Tag: darjeeling tourism

darjeeling tourism

  • Darjeeling: পাহাড়ে অনলাইনে হোটেল বুক করে পর্যটক দেখছেন, তার অস্তিত্বই নেই!

    Darjeeling: পাহাড়ে অনলাইনে হোটেল বুক করে পর্যটক দেখছেন, তার অস্তিত্বই নেই!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনলাইনে হোটেল বুক করে এসে পর্যটকরা দেখছেন, তাঁদের নামে সেই হোটেলে কোনও বুকিং হয়নি। আবার কোনও ক্ষেত্রে সেই হোটেলের অস্তিত্বই নেই। গত ১০ মাসে দার্জিলিং জেলা পুলিশে মোট পাঁটশোরও বেশি এ ধরনের প্রতারণার অভিযোগ দায়ের হয়েছে। তারপরেও এই প্রতারণা বন্ধ হয়নি। অভিযোগকারীদের অধিকাংশই টাকা ফেরৎ পাননি। এই সাইবার ক্রাইম প্রতারণা নিয়ে উদ্বেগে রয়েছেন পর্যটন ব্যবসায়ীরা।

    প্রতারিত পর্যটকদের অভিজ্ঞতা

    অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপত্তনম থেকে এম ভিট্টাল নামে এক ব্যক্তি গত ২৩ জুন দার্জিলিং (Darjeeling) ও গ্যাংটক ভ্রমণের পরিকল্পনা করেছিলেন। গুগল সার্চের মাধ্যমে যোগাযোগ করে তিনি ১ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা প্রতারিত হন। এনিয়ে তিনি গত ১৩ জুন অভিযোগ দায়ের করেন। তিনি জানিয়েছেন, রাহুল রায় নামে এক ব্যক্তি ফোনে যোগাযোগ করার পর হোয়াটসঅ্যাপে সব কিছু আদান-প্রদান হয়। তারপর তার কথামতো একটি ব্যাঙ্কে ফোন-পে করে তাকে ১ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা জমা করি। তার সব প্রমাণ রয়েছে। কিন্তু টাকা জমা দেওয়ার সাত দিন পর তার ফোনে ফোন করে পাওয়া যায়নি। এসএমএসেরও কোনও উত্তর মেলেনি। 

    গত ২৩ সেপ্টেম্বর এরকমই প্রতারণার অভিযোগ করেন তানিয়া সুলতানা। তাঁর অভিযোগ, গুগল সার্চ করে দার্জিলিংয়ে (Darjeeling) হোটেল বুক করেছিলাম। সেই মতো ফোন-পে’তে টাকা পাঠাই। কিন্তু সপরিবারে দার্জিলিঙে এসে দেখি আমাদের নামে কোনও হোটেল বুকিং হয়নি। একের পর এক অভিযোগ জমা পড়লেও পুলিশ এর কুলকিনারা করতে পারেনি। এতে দার্জিলিঙে ঘুরতে আসা নিয়ে বাইরের পর্যটকদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। যা দার্জিলিংয়ের পর্যটন ব্যবসাকে বিপর্যয়ের মুখে ঠেলে দিচ্ছে বলে মনে করেন ট্যুর অপারেটররা। পুলিশ-প্রশাসনের ভূমিকায় কার্যত তারা হতাশ।

    কী  বলছে পুলিশ প্রশাসন (Darjeeling)

    দার্জিলিং জেলার পুলিশ সুপার প্রবীণ প্রকাশ বলেন, বিভিন্ন সময়ে পর্যটকদের অভিযোগ নিয়ে স্থানীয় হোটেল, রিসর্ট মালিকদের সঙ্গে একাধিকবার আলোচনায় বসে অ্যাপ ও কিউ আর কোড চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তা কার্যকর করা হয়েছে। এই অ্যাপ এবং কিউআর কোডের সাহায্যে গুগল সার্চে গিয়ে পর্যটকরা দার্জিলিংয়ের (Darjeeling) হোটেল, রিসর্ট, হোমস্টে গাড়ির যাবতীয় তথ্য ও সহযোগিতা পাবেন। যে কোনও সমস্যায় প্রশাসনের সহযোগিতাও পাবেন পর্যটকরা।

    আশার আলো দেখছেন না ট্যুর অপারেটররা 

    হিমালয়ান হসপিটালিটি ট্যুরিজম ডেভেলপমেন্ট নেটওয়ার্কের সম্পাদক সম্রাট সান্যাল বলেন, অ্যাপ ও কিউআর কোডের সাহায্যে পর্যটকরা হোটেল সম্পর্কে তথ্য জানতে পারবেন। এ ধরনের অ্যাপে পর্যটকদের (Darjeeling) সঙ্গে প্রতারণার ঘটনা বন্ধ হবে না। সাইবার ক্রাইম শাখাকে শক্ত হাতে মোকাবিলা করতে হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Homestays in Darjeeling: পুজোয় গন্তব্য পাহাড়? মমতার সাধের হোমস্টে নিয়ে কিন্তু অভিযোগের অন্ত নেই

    Homestays in Darjeeling: পুজোয় গন্তব্য পাহাড়? মমতার সাধের হোমস্টে নিয়ে কিন্তু অভিযোগের অন্ত নেই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভাবছেন পাহাড়ের কোলে হোমস্টে’তে (Homestays in Darjeeling) পরিবার নিয়ে পুজোর কটা দিন সুন্দরভাবে কাটাবেন। অনেকে বুকিং সেরেও ফেলেছেন। আবার অনেকে খোঁজখবর করছেন। কিন্তু হোমস্টে’তে আসার পর ধাক্কা খেতে হতে পারে। কারণ পর্যটকরা বারবার অভিযোগ করছেন, অধিকাংশেরই থাকার ব্যবস্থা অস্বাস্থ্যকর, খাবার খুবই সাধারণ। যা দেখে ঘোরার আনন্দটাই মাটি হয়ে গেছে তাঁদের। একবার যাঁরা থেকেছেন, আর হোমস্টে’তে আসছেন না-একথা বলছেন খোদ ট্যুর অপারেটররাও।

    কেন এই অবস্থা?

    ভুক্তভোগীরা বলছেন, পরিকাঠামো উন্নয়নে যথেষ্ট খামতি রয়েছে। রাস্তা ভালো নেই।  হাতের কাছে জরুরি চিকিৎসা পরিষেবাও মেলে না। পাহাড়ের গ্রামীণ এলাকার মানুষের কর্মসংস্থানের নতুন দিশা হিসেবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হোমস্টে’কে বড় করে দেখিয়েছিলেন। কিন্তু প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো গড়ে তোলার ক্ষেত্রে রাজ্য সরকারের উদাসীনতা ও নীতি নির্ধারণের দুর্বলতার কারণেই পাহাড়ের হোমস্টে থেকে পর্যটকরা মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন বলে অভিযোগ। কেননা পর্যটকরা প্রত্যাশামতো পরিষেবাও পাচ্ছেন না। থাকার ব্যবস্থা আহামরি নয়। খাবারের ক্ষেত্রে বিভিন্ন সময়ে অভিযোগ জানিয়ে গিয়েছেন পর্যটকরা।
    ইস্টার্ন হিমালয়ান ট্যুর অ্যান্ড ট্রাভেল অপারেটর্স অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক সন্দীপন ঘোষ বলেন, ভিন রাজ্য ও দেশের পর্যটকরা এখানকার হোম স্টে (Homestays in Darjeeling) থেকে মুখ ফিরিয়ে রেখেছেন। প্রত্যেকেই পয়সা খরচ করে ঘুরতে আসেন পরিবারকে নিয়ে কয়েকটি দিন রিল্যাক্স করার জন্য। এখানকার হোম স্টেগুলি সেভাবে গড়ে ওঠনি। পরিষেবা সহ সামগ্রিক ব্যবস্থা ভালো না হওয়ায় বাইরের পর্যটকরা আসতে চান না।

    অসুখ আরও গভীরে

    একাধিক হোমস্টে অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি, কমিউনিটি ট্যুরিজমের অন্যতম কর্তা দেবাশিষ চক্রবর্তী বলেন, ঠিকমতো পরিকাঠামে গড়ে না ওঠায় এখানে হোমস্টে ক্রমশ পিছিয়ে পড়ছে। তার মধ্যে কলকাতার একদল হোটেলিয়ার্স লিজ নেওয়ার পর থেকে এখানকার হোমস্টের আরও পতন শুরু হয়েছে। সস্তার বুকিংয়ে (Homestays in Darjeeling) মুনাফা করার জন্য হোটিলিয়ার্সরা যে পর্যকদের এখানে পাঠাচ্ছেন, তাঁরা ইচ্ছেমতো আমোদ-প্রমোদ করে ঘুরে যাচ্ছেন। এতে পাহাড়ের গ্রামীণ এলাকার নিজস্ব সংস্কৃতি, পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। শান্ত নিরীহ গ্রামীণ এলাকার আগামী প্রজন্মের কাছে বিপথগামীতার পথ খুলে দিচ্ছে। এতে হোমস্টে পাহাড়ের গ্রামবাসীদের কাছে আতঙ্কের হয়ে উঠেছে। এব্যাপারে রাজ্য সরকারের কোনও খেয়াল নেই।

    হোমস্টে নিয়ে বিজেপি সাংসদ উদ্বেগে

    দার্জিলিংয়ের সাংসদ রাজু বিস্তা বারবার বলে আসছেন,  হোমস্টে (Homestays in Darjeeling) থেকে পাহাড়ের মানুষের কোনও লাভ হয়নি। সম্প্রতি পাহাড়ে তিনি সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, নিজস্ব সম্পত্তিতে গ্রামের নিরীহ মানুষ কর্মচারী হয়ে কাজ করছেন। কেউ স্বনির্ভর হয়ে ওঠেননি।

    তাহলে বাঁচার পথ?

    সন্দীপন ঘোষ ও দেবাশিষ চক্রবর্তী বলেন, সম্প্রতি সিকিম সরকার বাইরের কাউকে হোমস্টে (Homestays in Darjeeling) লিজ দেওয়া বন্ধ করেছে। এখানেও রাজ্য সরকারকে সেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে। সেই সঙ্গে হোমস্টের ঘর ও অন্যান্য ব্যবস্থা আকর্ষণীয় করে তুলতে হবে। খাবারের মানের দিকেও নজর দেওয়া দরকার। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share