Tag: dance

dance

  • Midnapore Medical College: মহিলা জুনিয়র ডাক্তারদের আইটেম গানে নাচ করতে বাধ্য করা হতো! অভিযুক্ত তৃণমূল ছাত্রনেতা

    Midnapore Medical College: মহিলা জুনিয়র ডাক্তারদের আইটেম গানে নাচ করতে বাধ্য করা হতো! অভিযুক্ত তৃণমূল ছাত্রনেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসকে ধর্ষণ করে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় রাজ্য সহ গোটাদেশ এখন তোলপাড়। সর্বত্র একটাই আওয়াজ উঠছে, অবিলম্বে দোষীর শাস্তি চাই। ঠিক এর মধ্যেই এবার মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজের (Midnapore Medical College) মহিলা জুনিয়র ডাক্তারদের ওপর ব়্যাগিংয়ের অভিযোগে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। মূল অভিযুক্ত টিএমসিপি (TMC student leader) ইউনিটের প্রভাবশালী নেতা মুস্তাফিজুর রহমান এবং তার অনুগামীরা। ইতিমধ্যে হবু চিকিৎসকরা আন্দোলনে নেমেছেন, তাঁদের দাবি একটাই, বহিষ্কার করতে হবে এই টিএমসিপি নেতাকে।

    প্রতিবাদ করলেই প্রাণে মারার হুমকি (Midnapore Medical College)

    মেডিক্যাল কলেজের (Midnapore Medical College) জুনিয়র ডাক্তারদের অভিযোগ, এই তৃণমূল ছাত্রনেতা মুস্তাফিজুর রহমান (TMC student leader) মহিলা জুনিয়র ডাক্তারদের আইটেম গানে নাচ করতে বাধ্য করত। বেছে বেছে সুন্দরী পড়ুয়াদের নাচ করতে বলা হতো। এর প্রভাব এতটাই যে কলেজে পাশ কে করবে, আর ফেল কে করবে, তাও ঠিক করত এই অভিযুক্ত। প্রতিবাদ করলেই প্রাণে মারার হুমকি দেওয়া হতো। আবার ওই তৃণমূল ছাত্রনেতা আরজি কর হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের ঘনিষ্ঠ। তাদের একাধিক ছবি সামাজিক মাধ্যমে দেখা গিয়েছে। ইতিমধ্যে জুনিয়র ডাক্তারদের প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার থেকে অভিযুক্ত মুস্তাফিজুরকে কলেজে আসতে বারণ করা হয়েছে। পড়ুয়াদের দাবি অভিযুক্তকে অবিলম্বে বহিষ্কার করতে হবে। ইতিমধ্যে কলেজের কর্তৃপক্ষ এই অভিযোগের বিষয় নিয়ে খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ আরজি করের ‘সন্দেহজনক’ মহিলা অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপারকে জিজ্ঞাসাবাদ সিবিআই-এর

    মুখ খুলতে সাহস দেখান না কেউ!

    সূত্রে জানা গিয়েছে, মেদিনীপুর মেডিক্যালের (Midnapore Medical College) ছাত্রনেতা (TMC student leader) মুস্তাফিজুর রহমান এতটাই প্রভাবশালী যে কলেজের চিকিৎসকেরাও মুখ খুলতে সাহস দেখান না। এই বিষয় নিয়ে কলেজের প্রিন্সিপাল মৌসুমি নন্দীও কিছু বলতে চাননি। হাসপাতালের শিশু চিকিৎসক বিভাগের প্রধান তারাপদ ঘোষ, অভিযুক্ত এই তৃণমূল ছাত্র নেতার কলেজে আসার নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে স্বীকার করেছেন।     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bankura: ভোটের মুখে ভাইরাল, মঞ্চে হাঁটুর বয়সি তরুণীর কোমর ধরে অশ্লীল নাচ তৃণমূল নেতার! 

    Bankura: ভোটের মুখে ভাইরাল, মঞ্চে হাঁটুর বয়সি তরুণীর কোমর ধরে অশ্লীল নাচ তৃণমূল নেতার! 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কার্যত টলমল করছে পা, মঞ্চে হাঁটুর বয়সি তরুণীর কোমর ধরে নাচলেন তৃণমূল নেতা। এই ঘটনার ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সামাজিক মাধ্যমে, বিজেপির পক্ষ থেকে যার তীব্র সমালোচনা করা হয়েছে। এই ঘটনা ঘটেছে বাঁকুড়ার (Bankura) ইন্দাসে। তবে রাজ্যের শাসক দলের নেতা এবং তাঁদের ঘনিষ্ঠদের বিরুদ্ধে সামজিক মাধ্যমে আগেও এই রকম অশ্লীল নাচের চিত্র এসেছে। শুধু তাই নয়, মালদা, নদিয়া, বীরভূম জেলার অনেক তৃণমূল নেতার ছেলের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগেও সরব হয়েছে বিজেপি।

    টলমলে পায়ে মঞ্চে উদ্দাম নাচ (Bankura)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এই তৃণমূল নেতার নাম মনোরঞ্জন নন্দী। তিনি বাঁকুড়ার (Bankura) ইন্দাস মঙ্গলপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের জুতবিহার বুথের সভাপতি। তিনি এলাকার দাপুটে নেতা। এলাকায় তৃণমূলের সূত্রে খবর, তাঁর হাত ধরে তৃণমূলের অনেক নেতা নিচু স্তর থেকে উপরে উঠেছেন। এলাকায় তাঁর ভূমিকা বিরাট। এবার একটি নাচের দৃশ্যে ব্যাপক ভাইরাল হয়েছেন তিনি। সেবাশ্রম মেলার একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে একটি চটুল নাচের আয়োজন করা হয়। ভিডিওতে দেখা গিয়েছে এক তরুণী মঞ্চে গান গাইছেন। সেই মঞ্চে নাচ করছেন এই তৃণমূল নেতা। হাঁটুর বয়সি তরুণীর কোমর ধরে নাচ করতে দেখা যায় তাঁকে। দেখা যায় তাঁর পা টলমল করছে। তিনি নেশাগ্রস্থ অবস্থায় মঞ্চে উদ্দাম নাচ করছেন। এই ঘটনায় সামজিক মাধ্যমে ব্যাপক শোরগোল পড়ে যায়। ইতিমধ্যে নিন্দার ঝড় উঠেছে রাজনৈতিক মহলে।

    বিজেপির বক্তব্য

    এই ঘটনায় বিষ্ণুপুর লোকসভার (Bankura) বিজেপি প্রার্থী সৌমিত্র খাঁ বলেন, “তৃণমূল কংগ্রেস সব কিছুতে শালীনতার সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছে। বুথের তৃণমূল নেতা সকলের সামনে অশ্লীল নাচ করছেন। তৃণমূল মানেই পয়সার বিলাস, তাঁরা সব সময় মজে থাকেন ফূর্তিতে। অত্যন্ত লজ্জাজনক ঘটনা।”

    তৃণমূলের বক্তব্য

    অপর দিকে বিষ্ণুপুর (Bankura) লোকসভার তৃণমূল প্রার্থী সুজাতা মণ্ডল বলেন, “বিজপি প্রার্থীর মস্তিস্ক বিকৃত তো ছিলই, এখন আরও বৃদ্ধি হয়েছে। তাঁর চোখমুখের ভাব দেখেই বোঝা যাচ্ছে, সারাক্ষণ সুজাতা নামক একটা টেনশনে থাকছেন। কে কোথায় নাচবে এবং কে কোথায় গাইবে, আমার আলাদা করে বলার কিছু নেই। এই নিয়ে দলেরও কিছু বলার নেই।”

      

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Howrah: হাওড়ায় পঞ্চায়েত বোর্ড গঠনের পরই চটুল গানে তৃণমূল নেতাদের নাচানাচি, বিতর্ক

    Howrah: হাওড়ায় পঞ্চায়েত বোর্ড গঠনের পরই চটুল গানে তৃণমূল নেতাদের নাচানাচি, বিতর্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েতের বোর্ড গঠনের দিন হাওড়ার (Howrah) বাঁকড়া -২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের অফিস লাগোয়া সরকারি ভবনে তৃণমূল কংগ্রেসের পঞ্চায়েত ও জেলা পরিষদের প্রার্থীদের চটুল গানের তালে তালে নাচানাচি করার অভিযোগ উঠল। সেই নাচের ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। যা নিয়ে তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক বিতর্ক।

    ভিডিওতে কী দেখা যাচ্ছে?(Howrah)

    এই ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, হাওড়া (Howrah) জেলা পরিষদের এক তৃণমূল কংগ্রেসের সদস্য শামসুল আলম তরফদার এবং বাঁকড়া ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান সহ আরও কয়েকজন সদস্যকে গায়ে সবুজ আবির মেখে আইটেম সং এর তালে তালে নাচতে। সানি লিওনের জনপ্রিয় আইটেম সং ‘লায়লা মে লায়লা’ গানের তালে তালে নাচতে থাকা শামসুল আলম তরফদার সহ অন্যদের ভিডিও বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। সাধারণ মানুষের বক্তব্য, এরা জন প্রতিনিধি। এরা সাধারণ মানুষকে সুস্থ সংস্কৃতি শেখাবে, তার বদলে যদি এরাই চটুল গানের তালে তালে নাচতে থাকে তাহলে তা দেখে সাধারণ মানুষ বা ছোট বাচ্চারা কী শিখবে?

    কী বললেন বিতর্কিত তৃণমূল নেতা?

    বিতর্কিত তৃণমূল নেতা শামসুল আলম তরফদার বলেন, এই নাচের মধ্যে কোথাও খারাপ কিছু দেখছি না। আর ওটা পঞ্চায়েত অফিস নয়। পঞ্চায়েত অফিসের পাশের একটি ভবন। তৃণমূল কংগ্রেস জানে কোথায় কী করতে হয়। যেখানে নাচ হচ্ছে কোথাও লেখা দেখাতে পারা যাবে না যে সেটা বাঁকড়া দু’নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত অফিস। তিনি বলেন, খুশিতে নেচেছি। আমি নাচতে পারি, গাইতে পারি। অনেক কিছুই করতে পারি। খেলতে পারি এবং খেলাতে পারি। সেটা যদি কেউ হিংসা করে তাতে আমি কী করব। এখনও আমার ভিতরে অনেক প্রতিভা লুকিয়ে আছে। সেটা সময়মতো দেখতে পাবেন।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    হাওড়ার (Howrah) বিজেপি নেতা উমেশ রায় বলেন, এর আগেও তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীদের দেখা গিয়েছে শহিদ দিবসে মেয়েদের নিয়ে পাগলু ডান্স করতে। তৃণমূল কংগ্রেসের কাছে এটা নতুন কিছু নয়। ওরা এটাও বোঝে না পঞ্চায়েত অফিস বা সরকারি কার্যালয় মানুষকে সেবা করার একটা মন্দির। এই লজ্জাকর ঘটনা ব্যাখ্যা করার ভাষা নেই আমাদের কাছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dance: তৃণমূল নেতার গলা জড়িয়ে চটুল নাচ সুন্দরী নর্তকীর, টাকা ছড়াচ্ছেন নেতা, কোথায় দেখে নিন

    Dance: তৃণমূল নেতার গলা জড়িয়ে চটুল নাচ সুন্দরী নর্তকীর, টাকা ছড়াচ্ছেন নেতা, কোথায় দেখে নিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ তৃণমূল নেতার গলা জড়িয়ে চটুল নাচ (Dance) করছেন এক সুন্দরী তরুণী। আর ওই তৃণমূল নেতা তা তাড়িয়ে তাড়িয়ে শুধু উপভোগ করছেন না, ওই নর্তকীর উপর টাকা ছড়াচ্ছেন তিনি। ঘটনাটি পান্ডবেশ্বর ব্লকের। আর ওই তৃণমূল নেতার নাম সন্তোষ পাশোয়ান। পাণ্ডবেশ্বর পঞ্চায়েত সমিতির তিনি কর্মাধ্যক্ষ। এই তৃণমূল নেতার এমন ছবি ভাইরাল হতেই তোলপাড় জেলার রাজনীতি। এমনিতেই চাকরি দুর্নীতি ইস্যুতে জেরবার শাসক দল। এরমধ্যেই পাণ্ডবেশ্বর ব্লকের এই তৃণমূল নেতার এক নর্তকীর সঙ্গে এরকম আচরণ করতে দেখে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। এই বিষয়ে সন্তোষবাবু বলেন, আমি নিমন্ত্রণ রক্ষা করতে গিয়েছিলাম। কী অনুষ্ঠান ছিল তা জানতাম না। কিছুক্ষণ বসে থাকার পর আমি চলে আসছিলাম। সেই সময় এই তরুণী আমার সামনে চলে আসে। আমি তো তার সঙ্গে কোনও নাচ (Dance)  করিনি। আমি তাঁর সামনে শুধু দাঁড়য়েছিলাম। তারপরই আমি চলে আসি। সামান্য বিষয় নিয়ে বিজেপি এখন রাজনীতি করছে। এসব করে কোনও লাভ হবে না।

    দলীয় নেতার সঙ্গে নর্তকীর চটুল নাচ নিয়ে কী বললেন তৃণমূলের ব্লক নেতৃত্ব? Dance

    সামনেই পঞ্চায়েত নির্বাচন। ইতিমধ্যেই বুথে বুথে প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে। এরইমধ্যে পাণ্ডবেশ্বরের ব্লক নেতার ভাইরাল হওয়া ভিডিও নিয়ে দলের নীচুতলার কর্মীদের মধ্যে জোর চর্চা চলছে। এই বিষয় নিয়ে পান্ডবেশ্বর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি কিরীটি মুখোপাধ্যায় বলেন, ভিডিওটি পুরানো। বিষয়টি আমি জানতাম। পরে, ভিডিওটি দেখেছি। সন্তোষ এক জায়গায় দাঁড়িয়েছিল। ও কোনও নাচ (Dance)  করেনি। মহিলাই নাচ করছিল। তাই, আর আচরণ কোনও খারাপ ছিল না। আসলে সামনে পঞ্চায়েত নির্বাচন। আমাদের সংগঠন আর উন্নয়নের সঙ্গে বিজেপি পেরে উঠছে না । তাই, এই ধরনের ভিডিও ভাইরাল করে আমাদের দলকে বদনাম করার চেষ্টা করছে।  ওরা নোংরা রাজনীতির করছে। এসব করে কোনও লাভ নেই। কারণ, এবার নির্বাচনেও তৃণমূল ভাল ফল করবে।

    এই বিষয়ে বিজেপি নেতা জীতেন চট্টোপাধ্যায় বলেন, শুধু শিক্ষা চুরি, চাকরি চুরি নয়, তৃণমূল শাসনে এই বাংলার সংস্কৃতিকেও নষ্ট করছে। ভিডিওতে ওই তৃণমূল নেতা ওই নর্তকীর উপর খোশ মেজাজে টাকা ওড়াচ্ছিল তা সকলেই দেখতে পাচ্ছেন। একজন জনপ্রতিনিধির এই ধরনের আচরণ সমর্থণ করা যায় না। আসলে যে দলে দুর্নীতির জন্য একের পর এক নেতা জেলে যাচ্ছেন তাদের কাছে এসব চটুল নাচ কিছুই নয়। তবে, এটা বাংলার সংস্কৃতিকে নষ্ট করছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Howrah: মদ খেয়ে জলসার আসরে স্কুলের প্রধান শিক্ষক! জামা খুলে তরুণীর সঙ্গে নাচ

    Howrah: মদ খেয়ে জলসার আসরে স্কুলের প্রধান শিক্ষক! জামা খুলে তরুণীর সঙ্গে নাচ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৫ ডিসেম্বর বড়দিনের রাতে এলাকায় বসেছিল নাচের জলসা। এই জলসায় চলছিল চটুল গানের তালে তালে নাচ। সেই সঙ্গে চলছিল বিকৃতি অঙ্গভঙ্গ এবং অশ্লীল আচরণ। মঞ্চে দেখা গিয়েছে এক বয়স্ক ব্যক্তি জামা খুলে কোমরে বেঁধে নাচ করছে। শুধু তাই নয় মদ্যপ অবস্থায় তরুণীর সঙ্গে ধামাকা নাচ চলছিল। প্রথমে এলাকার লোক বুঝতে না পারলেও পরে বুঝতে পারেন তিনি স্কুলের প্রধান শিক্ষক। এই ঘটনার ভিডিও ভাইরাল হতেই হাওড়ায় (Howrah) উলুবেড়িয়ায় তীব্র শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

    কে এই শিক্ষক (Howrah)?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, উলুবেড়িয়ার (Howrah) শ্যামপুর ১ নম্বর ব্লকের বিনোদচক তপশিলি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। তার নাম চন্দন দে। তিনি অসুস্থ তাই তার মেয়ে হয়ে স্কুলে যায়। মঙ্গলবার ছিল স্কুলে ‘বুক ডে’, ছাত্রদের বই দেওয়ার কাজ চলছিল। স্কুলে প্রধান শিক্ষক ছিল না, অবশ্য মেয়েকে বাবার কথা জিজ্ঞেস করলে অত্যন্ত রেগে যায়।

    মেয়ের বক্তব্য

    স্কুলের (Howrah) প্রধান শিক্ষকের মেয়ে রিয়া দে বলে, “বাবা অনুমতি নিয়ে আমাকে স্কুলে আসতে বলেছেন। বাবা অসুস্থ তাই আমি স্কুলে আসি। আমিই তাঁর হয়ে পড়াচ্ছি ক্লাসে। এই বিষয় গ্রামের সকলেই জানেন। তাত ক্ষতি কী? বাবার স্কুল কামাইকে আমি মেকআপ দিচ্ছি।” সাংবাদিকরা প্রধান শিক্ষকের আসনে বসা মেয়ের ছবি তুলতে গেলে ক্যামেরা ম্যানকে ধাক্কা মারেন। সূত্রের খবর, প্রধান শিক্ষক অসুস্থার ভান করে মদ খায়। স্কুলে আসেনা। নিজের দায়িত্ব এবং কর্তব্যকে মেয়ের হাতে ছেড়ে দিয়ে অসামাজিক কাজ করে থাকে। ফলে এলাকার মানুষের মধ্যে এই নিয়ে তীব্র ক্ষোভ দেখা গিয়েছে।

    অভিভাবকদের বক্তব্য

    স্কুলের (Howrah) প্রধান শিক্ষকের এই আচরণের বিরুদ্ধে পড়ুয়াদের অভিভাবকেরা তীব্র অসন্তোষ ব্যক্ত করছেন। তাঁরা বলেন, “দীর্ঘদিন ধরেই প্রধান শিক্ষক চন্দন দে স্কুল আসে না। তার পরিবর্তে মেয়ে রিয়া দে স্কুল চালায়। কিছু জিজ্ঞেস করলে কটূক্তি করে। এরপর ভয়ে আর কেউ কিছু বলে না।” এছাড়াও অভিভাবক পরিতোষ পাত্র বলেন, “অসুস্থ হলে মেডিক্যাল সার্টিফিকেট কোথায়, তা নেই বরং জলাসায় নাচ করতে দেখা যাচ্ছে। ফলে তিনি অসুস্থ কীভাবে? অপর দিকে বিদ্যালয় পরিদর্শক নীলাঞ্জন দির্ঘাঙ্গী বলেন, “ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ অনুমতি ছাড়া কোনও কথা বলব না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share