Tag: dead body

dead body

  • Suvendu Adhikari: ‘‘হাথরসের মতো স্বরূপনগরে কেন টিম পাঠাচ্ছে না তৃণমূল!’’ কেন বললেন শুভেন্দু?

    Suvendu Adhikari: ‘‘হাথরসের মতো স্বরূপনগরে কেন টিম পাঠাচ্ছে না তৃণমূল!’’ কেন বললেন শুভেন্দু?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার চাষের খেত থেকে যুবতীর পোড়া ও গলার নলি কাটা দেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়়েছে ভারত- বাংলাদেশ সীমান্তের গুণরাজপুর গ্রামে। যুবতীর পরিচয় নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। এই ঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। বিরোধী দলনেতা(Suvendu Adhikari) এই ঘটনা নিয়ে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    গলার নলি কাটা, বাঁধা রয়েছে হাত-পা। ওড়না দিয়ে বাঁধা হয়েছে মুখ। তখনও ধোঁয়া বেরোচ্ছে। মঙ্গলবার উত্তর ২৪ পরগনার স্বরূপনগরের গোবিন্দপুর গ্রামে কাঁকরোল খেতের মধ্যে এভাবেই পড়েছিল অজ্ঞাতপরিচয় তরুণীর অর্ধদগ্ধ দেহ। ঘটনাস্থল থেকে মেরেকেটে ৪০০ মিটার দূরে বাংলাদেশ সীমান্ত। মঙ্গলবার সীমান্ত লাগোয়া এই গ্রামের ঘটনা ঘিরেই হুলস্থুল পড়ে যায় এলাকায়। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, তরুণীর দেহের পাশেই পড়েছিল বাংলাদেশের ফরিদপুরের ঠিকানা লেখা চশমার খাপ, উদ্ধার হয়েছে মোবাইল ফোনের ব্যাক কভার ও তাহলে কি সীমান্তের ওপার থেকে এসেছিলেন এই তরুণী? তবে, প্রশ্নগুলি রয়েই গিয়েছে, তরুণী কি রাতের অন্ধকারে সীমান্ত পেরিয়ে এপারে এসেছিলেন? নাকি, এপার থেকে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল বাংলাদেশে? তবে কি দালালদের খপ্পরে পড়েছিলেন তরুণী? সূত্র সন্ধানে বিএসএফ-এর সাহায্য নিচ্ছে স্বরূপনগর থানার পুলিশ। বিষয়টি জানার পরই বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) সরব হয়েছেন।

    কী বললেন বিরোধী দলনেতা? (Suvendu Adhikari)

    উত্তর ২৪ পরগনার স্বরূপনগরে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে চাষের জমিতে মিলল গলার নলি কাটা, হাত-পা বাঁধা, অর্ধদগ্ধ দেহ। হাথরসে গেলে স্বরূপনগরে কেন টিম পাঠাচ্ছে না তৃণমূল? খোঁচা দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।  বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, ‘সরকার নেই। সবচেয়ে অপদার্থ পুলিশমন্ত্রী। আজকেও এরা হাথরসে টিম পাঠায়। স্বরূপনগরে টিম পাঠান। কীভাবে একটা মহিলাকে হাত-পা বেঁধে পোড়ানো হয়েছে।’ প্রসঙ্গত, উত্তরপ্রদেশের হাথরসে গণধর্ষণের শিকার হন দলিত পরিবারের বছর উনিশের এক তরুণী। পরে, দিল্লির সফদরজং হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। হাথরসকাণ্ডে নির্যাতিতার গ্রামে প্রতিনিধিদল পাঠায় তৃণমূল। স্বরুপনগরের ঘটনা তুলে ধরে তৃণমূলকে কার্যত কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছে বিজেপি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: সামান্য সোনার জন্য একরত্তি শিশুকে গলা টিপে ছুড়ে ফেলল গঙ্গায়! তীব্র চাঞ্চল্য

    Murshidabad: সামান্য সোনার জন্য একরত্তি শিশুকে গলা টিপে ছুড়ে ফেলল গঙ্গায়! তীব্র চাঞ্চল্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুই বছর দুই মাসের এক শিশু কন্যার সোনার কানের দুল ও চাঁদির মালা খুলে নিয়ে গলাটিপে শ্বাসরোধ করে খুন করা হল। এরপর মৃতদেহ গঙ্গায় ফেলে দেওয়া হয়েছে। ঘটনায় প্রতিবেশী এক মহিলার বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত মহিলাকে বন্দনের ঋণ দেওয়ার জন্য অর্থ প্রয়োজন ছিল, আর তাই শিশু কন্যার সোনা খুলে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে। এই চাঞ্চল্যকর ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জ থানার পুরাতন শিকদারপুর গ্রামে। অভিযুক্তকে অবিলম্বে ফাঁসির দাবিতে সরব হয়েছেন পরিবার। এখনও পর্যন্ত গঙ্গায় ওই শিশু কন্যার দেহ তলিয়ে রয়েছে বলে জানা গেছে। 

    কীভাবে ঘটল খুনের ঘটনা?

    স্থানীয় বাসিন্দা ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার সন্ধ্যা ৬ টা নাগাদ বাড়ির পাশে খেলা করছিল দুই বছরের একরত্তি শিশু কন্যা সাহানা খাতুন। সেই সময় প্রতিবেশী এক মহিলা নায়েমা খাতুন, সাহানাকে কোলে তুলে নিয়ে যায়। প্রথমে আদর করছে ভেবে পরিবারের সদস্যরা কিছু বলেননি। কিন্তু এর কিছুক্ষণ পরেই শিশু কন্যাকে দেখতে না পেয়ে হইচই শুরু হয়ে যায়। খোঁজাখুঁজি করেও না পেয়ে, ওই প্রতিবেশী মহিলাকে জিজ্ঞেস করতেই বেরিয়ে আসে আসল রহস্য।

    মৃত শিশুর আত্মীয়ের বক্তব্য

    মৃত শিশু কন্যার পিসি সুমা খাতুন বলেন, “বন্ধনের ঋণ দেওয়ার জন্য সাহানাকে খুন করেছে নায়েমা খাতুন। আমার ভাইঝির পড়নে সোনার কানের দুল ও চাঁদির গহনা খুলে, গলাটিপে শ্বাসরোধ করে খুন করে এই মহিলা। খুন করে ভাইঝিকে গঙ্গায় ফেলে দেওয়া হয়েছে। মৃতদেহ এখনও নদীর তলায় রয়েছে। আমরা পরিবারের পক্ষ থেকে ওই খুনির কঠিন শাস্তি চাই।

    খুনের তদন্তে পুলিশ

    খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় সামশেরগঞ্জ থানার পুলিশ। অভিযুক্ত মহিলাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশ অভিযুক্তের বাড়ি থেকে সোনার কানের দুল ও চাঁদির মালা উদ্ধার করেছে বলে জানা গেছে। এদিকে ঘটনা জানাজানি হতেই শনিবার সকাল থেকে ক্ষোভে ফুসছেন গ্রামবাসীরা। অভিযুক্ত মহিলার ফাঁসির দাবিতে সরব হয়েছেন পরিবারের সদস্যরা। পুলিশ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই ডুবুরি টিমকে খবর দেওয়া হয়েছে। পুরো ঘটনার তদন্ত করে দেখছে সামশেরগঞ্জ থানার পুলিশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • Coromandel Express: আধার কার্ড থেকে জানা গেল, মৃতদেহটি তাঁদের নিখোঁজ ছেলের নয়!

    Coromandel Express: আধার কার্ড থেকে জানা গেল, মৃতদেহটি তাঁদের নিখোঁজ ছেলের নয়!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেল দুর্ঘটনায় মৃতদেহ নিয়ে নতুন করে জটিলতা। এক যুবকের মৃতদেহ কাকদ্বীপের এক নিখোঁজ যুবকের বলে পাঠিয়েছিল প্রশাসন। কিন্তু পরে জানা গেল, সেটি আদৌ কাকদ্বীপের নয়। শেষমেশ পরিচয় মেলায় ফিরে গেল সেই মৃতদেহ। অন্যদিকে, নিখোঁজ ছেলের সন্ধান না পেয়ে উদ্বিগ্ন কাকদ্বীপের পরিবার। তাঁরা শুধু কেঁদেই চলেছেন। 

    কী হয়েছিল?

    ওড়িশা রেল দুর্ঘটনার (Coromandel Express) পর প্রায় সাত দিন অতিক্রান্ত। কাকদ্বীপ বিধানসভার অন্তর্গত মধুসূদনপুর ৬৪ নম্বর বুথের পাঁচ সদস্যের মধ্যে দুজনের মৃতদেহ শনাক্তকরণ হয়েছে। কিন্তু বাকি ৩ সদস্যের কোনও সন্ধান পাওয়া যায়নি। বৃহস্পতিবার বিকেলে কাকদ্বীপে একটি মৃতদেহ এসে পৌঁছায়। বলা হয়, সেটি নিখোঁজদের মধ্যে একজনের। প্রাথমিক ভাবে জানা যায়, নিখোঁজ ব্যক্তির (Coromandel Express) নাম শামসুল হুদা শেখ, বয়স আনুমানিক ৩০। মৃতের বাড়ির লোকজন ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কাকদ্বীপ পুলিশ মর্গে ওই মৃতদেহের ময়নাতদন্ত করার সময় পোশাকের মধ্যে থেকে একটি আধার কার্ড পাওয়া যায়। তাতে জানা যায়, মৃত ব্যক্তির নাম রাজা সাহানিয়া, বিহারের বাসিন্দা তিনি। তারপরই শুরু হয় জটিলতা। মৃতদেহ নিতে অস্বীকার করে শামসুল হুদার পরিবার। এভাবেই প্রথমে বিভ্রান্তি এবং পরে তার নিরসন হওয়ায় পরিবারের লোকজন তা গ্রহণ করতে পারলেন না। 

    কান্নায় ভেঙে পড়েছে পরিবারগুলি

    অগত্যা প্রশাসনের পক্ষ থেকে রাতে মৃতদেহটি পাঠিয়ে দেওয়া হয় বালেশ্বরে (Coromandel Express)। সামসুল হুদা শেখ ছাড়া আরও যে দুজনের এখনও পর্যন্ত কোনও খোঁজ মেলেনি, তাঁরা হলেন আব্দুল মাজিত শেখ (৪৭) ও গিয়াসুউদ্দিন শেখ (৩৪)। তিনজনকে না পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েছে পরিবারগুলি। এদেরই একটি পরিবারের আক্ষেপ, যাও বা পাওয়া গেল, সেটা আবার অন্য রাজ্যের মৃতদেহ। পরিবার সহ এলাকার মানুষজনের আক্ষেপ, সাত দিন কেটে যাওয়া সত্ত্বেও এখনও পর্যন্ত মৃতদেহ কেন পাওয়া যাচ্ছে না, তা তাঁরা বুঝে উঠতে পারছেন না। কবে এঁদের খোঁজ মেলে, সেই আশায় দিন গুনছেন পরিবারের লোকজন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share