Tag: data

data

  • Digital Data: ডিজিটাল পার্সোনাল ডেটা প্রোটেকশন আইন রূপায়ণে বড়সড় পদক্ষেপ কেন্দ্রের

    Digital Data: ডিজিটাল পার্সোনাল ডেটা প্রোটেকশন আইন রূপায়ণে বড়সড় পদক্ষেপ কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডিপিডিপি (ডিজিটাল পার্সোনাল ডেটা প্রোটেকশন) অ্যাক্ট (Digital Data) বাস্তবায়নের পথে বড়সড় পদক্ষেপ করল কেন্দ্র। শুক্রবার আনুষ্ঠানিকভাবে এই আইনের চূড়ান্ত নিয়মাবলী প্রকাশ (Protection Law) করেছে নরেন্দ্র মোদির সরকার। এর ফলে ভারতের প্রথম পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল প্রাইভেসি কাঠামোর আনুষ্ঠানিক সূচনা হল।

    নয়া আইন (Digital Data)

    নয়া আইন চালু হওয়ায় এখন থেকে কোনও সংস্থা, সরকারি দফতর এবং ডিজিটাল পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থাগুলি কীভাবে নাগরিকদের ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ, সংরক্ষণ এবং তা প্রসেস করবে, তা নিয়ে বহুদিনের অনিশ্চয়তার অবসান ঘটল। শুধু তাই নয়, ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের মতো সোশ্যাল মিডিয়া কোম্পানিগুলির ১৮ বছরের নীচের কাউকে প্ল্যাটফর্মে অন্তর্ভুক্ত করার আগে সম্মতি নিতে হবে তাঁদের বাবা-মায়ের। সরকার অবশেষে ২০২৩ সালের অগাস্টে সংসদে পাস হওয়া ডিপিডিপি আইনের কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় বিধিনিষেধ ঘোষণা করেছে।

    সম্মতিভিত্তিক কাঠামো

    জানা গিয়েছে, বহু প্রতীক্ষিত এই নিয়মগুলি একটি সম্মতিভিত্তিক কাঠামো নিশ্চিত করবে, যা সোশ্যাল মিডিয়া, ই-কমার্স, গেমিং, ব্যাংকিং, পেমেন্ট এবং সরকারি সেবা ব্যবহারের জন্য অনলাইনে যাওয়া ইউজারদের ডেটা সুরক্ষিত রাখবে। আইন ভাঙলে কোম্পানি ও সংস্থাগুলিকে জরিমানার সম্মুখীন হতে হবে। গুরুতর ডেটা সুরক্ষা ব্যর্থতা ও লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ২৫০ কোটি টাকার শাস্তি পর্যন্ত হতে পারে। নয়া নিয়ম অনুযায়ী, কোনও তথ্য চুরি হলে কোম্পানিগুলিকে তা দ্রুত জানাতে হবে ইউজার এবং নয়া ডেটা প্রোটেকশন বোর্ডকে। তবে এই নিয়মগুলি ধাপে ধাপে কার্যকর করা হবে। বড় ধরনের ব্যাক-এন্ড পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তার কথা বিবেচনা করেই সরকার কোম্পানিগুলিকে সময় দিয়েছে ১৮ মাস (Digital Data)।

    ইউজারদের জানাতে হবে

    সরকার জানিয়েছে, কোনও তথ্য চুরি হলে তা অবিলম্বে ইউজারদের জানাতে হবে সহজ ভাষায়, যাতে চুরির ধরন ও সম্ভাব্য পরিণতি, সমস্যা সমাধানে নেওয়া পদক্ষেপ, (Protection Law) এবং সহায়তার জন্য যোগাযোগের বিবরণ  স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করা থাকে। সরকার আরও জানিয়েছে, এই আইন সাতটি মূল নীতির ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে। এই নীতিগুলি হল সম্মতি ও স্বচ্ছতা, উদ্দেশ্য-সীমাবদ্ধতা, ডেটা-সংযম, যথার্থতা, সংরক্ষণসীমা, নিরাপত্তা সুরক্ষা, এবং জবাবদিহি।

    উদারনীতির জন্য লবিং

    শিশুদের অনলাইন ডেটা সম্পর্কিত বিষয়ে, যেখানে বিগ টেক এবং অন্যান্য বড় কোম্পানিগুলি উদারনীতির জন্য লবিং করে আসছিল, সেখানে নতুন আইন বাধ্যতামূলক করেছে যে ব্যক্তিগত ডেটা প্রক্রিয়াকরণের আগে কোম্পানিগুলিকে অবশ্যই যাচাইযোগ্য সম্মতি জোগাড় করতে হবে। তবে স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা এবং রিয়েল-টাইম নিরাপত্তা—এ ধরনের অত্যাবশ্যক উদ্দেশ্যে কিছু সীমিত ছাড় দেওয়া হয়েছে। যেসব প্রতিবন্ধী ব্যক্তি সহায়তা পাওয়ার পরেও আইনানুগ সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না, তাঁদের ক্ষেত্রে সম্মতি অবশ্যই আইনানুগ অভিভাবকের কাছ থেকে নিতে হবে। শিশুর ব্যক্তিগত ডেটা প্রক্রিয়াকরণের জন্য যাচাইযোগ্য পারিবারিক/অভিভাবকের সম্মতি পেতে, কোম্পানিগুলিকে উপযুক্ত প্রযুক্তিগত ও সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে (Digital Data)।

    ডেটা ফিডিউশিয়ারি

    নয়া নিয়মে স্পষ্টভাবে ডেটা ফিডিউশিয়ারি সম্পর্কে তাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য নির্ধারিত করা হয়েছে। এর পাশাপাশি নানা নাগরিক অধিকারও নিশ্চিত করা হয়েছে। কোন তথ্য কী উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হবে, সেই বিষয়ে সম্মতি দেওয়া (Protection Law), তা প্রত্যাহার করা কিংবা সেই তথ্য কীভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে, তা পর্যালোচনা করার অধিকার দেওয়া হয়েছে নাগরিকদের। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সম্মতি নেওয়া, নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে তথ্য ব্যবহার এবং অভিযোগ নিষ্পত্তির মতো মূল বাধ্যবাধকতাগুলি আইন প্রণয়নের সঙ্গে সঙ্গেই কার্যকর হয়েছে (Digital Data)।

  • Kerala: ‘রাজ্যে চরম দরিদ্র মানুষ নেই’, কেরল সরকারের ঘোষণায় সমালোচনার ঝড়

    Kerala: ‘রাজ্যে চরম দরিদ্র মানুষ নেই’, কেরল সরকারের ঘোষণায় সমালোচনার ঝড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘রাজ্যে কোনও চরম দরিদ্র মানুষ নেই।’ গত ৩১ অক্টোবর এমনই দাবি করেছিল কেরল (Kerala) সরকার। পরের দিন, রাজ্য গঠন দিবসেও বিধানসভার বিশেষ অধিবেশনে সেটি ফের জানানো হয় আনুষ্ঠানিকভাবে। এদিন বলা হয় (Data Manipulation), যে কেরল এক সময় দেশে দারিদ্রসীমার নীচে বসবাসকারী মানুষের সংখ্যায় শীর্ষে ছিল, সেই রাজ্যই এখন হয়ে গিয়েছে চরম দারিদ্রমুক্ত রাজ্য। ওই দিনই সন্ধেবেলায় সরকার তিরুবনন্তপুরমে তাদের এই দাবির প্রচারের জন্য একটি বিশাল অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এতে যোগ দেন জনপ্রিয় মালয়ালম অভিনেতা মাম্মুটি। যদিও অনুষ্ঠানে যোগ দেননি দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার প্রাপ্ত অভিনেতা মোহনলাল এবং সেরা অভিনেতার পুরস্কারজয়ী কমল হাসান।

    এলডিএফের ঘোষণা (Kerala)

    কেরলের ক্ষমতায় রয়েছে সিপিএম নেতৃত্বাধীন বাম গণতান্ত্রিক জোট এলডিএফ। তারাই ঘোষণাটি করেছে। তার পরেই শুরু হয়েছে বিতর্ক। বিশেষজ্ঞদের মতে, কেরল সরকারের এই ঘোষণাটি একটি স্রেফ ফাঁপা বুলি। যদিও স্থানীয় স্বশাসনমন্ত্রী এমবি রাজেশ বিরোধীদের সমালোচনাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন। তাঁর দাবি, চরম দারিদ্র্যের মধ্যে থাকা পরিবারগুলিকে সরকার স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শনাক্ত করেছে। সমাজবিজ্ঞানীরা অবশ্য সরকারের এহেন দাবির (চরম দারিদ্রমুক্ত রাজ্য) সমালোচনায় সরব হয়েছেন।

    খোলা চিঠিতে প্রশ্ন

    কমবেশি ২০ জন অর্থনীতিবিদ ও সামাজিক কর্মীর স্বাক্ষরিত একটি খোলা চিঠিতে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, রাজ্য সরকার যে প্রক্রিয়ায় ৬৪ হাজার ৬টি পরিবারকে চরম দারিদ্র্যপীড়িত হিসেবে চিহ্নিত করেছে, তা কতটা বিশ্বাসযোগ্য, এবং কোন কোন মানদণ্ডের ভিত্তিতে সরকার ঘোষণা করল যে চরম দারিদ্র্য বিভাগে আর কোনও পরিবার নেই! ওই চিঠিতে যাঁরা সই করেছেন, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন সমাজবিজ্ঞানী তথা অধ্যাপক আরভিজি মেনন এবং আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন অর্থনীতিবিদ কেপি কান্নানও। ওই চিঠিতে কেরল সরকারকে আহ্বান জানানো হয়েছে, চরম দারিদ্র্যপীড়িত মানুষদের শনাক্ত করার জন্য যে সমীক্ষা করা হয়েছে, তার বিস্তারিত তথ্য যেন সরকার প্রকাশ করে (Kerala)। স্বাক্ষরকারীদের প্রশ্ন, রাজ্যের ১.১৬ লাখ আদিবাসী পরিবার এবং অন্ত্যোদয় অন্ন যোজনার আওতায় থাকা ৫.৯২ লাখ মানুষ কি সত্যিই চরম দারিদ্র্যের বাইরে চলে গিয়েছেন? চরম দারিদ্র্য যে অতীত হয়েছে, এই দাবি প্রমাণের নির্ভরযোগ্য তথ্যই বা কী (Data Manipulation)? চরম দারিদ্র্য নির্মূল প্রকল্পের জন্য কোন সংস্থা তথ্য সংগ্রহ করেছে? সরকার কি আনুষ্ঠানিকভাবে মাত্র ৬৪ হাজার ৬টি পরিবারকেই চরম দারিদ্র্য অবস্থায় খুঁজে পেয়েছে? তাঁদের আশঙ্কা, চরম দারিদ্র্য বিভাগের জন্য যে সব পরিবার বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছে, তাদের অনেকেই এই তালিকা থেকে বাদ পড়ে যেতে পারে।

    বিজেপির তোপ

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি রাজীব চন্দ্রশেখর বলেন, “এই ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী-নেতৃত্বাধীন বাম গণতান্ত্রিক ফ্রন্টের একটি নির্বাচনী চাল ছাড়া আর কিছুই নয়। সরকারের প্রকাশ করা পরিসংখ্যানে অসংখ্য বিরোধাভাস রয়েছে। বিশ্বব্যাংকের নথি অনুযায়ী, দারিদ্র্য দূরীকরণে কেরল (Kerala) সব চেয়ে পিছিয়ে থাকা রাজ্য। গত সাড়ে ন’বছরে সরকার কিছুই করেনি। আর এখন নানাভাবে নাটক করে মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করছে।” বিজেপিরই রাজ্য সাধারণ সম্পাদক এমটি রমেশ সরকারের এই ঘোষণাকে নিছক মিথ্যাচার বলে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, “কোন মানদণ্ড ব্যবহার করে এই সংখ্যা নির্ধারণ করা হয়েছে, তা স্পষ্ট নয়। গত সেপ্টেম্বর মাসে মন্ত্রী জিআর অনিলকুমার বিধানসভায় বলেছিলেন (Data Manipulation) যে রাজ্যে ছ’লাখ দারিদ্র্যসীমার নীচে থাকা মানুষ রয়েছেন। তাহলে সরকার কীভাবে এত দ্রুত এত বিশাল সংখ্যক মানুষকে দারিদ্র্যমুক্ত করল? নীতি আয়োগের নথি অনুযায়ী, রাজ্যে এখনও বিপুলসংখ্যক মানুষ চরম দারিদ্র্যের মধ্যে বসবাস করছেন।” কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক কেসি বেণুগোপালও বলেন, “সরকারের এই ঘোষণা নিছকই পিআর স্টান্ট। তারা ক্ষুধার্ত মানুষদের নির্বাচনী হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে (Kerala)।”

LinkedIn
Share