Tag: Dalai Lama

Dalai Lama

  • Dalai Lama: প্রাণঘাতী হামলার আশঙ্কা, দলাই লামাকে জেড ক্যাটাগরির নিরাপত্তা

    Dalai Lama: প্রাণঘাতী হামলার আশঙ্কা, দলাই লামাকে জেড ক্যাটাগরির নিরাপত্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিব্বতের আধ্যাত্মিক নেতা দলাই লামাকে (Dalai Lama) জেড-ক্য়াটাগরির নিরাপত্তা দেওয়ার কথা ঘোষণা করল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। গোয়েন্দা সূত্রের দাবি, প্রাণঘাতী হামলা হতে পারে ৮৯ বছরের বৌদ্ধ ধর্মগুরুর উপরে। এরপরই নিরাপত্তা বাড়ানোর পদক্ষেপ করা হয়। এবার থেকে দলাই লামার নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবেন ৩৩ জন নিরাপত্তা কর্মী। যার মধ্যে রয়েছে হিমাচলপ্রদেশের ধরমশালায় তাঁর বাসভবনে সশস্ত্র রক্ষী (Dalai Lama Granted With CRPF) ও এসকর্ট কমান্ডো বাহিনী। এছাড়াও সর্বক্ষণের জন্য থাকবেন ব্যক্তিগত নিরাপত্তা আধিকারিক।

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সূত্রে খবর, জেড ক্যাটাগরির আওতায় দলাই লামার (Dalai Lama) নিরাপত্তার জন্য সশস্ত্র রক্ষীসহ মোট ৩৩ জন সিকিউরিটি মোতায়েন করা হবে। তাঁরা ২৪ ঘণ্টা পাহারার কাজে নিযুক্ত থাকবেন। এছাড়াও, তিনটি শিফটে ১২ জন কমান্ডো তাঁকে নিরাপত্তা দেবেন। আপৎকালীন পরিস্থিতির জন্য ২৪ ঘণ্টা থাকবে প্রশিক্ষিত চালকও। উল্লেখ্য, বিগত কয়েকমাস ধরেই জনসমক্ষে আসেননি দলাই লামা। এমনকী ভক্তদের সঙ্গেও দেখাসাক্ষাৎ করেননি। ফলে স্বাভাবিক ভাবেই তাঁর স্বাস্থ্য নিয়ে চিন্তায় ছিল গোটা বৌদ্ধ সমাজ। এরইমধ্যে আইবি-র ইনপুটে হামলার আশঙ্কা ঘিরে বেড়েছিল উদ্বেগ। যার জেরে জেড ক্যাটাগরি নিরাপত্তায় সবুজ সঙ্কেত দিল কেন্দ্র।

    দলাই লামার (Dalai Lama) উপরে হামলার আশঙ্কা অবশ্য নতুন নয়। এর আগেও অনেকবারই নানা সূত্রে তাঁর উপরে হামলার নানা চক্রান্তের কথা জানা গিয়েছে। ফলে আগাগোড়াই তাঁর নিরাপত্তার দিকটি কেন্দ্রের অগ্রাধিকার পেয়ে এসেছে। এবার নতুন করে হামলার আশঙ্কা দেখা দিতেই বাড়ানো হল নিরাপত্তা। আগামী জুলাইয়ে ৯০ বছরে পা দেবেন দলাই লামা। ১৯৫৯ সালে চিনা হানাদার বাহিনীর হাত থেকে বাঁচতে তিব্বত থেকে দলবল সমেত পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নিয়েছিলেন তিনি। তারপর থেকেই তাঁকে ‘বিচ্ছিন্নতাবাদী’ বলে মনে করে বেজিং। সূত্রের খবর,সম্প্রতি দলাই লামার উপর হামলা হতে পারে বলে আইবি (Intellegence Bureau)-র পেশ করা এক রিপোর্টের ভিত্তিতেই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের এমন সিদ্ধান্ত।

  • India China Relation: দলাই লামার নামে অরুণাচলের অনামী পর্বতশৃঙ্গের নামকরণ ভারতের, রেগে লাল চিন

    India China Relation: দলাই লামার নামে অরুণাচলের অনামী পর্বতশৃঙ্গের নামকরণ ভারতের, রেগে লাল চিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ভারতীয় সেনার একটি পর্বতারোহী দল অরুণাচল প্রদেশের একটি অনামী পর্বতশৃঙ্গ জয় করে। শুধু জয় করাই নয়, ওই শৃঙ্গের নামকরণও করে দলটি। জানা গিয়েছে, তিব্বতের ষষ্ঠ দলাই লামার নামে ওই পর্বতের নাম রাখা হয়। এতেই রেগে লাল চিন। নামকরণের পর থেকেই চিনের মাথা ব্যাথা শুরু হয়ে গিয়েছে।

    ষষ্ঠ দলাই লামার নামে শৃঙ্গ (India china Relation)

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের অধীনে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ মাউন্টেনিয়ারিং অ্যান্ড অ্যাডভেঞ্চার স্পোর্টস বা নিমাস-এর একটি অভিযান করা হয় অরুণাচলে। সেখানে কর্নেল রণবীর সিং জামওয়ালের নেতৃত্বাধীন পর্বতারোহী দলটি অরুণাচলে ২০ হাজার ৯৪২ ফুট উচ্চতার একটি নামহীন শৃঙ্গ জয় করে। এরপর এই শৃঙ্গের নাম রাখা হয় ষষ্ঠ দালাই লামা সাংগ্যাং গ্যাতসো-র নামে। তিনি ১৬৮২ সালে মন তাওয়াং অঞ্চলে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের (India china Relation) পক্ষ থেকে একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, “ষষ্ঠ দলাই লামা সাংগ্যাং গ্যাতসোর নামানুসারে পর্বত শিখরটির নামকরণ করা হল। এই নামের অর্থ ছিল, নিরন্তর জ্ঞান এবং মনপা সম্প্রদায়ের প্রতি গভীর ভাবে শ্রদ্ধা ভাব জানানো।” অরুণাচল (Arunachal) প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী পেমা খান্ডু পর্বতারোহণকারী নিমাস দলকে কৃতিত্বের জন্য অভিনন্দন জানিয়েছেন৷ তিনি নিজের এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, “এই অভিযানের পরিচালক রণবীর জামওয়ালের নেতৃত্বে, তারা সফলভাবে অরুণাচল প্রদেশের মোন তাওয়াং অঞ্চলের গোরিচেন ম্যাসিফে একটি অজেয় শৃঙ্গজয় করেছে। ৬,৩৩৮ মিটার উঁচুতে পৌঁছানো একটি উল্লেখযোগ্য চিত্তাকর্ষক নজির।”

    আরও পড়ুনঃভারতে মিরাজ-রাফাল রক্ষণাবেক্ষণ কেন্দ্র খুলতে চায় ফরাসি সংস্থা দাসোল

    চিনের বক্তব্য

    এই ঘটনায় প্রতিক্রিয়া দেয় বেজিং। চিনের (India china Relation) বিদেশ দফতরের মুখপাত্র জিয়ান বলেন, “ভারতের এই নির্দিষ্ট নামকরণ সম্পর্কে আপত্তি রয়েছে। এই এলাকার অঞ্চলটি চিনের জায়গায়। চিন ধারাবাহিক ভাবে নিজেদের দখলে রেখেছে।” এখানেই থামেননি লিন জিয়ান। বেইজিংয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে অরুণাচলকে ফের একবার চিনের ভূখণ্ড বলে দাবি করে তিনি আরও বলেন, “চিনা জাংনান ভূখণ্ডে তথাকথিত অরুণাচল প্রদেশকে স্থাপন করা ভারতের বেআইনি কাজ। ভারতের দাবিকে মান্যতা দেয় না চিন।”

    বেজিংয়ের দাবি খারিজ ভারতের

    যদিও, বেজিংয়ের দাবি পত্রপাঠ বিদায় করে দিয়েছে ভারত। বিদেশমন্ত্রকের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, অরুণাচল প্রদেশের ভারতের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। এরপর থেকে ভারত এবং চিনের (India china Relation) মধ্যে উত্তেজনার পারদ চড়তে শুরু করে। ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে। প্রসঙ্গত, ২০১৭ সাল থেকে অরুণাচল প্রদেশের একাধিক জায়গাগুলির নাম পরিবর্তন করে চলেছে বেজিং। সময়ে সময়ে ভারত ভূখণ্ডকে নিজের বলে দাবি করে থাকে চিন। পাল্টা বার বার চিনের অনৈতিক দাবিকে খারিজ করে দিয়ে থাকে ভারত। ভারত সরকার সবসময় এই বার্তা চিনকে দিয়ে থাকে যে অরুণাচল প্রদেশ, ভারতের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হিসেবে ছিল, আছে এবং থাকবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dalai Lama: ‘চিনে ফেরার কোনও কারণ নেই, ভারতই সেরা জায়গা’, বললেন দলাই লামা

    Dalai Lama: ‘চিনে ফেরার কোনও কারণ নেই, ভারতই সেরা জায়গা’, বললেন দলাই লামা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিনে ফিরে যাওয়ার কোনও মানে নেই, ভারতই সর্বোত্তম জায়গা, এমনটাই জানালেন বৌদ্ধ ধর্মগুরু দলাই লামা (Dalai Lama)। ফের তাঁর মুখে চিন প্রত্যাখ্যানের কথা শোনা গেল। তিনি সাফ জানিয়ে দিলেন, ভারতই তাঁর পছন্দের জায়গা। বাকি জীবন তিনি ভারতেই থাকতে চান। আর তিনি হিমাচল প্রদেশের কাঙরা জেলাতেই থাকতে চান।

    দলাই লামার ভারত পছন্দ…

    সম্প্রতি ঘটে যাওয়া ভারত-চিন সীমান্ত তাওয়াং-এ সংঘর্ষের প্রসঙ্গ এনে তাঁকে জিজ্ঞেস করা হলে, দলাই লামা (Dalai Lama) বলেন, “পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে। ইউরোপ, আফ্রিকা এবং এশিয়াতে – চিন আরও নমনীয় হচ্ছে। কিন্তু, চিনে ফিরে যাওয়ার কোনও কারণ নেই।” এই সংঘর্ষ নিয়ে তিনি চিনকে কিছু বার্তা দিতে চান কিনা, সেই নিয়ে তাঁকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, “চিনে ফিরে যাওয়ার কোনও কারণ নেই। ভারতই সেরা ও আমার পছন্দের জায়গা। পণ্ডিত নেহরুর পছন্দের জায়গা কাঙরাই আমার স্থায়ী ঠিকানা।”

    প্রসঙ্গত, ৯ ও ১০ ডিসেম্বর অরুণাচল প্রদেশের তাওয়াং জেলায় প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা এলাকায় ভারত ও চিন সেনার মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। তাওয়াংয়ে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা পার করে ভারতীয় জমিতে প্রবেশের চেষ্টা করেছে চিনের পিপলস লিবারেশন আর্মি। তারপর থেকে ফের ভারত ও চিনের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে তাওয়াং সেক্টরে উভয় পক্ষের সংঘর্ষে চিনা বাহিনীকে কড়া জবাব দিয়েছে ভারত। সংঘর্ষে ভারতীয় জওয়ানদের থেকে চিনা জওয়ানদের জখম হওয়ার সংখ্যা বেশি। ভারতে কোনও প্রাণহানি বা তেমন কোনও হতাহতের ঘটনা ঘটেনি বলে জানা গিয়েছে।

    আরও পড়ুন: মোদি সরকারের উপর আস্থা! ভারতীয় সেনার পাশে তাওয়াং মঠ

    এই ঘটনা নিয়ে প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং নিশ্চিত করেছিলেন যে, ৯ ডিসেম্বর ভারত-চিনের সেনা জওয়ানদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। আর এই সংঘর্ষে কয়েকজনই সামান্য আহত হয়েছিলেন। তিনি আরও জানিয়েছিলেন যে, এই ঘটনার পর চিনকে সীমান্তে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বলা হয়েছে।

    আর এসব নিয়েই দলাই লামাকে এদিন জিজ্ঞেস করা হলে তিনি পরোক্ষভাবে চিন প্রত্যাখ্যানের কথাই বলেন। আর বলেন যে, ভারতই শ্রেষ্ঠ। আর তিনি চিনে কখনওই ফেরত যাবেন না। উল্লেখ্য, দলাই লামা ২-৩ দিন দিল্লিতেই থাকবেন। কারণ তাঁর কিছু সভা আছে। এর পর তিনি কিছু অনুষ্ঠানে যোগ দিতে বিহারের বোধগয়া যাবেন।

  • Indo-China Relation: মোদি-দলাই শুভেচ্ছা বিনিময়, ক্ষুব্ধ চিন, জবাব দিল ভারত  

    Indo-China Relation: মোদি-দলাই শুভেচ্ছা বিনিময়, ক্ষুব্ধ চিন, জবাব দিল ভারত  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বালিতে (Bali) প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা (Line of Actual Control) থেকে সেনা সরানো নিয়ে বৈঠক করছে ভারত এবং চিন (Indo-China Meet)। এরই মাঝে দলাই লামাকে (Dalai Lama) কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি হল। ধর্মগুরুর জন্মদিনকে কেন্দ্র করে ফের দ্বিপাক্ষিক তিক্ততা তৈরি হল। বুধবার তিব্বতের ধর্মগুরু দলাই লামার জন্মদিনে, তাঁকে ফোন করে শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi)। বৃহস্পতিবার বিষয়টি নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বেজিং।    

    আরও পড়ুন: চিন থেকে উদ্ধার ৬০ লক্ষ বছরের পুরনো জায়েন্ট পান্ডার জীবাশ্ম

    চিনের চোখ রাঙানিকে অগ্রাহ্য করেই মোদি তাঁর ট্যুইটে শুভেচ্ছা জানানোর কথা জানিয়েছিলেন। তার চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে চিনের মুখপাত্র ঝাও লিঝিয়াং তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেছেন, “চতুর্দশ দলাই লামার চিনবিরোধী বিচ্ছিন্নতাবাদী ভূমিকার কথা ভারতের স্বীকার করা উচিত। তিব্বতের তাস খেলে চিনের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক গলানো বন্ধ করুক ভারত। ভারতের উচিত চিনের প্রতি দায়বদ্ধতাকে মাথায় রেখে বিচার-বিবেচনা করে কাজ করা।” 

    আরও পড়ুন: শাওমির পর এবার ভিভো, ইডি-র নজরে চিনা মোবাইল সংস্থা, দেশজুড়ে তল্লাশি  
     
    চিনের এই ঝাঁঝ বন্ধ মুখে সহ্য করেনি ভারত। ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচী এই মন্তব্যের জবাব দিয়ে বলেন, “ধর্মগুরু দলাই লামা ভারতের সম্মানীয় অতিথি। ভারত সরকার ধারাবাহিক ভাবে তাঁকে সে ভাবেই দেখে এসেছে। তিনি একজন সম্মানীয় ধর্মীয় নেতা এবং ভারতে তাঁর অনেক ভক্ত রয়েছেন। বিশ্বজুড়ে ভক্তরা তাঁর জন্মদিন পালন করেন। ভারতে তাঁকে ধর্মীয় চর্চার সমস্ত স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে। দলাই লামার ৮৭তম জন্মদিনে প্রধানমন্ত্রীর ফোন করে শুভেচ্ছা জ্ঞাপনকে এই সামগ্রিক প্রেক্ষাপটে দেখা উচিত।”    

    দলাই লামাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনও। তাঁকেও ঝাও লিঝিয়াং মনে করিয়ে দিয়েছেন, ‘‘তিব্বতের বিষয়টি একান্তই চিনের অভ্যন্তরীণ ব্যাপার। এই ব্যাপারে কোনও রকম বিদেশি হস্তক্ষেপ বরদাস্ত করবে না বেজিং।” 

    তিব্বতের সরকারের সঙ্গে অন্য দেশের সুসম্পর্ককে বরাবর চিন-বিরোধী পদক্ষেপ হিসেবেই দেখে এসেছে বেজিং। এর আগে তিব্বতি ধর্মগুরু ও নেতাদের ধর্মশালায় আলোচনাসভা আয়োজনের ছা়ড়পত্রও দিয়েছে ভারত। চিনের অভিযোগ, ওই সব সভায় তিব্বতে বিদ্রোহ উস্কে দেওয়ার ষড়যন্ত্র করা হয়। ভারত অবশ্য় এমন অভিযোগকে কোনওদিনই গুরুত্ব দেয়নি। 

     

  • Dalai Lama: স্বাধীনতা নয়, অর্থপূর্ণ স্বায়ত্তশাসন চাইছি, বললেন দলাই লামা  

    Dalai Lama: স্বাধীনতা নয়, অর্থপূর্ণ স্বায়ত্তশাসন চাইছি, বললেন দলাই লামা  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিনারা (Chinese) এখন বুঝতে পারছেন আমি স্বাধীনতা (Independence) চাইছি না বরং অর্থপূর্ণ স্বায়ত্তশাসন (Meaningful Autonomy) এবং তিব্বতি বৌদ্ধ সংস্কৃতির সংরক্ষণ চাইছি। বৃহস্পতিবার সাংবাদিক বৈঠকে একথাই বললেন তিব্বতি ধর্মগুরু দলাই লামা (Dalai Lama)।

    শুক্রবার লেহ যাওয়ার কথা দলাইয়ের। বৃহস্পতিবার ভোরে হিমাচল প্রদেশের ধর্মশালা ছাড়েন তিনি। পরে সেখান থেকে চলে যান জম্মু। বৃষ্টি উপেক্ষা করেও বহু মানুষ তাঁকে অভ্যর্থনা জানাতে হাজির ছিলেন সেখানে। এই জম্মু থেকেই তাঁর লেহ যাওয়ার কথা। তার আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন এই তিব্বতি ধর্মগুরু। তিনি বলেন, কিছু চিনা কট্টরপন্থী আমাকে একজন বিচ্ছিন্নতাবাদী বলে মনে করেন। তাঁরা সব সময় আমার সমালোচনা করেন। কিন্তু এখন চিনারা বুঝতে পারছেন আমি স্বাধীনতা চাইছি না। বরং অর্থপূর্ণ স্বায়ত্তশাসন চাইছি। তিনি বলেন, তিব্বতি বৌদ্ধ সংস্কৃতিরও সংরক্ষণ চাইছি আমি। তাঁর সফরে চিনের আপত্তির বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে দলাই বলেন, এটাই স্বাভাবিক। তবে চিনা জনগণ আপত্তি করছেন না। চিনারা বেশি করে তিব্বতীয় বৌদ্ধধর্মে আগ্রহ দেখাচ্ছেন। তিনি বলেন, কিছু চিনা পণ্ডিত বুঝতে পারছেন তিব্বতীয় বৌদ্ধধর্ম খুবই বৈজ্ঞানিক। পরিস্থিতি বদলাচ্ছে।

    আরও পড়ুন : চিনা যুদ্ধবিমান ছেড়ে ভারতের ‘তেজস’ কিনতে চলেছে মালয়েশিয়া?

    দেশে দেশে যুদ্ধের তিনি যে ঘোরতর বিরোধী, এদিন তা ফের উঠে এসেছে দলাইয়ের কথায়। তিব্বতি এই ধর্মগুরু বলেন, মানুষের কাছে আমার বার্তা, আমরা সকলে ভাইবোন। লড়াই করে কোনও লাভ নেই। আমার জাতি, আমার আদর্শের মতো সংকীর্ণ মানসিকতা থেকে লড়াই শুরু হয়। এই দৃষ্টিভঙ্গির ঊর্ধ্বে উঠতে হবে। আলাপ আলোচনার মাধ্যমে সব বিবাদের সমাধানের ওপর আরও একবার জোর দিয়েছেন তিব্বতি এই ধর্মগুরু। চলতি মাসের শুরুর দিকে জন্মদিন ছিল দলাইয়ের। তাঁকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্রে মোদি। তা নিয়ে মোদির সমালোচনা করে শি জিনপিংয়ের সরকার। যদি তাকে পাত্তাই দেয়নি নয়াদিল্লি। বিদেশ মন্ত্রকের তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়, দালাই লামা দেশের একজন সম্মানীয় অতিথি। তাঁকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানানো কর্তব্যের মধ্যেই পড়ে।

    আরও পড়ুন : বুমেরাং হচ্ছে চিনা ঋণের ফাঁদ?

     

  • Dalai Lama: দলাই লামাকে মোদির ফোন! জন্মদিনে বৌদ্ধ ধর্মগুরুর দীর্ঘায়ু কামনা করলেন প্রধানমন্ত্রী

    Dalai Lama: দলাই লামাকে মোদির ফোন! জন্মদিনে বৌদ্ধ ধর্মগুরুর দীর্ঘায়ু কামনা করলেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সারা বিশ্ব তাঁকে চেনে অথচ নিজের জন্মভূমিতে ফেরার অধিকার নেই তাঁর। তিনি হলেন তেনজিং গিয়াস্তো, চতুর্দশ দলাই লামা।  ১৯৩৫ সালের ৬ জুলাই উত্তর পূর্বের তাতসের গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। জন্মসূত্রে নাম ছিল লামো ধন্ডুপ। আজ তাঁর ৮৭-তম জন্মদিন। তিব্বতের বৌদ্ধ ধর্মগুরু দলাই লামা-র ৮৭তম জন্মদিনে তাঁকে শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দলাই লামার দীর্ঘায়ু ও সুস্বাস্থ্য কামনা করেন তিনি। ট্যুইটবার্তায় মোদি লেখেন, ‘ধর্মগুরু দলাই লামাকে আগেই ফোন করে তাঁর জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছি। তাঁর সুস্বাস্থ্য এবং দীর্ঘায়ু কামনা করি।’

    [tw]


    [/tw]

    তিব্বত আগ্রাসনকে কেন্দ্র করে বৌদ্ধ ধর্মগুরু দলাই লামার সঙ্গে চিনের বিরোধ বাধে। সেই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তিব্বতি বৌদ্ধ ধর্মের শীর্ষগুরু দলাই লামা ভারতের কাছে রাজনৈতিক আশ্রয় চান। ভারত দলাই লামাকে রাজনৈতিক আশ্রয় দিয়ে ধর্মশালায় তাঁকে সংঘ স্থাপনের জায়গা দেয়। সেই থেকে ধর্মশালাতেই স্বেচ্ছা নির্বাসনে রয়েছেন দলাই লামা। তাঁর জন্মদিনে এদিন দেশ ও বিদেশের বহু রাজনৈতিক নেতা ও রাষ্ট্রনেতারা অভিনন্দন বার্তা পাঠিয়েছেন।

    দলাই লামা কথাটির অর্থ হল জ্ঞানসাগর। তেনজিংয়ের মধ্যে ত্রয়োদশ দলাই লামার পুনর্জন্ম ঘটেছে বলে মাত্র দু’বছর বয়সে তিনি চিহ্নিত হন লামো হিসেবে। করুণার বোধিসত্ত্ব হিসেবে পুনর্জন্ম নেবেন বলে মৃত্যুর আগেই জানিয়ে গিয়েছিলেন ত্রয়োদশ দলাই লামা। ১৯৫০ সালে ছ’বছর বয়সে সন্ন্যাস গ্রহণ করেন দলাই লামা। তিব্বত সরকারের প্রধান হিসেবে তাঁকে অভিষিক্ত করার প্রস্তুতি শুরু হয়। ৬১ বছর আগে, ১৯৫৯-এর মার্চের এক রাতে চিনের লাল ফৌজের লালচক্ষু উপেক্ষা করে পথে নেমে পড়েছিলেন দলাই লামা। সঙ্গী ছিলেন তাঁর  বৃদ্ধা মা, বোন, ছোট ভাই আর তাঁর কয়েক জন আধিকারিক। জানতেন না, তাঁর সামনে কী ভবিষ্যত্‍‌ অপেক্ষা করছে। ১৯৫৯ সালের ৩ এপ্রিল ভারত দলাই লামাকে রাজনৈতিক আশ্রয় দেয়। তাঁর নির্বাসিত সরকারকে জায়গা দেওয়া হয় হিমাচল প্রদেশের ধরমশালায়। তার পর, সেখান থেকেই তিব্বত মুক্ত করার দাবিতে চিনবিরোধী আন্দোলন সংগঠিত করেছেন দলাই লামা। যার স্বীকৃতি স্বরূপ ১৯৮৯ সালে তিনি পান নোবেল শান্তি পুরস্কার।

    আরও পড়ুন: ‘স্মোকিং কালী’ বিতর্ক, হাত ছাড়ল দল, তৃণমূলকে আনফলো মহুয়ার

    ভারত সরকারের সঙ্গে দলাই লামার সম্পর্ক যথেষ্ট ভালো। করোনা মোকাবিলায়, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রশংসা করে চিঠি লেখেন দলাই  লামা। এমনকি করোনা মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর তহবিলে অনুদানও দেন তিনি। অসমে বন্যা দুর্গতদের সাহায্যেও এগিয়ে এসেছেন তিব্বতি ধর্মগুরু। তিনি মনে করেন ভারতই একমাত্র দেশ, যেখানে ইতিহাস ও আধুনিকতার মেলবন্ধন ঘটেছে। নিজেদের অতীত-ঐতিহ্যকে ধরে রেখে নতুনকে বরণ করেছে ভারত। 

LinkedIn
Share