Tag: dead

dead

  • Train Accident: বালেশ্বরে ট্রেন দুর্ঘটনায় মুর্শিদাবাদে মৃত ১, নিখোঁজ ২ এবং আহত ২

    Train Accident: বালেশ্বরে ট্রেন দুর্ঘটনায় মুর্শিদাবাদে মৃত ১, নিখোঁজ ২ এবং আহত ২

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বালেশ্বরের রেল দুর্ঘটনায় (Train Accident) সাগরদিঘির ১ বাসিন্দার মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। সেই সঙ্গে জেলায় আরও ২ শ্রমিক নিখোঁজ এবং আহত আরও ২ জন পরিযায়ী শ্রমিক। রাজ্যে কাজ নেই, তাই বাইরের রাজ্যে কাজ করতে গিয়ে ট্রেন দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন পরিবার। এলাকায় শোকের ছায়া।

    দুর্ঘটনায় (Train Accident) সাগরদিঘি থেকে এক ব্যক্তির মৃত্যু   

    পরিযায়ী শ্রমিক কাজের উদ্দেশ্যে ওড়িশা যাচ্ছিল মুর্শিদাবাদ থেকে। মুর্শিদাবাদ জেলার সাগরদিঘী থানার অন্তর্গত মাদারডাঙ্গার নিমগাছিয়া গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন মুনসি টুডু। ওড়িশা যাবার পথেই বালেশ্বর রেল দুর্ঘটনায় (Train Accident) মৃত্যু হয় ওই ব্যক্তির। পরিবারের পক্ষে মুনসি টুডুর দাদা রাজেশ হেম্ব্রম জানান, আমাদের পরিবার অভাবের সংসার, অন্য রাজ্যে কাজ করেই আমাদের সংসার চলে, আর্থিক অবস্থা তেমন নেই। তিনি আরও বলেন, প্রশাসন যদি ভাইয়ের মৃতদেহকে বাড়িতে পাঠানোর ব্যবস্থা করে, তাহলে খুব উপকার হয়। মৃত্যুকে ঘিরে রীতিমতো নেমে এসেছে শোকের ছায়া গোটা পরিবার জুড়ে। 

    সাগরদিঘিতে আহত ২ ও নিখোঁজ ১

    মৃত মুনসি টুডুর গ্রামের আরেক পরিযায়ী শ্রমিক শম্ভুলাল কিসকু গুরুতর আহত অবস্থায় ওড়িশায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। উল্লেখ্য সাগরদিঘী এলাকার নিমগাছিয়া গ্রামের বাসিন্দা সিলবানিস টুড নামে আরেক ব্যাক্তির কোনও খোঁজ মেলেনি বলে জানা গেছে। করমণ্ডল এক্সপ্রেস ট্রেনে থাকলেও এখনও পর্যন্ত তাঁর কোনও সন্ধান পায়ননি পরিবার। আবার সাগরদিঘির পাটেল ডাঙ্গা অঞ্চলের গৌরীপুরের আরও এক পরিযায়ী শ্রমিক আহত হয়েছেন দুর্ঘটনায়। তাঁর নাম আতাউর রহমান, বয়স ৪১। ভয়াবহ রেল দুর্ঘটনায় (Train Accident) কামরা উল্টে গেলে সিটের রডে আঘাত প্রাপ্ত হয়ে আহত হয়েছেন আতাউর রহমান। সাগরদিঘীতে খবর পৌঁছতেই এলাকায় দুশ্চিন্তার ছায়া।

    সালার থেকে নিখোঁজ ১ পরিযায়ী শ্রমিক

    সংসারের অভাবেই করমণ্ডল এক্সপ্রেসে চেপে অন্য রাজ্যে পাড়ি দিতে চেয়েছিলেন বলে জানা গেছে। পরিযায়ী শ্রমিকের কাজ করতে মুর্শিদাবাদের সালারের তালিপুরের ৫ শ্রমিকের একটি দল চেন্নাইয়ে যাওয়ার মাঝ পথেই রেল দুর্ঘটনা (Train Accident) শিকার হয়ে বাড়ি ফিরছে চারজন শ্রমিক, তবে ঘটনায় একজন শ্রমিকের এখনো পর্যন্ত কোনও খোঁজ না মেলায় গভীর দুশ্চিন্তার মধ্যে রয়েছেন পরিবার। কান্দি মহকুমার সালার থানার তালিবপুর সুন্দরপাড়ার বাসিন্দা ছিলেন রেজাইল দফাদার। তিনি এই দুর্ঘটনায় নিখোঁজ বলে জানা গিয়েছে। তিনি মূলত নির্মাণ কাজে যোগ দেওয়ার উদ্দেশ্যেই সালার থেকে চেন্নাই যাচ্ছিলেন। পরিবারের পক্ষে তাঁর স্ত্রী জানিয়েছেন, স্বামী যেন ঠিকাঠাক ভাবে বাড়িতে ফেরেন এই আশাই রাখছি। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Durgapur: ঘরের মধ্যে অগ্নিদগ্ধ হয়ে তিন ভাই বোনের রহস্যজনক মৃত্যু, জেলাজুড়ে শোরগোল

    Durgapur: ঘরের মধ্যে অগ্নিদগ্ধ হয়ে তিন ভাই বোনের রহস্যজনক মৃত্যু, জেলাজুড়ে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক সিভিক ভলান্টিয়ার সহ তাঁর দুই বোনের রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়াল। শনিবার ভোরে ঘটনাটি ঘটেছে দুর্গাপুর (Durgapur) লাউদোহার লস্করবাঁধের আদিবাসীপাড়ায়। স্থানীয় বাসিন্দারা তিন ভাই বোনের মৃতদেহ উদ্ধার করে  দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যান। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতদের নাম মঙ্গল সোরেন, সুমি সোরেন ও সুকুমনি সোরেন। এর মধ্যে মঙ্গল সোরেন লাউদোহা থানায় সিভিক ভলান্টিয়ারের কাজ করতেন। তাঁর বোন সুমি সোরেন কলকাতায় নার্সের কাজ করতেন। সপ্তাহ দুয়েক আগে তিনি বাড়িতে আসেন। মঙ্গলের অপর বোন বাড়িতেই থাকত।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

     মঙ্গলের বাবা হপনা সোরেন প্রাক্তন ইসিএল কর্মী। তাঁর মা কয়েক বছর আগে মারা গিয়েছেন। অন্যদিনের মতো শুক্রবার রাতে তিন ভাই বোন ঘরের মধ্যে শুয়েছিলেন। আর মঙ্গলের বাবা হপনা সোরেন বাইরের বারান্দায় শুয়েছিলেন। তিনি পুলিশকে জানিয়েছেন, ভোরে বাথরুম থেকে আসার পর দেখি ঘরের ভিতর থেকে ধোঁয়া বের হচ্ছে। আমি দরজা ঠেলে ভিতরে ঢুকতেই দেখি, দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে। ঘরের ভিতরে থাকা আমার তিন ছেলেমেয়ে পুড়ে মারা গিয়েছে। তবে, কী করে আগুন লাগল তা বুঝতে পারছি না।

    কী বললেন প্রতিবেশীরা?

     কীভাবে আগুন লাগল সে বিষয়ে নিশ্চিত নয় প্রতিবেশীরা। শনিবার ভোরে খবর পেয়ে পাড়ার লোক গিয়ে দেখেন, অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় তিন ভাই বোন ঘরে পড়ে রয়েছে। ঘরের অন্যান্য আসবাবপত্রও পুড়ে গিয়েছে। প্রতিবেশী সাধন টুডু বলেন, পরিবারটি অত্যন্ত ভাল। ঘরে কোনও অশান্তি ছিল না। স্বভাবতই এই রহস্যমৃত্যুতে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। মৃতদেহ ময়না তদন্তের জন্য দুর্গাপুর (Durgapur) মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। অন্য এক প্রতিবেশী টিলু সোরেন বলেন, মঙ্গল আমাদের বন্ধু। প্রতিদিন আমরা মাঠে খেলতে যেতাম। তবে, পাঁচদিন ধরে ও মাঠে আসছে না। কোনও সমস্যা ছিল কি না তা জানি না। কী করে আগুন লাগল তা বুঝতে পারছি না।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • River:  নদীতে স্নান করতে নেমে বেঘোরে প্রাণ গেল চার বছরের শিশুসহ তিন ভাইবোনের

    River: নদীতে স্নান করতে নেমে বেঘোরে প্রাণ গেল চার বছরের শিশুসহ তিন ভাইবোনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাফিয়াদের বালি তোলার কারণে নদীর (River) জলে ডুবে মৃত্যু হল একই পরিবারের চার বছরের শিশুসহ তিনজনের। বৃহস্পতিবার মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর দিনাজপুর জেলার করণদিঘি থানার দো-মোহনা গ্রাম পঞ্চায়েতের পশ্চিম চৌনাগারা গ্রামের সুধানী নদীতে। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় মৃত তিনজন সম্পর্কে ভাই-বোন। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতদের নাম রোজিনা খাতুন (৯), তাসিনা খাতুন (৭) এবং মহঃ রিজুয়ান (বয়স ৪)। তাদের বাড়ি পশ্চিম চৌনাগারা গ্রামে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    স্থানীয় ও পুলিশ  সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার সকালে বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে সুধানী নদীতে (River) স্নান করতে গিয়ে তলিয়ে যায় চারজন। তাদের মধ্যে ৩ ভাইবোন ও এক প্রতিবেশী শিশু ছিল। সেখানেই তিন ভাইবোনের মধ্যে বোন তাসিনা নদীর হাঁটু জলে নেমে আচমকাই গভীর জলে তলিয়ে যায়। কোলে ছোট ভাইকে নিয়েই বড় বোন তাকে বাঁচাতে গেলে তারাও একসঙ্গে নদীতে তলিয়ে যায়। গ্রামবাসীরা দেখতে পেয়ে তাদের তড়িঘড়ি উদ্ধার করে করণদিঘি গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। তবে, অগভীর সুধানী নদীতে এই মরশুমে হাঁটুজল থাকার কথা, সেখানে কীভাবে আচমকা গভীর জলে ডুবে গেল তিন শিশু, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

    কী বললেন এলাকাবাসী?

    এলাকাবাসীদের অভিযোগ, বেআইনিভাবে ওই নদী (River) থেকে লাগাতার বালি তোলার কারবার চালাচ্ছে বালি মাফিয়ারা। যে কারণে অগভীর নদীর যেখানে সেখানে বড়বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। তারজন্যই এই মৃত্যুর ঘটনা বলে স্থানীয়দের দাবি। জেসিবি বা ট্রাক্টরের টায়ারের ছাপ আছে এখনও। এমনকী নদী থেকে সদ্য তোলা বালি এখনও পাড়ে মজুত করে রাখা হয়েছে। লাগাতার বালি মাফিয়াদের কারবারের জেরে নদী (River) জায়গায় জায়গায় অত্যন্ত গভীর হয়ে যাওয়াতেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।

    কী বললেন মৃতের পরিবারের লোকজন?

    মৃত শিশুর মামা সাহেব আলি বলেন, নদীর (River) সামনের দিকে খুব কম জল রয়েছে। একটু ভিতরেই অনেকটা গর্ত রয়েছে। স্বাভাবিকভাবে বালি তোলার জন্যই নদীর এই অবস্থা। আর অকালেই তিনজনের মৃত্যু হল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Malda Murder: শ্বশুরবাড়িতে কুড়ুল দিয়ে হত্যালীলা জামাইয়ের, প্রাণ গেল কিশোরীসহ ৩ জনের

    Malda Murder: শ্বশুরবাড়িতে কুড়ুল দিয়ে হত্যালীলা জামাইয়ের, প্রাণ গেল কিশোরীসহ ৩ জনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্ত্রীর সঙ্গে সামান্য বিষয় নিয়ে বচসা। আর তার জেরেই কুড়ুল দিয়ে হত্যালীলা চালাল স্বামী টুবাই মণ্ডল। স্ত্রীসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজনকে এলোপাথারি কোপানোর (Malda Murder) অভিযোগ উঠল তার বিরুদ্ধে। আর তার এই নৃশংস এই হামলা জেরে মৃত্যু হল কিশোরী সহ দুজনের। আর ঘটনার পর নিজে পালাতে গিয়ে ছাদ থেকে পড়ে তারও মৃত্যু হয়।  শনিবার সন্ধ্যায় মর্মান্তিক এই ঘটনার সাক্ষী থাকল মালদহের (Malda Murder) ইংরেজবাজারের কমলাবাড়ি বাঁধাপুকুর এলাকা। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতদের নাম লক্ষ্মী মণ্ডল (১৪), দীপ্তি সিংহ মণ্ডল (২৪) এবং টুবাই মণ্ডল (৩৫)। লক্ষ্মী মণ্ডল হচ্ছে টুবাইয়ের শালীর মেয়ে। দীপ্তি সিংহ মণ্ডল হচ্ছে টুবাইয়ের শ্যালকের স্ত্রী। আর হামলায় গুরুতর জখম হন টুবাইয়ের স্ত্রী নির্মলা মণ্ডল। তাঁকে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত টুবাই মণ্ডল ভিন রাজ্যে কাজ করত। গত কয়েক মাস ধরে স্ত্রীর সঙ্গে পারিবারিক বিষয় নিয়ে তার ঝামেলা চলছিল। সম্প্রতি সে ভিন রাজ্য থেকে বাড়িতে ফেরে। তার স্ত্রী নির্মলাদবী বাপের বাড়িতে ছিলেন। শনিবার টুবাই স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনতে শ্বশুরবাড়িতে যায়। অভিযোগ, স্ত্রী তার সঙ্গে শ্বশুরবাড়ি ফিরতে রাজি হননি। এরপরই দুজনের মধ্যে বচসা হয়। হাতের সামনে কুড়ুল নিয়ে সে তার স্ত্রীকে এলোপাথারি কোপ (Malda Murder) মারে। মাসিকে কোপাতে দেখে চোদ্দ বছরের লক্ষ্মী মেশোমশাইকে বাধা দিতে যায়। তাকেও টুবাই এলাপাথারি কোপায়। পরে, শ্যালকের স্ত্রীও টুবাইকে বাধা দিতে যান। তাঁকেও সে কুড়ুল দিয়ে এলোপাথারি কোপায়। ঘরের ভিতর যখন এরকম নৃশংস তাণ্ডবলীলা চলছে, সেই সময় বাইরে প্রতিবেশীরা ভিড় করতে শুরু করেন। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে কুড়ুল ফেলে সে ছাদ থেকে লাফ দেয়। সেখান থেকে নীচে পড়ে  ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।  

    কী বললেন মৃতের বাড়ির লোকজন?

    টুবাইয়ের শ্যালক মৃদুল মণ্ডল বলেন, শনিবার সন্ধ্যায় আমরা কেউ বাড়িতে ছিলাম না। জামাইবাবু সন্ধ্যার সময় আমাদের বাড়িতে আসে।   বাড়ির দরজা লাগিয়ে দিয়ে এই তাণ্ডব চালায় সে। হামলার জেরে আমার স্ত্রী আর বোনঝির মৃত্যু হয়েছে। আর আমার বোন গুরুতর জখম। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এর আগেও আমার বোনকে ও মেরে পা ভেঙে দিয়েছিল। ওর অত্যাচারের জন্যই আমার বোন শ্বশুরবাড়ি যেতে রাজি হয়নি। তারজন্য এভাবে ও হত্যালীলা (Malda Murder) চালাবে তা ভাবতে পারিনি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bolpur: স্কুল ফাঁকি দিয়ে নদীতে স্নান! তলিয়ে গেল যমজ ভাই, এলাকায় শোকের ছায়া

    Bolpur: স্কুল ফাঁকি দিয়ে নদীতে স্নান! তলিয়ে গেল যমজ ভাই, এলাকায় শোকের ছায়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্কুল ফাঁকি দিয়ে কোপাই নদীতে স্নান করতে এসে তলিয়ে গেল যমজ ভাই। পরে, পুলিশ ও স্থানীয় লোকজনের উদ্যোগে নদী থেকে দুজনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। মৃতদের নাম সায়ক পাল ও সোহম পাল। তাদের বাড়ি বোলপুরের (Bolpur) বাইপাস এলাকায়। তারা টেকনো ইণ্ডিয়া স্কুলের দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্র ছিল। এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

    ঠিক কী হয়েছিল?

    এদিন সকালে স্কুল যাওয়ার নাম করে বাড়ি থেকে দুই ভাই বের হয়। তাদের সঙ্গে আরও চারজন বন্ধু ছিল। তারা সকলেই বোলপুরের (Bolpur) টেকনো ইণ্ডিয়া গ্রুপ পাবলিক স্কুলের দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্র। শান্তিনিকেতনের গোয়ালপাড়ার কাছে কোপাই নদীতে ৬ জন মিলে স্নান করতে নামে। সেখানেই দুই ভাই  একসঙ্গে তলিয়ে যায়।  ক্ষিপ্ত জনতা মৃতদের বন্ধুদের মারধর শুরু করে। খবর পেয়ে বোলপুর ও শান্তিনিকেতন থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে। স্থানীয় যুবকেরা জলে নেমে মৃতদেহ দুটি উদ্ধার করেন। ময়নাতদন্তের জন্য দেহ দুটি বোলপুর মহকুমা হাসপাতালে পাঠানো হয়।

    বন্ধুদের বক্তব্য কী?

    চোখের সামনে দুই বন্ধুকে তলিয়ে যেতে দেখে হতবাক হয়ে পড়ে তাদের বাকী চার বন্ধু। সৌগত গড়াই নামে এক বন্ধু বলে, স্কুল ফাঁকি দিয়ে আমরা নদীতে স্নান করতে এসেছিলাম। তবে, সবাই নদীতে নামিনি। সায়ক আর একজন জলে নেমেছিল। পরে, আমিও স্নান করতে নামি। সায়ক নদীর অনেকটাই ভিতরে চলে গিয়েছিল। আচমকাই সে তলিয়ে যেতে থাকে। আমি বুঝে ওঠার আগেই তার ভাই সোহম নদীতে তাকে বাঁচাতে ঝাঁপ দেয়। দুজনেই একসঙ্গে তলিয়ে যায়। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, প্রায় কয়েক ঘণ্টা ধরে তারা জলে স্নান করছিল। জলের মধ্যে লাফালাফি করছিল। দুজনেই তলিয়ে যায়। এরপরই ক্ষিপ্ত জনতা মৃত দুই ভাইয়ের বন্ধুদের মারধর শুরু করে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। পুলিশ কোনওরকমে উত্তেজিত জনতার হাত থেকে চার ছাত্রকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: সালিশি সভায় দুই যুবককে কুপিয়ে খুন! জেলা জুড়ে শোরগোল

    Malda: সালিশি সভায় দুই যুবককে কুপিয়ে খুন! জেলা জুড়ে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঈদের আনন্দ করতে ছুটি নিয়ে বাড়িতে এসেছিলেন সাজিম সেখ এবং জামিউল শেখ। গ্রামে ফিরতেই তাঁদের ডাক পড়ে সালিশি সভায়। সাধারণ বৈঠক ভেবে সেখানে তাঁরা যান। কিন্তু, মাতব্বরদের নিদানে সালিশি সভাতেই হামলা চলে। রক্তাক্ত অবস্থায় সাজিম, জামিউলসহ চারজন লুটিয়ে পড়েন। পরে, হাসপাতালে নিয়ে গেলে দুজনকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। মর্মান্তিক এই ঘটনাটি ঘটেছে মালদহের (Malda) কালিয়াচকের বিবি গ্রামে। ঈদের দিন এই ঘটনার জেরে এলাকায় শোকের ছায়া এসেছে।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজস্থানে শ্রমিক পাঠানোর জন্য দাদন দিতে হয়। মালদহের (Malda) এক ঠিকাদারের মাধ্যমে ভিন রাজ্যে কাজে পাঠানো হয়। এই গ্রামের কয়েকজন  ভিনরাজ্যে কাজে গিয়েছিলেন। শ্রমিকদের  রাজস্থানে কাজে পাঠানোর জন্যে দাদনের টাকা নিয়ে গোলমাল বাধে। ঈদের জন্য কয়েকজন শ্রমিক বাড়ি ফিরেছিলেন। বকেয়া টাকা আদায়ের জন্যে সালিশি সভা তাঁদের ডাকা হয়। সেখানে লেবার কন্ট্রাক্টর এবং শ্রমিকদের ডাকা হয়। অভিযোগ, সালিশি সভাতেই দাদনের টাকার বিষয়টি ওঠে। বকেয়ার পরিমাণ নিয়ে কথা বলতেই বচসা বাধে। এরপরই ঠিকাদারের কিছু লোকজন ধারাল অস্ত্র নিয়ে দুই শ্রমিকের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে বলে অভিযোগ। এলোপাথারি কোপানো হয়। সভা মাঝ পথেই ভণ্ডুল হয়ে যায়। দুপক্ষের মধ্যে ব্যাপক মারামারি শুরু হয়ে যায়। হামলা পাল্টা হামলার জেরে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়। বেশ কয়েকজনকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই দুজনের মৃত্যু হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতরা হলেন সাজিম সেখ(২১), জামিউল শেখ (২৫)। আর জখম দুজনের নাম শাহজাহান শেখ (২২) এবং তারিখ শেখ (২৮)। তাঁদের মালদহ (Malda)  মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কালিয়াচক থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, সালিশি সভা চলাকালীনই আচমকা গণ্ডগোল বাধে। তাতেই কয়েকজন জখম হন। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে দুজনের মৃত্যু হয়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Dead: দুই সন্তানসহ দম্পতির মৃতদেহ উদ্ধার ঘিরে রহস্য! কোথায় জানেন?

    Dead: দুই সন্তানসহ দম্পতির মৃতদেহ উদ্ধার ঘিরে রহস্য! কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ ঘরের ভিতর স্ত্রী সন্তানসহ একই পরিবারের চারজনের মৃতদেহ (Dead) উদ্ধারকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। রবিবার সাতসকালে মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে দুর্গাপুরের কুড়ুরিয়াডাঙা এলাকায়। স্বামী, স্ত্রীসহ দুই সন্তানের মৃত্যুর (Dead) ঘটনায় রহস্য দানা বাঁধতে শুরু করেছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় দুর্গাপুর থানার পুলিশ। ঘটনার সিবিআই (CBI) তদন্তের দাবি জানানো হয়। একইসঙ্গে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবিতে পুলিশকে মৃতদেহ (Dead)  উদ্ধার করতে বাধা দেন মৃতের অত্মীয়রা। তাঁদের বক্তব্য, মৃত্যুর আগে সোশ্যাল মিডিয়াতে তাঁদের মৃত্যুর জন্য কারা দায়ী তা উল্লেখ করেছেন। সকলকে গ্রেপ্তার করতে হবে। তাঁদের দাবি, দুই সন্তান সহ স্বামী ও স্ত্রীকে খুন করা হয়েছে। যদিও ঘটনার তদন্তে ঘটনাস্থলে ফরেনসিক টিম আসে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতদের নাম অমিত মণ্ডল (৪২)। তিনি পেশায় জমি ব্যবসায়ী ছিলেন। তাঁর স্ত্রী রূপা মণ্ডল (৩৪)। তাঁদের পুত্র মিমিত মণ্ডল(১০) ও শিশুকণ্যা নিকিতা মণ্ডল (২)। তাঁদের বাড়ি দুর্গাপুর ১১ নম্বর ওয়ার্ডের কুড়ুরিয়াডাঙায়। কী করে জানাজানি হল বিষয়টি? পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন পারিবারিক হোয়াট’স অ্যাপ গ্রুপে সুইসাইড নোট দেখে মৃত অমিত মণ্ডলের শ্বশুর বাড়ির লোকজন ছুটে আসেন। বাড়ির ভিতরে দেখা যায়, ঘরের ভেতর নীচে পড়ে রয়েছে  ১০ বছরের মিমিত মণ্ডলের নিথর দেহ। বিছানায় শিশুকণ্যার সঙ্গে পড়ে রয়েছে মা রূপা মণ্ডলের দেহ। সিলিংয়ে হাতবাঁধা অবস্থায় ঝুলন্ত দেহ (Dead)  উদ্ধার হয় অমিতের। বিষয়টি জানাজানি  হতেই আশপাশের লোকজন ছুটে আসে। ঘটনায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। আসানসোল দুর্গাপর পুলিশ কমিশনারেটের ডিসি (পূর্ব) কুমার গৌতম বলেন, ফরেনসিক টিম নমুনা সংগ্রহ করেছে। দুজনকে আটক করা হয়েছে। সমস্ত ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    সুইসাইড নোটে কী লেখা রয়েছে? Dead

     অমিতের বাবা নরেশ মণ্ডল একসময় প্রভাবশালী প্রোমোটার ছিলেন। শিল্পশহর লাগোয়া জমির কেনাবেচা করতেন তিনি। বছর ছয়েক আগে কিডনির অসুস্থতায় মৃত্যু হয় তাঁর। বাবা বেঁচে থাকতে তাঁর সঙ্গে জমি কেনাবেচায় হাতপাকান অমিত। ফলে, ফুলেফেঁপে ওঠে তাঁদের সম্পত্তি। ওই জমি ব্যবসা থেকে কয়েক’শো কোটি টাকার সম্পত্তি তৈরি করেন। কুড়ুরিয়াডাঙায় বিলাসবহুল তাঁদের বাড়ি রয়েছে। সুইসাইড নোটে লেখা রয়েছে, তাঁদের মৃত্যুর (Dead)  পিছনে হাত রয়েছে তাঁর বড় মামার ছোটো ছেলে সুশান্ত নায়েক ওরফে নান্টু। সে মাস্টার মাইন্ড। এছাড়াও  মামার বাড়ির  অনেকে জড়িত রয়েছে। সুশান্ত নায়েক অন্ডালের সিঁদুলি প্রাথমিক স্কুলে শিক্ষকতা করে। এছাড়া মা বুলা রানি মণ্ডলের নাম রয়েছে। মা বাপের বাড়ির সকলকে ভালোবাসে। আমার ছেলেমেয়েদের দেখতে পারে না। আমাকে পছন্দ করে না। ছোটো মামার মেয়ে মিলি নায়েক ঘোষের নামও উল্লেখ রয়েছে। তিনি পান্ডবেশ্বরে বৈদ্যনাথপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন। বড় মামার সেজো ছেলের বৌ শিলা নায়েক মণ্ডলের নাম রয়েছে। তিনি আমরাই প্রাথমিক স্কুলে শিক্ষকতা করেন। ২০১২ সালে পরীক্ষা, ইন্টারভিউ  না দিয়ে তাঁরা সকলে চাকরি পেয়েছেন। সুশান্ত নায়েক সিপিএম, কংগ্রেস ও তৃণমূল কংগ্রেস সমস্ত দলই করেছেন। ওরাই আমাদের পরিবারকে শেষ করে দিল। প্রভাবশালী মন্ত্রীর সঙ্গে তাঁদের যোগ রয়েছে তিনি উল্লেখ করেছেন। সুইসাইড নোটটি সিবিআই(CBI), ইডি (ED), রাজ্য পুলিশ এবং বিচারপতি অভিজিত্ গঙ্গোপাধ্যায়কে তিনি ট্যাগ করেন।

    কী বললেন মৃতের আত্মীয়? Dead

    মৃতা রূপা মণ্ডলের মাসতুতো বোন সুদীপ্তা ঘোষ বলেন,” গতকাল রাতে জামাইবাবু বলল মা এসেছে বাড়িতে। আবারও অশান্তি হবে।” তিনি আরও বলেন,” সম্পত্তির বিবাদ। জামাইবাবুর মা বুলা রানি জামাইবাবু, দিদি ভাগ্নে, ভাগ্নিকে সহ্য করতে পারে না। সমস্ত সম্পত্তি জামাইবাবুর মামার ছেলেদের তিনি দিয়ে দিতে চান। তাই নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিবাদ চলছে। আমাদের অনুমান পরিকল্পিত খুন। কারণ, বাড়ির সিসিটিভি উল্টো দিকে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছে। রাতে স্ট্রিট লাইট বন্ধ রাখা ছিল। আমাদের দাবি, বুলা রানি, সুশান্ত, প্রশান্ত সহ জামাইবাবুর মামার বাড়ির সকলকে গ্রেপ্তার করতে হবে। ঘটনার সিবিআই (CBI) তদন্ত করা হোক।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Lover: বিয়েতে আপত্তি পরিবারের! প্রেমিকাকে নিয়ে গঙ্গায় মরণঝাঁপ প্রেমিকের, কোথায় জানেন?

    Lover: বিয়েতে আপত্তি পরিবারের! প্রেমিকাকে নিয়ে গঙ্গায় মরণঝাঁপ প্রেমিকের, কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিয়েতে মত দেয়নি পরিবার। তাই প্রেমিকাকে (Lover) সঙ্গে নিয়ে গঙ্গায় মরণ ঝাঁপ দিল প্রেমিক। নৈহাটির জুবিলি ব্রিজে এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, প্রেমিকার নাম স্নেহা খাতুন (১৯) এবং প্রেমিক মহম্মদ মোক্তার। স্নেহাকে স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে চুঁচুড়া হাসপাতালে ভর্তি করেন। আর মোক্তারের হদিশ মেলেনি। যদিও পরিবারের লোকজনের কাছ থেকে অভিযোগ পেয়ে পুলিশ মোক্তারের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে।

    কী করে দুজনের মধ্যে আলাপ হয়েছিল?

    চলতি বছরের শুরুতে ফেসবুকের মাধ্যমে দুজনের আলাপ। তারপর ফোন নম্বর আদান প্রদান হয়। জগদ্দলের বহড়াপাড়ায় বাড়ি স্নেহা খাতুনের। আর জগদ্দলের বাঁকাড় মোড়ে বাড়ি মহম্মদ মোক্তারের। প্রথমে বন্ধুত্ব। পরে, প্রেমের (Lover) সম্পর্ক গড়ে ওঠে দুজনের মধ্যে। স্নেহা মাধ্যমিক পর্যন্ত পড়াশোনা করে। আর মোক্তার ইলেকট্রিকের কাজ করতেন। স্নেহার বাবার খুব বেশি রোজগার ছিল না। দুজনের সম্পর্কের বিষয়টি জানতে পারার পর পরই মোক্তারের পরিবারের লোকজন আপত্তি জানান। ফলে, মেয়ের বাড়ির লোকের মত থাকলেও তাঁরা পিছিয়ে আসেন। দুই পরিবারের নির্দেশে দুজনের মেলামেশা বন্ধ করে দেয়। এরপরই তাঁরা দুজনেই গঙ্গায় ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। স্নেহার এক বান্ধবী সাবিনা খাতুন বলেন, পরিবারের লোকজন মেলামেশা বন্ধ করে দেওয়ায় তারা আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। আমরা স্নেহাকে অনেকটাই বোঝাতে পেরেছিলাম বলে তাঁরা আত্মহত্যা সিদ্ধান্ত থেকে পিছিয়ে আসে। তবে, এবারও যে ওরা এরকম সিদ্ধান্ত নেবে তা ভাবতে পারিনি।

    জগদ্দল থেকে জুবিলি ব্রিজ কী করে গেল?

    পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ফোনে যোগাযোগ করে প্রেমিক (Lover) যুগল জগদ্দল থেকে ট্রেনে চেপে নৈহাটি আসে। সেখান থেকে ব্যান্ডেল লোকাল ধরে হুগলিঘাট স্টেশনে নামে। এরপর লাইন ধরে তারা জুবিলি ব্রিজে আসে। সেখান থেকে মরন ঝাঁপ দেয়। লাফ দেওয়ার পর প্রেমিকা সোজা গঙ্গায় পড়লেও প্রেমিক ব্রিজে ধাক্কা খেয়ে নিচে পড়ে। এরপর মেয়েটি চুঁচুড়ার তেলেনিপাড়া গঙ্গাঘাট এলাকায় পৌঁছাই। স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে পুলিশে খবর দেন। পুলিশ ওই মহিলাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্যে চুঁচুড়া ইমামবাড়া সদর হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন। এরপর পুলিশ দুজনের পরিবারের লোকজনকে খবর দেয়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Army: প্রশিক্ষণ চলাকালীন বারাকপুর সেনা ছাউনিতে মৃত্যু দুই জওয়ানের! কী করে ঘটল দুর্ঘটনা?

    Army: প্রশিক্ষণ চলাকালীন বারাকপুর সেনা ছাউনিতে মৃত্যু দুই জওয়ানের! কী করে ঘটল দুর্ঘটনা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ বারাকপুর সেনা (Army) ছাউনিতে প্রশিক্ষণ চলার সময় জলে ডুবে মৃত্যু হল দুই জওয়ানের। এছাড়াও আরও এক জওয়ান গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁকে উদ্ধার করে সেনা (Army) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সেনা সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতদের নাম লেংখোলাল এবং অলড্রিন হিমিংথানজুয়ালা। লেংখোলাল নায়েক পদে কর্মরত ছিলেন। আর সিপাই পদে কর্মরত ছিলেন অলড্রিন। দুজনেই ১৬ নম্বর আসাম রেজিমেন্টে কর্মরত ছিলেন। একজনের বাড়ি নাগাল্যান্ড। অন্যজনের বাড়ি মিজোরাম। ইতিমধ্যেই দুই সেনা (Army) জওয়ানের দেহ ময়না তদন্ত করা হয়েছে। নিয়ম মেনে মৃতদের পরিবারের হাতে দেহ তুলে দেওয়া হবে। তবে, প্রশিক্ষণ চলাকালীন এই ঘটনা কী করে ঘটল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

    কী করে মৃত্যু হল দুই সেনা জওয়ানের? Army

    বুধবার বারাকপুর সেনা (Army) ছাউনিতে অ্যাসল্ট রিভার প্রশিক্ষণ নামে বিশেষ প্রশিক্ষণ চলছিল। মূলত, এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সেনা জওয়ানদের দড়ি ধরে জলাশয়ের ওপর দিয়ে পারাপার হতে হয়। সেনা (Army) সূত্রে জানা গিয়েছে, আসাম রেজিমেন্ট থেকে ওই জওয়ানরা এই বিশেষ প্রশিক্ষণ নিতে এসেছিলেন। ক্যান্টনমেন্টের ভিতরে বিশাল জলাশয়ের ওপর চলছিল এই প্রশিক্ষণ। নিয়মিত এই প্রশিক্ষণ করা হয়। দুর্ঘটনার দিন ৬ জন জওয়ানকে নিয়ে প্রশিক্ষণ চলছিল। প্রথম তিনজন নিয়ম মেনেই দড়ি ধরে জলাশয় পারাপার করেন। কারও কোনও সমস্যা হয়নি। পরের তিনজন দড়ি ধরে ওই জলাশয়ের ওপর দিয়ে পারাপার করতে গিয়ে বিপত্তি ঘটে। দড়ি ছিঁড়ে তিনজন জওয়ান জলাশয়ে পড়ে যান। সঙ্গে সঙ্গে তাঁরা তলিয়ে যান। যদিও ঘটনাস্থলে উপস্থিত প্রশিক্ষকের উদ্যোগে কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনজনকে জলাশয় থেকে উদ্ধার করা হয়। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর দুজনের মৃত্যু হয়। অন্যজন এখনও হাসপাতালে চিকিত্সাধীন রয়েছেন। তবে, এই ধরনের দুর্ঘটনা এর আগে কখনও হয়নি। তাই, প্রশিক্ষণ করতে এসে দুই সেনা জওয়ানের মৃত্যুতে বারাকপুর সেনা (Army) ছাউনিতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Attack: পঞ্চায়েতে প্রার্থী বাছাইয়ের বৈঠকের পরই হামলা! গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু দুজনের, জখম একাধিক কর্মী, তৃণমূলের কোন্দল প্রকাশ্যে, কোথায় জানেন?

    Attack: পঞ্চায়েতে প্রার্থী বাছাইয়ের বৈঠকের পরই হামলা! গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু দুজনের, জখম একাধিক কর্মী, তৃণমূলের কোন্দল প্রকাশ্যে, কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী বাছাইকে কেন্দ্র করে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষে উত্তাল হয়ে উঠল চোপড়া। প্রার্থী বাছাইয়ের বৈঠকের পর প্রকাশ্যে গুলি চালানোর ঘটনা ঘটে। আর এই ঘটনায় তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দল একেবারে প্রকাশ্যে চলে আসে। বৃহস্পতিবার ঘটনাটি ঘটে উত্তর দিনাজপুরের চোপড়া থানার চুটিয়াখোর গ্রাম পঞ্চায়েতের দিঘাবানা এলাকায়। দলীয় কর্মীদের হামলায় (Attack) গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু হল দুজন তৃণমূল কর্মীর। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতদের নাম ফয়জুল রহমান (৫৪) এবং হাসু মহম্মদ (৪৫)। ইসলামপুর মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ফয়জুলের মৃত্যু হয়। হাসু মহম্মদকে হাসপাতাল নিয়ে যাওয়ার পথে মৃত্যু হয়। এছাড়া বেশ কয়েকজন জখম হন। তাঁদের দলুয়া ব্লক স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় চোপড়া থানার বিশাল পুলিশবাহিনী।

    প্রার্থী বাছাইয়ের বৈঠকের পর কেন গুলি চলল? Attack

    পঞ্চায়েত নির্বাচনে কে প্রার্থী হবে তা নিয়ে এদিন দিঘাবানা এলাকায় বৈঠক ছিল। সেই বৈঠকে কে এবার প্রার্থী হবে তা নিয়ে চর্চা শুরু হয়। প্রার্থী ঠিক করার জন্য কোর কমিটির সদস্যরা আসেন। বহু আলোচনার পর দুজনের নাম ঠিক হয়। স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য নাসিরের এক অনুগামীকে প্রার্থী হিসেবে ঠিক করা হয়। আর শামসুল রহমান নামে অন্য এক তৃণমূল কর্মীর নাম ঠিক হয়। মৃত তৃণমূল কর্মী ফয়জুলের ভাই শামসুল। কিন্তু, বৈঠকের এই সিদ্ধান্ত নাসির ও তাঁর অনুগামীদের পছন্দ হয়নি। বৈঠক শেষ হওয়ার পর সকলেই বেরিয়ে আসেন। শামসুলের অনুগামীরা উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন। যেটা নাসির ও তাঁর অনুগামীরা সহ্য করতে পারেনি। মৃত তৃণমূল কর্মীর ভাই মহম্মদ আব্বাস বলেন, নাসিররা একজনের নাম পাঠাতে চেয়েছিল। কিন্তু, বৈঠকে কোর কমিটির নেতারা দুটি নাম নিয়ে যান। সেটা নাসির ও তার দলবলের পছন্দ হয়নি। বৈঠক শেষে সকলেই বাড়ি ফিরছিলাম। সবাই আনন্দে ছিলাম। আচমকা রাস্তায় উঠতেই নাসির ও তার লোকজন হামলা (Attack)  চালায়। আমাদের লক্ষ্য করে এলোপাথারি গুলি চালানো শুরু করে। সূত্রের খবর, বুথ কমিটির বৈঠকে পঞ্চায়েতের প্রার্থী নিয়ে দুই শিবিরের বচসা হয়। তখনকার মতো মিটেও যায়। কিন্তু, বাড়ি ফেরার সময় বাইরের কিছু দুষ্কৃতী এসে ফয়জুল ও হাসু মহম্মদকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। সেখানেই দুজনেই রক্তাক্ত অবস্থায় লুটিয়ে পড়েন। গুলি লাগে আরও কয়েকজনের। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, এগুলি সবই ছড়রা গুলি।

    কী বললেন মৃত তৃণমূল কর্মীর ছেলে? Attack

    মৃত তৃণমূল কর্মীর ছেলে কাদের রহমান বলেন, বুথের মিটিং দেখতে এসেছিল বাবা। এবার পঞ্চায়েতে যে প্রার্থী হবে তার দিকে বাবার সমর্থন রয়েছে। এটাই অপরাধ। এরজন্যই বাবাকে ওরা প্রকাশ্যে গুলি চালিয়ে দিল। আরও অনেকের গুলি লেগেছে। বাবা মাটিতে পড়ে যেতেই আমরা ছুটে যাই। রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করি। সেখানেই বাবার মৃত্যু হয়। যাদের গুলিতে আমার বাবার প্রাণ গেল, তারা সবাই তৃণমূলের অন্য গোষ্ঠীর মদতপুষ্ট। এলাকায় তৃণমূল এখন দুটি শিবিরে ভাগ হয়ে গিয়েছে।

    কী বললেন তৃণমূলের জেলা সভাপতি? Attack

    গোষ্ঠীকোন্দলকে কেন্দ্র করে শাসক দলের মুখ পুড়েছে। দলের একাংশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন মৃত পরিবারের লোকজন। এই ঘটনা নিয়ে তৃণমূলের জেলা সভাপতি কানাইয়ালাল আগরওয়াল বলেন, ঘটনার খবর পেয়েছি। কি কারণে এই ঘটনা ঘটেছে তা এখনও জানা যায়নি। গোটা ঘটনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    বিজেপির সহ সভাপতির কী বক্তব্য? Attack

    বিজেপির সহ সভাপতি সুরজিত্ সেন বলেন, প্রার্থী নিয়ে নিজেদের মধ্যে মারামারি করছে। দলীয় কর্মী খুন হয়ে যাচ্ছে। পঞ্চায়েত ভোট আসার আগে এই ধরনের ঘটনা আরও ঘটবে। আর পঞ্চায়েত ভোট কতটা শান্তিপূর্ণ হবে তা বোঝাই যাচ্ছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share