Tag: dadagiri

dadagiri

  • RG Kar Incident: ‘‘বেফাঁস বলে এখন নাটক করছেন’’! সৌরভের আরজি কর প্রতিবাদকে ‘ট্রোল’ নেটপাড়ার

    RG Kar Incident: ‘‘বেফাঁস বলে এখন নাটক করছেন’’! সৌরভের আরজি কর প্রতিবাদকে ‘ট্রোল’ নেটপাড়ার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর কাণ্ডের (RG Kar Incident) নৃশংসতায় উত্তাল সারা দেশ। পথ নেমে বিচার চেয়ে সরব হচ্ছেন কলকাতার প্রতিটি মানুষ। আর সেই ঘটনা নিয়ে নিজের অভিমত ব্যক্ত করতে গিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েন প্রাক্তন ক্রিকেট অধিনায়ক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় (Sourav Ganguly)। তাঁর বক্তব্য ঘিরে ঝড় ওঠে নেটপাড়ায়। আরজি কর হাসপাতালে মহিলা চিকিৎসকের ওপর হওয়া নৃশংসতাকে ‘ভয়ঙ্কর’ বলে ব্যাখ্যা করলেও ঘটনাটিকে ‘বিচ্ছিন্ন’ বলতেই মেজাজ হারান নেটিজেনরা। সোশ্যাল মিডিয়ায় ওঠে প্রতিবাদের ঝড়। অনেকে সৌরভের জনপ্রিয় টিভি শো ‘দাদাগিরি’ বয়কটেরও ডাক দেন। তার পরই নিজের মত থেকে সরে গিয়ে তাঁর অবস্থান ব্যাখ্যা করেন মহারাজ। কিন্তু প্রশ্ন ওঠে তা নিয়েও। নিজের ব্র্যান্ড ভ্যালু হারানোর ভয়েই কি এখন বাধ্য হয়ে প্রতিবাদের ঝান্ডা ধরছেন সৌরভ? নিজের ভাবমূর্তি ঠিক করতেই কি এক প্রকার বাধ্য হয়েই প্রতিবাদ?

    ঘটনার প্রেক্ষাপট

    সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে গিয়ে আরজি কর–কাণ্ড (RG Kar Incident) নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সৌরভ বলেছিলেন, তারও একটি মেয়ে আছে আর মেয়ের বাবা হিসেবে বিষয়টিতে তিনি খুব হতাশ হয়েছেন। সৌরভ যা বলেন, সেটি ছিল এ রকম— ‘‘খুব দুর্ভাগ্যজনক। কঠিন পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। এটা ভয়ংকর ঘটনা…সত্যিই খুব ভয়ংকর…যে কোনও জায়গায় যা কিছু ঘটতে পারে। তাই সব জায়গায় সব সময় নিরাপত্তাব্যবস্থা, সিসিটিভি ক্যামেরা ঠিকঠাক রাখতে হবে। এ ধরনের ঘটনা যে কোনও জায়গায় ঘটতে পারে।’’

    এ পর্যন্ত ঠিকই ছিল। সৌরভ এরপর যা বলেন, সবার আপত্তি সেটাতেই। তিনি বলেন, ‘‘আমি মনে করি না, বিচ্ছিন্ন একটা ঘটনা দিয়ে সবকিছুর বিচার করা উচিত। এ ধরনের দুর্ঘটনা বিশ্বের সব জায়গায়ই ঘটে। তাই এটা ভাবার সুযোগ নেই যে সবকিছু বা সবাই নিরাপদ নয়। এটা ভাবা ভুল যে মেয়েরা নিরাপদ নয়। শুধু পশ্চিমবঙ্গই নয়, ভারতের সব জায়গায়ই মেয়েরা নিরাপদ। আমরা সেরা একটি জায়গায় বসবাস করি। একটি ঘটনা দিয়ে কারও এটা বিচার করা উচিত নয়।’’ সৌরভের এই কথাতেই ক্ষুব্ধ জনতা। আরজি করে ঘটে যাওয়া এই মর্মান্তিক ঘটনাকে কেন এবং কীভাবে ‘বিচ্ছিন্ন ঘটনা’ বললেন তিনি, তা নিয়ে তুমুল কটাক্ষের মুখে পড়েন সৌরভ। সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রবল সমালোচিত হন মহারাজ। অনেকেই দাদাগিরি বয়কটেরও ডাকও দেন।

    আরও পড়ুন: মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি, আরজি কর কাণ্ডে শ্যামবাজারে আজ থেকে ধর্না বিজেপির

    জনতার চাপে নতিস্বীকার 

    চাপের মুখে অবশেষে নিজের বক্তব্য বদলাতে বাধ্য হন সৌরভ। তিনি বলেন, ‘‘গত রবিবার আমি এটা (আর জি কর–কাণ্ড) নিয়ে কথা বলেছিলাম। আমি জানি না, আমার বক্তব্য কীভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। এটা ভয়ংকর এক ঘটনা। অপরাধীর এমন শাস্তি হওয়া উচিত, যাতে ভবিষ্যতে কেউ আর এমনটা করতে না পারে। তদন্ত চলছে। আমি আশা করি, অপরাধী ধরা পড়বে এবং শাস্তি পাবে। মানুষ যেভাবে প্রতিবাদ করছে, বিশ্বের যেকোনও জায়গায় এমন ঘটনা ঘটলে এভাবেই মানুষ আওয়াজ তুলবে।’’ এরপর মঙ্গলবার, সৌরভ নিজের সামাজিক হ্যান্ডলের ডিপি কালো করেন। এখন প্রতিবাদে পথে নামার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

    নেটিজেনদের কটাক্ষ

    এত দেরিতে নির্যাতিতার পাশে দাঁড়ানোয় নেটিজেনদের কটাক্ষের শিকার হতে হয়েছে সৌরভ ও তাঁর স্ত্রী ডোনাকে। কেউ লিখেছেন, ‘‘বেফাঁস কথা বলে রীতিমত ছড়িয়ে এখন নাটক করছেন।’’ আবার কোনও ব্যক্তি লিখেছেন, ‘‘ভয় কাটিয়ে অবশেষে সাহস দেখাতে পারলেন সৌরভ?’’ এই আবহে আজ, বুধবার সন্ধ্যায় ‘অভয়া’র বিচারের দাবি জানিয়ে নৃত্যশিল্পীদের নিয়ে পথে নামবেন সৌরভের (Sourav Ganguly) স্ত্রী ডোনা গঙ্গোপাধ্যায়। ওই মিছিলে থাকতে পারেন সৌরভও। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Raigunj By Election: উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থীর দাদার ‘দাদাগিরি!’, শোরগোল

    Raigunj By Election: উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থীর দাদার ‘দাদাগিরি!’, শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থীর দাদার দাদাগিরি! তাঁর মাতব্বরি কার্যত প্রশ্নের মুখে। প্রিসাইডিং অফিসারকে নিজেই অকপটে স্বীকার করেছেন, সকাল সাড়ে আটটার মধ্যেই তিন থেকে চারবার ভোটারদের নিয়ে সারাসরি ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে ঢুকে পড়েছিলেন তিনি। সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে পড়ে কার্যত নীরব কৃষ্ণ কল্যাণীর দাদা পাপ্পু কল্যাণী। এই ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল ফেলেছে উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জে (Raigunj By Election)।

    ১৪১-১৪২ নম্বর বুথে তৃণমূলের জমায়েত (Raigunj By Election)!

    উপনির্বাচনকে ঘিরে রায়গঞ্জের করোনেশন হাই স্কুলের বাইরে তৃণমূলের বিরাট জমায়েত দেখা গিয়েছিল। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে কেন্দ্রীয় বাহিনী এসে জামায়েত সরিয়ে দেয়। আবার ১৪১ এবং ১৪২ নম্বর বুথের বাইরে ফের জমায়েত করে তৃণমূলের কর্মীরা। তাঁরা রীতিমতো স্থানীয় ভোটারদের সঙ্গে কথা বলতে শুরু করেন। ঠিক এই পরিস্থিতির মধ্যে একটি বুথে তৃণমূল প্রার্থীর দাদার দৌরাত্ম্য চোখে পড়েছে। ভোট গ্রহণ কেন্দ্রে ঢুকে রীতিমতো মাতব্বরি শুরু করে দেন কৃষ্ণ কল্যাণীর দাদা পাপ্পু কল্যাণী। পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতিতেই নিজের শক্তি প্রদর্শনের চেষ্টা করেন।  

    তৃণমূলের দায়িত্বে ছিলেন পাপ্পু

    ভোট গ্রহণের সময় পাপ্পু কল্যাণীর দাদাকে সাংবাদিকদের ক্যামেরার সামনেই দেখা যায়, ভোটারদের নিয়ে ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের বুথে (Raigunj By Election) ঢুকেছেন। উল্লেখ্য মাত্র একববার দুবার নয় বেশ কয়েকবার ভোটারদের ভোট দেওয়ান পাপ্পু। ভোট কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা প্রিসাইডিং অফিসার স্বীকার করেছেন তিন-চারবার ভোটারদেরকে ভোট দেওয়ান। তৃণমূল প্রার্থীর অবশ্য বক্তব্য, “তৃণমূলের হয়ে বুথের দায়িত্বে ছিলেন পাপ্পু, তাই সক্রিয় ছিলেন।”

    আরও পড়ুনঃ ‘বাদামবীজ পাচার!’ বাঁকুড়ার পঞ্চায়েত অফিসে বিরাট দুর্নীতি, ভিডিও প্রকাশ শুভেন্দুর

    লোকসাভায় রায়গঞ্জে এগিয়ে ছিল বিজপি

    রায়গঞ্জ বিধানসভার আসনে উপনির্বাচনে ত্রিমুখী লড়াইতে রয়েছেন, বিজেপি প্রার্থী মানসকুমার ঘোষ, কংগ্রেস প্রার্থী মোহিত সেন গুপ্ত এবং তৃণমূল প্রার্থী কৃষ্ণ কল্যাণী। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী হয়ে ভোটে লড়ে জয়ী হয়েছিলেন কৃষ্ণ কল্যাণী। কিন্তু পরবর্তী কালে বিজেপি থেকে তৃণমূল যোগদান করেন তিনি। এরপর ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে লড়াই করেন। কিন্তু বিজেপি প্রার্থী কার্তিক চন্দ্র পালের কাছে ৬৮ হাজার ভোটে পারাজিত হন তিনি। লোকসভা ভোটে রায়গঞ্জ বিধানসভাতেও (Raigunj By Election) বাজিমাত করেছে বিজেপি এবং ধরাশায়ী হয়েছিল তৃণমূল। এইবার উপনির্বাচনে কী হয় তাই এখন দেখার।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dadagiri: গোঘাট বিএলআরও অফিসে ঢুকে তৃণমূল নেতার দাদাগিরি, আতঙ্কিত আধিকারিকরা

    Dadagiri: গোঘাট বিএলআরও অফিসে ঢুকে তৃণমূল নেতার দাদাগিরি, আতঙ্কিত আধিকারিকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ গোঘাট -২ ব্লকে ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরে তখন সাধারণ মানুষের ভিড়ে গম গম করছে। রেভেনিউ অফিসার সোম শেখর সরকারের চেম্বারে চলছে জমির মিউটেশন নিয়ে শুনানি। তাই, ঘরে এলাকার মানুষের ভিড়ও ছিল। আচমকাই সেখানে গোঘাট-২ পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ সাহাবউদ্দিন খান ঢোকেন। মিউটেশন সংক্রান্ত কোনও একটি বিষয় নিয়ে প্রথমে কথা হয়। আধিকারিকের কথা তাঁর পছন্দ হয়নি। তাই, তিনি স্বমূর্তি ধারণ করেন। প্রথমেই রেভেনিউ অফিসারের সঙ্গে তিনি বচসায় জড়িয়ে পড়েন। তাঁকে শারীরীকভাবে হেনস্থা করা হয়। টেবিলে থাকা ফাইলপত্র সব ফেলে দেওয়া হয়। সামনে থাকা চেয়ার উল্টে দেওয়া হয়। এককথায় ওই আধিকারিকের ঘরে ঢুকে তৃণমূল নেতা তান্ডব (Dadagiri) চালায় বলে অভিযোগ। ইতিমধ্যেই বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের সব স্তরে জানানো হয়েছে। বিএলআরও ইতিমধ্যেই গোঘাট থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    কেন বিএলআরও অফিসে ঢুকে দাদাগিরি দেখালেন ওই তৃণমূল নেতা? Dadagiri

    ঘটনার সূত্রপাত শুক্রবার দুপুরের পর। গোঘাট ২ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির খাদ্য কর্মাধ্যক্ষ তথা এলাকার তৃণমূল নেতা সাহাবউদ্দিনসাহেব জমি সংক্রান্ত বিষয়ে ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরে যান। ২ মার্চ  তাঁর মিউটেশনের দিন ধার্য হয়।কিন্তু, সেদিন ওই নেতা অফিসে কোনওকারণে যেতে পারেননি। সেই বকেয়া কাজ করতেই এদিন দুপুরে অফিসারের কাছে হাজির হয়েছিলেন ওই তৃণমূল নেতা। অফিসার নিয়ম মেনে কয়েকদিন পর আসার কথা বলেন। কিন্তু, এদিন সেই কাজ করে দেওয়ার জন্য ওই তৃণমূল নেতা চাপ দিতে থাকেন। এরপরই দুজনের মধ্যে বচসা হয়। পরে, শাসক দলের ওই নেতা অফিসের মধ্যে দাদাগিরি (Dadagiri) দেখান বলে অভিযোগ।

    এই বিষয়ে রেভেনিউ অফিসার সোম শেখর সরকার বলেন, আমি হেয়ারিং করছিলাম। তিনি প্রথম থেকেই আমার সঙ্গে অভব্য আচরণ করতে থাকেন। নিয়ম মেনে কয়েকদিন পর তাঁকে আসতে বলি। তিনি সে সব কথা না শুনে আমার উপর চড়াও হন। আমাকে হেনস্থা করেন। টেবিলের নথি ফেলে দেন। এই ঘটনায় আমি খুব আতঙ্কিত হয়ে পড়ি। বিএলআরও আনন্দ বিশ্বাস বলেন, ওই নেতা এসে রেভেনিউ অফিসারের সঙ্গে খুব খারাপ ব্যবহার করেন। অফিসের মধ্যে তান্ডব চালান। বিষয়টি প্রশাসনের সব স্তরে জানিয়েছি। যার বিরুদ্ধে এত অভিযোগ সেই তৃণমূল নেতা সাহাবউদ্দিন খান বলেন,কথা কাটাকাটি হয়েছিল। তা মিটিয়ে নেওয়াও হয়েছে। কোনও তান্ডব চালানো হয়নি। দাদাগিরি দেখানো হয়নি। আমরা একসঙ্গে বসে চা খেয়েছি। এসব অপপ্রচার করা হচ্ছে। তবে, তৃণমূলের গোঘাট ২ নম্বর ব্লক সভাপতি অরুণ ক্যাউড়া তাঁর পাশে দাঁড়াননি। তিনি বলেন,এই ঘটনা নিন্দনীয়। দল কোন ভাবেই সমর্থন করে না। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share