Tag: Dattatreya Hosabale

Dattatreya Hosabale

  • RSS: ভারতের ৯৯.৯ শতাংশ মুসলিমই হিন্দু বংশোদ্ভূত, আমেরিকায় মন্তব্য দত্তাত্রেয় হোসাবলের

    RSS: ভারতের ৯৯.৯ শতাংশ মুসলিমই হিন্দু বংশোদ্ভূত, আমেরিকায় মন্তব্য দত্তাত্রেয় হোসাবলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (RSS) সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবলে দাবি করেছেন যে, ভারতের ৯৯.৯ শতাংশ মুসলিমই আসলে ভারতীয় বংশোদ্ভূত হিন্দুদের উত্তরসূরি। বর্তমানে আমেরিকা সফরে থাকা হোসাবলে (Dattatreya Hosabale) সেখানে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ভারতের সাংস্কৃতিক ডিএনএ এবং হিন্দুত্বের ধারণা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে এই মন্তব্য করেছেন। এই মন্তব্য সংঘ শতবর্ষে ভীষণ ভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

    ভারতীয় মুসলিমদের ওরিজিন এক (RSS)

    আরএসএস-এর (RSS) সরকার্যবাহ হোসাবলে (Dattatreya Hosabale) তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, ভারতের মাটিতে বসবাসকারী অধিকাংশ মানুষের পূর্বপুরুষ একই। তাঁর মতে, ভারত একটি সাংস্কৃতিক দেশ এবং হিন্দুত্ব কোনও ধর্মীয় পরিচয় নয়, বরং এটি একটি জীবনধারা ও জাতীয়তার পরিচয়। তিনি বলেন, “ভারতে বসবাসকারী ৯৯.৯ শতাংশ মুসলিমের পূর্বপুরুষ আদতে এই দেশের হিন্দু সমাজ থেকেই এসেছেন। ঐতিহাসিক কারণে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তাঁদের উপাসনা পদ্ধতি পরিবর্তিত হলেও, তাঁদের উৎস এবং ডিএনএ অপরিবর্তিত রয়েছে।”

    সাংস্কৃতিক একাত্মতার বার্তা

    অনুষ্ঠানে দত্তাজী (Dattatreya Hosabale) আরও জোর দিয়ে বলেন, “ভারতের সামগ্রিক পরিচয় কোনও বিভেদের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠেনি, বরং এটি একটি সমন্বিত সংস্কৃতি। হিন্দু সমাজ সবাইকে অন্তর্ভুক্ত করার ক্ষমতা রাখে এবং সংঘ (RSS) সেই জাতীয় একাত্মতা প্রচারেই কাজ করে যাচ্ছে।”

    আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে ভারত

    আমেরিকার বিভিন্ন প্রবাসী ভারতীয় এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের উপস্থিতিতে হোসাবলে (Dattatreya Hosabale)  ভারতের বর্তমান অগ্রগতি এবং বিশ্বমঞ্চে ভারতের ভূমিকার কথাকেই তুলে ধরেছেন। তিনি বিশ্বাস করেন যে, ভারতীয় চিন্তাধারা বা ‘ভারতীয়ত্ব’ বিশ্বজুড়ে শান্তি ও সমৃদ্ধি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

    আরএসএস (RSS) নেতার এই মন্তব্য নতুন করে ভারতের জনতাত্ত্বিক ইতিহাস এবং সামাজিক কাঠামো নিয়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক মঞ্চে ভারতের সাংস্কৃতিক সংহতির পক্ষে তাঁর এই অবস্থানকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক ও সমাজতাত্ত্বিক বিশ্লেষকগণ।

  • Dattatreya Hosabale: “আরএসএস হল জনগণের স্বেচ্ছাসেবী আন্দোলন”, বললেন হোসাবলে

    Dattatreya Hosabale: “আরএসএস হল জনগণের স্বেচ্ছাসেবী আন্দোলন”, বললেন হোসাবলে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আরএসএস (RSS) জনগণের একটি স্বেচ্ছাসেবী আন্দোলন, যা ভারতের প্রাচীন সমাজের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও সভ্যতার মূল্যবোধ থেকে প্রাণিত, যা সাধারণত হিন্দু সংস্কৃতি নামে পরিচিত।” ২৩ এপ্রিল আরএসএসের সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবলে (Dattatreya Hosabale) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসির হাডসন বিশ্ববিদ্যালয়ে এক আলোচনায় সংগঠনের তৃণমূলস্তরের কাজ এবং মতাদর্শগত দৃষ্টিভঙ্গির কথা তুলে ধরেন।

    আরএসএস স্বেচ্ছাসেবী জনআন্দোলন (Dattatreya Hosabale)

    আরএসএসের কাজ সম্পর্কে বলতে গিয়ে হোসাবলে বলেন, “আরএসএস জনগণের একটি স্বেচ্ছাসেবী আন্দোলন, যা ভারতের প্রাচীন সমাজের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও সভ্যতার মূল্যবোধ থেকে অনুপ্রাণিত, যা সাধারণত হিন্দু সংস্কৃতি নামে পরিচিত…।” তিনি বলেন, “চরিত্র, আত্মবিশ্বাস, সমাজের প্রতি সেবাবোধ এবং সমাজকে সংগঠিত করার উদ্দেশ্যে স্বেচ্ছাসেবক তৈরি করতে আরএসএস প্রতিদিন এবং সাপ্তাহিক এক ঘণ্টার সমাবেশের আয়োজন করে (Dattatreya Hosabale)।”

    জীবনের মূল্যবোধ গড়ে তুলি

    সংগঠনের কার্যক্রম সম্পর্কে তিনি বলেন, “এই এক ঘণ্টার সমাবেশের মাধ্যমে আমরা জীবনের মূল্যবোধ গড়ে তুলি… সমাজের উন্নতি ও জাতীয় ঐক্যের জন্য মানবিক সামাজিক পুঁজি তৈরি করি… প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় আরএসএস ত্রাণ কার্য পরিচালনা করে… আরএসএস স্বেচ্ছাসেবকরা প্রায় ৪০টি নাগরিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছে (RSS)।” ভারতীয় উপমহাদেশের প্রেক্ষাপটে পরিচয় এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা সম্পর্কে প্রশ্নের উত্তরে হোসাবলে বলেন, “হিন্দু পরিচয়কে আরএসএস একটি বৃহত্তর দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখে। আরএসএসের মতে, হিন্দু পরিচয় একটি সভ্যতাগত পরিচয়, ধর্মীয় নয়… আরএসএস সব সময় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও সভ্যতার মূল্যবোধের ওপর জোর দিয়েছে, যা সরাসরি কোনও ধর্মের সঙ্গে যুক্ত নয় (Dattatreya Hosabale)।”

    আঞ্চলিক পরিস্থিতি সম্পর্কে আরএসএসের বক্তব্য

    ভারত ও তার প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গে উত্তেজনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “রাজনৈতিক স্বার্থ, ইতিহাসের ভুল ব্যাখ্যা এবং অন্যান্য কারণে মাঝেমধ্যে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। আরএসএস বিশ্বাস করে যে সকল গোষ্ঠীর সঙ্গে ধারাবাহিক ও বিস্তৃত আলাপ-আলোচনা এই ভুল বোঝাবুঝি দূর করতে সাহায্য করবে… আরএসএস সংখ্যালঘু গোষ্ঠী এবং তাদের নেতৃত্বের সঙ্গেও আলোচনায় যুক্ত রয়েছে (RSS)।” আঞ্চলিক পরিস্থিতি সম্পর্কে তিনি বলেন, “বিভিন্ন কারণে প্রতিবেশী দেশগুলির মধ্যে উত্তেজনা রয়েছে, বিশেষত তাদের রাজনৈতিক নেতৃত্বের কারণে। গত কয়েক দশকে পারস্পরিক বিশ্বাস ও সহযোগিতা অনেক সময় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে… সমস্যা মূলত একটি প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে, যা ভারতের গর্ভ থেকে জন্ম নিয়েছে। এখন তা প্রতিবেশী দেশ হলেও, অনেক শক্তি সেই দেশকে ব্যবহার করে সমস্যা তৈরি করছে।”

    হিন্দুদের ক্ষমা চাওয়ার প্রশ্নই নেই

    আরএসএসকে ‘হিন্দু আধিপত্যবাদী’ সংগঠন বলা হয়। এহেন অভিযোগের উত্তর দিতে গিয়ে হোসাবলে বলেন, “হিন্দু দর্শন ও সংস্কৃতি স্বভাবতই আধিপত্যবাদী নয়… আমরা সব কিছুর মধ্যেই ঐক্য দেখি—জীবিত বা জড়। যখন এটাই হিন্দুদের মৌলিক দর্শন, তখন আধিপত্যবাদী হওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। ইতিহাসে হিন্দুরা কখনও অন্য দেশ আক্রমণ করেনি বা কাউকে দাসত্বে আবদ্ধ করেনি (RSS)। হিন্দুদের ক্ষমা চাওয়ার প্রশ্নই নেই (Dattatreya Hosabale)।”

     

  • Dattatreya Hosabale: “প্রযুক্তি এগিয়ে চললেও শিক্ষা স্থবির হয়ে পড়ে, সমাজে বৈষম্য বাড়ার ঝুঁকি থাকে”, বললেন হোসাবলে

    Dattatreya Hosabale: “প্রযুক্তি এগিয়ে চললেও শিক্ষা স্থবির হয়ে পড়ে, সমাজে বৈষম্য বাড়ার ঝুঁকি থাকে”, বললেন হোসাবলে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “যখন শিক্ষাব্যবস্থা পাঠ্যক্রমের মাধ্যমে একটি সভ্যতার বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতি সঠিকভাবে তুলে ধরতে ব্যর্থ হয়, তখনই জন্ম হয় কুসংস্কারের (Superstitions)।” কথাগুলি বললেন আরএসএসের সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবলে (Dattatreya Hosabale)। সান ফ্রান্সিসকোয় গ্লোবাল সায়েন্স ইনোভেশন ফোরাম আয়োজিত এক ইন্টারঅ্যাকটিভ সেশনে অংশ নিয়ে হোসাবলে অতীতের বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধানকে পুনরুজ্জীবিত করে শিক্ষাব্যবস্থার মাধ্যমে তা প্রচারের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।

    বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধান এবং আধ্যাত্মিকতা আলাদা নয় (Dattatreya Hosabale)

    তিনি বলেন, “আমাদের ঐতিহ্যে বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধান এবং আধ্যাত্মিকতা আলাদা নয়, বরং তারা গভীরভাবে পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত।” হোসাবলে এও বলেন, “বিশ্বে এমন একটি সময় ছিল যখন ধর্ম এবং বিজ্ঞানকে পরস্পরবিরোধী হিসেবে দেখা হত। কিন্তু ভারতীয় সভ্যতার ঐতিহ্যে একই ব্যক্তি বা গোষ্ঠী প্রায়ই বৈজ্ঞানিক গবেষণা এবং আধ্যাত্মিক চর্চা—দুটিতেই যুক্ত ছিলেন। তিনি বলেন, “এই বৌদ্ধিক ঐতিহ্য দীর্ঘদিন ধরেই আমাদের সভ্যতার জ্ঞানের অংশ। তাই শাসনব্যবস্থায়ও এই ভিত্তির প্রতিফলন থাকা উচিত।”

    শিক্ষা স্থবির হয়ে পড়লে বিপদ!

    হোসাবলে মনে করিয়ে দেন, প্রাচীন ব্যবস্থা ছিল নৈতিক এবং বৈজ্ঞানিক উভয়ই, যা নিরাপত্তা, জীবিকা এবং দৈনন্দিন জীবনের বাস্তব দিকগুলির সমাধান করত। তিনি বলেন, “যদি আমরা মানবজাতি ও নাগরিকদের জন্য সুযোগ এবং ক্ষমতায়ন বাড়াতে চাই, তাহলে এই উপাদানগুলিকে শিক্ষার মাধ্যমে পরিচালিত করতে হবে। প্রযুক্তি এগিয়ে চললেও যদি শিক্ষা স্থবির হয়ে পড়ে, তবে সমাজে বৈষম্য বাড়ার ঝুঁকি থাকে। সমাজের কিছু অংশ শিক্ষা বা বৈজ্ঞানিক অগ্রগতিতে পিছিয়ে পড়লে বৈষম্য আরও গভীর হয়। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, শিক্ষা এবং জীবনমান—সবই পরস্পরের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত।” আরএসএসের এই কর্তা বলেন, “এই কারণেই সরকারগুলিকে এই বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখতে হবে। একদিকে আমাদের সমাজের বৈষম্য, পক্ষপাত এবং কুসংস্কার দূর করতে হবে। অন্যদিকে, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অগ্রগতিও অব্যাহত রাখতে হবে। যদি শিক্ষা এই বিষয়গুলি স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে ব্যর্থ হয়, তবে অতীতের বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধানগুলিকে কুসংস্কার হিসেবে ভুল বোঝা হতে পারে (Dattatreya Hosabale)।”

    কী বললেন হোসাবলে?

    হোসাবলে বলেন, “শিক্ষাব্যবস্থার একটি প্রধান চ্যালেঞ্জ (Superstitions) হল মানুষকে প্রকৃত বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধান এবং কুসংস্কারের মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য করতে সক্ষম করা। আমাদের সমাজ দীর্ঘদিন ধরে এই চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে, তবে একই সঙ্গে এমন প্রচেষ্টাও চলেছে যা দেখায় যে অতীতের বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধানগুলি শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে শিক্ষায় এবং পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত ছিল। এখন সেই জ্ঞানব্যবস্থাকে পুনরুজ্জীবিত করতে হবে, যেখানে ভারতীয় জ্ঞানব্যবস্থা থাকবে অগ্রভাগে।”

    স্ট্যানফোর্ড ফ্যাকাল্টি ক্লাবে অনুষ্ঠিত জিএসআইএফ থ্রাইভ-২০২৬ সম্মেলন একটি বৈশ্বিক মঞ্চ, যেখানে একটি উন্নত বিশ্বের লক্ষ্যে বৈজ্ঞানিক উদ্ভাবন এবং প্রাচীন জ্ঞানের মিলন ঘটে। সম্মেলনটি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বিনোদ খোসলার অংশগ্রহণে একটি ইন্টারঅ্যাকটিভ সেশনের মাধ্যমে শুরু হয়। এতে (Superstitions) প্রাক্তন মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা এইচ আর ম্যাকমাস্টার-সহ একাধিক চিন্তাবিদ  অংশ নেন (Dattatreya Hosabale)।

     

  • RSS: ধর্মশালায় ধর্ম সম্মেলনে যোগ আরএসএস কর্তা এবং তিব্বতি ধর্মীয় নেতার

    RSS: ধর্মশালায় ধর্ম সম্মেলনে যোগ আরএসএস কর্তা এবং তিব্বতি ধর্মীয় নেতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরএসএস (RSS)-এর শতবর্ষ পূর্তি এবং দলাই লামার ৯০তম জন্মদিন উপলক্ষে ধর্মশালায় আয়োজিত ‘ধর্ম সম্মেলন’-এ অংশ নিলেন আরএসএসের সাধারণ সম্পাদক দত্তাত্রেয় হোসাবলে (Dattatreya Hosabale)। রবিবারের এই সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তিব্বতি আধ্যাত্মিক গুরু সপ্তম লিং রিনপোচে।

    সম্মেলনের মূল বক্তব্য (Dattatreya Hosabale)

    ধর্মশালা সফরের প্রথম দিনেই দত্তাত্রেয় হোসাবলে দলাই লামার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এরপর তিনি তিব্বতি পার্লামেন্ট পরিদর্শন করেন এবং সেখানে তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানো হয়। কোতওয়ালি বাজারের কমিউনিটি হলে ‘দেবভূমি মৈত্রী সংঘ’ আয়োজিত ধর্ম সম্মেলনে ভাষণ দিতে গিয়ে হোসাবলে (Dattatreya Hosabale) বলেন, “গৌতম বুদ্ধ শিখিয়েছিলেন এষ ধর্মঃ সনাতনঃ (Eshah Dharmah Sanatanah)। এর অর্থ হল, সনাতন ধর্মের শেকড় প্রকৃতির গভীরে প্রোথিত এবং মানবসেবাই প্রকৃত ধর্ম। করুণা, তপস্যা এবং আত্মত্যাগই হল ধর্মের পথ।”

    হোসবলে জানান, ইতিহাসজুড়ে মহান ব্যক্তিরা ধর্ম রক্ষা ও প্রতিষ্ঠার জন্য জীবন উৎসর্গ করেছেন। তিনি গুরু তেগ বাহাদুরের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করিয়ে দেন এবং জানিয়ে দেন, বর্তমানে দলাই লামাই বিশ্বজুড়ে শান্তির সেই বার্তাই ছড়িয়ে দিচ্ছেন।

    সপ্তম লিং রিনপোচের প্রশংসা

    অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি লিং রিনপোচে দেশ ও বিশ্বজুড়ে একতা, সম্প্রীতি এবং সদিচ্ছা প্রচারের জন্য আরএসএস-এর (RSS) কাজের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, “পরিবেশ রক্ষা, অহিংসা এবং বিশ্ব শান্তির জন্য প্রত্যেকের কাজ করা প্রয়োজন। ভারত বিশ্বকে সঠিক পথ দেখিয়ে এই লক্ষ্যে নেতৃত্ব দিচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।”

    অংশগ্রহণকারী

    এই সম্মেলনে কিন্নর, লাহুল, স্পিতি এবং কাংড়া জেলা-সহ বিভিন্ন অঞ্চলের শত শত বৌদ্ধ সাধু সন্ত এবং  অনুসারীরা অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রান্তের সংঘচালক বীর সিং রাংরা, ক্ষেত্র কার্যবাহ রোশন যাদব, ক্ষেত্র প্রচারক যতীন এবং কিসমত কুমার প্রমুখ।

  • RSS: হিন্দুত্ব শুধু ভাবনা নয়, এটা জীবনপদ্ধতি, বললেন দত্তাত্রেয় হোসাবলে

    RSS: হিন্দুত্ব শুধু ভাবনা নয়, এটা জীবনপদ্ধতি, বললেন দত্তাত্রেয় হোসাবলে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরএসএসের (RSS) বিস্তার মানেই জাতীয় ভাবনার বিস্তার—এমনটাই মন্তব্য করলেন সংঘের অখিল ভারতীয় সর কার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবলে। পানিপথে তিন দিনব্যাপী অখিল ভারতীয় প্রতিনিধি সভা শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, দেশের নাগরিকদের ঔপনিবেশিক মানসিকতা থেকে মুক্ত হওয়া জরুরি। তিনি আরও জানান, গত এক বছরে সংঘের সাংগঠনিক বিস্তার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। প্রায় ছয় হাজার নতুন শাখা যুক্ত হয়েছে। বর্তমানে শাখার সংখ্যা ৮৮ হাজারেরও বেশি হয়েছে। শাখা পরিচালিত হওয়া স্থানের সংখ্যাও বেড়ে ৫৫ হাজার ছাড়িয়েছে। পাশাপাশি সাপ্তাহিক মিলন ও মণ্ডলীর সংখ্যাও বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি বলেন, ” হিন্দুত্ব শুধু একটি ভাবনা নয়, এটি একটি জীবনপদ্ধতি”।

    আন্দামান থেকে অরুণাচল বেড়েছে সংগঠন

    দত্তাত্রেয় হোসাবালে (Dattatreya Hosabale) বলেন, “সংগঠনের (RSS) বিস্তার শুধু সংখ্যায় নয়, ভৌগোলিক ক্ষেত্রেও দেখা যাচ্ছে। আন্দামান, অরুণাচল প্রদেশ, লেহ এবং দূরবর্তী আদিবাসী এলাকাতেও এখন সংঘের শাখা চলছে।” সংঘের শতবর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন কর্মসূচিতে সাধারণ মানুষের ব্যাপক সাড়া মিলেছে বলেও তিনি জানান। আন্দামানে নয়টি দ্বীপ থেকে ১৩ হাজারের বেশি মানুষ একটি হিন্দু সম্মেলনে অংশ নেন। একইভাবে কম জনঘনত্বের রাজ্য অরুণাচল প্রদেশে ২১টি হিন্দু সম্মেলনে ৩৭ হাজারের বেশি মানুষ যোগ দেন।

    হিন্দুত্ব শুধু একটি ভাবনা নয়, এটি একটি জীবনপদ্ধতি

    তিনি (Dattatreya Hosabale) আরও বলেন, সংগঠনের বিস্তারের পাশাপাশি সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার লক্ষ্যে কাজ করছে সংঘ (RSS)। “পঞ্চ পরিবর্তন” ধারণার মাধ্যমে সামাজিক মান ও মূল্যবোধ উন্নত করার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। তাঁর কথায়, ভারতীয়তা বা হিন্দুত্ব শুধু একটি ভাবনা নয়, এটি একটি জীবনপদ্ধতি। হোসাবালে জানান, জাতপাত বা সম্প্রদায়ের বিভেদ ভুলে মহান ব্যক্তিত্বদের অবদানকে সম্মান জানানো উচিত। সেই ভাবনা থেকেই ‘বন্দে মাতরম্’-এর ১৫০ বছর উদ্‌যাপন করা হয়েছে। আগামী বছরে সন্ত রবিদাসের ৬৫০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচিরও পরিকল্পনা করা হয়েছে।

    গো-সেবা ও গ্রামীণ উন্নয়ন নিয়েও আলোচনা

    তিনি জানান, আগামী বছরে সংঘের (RSS) পক্ষ থেকে মোট ৯৬টি প্রশিক্ষণ শিবির আয়োজন করা হবে, যার মধ্যে ১১টি আঞ্চলিক এবং একটি নাগপুরে অনুষ্ঠিত হবে। বৈঠকে গো-সেবা ও গ্রামীণ উন্নয়ন নিয়েও আলোচনা হয়েছে। নাগরিকদের বাড়ির ছাদে সবজি চাষ এবং দেশি গরুর গোবর থেকে তৈরি সার ব্যবহারের আহ্বান জানানো হয়েছে। পাশাপাশি পলিথিন ব্যবহার কমানো ও জল সংরক্ষণের মতো উদ্যোগের মাধ্যমে ‘সবুজ বাড়ি’ গড়ে তোলার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। সংগঠনের কাঠামোতেও কিছু পরিবর্তনের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বিকেন্দ্রীকরণের পরিকল্পনা অনুযায়ী বর্তমান ৪৬টি প্রান্তের পরিবর্তে ছোট ইউনিট ‘সম্ভাগ’ গঠনের প্রস্তাব রয়েছে। এটি বাস্তবায়িত হলে সম্ভাগের সংখ্যা ৮০-এর বেশি হতে পারে। এক প্রশ্নের উত্তরে হোসাবালে বলেন, নির্বাচনের সময় ভোটারদের কেবল জাতপাতের ভিত্তিতে বিশ্লেষণ করা উচিত নয়। এ ক্ষেত্রে সমাজের পাশাপাশি সংবাদমাধ্যমকেও দায়িত্ব নিতে হবে। তিনি বর্তমান আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিতে দেশের সরকারের কূটনৈতিক উদ্যোগের প্রশংসাও করেন এবং বলেন, সংঘ বিশ্বে শান্তি ও উন্নয়নের পক্ষে।

    স্বয়ংসেবক কারা?

    তিনি আরও জানান, সংঘ (RSS) কোনও সম্প্রদায় বা উপাসনা পদ্ধতির বিরোধিতা করার উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়নি। কেশব বলিরাম হেডগেওয়ার সংঘ প্রতিষ্ঠার সময় এমনই ভাবনা পোষণ করেছিলেন। পরবর্তীতে এম এস গোলওয়ালকরও বলেন, সব মানুষের পূর্বপুরুষ এক এবং উপাসনার পদ্ধতির ভিন্নতা বিভেদ সৃষ্টি করে না। তৃতীয় সরসংঘচালক বালাসাহেব দেওরসও মত দেন, যারা ভারতকে মাতৃভূমি হিসেবে মানেন এবং ভারতীয়তার চেতনায় জীবনযাপন করেন, তারাই হিন্দু। দত্তাত্রেয় হোসাবালে বলেন, সমাজের কল্যাণে যে কেউ কাজ করলে তাকে সংঘের স্বয়ংসেবক হিসেবেই দেখা হয়। সমাজের বিভিন্ন স্তরে সংঘের প্রতি আগ্রহ বাড়ছে বলেও তিনি জানান। তিনি জানান, গুরু তেগবাহাদুরের ৩৫০তম শহিদ দিবস উপলক্ষে সারা দেশে দুই হাজারের বেশি কর্মসূচির আয়োজন করা হয়, যেখানে সাত লক্ষেরও বেশি মানুষ অংশ নেন।

  • RSS: “আরএসএসের শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিগুলিতে সমাজের প্রতিক্রিয়া উৎসাহজনক”, বললেন সহ সরকার্যবাহ মুকুন্দ

    RSS: “আরএসএসের শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিগুলিতে সমাজের প্রতিক্রিয়া উৎসাহজনক”, বললেন সহ সরকার্যবাহ মুকুন্দ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আরএসএসের (RSS) শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিগুলিতে সমাজের প্রতিক্রিয়া অত্যন্ত উৎসাহজনক এবং অনুপ্রেরণামূলক”, বললেন সহ সরকার্যবাহ সিআর মুকুন্দ। আরএসএসের জাতীয় স্তরের বার্ষিক সাধারণ সভা অখিল ভারতীয় প্রতিনিধি সভা শুরু হয়ছে কেরলের সমালখায়। কেরালায় স্বয়ংসেবকরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে হাজার হাজার মুসলিম ও খ্রিস্টান পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন (Centenary Programmes)। সেখানে তাঁদের আন্তরিকভাবে স্বাগত জানানো হয় এবং তাঁদের কাজের প্রশংসা করা হয়। সভার আনুষ্ঠানিক সূচনা হয় আজ, শুক্রবার, ১৩ মার্চ। ভারতমাতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য দিয়ে সভার উদ্বোধন করেন সরসংঘচালক মোহন ভাগবত এবং সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবলে।

    কেরলে আরএসএসের তিনদিনের সভা (RSS)

    তিনদিনের এই সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে কেরলের সমালখার পট্টিকল্যাণায় অবস্থিত মাধব সৃষ্টি ক্যাম্পাসে। সহ সরকার্যবাহ সিআর মুকুন্দ সাংবাদিকদের সভার উদ্বোধন এবং সভা সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় ও কর্মসূচি সম্পর্কে বিস্তারিত জানান। এই সময় উপস্থিত ছিলেন আরএসএসের অখিল ভারতীয় প্রচার প্রধান সুনীল আম্বেকরও। মুকুন্দ জানান, যেহেতু এই সভাটি আরএসএসের শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হচ্ছে, তাই সারা দেশ থেকে ১৪০০-রও বেশি প্রতিনিধি যোগ দিয়েছেন। সভার শুরুতে সম্প্রতি প্রয়াত কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এঁদের মধ্যে ছিলেন শিবকথা বর্ণনাকারী সৎগুরু দাস মহারাজ, পরিবেশবিদ মাধব গাডগিল, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা লোকসভার স্পিকার শিবরাজ পাটিল, পরিবেশকর্মী সালুমারাদা থিম্মাক্কা, প্রত্নতত্ত্ববিদ কেএন দীক্ষিত, মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার, অভিনেতা ধর্মেন্দ্র দেওল, তামিল চলচ্চিত্র প্রযোজক এভিএম সারাভানন, মিজোরামের প্রাক্তন রাজ্যপাল স্বরাজ কৌশল, শিক্ষাবিদ বিনয় হেগড়ে, কমিউনিস্ট নেতা আর নল্লাকান্নু এবং প্রবীণ সাংবাদিক তথা সম্পাদক প্রফুল্ল গোবিন্দ বরুয়া।

    কী জানালেন সহ সরকার্যবাহ

    সহ সরকার্যবাহ জানান, আরএসএসের শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে সারা দেশে নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হচ্ছে। সমাজের সজ্জন শক্তির সমর্থন ও অংশগ্রহণ স্বয়ংসেবকদের অত্যন্ত উৎসাহিত করেছে (Centenary Programmes)। আরএসএসের শতবর্ষ কর্মসূচি আনুষ্ঠানিকভাবে ২ অক্টোবর ২০২৫ নাগপুরে শুরু হয়েছিল। যেখানে উপস্থিত ছিলেন ভারতের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ এবং সরসংঘচালক মোহন ভাগবত। এর একদিন আগে ভারত সরকার আরএসএসের শতবর্ষ উপলক্ষে একটি স্মারক ডাকটিকিট এবং একটি স্মারক মুদ্রা প্রকাশ করে। তিনি জানান যে আরএসএসের শতবর্ষ উপলক্ষে দুই ধরনের কর্মসূচির পরিকল্পনা করা হয়েছে-এক, সংগঠনের বিস্তার এবং দুই, সমাজের গঠনমূলক শক্তিগুলিকে একত্রিত করে সৌহার্দ্য ও সামাজিক সম্প্রীতি বাড়ানো। এই প্রেক্ষিতেই গৃহ সম্পর্ক অভিযান চালানো হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত কিছু প্রান্তে স্বয়ংসেবকরা ১০ কোটিরও বেশি পরিবারের কাছে পৌঁছেছেন এবং প্রায় ৩.৯ লক্ষ গ্রামে গিয়েছেন। অন্যান্য অঞ্চলেও এই কর্মসূচি চলছে (RSS)। এই কর্মসূচিতে স্বয়ংসেবকরা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং কোনও জাতি বা সম্প্রদায়গত পক্ষপাত ছাড়াই আরএসএস সম্পর্কে আলোচনা করেন।

    সমাজের গঠনমূলক শক্তিগুলিকে একত্রিত করাই লক্ষ্য

    কেরালার উদাহরণ দিয়ে মুকুন্দ জানান, সেখানে স্বয়ংসেবকরা ৫৫,০০০-এরও বেশি মুসলিম পরিবার এবং ৫৪,০০০-এরও বেশি খ্রিস্টান পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। তাঁরা আন্তরিকভাবে তাঁদের স্বাগত জানিয়েছেন (Centenary Programmes)। তিনি এও জানান, সারা দেশে এখনও পর্যন্ত ৩৬,০০০-এরও বেশি হিন্দু সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এগুলি শহর, গ্রাম এবং দূরবর্তী জনজাতি এলাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। অরুণাচল প্রদেশের একটি প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে অংশগ্রহণকারীরা বলেন, তাঁরা প্রথমবার এমন উষ্ণতা ও আত্মীয়তার অনুভূতি পাচ্ছেন। মুকুন্দ জানান, সমাজের গঠনমূলক শক্তিগুলিকে একত্রিত করার উদ্দেশ্যে নাগরিক সংগোষ্ঠীরও আয়োজন করা হয়েছে।

    পঞ্চ পরিবর্তন বাস্তবায়নের পরিবেশ

    এই কর্মসূচিগুলির মাধ্যমে সমাজে পঞ্চ পরিবর্তন বাস্তবায়নের পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে। এই পাঁচটি পরিবর্তন হল, সামাজিক সম্প্রীতি, পরিবেশ সংরক্ষণ সম্পর্কে সচেতনতা, আত্মগৌরব ও স্বদেশি ভাবনা, পরিবার ব্যবস্থা সংরক্ষণ এবং নাগরিক কর্তব্য সম্পর্কে সচেতনতা। এই পরিবর্তনের মাধ্যমেই জাতি ও সমাজকে মহান করা সম্ভব (RSS)। তিনি জানান, সরসংঘচালক মোহন ভাগবত রাজ্য রাজধানী ও চারটি প্রধান বড় শহরে বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে সমাজের বিভিন্ন স্তরের লোকজনের সঙ্গে আলোচনা করছেন। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, এই চার মহানগরের অনুষ্ঠানে তিনি সরাসরি নাগরিকদের সঙ্গে আলোচনা করেন এবং অংশগ্রহণকারীদের ১০০০-এরও বেশি প্রশ্নের উত্তর দেন। এই প্রশ্নোত্তর পর্ব চলে ২০ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে (Centenary Programmes)।

    ক্রমেই বাড়ছে আরএসএসের শাখা

    সংগঠনের বিস্তার সম্পর্কে তিনি জানান, গত এক বছরে দেশের বহু নতুন জায়গায় নতুন শাখা শুরু হয়েছে। আগামী বছরগুলিতে গ্রাম ও ছোট শহরে আরও বেশি শাখা শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে (RSS)। আরএসএস নকশাল-প্রভাবিত এলাকায় শান্তি ও উন্নয়ন প্রতিষ্ঠার জন্য সরকারের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে। মণিপুরে শান্তি ও স্থিতিশীলতার উন্নত পরিস্থিতিও উৎসাহজনক। এই প্রচেষ্টায় আরএসএস স্বয়ংসেবকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে বলেও জানান তিনি। পড়শি দেশ বাংলাদেশে হিন্দুদের পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন মুকুন্দ। যদিও আশা করেন, আগামী দিনে তাঁদের অবস্থার উন্নতি হবে। মুকুন্দ বলেন, “আরএসএসের উদ্দেশ্য হল সমাজের গঠনমূলক শক্তিগুলিকে একত্রিত করে জাতি গঠনের কাজে এগিয়ে যাওয়া।”

    আরএসএসের শতবর্ষ কর্মসূচি

    আরএসএসের শতবর্ষ কর্মসূচি চলবে চলতি বছরের অক্টোবর পর্যন্ত। এই সময়ে বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি পালন করা হবে (RSS)।তিনি জানান, আরএসএস সারা বিশ্বের মানুষের শান্তি ও কল্যাণ কামনা করে (Centenary Programmes)। এই সাংবাদিক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন অখিল ভারতীয় সহ প্রচার প্রধান নরেন্দ্র ঠাকুর, প্রদীপ জোশি এবং অন্যান্য কর্মকর্তা। আরএসএসের বার্ষিক প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর দেশের ৫১,৭৪০টি জায়গায় ৮৩,১২৯টি শাখা পরিচালিত হয়েছিল। বর্তমানে তা বেড়ে হয়েছে ৫৫,৬৮৩ টি জায়গায় ৮৮,৯৪৯টি শাখা। অর্থাৎ এক বছরে ৩,৯৪৩টি নয়া জায়গা যেমন যুক্ত হয়েছে, তেমনি মোট শাখাও বেড়েছে ৫,৮২০টি। এটি সংগঠনের ধারাবাহিক বিস্তারকে নির্দেশ করে।

    জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত সারা দেশে ৩৭,০৪৮টি হিন্দু সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে, অংশগ্রহণ করেছেন প্রায় ৩.৫ কোটি মানুষ। এই সম্মেলনগুলি শহর, গ্রাম, জনজাতি ও দূরবর্তী অঞ্চলেও অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে পঞ্চ পরিবর্তনের আহ্বান জানানো হয়েছে, যার মূল বিষয় হল সামাজিক সম্প্রীতি, পরিবেশ সচেতনতা (Centenary Programmes), কুটুম্ব প্রবোধন, আত্মগৌরব এবং নাগরিক কর্তব্য পালন (RSS)।

     

  • Dattatreya Hosabale: “হিন্দু রাষ্ট্রের ধারণা ও ধর্মতাত্ত্বিক রাষ্ট্রের ধারণা এক নয়”, বার্তা দত্তাত্রেয় হোসাবলের

    Dattatreya Hosabale: “হিন্দু রাষ্ট্রের ধারণা ও ধর্মতাত্ত্বিক রাষ্ট্রের ধারণা এক নয়”, বার্তা দত্তাত্রেয় হোসাবলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “হিন্দু রাষ্ট্রের ধারণা এবং ধর্মতাত্ত্বিক রাষ্ট্রের ধারণা এক নয়। হিন্দু রাষ্ট্র হল ধর্মের নীতির উপর ভিত্তি করে তৈরি একটি ধারণা।” এমন কথাই বলেছেন আরএসএসের (RSS) সর কার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবলে (Dattatreya Hosabale)। মঙ্গলবার সংঘ পরিবারের শতবর্ষ উদযাপনের অংশ হিসেবে কেরলের তিরুবন্তপুরমের  রাজীব গান্ধী সেন্টার ফর বায়োটেকনোলজিতে আয়োজিত ‘ব্লুমিং ভারত: ইয়ং ইন্টেলেকচুয়াল মিট’-এর উদ্বোধনী অধিবেশনে তিনি এই কথা বলেন।

    প্রাচীন রাষ্ট্র ভারতবর্ষ (Dattatreya Hosabale)

    সংঘের (RSS) সর কার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবলে (Dattatreya Hosabale) বলেন, “ভারতবর্ষ আমাদের একটি প্রাচীন রাষ্ট্র। কেউ কেউ যুক্তি দেন যে ১৯৪৭ সালে স্বাধীনতা লাভের পরই এটি একটি জাতিতে পরিণত হয়েছিল। রাষ্ট্রের ধারণাটি পশ্চিমাদের জাতির ধারণার মতো ছিল না। কর্নাটকে জন্মগ্রহণকারীদের কাছে কেরল একটি প্রতিবেশী রাজ্য ছিল। তবুও, দুর্ভাগ্যজনক যে কেরলের দর্শকদের সামনে রাষ্ট্রের ধারণাটি একটি বিদেশি ভাষায় উপস্থাপন করতে হয়েছিল। কোনও বিদেশি ভাষাই একটি জাতির ধারণা, তার ঐতিহ্য, সংস্কৃতি এবং দর্শনের সম্পূর্ণ প্রতিনিধিত্ব করতে পারে না।”

    সংস্কৃত হল জাতির ভিত্তি

    সংঘের (RSS) সরকার্যবাহ (Dattatreya Hosabale) আরও বলেন, “সংস্কৃতি হল জাতির ভিত্তি। সরকারের খসড়া বিদ্যুৎ নীতি, সাবারি সোনার খসড়া, ভিঝিনজাম বন্দর চুক্তি এবং আরও অনেক কিছু হিন্দু নামটি সংস্কৃত ভাষা থেকে এসেছে। ব্রিটিশ রাজত্বের সময়ও এটি একটি হিন্দু জাতি ছিল। এর আত্মা আধ্যাত্মিক। যদিও প্রকাশভঙ্গিতে পার্থক্য থাকতে পারে, সংস্কৃতি এক। সঙ্গীত কন্নড় হোক বা হিন্দুস্তানি হোক বা অন্য কোনও রূপ, ভিত্তি হল সাতটি স্বর। রাধা, কৃষ্ণ, শিব এবং পার্বতী ছাড়া কোন নৃত্যধারা বিদ্যমান? ভারতের ঐক্যকে বোঝাতে, সমাজতান্ত্রিক নেতা রাম মনোহর লোহিয়াকে স্মরণ করতে পারি। যিনি উত্তর ও দক্ষিণকে সংযুক্ত করেছিলেন। কৃষ্ণ, যিনি পূর্ব ও পশ্চিমকে সংযুক্ত করেছিলেন। এবং শিব, যিনি সমগ্র জাতিকে প্রভাবিত করেছিলেন।”

    ১২টি জ্যোতির্লিঙ্গ, ৫২টি শক্তিপীঠ দেশের সংস্কৃতির প্রতীক

    দত্তাত্রেয় (Dattatreya Hosabale) আরও বলেন, “চিনা আক্রমণের সময়, ডিএমকে নেতা আন্নাদুরাই রাজ্যসভায় চিনের বিরুদ্ধে তীব্র বক্তব্য রেখেছিলেন যে হিমালয় হল শিবের আবাসস্থল। মাদুরাইতে এক বক্তৃতায়, পণ্ডিত নেহরু বলেছিলেন যে, তিনি তীর্থযাত্রার মাধ্যমে ভারতকে ঐক্যবদ্ধকারী পূর্বপুরুষদের প্রণাম করেন। ১২টি জ্যোতির্লিঙ্গ, ৫২টি শক্তিপীঠ এবং শঙ্করাচার্য কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত চারটি মঠ ভারতের সংস্কৃতির প্রতিনিধিত্ব করে। বন্দে মাতরম রচনাকারী বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ভারতকে সরস্বতী, লক্ষ্মী এবং দুর্গা হিসাবে উল্লেখ করেছিলেন, যা জ্ঞান, সম্পদ এবং শক্তির প্রতীক। এর কোনওটিই ধর্মীয় নয়। অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মহম্মদ করিম চাগলা এই কারণে নিজেকে একজন সাংস্কৃতিক হিন্দু বলে ঘোষণা করেছিলেন। ইন্দোনেশিয়া তার ধর্ম পরিবর্তন করেছে কিন্তু তার পূর্বপুরুষদের নয়। তারা রামায়ণকে লালন করে এবং হিন্দুধর্ম হল নীতি ও সাংস্কৃতিক মূল্যবোধের একটি ব্যবস্থা।

    এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ন্যাকের (NAAC) ডিরেক্টর গণেশান কান্নানবীরেন, কেরালা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি মোহনন কুন্নুম্মল, এপিজে আবদুল কালাম টেকনোলজিক্যাল ইউনিভার্সিটির ভিসি সিজা থমাস এবং আরএসএস দক্ষিণ কেরালার আঞ্চলিক সংঘচালক এমএস রমেশান।

  • RSS: “গবেষকদের উচিত ভারতীয় জ্ঞান পরম্পরার ভিত্তিতে গ্রামোন্নয়ন নিয়ে চিন্তাভাবনা করা”, বললেন দত্তাত্রেয় হোসবলে

    RSS: “গবেষকদের উচিত ভারতীয় জ্ঞান পরম্পরার ভিত্তিতে গ্রামোন্নয়ন নিয়ে চিন্তাভাবনা করা”, বললেন দত্তাত্রেয় হোসবলে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরএসএস (RSS)-এর সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসবলে (Dattatreya Hosabale) গবেষক ও শিক্ষাবিদদের প্রতি ভারতীয় জ্ঞান পরম্পররা দিকে নজর দেবার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “ভারতের নিজস্ব জ্ঞান ব্যবস্থা বা ‘ভারতীয় জ্ঞান পরম্পরা’ (IKS)-এর ওপর ভিত্তি করে গ্রামোন্নয়নের নতুন পথ খুঁজে বের করা একান্ত প্রয়োজন। প্রকৃত গ্রামীণ উন্নয়ন কেবল আধুনিক প্রযুক্তি দিয়ে সম্ভব নয়, বরং তাতে ভারতের প্রাচীন শিকড় ও অভিজ্ঞতার প্রতিফলন থাকা প্রয়োজন।”

    দেশীয় মডেলে উন্নয়ন (Dattatreya Hosabale)

    সংঘের (RSS) সরকার্যবাহ হোসবলে (Dattatreya Hosabale) বলেন, “গ্রামোন্নয়নের জন্য আমাদের কেবল পাশ্চাত্য মডেলের ওপর নির্ভর করলে চলবে না। ভারতের গ্রামগুলোর নিজস্ব শক্তি ও ঐতিহ্য রয়েছে। গবেষকদের উচিত, এমন গবেষণায় মনোনিবেশ করা যা গ্রামীণ অর্থনীতিকে স্বনির্ভর করতে সাহায্য করবে।”

    কৃষি ও পরিবেশ রক্ষা

    হোসবলে (Dattatreya Hosabale) টেকসই উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। তাঁর মতে, “রাসায়নিক মুক্ত চাষাবাদ এবং পরিবেশবান্ধব জীবনশৈলী ভারতের গ্রামগুলোর মূল ভিত্তি হওয়া উচিত। ভারতীয় জ্ঞান ব্যবস্থায় পরিবেশ ও মানুষের যে নিবিড় সম্পর্কের কথা বলা হয়েছে, তা বর্তমান সময়ে অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক।”

    সামাজিক সম্প্রীতি ও একতা

    তিনি উল্লেখ করেন যে, গ্রামের উন্নয়ন মানে কেবল রাস্তাঘাট বা অবকাঠামো নয়, বরং সামাজিক ঐক্য বজায় রাখাও উন্নয়নের অংশ। পঞ্চায়েত ব্যবস্থা এবং স্থানীয় বিচার ব্যবস্থার মতো ঐতিহ্যবাহী কাঠামোগুলোকে কীভাবে আধুনিক প্রেক্ষাপটে শক্তিশালী করা যায়, তা নিয়ে কাজ করা একান্ত প্রয়োজন।

    তরুণ প্রজন্মের ভূমিকা

    হোসবলে (Dattatreya Hosabale) আহ্বান জানান, যেন উচ্চশিক্ষিত তরুণরা এবং গবেষকরা সরাসরি গ্রামের মানুষের সংস্পর্শে আসেন এবং তাঁদের সমস্যাগুলো বুঝে দেশীয় পদ্ধতিতে তার সমাধান খুঁজে বের করেন। তাই তিনি বলেন, “যদি ভারত তার নিজস্ব জ্ঞান ও সংস্কৃতির ভিত্তিতে গ্রামগুলোকে সমৃদ্ধ করতে পারে, তবেই ‘বিকশিত ভারত’ গড়ার স্বপ্ন সফল হবে। তিনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে এই ধরণের গবেষণায় উৎসাহ দেওয়ার অনুরোধ জানান, যা সরাসরি দেশের সাধারণ মানুষের কল্যাণে আসবে।”

  • Republic Day 2026: কেশবকুঞ্জে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করলেন দত্তাত্রেয় হোসাবলে, দিলেন সংবিধান রক্ষা এবং সীমান্ত সুরক্ষার পাঠ

    Republic Day 2026: কেশবকুঞ্জে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করলেন দত্তাত্রেয় হোসাবলে, দিলেন সংবিধান রক্ষা এবং সীমান্ত সুরক্ষার পাঠ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬ সালের প্রজাতন্ত্র (Republic Day 2026) দিবস উপলক্ষে কেশব কুঞ্জে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেছেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবলে (Dattatreya Hosabale)। এই প্রজাতন্ত্র দিবসে সংবিধান ও সীমান্ত সুরক্ষার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। দেশ যত ২০৪৭ সালের দিকে এগিয়ে যাবে সকলকে একজোট হয়ে দেশ নির্মাণের জন্য অংশগ্রহণ করতে হবে। এই জন্য দেশবাসীকে কর্তব্য পালনের উপর জোর দেন সংঘের এই নেতা।

    ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (RSS) সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবেলে নয়াদিল্লির ‘কেশব কুঞ্জ’-এ জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। পতাকা উত্তোলনের পর তিনি উপস্থিত কর্মকর্তাদের উদ্দেশে ভাষণ দেন এবং দেশের সংবিধান ও নিরাপত্তার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ বার্তাও দেন।

    সংবিধানের প্রতি শ্রদ্ধা (Republic Day 2026)

    দত্তাত্রেয় হোসবালে (Dattatreya Hosabale) তাঁর ভাষণে ভারতের সংবিধানের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করেন। তিনি বলেন, “সংবিধান কেবল একটি আইনি নথি নয়, এটি ভারতের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ভিত্তি। দেশের প্রতিটি নাগরিকের উচিত সংবিধান প্রদত্ত নাগরিক কর্তব্যগুলির ঠিক ঠিক ভাবে পালন করা।”

    সীমান্ত নিরাপত্তা

    দেশের বর্তমান পরিস্থিতির (Republic Day 2026) কথা উল্লেখ করে তিনি (Dattatreya Hosabale) আরও বলেন, “ভারতের সীমান্ত সুরক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও সীমান্ত পাহারা দেওয়া বীর জওয়ানদের অদম্য সাহসের প্রশংসা করেন তিনি। সীমান্ত সুরক্ষিত বলেই দেশের নাগরিক শান্তিতে ঘুমাতে পারেন। নির্বিঘ্নে সকল কাজ করতে পারেন। তাই দেশের সেনা বাহিনীর মনোবলকে সব সময় বাড়িয়ে রাখতে হবে।”

    একতা ও অখণ্ডতা

    দেশের একতা এবং অখণ্ডতা বিষয়ে জোর দিয়ে হোসাবলে (Dattatreya Hosabale) বলেন, “ভারতকে একটি শক্তিশালী রাষ্ট্রে পরিণত করতে হলে জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে সকলকে একজোট হয়ে কাজ করতে হবে। সমাজের প্রতিটি স্তরে সাম্য ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করাই প্রজাতন্ত্র দিবসের প্রকৃত সংকল্প হওয়া উচিত। উঁচুনিচু, ধনী-গরিব, জাতপাত, অস্পৃশ্যতার মতো বিভাজনকারী নিয়মকে চিরতরে সমাজ থেকে বহিষ্কার করতে হবে। ধর্মস্থলে, সামাজিক স্থানে কোনও রকম প্রভেদ মানা চলবে না।”

    দেশপ্রেমের বার্তা

    কেশব কুঞ্জে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে স্বয়ংসেবকরা দেশাত্মবোধক গান ও কুচকাওয়াজের মাধ্যমে দিনটি উদযাপন করেন। হোসবলে (Dattatreya Hosabale) সকলকে দেশের উন্নয়নের স্বার্থে আত্মনিয়োগ করার আহ্বান জানান। দেশের উন্নতি এবং প্রগতিতে সমাজের সকল স্তরের মানুষকে এক যোগে কাজ করে যেতে হবে। ব্যক্তি, পরিবার, দেশ, সমাজ এবং রাষ্ট্রের উন্নয়ন তখনই এক সঙ্গে সম্ভব যখন পরস্পরের সৌজন্য এবং ভাতৃত্বকে বোঝা সম্ভব।

  • Dattatreya Hosabale: “মণিপুরে আরএসএসের কর্মীরাও স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনতে নিরলসভাবে কাজ করেছেন”, বললেন হোসাবলে

    Dattatreya Hosabale: “মণিপুরে আরএসএসের কর্মীরাও স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনতে নিরলসভাবে কাজ করেছেন”, বললেন হোসাবলে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মণিপুরের পরিস্থিতির আগেও অবনতি হয়েছিল। তবে এখন সেখানে শান্তি ফিরে আসছে এবং মানুষ নতুন আশায় উজ্জীবিত। স্বয়ংসেবক সংঘের কর্মীরাও স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনতে নিরলসভাবে কাজ করেছেন। একই রাজ্যের দু’টি সম্প্রদায়ের একে অপরের সঙ্গে সংঘাতে জড়ানোটা উচিত নয়। পরিস্থিতির দ্রুত উন্নতি হচ্ছে এবং সমাজ ও সরকার দু’পক্ষই সম্পূর্ণ স্বাভাবিকতা নিশ্চিত করতে কাজ করছে।”

    আরএসএসের অখিল ভারতীয় কার্যকরী মণ্ডল (Dattatreya Hosabale) 

    আরএসএসের (RSS) অখিল ভারতীয় কার্যকরী মণ্ডল বৈঠকের শেষ দিনে সাংবাদিক সম্মেলনে কথাগুলি বললেন সংগঠনের সহসরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবলে (Dattatreya Hosabale)। এই বৈঠকে সরসঙ্ঘচালক মোহন ভাগবতের বিজয়া দশমীর ভাষণে উত্থাপিত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি নিয়ে বিশদ আলোচনা হয়। শতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষে নাগপুরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। কয়েকটি বিদেশি দেশের প্রতিনিধিদলও এই উদযাপনে অংশ নেয়। দালাই লামাও এই উপলক্ষে সংঘকে শুভেচ্ছা জানান।২০২৫ সালের ২ অক্টোবর ১০০ বছর পূর্ণ করে আরএসএস। হোসাবলে ধর্ম, বাণিজ্য, শিল্প-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রের সেই সব ব্যক্তিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন, যাঁরা সংঘকে শতবর্ষে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

    কী বললেন হোসাবলে

    নাগপুরে আয়োজিত ‘পথ সঞ্চালনে’ মোট ১৪ হাজার ১০১ জন স্বয়ংসেবক অংশ নেন। দেশের বিভিন্ন জায়গায়ও একইভাবে এই অনুষ্ঠান হয়। হোসাবলে স্বয়ংসেবকদের পরিবারের সদস্যদের প্রতিও আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানান (Dattatreya Hosabale)। হোসাবলে জানান, শতবর্ষ উদ্‌যাপন উপলক্ষে ভারতের বিভিন্ন জায়গায় যে অনুষ্ঠানগুলি হয়েছে, তা সংঘের কাজের বিস্তৃত সম্প্রসারণেরই প্রতিফলন। বর্তমানে দেশে সংঘের মোট ৫৯ হাজার ৩৪৩টি মণ্ডল রয়েছে। এর মধ্যে ৫০ হাজার ৯৬টি মণ্ডলে অনুষ্ঠান হয়েছে। ৩৭ হাজার ২৫০টি মণ্ডলে ব্যাপক জনসমাগম হয়েছে।

    মহানগর ও নগর এলাকায় মোট ৪০ হাজার ৬৮৬টি বস্তি রয়েছে। তার মধ্যে ৪০ হাজার ২২০টিতেই অনুষ্ঠান হয়েছে। এছাড়াও আরও ৬ হাজার ৭০০টি আলাদা করে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। তিনি জানান, লাদাখ থেকে শুরু করে পাহাড়ি, উপকূলবর্তী ও উপজাতি অধ্যুষিত অঞ্চল – দেশের সর্বত্রই সমাজের সর্বস্তরের মানুষ এতে (RSS) অংশগ্রহণ করেছেন। হোসাবলে বলেন, “পথ সঞ্চালনে অংশগ্রহণকারীদের বেশিরভাগেরই বয়স চল্লিশ বছরের নীচে। এ থেকে প্রমাণ হয়, দিন দিন তরুণ প্রজন্ম আরএসএসের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে। এই আয়োজনে কোনও সম্প্রদায়কেই বাদ দেওয়া হয়নি (Dattatreya Hosabale)।”

LinkedIn
Share