Tag: Darjeeling

Darjeeling

  • Darjeeling: দার্জিলিং বেড়াতে গেলে এবার পর্যটকদের মাথা পিছু দিতে হবে কর

    Darjeeling: দার্জিলিং বেড়াতে গেলে এবার পর্যটকদের মাথা পিছু দিতে হবে কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দার্জিলিং (Darjeeling) ঘুরতে গেলে দিতে হবে পর্যটকদের মাথা পিছু কর। সোমবার এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে দার্জিলিং পুরসভা। এই সিদ্ধান্তের কথা ইতিমধ্যে হোটেল এবং পর্যটন ব্যবসায়ীদেরও জানানো হয়েছে। ইতিমধ্যে করের কূপন হোটেলগুলিতে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে আগেও এই করের ব্যবস্থা ছিল। মাঝে বন্ধ ছিল। সূত্রে জানা গিয়েছে, দার্জিলিং পুরসভাকে জঞ্জাল মুক্ত রাখতে এই কর নেওয়া হবে। অবশ্য পর্যটন ব্যবসায়ী এবং হোটেল মালিকরা অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তবে কর শুধুমাত্র পুরসভা এলাকার মধ্যেই কার্যকর থাকবে বলে জানা গিয়েছে।

    পুরসভার বক্তব্য (Darjeeling)

    ফের কর বিষয়ে দার্জিলিং পুরসভার পুরপ্রধান দীপেন ঠাকরি বলেন, “শহরের জঞ্জাল সাফ করার জন্য কর নেওয়া হবে। এই কর কোনও নতুন বিষয় নয়। জিএনএলএফ-এর সময় এবং বিমল গুরুংয়ের সময়ও এই কর গ্রহণের চলছিল। মাঝখানে সাময়িক বন্ধ ছিল। তবে গত ৩০ বছর ধীরে এই কর নেওয়ার ব্যবস্থা চালুছিল। পাহাড়ের জঞ্জাল পরিষ্কার করে জনস্বাস্থ্যকে ঠিকঠাক রাখা এবং পুরসভার পরিষেবা আরও ভালো রাখতেই এই কর নেওয়া হবে। করের অঙ্ক আগের পরিমাণই ২০ টাকাই রাখা হয়েছে।” এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে আরও তিনি বলেন, “সকলের সঙ্গে আলোচনা করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে আগে এই করের হিসাব রাখা হতো না, এবার থেকে নিয়ম মেনে টেন্ডার ডেকে কাজ করা হবে।”

    পর্যটন উন্নয়ন সংযোগকারী সংস্থার বক্তব্য

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, হিমালয়ান হসপিটালিটি অ্যান্ড ট্যুরিজম ডেভলেপমেণ্ট নেটওয়ার্কের সম্পাদক সম্রাট স্যনাল বলেন, “আমাদের সঙ্গে পুরসভা (Darjeeling) কোনও রকম আলোচনা না করেই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।” এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, “আগেও কর নেওয়া হতো। মাঝে কিছুদিন বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। এখন শুধুমাত্র বিজ্ঞাপন পেয়েছি। বিস্তৃত বিবরণ পাইনি। সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সকলের সঙ্গে আলোচনা করলে ভালো হতো।”  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Toy Train: দার্জিলিংয়ে ফের লাইনচ্যুত হল টয় ট্রেন, আতঙ্কিত পর্যটকরা

    Toy Train: দার্জিলিংয়ে ফের লাইনচ্যুত হল টয় ট্রেন, আতঙ্কিত পর্যটকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের দার্জিলিংয়ে লাইনচ্যুত হল টয় ট্রেন (Toy Train) । ট্রেনের কামরা থেকে ইঞ্জিন খুলে যায়। আতঙ্কিত হয়ে পড়েন পর্যটকরা। এর আগে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি এবং মার্চ মাসের প্রথম দিকে পর পর দুবার টয় ট্রেন দুর্ঘটনার কবলে পড়েছিল। এরপর প্রায় ৬ মাস সেরকম দুর্ঘটনা কোনও খবর ছিল না। এদিন ফের দুর্ঘটনায় পর্যটকদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।

    ঠিক কী করে দুর্ঘটনা ঘটল?  (Toy Train)

    স্থানীয় ও পর্যটক সূত্রে জানা গিয়েছে,  শনিবার সকালে পর্যটকদের নিয়ে শিলিগুড়ির দিকে রওনা হয় টয় ট্রেনটি। ট্রেনে (Toy Train) ভালই পর্যটক ছিল। ঘুম স্টেশন পর্যন্ত ঠিকঠাকভাবে চললেও স্টেশন থেকে ট্রেনটি ছাড়তেই ইঞ্জিনটি খুলে গিয়ে লাইনচ্যুত হয়ে পড়ে। হুড়মুড় করে থেমে যায় টয় ট্রেনটি। যদিও দুর্ঘটনায় পর্যটকদের জখম হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। ঘটনার পর পরই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের লোকজন এসে টয় ট্রেনটিকে লাইন থেকে তোলার উদ্যোগ নেয়। যদিও ঘটনার পর আতঙ্কিত হয়ে পড়েন পর্যটকরা।

    পর্যটকরা কী করলেন?

    এদিন টয় ট্রেন (Toy Train) থেকে অনেক পর্যটক দার্জিলিং থেকে শিলিগুড়ি ফেরার পরিকল্পনা নিয়েছিলেন। অনেকে আবার টিকিটও কেটেছিলেন। কিন্তু, এই ঘটনার পর ট্রেনে ফেরার সফর বাতিল করেন। মনোজ চট্টোপাধ্যায় নামে এত পর্যটক বলেন, কোনওদিনই টয় ট্রেনে চাপা হয়নি। পরিবারের সঙ্গে এদিন টয় ট্রেনে যাওয়ার পর পরিকল্পনা করেছিলাম। বাস্তবে সকালে যা হল তাতে আর ওই ট্রেনে ফেরার কোনও ইচ্ছে নেই। সায়ন ঘোষ নামে আর এক পর্যটক বলেন, এখানে সবাই পরিবার-পরিজন, বন্ধুবান্ধব নিয়ে যাত্রা করছি। কাজেই দুশ্চিন্তা হচ্ছে। আর হেরিটেজ টয় ট্রেন মাঝে মধ্যেই লাইনচ্যুত হওয়ার খবর শুনি। কিন্তু এ বার সেটা যে আমাদে সঙ্গেই ঘটবে তা কল্পনাও করতে পারিনি।

    রেল আধিকারিকের কী বক্তব্য?

     উত্তর-পূর্ব ভারতের রেলের জনসংযোগ আধিকারিক সব্যসাচী দে বলেন, টয় ট্রেনটি (Toy Train) উদ্ধারের কাজ চলছে। যাত্রীদের বিকল্প দিনের কথা জানানো হয়েছিল। কিন্তু তাঁরা সড়কপথে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাই তাঁদের টিকিটের টাকা ফিরিয়ে দেওয়া হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Darjeeling: দার্জিলিংয়ে দাপট দেখাচ্ছে ডেঙ্গি, উদ্বেগে পাহাড়বাসী, চিন্তা পুজোর পর্যটক নিয়েও

    Darjeeling: দার্জিলিংয়ে দাপট দেখাচ্ছে ডেঙ্গি, উদ্বেগে পাহাড়বাসী, চিন্তা পুজোর পর্যটক নিয়েও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাহাড়ে উড়ছে মশা। চিন্তায় পর্যটন ব্যবসায়ীরা। কেননা আশ্চর্যজনকভাবে পাহাড়েও ডেঙ্গি ছড়াচ্ছে। ইতিমধ্যেই দার্জিলিং (Darjeeling) পাহাড়ি এলাকায় প্রায় ২৫ জন ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন। যা স্বাস্থ্য দফতরকেও চিন্তায় ফেলেছে। জেলা স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, গত বছর সেই সংখ্যা ছিল মাত্র পাঁচ। এক ধাক্কায় সংখ্যাটি বেড়ে যাওয়ার কারণে উদ্বেগ বাড়ছে চিকিৎসক মহল থেকে শুরু করে জেলা প্রশাসনের অন্দরে। তবে, পরিস্থিতি এখনও নিয়ন্ত্রণে বলে দাবি জেলাশাসক পুন্নমবালম এসের।

    পাহাড়ের ডেঙ্গু নিয়ে পর্যটকদের উদ্বেগ, চিন্তায় পর্যটন ব্যবসায়ীরা

    উচ্চতার কারণে পাহাড়ে মশা থাকে না। এমনই ধারণা ছিল এতদিন। যার জন্য পাহাড়ে মশারির ব্যবহার সেভাবে ছিল না। দার্জিলিংয়ের সোনাদার বাসিন্দা প্রেম রাই বলেন, মশার উপদ্রব ছিল না পাহাড়ে। তাই এতদিন সমতলে গিয়ে মশার উপদ্রবে অসহ্য লাগত। কিন্তু এখন পাহাড়েও মশার উপদ্রব বাড়ছে। ডেঙ্গিতেও এখানে মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে। তাই মশারি ব্যবহার করতে হচ্ছে সকলকে। যা আগে করতে হত না। প্রতি বছর সর্বত্র অগাস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসে ডেঙ্গির সংক্রমণ ব্যাপক আকার নেয়। এবার পাহাড়েও যদি সেই চিত্র দেখা দেয় তাহলে আতঙ্কে পুজোর পর্যটন মরশুমে পর্যটকরা পাহাড় থেকে মুখ ফেরাতে পারেন বলে আশঙ্কা ট্যুর অপারেটরদের। উত্তরবঙ্গের এক ট্যুর অপারেটর সাধন রায় ও দেবাশিস মিত্র বলেন, পাহাড়ে এবার আশ্চর্যজনকভাবে ডেঙ্গির সংক্রমণ বাড়তে থাকায় আমরা চিন্তায় রয়েছি। বাইরের অনেক পর্যটকই দার্জিলিংয়ের (Darjeeling) ডেঙ্গি পরিস্থিতি নিয়ে খোঁজ খবর নিচ্ছেন। এক মাসের মধ্যে ডেঙ্গি ব্যাপক আকার নিয়েছে। এর জেরে পুজোয় পর্যটন ব্যবসায় তার ভাল প্রভাব পড়তে পারে।

    কী বললেন এলাকাবাসী?

    পাহাড়ের চরিত্রের বিরুদ্ধে মশা ও ডেঙ্গির বিস্তারের পিছনে অপরিচ্ছন্ন পরিবেশকেই দায়ী করছেন সকলে। দার্জিলিংয়ের (Darjeeling)  বাসিন্দাদের প্রায় সকলেই মনে করেন, দার্জিলিংয়ে নাগরিক পরিষেবা ভেঙে পড়ার জন্য সর্বত্র নোংরা পরিবেশ তৈরি হয়েছে। হোটেল এবং বসতি বেড়েছে।  নিকাশি ব্যবস্থা বেহাল। ফলে, জায়গায় জায়গায় জল জমে থাকছে। একারণে পাহাড়ে  মশার বংশবৃদ্ধি হয়েছে।

     কী বললেন জেলা প্রশাসনের আধিকারিকরা?

    জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক তুলসী প্রামাণিক বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণেই রয়েছে। পাহাড়ের পর্যটনে ডেঙ্গি যাতে সমস্যার কারণ না হয়ে ওঠে সেদিকে আমাদের নজর রয়েছে।  জেলাশাসক এস পন্নমবালম বলেন, ডেঙ্গু মোকাবিলায় এবার যথেষ্ট সতর্ক দার্জিলিং (Darjeeling) জেলা প্রশাসন। পাহাড়ের প্রতি বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে। এলাকায় সার্ভে চালাচ্ছে ভেক্টর কন্ট্রোল টিমের সদস্যরা। জোর দেওয়া হয়েছে সচেতনতামূলক প্রচারে। নজর দেওয়া হয়েছে সাফাইয়ের কাজেও। শুধু নালা-নর্দমা নয়, সংলগ্ন এলাকাগুলি যাতে পরিচ্ছন্ন থাকে সেদিকেও নজর দেওয়া হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election: তৃণমূলের একী অবস্থা! পাহাড়ে শাসকদল কত আসনে প্রার্থী দিয়েছে জানেন?

    Panchayat Election: তৃণমূলের একী অবস্থা! পাহাড়ে শাসকদল কত আসনে প্রার্থী দিয়েছে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাহাড়ের প্রচুর উন্নয়ন করেছে রাজ্য সরকার। এমনই দাবি করেন শাসক দলের নেতা মন্ত্রীরা। অথচ সেই পাহাড়ে দ্বিস্তর পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election) দার্জিলিং ও কালিম্পং জেলার জিটিএ সব আসনেই প্রার্থী দিতে পারল না তৃণমূল। রাজ্যের শাসকদলের পাহাড়ে কেন এই করুণ অবস্থা? যেখানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধায়ের  ঘনঘন পাহাড় সফর করে দাবি করেন তিনি পাহাড়ের ঢালাও উন্নয়ন করেছেন। পাহাড়ে এসে রাস্তায় বেরিয়ে দোকানে ঢুকে মোমো বানিয়েছেন, সাধারণ মানুষের  বাড়িতে ঢুকে দাওয়ায় বসে  চা খেয়েছেন, রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে থাকা কোনও মায়ের কোল থেকে শিশুকে কোলে নিয়ে আদর করেছেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধায়ের পাহাড়বাসীর কাছে,’ আমি তোমাদের লোক ‘ প্রমাণের এই মরিয়া চেষ্টা ফ্ল্যাশের ঝলকানিতে ঝলমল করছে। কিন্তু, এসব করেও পাহাড়বাসীর মন নাড়া দিতে পারেনি তিনি। পাহাড়বাসীর আস্থা অর্জনে ব্যর্থ বলেই পঞ্চায়েত নির্বাচনে সারা পাহাড়ে ৫০ জন প্রার্থীও খুঁজে পায়নি মমতা বন্দ্যোপাধায়ের দল তৃণমূল কংগ্রেস। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

    পাহাড়ে কত আসনে প্রার্থী দিল তৃণমূল?

    পাহাড়ে দ্বিস্তর পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election) দার্জিলিং ও কালিম্পং জেলার জিটিএ এলাকায় গ্রাম পঞ্চায়েত এবং পঞ্চায়েত সমিতি মিলিয়ে মোট ১১১১ টি আসন রয়েছে। সেখানে সবমিলিয়ে তৃণমূল মাত্র ৪৯ টি আসনে প্রার্থী দিতে পেরেছে। দার্জিলিংয়ে ৭০ টি গ্রাম পঞ্চায়েতের ৫৯৮টি আসন রয়েছে। আর পাঁচটি পঞ্চায়েত সমিতিতে ১৫৬ টি আসন রয়েছে। সেখানে গ্রাম পঞ্চায়েতে ২৬ টি ও পঞ্চায়েত সমিতিতে ১৩ টি আসনে প্রার্থী দিয়েছে তৃণমূল। কালিম্পঙে ৪২ টি গ্রাম পঞ্চায়েতে ২৮১ টি আসন এবং  চারটি পঞ্চায়েত সমিতিতে ৭৬ টি আসন রয়েছে। সেখানে গ্রাম পঞ্চায়েতে ১০ টি আসনে প্রার্থী দিলেও পঞ্চায়েত সমিতিতে তৃণমূলের কোনও প্রার্থী নেই।

    পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election) পাহাড়ে কেন এই করুণ অবস্থা তৃণমূলের?

    পাহাড়ের রাজনৈতিক মহলের বক্তব্য,তৃণমূল কংগ্রেস পাহাড়ের মানুষের কাছে বিশ্বাসযোগ্যতা অনেকদিন আগেই হারিয়েছে নিজেদের ভুলে। কখনও বিমল গুরুং,কখনও অনিত থাপা,বিনয় তামাং কখনও আবার অনিত থাপার লেজ ধরার জন্যই পাহাড় থেকে তৃণমূল হারিয়ে গিয়েছে। বিমল গুরুঙ্গের নেতৃত্বে তীব্র আন্দোলন দমন করতে পুলিশের গুলিতে  ১৭ টি তরতাজা প্রাণ অকালে ঝরে পড়ার ঘটনা পাহাড়বাসী আজও মনে রেখেছে। দেশদ্রোহী মামলায় বিমল গুরুঙ্গকে পাহাড় ছাড়া করে অনিত- বিনয়কে পাহাড়ের নায়ক বানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। আবার গত বিধানসভা নির্বাচনের আগে সেই বিমল গুরুঙ্গকে ‘কার্পেট বিছিয়ে’ পাহাড়ে ফেরার পথ করে দিয়েছেন।পাহাড়ের এক প্রবীণ রাজনৈতিক নেতা বলেন, চোখের সামনে এ সব ঘটনা দেখে দেখে  মুখ্যমন্ত্রীর দলের প্রতি পাহাড়বাসীর কোনওদিনই আস্থা ছিল না। নীরব ক্ষোভ থেকে পাহাড়ের মানুষ তৃণমূলকে চিরস্থায়ীভাবে প্রত্যাখান করেছে। মুখ্যমন্ত্রী পাহাড়ে এলে ভয়ে মানুষ ভিড় জমান।

    কী বলছে তৃণমূল নেতৃত্ব?

    পার্বত্য তৃণমূলের এক নেতা বলেন, দার্জিলিং পুরসভা এবং জিটিএ নির্বাচনেও তৃণমূল সব আসনে প্রার্থী দেয়নি। অনিত থাপার দলের সঙ্গে জোট করেছিল। একারণেই কেউ আর ত়ৃণমূল করতে চায় না। পাহাড়ে  তৃণমূলের অস্তিত্ব নেই।  যদিও দার্জিলিং জেলা ( পার্বত্য) তৃণমূলের সভানেত্রী শান্তা ছেত্রী বলেন, রাজ্য নেতৃত্বের নির্দেশ ছিল পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election) পাঁচ থেকে ছয় শতাংশ আসনে প্রার্থী দেওয়ার। যেখানে যেখানে আমাদের শক্তি রয়েছে সেখানেই প্রার্থী দেওয়া হয়েছে। আমরা চাই পাহাড়ে ভোট শান্তিতে হোক।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Darjeeling: ২১ কিলোমিটার রাস্তা দৌড়ে গিয়ে মনোনয়ন জমা দিলেন স্মরণ সুব্বা! কেন জানেন?

    Darjeeling: ২১ কিলোমিটার রাস্তা দৌড়ে গিয়ে মনোনয়ন জমা দিলেন স্মরণ সুব্বা! কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গাড়ির কনভয় নিয়ে নয়। স্কুটি বা বাইকেও নয়। ২১  কিলোমিটার রাস্তা দৌড়ে গিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন স্মরণ সুব্বা। সোনাদা থেকে ২১ কিলোমিটার রাস্তা চার ঘণ্টায় দৌড়ে সুখিয়াপোখরিতে (Darjeeling) গিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেন এই নির্দল প্রার্থী। বিজেপির মহাজোট নিয়ে পাহাড়ে ভোটের হাওয়া গরম হয়ে উঠেছিল। সেখানে গত বুধবার স্মরণ সুব্বার দৌড় ভোটচর্চায় আলাদা জায়গা করে নিয়েছে।

    কেন দৌড়ে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন স্মরণ (Darjeeling)?

    স্মরণ সুব্বা বলেন, পাহাড়ে (Darjeeling) যেভাবে যানবাহনের সংখ্যা বেড়েই চলেছে, তাতে ভয়ঙ্কর যানজটের পাশাপাশি পরিবেশও দূষিত হচ্ছে। পাহাড়কে বাঁচাতে হলে যানবাহনের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।  তা না তাহলে পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয় দার্জিলিং বিরক্তিকর জায়গা হয়ে উঠবে। সে ক্ষেত্রে দার্জিলিংয়ের সুনাম নষ্ট হবে। পর্যটকরাও দার্জিলিঙ থেকে মুখ ঘুরিয়ে নেবেন। তার প্রভাব পড়বে পাহাড়ের জনজীবনে। ক্ষতিগ্রস্ত হবেন প্রত্যন্ত অঞ্চলের গরিব মানুষ। কেননা, পর্যটকদের প্রতীক্ষায় এখানকার মানুষ বসে থাকে তাদের রুজি রোজগারের জন্য। 

    জিতলে কী করবেন এই নির্দল প্রার্থী (Darjeeling)?

    নির্দল প্রার্থী হিসেবে দাঁড়িয়েছেন। জিতলে দার্জিলিংয়ের (Darjeeling) যানবাহনের সংখ্যার নিয়ন্ত্রণ করার পাশাপাশি গ্রামে গ্রামে রাস্তা ও স্বাস্থ্যকেন্দ্র করবেন বলে জানান স্মরণ সুব্বা। তিনি বলেন, প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে শুরু করে বিভিন্ন জায়গায় পাহাড়ের রাস্তাঘাট সংস্কার করার প্রয়োজন রয়েছে। প্রত্যন্ত অঞ্চলে স্বাস্থ্য কেন্দ্র তৈরি করতে হবে। কারণ গ্রামের বহু মানুষ বিনা চিকিৎসায় মারা যাচ্ছেন।সময়মতো চিকিৎসা করাতে না পারায় নানা ধরনের রোগব্যাধি জটিল আকার নিচ্ছে। এই জায়গা থেকে পাহাড় ও পাহাড়বাসীকে মুক্ত করার জন্যই আমি নির্দল প্রার্থী হিসেবে দাঁড়িয়েছি। আর তার আগে মানুষকে দার্জিলিংকে বাঁচানোর বার্তা দিতেই আমি ২১ কিলোমিটার দৌড়ে গিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছি। শুধু পাহাড়বাসীকেই নয়, সমতলের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সচেতনতার এই বার্তা পৌঁছে যাক, এটাই আমি চাই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Toy Train: রেকর্ড আয় করল পাহাড়ের টয় ট্রেন, কত জানেন?

    Toy Train: রেকর্ড আয় করল পাহাড়ের টয় ট্রেন, কত জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সমতল জুড়ে টানা তীব্র দাবদাহে হেরিটেজ টয় ট্রেনের (Toy Train) লক্ষ্ণী লাভ। এক মাসে রেকর্ড আয় করেছে টয় ট্রেন। গত মে মাসে টয় ট্রেনের ইতিহাসে সর্বাধিক আয়ের নজির তৈরি হয়েছে।চলতি আর্থিক বছরের মে মাসে দার্জিলিংয়ের ঐতিহ্য এই টয় ট্রেনে যত সংখ্যক যাত্রী চড়েছেন এবং এই ট্রেন থেকে রেল যা আয় করেছে, তা আগে কখনও হয়নি।

    টয় ট্রেনে (Toy Train) রেকর্ড আয়ের পরিমাণ কত?

    টয় ট্রেনের (Toy Train) এই ব্যাপক জনপ্রিয়তায় প্রমাণ হচ্ছে, দার্জিলিংয়ে পর্যটকের ঢল নামছে মূলত টয় ট্রেনের আকর্ষণে। এক সময় টাইগার হিল, টি এবং টয় ট্রেনের উপর ভিত্তি করে দার্জিলিংয়ের পর্যটন মাথা তুলে দাঁড়িয়েছিল। কিন্তু, আশির দশক থেকে রাজনৈতিক অস্থিরতা, পানীয় জলের সমস্যা ও অনুন্নত পরিকাঠামোর কারণে দার্জিলিংয়ের পর্যটনে ভাটা পড়েছিল। সেই পরিস্থিতি কাটিয়ে টয় ট্রেনের প্রতি দেশ-বিদেশের পর্যটকদের দুর্নিবার আকর্ষণে আবার ঘুরে দাঁড়াচ্ছে দার্জিলিংয়ের পর্যটন। দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ে সূত্রে জানা গিয়েছে, গত মে মাসে ৩০ হাজার ৩০৩ জন যাত্রী টয় ট্রেনে ভ্রমণ করেছেন। এর থেকে মোট ৩ কোটি ৫৭ লক্ষ টাকা আয় হয়েছে। এর আগে সর্বোচ্চ যাত্রী ও আয় হয়েছিল গত বছরের মে মাসে। তবে, তা এবারের তুলনায় কম। গতবার মোট ২৬,৯০৯ যাত্রী টয় ট্রেনে চড়েছিলেন। আয় হয়েছিল ৩ কোটি ১৯ লক্ষ টাকা।

    রেল কর্তৃপক্ষের কী বক্তব্য?

    উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের কাটিহার ডিভিশনের ডিআরএম এস কে চৌধুরী এবং মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক সব্যসাচী দে বলেন, দেশ-বিদেশের পর্যটকদের কাছে টয় ট্রেনকে (Toy Train) জনপ্রিয় করতে আমরা সমস্তরকম ভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। গত দু’বছর ধরে  শীতকালে ঘুম উৎসব করা হচ্ছে। যেখানে টয় ট্রেনের নানা আকর্ষণীয় দিক ও স্থানীয় শিল্প-সংস্কৃতিকে তুলে ধরা হয়। এর পাশাপাশি সব দিক দিয়ে সারা বছর টয় ট্রেন নিয়ে দেশ-বিদেশের পর্যটকদের মাঝে প্রচার চলছে। পর্যটকদের মনোরম ভ্রমণের জন্য টয় ট্রেনে নতুন কোচ ও নতুন পরিষেবা চালু করা হয়েছে। যুক্ত করা হয়েছে আধুনিক সুযোগ সুবিধা। দার্জিলিং স্টেশনকে হেরিটেজ টাইপ উইন্ডো এবং কাঞ্চনজঙ্ঘা ভিউ পয়েন্ট সহ নানা ধরনের ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে টয় ট্রেনকে আপগ্রেড করা হয়েছে। ঘুম স্টেশনের আপগ্রেডেশন চলছে।

     বাড়ানো হয়েছে জয় রাইডের সংখ্যা

    এক প্রশ্নের উত্তরে সব্যসাচী দে বলেন, টয় ট্রেনের প্রতি পর্যটকদের আকর্ষণ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আমরা টয় ট্রেনের জয় রাইডের সংখ্যাও বাড়িয়েছি। নিউ জলপাইগুড়ি-দার্জিলিং দৈনিক পরিষেবা রয়েছে। কিন্তু জয় রাইড নিয়েই পর্যটকদের বেশি উৎসাহ। তাই কোনও পর্যটক যাতে হতাশ না হন, তার জন্য দার্জিলিং ও ঘুমের মধ্যে জয় রাইড পরিষেবা বাড়ানো হয়েছে। স্টিম ইঞ্জিনে জঙ্গল টি সাফারির সঙ্গে চলছে রেড পান্ডা, হিম কন্যা ইত্যাদির মতো জয় রাইড ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Toy Train: দার্জিলিংয়ের হেরিটেজ টয় ট্রেন চলবে ইলেকট্রিক এবং হাইড্রোজেনে

    Toy Train: দার্জিলিংয়ের হেরিটেজ টয় ট্রেন চলবে ইলেকট্রিক এবং হাইড্রোজেনে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী দু’বছরের মধ্যেই হেরিটেজ টয় ট্রেন (Toy Train) চলবে ইলেকট্রিক এবং হাইড্রোজেনে। স্টিম, ডিজেল ইঞ্জিনের পর এবার ইলেকট্রিক ও হাইড্রোজেন ইঞ্জিনে টয় ট্রেন চালানোর প্রস্তাব বাস্তবায়িত করতে সার্ভের কাজ শুরু হয়েছে। শুক্রবার এনজেপিতে উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের কাটিহার ডিভিশনের ডিআরএম এস কে চৌধুরী একথা জানান। তিনি বলেন, টয় ট্রেনে যাত্রী সংখ্যা বেড়েই চলেছে। দেশ-বিদেশের পর্যটকদের কাছে টয় ট্রেন নতুন করে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। তার জন্যই গত আর্থিক বছরে টয় ট্রেনে সর্বাধিক যাত্রী হয়েছে। মোট দেড় লক্ষেরও বেশি যাত্রী হয়েছে এই সময় কালে। এটিই এখনও পর্যন্ত টয় ট্রেনে এক বছরে সর্বোচ্চ যাত্রী। এর আগে এক বছরে সর্বোচ্চ যাত্রী ছিল ১ লক্ষ ১৮ হাজার।

    টয় ট্রেনের (Toy Train) টানেই পর্যটকদের ঢল

    করোনা সংক্রমণ কালের পর দার্জিলিংয়ে পর্যটকের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। পর্যটনের প্রসারে দার্জিলিংয়ে পরিকাঠামো উন্নয়নের ক্ষেত্রে রাজ্য সরকারের তরফে যথেষ্টই খামতি রয়েছে বলে অভিযোগ পর্যটন ব্যবসায়ীদের। দার্জিলিংয়ে পানীয় জলের সঙ্কট এখনও রয়েছে। রাস্তাও নোংরা। এর পাশাপাশি নতুন করে কোনও পর্যটন কেন্দ্র দার্জিলিং ও লাগোয়া এলাকায় তৈরি হয়নি। তা সত্ত্বেও দার্জিলিংয়ে এখন সারা বছরই পর্যটকের ঢল নামছে। এর অন্যতম কারণ দেশ-বিদেশের পর্যটকদের কাছে টয় ট্রেনের (Toy Train) জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি। দার্জিলিং থেকে ঘুম পর্যন্ত হেরিটেজ টয় ট্রেনের একাধিক জয়রাইড সারা বছর চলছে। পর্যটকদের চাহিদার সঙ্গে তাল মিলিয়ে জয় রাইডের সংখ্যাও বেড়েছে। গত আর্থিক বছরের ১৯ কোটি ২১ লক্ষ টাকা আয় হয়েছে। অতীতে  করোনা সংক্রমণ কালের আগে ২০১৮-‘১৯ আর্থিক বর্ষে সর্বোচ্চ আয় ছিল ১ কোটি ১৮ লক্ষ টাকা।

    টয় ট্রেনকে (Toy Train) নিয়ে নানা রকম পরিকল্পনা

    ডিআরএম এস কে চৌধুরী বলেন, লাভজনক হয়ে ওঠা অর্থাৎ পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয়তা বেড়ে চলার জন্য আমরা টয় ট্রেনকে (Toy Train) নিয়ে নানা রকম পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছি। আমরা শীতকালে ঘুম উৎসব করছি। গত দুই বছর ধরে এই উৎসবের মধ্য দিয়ে আমরা টয় ট্রেনকে আন্তর্জাতিক পর্যটকদের কাছে ব্যাপকভাবে মেলে ধরতে পেরেছি। টয় ট্রেন এখন দার্জিলিংয়ে পর্যটন শিল্পের মেরুদণ্ড।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Tmc Extortion: তোলাবাজির অভিযোগ! শিলিগুড়িতে তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠনের কোন্দল গড়ালো আদালতে

    Tmc Extortion: তোলাবাজির অভিযোগ! শিলিগুড়িতে তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠনের কোন্দল গড়ালো আদালতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিলিগুড়ি রেগুলেটেড মার্কেটে আইএনটিটিইউসি-র দুই গোষ্ঠীর লড়াই দীর্ঘদিন ধরে চলছে। সংগঠনের বাজার কমিটির প্রাক্তন সভাপতি উমাশঙ্কর যাদবের সঙ্গে বর্তমান সভাপতি শ্যাম যাদবের গদি দখলের লড়াইকে (Tmc Extortion) কেন্দ্র করে অনেকদিন ধরেই শিলিগুড়ি নিয়ন্ত্রিত বাজার উত্তপ্ত। মাঝেমধ্যে ছোটখাট গোষ্ঠী সংঘর্ষও লেগেই আছে।

    তোলা আদায়ের অভিযোগ করায় মামলা

    এই লড়াইয়ে শ্যাম যাদবকে অনৈতিক সমর্থন দেওয়ার অভিযোগে আইএনটিটিইউসির দার্জিলিং জেলা (সমতল) সভাপতি নির্জল দে-র বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন উমাশঙ্কর যাদব। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় উমাশঙ্কর যাদব বিবৃতি দিয়ে নির্জল দে-র বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, মোটা টাকা নিয়ে নির্জল দে শ্যাম যাদবকে অন্যায় কাজে মদত দিয়ে যাচ্ছেন। তার জন্যই শিলিগুড়ি রেগুলেটেড মার্কেট গত আটমাস ধরে উত্তপ্ত (Tmc Extortion)। সোশ্যাল মিডিয়ায় এধরনের তোলাবাজির অভিযোগ করায় উমাশঙ্কর যাদবের বিরুদ্ধ ১৫ লক্ষ টাকার মানহানির মামলা দায়ের করেছেন আইএনটিটিইউসির দার্জিলিং জেলা (সমতল) সভাপতি নির্জল দে। তিনি বলেন, উমাশঙ্কর যাদব আমার বিরুদ্ধে তোলাবাজি সহ নানা ধরনের অনৈতিক কাজের মিথ্যা অভিযোগ করেছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। সে খবর প্রকাশিত হয়েছে। এই মিথ্যা অভিযোগ করার জন্য আমি গত বুধবার শিলিগুড়ি আদালতে উমাশঙ্কর যাদবের বিরুদ্ধে ১৫ লক্ষ টাকার মানহানির মামলা করেছি।

    পাল্টা মামলার হুমকি উমাশঙ্করের

    উমাশঙ্কর যাদব বলেন, আমি এখনও কোনও মামলার চিঠি পাইনি। তাই মামলা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই। তবে আমার বিরুদ্ধে নির্জল দে মামলা করলে আমিও তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করবো। আমার কাছে মামলা করার মতো পর্যাপ্ত নথি ও প্রমাণ রয়েছে। শ্যাম যাদবকে অনৈতিকভাবে এখানকার কমিটিতে সভাপতি বানিয়ে তাকে সামনে রেখেই তোলাবাজি (Tmc Extortion) করে চলেছেন নির্জল দে। মর্জিমতো শ্রমিক ছাঁটাই করছেন। এফসিআই’তে কাজের নাম করে বিহার থেকে শ্রমিক এনে রেগুলেটেড মার্কেটে কাজ করাচ্ছেন। এজন্য মোটা টাকা তাঁরা তুলছেন। স্থানীয় শ্রমিক কাজের সুযোগ হারাচ্ছে। এনিয়ে দোলা সেন সহ তৃণমূলের রাজ্য নেতৃত্ব ও মন্ত্রীদেরও চিঠি দিয়েছি। তারপরেও কিছুদিন আগে ছজন শ্রমিককে ছাঁটাই করা হয়েছে।  এর প্রতিবাদে গত ন’দিন ধরে আমরা বাজারে ধর্নায় বসেছি।

    কেন এই গোষ্ঠী-বিবাদ?

    শিলিগুড়ি নিয়ন্ত্রিত বাজারে তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠনের দুই গোষ্ঠীর লড়াই দীর্ঘদিনের। একসময় উমাশঙ্কর যাদব আইএনটিটিইউসির এই বাজার কমিটির সভাপতি ছিলেন। নির্জল দে আইএনটিটিইউসির দার্জিলিং (সমতল) জেলা সভাপতি হয়ে আসার পরপরই উমাশঙ্কর যাদবকে সরিয়ে শ্যাম যাদবকে সভাপতি করা হয়। উমাশঙ্কর যাদবের অভিযোগ, অনৈতিকভাবে মুখের কথায় শ্যাম যাদবকে নির্জল দে সভাপতির চেয়ারে বসিয়েছেন নিজের স্বার্থসিদ্ধি (Tmc Extortion) করার জন্য। কিন্তু এখানকার শ্রমিকরা তার পাশে নেই। শ্যাম যাদব  দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই এখানে পুরনো শ্রমিক ছাঁটাই করে বিহার থেকে শ্রমিক এনে কাজ করাচ্ছেন। পুরনো শ্রমিকরা তা মেনে নিতে পারছেন না। কেননা তাঁরা জানেন, বিহার থেকে কেন শ্রমিক আনা হচ্ছে।

    কী বলছেন আইএনটিটিইউসির জেলা সভাপতি

    নির্জল দে বলেন, এধরনের ভিত্তিহীন অভিযোগের জন্য আমি উমাশঙ্কর যাদবের বিরুদ্ধে মামলা করেছি। তিনি যদি আমার বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন, তাতে আমার বলার কিছু নেই। শ্যাম যাদবকে  সভাপতি করা হয়েছে সংগঠনের নিয়ম মেনে। এখানে কোনও অনৈতিক কাজ (Tmc Extortion) হয়নি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Child Labour: শিশুশ্রম ও বাল্যবিবাহ রোধে পায়ে হেঁটে হুগলির খানাকুল থেকে দার্জিলিং!

    Child Labour: শিশুশ্রম ও বাল্যবিবাহ রোধে পায়ে হেঁটে হুগলির খানাকুল থেকে দার্জিলিং!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লির পর এবার দার্জিলিং। বহুরূপী গোলাপসুন্দরী সেজে সচেতনতার বার্তা ছড়িয়ে দিচ্ছেন হুগলির খানাকুলের মাজপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দেবাশিস মুখোপাধ্যায়। এবার শিশুশ্রম (Child Labour) ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতেই তাঁর যাত্রা। খানাকুল থেকে পায়ে হেঁটে দার্জিলিং পাড়ি দিলেন তিনি। বৃহস্পতিবার রাজা রামমোহনের বসতবাটি থেকে তিনি যাত্রা শুরু করেন। জানা যায়, আগামী কুড়ি দিনের মধ্যে দার্জিলিং পৌঁছনোর লক্ষ্যমাত্রা স্থির করেছেন তিনি। যাওয়ার পথে বিভিন্ন এলাকায় বহুরূপী গোলাপসুন্দরীর বেশে নাচগান করে সাধারণ মানুষকে শিশুশ্রম ও বাল্যবিবাহের কুফল সম্পর্কে সচেতন করাই প্রতিজ্ঞা তাঁর।

    কী বলছেন দেবাশিসবাবু?

    দেবাশিসবাবু একটি মহৎ উদ্দেশ্য নিয়ে বেরিয়েছেন। আর তাঁর এই উদ্দেশ্য যাতে সফল হয়, তার জন্য বহু মানুষ তাঁকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। জনস্বার্থে সাধারণ মানুষের কাছে সচেতনতার বার্তা পৌঁছে দিতে তিনি পায়ে হেঁটেই বেরিয়ে পড়েছেন। কারণ তিনি পেশায় একজন শিক্ষক। আর শিক্ষক মানেই সমাজ গড়ার কারিগর বলেই তিনি মনে করেন। গত বৃহস্পতিবার রাজা রামমোহন রায়ের খানাকুলের বসতবাটি থেকে বেরিয়ে ৬ দিন ধরে তিনি পায়ে হেঁটে কয়েকশো কিলোমিটার দীর্ঘ রাস্তা ইতিমধ্যে অতিক্রম করেছেন। তবে দেবাশিসবাবু বলেন, প্রচণ্ড গরমে কষ্ট হলেও আমার লক্ষ্যে পৌঁছাবোই। রাস্তায় ধাপে ধাপে অনেকগুলি জেলা পার করেছি। সেই সমস্ত জেলায় আমি আমার যে মহৎ উদ্দেশ্য বাল্যবিবাহ ও শিশু নিগ্রহ (Child Labour) বন্ধ এবং পরিবেশ সুস্থ রাখতে গাছ লাগানোর বার্তা মানুষের কাছে পৌঁছে দিয়েছি। প্রতিটি জেলাতেই বহু মানুষের সঙ্গে আলাপ হয়েছে। তাদের মাধ্যমেও আমি আমার বার্তা পৌঁছে দিয়েছি, বিভিন্ন জেলার মানুষের কাছে।

    এর আগেও তিনি হেঁটে গিয়েছেন দিল্লি

    উল্লেখ্য, এই প্রথম নয়, এর আগেও প্রধান শিক্ষক দেবাশিসবাবুকে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে প্রচার করতে দেখা গিয়েছে। কখনও বাল্যবিবাহ, আবার কখনও শিশুদের সুরক্ষার (Child Labour) জন্য রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বহুরূপী সেজে পথে-ঘাটে ঘুরে বেরিয়েছেন তিনি। বেশ কিছুদিন আগে পায়ে হেঁটে দিল্লি গিয়ে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে প্রচার করেছিলেন তিনি৷ এবার তিনি চললেন দার্জিলিং।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Army: প্রিয়তমার কাছে কফিনবন্দি হয়ে ফিরলেন কাশ্মীরে নিহত বাংলার জওয়ান

    Army: প্রিয়তমার কাছে কফিনবন্দি হয়ে ফিরলেন কাশ্মীরে নিহত বাংলার জওয়ান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার রাতে মৃতদেহ পৌঁছতেই কান্নায় ভেঙে পড়ে দার্জিলিংয়ের বিজনবাড়ির কিজোমাবস্তি এলাকা। গ্রামের গর্ব শহিদ সেনা (Army) জওয়ান সিদ্ধান্ত ছেত্রীকে শেষ বিদায় জানাতে রবিবার সকাল থেকেই ব্যস্ত পাহাড়ি এই গ্রাম। কাতারে কাতারে মানুষের ভিড়। কারও মুখে কথা নেই। সবার দু চোখ বেয়ে গড়িয়ে পড়ছে জল। কাশ্মীর সীমান্তে জঙ্গি হামলায় নিহত সেনা (Army) জওয়ান সিদ্ধান্ত ছেত্রী প্রায় দুমাস আগে বিয়ে করেছেন। সংসার গোছানোর আগেই ভেঙে গেল। স্বামীর শোকে মূর্ছা যাচ্ছেন স্ত্রী প্রজ্ঞাদেবী। আর ছেলের মৃতদেহ আঁকড়ে কেঁদে চলেছেন বাবা খরকাবাহাদুর ছেত্রী ও  মা দেওকুমারী দেবী।

    কাঁদছে গোটা গ্রাম

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ১৪ এপ্রিল বিয়ের পর সবাইকে হাসিমুখে বিদায় জানিয়ে কাজে যোগ দিতে গিয়েছিলেন সিদ্ধান্ত। পৌঁছে ফোন করে বাড়ির সকলের সঙ্গে কথাও বলেছিলেন তিনি। কাশ্মীরের রিজৌরি সীমান্তে অভিযানে যাওয়ার আগে পর্যন্তও ফোনে কথা  হয়েছিল স্ত্রী ও পরিবারের সকলের সঙ্গে। শেষ ফোনে জানিয়েছিলেন, অভিযান থেকে ফিরে শনিবার ফোন করবেন। একদিন আগেই তাঁর ইউনিট থেকে ফোন আসে দার্জিলিংয়ের বিজনবাড়ির কিজোমাবস্তির ছেত্রীবাড়িতে। কিন্তু সেই ফোনের অপরপ্রান্তে সিদ্ধান্তের গলা শোনা যায়নি। সেনা (Army) দফতরের এক আধিকারিকের কন্ঠে ভেসে আসে সেই মর্মান্তিক সংবাদ, জঙ্গি হামলায় মারা গিয়েছেন ২৫ বছরের তরতাজা জওয়ান সিদ্ধান্ত ছেত্রী। শনিবার বাগডোগরা বিমানবন্দর হয়ে রাতে কিজোমাবস্তিতে সিদ্ধান্তের কফিনবন্দি দেহ পৌঁছতে গোটা গ্রাম কান্নায় ভেঙে পড়ে। গ্রামের গর্ব সিদ্ধান্তকে শেষবারের জন্য একটু দেখা ও শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের জন্য। রবিবার ভোরের আলো ফুটতেই সেই শোক মিছিল ক্রমশ লম্বা হতে শুরু করে। শুধু কিজোমাবস্তিই নয়। তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে আশপাশ এলাকা থেকেও আসেন বহু মানুষ।

    কী বললেন নিহত সেনা (Army)  জওয়ানের পরিবারের লোকজন?

    সিদ্ধান্তের জামাইবাবু বিক্রম থাপা বলেন, এর আগেও সিদ্ধান্ত বহুবার অভিযানে গিয়েছে। সফল হয়ে ফিরেই আমাদের সকলের সঙ্গে কথাবার্তা বলেছে। দুমাস আগে বিয়ে হয়েছিল। সবার সঙ্গে মিশে হাসি-ঠাট্টা করে গত ১৪ এপ্রিল কাজে যোগ দিতে যাওয়ার সময় বলেছিল, মাসখানেক বাদে আবার ফিরে আসবে। সেই আশাতেই আমরা ছিলাম। আর সদ্য বিবাহিতা প্রজ্ঞা এক বুক স্বপ্ন নিয়ে স্বামীর প্রত্যাশায় বসেছিলেন। সবকিছু ওলট-পালট হয়ে গেল। সিদ্ধান্তের দিদি চন্দ্রকলা ছেত্রী কাঁদতে কাঁদতে বললেন, আমার ভাই দেশের জন্য প্রাণ দিয়েছে। এ তো আমাদের গর্ব। কিন্তু এত অল্প বয়সে, সদ্য সংসার পাতার পরপর এভাবে চলে যাওয়াটা মেনে নিতে পারছি না।

    রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সম্পন্ন হল শেষকৃত্য

    শনিবার বিমানে বাগডোগরা বিমানবন্দরে কফিনবন্দি হয়ে সিদ্ধান্তের দেহ পৌঁছতে স্থানীয় জেলা প্রশাসন ও সেনা (Army) বিভাগের তরফে গান স্যালুট দিয়ে সিদ্ধান্তকে শেষ শ্রদ্ধা জানানো হয়। তারপর কফিনবন্দি দেহ রওনা হয় পাহাড়ের বিজনবাড়ির কিজোমাবস্তির উদ্দেশে। রাতে মৃতদেহ পৌঁছতেই শোকস্তব্ধ গ্রাম কান্নায় ডুকরে ওঠে। সিদ্ধান্তের বাবা খরকাবাহাদুর, মা দেওকুমারী দেবী সারা রাত ছেলের কফিনবন্দি দেহ আগলে বসেছিলেন। এদিন সকালেও তাঁদের সেখান থেকে সরানো যায়নি। এদিকে সেনা (Army) ও জেলা প্রশাসনের তরফে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষকৃত্য সম্পন্ন করার প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে। আর কয়েক ঘণ্টা বাদেই চিরতরে হারিয়ে যাবে সিদ্ধান্ত। গান স্যালুট, তোপধ্বনি এই পাহাড়ের গায়ে ধাক্কা খেয়ে খেয়ে ছড়িয়ে দেবে শেষ শোকবার্তা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share