Tag: dakshin dinajpur university

dakshin dinajpur university

  • Dakshin Dinajpur: বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্বোধন করে ফিরেও তাকাননি মমতা, মহিলা কলেজের দয়ায় হচ্ছে ক্লাস!

    Dakshin Dinajpur: বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্বোধন করে ফিরেও তাকাননি মমতা, মহিলা কলেজের দয়ায় হচ্ছে ক্লাস!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিধানসভা ভোটের আগে ঘটা করে দক্ষিণ দিনাজপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্বোধন করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। ভোটপর্ব মিটতেই বিশ্ববিদ্যালয়ের কী হাল, তার খোঁজও নেননি মুখ্যমন্ত্রী। কারণ, জেলার অর্ধেক আসনে বিজেপি জয়ী হয়েছে। এমনই মত রাজনৈতিক মহলের। তাই, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবিষ্যৎ ঝুলে রয়েছে। এদিকে, মেয়াদ ফুরোচ্ছে বালুরঘাট মহিলা কলেজের দেওয়া ভবনের। অথচ আজও নতুন ভবনের ব্যবস্থা করা যায়নি। তাই ফের সংকটের মুখে দক্ষিণ দিনাজপুর (Dakshin Dinajpur) বিশ্ববিদ্যালয়ের অফলাইন ক্লাস। আগামী এক মাসের মধ্যেই কোনও নতুন ভবনের ব্যবস্থা করা না গেলে অফলাইন ক্লাস বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্যার কথা ভেবে নভেম্বর মাস পর্যন্ত কয়েকটি ঘর ব্যবহার করতে দিয়েছিল বালুরঘাট মহিলা কলেজ। ওই ঘরগুলিতেই বিশ্ববিদ্যালয়ের অফলাইন ক্লাস চালু করা হয়েছিল। কিন্তু নভেম্বর মাস শেষ হতে চললেও, এখনও নতুন ঘরের ব্যবস্থা না করতে পারায়, কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে আরও একমাস ঘর চেয়ে আবেদন জানিয়ে রেখেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। কিন্তু ওই এক মাসের মধ্যে নতুন ঘরের ব্যবস্থা না করা গেলে সমস্যা বাড়বে। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া পড়ুয়াদের অভিভাবকদের বক্তব্য, পরিকাঠামো তৈরি না করে বিশ্ববিদ্যালয় ঘোষণা করে কী লাভ? এভাবে ছেলেমেয়েদের ভবিষ্যৎ নিয়ে রাজ্য সরকার ছিনিমিনি খেলছে।

    কবে থেকে চালু হয়েছিল এই বিশ্ববিদ্যালয়? (Dakshin Dinajpur)

    ২০২০ সালে দক্ষিণ দিনাজপুর বিশ্ববিদ্যালয় (Dakshin Dinajpur) ঘোষণা হওয়ার পর মাহিনগরে জমি চিহ্নিত করা হয়েছিল। কিন্তু, অর্থের অভাবে সেখানে আজও কোনও ভবন তৈরি করা হয়নি। তাই বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ভবনের জন্য অপেক্ষা না করে,  ২০২১ সালে ১ লা ফেব্রুয়ারি বালুরঘাট শহরে বাড়ি ভাড়া নিয়ে অস্থায়ী ক্যাম্পাস গড়ে কাজ শুরু করা হয়। নিয়োগ হওয়া দক্ষিণ দিনাজপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য সঞ্চারী  রায় মুখোপাধ্যায়। ওই শিক্ষাবর্ষ থেকেই পঠন পাঠন শুরু হয়ে যায় এই বিশ্ববিদ্যালয়ে। অঙ্ক, ইংরেজি ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান -এই তিনটি বিষয়ে  পঠন পাঠন শুরু হয়ে যায়। কিন্তু, ক্লাসরুমের মতো ভবন না থাকায় অনলাইনেই ওই শিক্ষাবর্ষ গুলি চলতে থাকে। মাস কয়েক আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের  নতুন উপাচার্য হিসেবে দেবব্রত মিত্র কাজে যোগ দেবার পর থেকে অনলাইন ক্লাস বন্ধ করে অফলাইন ক্লাস করানোর বিষয়ে বদ্ধপরিকর হন উপাচার্য। তিনি বিভিন্নভাবে ক্লাস করাবার জন্যে ভবন সংগ্রহের জন্য ছোটাছুটি করতে থাকেন। এগিয়ে আসে বালুরঘাট গার্লস কলেজ। তারা তাদের অব্যবহৃত একটি হোস্টেলে এই অফলাইন ক্লাস চালু করার জন্য অনুমতি দেয়। তবে, তা নভেম্বর মাস পর্যন্ত দেওয়ার শর্ত দেওয়া হয়।

    বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কী বক্তব্য?

    বিশ্ববিদ্যালয়ের (Dakshin Dinajpur) ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অমিত রায় বলেন, আমরা পুরসভার কাছে একটি ভবন চেয়েছিলাম। কিন্তু, তারা ওই ভবনের যে পরিমাণ ভাড়া চাইছে, তা আমাদের পক্ষে দেওয়া সম্ভব নয়, তাই এখনও ওই চুক্তি সম্পন্ন হয়নি। তবে, কথা চলছে। এদিকে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও নাট্য উৎকর্ষ কেন্দ্রর একাংশ আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়কে ব্যবহার করার জন্য দেওয়ার কথা রয়েছে। তাও এখনও চূড়ান্ত হয়নি। উপাচার্য দেবব্রত মিত্র বলেন, বেশ কয়েকটি ভবন দেখার কাজ চলেছে। এখনও কোনওটাই আমাদের হাতে আসেনি।

    বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে পুর কর্তৃপক্ষ এবং জেলা প্রশাসনের কী অবস্থান?

    বালুরঘাট পুরসভার চেয়ারম্যান অশোক মিত্র বলেন,আমরা ওই ভবনের ভাড়া সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে বিওসিতে আলোচনা করার পরেই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে জানাবো। জেলা শাসক বিজিন কৃষ্ণা বলেন, নাট্য উৎকর্ষ কেন্দ্রের একাংশ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাসরুমের জন্য দেওয়ার চিন্তা ভাবনা করছি। একটু আলোচনা প্রয়োজন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dakshin Dinajpur: শিক্ষামন্ত্রীর বৈঠকে গরহাজির থাকার মাশুল! সরিয়ে দেওয়া হল অতিরিক্ত রেজিস্ট্রারকে

    Dakshin Dinajpur: শিক্ষামন্ত্রীর বৈঠকে গরহাজির থাকার মাশুল! সরিয়ে দেওয়া হল অতিরিক্ত রেজিস্ট্রারকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিন তিনেক আগে শিক্ষামন্ত্রীর বৈঠকে গরহাজির থাকায় মিলেছে শো-কজের চিঠি। আর এবার দক্ষিণ দিনাজপুর (Dakshin Dinajpur) বিশ্ববিদ্যালয়ের অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল বালুরঘাট কলেজের অধ্যক্ষ পঙ্কজ কুণ্ডুকে। ওই পদে নিয়োগ করা হয়েছে বালুরঘাট গার্লস কলেজের অধ্যাপক অমিত রায়কে। ২০২১ সালে চালুর পর থেকেই এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার পদে ছিলেন পঙ্কজবাবু। কিন্তু আচমকা এদিন তাঁকে সরিয়ে দেন উপাচার্য দেবব্রত মিত্র। এই সরানোর পিছনেও রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘাতের ছায়া দেখতে পাচ্ছেন শিক্ষানুরাগীরা।

    কী ঘটেছিল?

    গত ৮ তারিখে তাঁর ডাকা বৈঠকে অধিকাংশ রেজিস্ট্রার গরহাজির থাকার পিছনে রাজভবনের হাত রয়েছে বলে দাবি করেছিলেন খোদ শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। রাজ্যপালকে এড়িয়ে  শিক্ষামন্ত্রীর ডাকা বৈঠকে ৩১ টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাত্র ১২ জন রেজিস্ট্রার উপস্থিত হয়েছিলেন। অনুপস্থিতদের মধ্যে দক্ষিণ দিনাজপুর (Dakshin Dinajpur) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারও ছিলেন। যদিও ওই বৈঠকে না যাওয়ার পিছনে দক্ষিণ দিনাজপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার পঙ্কজ কুন্ডু জানিয়েছিলেন, বালুরঘাট কলেজের প্রতিষ্ঠা দিবসের অনুষ্ঠান থাকায় তিনি ওই বৈঠকে যেতে পারবেন না বলে মেইল করে জানিয়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু তারপরেও তাঁকে শো-কজ করা হয়েছিল। 

    গোটা বিশ্ববিদ্যালয়েই অব্যবস্থা 

    এদিকে দিন কয়েক আগেই অতিরিক্ত কন্ট্রোলারের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে গঙ্গারামপুর কলেজের অধ্যাপক দেবব্রত দাসকে। জানা গিয়েছে, যে কোনও নতুন বিশ্ববিদ্যালয় চালু হওয়ার পর, উপাচার্য নিয়োগের পরেই ইউনিভার্সিটি কাউন্সিল গঠন করে দেয় রাজ্য সরকার। রাজ্যের বিশিষ্টদের নিয়ে গঠিত এই কাউন্সিলের মধ্য দিয়েই বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মী নিয়োগে উদ্যোগী হওয়া যায়। কিন্তু দক্ষিণ দিনাজপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে ইউনিভার্সিটি কাউন্সিল গঠন না হওয়ায় সমস্যা রয়েছে। এমনকি দক্ষিণ দিনাজপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্যে স্ট্যাটিউট গড়া হলেও, তা অনুমোদনের জন্যে রাজ্যেই আটকে রয়েছে। তাই এতদিনেও বিশ্ববিদ্যালয়ের (Dakshin Dinajpur) কর্মী নিয়োগের জন্য পদই তৈরি করা যায়নি। ফলে উপাচার্য ছাড়া এই বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনও অধ্যাপক, কর্মী স্থায়ী রেজিস্ট্রার , কন্ট্রোলার কিছুই এখনও নেই। সব মিলিয়ে নানা সঙ্কটে এই বিশ্ববিদ্যালয়। এরই মধ্যে বর্তমান রেজিস্ট্রার সরিয়ে দেওয়া হল।

    কী বললেন পদ হারানো অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার?

    যদিও অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার পদ থেকে তাঁকে সরিয়ে দেওয়ার পিছনের কারণ শিক্ষামন্ত্রীর বৈঠকে গরহাজির থাকা নয় বলে মনে করছেন বালুরঘাট কলেজের অধ্যক্ষ পঙ্কজ কুণ্ডু। তিনি বলেন, শিক্ষামন্ত্রীর ডাকা বৈঠকে উপস্থিত থাকতে পারবো না, তা আমি আগেই জানিয়ে দিয়েছিলাম। তবুও শো-কজ  করেছিল, তার উত্তর আমি দিয়েছি। এর সাথে রেজিস্ট্রার পদ থেকে সরে যাওয়ার কোনও সম্পর্ক নেই। আমি খুব খুশি যে আমাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। বালুরঘাট কলেজের চাপ সামলে দক্ষিণ দিনাজপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই পদে থেকে কাজ করা আমার পক্ষে সম্ভব হচ্ছিল না। আমি  দীর্ঘদিন ধরে ওই পদ থেকে অব্যাহতি চাইছিলাম। আমাকে আজ তা দেওয়ায় আমি খুশি। বিশ্ববিদ্যালয়ের (Dakshin Dinajpur) শুভ কামনা করি।

    কী জবাব দিলেন উপাচার্য?

    দক্ষিণ দিনাজপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য দেবব্রত মিত্র বলেন, অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার (Dakshin Dinajpur) হিসেবে মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছিল। তাই ওই পদে অধ্যাপক অমিত রায়কে নিয়োগপত্র দেওয়া হল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • West Bengal Education: অব্যবস্থার জের, দক্ষিণ দিনাজপুর বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়ছেন পড়ুয়ারা

    West Bengal Education: অব্যবস্থার জের, দক্ষিণ দিনাজপুর বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়ছেন পড়ুয়ারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অচলাবস্থার জেরে দক্ষিণ দিনাজপুর বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়ছেন পড়ুয়ারা। প্রায় আড়াই মাস ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য ও কন্ট্রোলার না থাকায় রেজাল্ট আটকে রয়েছে। তেমনই আটকে কর্মীদের বেতন। জেলার শিক্ষা মহলের (West Bengal education) দাবি, অব্যবস্থা ও অচলাবস্থার জেরেই বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের ভবিষ্যৎ সঙ্কটের মুখে। সেজন্যই বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়ার হিড়িক শুরু হয়েছে পড়ুয়াদের মধ্যে। ইতিমধ্যেই ভর্তি হওয়া প্রায় ৪০ শতাংশ পড়ুয়া বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়ে চলে গিয়েছেন। দ্রুত অচলাবস্থা না কাটলে আগামীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসে তালা ঝুলবে বলে আশঙ্কা জেলার শিক্ষা মহলের।

    কী জানালেন বিশ্ববিদ্যালয় (West Bengal education) কর্তা?

    দক্ষিণ দিনাজপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত অ্যাডিশনাল রেজিস্ট্রার পঙ্কজ কুণ্ডু বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিকাঠামোগত ও অন্যান্য একাধিক সমস্যায় পড়ুয়ারা বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়ছেন বলে মনে হয়। উপাচার্য না থাকায় ওই সমস্যা হচ্ছে। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের যাবতীয় সমস্যা রাজ্যপালকে জানিয়েছি। এছাড়াও উচ্চ শিক্ষা দফতরে (West Bengal education) সব জানানো হয়েছে। তবে এখনও কোনও সুরাহা মেলেনি। প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদে সঞ্চারি রায় মুখোপাধ্যায়কে দায়িত্ব দেওয়া হয়। এরপর ভাড়া নেওয়া ক্যাম্পাসেই ২০২১-এর সেপ্টেম্বর মাসে পঠনপাঠন শুরু হয়। কিন্তু চলতি বছরের ১৪ মার্চ উপাচার্যের পদ থেকে সঞ্চারি রায় মুখোপাধ্যায়কে সরানো হয়। যার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ে এখনও স্থায়ীভাবে উপাচার্য পদে কাউকে নিয়োগ করা হয়নি। বিশ্ববিদ্যালয়ে আপাতত ১৬ জন কর্মী রয়েছেন।

    কী বলছেন ছাত্রছাত্রী এবং শিক্ষকরা (West Bengal education)?

    বিশ্ববিদ্যালয়ের অঙ্ক বিভাগের চতুর্থ সেমেস্টারের ছাত্রী অর্পিতা কর্মকার বলেন, নবদ্বীপ থেকে এসে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছি। এখনও পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ক্যাম্পাস হল না। হস্টেলের সুবিধাও নেই। বাধ্য হয়ে ভাড়ায় থাকতে হচ্ছে। এদিকে, উপাচার্য ও কন্ট্রোলার না থাকায় তৃতীয় সেমেস্টারের ফল প্রকাশ হচ্ছে না। ফলে চতুর্থ সেমেস্টারের পরীক্ষাও পিছিয়ে যাবে। অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছি। বালুরঘাট শহরের শিক্ষক কৃষ্ণপদ মণ্ডল বলেন,দীর্ঘ আন্দোলনের জেরে জেলায় বিশ্ববিদ্যালয় (West Bengal education) হয়েছে। কিন্তু দুঃখের বিষয় সেই বিশ্ববিদ্যালয় আজ সঙ্কটে। পড়ুয়ারা চলে যাচ্ছেন। এই হাল দেখে আগামীতে কেউ ভর্তি হবে না। অবিলম্বে এই সমস্যাগুলির সমাধান হোক। ছাত্র পরিষদের রাজ্য সভাপতি সৌরভ প্রসাদ বলেন, রাজ্য সরকার ও মুখ্যমন্ত্রীর উদাসীনতার জেরেই আজ বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা সমস্যায় পড়ছেন। আমি শিক্ষামন্ত্রীকে চিঠি পাঠিয়েছি। আজও সদুত্তর পাইনি।

    কী বলছে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ?

    জেলা তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি অমরনাথ ঘোষ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় (West Bengal education) ছেড়ে যাওয়ার কোনও খবর আমাদের কাছে নেই। তবে রাজ্যপাল উপাচার্য নিয়োগ করছেন না বলেই এই সমস্যাগুলি হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে খবর, ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে প্রথম সেমেস্টারে ইংরেজি, অঙ্ক ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান, এই তিনটি বিষয়ে ১৫০টি সিটের মধ্যে ১৪২ জন ভর্তি হয়। চতুর্থ সেমেস্টার আসতেই পড়ুয়ার সংখ্যা একের পর এক কমে বর্তমানে তা ৯৮ জনে দাঁড়িয়েছে। ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর-অক্টোবর সেশনে আবার তিনটি বিষয়ের ১৫০টি সিটের মধ্যে ভর্তি হয়েছিল ১২৬ জন। এক বছর পর পড়ুয়ার সেই সংখ্যা মাত্র ৫৯ জনে দাঁড়িয়েছে। দুই সেমেস্টার মিলিয়ে মোট পড়ুয়া থেকে প্রায় ৪০ শতাংশ চলে গিয়েছে। বর্তমানে ৬০ শতাংশ পড়ুয়া থাকলেও, পরীক্ষার ফর্ম ফিলাপের আগে তা আরও কমে যাবে বলে মনে করছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share