Tag: dead

dead

  • Burdwan: তোলাবাজিরই কি পরিণাম? বর্ধমানে যুবককে বাঁশ দিয়ে পিটিয়ে খুনে অভিযুক্ত তৃণমূ্লেরই কর্মী

    Burdwan: তোলাবাজিরই কি পরিণাম? বর্ধমানে যুবককে বাঁশ দিয়ে পিটিয়ে খুনে অভিযুক্ত তৃণমূ্লেরই কর্মী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার বর্ধমানে এক যুবককে পিটিয়ে মারার অভিযোগ উঠল। আর তাতে নাম জড়ালো তৃণমূলের। পুলিশ জানিয়েছে, মৃত যুবকের নাম রবি পাশোয়ান(৩৪)। তাঁর বাড়ি বর্ধমান (Burdwan) শহরের ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের সদরঘাটের সুকান্তপল্লি এলাকায়। অভিযুক্ত তৃণমূল কর্মী শেখ ইনসান ওরফ গাবুর বাড়ি একই জায়গায়। ঘটনার পর থেকে সে উধাও। মৃতের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, অভিযুক্তের খোঁজে তল্লাশি চলছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Burdwan)

    পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, তৃণমূল কর্মী (Trinamool Congress) গাবুর সঙ্গে থাকতেন রবি। শাসক দলের সঙ্গে যুক্ত থাকায় সে তোলাবাজিও করত। মাঝে দুজনের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হলেও বেশ কিছুদিন ধরে তাঁরা একসঙ্গে থাকতেন। রবি ভ্যান চালিয়ে সংসার চালাতেন। আর গাবুর এলাকায় (Burdwan) চায়ের দোকান রয়েছে। কোনও একটি বিষয় নিয়ে রবির সঙ্গে গাবুর বচসা হয়। এরপরই তাঁকে বাঁশ দিয়ে বেধড়ক পেটায় গাবু। গুরুতর জখম অবস্থায় রবিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বৃহস্পতিবার তাঁর মৃত্যু হয়। এই ঘটনার পর ক্ষোভে ফেটে পড়েন পরিবারের লোকজন থেকে শুরু করে পাড়া প্রতিবেশীরা। মৃতের স্ত্রী রাধা পাশোয়ান বলেন, আমার স্বামীকে গাবু বাঁশ দিয়ে ব্যাপক মারধর করে। তাঁর ঘাড়ে ও পেটে আঘাত লাগে। বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্বামীর মৃত্যু হয়। আমরা অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি। মৃতের দাদা প্রেমনাথ পাশোয়ান বলেন, গাবু সব সময়ে অসামাজিক কাজকর্ম ও তোলাবাজি করত। আর তৃণমূল করত বলে কেউ কথা বলার সাহস পেত না। ভাই পরিবারে একমাত্র রোজগার করত। ও চলে যাওয়ার পর সংসার কী করে চলবে তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছি। আমরা চাই, গাবুর শাস্তি হোক।

    আরও পড়ুন: ঢাকায় আওয়ামি লিগ কাউন্সিলরের নেতৃত্বে সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর হামলা, জখম ৬০

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী বললেন?

    রাজ্য তৃণমূল কংগ্রেসের (Trinamool Congress) মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস বলেন, কে কি রাজনৈতিক দল করে সেটা কোনও বিষয় নয়। আইনে অনুযায়ী পুলিশ প্রশাসন ব্যবস্থা নেবে। পুলিশ তদন্ত করে দেখুক। অপরাধী শাস্তি পাবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: ১৫ দিনে ১০ জন প্রসূতির মৃত্যু উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালে, চিকিৎসার গাফিলতি নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

    Siliguri: ১৫ দিনে ১০ জন প্রসূতির মৃত্যু উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালে, চিকিৎসার গাফিলতি নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৫ দিনে ১০ জন প্রসূতির মৃত্যুতে চরম অস্বস্তিতে পড়েছেন স্বাস্থ্য কর্তারা। রাজ্যের তৃণমূল সরকার মাতৃত্বকালীন মৃত্যু কমিয়ে আনার জন্য বার বার কৃতিত্বের দাবি করে। এভাবে ১০ জন প্রসূতির মৃত্যুতে রাজ্য সরকারের সেই দাবি জোর ধাক্কা খেয়েছে বলে ওয়াকিবহল মহল মনে করছে। ঘটনাটি ঘটেছে শিলিগুড়ির (Siliguri) উত্তরবঙ্গের একমাত্র রেফারেল সেন্টার ৫৫ বছরের উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। 

     প্রশ্নের মুখে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল (Siliguri)

    উত্তরবঙ্গ (Siliguri) মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের প্রসূতি বিভাগের চিকিৎসা পরিষেবা নিয়ে  দীর্ঘদিন ধরে নানান অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ, জুনিয়র ডাক্তারদের দিয়ে চলছে প্রসূতি বিভাগ। অনেক সময় নার্সরা প্রসব করান। দুপুরের পর থেকে সিনিয়র ডাক্তারদের দেখা মেলে না। গত ১ মে থেকে ১৫ মে পর্যন্ত ১০ জন প্রসূতির মৃত্যুতে এই অভিযোগগুলিই সামনে চলে এসেছে। দু’সপ্তাহে ১০ জন প্রসূতির মৃত্যুতে চিকিৎসায় অবহেলার দিকটি দেখছে ওয়াকিবহাল মহল।

    আরও পড়ুন: সন্দেশখালিতে থেকেই অভিযোগ শুনবে সিবিআই, চালু হল অস্থায়ী শিবির

    কী বলছে উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষ

    হাসপাতালের (Siliguri) অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপার (মেডিক্যাল) ডাঃ নন্দন কুমার বন্দোপাধ্যায় বলেন, ১৫ দিনে ১০ জন প্রসূতির মৃত্যু উদ্বেগজনক। যে দশজন মারা গিয়েছেন তাদের মধ্যে  ইসলামপুর থেকে ২ জন,   জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে ২ এবং ফাঁসিদেওয়া, মাটিগাড়া ও শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতাল থেকে একজন করে প্রসূতি সঙ্কটজনক অবস্থায় রেফার হয়ে এসেছিলেন। এদের কারও কিডনির, কারও হার্টের সমস্যা এবং অন্যান্য জটিলতা  ছিল। তাই তাদের প্রয়োজনীয় সব রকম  চিকিৎসার পরিষেবা দেওয়ার পরও বাঁচানো সম্ভব হয়নি। উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের প্রসূতি বিভাগের ফেসিলিটি নোডাল অফিসার ডাঃ সন্দীপ সেনগুপ্ত বলেন, প্রসূতিদের শুরুতেই দেখা উচিত, কারও কিডনির অসুখ, লিভারের সমস্যা রয়েছে কিনা বা অন্য কোনও জটিল রোগব্যাধিতে আক্রান্ত কিনা প্রসূতিরা সেটা প্রথমেই নির্ণয় করা প্রয়োজন। চিকিৎসার একদম নীচু স্তরে যাতে প্রসূতিদের এই দিকগুলির ওপর নজর দেওয়া হয় সে নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ওয়াকিবহাল করা হবে।

     প্রসূতিদের চিকিৎসায় গাফিলতি?

    রাজ্যের তৃণমূল সরকার দাবি করে, ব্লক থেকে জেলা, সব সরকারি হাসপাতালে পরিকাঠামোর উন্নয়ন করে এবং সুযোগ সুবিধা বাড়িয়ে মাতৃত্বকালীন মৃত্যুর ঘটনা উল্লেখজনকভাবে কমিয়ে আনা হয়েছে। গর্ভবতী মহিলাদের প্রথম থেকেই সরকারি স্বাস্থ্যকর্মীরা দেখভাল করেন, প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থাও করেন। প্রসূতিদের অহেতুক রেফারও বন্ধ করা হয়েছে। তাহলে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে যে ১০ জন প্রসূতির মৃত্যু হয়েছে তাদের সঙ্কটজনক অবস্থায় রেফার করা হল কেন? শুরুতে  চিকিৎসা ও অন্যান্য ব্যবস্থায় গাফিলতি ছিল?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Baranagar: দরজা ভেঙে ঢুকতেই থ পুলিশ, ঘরের ভিতরে রক্তাক্ত পর পর দেহ, বরানগরে একী কাণ্ড?

    Baranagar: দরজা ভেঙে ঢুকতেই থ পুলিশ, ঘরের ভিতরে রক্তাক্ত পর পর দেহ, বরানগরে একী কাণ্ড?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভিতর থেকে দরজা বন্ধ ছিল। শনিবার থেকে বন্ধ বাড়ির আশপাশের এলাকা থেকে দুর্গন্ধ বের হচ্ছিল। কিন্তু, কোথায় থেকে গন্ধ আসছিল তা এলাকার মানুষ বুঝতে পারছিলেন না। পরে, পুলিশ এসে বন্ধ বাড়ির দরজা খুলতেই থ হয়ে যান প্রতিবেশীরা। ঘরের ভিতর থেকে তিনজনের দেহ উদ্ধার হয়। রবিবার নববর্ষের দিন সকালে বরানগরের (Baranagar) নীরঞ্জন সেন নগরে একই পরিবারের তিন জনের রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতদের নাম শঙ্কর হালদার, বাপ্পা হালদার ও বর্ণ হালদার। শঙ্করবাবুর বয়স ৭০ বছর। তাঁর ছেলে মাঝ বয়সী। আর তাঁর নাতির বয়স ১৬ বছর।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Baranagar)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শঙ্করবাবু ছেলে ও নাতিকে নিয়ে বরানগরের (Baranagar) বাড়িতে থাকতেন। পারিবারিক অশান্তির কারণে বেশ কয়েকবছর আগে বউমা বাড়ি ছেড়ে চলে যান। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, বাড়িতে তিনজন থাকতেন। রাস্তাঘাটে তাঁদের দেখা যেত। তবে, গত তিন-চারদিন ধরে আর বাড়ির কাউকে আমরা দেখতে পাননি। আর বাড়ির দরজা ভিতর থেকে লাগানো ছিল বলে কেউ কোনও সন্দেহ করেনি। এলাকায় পচা গন্ধ বের হতেই এলাকাবাসীর সন্দেহ হয়। এরপরই পুলিশ এসে ঘরের ভিতর থেকে তিনটি দেহ উদ্ধার করে। দরজা ভেঙে ঘরের ভিতর থেকে তিনটি দেহ উদ্ধার করে। জানা গিয়েছে,  তিন জনের মৃতদেহ রক্তাক্ত অবস্থা মাটিতে রয়েছে। সবারই গলায়, ঘাড়ে এ পিঠে ধারাল অস্ত্রের কোপানোর আঘাত রয়েছে। সাড়া ঘরে পড়ে রয়েছে চাপ চাপ রক্ত।

    আরও পড়ুন: সন্দেশখালিতে মানবাধিকার লঙ্ঘন, ডিজি-মুখ্যসচিবের রিপোর্ট তলব কমিশনের

     কমিশনারেটের এক আধিকারিক কী বললেন?

    বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের এক আধিকারিক বলেন, প্রাথমিক তদন্তে মনে হচ্ছে, বাবা ও ছেলেকে বিষাক্ত কিছু খাইয়ে পরে কুপিয়ে খুন করে। শেষে বাপি হালদার আত্মঘাতী হন। তবে, অন্য কেউ খুন করেছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Holi 2024: দোল খেলে নদীতে স্নান করতে নেমে রাজ্যে মৃত্যু হল চারজনের, তলিয়ে গেলেন তিনজন

    Holi 2024: দোল খেলে নদীতে স্নান করতে নেমে রাজ্যে মৃত্যু হল চারজনের, তলিয়ে গেলেন তিনজন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দোল উৎসবে সোমবার সকাল থেকেই রং খেলায় (Holi 2024) মেতে ওঠেন সকলে। দুপুরের পর গঙ্গায় স্নান করতে নেমেই বিপত্তি। চার বন্ধু তলিয়ে যায় নদীতে। মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার খড়দা থানার আগরপাড়ার আশ্রমঘাট এলাকায়। এছাড়া পূর্ব বর্ধমানের কালনা এবং বাঁকুড়ায় স্নান করতে নেমেই চারজনের মৃত্যু হয়েছে। সবমিলিয়ে দোলের পর এই দুর্ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

    আগরপাড়ায় গঙ্গায় তলিয়ে গেলেন তিনজন, কালনায় মৃত ২ (Holi 2024)

    এদিন দুপুরে দোল খেলার পর উত্তর ২৪ পরগনার খড়দার আগরপাড়ার আশ্রমঘাটের গঙ্গায় দোল খেলে (Holi 2024)  স্নান করতে গিয়েছিল চারজন। হঠাৎ বান চলে আসায় তাদের মধ্যে চারজনই তলিয়ে যান। চোখের সামনে ভাসতে এই বিপত্তি স্থানীয় লোকজন দেখে গঙ্গায় ঝাঁপ মেরে একজনকে উদ্ধার করা গেলেও বাকি তিনজনের হদিশ মেলেনি। অন্যদিকে, রঙ খেলা শেষে পূর্ব বর্ধমানের কালনার জিউধারা এলাকায় একটি দিঘিতে এলাকার ছেলেরা স্নান করতে নেমেছিল। অনেকে স্নান করে উঠে যায়। পরে, ওই দিঘিতে স্নান করতে নামেন দুই ভাই। ভাবতেও পারেননি কত বড় বিপদ তাঁদের জন্য অপেক্ষা করছে। স্নান করতে নেমেই একজন প্রথমে  তলিয়ে যেতে থাকে। তাঁকে বাঁচাতে গিয়ে অন্যজনও তলিয়ে যায। আশপাশের লোকজন বিষয়টা বুঝতে পেরেই দিঘিতে দুই ভাইকে উদ্ধার করেন। তাঁদের কালনা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।

    আরও পড়ুন: তারকা প্রচারকরা বিধি না মানলে, বাতিল হবে দলের স্বীকৃতি, সিদ্ধান্ত কমিশনের

    দামোদরের জলে মৃত্যু হল দুজনের

    এদিকে এদিকে রঙ খেলার (Holi 2024) পর বন্ধুদের সঙ্গে স্নান করতে গিয়ে দামোদরের জলে ডুবে মৃত্যু হল বাঁকুড়ার দুজনের। মৃতরা সম্পর্কে দুই ভাই, সানি কুমার ও সোনু কুমার। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হঠাৎই জলের তোড়ে ভেসে যায় ওই দুজন। মৃতদেহ উদ্ধার করে বড়জোড়া সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে ময়নাতদন্তের জন্য বাঁকুড়া মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। জানা গিয়েছে, মৃতরা বিহারের বাসিন্দা। তাঁরা বড়জোড়া রায় কলোনিতে ভাড়া থাকতেন। ইতিমধ্যেই দেহ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে পুলিশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Burdwan: তিন মিনিটের ঝড়ে তছনছ! উড়ল বাড়ির চাল, ভাঙল মণ্ডপ, বজ্রাঘাতে মৃত্যু এক

    Burdwan: তিন মিনিটের ঝড়ে তছনছ! উড়ল বাড়ির চাল, ভাঙল মণ্ডপ, বজ্রাঘাতে মৃত্যু এক

     মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঝড়ের তান্ডবে লন্ডভন্ড হয়ে গিয়ে পূর্ব বর্ধমান (Burdwan) জেলার একাধিক এলাকা। বাজ পড়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে। জখম হয়েছেন অনেকেই। মাটির বাড়ির খড়ের ছাউনি উড়ে গিয়েছে। জেলার বহু জায়গায় সরস্বতী পুজো মণ্ডপ ভেঙে গিয়েছে। সবমিলিয়ে জেলায় তান্ডব চালিয়েছে ক্ষণিকের ঝড়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Burdwan)

    পূর্ব বর্ধমান জুড়েই বৃহস্পতিবার বিকাল থেকে বজ্রবিদ্যুৎ- সহ বৃষ্টি হয়েছে। বর্ধমান (Burdwan) শহরে বেশ কিছু ক্ষণের জন্য ভারী বৃষ্টি হয়। জেলার নানা প্রান্ত থেকে ক্ষয়ক্ষতির খবর এসেছে। বিকেলে আচমকা ঝাড়বৃষ্টি শুরু হয় বর্ধমানের বেশ কিছু এলাকায়। কালনায় ওই ঝড় মিনিট তিনেক স্থায়ী হয়েছিল। ঝড়ের দাপটে ওই তিন মিনিটেই ভেঙে পড়ে সরস্বতী পুজোর একাধিক মণ্ডপ এবং অস্থায়ী তোরণ। গাছ ভেঙে বন্ধ হয়ে গিয়েছে গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা। কালনার বৈদ্যপুরে মণ্ডপের তোরণ ভেঙে গুরুতর জখম হন দু’জন। ঠাকুর দেখতে গিয়ে মণ্ডপের তোরণ ভেঙে পড়ে এই বিপত্তি হয়। জখমদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যদিকে, গলসির বোমপুরে বজ্রাঘাতে এক জনের মৃত্যু হয়েছে। তাঁর নাম সজনী মুর্মু। তিনি ক্ষেত মজুরের কাজ করতেন। ঝড়ের সময় তিনি মাঠেই ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। ঝড়ের তাণ্ডব চলেছে রায়না, খণ্ডঘোষ, মেমারিতেও। খণ্ডঘোষের বেড়ুগ্রামে একাধিক মাটির বাড়ির খড়ের চাল উড়ে গিয়েছে। অনেক গাছ ভেঙে পড়েছে রাস্তার ওপর। রায়না থানা এলাকার আস্তিকুরে ঝড়ের সময় গাছের ডাল ভেঙে আহত হন এক ব্যক্তি। ডাল ভেঙে তাঁর গায়ে পড়ে। ওই ব্যক্তির নাম অনন্ত পোড়েল।

    স্থানীয় এক বাসিন্দা কী বললেন?

    কালনার এক বাসিন্দা বলেন, আমরা সরস্বতী মণ্ডপের পাশেই দাঁড়িয়েছিলাম। দুপুর থেকে মেঘলা আবহাওয়া ছিল। বিকেলের পর আচমকা ঝড় ওঠে। সামান্য কিছুক্ষণ ছিল। আর তাতেই সব কিছুই তছনছ করে দিয়েছে। মণ্ডপ ভেঙে গিয়েছে। আমার এক বন্ধু জখম হয়েছে। ঝড়ের সময় রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকতে পারছিলাম না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Purulia: ছুটির লোভ! প্রথম শ্রেণির পড়ুয়াকে থেঁতলে খুন করল অষ্টম শ্রেণির পড়ুয়া, শোরগোল

    Purulia: ছুটির লোভ! প্রথম শ্রেণির পড়ুয়াকে থেঁতলে খুন করল অষ্টম শ্রেণির পড়ুয়া, শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রথম শ্রেণির ছাত্রকে পাথর দিয়ে মাথা থেঁতলে খুন করার অভিযোগ ওঠে স্কুলেরই অষ্টম শ্রেণির এক পড়ুয়ার বিরুদ্ধে। হাড়হিম করা ঘটনাটি ঘটেছে পুরুলিয়ার (Purulia) মানবাজার থানার জবলার ঘাসতোড়িয়া সারদা শিশু মন্দির আবাসিক স্কুলে। ছুটির লোভে ‘খুনের’ পরিকল্পনা সাজায় অষ্টম শ্রেণির পড়ুয়া। টার্গেট করে প্রথম শ্রেণির এক পড়ুয়াকে। খুনের অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্তকে আটক করে হোমে পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় স্কুল শিক্ষক ও অভিভাবকরা তাজ্জব হয়ে গিয়েছেন।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Purulia)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ৩০ জানুয়ারি বিকেলে পুরুলিয়ার (Purulia) মানবাজার থানার আবাসিক স্কুলের  হস্টেল সংলগ্ন মাঠে খেলা করতে গিয়েছিল প্রথম শ্রেণির ওই পড়ুয়া। তারপর থেকেই রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়ে যায়। পরে, হস্টেল সংলগ্ন পুকুর থেকে ওই শিশুর রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়। শিশুকে তড়িঘড়ি উদ্ধার করে প্রথমে মানবাজার প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং পরে পুরুলিয়া সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। শিশুর নাক, মুখে ক্ষতচিহ্ন থাকায় ঘটনাটি খুন হিসাবে সন্দেহ হয় সকলের। ৩১ জানুয়ারি দেহের ময়নাতদন্ত হয় পুরুলিয়া মেডিক্যাল কলেজে। ঘটনার তদন্তের দাবি জানিয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হয় মৃত শিশুর পরিবার। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্তে নেমে ৫ ফেব্রুয়ারি ওই বিদ্যালয়েরই অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রকে আটক করে। প্রথমে তাকে পুরুলিয়ার শিমুলিয়া আনন্দমঠ জুভেনাইল জাস্টিস বোর্ডের কাছে তোলা হয়। পরে সেখান থেকে হুগলির কল্যাণ ভারতী হোমে পাঠানো হয়। পুলিশ জানিয়েছে, জেরার মুখে অষ্টম শ্রেণির ওই ছাত্র ভেঙে পড়ে প্রথম শ্রেণির পড়ুয়াকে খুনের কথা কবুল করে।

    পুলিশি জেরায় ধৃত পড়ুয়া কী সাফাই দিয়েছে?

    স্কুলে কেউ মারা গেলে ছুটি পাওয়া যেতে পারে বলে জানতে পেরেছিল অষ্টম শ্রেণির পড়ুয়া। বেশ কিছুদিন ধরেই সে ছক কষেছিল। এরপর প্রথম শ্রেণির এক পড়ুয়াকে সে খুন করার পরিকল্পনা করে। মূলত, স্কুলে ছুটি পেতেই প্রথম শ্রেণির পড়ুয়াকে সে খুন করে। পুলিশি জেরায় অষ্টম শ্রেণির পড়ুয়া সেকথা জানিয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: নরেন্দ্রপুরের সেই মৃত ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ুয়ার পেটে মিলল মদ, পকেটে কন্ডোমের প্যাকেট!

    South 24 Parganas: নরেন্দ্রপুরের সেই মৃত ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ুয়ার পেটে মিলল মদ, পকেটে কন্ডোমের প্যাকেট!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) নরেন্দ্রপুরের ইঞ্জিনিয়ারিং ছাত্র অপ্রতিম দাসের রহস্যমৃত্যুর কিনারা করতে পারেনি পুলিশ। তবে, ময়নাতদন্তের রিপোর্টে চাঞ্চল্যকর তথ্য পুলিশের হাতে এসেছে। এমনিতেই ছাত্রের মৃতদেহ উদ্ধার হওয়ার পর তাঁর মা ছেলেকে খুন করা হয়েছে বলে দাবি করেন। অপ্রতিমের বাবা সেই খুন করেছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। তার পাল্টা অপ্রতিমের বাবা এই খুনের জন্য নিজের স্ত্রীকে দায়ী করেছেন। এরমধ্যে ময়না তদন্তের রিপোর্ট পুলিশের হাতে আসায় তদন্ত অনেকটাই গতি পাবে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।

    ময়না তদন্তের রিপোর্টে কী রয়েছে? (South 24 Parganas)

    দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) নরেন্দ্রপুরের ছাত্রমৃত্যুর ঘটনার ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট পেয়েছে পুলিশ। রিপোর্ট অনুযায়ী, তাঁর লিভারে মদের নমুনা পাওয়া গিয়েছে। দেহে কোনও আঘাতের চিহ্ন নেই। পাশাপাশি, ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের দ্বিতীয় বর্ষের ওই ছাত্রের প্যান্টের পকেটে একটি কন্ডোমের প্যাকেট মিলেছে। তদন্তকারীদের একটি সূত্রে খবর, মৃত অপ্রতিম দাস মত্ত অবস্থায় জলাশয়ে পড়ে গিয়ে থাকতে পারেন। প্রাথমিক ভাবে পুলিশ মনে করেছে, শ্বাসরোধ হয়ে মৃত্যু হয়েছে যুবকের। জলে ডুবেই অপ্রতিমের মৃত্যু হয়েছে। তিনি জলাশয়ে কোনও ভাবে পড়ে গিয়ে থাকতে পারেন। আবার কেউ ঠেলেও ফেলে দিতে পারেন।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, অপ্রতিমের বাড়ি দক্ষিণ ২৪ পরগনার মহামায়াতলা এলাকায়। ফরতাবাদে তাঁর মামার বাড়ি। মামার বাড়ির পাশেই একটি ক্লাব বিয়েবাড়ি হিসেবে ভাড়া দেওয়া হয়। ৩০ জানুয়ারি সেখানে একটি বিয়ে অনুষ্ঠান ছিল। ওই বিয়ে বাড়িতে নিমন্ত্রিত ছিলেন অপ্রতিম। সেই উপলক্ষে মামার বাড়িতে এসেছিলেন তিনি। রাতে বিয়ে বাড়িতে গিয়ে খেতেও বসেন। কিন্তু, খেতে খেতেই উঠে যান। এর পর থেকেই তাঁর খোঁজ মিলছিল না। রবিবার দুপুরে নরেন্দ্রপুরের ঢালিপাড়া এলাকার একটি পুকুরে তাঁর দেহ ভাসতে দেখেন কয়েক জন। প্রত্যক্ষদর্শীদের একাংশ জানিয়েছেন, শৌচাগারে যাওয়ার কথা বলে উঠে যান ওই ছাত্র। কেউ আবার জানান, ফোনে মেসেজ পেয়েই উঠে যান তিনি। রাতেই নরেন্দ্রপুর থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেন অপ্রতিমের পরিবারের সদস্যেরা। পরিবার সূত্রে খবর, অপ্রতিমের বাবা সুমন দাস ও বর্ণালী দাসের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে অশান্তি চলছিল। তার জেরেই অপ্রতিম খুন হয়ে থাকতে পারেন বলেই মনে করছেন পরিবারের অনেকে। এর মধ্যে বর্ণালী ও অপ্রতিমের দিদিমা দাবি, বাবা সুমনই ছেলেকে খুন করেছেন। সুমনের একাধিক বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্ক রয়েছে বলেও দাবি তাঁর।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kamarhati: পাঁচদিন পর নিখোঁজ নাবালকের দেহ উদ্ধারে রণক্ষেত্র, বিটি রোড অবরোধ

    Kamarhati: পাঁচদিন পর নিখোঁজ নাবালকের দেহ উদ্ধারে রণক্ষেত্র, বিটি রোড অবরোধ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাত-পা বাঁধা অবস্থায় এক নাবালকের দেহ উদ্ধারের ঘটনায় রণক্ষেত্রের চেহারা নিল উত্তর ২৪ পরগনার কামারহাটি (Kamarhati) এলাকা। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম ইমতিয়াজ হোসেন। তার বয়স আট বছর। পুলিশের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ তুলে বিটি রোডে আগুন জ্বালিয়ে অবরোধ করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। নাবালকের মৃত্যুর জন্য পুলিশকে কাঠগড়ায় দাঁড় করান অবরোধকারীরা। অবরোধ তুলতে ঘটনাস্থলে পুলিশ গেলে অবরোধকারীদের সঙ্গে বচসা বাধে। পুলিশ লাঠিচার্জ করে বলে অভিযোগ।

    পুলিশের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ তুলে অবরোধ (Kamarhati)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ইমতিয়াজের বাড়ি পানিহাটি পুরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ড। তার বাবা নাসিম হুসেন পেশায় রিকশ চালক। ৩০ জানুয়ারি বাড়ি থেকে বেরিয়ে ইমতিয়াজ রহস্যজনভাবে নিখোঁজ হয়ে যায়। পরিবারের তরফ থেকে অনেক খোঁজাখুঁজি করার পর না পেয়ে ঘোলা থানায় অভিযোগ জানানো হয়। তবে, পুলিশ তদন্ত শুরু করলেও কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। অবশেষে এদিন দুপুরে আগরপাড়া-কামারহাটি (Kamarhati) লাগোয়া একটি বন্ধ কারখানার ভিতরে পুকুরের মধ্যে থেকে হাত-পা বাঁধা,মুখে রুমাল বাঁধা অবস্থায় মৃত অবস্থায় ইমতিয়াজকে উদ্ধার করা হয়। পুলিশ সঠিক সময়ে পদক্ষেপ করলে তাকে বাঁচানো যেত বলে দাবি স্থানীয়দের। তারপরেই স্থানীয়রা উত্তেজিত হয়ে বিটি রোড অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করার দাবি জানান। ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে অবরোধ তুলতে গেলে পুলিশের সঙ্গে বচসা হয়। পরে, লাঠিচার্জ করে অবরোধ তুলে দেওয়া হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছে, আগে কোনও ঝামেলাতেও জড়িয়ে পড়তে দেখা যায়নি শিশুটির পরিবারের কাউকে। সে ক্ষেত্রে শিশুটি কী ভাবে নিখোঁজ হল, কেনই বা তার দেহ পুকুরে এল, তা নিয়ে ধন্দ তৈরি হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, খুন করে পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়েছে। দোষীদের শাস্তি চাই।

    পুলিশ কমিশনার কী বললেন?

    পুলিশ কমিশনার অলোক রাজোরিয়া এদিন ঘটনাস্থলে যান। তিনি বলেন, যেখানে ওই নাবালকের দেহ পাওয়া গিয়েছে, সেখানে সচরাচর কেউ যায় না। কেন ওই নাবালককে এভাবে খুন করা হল তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি চলছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Durgapur: মিষ্টির দোকানে গ্যাস লিক করে মৃত্যু দুজনের, জখম ৬

    Durgapur: মিষ্টির দোকানে গ্যাস লিক করে মৃত্যু দুজনের, জখম ৬

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বড়দিনের সকালে দুর্গাপুরে (Durgapur) উৎসবের আবহে নেমে এল বিষাদের সুর। ঘুমের ঘোরে মিষ্টি তৈরির কারখানার ভিতরে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। তাঁরা দোকানের কারিগর ছিলেন। এছাড়া ৬ জন জখম হয়েছেন। মর্মান্তিক এই ঘটনাটি ঘটেছে দুর্গাপুরের বি-জোনের উইলিয়াম কেরি মোড়ের সামনে একটি মিষ্টির দোকানে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতদের নাম অতনু রইদাস এবং বিধান বাউরি। তাঁদের বাড়ি বাঁকুড়া জেলায়।

    ঠিক কী ঘটেছে? (Durgapur)  

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মিষ্টির দোকানের পিছনে গোডাউন রয়েছে। সেখানে মিষ্টি তৈরি হয়। সেখানে আট কারিগর ও কর্মী রাতে ঘুমোছিলেন। ভোর রাতে এক কারিগরের ফোন পেয়ে দোকানের মালিক ছুটে আসেন। এরপরই সকলকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই দুজনের মৃত্যু হয়। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে দুর্গাপুর (Durgapur) থানার পুলিশ। রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার লিক, না মিষ্টির দোকানের উনুনের ভাটির গ্যাস থেকে এই বিপত্তি হয়েছে, তার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। দুর্ঘটনায় দুজনের মৃত্যুর পাশাপাশি ৬ জন কারিগর ও কর্মী জখম হয়েছেন। তাঁদের দুর্গাপুরের শোভাপুরে একটি বেসরকারি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সকলের বাড়ি বাঁকুড়ার বেলিয়াতোড় এলাকায়।

    দোকানের মালিক কী বললেন?

    দোকানের মালিকের নাম মিলন মণ্ডল। তিনি দোকানটি অন্য একজনকে ভাড়া দিয়েছিলেন। মিলনবাবু বলেন, দোকানের কারিগর ও কর্মীরা গোডাউনে প্রতিদিনের মতো শুয়ে থাকেন। আর শীতের কারণে দরজা, জানলা সবই বন্ধ ছিল। ঘরের মধ্যে কী হয়েছে তা জানা সম্ভব নয়। অসুস্থরা কিছুটা সুস্থ হলে বিষয়টি জানা যাবে। ভোরের দিকে অতনু নামে এক মিষ্টির কারিগর ফোন করে দুর্ঘটনার কথা বলেন। আমি শুনে সঙ্গে সঙ্গে দোকানে যাই। এসে দেখি সকলেই অচৈতন্য হয়ে রয়েছে। সকলকে হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করি। রাস্তাতেই যে অতনু আমাকে ফোন করেছিলেন, তাঁর মৃত্যু হয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: মুর্শিদাবাদে একদিনে ৯ নবজাতকের মৃত্যু, হাসপাতালের ভূমিকায় উঠছে প্রশ্ন

    Murshidabad: মুর্শিদাবাদে একদিনে ৯ নবজাতকের মৃত্যু, হাসপাতালের ভূমিকায় উঠছে প্রশ্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় ৯ নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে। একসঙ্গে এতগুলো নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতালের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। মৃতের পরিবারের লোকজনের দাবি, এই ঘটনার তদন্ত করার প্রয়োজন রয়েছে। কারণ, হাসপাতালের গাফিলতির কারণেই এই ঘটনা ঘটেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Murshidabad)

    হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত শিশুদের বেশিরভাগ শিশুকেই জঙ্গিপুর হাসপাতাল থেকে স্থানান্তরিত করা হয়েছিল। জঙ্গিপুর হাসপাতালের এসএনসিইউ ওয়ার্ড খারাপ থাকার কারণে শেষ মুহূর্তে স্থানান্তরিত করা হয়েছিল। মুর্শিদাবাদ জেলার জঙ্গিপুর মহকুমা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে দীর্ঘ এক মাস ধরে সংস্কারের কাজ চলছে। তার ফলে যে-সমস্ত নবজাতক অসুস্থ হয়ে পড়ছে, তাদের জঙ্গিপুর থেকে ভর্তি হচ্ছে মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) মেডিক্যাল কলেজ স্কুলে ও হাসপাতালে। এছাড়া ডোমকল বা লালবাগ মহকুমা হাসপাতালে থাকা নবজাতকদের অবস্থা খারাপ হলে তাদেরও পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে মুর্শিদাবাদ হাসপাতালে। পাশাপাশি মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে অনেক প্রসূতি চিকিৎসা বা প্রসব না করিয়ে ব্যাঙের দিতে ছাতার মতো যত্রতত্র গজিয়ে-ওঠা নার্সিংহোমে শিশু প্রসব করানো হচ্ছে। সেই সমস্ত নার্সিংহোমে চিকিৎসকরা অপারেশন করে দেওয়ার পরে সন্তানের শারীরিক অবস্থা খারাপ হলেই মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে নবজাতকদের নিয়ে আসতে হচ্ছে চিকিৎসা করানোর জন্য। ঘটনা হল, মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের ওপর নির্ভর করেন এই জেলা-সহ পার্শ্ববর্তী জেলার মানুষ। মোট ৫২টি আসন আছে নবজাতক বিভাগে। কিন্তু সেখানে বর্তমানে ১০০-র বেশি নবজাতক ভর্তি আছে। সবমিলিয়ে চাপ বাড়ছে হাসপাতালের ওপর। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, ৫ জন শিশুর মৃত্যু হলে সেটিকে স্বাভাবিক ধরা হয়। কিন্তু এর বেশি শিশুর মৃত্যু হতেই উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। গাফিলতির কোনও ঘটনা ঘটেছে কি না তা খতিয়ে দেখতে জেলা স্বাস্থ্য দফতর মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল থেকে রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে।

    কী বললেন এমএসভিপি?

    হাসপাতালের এমএসভিপি ডা. অমিতকুমার দাঁ বলেন, ‘৩০০ গ্রাম ও ৫০০ গ্রাম ওজনের শিশু ভর্তি ছিল। একজন শিশুর জন্মগত ত্রুটি ছিল হার্টের। তাই তাকে বাঁচানো যায়নি। গত ২৪ ঘণ্টায় সদ্যোজাতের মৃত্যু হয়েছে। জন্মগত ত্রুটি ও ওজন কমে যাওয়ার কারণে অনেক শিশুর মৃত্যু হচ্ছে। গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখছে জেলা স্বাস্থ্য দফতর।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share