারি কর্মীর ব্রেক অফ সার্ভিস প্রত্যাহার করে নেবে। সুকান্ত বলেন, ধর্মঘট ঠেকাতে রাজ্য সরকারের অর্থ দফতর যে নির্দেশিকা জারি করেছে, তা নিয়ে কেউ যদি আদালতের দ্বারস্থ হন, সেক্ষেত্রে রাজ্য সরকারের মুখ পুড়বে। কারণ ধর্মঘট করা যে কোনও কর্মীর নৈতিক অধিকারের মধ্যে পড়ে। তিনি বলেন, সরকারি কর্মীদের প্রতি সরকারের এই বঞ্চনায় আমরা আগামিদিনেও আন্দোলনকারীদের পাশে থাকব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • DA: ধর্মঘটীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি নবান্নর, ‘‘সাহস নেই’’! পাল্টা চ্যালেঞ্জ

    DA: ধর্মঘটীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি নবান্নর, ‘‘সাহস নেই’’! পাল্টা চ্যালেঞ্জ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বকেয়া ডিএ-র (DA) দাবিতে আজ, শুক্রবার ধর্মঘটে অনড় ৩৬টি সরকারি কর্মচারি সংগঠনের যৌথ মঞ্চ। আর ধর্মীঘটীদের আন্দোলন রুখতে কড়া নির্দেশিকা জারি করেছে নবান্ন (Nabanna)। বৃহস্পতিবার অর্থ দফতরের তরফে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, নির্দিষ্ট কারণ না দেখিয়ে শুক্রবার কোনও সরকারি কর্মী ছুটি নিতে পারবেন না। স্কুল-কলেজ সহ যাবতীয় সরকারি ও সরকার পোষিত প্রতিষ্ঠান ওই দিন পূর্ণ সময় খোলা থাকবে বলেও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

    ডিএ-র (DA) দাবিতে আন্দোলন…

    নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে অবশ্য কর্মীদের ছাড় দেওয়া হয়েছে। কোনও সরকারি কর্মী যদি হাসপাতালে ভর্তি থাকেন বা কোনও সরকারি কর্মী যদি আগাম ছুটি নিয়ে থাকেন, তবে তাঁর ছুটি মঞ্জুর হবে। ধর্মঘটের দিন বিনা অনুমতিতে কেউ কর্মক্ষেত্রে অনুপস্থিত থাকলে, তাঁর বেতন কাটার পাশাপাশি কর্মজীবনের মেয়াদও একদিন কমবে। প্রতিটি দফতরের বিভাগীয় প্রধানকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, কোনও কর্মী এর পরেও গরহাজির থাকলে তাঁকে শোকজের চিঠি ধরাতে হবে। শোকজের উপযুক্ত উত্তর মিললে তবেই মঞ্জুর হবে ছুটি।

    বকেয়া ডিএ-র (DA) দাবিতে ফেব্রুয়ারি মাসে দু’দিনের কর্মবিরতি পালন করেছেন আন্দোলনকারী সরকারি কর্মচারিরা। তার পরেও সমস্যার সমাধান হয়নি। তার জেরে ১০ মার্চ রাজ্য জুড়ে ধর্মঘট পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ৩৬টি সরকারি কর্মচারি সংগঠনের যৌথ মঞ্চ। রাজ্য সরকারের কড়া নির্দেশিকা উপেক্ষা করে ধর্মঘটে অনড় রয়েছেন আন্দোলনকারীরা। রাজ্য সরকারি কর্মীদের অন্যতম বৃহৎ সংগঠন কো-অর্ডিনেশন কমিটি জানিয়েছে, রাজ্য সরকার যতই কড়া পদক্ষেপ করার হুঁশিয়ারি দিক, ধর্মঘট হবেই। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এই ধর্মঘটকে সমর্থন করেছেন। তবে জরুরি পরিষেবার ক্ষেত্রে সরকারি কর্মীদের ছাড় দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।

    ভয় পাবেন না…

    যদিও রাজ্যের হুঁশিয়ারিতে সরকারি কর্মীদের ভয় না পওয়ার পরামর্শ দিয়েছে বিভিন্ন রাজ্য সরকারি কর্মী সংগঠন। ওই সংগঠনের নেতাদের দাবি, রাজ্য যে নির্দেশিকা জারি করেছে, তা পুরোপুরি বেআইনি। ধর্মঘটে শামিল হলেও, রাজ্য সরকারি কর্মীদের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করতে পারবে না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার।

    আরও পড়ুুন: বকেয়া ডিএ-র দাবিতে আজ ধর্মঘটে সরকারি কর্মীরা, ফের নির্দেশিকা জারি রাজ্যের

    এদিকে, বিভিন্ন সরকারি দফতরে উপস্থিতির হার কত, তার রিপোর্ট সকাল ১১টার মধ্যেই পাঠাতে হবে নবান্নে (DA)। বৃহস্পতিবারই এই মর্মে নির্দেশ পৌঁছে গিয়েছে বিভিন্ন দফতরের সচিবদের কাছে। নবান্ন সূত্রে খবর, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বয়ং এই উপস্থিতির হার দেখতে চান। উপস্থিতির হার পাঠানোর জন্য ইতিমধ্যেই একটি নির্দিষ্ট ফরম্যাট পাঠানো হয়েছে বিভিন্ন দফতরে। প্রশাসনিক মহলের ধারণা, সকাল সাড়ে ১১টার মধ্যেই বিভিন্ন সরকারি দফতরে ধর্মঘটকে উপেক্ষা করে উপস্থিতির হার কত, সে সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • DA: প্রভাব পড়বে জেলায় জেলায়! বকেয়া ডিএ-র দাবিতে আজ ধর্মঘটে সরকারি কর্মীরা

    DA: প্রভাব পড়বে জেলায় জেলায়! বকেয়া ডিএ-র দাবিতে আজ ধর্মঘটে সরকারি কর্মীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বকেয়া ডিএ-র (DA) দাবিতে আজ, শুক্রবার ধর্মঘট পালন করবেন সরকারি কর্মীরা। যার জেরে এদিন স্কুল-কলেজ-অফিস-কাছারিতে কাজকর্ম না হওয়ারই সম্ভাবনা। যদিও ধর্মঘট রুখতে ফের একপ্রস্ত কড়া নির্দেশিকা জারি করেছে রাজ্য সরকার (State Government)। স্বাভাবিকভাবেই ডিএ ইস্যুতে রাজ্য এবং সরকারি কর্মীদের সংঘাত আরও তীব্র হতে চলেছে বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

    ডিএ-র (DA) দাবিতে ধর্মঘট রুখতে কড়া রাজ্য…

    বকেয়া ডিএ-র (DA) দাবিতে ফেব্রুয়ারি মাসে দু দিনের কর্মবিরতি পালন করেছেন আন্দোলনকারী সরকারি কর্মচারিরা। তার পরেও সমস্যার সমাধান হয়নি। তার জেরে ১০ মার্চ রাজ্য জুড়ে ধর্মঘট পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ৩৬টি সরকারি কর্মচারি সংগঠনের যৌথ মঞ্চ। রাজ্য সরকারের কড়া নির্দেশিকা উপেক্ষা করে ধর্মঘটে অনড় রয়েছেন আন্দোলনকারীরা। বৃহস্পতিবার অতিরিক্ত মুখ্যসচিবের তরফে জারি করা আরও এক দফা নির্দেশিকায় স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, শুক্রবার কোনওভাবেই পূর্ণ বা অর্ধ দিবস ছুটি নেওয়া যাবে না। ধর্মঘটে শামিল হলে কর্মজীবন থেকে বাদ যাবে একদিন। সেই সঙ্গে করা হবে শোকজ।  

    এদিকে, শুক্রবারের ধর্মঘট যাতে সফল হয়, সেজন্য বৃহস্পতিবারই রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় পথসভা করেছেন আন্দোলনকারীরা। আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, শুক্রবার প্রস্তাবিত ধর্মঘটের দিন সকাল সাড়ে ন’টা থেকে সব সরকারি কার্যালয়ের সামনে পিকেটিং করবেন তাঁরা। যাঁরা অফিস-কাছারিতে আসবেন, তাঁদের ধর্মঘটে শামিল হওয়ার অনুরোধও জানানো হবে। তবে যাঁরা কাজ করতে আগ্রহী, তাঁদের আটকানো হবে না বলেই জানান রাজ্য কো-অর্ডিনেশন কমিটির জেলা সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য উজ্জ্বল মুখোপাধ্যায়। তিনি বলেন, প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক স্তর থেকে আমরা বিভিন্ন বাধার সম্মুখীন হয়েছি। শুক্রবার যাঁরা কাজে যোগ দেবেন না, তাঁদের সোমবার কার্যালয়ে ঢুকতে দেওয়া হবে না, এমন হুমকিও দেওয়া হয়েছে কোথাও কোথাও। তবে আমাদের সদস্যরা ধর্মঘট সফল করতে বদ্ধপরিকর।  

    আরও পড়ুুন: কুন্তলের থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা নিয়ে গাড়ি কিনেছিলেন বনি! কী বললেন টলি অভিনেতা?

    এবিটিএ-র জেলা সম্পাদক আশিস বিশ্বাস বলেন, তৃণমূলের ছত্রছায়ায় থাকা কিছু শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী ছাড়া সকলেই এই ধর্মঘটে (DA) অংশগ্রহণ করবেন। তবে ছাত্রছাত্রীদের কোনও ক্ষতি হোক, এমনটা আমরা চাই না। তাই শুক্রবারে যে পড়ার ক্ষতি হবে, সেটা কোনও একটি ছুটির দিনে আমরা পড়িয়ে দেব। তিনি বলেন, সরকার নির্দেশিকা জারি করলেও, কখনও মাইনে কাটার বা কর্মদিবস কমিয়ে সমস্যা সৃষ্টি করার সাহস দেখাতে পারেনি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     

     

  • Sukanta Majumdar: ‘অনুব্রত মণ্ডল সুশান্ত ঘোষদের ভাল ছাত্র’, কটাক্ষ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: ‘অনুব্রত মণ্ডল সুশান্ত ঘোষদের ভাল ছাত্র’, কটাক্ষ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal) হল সিপিআইএম (CPM) নেতা সুশান্ত ঘোষদের ভাল ছাত্র। বুধবার নদিয়ার মায়াপুরে ইস্কন মন্দির দর্শনে এসে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে একথা বলেন বিজেপির (BJP) রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। গরু পাচারকাণ্ডে গ্রেফতার হয়েছেন তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। জিজ্ঞাসাবাদ করতে বিস্তর টানাপোড়েনের পর তাঁকে দিল্লি নিয়ে গিয়েছেন ইডি-র আধিকারিকরা। সেই প্রসঙ্গেই সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে বিজেপির অধ্যাপক নেতা বলেন, অনুব্রত মণ্ডল হচ্ছে সিপিআইএম নেতা সুশান্ত ঘোষদের ভাল ছাত্র। সুশান্ত ঘোষরা এক সময় এরকম ফাঁকা আওয়াজ দিত। যেটা এখন অনুব্রত দেয়। সঙ্গে আছে চড়াম চড়াম গুড় বাতাসা।

    সিপিএমকে কটাক্ষ সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar)…

    তিনি বলেন, সিপিএম নেতাদের কাছ থেকে শিক্ষা নিয়েই অনুব্রত বলতো বোম মারব, গুলি মারব। অনুব্রত সিপিআইএমের স্কুল থেকেই পড়া ও পাশ করা। সিপিআইএমের কাছ থেকেই এমন কথার সার্টিফিকেট প্রাপ্ত। বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, অনুব্রত মণ্ডল মুখে কুলুপ এঁটে বসে রয়েছেন। যদি তিনি মুখ খোলেন তাহলে তৃণমূল কংগ্রেসে ভূমিকম্প হবে। ধপাস করে দলটাই পড়ে যাবে। এদিন বামেদেরও নিশানা করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, অনুব্রতর তিহার যাত্রা নিয়ে সিপিএমের গর্ব হওয়া উচিত যে তারা দিল্লি পর্যন্ত পৌঁছাতে পারেনি অথচ তাদের ছাত্র দিল্লি পৌঁছে গেছে। তিহার জেলে তিন ভাই এক সঙ্গে থাকবে। তাদের দেখা হবে। ভারত মেলাও হবে তাদের। বহু দিন তারা আলাদা ছিল, এখন গরু দিয়ে কলা দিয়ে একই সূত্রে বাঁধা হবে।

    আরও পড়ুুন: ‘ক্ষমতায় এলে সরকারি কর্মচারীদের ডিএ মিটিয়ে দেব আমরা’, নদিয়ায় আশ্বাস সুকান্তর

    কেন্দ্রীয় হারে ডিএ-র দাবিতে সরকারি কর্মচারীরা শহিদ মিনারের নীচে যে অনশন, অবস্থান বিক্ষোভ করছেন, সে প্রসঙ্গে এদিন সব চেয়ে বেশি সরব হন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, আমরা ডিএ দিতে পারব বলছি তো। আমাদের পাঁচ-দশ বছর সময় দিলে আমরা কেন্দ্রীয় হারে ডিএ দেব। আমাদের সেই সুযোগ দেওয়া হোক। মুখ্যমন্ত্রীর পদে থেকে ডিএ দিতে পারব না বলে উনি অপদার্থতার নজির সৃষ্টি করেছন। সুকান্ত বলেন, সেই অপদার্থ মুখ্যমন্ত্রী থাকার চেয়ে না থাকাই ভালো।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • DA: বকেয়া ডিএ-র দাবিতে ১০ মার্চ ধর্মঘটে সরকারি কর্মীরা, সেদিনই মাধ্যমিকের উত্তরপত্র বিলি?

    DA: বকেয়া ডিএ-র দাবিতে ১০ মার্চ ধর্মঘটে সরকারি কর্মীরা, সেদিনই মাধ্যমিকের উত্তরপত্র বিলি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বকেয়া ডিএ-র (DA) দাবিতে ফেব্রুয়ারি মাসে দু দিনের কর্মবিরতি পালন করেছেন আন্দোলনকারী সরকারি কর্মচারিরা। তার পরেও সমস্যার সমাধান হয়নি। তার জেরে ১০ মার্চ রাজ্য জুড়ে ধর্মঘট পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ৩৬টি সরকারি কর্মচারি সংগঠনের যৌথ মঞ্চ। প্রস্তাবিত এই ধর্মঘট (Strike) নিয়ে ক্রমেই বাড়ছে উত্তেজনার পারদ।

    ধর্মঘটের দাবিতে অনড়…

    বকেয়া ডিএ-র দাবিতে এক মাসেরও বেশি সময় ধরে শহিদ মিনার চত্বরে আন্দোলন করছেন সরকারি কর্মচারিরা। পৃথা বিশ্বাস নামে এক শিক্ষিকা সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখেন, আমি চাই আগামী ১০ই মার্চ ধর্মঘট করার জন্য সরকার বাহাদুর থুড়ি বাহাদুরানি আমার এক দিনের বেতন কাটুন, চাকরি জীবনের একটি দিন কাটুন। কারণ আমি চাই আমার সার্ভিস বুকে লেখা থাকুক দেশজুড়ে ধর্মীয় বিভাজনকেই রাজনীতির হাতিয়ার বানানোর চক্রান্তের বিরুদ্ধে আমি প্রতিবাদ করেছি, যোগ্যতা রাস্তায় ধর্না দিচ্ছে, আর বুক ফুলিয়ে টাকার বিনিময়ে চাকরি কেনাবেচা চলছে। এই বেনিয়মকে আমি ধিক্কার জানিয়েছি…।

    ধর্মঘট বানচাল করার ছক?

    এদিকে, ১০ মার্চ প্রশাসনিক ধর্মঘটের দিন থেকেই শুরু হচ্ছে উত্তরপত্র বিলি। সেই পরিস্থিতিতে নির্ঝঞ্জাটভাবে উত্তরপত্র বিলি করার জন্য মধ্যশিক্ষা পর্ষদের তরফে একাধিক পদক্ষেপ করা হল। বুধবার পর্ষদের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মাধ্যমিকের ফল প্রকাশ করতে ১০, ১১, ১৩, ১৪ ও ১৯ মার্চ উত্তর পত্র বিলি করা হবে। পড়ুয়া ও সমাজের স্বার্থে মাধ্যমিক পরীক্ষা সংক্রান্ত কাজকর্ম যে জরুরি এবং বাধ্যতামূলক, তা পর্ষদের তরফে স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে।মূল পরীক্ষকদের উদ্দেশে যে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে, তাতে পর্ষদের তরফে জানানো হয়েছে পড়ুয়া ও বৃহত্তর সমাজের স্বার্থে মাধ্যমিক পরীক্ষা সংক্রান্ত যে কোনও কাজ অত্যন্ত জরুরি এবং বাধ্যতামূলক।

    বিধানসভা অভিযানের ডাক…

    এদিকে, এদিনই বিধানসভা অভিযানের ডাক দিয়েছে এসএফআইয়ের পশ্চিমবঙ্গ শাখা। ছাত্র ফেরাও, স্কুল বাঁচাও, ছাত্রভোট ফেরাও, কলেজ বিশ্ববিদ্যায় বাঁচাও এই স্লোগান সামনে রেখে এদিন বিধানসভা অভিযানের ডাক দেওয়া হয়েছে। সংগঠনের তরফে সৃজন ভট্টাচার্য বলেন, ১০ মার্চ বেলা ১২টার সময় শিয়ালদহ ও হাওড়া স্টেশন থেকে দুটি ছাত্র মিছিল রাজ্যের বিধানসভা অভিমুখে যাবে। আমরা রাজ্যের ছাত্র সমাজকে আগামী ১০ মার্চ বিধানসভা অভিযানে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।

    আরও পড়ুুন: ‘ক্ষমতায় এলে সরকারি কর্মচারীদের ডিএ মিটিয়ে দেব আমরা’, নদিয়ায় আশ্বাস সুকান্তর

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: ‘ক্ষমতায় এলে সরকারি কর্মচারীদের ডিএ মিটিয়ে দেব আমরা’, নদিয়ায় আশ্বাস সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: ‘ক্ষমতায় এলে সরকারি কর্মচারীদের ডিএ মিটিয়ে দেব আমরা’, নদিয়ায় আশ্বাস সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চেয়ারটা ছেড়ে দিন, আমরা এসে সরকারি কর্মচারীদের ডিএ (DA) মিটিয়ে দেব। বুধবার নদিয়ায় এসে এ কথা বললেন বিজেপির (BJP) রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। এদিন হোলি উপলক্ষে মায়াপুরে ইস্কন মন্দিরে এসেছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। সেখানেই ডিএ নিয়ে রাজ্য সরকারকে নিশানা করেন বিজেপির অধ্যাপক নেতা। সুকান্ত বলেন, মুণ্ড কাটার প্রয়োজন নেই, চেয়ারটা ছেড়ে দিন, আমরা এসে সরকারি কর্মচারীদের ডিএ মিটিয়ে দেব। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে অপদার্থ বলেও কটাক্ষ করেন তিনি।

    অনুব্রত প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন…

    গরু পাচারকাণ্ডে ধৃত তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল প্রসঙ্গেও তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকারকে একহাত নেন সুকান্ত। তিনি বলেন, অনুব্রত মণ্ডল মুখে কুলুপ এঁটে বসে রয়েছেন। যদি তিনি মুখ খোলেন তাহলে তৃণমূল কংগ্রেসে ভূমিকম্প হবে। ধপাস করে দলটাই পড়ে যাবে। আইএসএফ নেতা তথা ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকির প্রসঙ্গেও রাজ্য সরকারকে নিশানা করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তিনি (Sukanta Majumdar) বলেন, তাঁকে (নওশাদ সিদ্দিকি) পুলিশ দিয়ে আটকে রাখা হয়েছিল। বর্তমানে সেই ভুল বুঝতে পেরে ড্যামেজ কন্ট্রোল করার চেষ্টা করছে তৃণমূল সরকার।

    সম্প্রতি ভাঙড়ের পর নদিয়ার কালীগঞ্জে পুলিশের গাড়ি লক্ষ্য করে বোমাবাজি করে দুষ্কৃতীরা। সে প্রসঙ্গ টেনে সুকান্ত বলেন, এখন দুয়ারে বোমা, দুয়ারে গুলি প্রকল্প চলছে রাজ্যের শাসক দলে। যা তৃণমূলেরই সংস্কৃতি। বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, শাসক দলের হার্মাদ বাহিনী ও নেতানেত্রীরা তৎকালীন রাজ্যের শাসক দল সিপিএম নেতাদের ছাত্র ছিল। তিনি বলেন, সিপিএম নেতাদের কাছ থেকে শিক্ষা নিয়েই অনুব্রত মণ্ডলদের মতো অন্য তৃণমূল নেতারা বোমা মারব, গুলি মার বলে মানুষকে হুমকি দেয়। সিপিএম স্কুল থেকেই পাশ করে আজকের তৃণমূল নেতা তৈরি হয়েছে বলেও কটাক্ষ করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি।

    আরও পড়ুুন: প্রশ্নবাণে চোখ ছলছল! ইডির জেরায় ভেঙে পড়লেন কেষ্ট মণ্ডল

    কেন্দ্রীয় হারে ডিএ-র দাবিতে সরকারি কর্মচারীরা শহিদ মিনারের নীচে যে অনশন, অবস্থান বিক্ষোভ করছেন, সে প্রসঙ্গে এদিন সব চেয়ে বেশি সরব হন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, আমরা ডিএ দিতে পারব বলছি তো। আমাদের পাঁচ-দশ বছর সময় দিলে আমরা কেন্দ্রীয় হারে ডিএ দেব। আমাদের সেই সুযোগ দেওয়া হোক। মুখ্যমন্ত্রীর পদে থেকে ডিএ দিতে পারব না বলে উনি অপদার্থতার নজির সৃষ্টি করেছন। সুকান্ত বলেন, সেই অপদার্থ মুখ্যমন্ত্রী থাকার চেয়ে না থাকাই ভালো।

    লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে শাসকদলকে তোপ সুকান্তর…

    লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রসঙ্গে সুকান্ত বলেন, আপনি লক্ষ্মীর ঝাঁপি খুলে চাকরির ঝাঁপি বন্ধ করে দেবেন, এটা হতে পারে না। আমরা আগেই বলেছি ত্রাণ নয়, পরিত্রাণ চাই। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার কার্যত ত্রাণ দেওয়ায় পরিণত হয়েছে। এই ত্রাণ দীর্ঘমেয়াদী সমাধান নয়। একমাত্র চাকরিই স্থায়ী সমাধান হতে পারে। বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, তৃণমূল কংগ্রেসের নেতারা যখন মানুষের বাড়ি বাড়ি যাবেন তখন মানুষই যেন সেই তাঁদের জিজ্ঞেস করেন যে, তাঁরা ক’টা চাকরির টাকা খেয়েছেন। কারণ এটা সাধারণ মানুষের জানা দরকার, যে নেতা তাঁর বাড়ি গিয়েছেন তিনি কতগুলো চাকরি বিক্রি করতে পেরেছিলেন৷

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
  • TMC Opposed Strike: ডিএ-এর জন্য সরকারি কর্মীদের ধর্মঘট! আন্দোলন ব্যর্থ করতে সক্রিয় তৃণমূল

    TMC Opposed Strike: ডিএ-এর জন্য সরকারি কর্মীদের ধর্মঘট! আন্দোলন ব্যর্থ করতে সক্রিয় তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরকারি কর্মচারীদের ধর্মঘটের দিন অফিসে কারা গরহাজির থাকছে, তা খতিয়ে দেখবে তৃণমূল কংগ্রেস। নজরদারিতেই থামবে না শাসকদলের নেতা কর্মীরা। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে স্কুল, কলেজ, সরকারি দফতর, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সর্বত্র খতিয়ে দেখা হবে। তৃণমূলের নেতা কর্মী এবং জনপ্রতিনিধি বিশেষ করে পঞ্চায়েত প্রধান, পঞ্চায়েত সদস্যদেরকে বলা হয়েছে, ১০ মার্চ যেন সব সরকারি দফতর, স্কুল, কলেজে কর্মচারীদের স্বাভাবিক হাজিরা থাকে তা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।

    ধর্মঘট ব্যর্থ করতে রাস্তায় কর্মীরা

    প্রসঙ্গত বকেয়া ডিএ-দেওয়ার দাবিতে ১০ মার্চ গোটা রাজ্যে সরকারি ক্ষেত্রে কর্মচারীরা ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে। কিন্তু সেই ধর্মঘটকে ভাঙতে যেভাবে শাসকদলের পঞ্চায়েত প্রধান, উপপ্রধান, দলের ব্লক সভাপতি ও দলের কর্মীদেরকে রাস্তায় নামতে বলা হচ্ছে তা নজির বিহীন। সরকারি দফতরে গিয়ে ধর্মঘটের বিরুদ্ধে প্রচার করতে বলা হচ্ছে। রাজনৈতিক মহলের বক্তব্য, ধর্মঘটের দিন তৃণমূল কংগ্রেসের বাহিনীকে নামিয়েই ধর্মঘট ভাঙার চেষ্টা করা হবে। ধর্মঘটের আগের দিন যেভাবে নির্দেশ দিয়ে স্কুল কলেজে গিয়ে ধর্মঘটের দিন আসার অনুরোধ করা হচ্ছে তার লক্ষ্য একটাই সরকারি কর্মচারী শিক্ষকদের মধ্যে ভয় ও ভীতির পরিবেশ তৈরি করে দেওয়া।

    আরও পড়ুন: ভাবাদিঘিকে বাঁচাতে একজোট গ্রামবাসীরা, থমকে তারকেশ্বর-বিষ্ণুপুর রেলপথ সংযোগের কাজ

    হুগলি জেলা গোঘাট ১নং ব্লকের তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি বিজয় রায়ের দলের নেতা কর্মীদের উদ্দেশে একটি হোয়াটসঅ্যাপ নির্দেশিকা সামনে এসেছে। তাতেই পরিষ্কার হয়েছে ধর্মঘটীদের উদ্দেশে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রচ্ছন্ন হুমকির বার্তা। গোঘাট এক নম্বর ব্লকের সাতটি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার তৃণমূল কংগ্রেসের প্রধান, উপপ্রধান এবং নির্বাচিত প্রতিনিধিদের বলা হয়েছে স্কুলে গিয়ে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের “অনুরোধ” করে আসতে যাতে ধর্মঘটের দিন তাঁরা স্কুলে আসেন। তৃণমূল কংগ্রেসের নেতাকর্মীরা স্কুলে যাবেন গিয়ে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের কাছে অনুরোধ করবেন এটা কার্যত হাস্যকর। এক ধর্মঘটী সংগঠনের নেতার অভিযোগ, ধর্মঘটের আগের দিন স্কুলে এসে তৃণমূলের লোকেরা আসলে হুমকি দিয়ে যাবে। কিন্তু এবার কোনও হুমকির মুখেই মাথা নত করবে না শিক্ষক শিক্ষিকারা। কর্মচারীদের বকেয়া ন্যায্য, তা দিতে হবে।

    যদিও ধর্মঘটপন্থী শিক্ষক ও কর্মী সংগঠনগুলির দাবি, সরকার ও শাসকদলের ‘রক্তচক্ষু’ অগ্রাহ্য করেই সর্বস্তরের কর্মীরা ১০ মার্চের ধর্মঘট সফল করবেন। ধর্মঘটে যোগ দেওয়া কারও বিরুদ্ধে সরকার শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিলে সংশ্লিষ্ট কর্মীকে সব রকমের আইনি সহায়তারও প্রতিশ্রুতি দিয়েছে তারা। ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে যে তিনটি সংগঠন— সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ, কো-অর্ডিনেশন কমিটির নেতৃত্বে যৌথ মঞ্চ এবং বিজেপি সমর্থিত রাজ্য সরকারি কর্মচারী পরিষদ— তারা সবাই জানিয়েছে, সে দিন কাজে না আসার দায়ে কোনও কর্মীর বিরুদ্ধে সরকার শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিলে সব রকমের আইনি সহায়তা দেওয়া হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • DA Protest: প্রাপ্য ডিএ দিতেই হবে! ধর্নামঞ্চে গিয়ে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের পাশে থাকার বার্তা শুভেন্দুর

    DA Protest: প্রাপ্য ডিএ দিতেই হবে! ধর্নামঞ্চে গিয়ে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের পাশে থাকার বার্তা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া মহার্ঘ্যভাতা ফেরানোর আন্দোলন আরও জোরদার হল। সরকারি কর্মচারীদের প্রাপ্য মহার্ঘ ভাতা বা ডিএ দিতেই হবে। সোমবার বিধানসভা থেকে বেরিয়ে ধর্মতলায় অনশনরত কর্মচারীদের ‘সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ’-এ গিয়ে এমনই মন্তব্য করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এদিনই আন্দোলনকারীদের সমর্থন জানাতে ধর্মতলার ধর্নামঞ্চে হাজির হলেন আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকিও। 

    ডিএ- নিয়ে শুভেন্দুর বার্তা

    সোমবার বিধানসভা অধিবেশন থেকে বেরিয়ে শুভেন্দু-সহ বিজেপি বিধায়করা হেঁটেই চলে যান ধর্মতলার শহিদ মিনারের কাছে অনশন মঞ্চে। সেখানে আন্দোলনরত কর্মচারীদের উদ্দেশে শুভেন্দু বলেন, ‘‘অনেকের মতো আমরাও আপনাদের পাশে আছি। হাই কোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ, ডিভিশন বেঞ্চে আপনারা মামলা জিতেছেন। আজ না হোক, কাল প্রাপ্য ডিএ দিতে হবে। শর্ত ছাড়া আমরা আপনাদের পাশেই রয়েছি।’’শুভেন্দু এ-ও বলেন, ‘‘আমরা রাজ্য বিধানসভায় প্রধান বিরোধী দল। আন্দোলনকারীদের ন্যায্য অধিকারের লড়াই জয়যুক্ত হোক। সেটাই চাই। আমাদের নৈতিক সমর্থন ওঁদের সঙ্গে থাকবে।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘আমাদের কর্মচারি এবং শিক্ষক সংগঠনও এঁদের সঙ্গে যুক্ত আছেন। রাজনীতির বাইরে থেকে এই আন্দোলনকে আমরা সমর্থন জানাচ্ছি।’’

    আরও পড়ুন: রাজ্যের মুখ্যসচিবের বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় ভিজিল্যান্স কমিশনে অভিযোগ শুভেন্দুর, কেন জানেন?

    ডিএ আন্দোলন ছড়ানোর কথা নওশাদের মুখে

    কেন্দ্রীয় হারে ডিএ দেওয়ার দাবি জানিয়ে শহিদ মিনার চত্বরে আন্দোলন করছেন রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা। ৩৯ দিনে পড়েছে ধর্মতলায় সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের অনশন। এদিন ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকিও গেলেন সেখানে।  আন্দোলনকারীদের সঙ্গে বেশ কিছু ক্ষণ কথা বলেন তিনি। জানান, এই আন্দোলন কলকাতা থেকে ছড়িয়ে দিতে হবে বাংলার গ্রামাঞ্চলেও। তাঁর কথায়, ‘‘ওঁরা শিক্ষিত এবং প্রতিষ্ঠিত। ওঁদের পরামর্শ দেওয়ার মতো কিছুই নেই। তবে বলব, নিজেদের দাবি বুঝে নিতে হবে। সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ভাবে এবং গণতান্ত্রিক ভাবে আন্দোলন করুন।’’নওশাদ আরও বলেন, ‘‘এখন শুধু কলকাতায় এই আন্দোলন চলছে। আগামিদিনে বাংলার গ্রামাঞ্চলেও এই আন্দোলন ছড়িয়ে দিতে হবে। বৃহত্তর আন্দোলন করতে হবে। তবে সেটা কোন উপায়ে হবে, সেটা আমার থেকে ভাল মাস্টারমশাইরা জানেন। আন্দোলনরত সরকারী কর্মচারীরা ভালই জানবেন।’’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share