Tag: Dearness Allowance

Dearness Allowance

  • DA Hike: দীপাবলির উপহার! ৩ শতাংশ ডিএ বৃদ্ধি কেন্দ্রের, রাজ্যের সঙ্গে ফারাক বেড়ে হল ৩৯ শতাংশ

    DA Hike: দীপাবলির উপহার! ৩ শতাংশ ডিএ বৃদ্ধি কেন্দ্রের, রাজ্যের সঙ্গে ফারাক বেড়ে হল ৩৯ শতাংশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীপাবলির আগেই ৩ শতাংশ ডিএ বা মহার্ঘ ভাতা বৃদ্ধি (DA Hike) করল কেন্দ্র। কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন একথা ঘোষণা করা হল।  মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা তিন শতাংশ হারে ডিএ বৃদ্ধিতে অনুমোদন দিয়েছে। মহার্ঘ ভাতা বৃদ্ধির ঘোষণায় খুশি কেন্দ্রীয় সরকারের বর্তমান কর্মচারী এবং অবসরপ্রাপ্তরা। এর আগে কেন্দ্রের ডিএ ছিল ৫০ শতাংশ। ৩ শতাংশ বেড়ে তা হল ৫৩ শতাংশ। ২০২৪-এর ১ জুলাই থেকে কার্যকর হতে চলেছে এই ডিএ।

    কীভাবে বাড়ে ডিএ

    ৩ শতাংশ ডিএ বৃদ্ধি (DA Hike) পাওয়ায়, এখন কোনও এন্ট্রি-লেভেল কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী যাঁর বেতন মাসে ১৮ হাজার টাকা, তিনি হাতে আরও ৫৪০ টাকা বেশি পাবেন। ১ জুলাই থেকে কার্যকর হওয়ায় একজন কর্মচারী জুলাই, অগাস্ট ও সেপ্টেম্বরের এরিয়ারও পাবেন। সাধারণত বছরে ২ বার ডিএ বৃদ্ধির কথা ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় সরকার। জানুয়ারি এবং জুলাই থেকে এই বর্ধিত ডিএ কার্যকর হয়ে থাকে। সাধারণত মার্চ ও সেপ্টেম্বর নাগাদ এই বৃদ্ধির ঘোষণা করা হয়ে থাকে। মূল্যবৃদ্ধির চাপ থেকে কর্মচারীদের বাঁচানোর জন্যই কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্সের সঙ্গে সাযুজ্য বজায় রেখে ডিএ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    আরও পড়ুন: ‘প্রধানমন্ত্রী মোদির স্বপ্ন এক সন্ত্রাসমুক্ত, মাদকমুক্ত ভারত’, ভবিষ্যতের আইপিএসদের শাহ

    রাজ্য সরকারি কর্মীদের ক্ষোভ

    কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের ডিএ বৃদ্ধির (DA Hike) ফলে পশ্চিমবঙ্গের সরকারি কর্মচারীদের সঙ্গে পার্থক্য বৃদ্ধি পেল অনেকটাই। এত দিন যে ব্যবধান ৩৬ শতাংশ ছিল, এখন তা বেড়ে ৩৯ শতাংশ হল। রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা এখন ১৪ শতাংশ হারে ডিএ পান। উল্লেখ্য, গত এপ্রিলে শেষ বার ডিএ বৃদ্ধি হয়েছিল রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের। সেই বার ৪ শতাংশ হারে ডিএ বৃদ্ধি করা হয়েছিল। দীর্ঘ দিন ধরেই কেন্দ্রীয় হারে ডিএ-র দাবিতে আন্দোলন করছে বিভিন্ন সরকারি কর্মচারীদের সংগঠন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • DA: কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের জন্য ফের ৩ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা বৃদ্ধির হাতছানি

    DA: কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের জন্য ফের ৩ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা বৃদ্ধির হাতছানি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের জন্য খুব তাড়াতাড়ি মহার্ঘ ভাতা (DA) বৃদ্ধির কথা ঘোষণা করতে পারে কেন্দ্রের মোদি সরকার। এই ঘোষণায় উপকৃত হবেন কেন্দ্রীয় কর্মচারীরা। ডিএ এক ধাক্কায় তিন শতাংশ বৃদ্ধি পেতে পারে বলে সূত্রে জানা গেছে। এই বৃদ্ধির পর কেন্দ্রীয় কর্মচারীদের ডিএ-র মোট পরিমাণ দাঁড়াবে ৪৫ শতাংশ ।

    কীভাবে বৃদ্ধি হতে পারে ডিএ (DA)?

    কেন্দ্রের মোদি সরকার দ্রুত করতে পারে মহার্ঘ্য ভাতার বিশেষ ঘোষণা। প্রায় এক কোটির বেশি কর্মীর ডিএ (DA) বৃদ্ধি পাবে বলে জানা গেছে। বর্তমানে তাঁরা ডিএ পান ৪২ শতাংশ, তা বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়াবে ৪৫ শতাংশে। প্রতি মাসেই কেন্দ্রীয় শ্রম মন্ত্রকের অধীনে লেবার ব্যুরো কনজিউমার প্রাইজ ইনডেক্স ফর ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্কারসের উপর ডিএ-র হার নিয়ে পর্যালোচনা করা হয় এবং তার সাপেক্ষেই রিপোর্ট নিয়ে পর্যালোচনা হয়। সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে অল ইন্ডিয়া রেলওয়েমেন ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক শিবগোপাল মিশ্র বলেছেন, আমরা মোট চার শতাংশ ডিএ বাড়ানোর কথা বলেছিলাম। কিন্তু সরকার বলেছে তিন শতাংশ বৃদ্ধি করা হবে। চলতি বছর জুলাই থেকে এই মহার্ঘ ভাতা কার্যকর করা হবে বলে জানা গেছে। শেষবার গত মার্চ মাসে এই ভাতা বৃদ্ধি করা হয় এবং তা কার্যকর করা হয় গত জানুয়ারি মাস থেকে।

    পশ্চিমবঙ্গে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের ডিএ কবে মিলবে?

    কেন্দ্র ডিএ বৃদ্ধির পথে গেলেও রাজ্য সরকারের কর্মচারীদের সেরকম কোনও খবর নেই। রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের মহার্ঘ্য ভাতার জন্য সুপ্রিম কোর্টে মামলা চলছে। কয়েকদিন আগেই কালীঘাটে হাজরা মোড়ে হরিশ মুখার্জি রোড ধরে রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা হাইকোর্টের অনুমতি নিয়ে মিছিল করে। এই মিছিলে খুব শোরগোল পড়ে যায়। পুলিশ কড়া নিরপাত্তার মধ্যে দিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর পাড়ায় মিছিলকে পরিচালনা করে। এখনও ধর্মতলায় প্রাপ্য বকেয়া ডিএ-র দাবিতে অবস্থান-বিক্ষোভ করছেন রাজ্য সরকারের কর্মচারীরা। কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মচারীদের জন্য সুখবর এলেও রাজ্যের কর্মচারীদের জন্য আপাতত কোনও ডিএ(DA) সংক্রান্ত খবর নেই।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • Mamata Banerjee: ‘‘ভিক্ষা চাইছি না’’! মমতার ৪ শতাংশ ডিএ ঘোষণাকে প্রত্যাখ্যান আন্দোলনকারীদের

    Mamata Banerjee: ‘‘ভিক্ষা চাইছি না’’! মমতার ৪ শতাংশ ডিএ ঘোষণাকে প্রত্যাখ্যান আন্দোলনকারীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) ডিএ বৃদ্ধিকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করলেন বকেয়া ডিএ-র দাবিতে আন্দোলনরত রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা। তাঁদের সাফ জবাব, সরকারের থেকে তাঁরা ভিক্ষা চাইছেন না। একইসঙ্গে তাঁদের নবান্ন অভিযান কর্মসূচি যে বহাল থাকবে, তাও জানিয়ে দেন আন্দোলনকারীরা (Bengal DA Agitation)।

    ঘোষণায় কী বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী

    বৃহস্পতিবার একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসে সেখান থেকে মহার্ঘভাতা বৃদ্ধি নিয়ে ঘোষণা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। মুখ্যমন্ত্রী জানান, আগামী ১ জানুয়ারি থেকে বর্ধিত হারে মহার্ঘভাতা মিলবে। ৪ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছে ডিএ। এত দিন রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা ৬ শতাংশ হারে ডিএ পেতেন। বৃহস্পতিবারের ঘোষণার পর থেকে তাঁরা পাবেন ১০ শতাংশ হারে ডিএ। মুখ্যমন্ত্রী এই ঘোষণাকে তাঁর বড়দিন ও নতুন বছরের উপহার হিসেবেও উল্লেখ করেন।

     

    আরও পড়ুন: হাইকোর্টে ভর্ৎসিত রাজ্য, নবান্ন বাসস্ট্যান্ডের সামনেই ডিএ নিয়ে ধর্নার অনুমতি

    ঘোষণা পত্রপাঠ খারিজ আন্দোলনকারীদের

    মুখ্যমন্ত্রীর (Mamata Banerjee) এই ঘোষণায় খুশি হওয়া তো দূর, উল্টে রাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্তকে পত্রপাঠ বিদায় করেন ডিএ বৃদ্ধির দাবিতে দীর্ঘ দিন ধরে আন্দোলনরত কর্মচারীরা (Bengal DA Agitation)। তাঁদের যুক্তি, এতে কিছুই লাভের লাভ হবে না। কারণ, বর্তমানে ৪৪ শতাংশ হারে ডিএ পান কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীরা। অর্থাৎ, ডিএ-তে কেন্দ্র-রাজ্য ব‍্যবধান ৪০ শতাশ। এদিন ৪ শতাংশ ডিএ ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে, ব্যবধান কমলেও তাও দাঁড়াবে ৩৬ শতাংশে!

    ‘‘আমরা ভিক্ষা চাইনি…’’

    মুখ্যমন্ত্রীর (Mamata Banerjee) এই ঘোষণাকে ‘ভিক্ষা’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন আন্দোলনকারীরা। সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের তরফে বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ‘‘মাননীয়া মুখ‍্যমন্ত্রীকে বলি, এককের ঘরের শূন‍্যটা কোথায় গেল? শূন‍্যটাকে বাম দিকে না বসিয়ে চার এর ডান দিকে বসান। আমরা কিন্তু ভিক্ষা চাইছি না।’’ একইসঙ্গে তাঁরা এও জানিয়ে দেন যে তাঁদের আন্দোলন যেমন চলছিল তেমনই চলবে। বকেয়া ডিএ-র দাবিতে আগামী ২২ থেকে ২৪ ডিসেম্বর নবান্ন বাসস্ট্যান্ডের সামনে প্রতিবাদ করতে চলেছেন আন্দোলনকারীরা (Bengal DA Agitation)। এই মর্মে এদিনই আন্দোলনকারীদের অনুমতি দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। সংগঠনের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ এদিন বলেন, ‘‘আমাদের কর্মসূচি বহাল থাকবে। আমরা ভিক্ষা চাইনি।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • DA Protest: রাষ্ট্রপতির দ্বারস্থ ডিএ আন্দোলনকারীরা! লড়াইয়ে পাশে থাকার বার্তা সুকান্ত-শুভেন্দুর

    DA Protest: রাষ্ট্রপতির দ্বারস্থ ডিএ আন্দোলনকারীরা! লড়াইয়ে পাশে থাকার বার্তা সুকান্ত-শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আন্দোলনকারী সরকারী কর্মচারী (DA Protest) বা শিক্ষকদের গায়ে আঁচড় লাগলে মাঠে নামার হুঁশিয়ারি দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সব শোকজ লেটার ছিড়ে ফেলার বার্তা দিলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। এই আবহেই ডিএ মামলায় রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর হস্তক্ষেপ দাবি করলেন আন্দোলনকারীরা। 

    শুভেন্দু যা বললেন

    রবিবার নন্দীগ্রামের একটি অনুষ্ঠান থেকেই রাজ্য সরকারি কর্মচারী, ডিএ আন্দোলনকারীদের (DA Protest) পাশে থাকার বার্তা দেন শুভেন্দু। আগামী বুধবার ডিএ আন্দোলন মঞ্চের ১০০ মিটারের মধ্যে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভা রয়েছে। সেই প্রসঙ্গ তুলে শুভেন্দু বলেন, “কলকাতায় সভা করার অনেক জায়গা ছিল। ব্রিগেডে সভা হতে পারত। যদি কোনও আন্দোলনকারী সরকারী কর্মচারী বা শিক্ষকদের গায়ে আঁচড় লাগে, তাহলে বিরোধী দল হিসাবে আমরা তাঁদের পাশে থাকব। আক্রমণকারীদের বিরুদ্ধে মাঠে নামব।”

    সুকান্তের বার্তা

    অন্যদিকে, কলকাতা থেকে রাজ্য সরকারি কর্মীদের লড়াই চালিয়ে (DA Protest) যাওয়ার বার্তা দেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, “সব শোকজ লেটার ছিড়ে ফেলে দিন। সমস্ত আইনি সুরক্ষা আমরা দেব। বিজেপি ক্ষমতায় এলে আমরা সার্ভিস ব্রেক হতে দেবো না। আপনারা আপনাদের লড়াই চালিয়ে যান।” ধর্মতলায় শহিদ মিনারে ডিএ-র দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করছেন রাজ্য সরকারি কর্মীরা। সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার শুনানি হওয়ার কথা ছিল চলতি সপ্তাহে। কিন্তু তা পিছিয়ে গিয়ে নয়া তারিখ দেওয়া হয়েছে ১১ এপ্রিল। 

    আন্দোলন বাড়ছে

    একদিকে বদলির নির্দেশ, অন্যদিকে বেতনে কোপ। কিন্তু তাতেও দমে যাচ্ছেন না ডিএ আন্দোলনকারীরা (DA Protest) বরং আরও তেজ বাড়াচ্ছেন আন্দোলনের। আরও বৃহত্তর আন্দোলনের পথে হাঁটছেন তাঁরা। রাজ্য সরকারের বেতন কাটার নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ইতিমধ্যেই আইনি পদক্ষেপ নিচ্ছে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। আন্দোলনকারীদের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ২৯ তারিখ গণ অনশন হবে। ৩০ তারিখ মহা মিছিল হবে। শিয়ালদা ও হাওড়া স্টেশন মহামিছিল বার করবেন আন্দোলনকারীরা। এপ্রিলের ১০ ও ১১ তারিখ দিল্লিতেও অবস্থান করবেন বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তাঁরা।

    রাষ্ট্রপতির দ্বারস্থ

    উল্লেখ্য, গত কয়েকদিন ধরেই বকেয়া ডিএ-র দাবিতে আন্দোলন (DA Protest) চালিয়ে যাচ্ছেন রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের একাংশ। অরাজনৈতিক সংগঠন, সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের নেতৃত্বে আন্দোলনে বসেছেন তাঁরা। ইতিমধ্যেই ডিএ আন্দোলনকারীরা একদিনের ধর্মঘট করেছেন। যার বিরুদ্ধে বিশেষ পদক্ষেপ করেছে নবান্ন। শোকজ করা হয়েছে, বেতন কাটা হয়েছে। এর প্রতিবাদে আজ, সোমবার রাষ্ট্রপতির দ্বারস্থও হতে চলেছেন আন্দোলনকারীরা। সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের তরফে তাঁর কাছেও বকেয়া ডিএ-র দাবি সম্বলিত স্মারকলিপি জমা দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। সংগ্রামী যৌথমঞ্চের কর্মীরা সরাসরি জানান, রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে গণ-ইমেল করবেন তাঁরা। 

  • DA Case: কেন্দ্রের ডিএ বৃদ্ধিতে ফের পিছলো রাজ্য, ব্যবধান বেড়ে দাঁড়াল ৩৫%

    DA Case: কেন্দ্রের ডিএ বৃদ্ধিতে ফের পিছলো রাজ্য, ব্যবধান বেড়ে দাঁড়াল ৩৫%

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উৎসবের মরশুমে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সরকারি কর্মীদের জন্য সুখবর এনে দিয়েছে। কারণ কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের ডিএ ৩৪ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে করা হল ৩৮ শতাংশ। অর্থাৎ একদিকে যেমন ৪ শতাংশ হারে মহার্ঘ ভাতা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র সরকার, অন্যদিকে তেমনি রাজ্য সরকার ডিএ-এর (DA Case) দৌঁড়ে অনেকটা পিছিয়ে গেল। এর ফলে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের সঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের বেতনের ব্যবধান আরও বাড়ল। ডিএ-ব্যবধান বৃদ্ধি পেয়েছে ৩৫ শতাংশ।

    এর আগেই ডিএ (DA Case) মামলায় রাজ্যের আর্জি খারিজ হয়ে দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। ফলে অস্বস্তিতে রয়েছে রাজ্য সরকার। সেদিন বেঞ্চের তরফে বলা হয়েছিল, মহার্ঘ ভাতা (DA Case) সরকারি কর্মীদের প্রাপ্য। এটা সরকারের তরফে দেওয়া কোনও অনুদান নয়। তাই বকেয়া ডিএ মিটিয়ে দেওয়ার যে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু তাতেও কোনও ব্যবস্থা নেয়নি রাজ্য সরকার।  

    আরও পড়ুন: প্রাক-পুজো উপহার! কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের ৪ শতাংশ ডিএ বাড়াল মোদির মন্ত্রিসভা

    এবারে কেন্দ্রের তরফে নতুন ডিএ ঘোষণার পরে রাজ্যের বিভিন্ন কর্মচারী সংগঠনগুলোও আইনি লড়াইয়ের সঙ্গে সঙ্গে পথে নেমে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। কর্মী সংগঠনগুলি জানিয়েছে, সপ্তম বেতন কমিশনের আওতায় কেন্দ্র ২০১৬ সালের ১ জুলাই থেকে নতুন হারে ডিএ দিতে শুরু করে। তার পরে জুলাই ও জানুয়ারি, বছরে দু’বার রীতি মেনে ডিএ বাড়াতে থাকে তারা। বুধবার কেন্দ্র যে-ডিএ ঘোষণা করেছে, তা কার্যকর হবে গত জুলাই থেকে। ফলে এখন কেন্দ্রীয় কর্মীদের ডিএ-র পরিমাণ বেড়ে হচ্ছে ৩৮%। বাংলায় ষষ্ঠ বেতন কমিশনের আওতায় ২০২১-এর ১ জানুয়ারি মাত্র ৩% ডিএ চালু হওয়ায় বাস্তবে কেন্দ্রের সঙ্গে রাজ্যের সেই ব্যবধান বেড়ে দাঁড়াল ৩৫ শতাংশে।   

    কর্মী সংগঠন থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে, কয়েক বছর ধরে সর্বনিম্নের বেতনে চাকরি করা কর্মচারীদের অনেক টাকার লোকসানও হচ্ছে। যারা গ্রুপ ডি-তে কাজ করেন তাঁদের প্রায় ৭০০০ টাকাকর মত লোকসান হচ্ছে ও যাঁরা গ্রুপ সি-তে চাকরি করেন তাঁদের প্রায় ১০০০০ টাকা লোকসান হচ্ছে।

    মামলাকারী কর্মী সংগঠন কনফেডারেশন অব স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজের সাধারণ সম্পাদক মলয় মুখোপাধ্যায় বলেছেন, আদালত ডিএ (DA Case) মিটিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিলেও রাজ্য সরকার এই বিষয়কে এড়িয়ে চলেছে। তবে তাঁরা এই রাজ্য সরকারের থেকে ডিএ আদায় করেই ছাড়বে ও দরকার পড়লে আইনি লড়াইয়ের পাশাপাশি রাস্তায় আন্দোলনো বসবেন বলে জানিয়েছেন। অন্যদিকে কর্মচারী পরিষদের সভাপতি দেবাশিস শীল অভিযোগ করেছেন, “রাজ্যের সরকারি কর্মচারীরা চরম আর্থিক বঞ্চনার শিকার। প্রতারণা করছে তৃণমূল সরকার। পুজোর ছুটির পরে ফের রাস্তায় নামব আমরা।’’ তবে এই নিয়ে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া দেখাননি রাজ্য সরকার। হাইকোর্টের সর্বশেষ রায়ের পরে রাজ্য সরকার কী পদক্ষেপ নেবে সেটার অপেক্ষায় রাজ্যের সরকারি কর্মচারী।  

  • Pending DA Case: বেতন হলেও ডিএ পেলেন না বিদ্যুৎ কর্মীরা, মাশুল বাড়িয়ে বকেয়া মেটানো হবে কি?

    Pending DA Case: বেতন হলেও ডিএ পেলেন না বিদ্যুৎ কর্মীরা, মাশুল বাড়িয়ে বকেয়া মেটানো হবে কি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জুনের শেষ দিনে বেতন হয়েছে বিদ্যুৎ কর্মীদের। কিন্তু ডিএ মেলেনি। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে বেতনের সঙ্গেই আরও কিস্তি ডিএ পাওয়ার কথা ছিল রাজ্যের চারটি বিদ্যুৎ সংস্থার প্রায় ১৪ হাজার কর্মীর। ডিএ দিতে না পারলে চার কর্তার বেতন বন্ধেরও নির্দেশ দিয়েছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta Highcourt) বিচারপতি রাজশেখর মান্থা। এদিন আরও এক দফা নির্দেশে ছয় কর্তার বেতন বন্ধ রাখতে বলেছেন তিনি। প্রশ্ন, তা হলে কি ডিএ পাবেন না বিদ্যুৎ কর্মীরা?

    বিদ্যুৎ দফতর সূত্রের খবর, রাজ্যের চলতি বেতন কমিশনের আগের বকেয়া ডিএ মিটিয়ে দেবে চার সংস্থা। এক কিস্তি দিয়েও দেওয়া হয়েছে। আরও পাঁচটি কিস্তি বাকি রয়েছে। কিন্তু টাকার সংস্থান করতে সময় লাগছে বলে দাবি করেছেন বিদ্যুৎ কর্তারা। তাঁরা জানান, ২০১৬ থেকে ২০২০ পর্যন্ত বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থার জন্য বকেয়া ডিএ-র পরিমাণ ২৪০ কোটি টাকা, বিদ্যুৎ সংবহন সংস্থার ৮০ কোটি, বিদ্যুৎ উন্নয়ন নিগমের ১২০ কোটি এবং ডিপিএলের বকেয়া ডিএ-র পরিমাণ ৪০ কোটি টাকা। সবমিলিয়ে ২০২০ সাল পর্যন্ত বকেয়া মেটাতেই ৪৮০ কোটি টাকা লাগবে বিদ্যুৎ দফতরের। এর পর রয়েছে ২০২০ থেকে আজ অবধি বকেয়ার পরিমাণও। 

    আরও পড়ুন: ডিএ বকেয়া থাকায় ২ রাজ্য সরকারি কর্তার বেতন বন্ধের নির্দেশ হাইকোর্টের

    কর্তারা জানাচ্ছেন, এর মধ্যে এক কিস্তি ডিএ দেওয়া হয়েছে। এখনও প্রয়োজন ৪৫০ কোটি টাকা। রাজ্য সরকারের ভাঁড়ারের অবস্থা করুণ। ফলে রাজ্যের মন্ত্রিসভা চার বিদ্যুৎ সংস্থাকে টাকার ব্যবস্থা করে দেবে এমন পরিস্থিতি নেই। কেন্দ্রীয় প্রকল্পের টাকা সরিয়ে কর্মীদের ডিএ মেটানোর একটা চেষ্টা হচ্ছে বটে, সেটাও কতটা ফলপ্রসু হবে না বুঝে উঠতে পারছেন না কর্তারা। অগত্যা ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ নিয়ে কর্মীদের ডিএ মেটানোর পথেই হাঁটতে হচ্ছে বলে বিদ্যুৎ ভবনে কানাঘুঁষো চলছে। 

    যদিও এক বিদ্যুৎ কর্তার ব্যাখ্যা, রাজ্য বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থা ২৪ হাজার কোটি টাকার সংস্থা। সামান্য টাকা মেটাতে কোনও সমস্যা নেই। শুধুমাত্র বিদ্যুৎ কর্মীদের কেন্দ্রীয় হারে ডিএ মিটিয়ে দিলে রাজ্যের বাকি ১০ লক্ষ কর্মচারীর কী হবে? নবান্ন চায়নি শুধু বিদ্যুৎ কর্মীদের সব পাওনা মিটে যাক। সেই কারণেই এতদিন বকেয়া ডিএ মেটানো হয়নি। এখন হাইকোর্টের নির্দেশে ডিএ মিটিয়ে দেওয়া হবে। তার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।

    আরও পড়ুন: শুভেন্দুকে নেতাই যেতে বাধা কেন? ডিজি, এসপির বিরুদ্ধে রুল জারি হাইকোর্টের

    কর্তাদের ব্যাখ্যা যাই হোক না কেন দফতরের অন্দরের খবর, কর্মীদের ডিএ-র বোঝার দায় আসলে বিদ্যুৎ গ্রাহকদের উপরই চাপিয়ে দিতে পারে বণ্টন সংস্থা। অচিরেই বিদ্যুতের মাশুল বাড়ানোর পথে হাঁটতে হতে পারে বলে কর্তাদের একাংশের আশঙ্কা। কেউ কেউ জানাচ্ছেন, আগেরবার ডিএ দেওয়ার নাম করেই মাশুল বাড়ানো হয়েছিল। এবারও কি বিদ্যুৎ নিয়ন্ত্রক সংস্থা দাম বাড়াতে রাজি হবে? বিদ্যুৎ কর্মীরা বকেয়া পেলেই অবশ্য রাজ্য সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ-র দাবি আরও জোরালো হবে। এক্ষেত্রেও হাইকোর্ট ডিএ মেটানোর রায় দিলেও রাজ্য চুপ করে বসে রয়েছে। 

  • DA Case: এবার ডিএ মামলায় ধাক্কা রাজ্যের! ৩ মাসের মধ্যে বকেয়া মেটানোর নির্দেশ হাইকোর্টের

    DA Case: এবার ডিএ মামলায় ধাক্কা রাজ্যের! ৩ মাসের মধ্যে বকেয়া মেটানোর নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবার সেই হাইকোর্ট। আরও একটি মামলা। আরও একবার ধাক্কা খেল মমতা (Mamata) সরকার। এবার ইস্যু রাজ্য সরকারি কর্মীদের বকেয়া মহার্ঘভাতা বা ডিএ (DA)। শেষমেশ স্যাটের (SAT) রায়ই বহাল রাখল কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta HC) ডিভিশন বেঞ্চ।

    কেন্দ্রীয় হারেই রাজ্য সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ মেটাতে হবে রাজ্য সরকারকে। ডিএ মামলায় রাজ্যের আবেদন খারিজ করে জানিয়ে দিল কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। এদিন বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডন এবং বিচারপতি রবীন্দ্রনাথ সামন্তর ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দিল, তিন মাসের মধ্যে বকেয়া ডিএ মেটাতে হবে। আদালত বলেছে, ‘‌সরকারি কর্মচারীরা আপনার শত্রু নন। আপনি তাঁদের অভিভাবক।’‌ 

    আরও পড়ুন: হাইকোর্ট থেকে সুপ্রিম কোর্ট, রক্ষাকবচের জন্য ছুটছেন মন্ত্রী পার্থ, কিন্তু পাবেন কি?

    আদালতে রাজ্য জানিয়েছিল, তহবিলে টাকা নেই বলে উঁচু হারে ডিএ দেওয়া যাচ্ছে না। কিন্তু রাজ্যের এই যুক্তি গ্রাহ্য করেনি ডিভিশন বেঞ্চ। আদালত তাদের নির্দেশে জানিয়েছে, আগামী তিন মাসের মধ্যে স্টেট অ্যাডমিনস্ট্রেটিভ ট্রাইবুনালের (State Administrative Tribunal)-এর রায় কার্যকর করতে হবে। ‘ডিএ সরকারি কর্মচারীদের মৌলিক অধিকার। ডিএ না পেলে কর্মীদের মনোবল ভেঙে যাবে। এক্ষেত্রে রাজ্যের যুক্তি গ্রহণযোগ্য নয়’, মামলার শুনানিতে মন্তব্য করে আদলত। 

    রাজ্য সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ নিয়ে মামলাটি হয়েছিল ২০১৬ সালে। স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ট্রাইব্যুনাল বা স্যাট-এ মামলা হয়। দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে চলা মামলার পর স্যাট রাজ্য সরকারী কর্মীদের পক্ষেই রায় ঘোষণা করে। বকেয়া ডিএ মেটানোর নির্দেশ দেয় স্যাট। যদিও রাজ্য সরকার স্যাটের সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে পাল্টা কলকাতা হাইকোর্টে মালাল করে। সেই মামলাতেই এবার স্যাটের রায় বহাল রাখল ডিভিশন বেঞ্চ। 

    অবশ্য জানা যাচ্ছে যে, এরপর রাজ্যের পরবর্তী পদক্ষেপ হতে পারে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। তবে শেষপর্যন্ত সুপ্রিম কোর্ট কি রায় দেয়, সেটাই এখন দেখার।

     

LinkedIn
Share