Tag: dacoits

dacoits

  • Dacoits: মহাসপ্তমীর দিন কল্যাণীতে ভয়াবহ ডাকাতি, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

    Dacoits: মহাসপ্তমীর দিন কল্যাণীতে ভয়াবহ ডাকাতি, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিনের বেলায় প্রকাশ্যে নদিয়ার রানাঘাটে সোনার দোকানে ভয়াবহ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছিল। পুলিশের সঙ্গে ডাকাতদলের (Dacoits)  গুলিবৃষ্টি দেখেছিল রাজ্যবাসী। একইসঙ্গে পুরুলিয়া শহরে সোনার দোকানে কোটি টাকা লুট করেছিল দুষ্কৃতীরা। এরপরে খড়্গপুরে সোনার দোকানে ভয়াবহ ডাকাতির ঘটনা ঘটে। সেই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই মহাসপ্তমীর দিন ভয়াবহ ডাকাতির ঘটনা ঘটল কল্যাণী পুরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাঁঠালতলা বাজারে। কল্যাণীর সোনার দোকানে নিরাপত্তারক্ষীর মাথায় আগ্নেয়াস্ত্র ঠেকিয়ে, দড়ি দিয়ে বেঁধে  দুষ্কৃতীরা নগদ সাড়ে তিন লক্ষ টাকা, সোনা, রুপোর গয়না লুট করে পালায়। উৎসবের মরশুমে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে কল্যাণীবাসী। দোকানের মালিক থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। শনিবার রাত পর্যন্ত এই ঘটনায় কেউ গ্রেফতার হয়নি।  পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগ হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Dacoits)  

    শনিবার ভোর সাড়ে চারটে নাগাদ বেশ কয়েকজন প্রবীণ ব্যক্তি হাঁটতে বের হন। তাঁরা শুনতে পান নিরাপত্তারক্ষীরা চিৎকার করছেন। কল্যাণীর কাঁঠালতলা বাজারে একটি সোনার দোকান থেকে চিৎকার শুনে এগিয়ে যান। তাঁদের বাঁধনমুক্ত করা হয়। নিরাপত্তরক্ষীরা পুলিশকে বলেন, আনুমানিক ভোর রাত তিনটে নাগাদ আটজন দুষ্কৃতী (Dacoits) ওই গয়নার দোকানে আসে। মাথায় আগ্নেয়াস্ত্র ঠেকিয়ে আমাদের দড়ি দিয়ে বেঁধে ফেলা হয়। তারপর চলে দেদার লুটপাট। নগদ সাড়ে তিন লক্ষ টাকা এবং সোনা ও রুপোর গয়না লুটপাট করে দুষ্কৃতীরা। তারপর চলে যায় তারা। দুষ্কৃতীদের মুখ মুখোশে ঢাকা ছিল। তারা সকলেই হিন্দিভাষী। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন দোকানের মালিক-সহ বাজারের অন্যান্য ব্যবসায়ী এবং স্থানীয়রা। কান্নায় ভেঙে পড়েন দোকান মালিক দীনবন্ধু দেবনাথ। খবর দেওয়া হয় কল্যাণী থানায়। শুরু হয় তদন্ত।

    সোনার দোকানের মালিকের কী বক্তব্য?

    সোনার দোকানের মালিক দীনবন্ধু দেবনাথ বলেন,আমার দোকানের লকারে রাখা ছিল নগদ সাড়ে তিন লক্ষ টাকা। লক্ষাধিক টাকার রুপো ও সোনার গয়নাও ছিল। ওই ডাকাতদল শাটার, লকার এবং শোকেস ভেঙে সব লুট করেছে। লণ্ডভণ্ড করা হয় গোটা দোকান। এই ঘটনায় আতঙ্কিত ওই বাজারের অন্যান্য ব্যবসায়ীরা। আমাদের দাবি, অবিলম্বে দুষ্কৃতীদের (Dacoits) গ্রেফতারের দাবি জানাচ্ছি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dacoits: দিনে দুপুরে খড়্গপুরে সোনার দোকানে ডাকাতির চেষ্টা, গুলিবিদ্ধ দোকানের মালিক, আতঙ্ক

    Dacoits: দিনে দুপুরে খড়্গপুরে সোনার দোকানে ডাকাতির চেষ্টা, গুলিবিদ্ধ দোকানের মালিক, আতঙ্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নদিয়ার রানাঘাট, পুরুলিয়ার সোনার দোকানে দিনেদুপুরে ভয়াবহ ডাকাতির (Dacoits) ঘটনার স্মৃতি এখনও টাটকা। একইসঙ্গে দুটি সোনার দোকানে ডাকাতি করে কয়েক কোটি টাকা লুট  করেছিল দুষ্কৃতীরা। সেই ঘটনার জের মিটতে না মিটতে এবার পশ্চিম মেদিনীপুরের খড়্গপুর শহরের গোলবাজার এলাকায় একটি সোনার গয়নার দোকানে ডাকাতির চেষ্টা করল দুষ্কৃতীরা। শুক্রবার দিনেদুপুরে সোনার দোকানে হানা দেয় দুষ্কৃতীরা। ডাকাতিতে বাধা পেয়ে গুলিও চালায় দুষ্কৃতীরা। গুলির আঘাতে আশিসকুমার দত্ত নামে সোনার দোকানের মালিক গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। জখম হয়েছেন দোকানের এক কর্মীও। আশঙ্কাজনক অবস্থায় দোকানের মালিককে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করানো হয়েছে। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক তৈরি হয়।

    ঠিক কী ঘটেছে? (Dacoits)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোনার দোকানের মালিক আশিসবাবুর বাড়ি মেদিনীপুর শহরে। খড়গপুরে তাঁর সোনার দোকান রয়েছে। প্রতিদিন তিনি এসে দোকান খোলেন। এদিনও তাঁর সঙ্গে ছেলে ছিল। অভিযোগ, দোকান খোলার সময় আচমকা চার-পাঁচ জন আশিসকে ঘিরে ধরে। তাঁর দোকানে ঢোকার চেষ্টা হয়। বাধা দিলে একজন আশিসকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি চালায়। গুলিটি লাগে আশিসের পেট এবং বুকের মাঝখানে। সেখানেই লুটিয়ে পড়েন তিনি।  ডাকাতিতে (Dacoits) বাধা দেওয়ায় দোকানের এক কর্মীর উপরও চড়াও হয় ডাকাতদল। অস্ত্র দিয়ে তাঁর হাতে কোপ দেওয়া হয়। চিৎকার চেঁচামেচি শুনে আশপাশের দোকানিরা ছুটে এলে ওই চার-পাঁচ জনের দলটি চম্পট দেয়। এই ঘটনায় পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশান উঠতে শুরু করে।

    কী বললেন জেলা পুলিশ সুপার? (Dacoits)

    খড়্গপুর শহরের গোলবাজারে গয়নার দোকানে ডাকাতির (Dacoits) চেষ্টার ঘটনায় গ্রেফতার করা হল ডাকাত দলের সদস্যদের। ভিনরাজ্যে পালানোর সময় ড্রোন উড়িয়ে ওই ডাকাতদলকে পাকড়াও করা হয়। রানাঘাট এবং পুরুলিয়ায় ডাকাতির মতো এই ডাকাতির চেষ্টার পিছনেও বিহার-যোগ পাচ্ছেন তদন্তকারীরা। ধৃতদের বাড়ি বিহারের  বৈশালী এলাকায়। পশ্চিম মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার ধৃতিমান সরকার বলেন, এখনও পর্যন্ত আমরা পাঁচ জনকে গ্রেফতার করেছি। ধৃতদের কাছ থেকে আগ্নেয়াস্ত্রও উদ্ধার হয়েছে। এই ঘটনায় আর কেউ জড়িত রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: ডাকাতি মামলায় গ্রেফতার হরিণঘাটার তৃণমূল কর্মী, নদিয়া জেলা জুড়ে চাঞ্চল্য

    Nadia: ডাকাতি মামলায় গ্রেফতার হরিণঘাটার তৃণমূল কর্মী, নদিয়া জেলা জুড়ে চাঞ্চল্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে উঠেছিল তৃণমূলের এক নেতার বিরুদ্ধে। যদিও ঘটনার পর থেকে উধাও অভিযুক্ত নেতা। দক্ষিণ ২৪ পরগনার এই ঘটনার জের কাটতে না কাটতে এবার ডাকাতি করার জন্য জমায়েত হওয়ার অভিযোগে দু’জনকে গ্রেফতার করল নদিয়ার (Nadia) রানাঘাট থানার পুলিশ। ধৃতদের নাম জাকির হোসেন মণ্ডল ও শ্যামল রায়। তাদের বাড়ি হরিণঘাটা থানা এলাকায়। এই জাকির তৃণমূল কর্মী হিসেবে পরিচিত। পাশাপাশি সে হরিণঘাটার কাষ্ঠডাঙা-২ পঞ্চায়েতের তৃণমূল সদস্য আনোয়ার হোসেন মণ্ডলের ছেলে। সে এখন পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

    ধৃত তৃণমূল কর্মীর বিরুদ্ধে ঠিক কী অভিযোগ? (Nadia)  

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৫ সেপ্টেম্বর পাটুলিতে ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে জাকির সহ দু’জন ডাকাতির উদ্দেশ্যে এসেছিল। তখনই পুলিশ তাদের ধরে ফেলে। পুলিশের দাবি, তাদের কাছ থেকে লাল রঙের একটি গাড়ি ও একটি দেশি আগ্নেয়াস্ত্র, দু’টি কার্তুজ ও ধারালো অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। জাকির আগেও মাদক আইনে গ্রেফতার হয়েছিল। তার বিরুদ্ধে নদিয়ার (Nadia) হরিণঘাটা থানা এলাকায় হিংসা, অশান্তি, সংগঠিত অপরাধের মামলাও রয়েছে। হরিণঘাটা তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে, কাষ্ঠডাঙা-২ পঞ্চায়েতে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েও গত ১১ অগাস্ট প্রধান নির্বাচন নিয়ে অস্বস্তিতে পড়েছিল দল। প্রধান পদের জন্য দলের বাছাই ছিলেন শুভদীপ সাহা। কিন্তু, সদস্যদের একাংশ চিন্ময় দাস নামে আর এক জনের নাম প্রস্তাব করেন। ভোটাভুটিতে দলের শুভদীপকে হারিয়ে প্রধান হন চিন্ময়। বিজেপি সদস্যরা ভোটে যোগ দেননি। তখনই তৃণমূলের একাংশ অভিযোগ তুলেছিল, প্রধান নির্বাচনের আগের রাতে দলের কয়েকজন নির্বাচিত সদস্যকে অপহরণ করে আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে ভয় দেখানো হয়। যদিও কোনও লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়নি। সূত্রের খবর, এই অপহরণের পিছনে ছিল জাকির।

    ধৃত তৃণমূল কর্মীর বাবা কী সাফাই দিলেন?

    জাকিরের বাবা আনোয়ার হোসেন বলেন, ডাকাতির উদ্দেশ্যে ছেলে জড়ো হয়নি। মিথ্যা অভিযোগ। আসলে নদিয়ার (Nadia) আড়ংঘাটায় দলের মিটিং ছিল, জাকির সেখানে গিয়েছিল। তারপর রাতে আকাইপুরে শ্বশুরবাড়িতে খেয়ে ফিরছিল। আর ছেলের বিরুদ্ধে অপহরণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দল এক জনকে প্রধান করতে চেয়েছিল। কিন্তু, আমরা একটা ভাল ছেলেকে প্রধান করার জন্য তাঁর বিরুদ্ধে গিয়েছিলাম। ছেলে কাউকে অপহরণ করেনি।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?  

    ডাকাতির মামলায় দলীয় কর্মী গ্রেফতার হওয়ায় চরম বিড়ম্বনায় পড়েছে দল। হরিণঘাটা জুড়ে এই বিষয় নিয়ে চর্চা চলছে। এই ঘটনায় শাসক দল বেশ কিছুটা ব্যাকফুটে রয়েছে। এই প্রসঙ্গে হরিণঘাটা ব্লক তৃণমূলের সভাপতি নারায়ণচন্দ্র দাস ‘দলের অভ্যন্তরীণ বিষয়’ বলে মন্তব্য করে আর কোনও কথা বলতে চাননি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dacoits: সমবায় ব্যাঙ্কে ফিল্মি কায়দায় ডাকাতি, বন্দুক দেখিয়ে সর্বস্ব লুট, নিয়ে গেল হার্ডডিস্কও

    Dacoits: সমবায় ব্যাঙ্কে ফিল্মি কায়দায় ডাকাতি, বন্দুক দেখিয়ে সর্বস্ব লুট, নিয়ে গেল হার্ডডিস্কও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিনের বেলায় প্রকাশ্যে ফিল্মি কায়দায় একটি সমবায় ব্যাঙ্কে ভয়াবহ ডাকাতির (Dacoits) ঘটনায় ব্যাপক আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। বুধবার দুপুরে ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব মেদিনীপুরের হলদিয়ার কলালপুর কৃষি সমবায় সমিতিতে। দুষ্কৃতীরা সমবায় ব্যাঙ্কে হানা ১২ লক্ষ টাকা লুট করে পালিয়েছে। খবর পেয়ে সুতাহাটা থানার পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। দিন কয়েক আগে পুরুলিয়া ও রানাঘাটে সেনকো গোল্ডের শোরুমে ব্যাপক লুঠপাট চালায় দুষ্কৃতীরা। রানাঘাটে পুলিশের সঙ্গে গুলির লড়াইও হয় ডাকাত দলের সদস্যদের। দুটি ডাকাতির ঘটনায় কয়েক কোটি টাকা লুট করে দুষ্কৃতীরা। এই ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Dacoits)

    এদিন দুপুরে সমবায়ে একজন হেলমেট পড়ে ঢোকেন। ক্যাশিয়ার ওই ব্যক্তিকে হেলমেট খুলতে বলেন। সঙ্গে সঙ্গে ওই ব্যক্তি বন্দুক বের করে। তার সঙ্গে আসা দুষ্কৃতীরাও সমবায়ের মধ্যে ঢুকে পড়ে। দুষ্কৃতীরা (Dacoits) সিসিটিভির হার্ডডিস্ক চায়। একইসঙ্গে লকারের চাবিও চায় তারা। সমবায় ব্যাঙ্কের কর্মীরা প্রথমে চাবি দিতে অস্বীকার করেন। কিন্তু সেই সময় দুষ্কৃতীরা গুলি চালানোর হুঁশিয়ারি দেয়। তারপর ক্যাশিয়ারকে নিয়ে গিয়ে তারা লকার খোলায়। লকার খোলানোর পর চলে লুটপাট। ছিঁড়ে দেওয়া সিসিটিভির সমস্ত তারও। কয়েকজনের ফোন ভেঙে দেওয়া হয়। আর কয়েকজনের ফোন নিয়ে চম্পট দেয় দুষ্কৃতীরা। যাওয়ার আগে সমবায়ের একটি শৌচাগারে সবাইকে বন্দি করে দেয় ডাকাতরা। হার্ডডিস্ক নিয়ে চলে যায় দুষ্কৃতীরা।

    সমবায় সমিতির ম্যানেজার কী বললেন?

    ঘটনায় ইতিমধ্যেই এক ব্যক্তিকে সন্দেহের তালিকায় রেখেছে সমবায় সমিতি কর্তৃপক্ষ। এই প্রসঙ্গে সমবায় সমিতির ম্যানেজার অপূর্ব দাস  বলেন, এক ব্যক্তি ঘটনার আধ ঘণ্টা আগে এল। এসে বলল ১৪ বছরের বাচ্চার অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। ডকুমেন্টগুলো কর্মীরা বলে দিলেন। সে বলল তার একটি ডকুমেন্ট নেই। আমি শুনলাম। আমি কথাও বললাম। তারপর সে চলে গেল। সেই ঘটনার আধ ঘণ্টা পর দুষ্কৃতীরা (Dacoits) ঢোকে। ২ জনের হাতে অগ্নেয়াস্ত্র ছিল। একজনের হাতে ভোজালি ছিল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dacoits: জেলে বসেই পুরুলিয়ার সোনার দোকানে ডাকাতির ছক, এখনও অধরা মূল অভিযুক্ত

    Dacoits: জেলে বসেই পুরুলিয়ার সোনার দোকানে ডাকাতির ছক, এখনও অধরা মূল অভিযুক্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিনের বেলায় প্রকাশ্যে পুরুলিয়া শহরে নামোপাড়ায় সেনকো গোল্ডের শোরুমে ভয়াবহ ডাকাতির (Dacoits) ঘটনা ঘটে। দুষ্কৃতীরা দোকানে ঢুকে ৮ কোটি টাকার সোনা হাতিয়ে চম্পট দিয়েছিল। সেই ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ ইতিমধ্যেই দু’জনকে গ্রেফতার করেছে। ধৃতেরা হলেন করণজিৎ সিংহ সিধু এবং বিকাশ কুমার। পুলিশ সূত্রে খবর, প্রাথমিক তদন্তে উঠে আসা তথ্য এবং ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে মূল অভিযুক্তেরও খোঁজ মিলেছে। তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, তিনি বর্তমানে ভিন্নরাজ্যের একটি জেলে রয়েছেন। সেখানে বসেই ডাকাতির গোটা পরিকল্পনা করা হয়েছিল।

    পুরুলিয়া এবং রানাঘাটে ডাকাতিকাণ্ডে (Dacoits) কী কোনও যোগসূত্র রয়েছে?

    পুরুলিয়ায় ডাকাতিকাণ্ডে (Dacoits) ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, এই চক্রে তিনটি দল রয়েছে। একটি দল দেখে, কোথায় ডাকাতি করা হবে। অর্থাৎ, দোকানের খোঁজ দেওয়া। তারাই রেইকি করে। দ্বিতীয় দলের কাজ মোবাইল-সহ অন্যান্য প্রযুক্তি সাহায্য প্রদান করা। আর তৃতীয় দল সরাসরি দোকান লুটের সঙ্গে জড়িত থাকে। পুরুলিয়ার সঙ্গে রানাঘাটের ডাকাতির ঘটনার যোগসূত্রেরও হদিশ মিলেছে বলে খবর পুলিশ সূত্রে। তদন্তকারীদের সূত্রে জানা গিয়েছে, রানাঘাট শহরের মিশন রোডের পাশে থাকা গয়নার দোকানে ডাকাতির ঘটনায় ওই দিনই পাঁচ দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাঁদের মধ্যে এক জন হলেন কুন্দন সিং। এ রাজ্যে একাধিক অপরাধের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। অভিযোগ, কুন্দনই ব্যবসায়ী রাজু ঝা খুনের মূল চক্রী। পুলিশ সূত্রে খবর, গাঁজা এবং হেরোইনে আসক্ত কুন্দন মূলত নেশার টাকা জোগাড় করতেই ‘শুটার’ হন। এর মধ্যে মধ্যপ্রদেশের একটি খুনের ঘটনাতেও তার নাম উঠে এসেছিল। রানাঘাট পুলিশ সূত্রে খবর মিলেছে, পুরুলিয়াকাণ্ডে জেলবন্দি মূল অভিযুক্তের সঙ্গে এই কুন্দনের যোগাযোগ ছিল।

    পুরুলিয়ার ডাকাতিকাণ্ডে (Dacoits) ঝাড়খণ্ড-যোগ!

    গত ২৯ অগাস্ট, মঙ্গলবার পুরুলিয়ায় যখন সেনকো গোল্ড শোরুমে ডাকাতির ঘটনাটি ঘটে, ওই সময় নদিয়ার রানাঘাটে ওই একই সংস্থার স্বর্ণবিপণিতেও ডাকাতি হয়েছে। পুরুলিয়ার ঘটনায় ঝাড়খণ্ড-যোগ প্রকট হতে থাকে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নামোপাড়া সংলগ্ন বিভিন্ন রাস্তার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে তদন্তকারীরা নিশ্চিত হয়েছিলেন, দুষ্কৃতীরা ঝাড়খণ্ডের দিকেই গিয়েছে। জেলা পুলিশের একটি দল ঝাড়খণ্ডে যায়। সেখান থেকেই গ্রেফতার হয় করণজিৎ। তার বাড়ি ওই রাজ্যের পাথরডি থানার চাসনালায়। আর বিকাশকে গ্রেফতার করা হন নয়ডা থেকে। শনিবার ধৃতদের পুরুলিয়া আদালতে তোলা হলে বিচারক ১৪ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।

    কী বললেন জেলা পুলিশ সুপার?

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ডাকাতির ঘটনার দিন দুয়েক আগে নামোপাড়ার সেনকো গোল্ড শোরুমে এসে গয়না বেছে অগ্রিম দিয়ে গিয়েছিল দুষ্কৃতীরা। তাই, লুট করতে তারা যখন দোকানে ঢোকে, প্রথম দুই দুষ্কৃতীকে দোকানের কর্মীরা সন্দেহের চোখেই দেখেননি। আর সেই সুযোগেই মিনিট কুড়ি-বাইশের মধ্যে লুটপাট সেরে কার্যত বিনা বাধায় চম্পট দেয় অপরাধীরা। শহরের বিভিন্ন রাস্তার সিসিটিভি ফুটেজ থেকে দুষ্কৃতীদের চিহ্নিত করা হয়েছে। ফুটেজে দেখা গিয়েছে, পালানোর সময় একটি বাইকে তিন জন যাচ্ছিল। তাদের সঙ্গে বড় ব্যাগ ছিল। শনিবার সাংবাদিক বৈঠকে জেলা পুলিশ সুপার অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ডাকাতির (Dacoits) ঘটনার সঙ্গে সরাসরি সাত জন যুক্ত ছিল। তাদের মধ্যেই দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আরও পাঁচ জনের খোঁজ চলছে। ডাকাতির ঘটনায় মূল অভিযুক্তের খোঁজ মিলেছে। সে বর্তমানে ভিন্নরাজ্যের জেলে রয়েছে। সেখানে বসেই ডাকাতির ছক কষেছে সে।

     

     দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dacoits: রাজু ঝা খুনে মূল অভিযুক্ত কুন্দনই রানাঘাট ডাকাতিকাণ্ডে ধৃত

    Dacoits: রাজু ঝা খুনে মূল অভিযুক্ত কুন্দনই রানাঘাট ডাকাতিকাণ্ডে ধৃত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নদিয়ার রানাঘাটে সেনকো গোল্ডের শোরুমে ডাকাতির (Dacoits) ঘটনায় অভিযুক্ত কুন্দন কুমার যাদব পূর্ব বর্ধমানের শক্তিগড়ের রাজু ঝা খুনের মূল অভিযুক্ত! পুলিশের কাছে উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। নতুন তথ্য সামনে আসতেই রানাঘাটে এসে পৌঁছায় আসানসোল দুর্গাপুরের পুলিশ কমিশনারেটের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা।

    ডাকাতির (Dacoits) পর পুলিশকে লক্ষ্য করে প্রথম গুলি চালিয়েছি কুন্দন!

    রানাঘাটে একটি সোনার দোকানে ডাকাতির (Dacoits) ঘটনায় এখনও পর্যন্ত গ্রেফতার হয় মোট পাঁচজন। তাদের নাম, মণিকান্ত কুমার যাদব, ছোটকুমার পাসোয়ান, কুন্দন কুমার যাদব, রাজকুমার পাসোয়ান এবং রিককি পাসোয়ান নামে পাঁচ অভিযুক্ত গ্রেফতার হয়েছে। তাদের মধ্যে মণিকান্ত কুমার যাদব এবং ছোটকুমার পাসোয়ানের পায়ে গুলি লাগে। এই পাঁচজনের মধ্যে নাম রয়েছে কুন্দন কুমার যাদবের। গত এপ্রিল মাসের প্রথম দিনেই রাত আটটা নাগাদ শক্তিগড়ে জাতীয় সড়কের ধারে একটি ল্যাংচার দোকানের সামনে খুন হয়েছিলেন ব্যবসায়ী রাজু ঝা। এছাড়া গাড়িতে তাঁর কয়েকজন ব্যবসায়ী সঙ্গী ছিলেন। রাজু ঝার গাড়ি যখন দাঁড়িয়েছিল, তখন আচমকা অন্য একটি গাড়ি থেকে দুষ্কৃতীরা হঠাৎ করে নেমে এসে রাজু ঝার গাড়ি লক্ষ্য করে আচমকা গুলি চালাতে থাকে। এলোপাথাড়ি গুলি লেগে ঘটনাস্থলে মৃত্যু হয় ব্যবসায়ী রাজু ঝার। সেই খুনে প্রধান অভিযুক্ত হিসেবে পুলিশের কাছে নাম উঠে আসে এই কুন্দন কুমার যাদবের। তদন্ত নেমে পুলিশ আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য পায়। এই কুন্দন কুমার শুধুমাত্র এই রাজ্যে নয় বিহারস ওড়িশা, মধ্যপ্রদেশ, ছত্রিশগড় সহ বিভিন্ন রাজ্যে খুন করার সুপারি নিত। ব্যবসায়ী রাজু ঝা খুনের পর কুন্দন কুমার যাদব পলাতক ছিলেন। দিন কয়েক আগে রানাঘাটের সোনার দোকানের ডাকাতির ঘটনায় পুলিশের হাতে ধরা পড়ে সে। জানা গিয়েছে, কুন্দন সব সুপারি নেয়। এই ক্ষেত্রে সে সুপারি নিয়েছিল। সেই টিমকে পরিচালনা করেছিল। সেনকো গোল্ডে লুট করার পর পুলিশের সামনে পড়তেই  অন্যান্যরা হতবাক হয়ে পড়েছিল। এই কুন্দনই তখন পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এরপরই বাকিরাও একের পর এক পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। তাকে জিজ্ঞাসা করার পর প্রশাসন তদন্ত নেমে রাজু ঝা খুনের মূল অভিযুক্তকে শনাক্ত করে পুলিশ। বর্তমানে এই পাঁচ অভিযুক্ত পুলিশি হেফাজতে রয়েছে। রানাঘাট মহাকুমা আদালত ৫ অভিযুক্তকে ১৪ দিনের পুলিশি হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dacoits: রাজ্যের দুই জেলায় একই সময়ে সোনার দোকানে ভয়াবহ ডাকাতি, পুলিশ-দুষ্কৃতী খণ্ডযুদ্ধ, চলল গুলিও

    Dacoits: রাজ্যের দুই জেলায় একই সময়ে সোনার দোকানে ভয়াবহ ডাকাতি, পুলিশ-দুষ্কৃতী খণ্ডযুদ্ধ, চলল গুলিও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের দুই প্রান্তে একই সময়ে সেনকো গোল্ডের শোরুমে ভয়াবহ ডাকাতির (Dacoits) ঘটনা ঘটে। একটি পুরুলিয়ায় ঘটেছে। অন্যটি নদিয়া জেলার রানাঘাটে। হিন্দি সিনেমার কায়দায় প্রকাশ্যে রানাঘাটে পুলিশের সঙ্গে দুষ্কৃতীদের গুলি বিনিময় হয়। যা দেখে এলাকার মানুষও হতবাক হয়ে যান। রানাঘাটের সেনকো গোল্ড এর শোরুমে ঢুকে দুষ্কৃতীরা তাণ্ডব চালায়। বন্দুক দেখিয়ে কর্মীদের মারধর এবং কোটি কোটি টাকা সোনার গয়না লুট করে বলে অভিযোগ। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ এলে দুষ্কৃতীদের সঙ্গে পুলিশের গুলির লড়াই চলে। গুলিতে জখম হয় ২ জন দুষ্কৃতী। ঘটনায় গ্রেফতার হয় চারজন। ঘটনাস্থলে বিশাল পুলিশ বাহিনী। নদিয়ার রানাঘাট থানা এলাকার ঘটনা। এই ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। পুরুলিয়াতেও সেনকো গোল্ডের শো রুমে ভয়াবহ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Dacoits)  

    এদিন দুপুর তিনটে নাগাদ হঠাৎ ৮ জন দুষ্কৃতী এক এক করে সেনকো গোল্ডের শোরুমে ঢোকে। ভিতরে ঢুকেই সকলেই তারা আগ্নেয়াস্ত্র বের করে। পাশাপাশি কয়েকজন কর্মীকে মারধর করতে শুরু করে। এরপর মহিলা এবং পুরুষ কর্মীদের চুপচাপ বসে থাকতে বলে। কুড়ি মিনিটের মধ্যে কোটি কোটি টাকার সোনা লুট করে ব্যাগে ঢুকিয়ে নেয় তারা। সর্বস্ব লুট করে চম্পট দেওয়ার সময় খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় রানাঘাট থানার পুলিশ। পুলিশ তাদের পিছনে ধাওয়া করে। পরবর্তীকালে বাধ্য হয়ে গুলি চালাতে থাকে পুলিশ। অভিযোগ, দুষ্কৃতীদের তরফ থেকেও পুলিশকে লক্ষ্য করে পাল্টা গুলি চালানো হয়। পুলিশের গুলি লেগে ঘটনাস্থলে এই দুই দুষ্কৃতী জখম হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। তাদের উদ্ধার করে রানাঘাট মহাকুমা হাসপাতালে নিয়ে যায় পুলিশ। পাশাপাশি আরও দুই দুষ্কৃতীকে হাতনাতে ধরে ফেলে পুলিশ। এই ঘটনায় মোট চারজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এই ধরনের ভর দুপুরে সোনার দোকানে ডাকাতির (Dacoits) মত ঘটনা এর আগে কখনও ঘটেনি। যার কারণে যথেষ্ট আতঙ্কে রয়েছে এলাকাবাসী। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসেন রানাঘাট থানার পুলিশ সুপার ডক্টর কে কান্নান। অন্যদিকে, পুরুলিয়া শহরে সেনকো গোল্ডের দোকানে এদিন দুপুরে দুই জন দুষ্কৃতী প্রথমে ক্রেতা সেজে ওই বহুজাতিক সোনার দোকানে প্রবেশ করে। সোনার গয়না কেনার নাম করে সোনার দোকানের কর্মীকে বিল করতে বলে। সেই মুহূর্তে দুই জনের মধ্যে একজন দুষ্কৃতী হটাৎ জলের বোতল কেনার নাম করে বাইরে চলে আসে। কিছুক্ষণের মধ্যে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হুড়মুড়িয়ে দোকানে ঢুকে পর পাঁচ-ছয় জন দুষ্কৃতী। দোকানে থাকা কর্মীদের মাথায় বন্ধুক ঠেকিয়ে অন্য একটি ঘরে তাঁদের সেলোটেপ দিয়ে বেঁধে দেয়। তার পর অবাধে দোকানে সোনার লুট চালায়। দোকানের ৯০ শতাংশ সোনা লুট করে পালায়।

    কী বললেন সেনকো গোল্ডের এক কর্মী?

    এ বিষয়ে রানাঘাট সেনকো গোল্ড-এর এক কর্মী বলেন, আমরা যথেষ্ট আতঙ্কিত হয়ে পড়ি। প্রথমে ওরা এক এক করে শোরুমে ঢুকে। দুষ্কৃতীদের ব্যাগে এবং পকেটে আগ্নেয়াস্ত্র ছিল। আগ্নেয়াস্ত্র বের করে প্রথমে আমাকে মারধর করে। এরপর সকল কর্মীদের এক জায়গায় বসিয়ে রেখে তারা লুটপাট চালায়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Gold Shop: সোনার দোকানের ভিতরে থাকা ডাকাত ধরতে পুলিশের মাইকিং, জেলা জুড়ে শোরগোল

    Gold Shop: সোনার দোকানের ভিতরে থাকা ডাকাত ধরতে পুলিশের মাইকিং, জেলা জুড়ে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোনার দোকানের (Gold Shop) সামনেই চলছে  পুলিশি মাইকিং। আর দোকানের ভিতরে রয়েছে একদল ডাকাত। পুলিশের পক্ষ থেকে মাইকিং করে আগ্নেয়াস্ত্র বাইরে ফেলে আত্মসমর্পণ করার কথা বলা হচ্ছে। পুলিশের সঙ্গে রয়েছেন কয়েকশো মানুষ। বৃহস্পতিবার রাতে এমনই ঘটনার সাক্ষী থাকলেন রামপুরহাটের নিউটাউন এলাকার মানুষ। দেখে মনে হবে সিনেমার কোনও শুটিং চলছে। কিন্তু, বাস্তবে একদল ডাকাতকে হাতনাতে ধরতে পুলিশ এভাবে দোকানের বাইরে মাইকিং করার দৃশ্য এই এলাকার মানুষ আগে কখনও দেখেননি। অন্যদিকে,  ডাকাতির ঘটনায় চারজনকে গ্রেফতার করে রামপুরহাট থানার পুলিশ। ঘটনায় দুটি মোটরসাইকেল বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ধৃতদের কাছ থেকে একটি নাইন এমএম আগ্নেয়াস্ত্র, পাঁচটি গুলি ও বেশ কিছু সোনার ও রুপোর গহনা উদ্ধার করা হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    এদিন সন্ধে প্রায় সাড়ে আটটা নাগাদ ডাকাতের দল ওই সোনার দোকানে (Gold Shop) ঢোকে। ১৪ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে রামপুরহাটের নিউটাউনের কাছে অবস্থিত ওই সোনার দোকানে (Gold Shop) হানা দেয় চার–পাঁচ জনের একটি ডাকাত দল। সেই সময় দোকান মালিকের তৎপরতায় এলাকার বাসিন্দারা ঘটনস্থলে পৌঁছে যায়। কিন্তু, ততক্ষণে দুষ্কৃতীরা  সোনার দোকানের ভিতরে ঢুকে গিয়ে দোকান ভিতর থেকে বন্ধ করে দিয়েছিল। এরপর এলাকাবাসীরা দোকানের সামনে পৌঁছে দোকানটিকে চারিদিক থেকে ঘিরে ফেলেন এবং খবর দেওয়া হয় পুলিশে। টানটান উত্তেজনার পরিস্থিতি তৈরি হয় রামপুরহাটের ওই সোনার দোকান চত্বরে। খবর পেয়ে পুলিশের নাগাড়ে মাইকিংয়ের পরেও দোকান থেকে দুষ্কৃতীরা বের হয়নি। পরে,  ড্রোন ক্যামেরা দিয়ে ডাকাত দলের গতিবিধি বোঝার চেষ্টা করে পুলিশ। পুলিশ দোকান এবং বাড়ির ভিতরে ঢোকার প্রস্তুতি নেয়। ডাকাত দলের উদ্দেশে ‘লাস্ট ওয়ার্নিং’ দেওয়া হয় পুলিশের পক্ষ থেকে। তারপর সবকিছু চুপচাপ হয়ে যায়। দোকানের (Gold Shop)  মালিক বেরিয়ে এসে জানান, দুষ্কৃতীরা পালিয়ে গিয়েছে।

    কী বললেন স্থানীয় বাসিন্দারা?

    রামপুরহাটের বুকে এই ধরনের ঘটনা আগে কখনও ঘটেনি। পুলিশ অনেক চেষ্টা করেছে। তাতে সন্দেহ নেই। তবে, এত চেষ্টা করার পরও যদি দুষ্কৃতীদের ঘটনাস্থল থেকে গ্রেফতার করা সম্ভব হত, তাহলে আরও ভাল লাগত। আমাদের দাবি, অবিলম্বে দুষ্কৃতীদের গ্রেফতার করতে হবে।

    এই ঘটনা নিয়ে কী বললেন জেলা পুলিশের এক আধিকারিক?

    জেলা পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, একটি বাড়ির নীচেরতলায় সোনার দোকানটি (Gold Shop) রয়েছে। আর দোকানের পিছনে ফাঁকা মাঠ। দুষ্কৃতীরা কোনওভাবে দোকানের পিছনের দরজা দিয়ে বের হয়। পরে, তারা আম গাছে উঠে পাঁচিল টপকে ফাঁক মাঠ দিয়ে পালিয়ে যায়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Loot: রহড়ায় প্লাস্টিকের কারখানায় লুঠ হওয়া অর্ধেক টাকার হদিশ মেলেনি, মূল দুই অভিযুক্ত পলাতক, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

    Loot: রহড়ায় প্লাস্টিকের কারখানায় লুঠ হওয়া অর্ধেক টাকার হদিশ মেলেনি, মূল দুই অভিযুক্ত পলাতক, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ বড় কোনও ডাকাতির ট্র্যাক রেকর্ড তাদের পুলিশের খাতায় নেই। খুচরো অপরাধের সঙ্গে কামারহাটির ওই যুবকদের জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। এক ট্রিপেই তাদের কেল্লাফতে। রহড়ার ডাঙাদিঘলায় প্লাস্টিকের কারখানায় কামারহাটির কয়েকজন বন্ধু মিলে সেখানে হানা দেয়। কারখানা থেকে ৩৪ লক্ষ লুঠ (Loot) করে পালায় দুষ্কৃতীরা। কয়েকজন বন্ধু মিলে এতবড় ডাকাতি করতে পারে তা পুলিশ ভাবতেও পারেনি। এখন তারাই পুলিশ কমিশনারেটের কর্তাদের ঘোল খাইয়ে ছাড়ছে। যদিও লুঠ হওয়া ৩৪ লক্ষের মধ্যে ১৭ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা উদ্ধার করেছে পুলিশ। আর এই ডাকাতির ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ১০ জনকে  গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকী তিন জনের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ। এই তিনজনের মধ্যে দুজন সরাসরি ডাকাতির সঙ্গে যুক্ত ছিল। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, ভিনরাজ্যে তারা গা ঢাকা দিয়েছে। আর বাকি টাকা অভিযুক্তরা কোথায় রেখেছে তা পুলিশ জানার চেষ্টা করছে। এর আগে এই ভাগের টাকা গচ্ছিত করার অভিযোগে মহম্মদ রাজা নামে একজনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। তদন্তে নেমে পুলিশ আরও জানতে পেরেছে, ডাকাতির ঘটনায় ৫ জন সরাসরি যুক্ত থাকলেও আরও বেশ কয়েকজন এই চক্রের মধ্যে ছিল। গত দুমাসে কয়েক দফায় ১০ জনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। এরমধ্যে ডাকাতির ঘটনায় সরাসরি যুক্ত পাঁচজনের মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে। বাকি দুজনের এখনও হদিশ পায়নি পুলিশ। তারা কোথায় রয়েছে তা পুলিশ জানার চেষ্টা করছে। অভিযুক্তদের খোঁজে পুলিশ তল্লাশি শুরু করেছে। ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের এক আধিকারিক বলেন,  তদন্তে নেমে আমাদের সামনে বেশ কিছু সূত্র সামনে এসেছে। অর্ধেকের বেশি টাকা আমরা উদ্ধার করেছি। বাকী টাকার খোঁজে আমরা তল্লাশি শুরু করেছি।

    লুঠ করা টাকা নিয়ে কী করেছিল অভিযুক্তরা? Loot

    ডাকাতির ঘটনার পর পরই অভিযুক্তরা নিজেদের মধ্যে টাকা ভাগ করে নিয়েছিল। ১০ জনকে গ্রেপ্তারের পর প্রায় ১৮ লক্ষ টাকা পুলিশ বাজেয়াপ্ত করেছে। লুঠ (Loot) হওয়া  বাকী টাকার হদিশ পুলিশ এখনও পায়নি।  ডাকাতির ঘটনার মূল দুই অভিযুক্ত ডাকাতির অর্ধেক টাকা নিয়ে ভিন রাজ্যে গা ঢাকা দিয়েছে। ধৃত ১০ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেও তাদের নাগাল পায়নি পুলিশ। ডাকাতির পর পরই তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে, এই ডাকাতির ট্রিপ যে দিয়েছিল, সেই ট্রিপারকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। এরপর একটি সূত্র থেকে জানতে পেরে মহম্মদ রাজা নামে এক অভিযুক্তকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। জানা গিয়েছে, ধৃত রাজা সম্পর্কে সনুর ভাই। এই সনু দক্ষিণেশ্বরে একটি হোটেলে গা ঢাকা দিয়েছিল। পুলিশ হোটেলে হানা দিলে পুলিশকে লক্ষ্য করে সে গুলি চালিয়েছিল। তাতে এক সিভিক ভলান্টিয়ার জখম হন। সনুকে ইতিমধ্যেই পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। তবে, এখনও এই ডাকাতির মূল মাস্টার মাইন্ড অধরা রয়েছে। ডাকাতির ঘটনায় যারা জড়িত ছিল তাদের মধ্যে একজনের বাড়ি কাঁকিনাড়া। আর বাকী সকলের বাড়ি কামারহাটি এলাকায়।  তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, ৫ জানুয়ারি রহড়ার ডাঙাডিহিলায় প্লাস্টিকের কারখানায় ডাকাতির আগেই ডাকাতির ঘটনায় মূল অভিযুক্ত রহড়ার একজনের কাছে ট্রিপ পেয়েছিল। ডাকাতি করার আগে কারখানার খুঁটিনাঁটি সব কিছু জেনে নিয়েছিল সে। এরপরই কামারহাটির বাকী বন্ধুদের সে খবর দেয়। মোটা টাকার লোভে সকলেই মিলে ৫ জানুয়ারি গভীর রাতে কারখানায় হানা দেয়।কারখানার কর্মীদের হাত পা বেঁধে রেখে ৩৪ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে তারা চম্পট দেয়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share