Tag: Death Toll

Death Toll

  • Hooch Tragedy: ছাপরা বিষ মদ কাণ্ডে মৃতের সংখ্যা ১০০ পার? দাবি সুশীল মোদির

    Hooch Tragedy: ছাপরা বিষ মদ কাণ্ডে মৃতের সংখ্যা ১০০ পার? দাবি সুশীল মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিহারে বিষমদ কাণ্ডের (Hooch Tragedy) জেরে বিপাকে পড়েছে নীতিশের গটবন্ধন সরকার। বেড়েই চলেছে মৃতের সংখ্যা। সরকারি হিসেব অনুযায়ী ইতিমধ্যেই বিষ মদ খেয়ে মৃত্যু হয়েছে ৫৩ জনের। এখনও অনেকেই অসুস্থ। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

    এরই মাঝে এক বিস্ফোরক দাবি করেছেন বিহারের প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী সুশীল মোদি। তাঁর দাবি, বিষ মদ কাণ্ডে (Hooch Tragedy) মৃতের সংখ্যা ১০০ পার করেছে। তথ্য লুকোনোর চেষ্টা করছে বিহার সরকার। তিনি আরও দাবি করেন, অসুস্থদের মধ্যে অনেকে দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন। সেই তথ্যও প্রকাশ্যে আনেনি নীতিশ প্রশাসন। সুশীল মোদি বলেন, “ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ভয়ে মৃত দেহ লুকিয়ে রাখছে সরকার। এটাই প্রথম না। এই ঘটনার কিছুদিন আগে আরও এক জায়গায় বিষ মদ খেয়ে ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।” 

    এর আগে ১৫ ডিসেম্বর নীতিশ প্রশাসনকে এক হাত নেন কেন্দ্রীয়মন্ত্রী গিরিরাজ সিং। তিনি বলেন, “মদ (Hooch Tragedy) অনেকটা ঈশ্বরের মতো। চোখে দেখা যাচ্ছে না, কিন্তু সর্বত্র বিক্রি হচ্ছে।” আরও এক কেন্দ্রীয়মন্ত্রী অশ্বিনী চৌবে দাবি করেন রাজ্যে আইন শৃঙ্খলা বজায় রাখতে অপারক নীতিশ প্রশাসন।

    এদিকে বিষমদ কাণ্ডের (Hooch Tragedy) তদন্ত এবং মৃতের পরিবারগুলির ক্ষতিপূরণের বিষয়ে একটি বিশেষ তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত। আজ শুক্রবার, রাজ ভবনের সামনে প্রতিবাদ সভার ডাক দিয়েছেন বিজেপি বিধায়করা। 

    ২০১৬ সালেই বিহারে মদ নিষিদ্ধ হয়েছে। তবুও মদ বিভীষিকা পিছু ছাড়ছে না নীতিশ কুমারের। নিয়মিতহারে বিষ মদ খেয়ে মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে রাজ্যের যত্রতত্র। এই মৃত্যু কোথায় গিয়ে থামবে তা এখনও কেউই বলতে পারছেন না।

    এই ঘটনায় (Hooch Tragedy) নীতিশ সরকারের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন বিরোধীরা। উত্তাল হয়েছে বিধানসভা। বিজেপি বিধায়করা নীতিশের পদত্যাগের দাবি করেছেন। এমনকী বিধানসভায় নীতীশ কুমার তাঁর আচরণের জন্য ক্ষমা চাইতে হবে, এমন দাবিও তোলা হয়েছে। এর আগে বৃহস্পতিবার নীতীশ বিষ মদ কাণ্ড নিয়ে বলতে গিয়ে বলেন, “মদ অত্যন্ত খারাপ একটি জিনিস। মদ খেলে মরতেই হবে। সাম্প্রতিক ঘটনা তার সবচেয়ে বড় উদাহরণ।” নীতিশের এই ‘অসংবেদনশীল’ মন্তব্যের পরেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বিহার বিধানসভা।

    আরও পড়ুন: সুপারম্যান চরিত্রে আর ফিরবেন না, নিজেই জানালেন হেনরি ক্যাভিল

    ছাপরার বিষ মদ কাণ্ডের ঘটনায় ইতিমধ্যে স্টেশন হাউস অফিসার রীতেশ মিশ্র, কনস্টেবল বিকেশ তিওয়ারীকে বৃহস্পতিবার সাসপেন্ড করা হয়েছে। মরহৌরা সাব ডিভিশনাল পুলিশ অফিসার যোগেন্দ্র কুমারের সুপারিশে এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। পাশাপাশি আর কারা এই ঘটনায় জড়িত তাঁদেরও চিহ্নিত করার চেষ্টা করছে প্রশাসন।

    ক্ষতিপূরণ নিয়ে কী বললেন নীতিশ? 

    বিরোধীরা মৃতের পরিবারকে (Hooch Tragedy) ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি তুললে সে সম্ভাবনা উড়িয়ে দেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমার। তিনি বলেন, “শেষবার যখন বিষমদ কাণ্ডে কারোর মৃত্যু হয়েছিল সেই সময় তাঁদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা বলেছিলেন কয়েকজন। কেউ মদ্যপান করেন তাঁরা মারা যাবেন। এবং তার উদাহরণ আমাদের চোখের সামনেই রয়েছে। সমবেদনা জানাই। এতে সরকারের কিছু করার নেই।” তিনি এদিন আরও বলেন, “আমি পুলিশ অফিসারদের বলেছি, তাঁরা যেন দরিদ্রদের না গ্রেফতার করেন। যারা রাজ্যে মদ তৈরি করছে এবং এর ব্যবসা চালাচ্ছে তাদের গ্রেফতার করা উচিত। তারা এই কাজ ছেড়ে নতুন করে অন্য কোনও কাজ শুরু করতে চাইলে বিহার সরকার তাদের নতুন কাজ শুরু করার জন্য ১ লক্ষ টাকা দিতে প্রস্তুত। দরকার পড়লে আমরা এই টাকার পরিমাণও বাড়িয়ে দেব। তবে এই ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত থাকা যাবে না।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Chapra Hooch Tragedy: ছাপরা বিষমদ কাণ্ডে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৯

    Chapra Hooch Tragedy: ছাপরা বিষমদ কাণ্ডে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৯

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিহারের চোলাই মদ কাণ্ডে (Chapra Hooch Tragedy) বেড়েই চলেছে মৃতের সংখ্যা। এখন অবধি বিষ মদ খেয়ে মৃত্যু হয়েছে ৩৯ জনের। মৃতের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ঘটনার জেরে বুধবার উত্তপ্ত হয় বিহার বিধানসভা। মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের নেতৃত্বাধীন মহাগঠবন্ধন সরকারের বিরুদ্ধে সরব হন বিরোধী বিজেপি বিধায়কেরা। আর এরই মাঝে বিতর্কিত মন্তব্য করলেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমার। নীতিশ বলেন, “মানুষকে সচেতন থাকতে হবে। যে মদ খাবে, সে মরবে।” নীতিশ কুমারের ওই মন্তব্য নিয়ে কার্যত শোরগোল পড়ে গিয়েছে। দেশজুড়ে উঠেছে সমালোচনার ঝড়। জেডিইউ প্রধান আরও বলেন, “এর আগে যখন চোলাই মদে সংক্রমিত হয়ে মৃত্যুর ঘটনা ঘটে, তখন মৃতদের পরিবারকে উপযুক্ত অর্থ ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়। আগের ঘটনা মনে করে এবার প্রত্যেকের সজাগ থাকা উচিত ছিল।”

    আরও পড়ুন: সপ্তাহান্তে পারদপতন শহরে, জেলাতেও জাঁকিয়ে শীত

    সম্প্রতি বিহারের সারান জেলার ছাপরায় বিষমদ খেয়ে অনেকে অসুস্থ (Chapra Hooch Tragedy) হয়ে পড়েন ৷ আপাতত ৩৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এখনও অনেকে অসুস্থ৷ বাড়তে পারে মৃতের সংখ্যা ৷ এই নিয়ে বুধবার বিহার বিধানসভায় হইহট্টগোল হয় ৷ যার জেরে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার মেজাজ হারান৷ এরই মাঝে আরও এক বিতর্কিত মন্তব্য করেন নীতিশের মন্ত্রীসভার সদস্য শিল্পমন্ত্রী সমীর মহাশেঠ। শিল্পমন্ত্রীর বলেন, ‘‘বিষ খেয়ে মানুষ মারা গেলে বিহারে কিছু একটা ভুল হচ্ছে। এই ভাবে, বিহার উপরে উঠতে পারবে না৷ মানুষের মদ্যপানের অভ্যাস ত্যাগ করলে, তা হবে সবচেয়ে ভালো।’’ 

    তিনি আরও বলেন, “বিহারে বিষ আসছে, তা মন্ত্রীরা আগেই জানেন। অনেক আগেই রাজ্যে মদ নিষিদ্ধ (Chapra Hooch Tragedy) হওয়ায় প্রশাসনের ফাঁকফোকরের দায় কে নেবে? রাজ্যে মদ নিষিদ্ধের কৃতিত্ব যদি সরকার নিতে পারে, তাহলে নকল মদের কারণে মৃত্যুর দায় কে নেবে?” শিল্পমন্ত্রীর এই মন্তব্যে যে অস্বস্তিতে নীতিশ সরকার তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। 

    ছাপরাকাণ্ড নিয়ে বিধানসভায় বিরোধীরা বার বার স্লোগান তুললে এক সময় মেজাজ হারান নীতীশ। উত্তেজিত স্বরে তিনি বলেন, “তো কী হয়েছে? তোমরা মাতাল (Chapra Hooch Tragedy) হয়ে গিয়েছ।” নীতীশের এমন মন্তব্যের পরেও স্লোগান দেওয়া চালিয়ে যান বিরোধী বিধায়কেরা। ২০১৬ সালের এপ্রিল মাসে মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ বিহারে মদ নিষিদ্ধ করেছিলেন। সে সময় বিজেপির সহযোগী ছিলেন তিনি। কাগজে-কলমে বিহারে মদ পুরোপুরি নিষিদ্ধ হওয়া সত্ত্বেও কয়েক বছরে একাধিক বার বিষমদে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে বিহারে।    

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
  • Uttarkashi Avalanche: উত্তরকাশী তুষারধস দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৬, এখনও নিখোঁজ ১৩

    Uttarkashi Avalanche: উত্তরকাশী তুষারধস দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৬, এখনও নিখোঁজ ১৩

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরকাশীতে তুষারধসে (Uttarkashi Avalanche) সব মিলিয়ে এই অবধি ১৬ জনের মৃতদেহ (Death Toll) পাওয়া গিয়েছে। খারাপ আবহাওয়া থাকায় বৃহস্পতিবার বন্ধ করে দেওয়া হয় নিখোঁজদের সন্ধানকাজ। শুক্রবার ফের সকাল থেকে উদ্ধারকাজ শুরু হবে বলে জানানো হয়েছে। ৪ অক্টোবর ৪টি দেহ উদ্ধার হয়েছিল এবং ৬ অক্টোবর ১২টি দেহ উদ্ধার হয়েছে। এরমধ্যে ২জন শিক্ষক ও ১৪ জন প্রশিক্ষণরত পর্বতারোহী ছিলেন।  নিখোঁজ এখনও ১৩ জন। 
     
    উত্তরকাশীতে “দ্রৌপদী কি  ডান্ডা -২”- তে পর্বতারোহন প্রশিক্ষণের জন্য নেহেরু ইনস্টিটিউট অফ মাউন্টেনিয়ারিং এর ৪১ জনের একটি দল যায়। এই দলে ছিলেন ৯ জন শিক্ষক ও বাকিরা প্রশিক্ষণরত পর্বতারোহী। জানা গিয়েছে এই দলে  দিল্লি, উত্তর প্রদেশ, তামিলনাড়ু, কর্ণাটক, পশ্চিমবঙ্গ, তেলেঙ্গানা, গুজরাত, হিমাচল প্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, আসাম ও হরিয়ানার বাসিন্দা ছিলেন। হঠাৎ তুষারধসে (Uttarkashi Avalanche) আটকে পড়েন তাঁরা। ঘটনার আকস্মিকতা সামলাতে না পেরে মৃত্যু হয় ১৬ জনের। রেসকিউ বুলেটিন প্রকাশ করে উদ্ধারকাজ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দিয়েছে নেহেরু ইনস্টিটিউট অফ মাউন্টেনিয়ারিং।     
      
    দ্রৌপদী কি  ডান্ডা -২ শৃঙ্গটি ৫৬৭০ মিটার উঁচু। অঞ্চলটি আগে থেকেই দুর্ঘটনাপ্রবণ (Uttarkashi Avalanche) বলে পরিচিত। আর এই অঞ্চলের পাহাড়ি ঢালগুলি খাড়া হাওয়ায় ঢালের গা বেয়ে তুষারের স্তুপ ভেঙে পড়ে বলে মত বিশেষজ্ঞদের। নিখোঁজদের সন্ধানে উদ্ধারকাজ জারি রাখছে উত্তরাখণ্ডের  উদ্ধারকারী দল। স্টেট ডিজাস্টার রেসপন্স ফোর্স (SDRF), ন্যাশনাল ডিজাস্টার রেসপন্স ফোর্স (NDRF), ইন্দো-তিব্বত বর্ডার পুলিশ  (ITBP) এবং ভারতীয় বিমান বাহিনী (IAF) হেলিকপ্টার নিয়ে খোঁজ চালাচ্ছে।     

    এই দলে স্থানীয় কিছু মালবাহকও ছিলেন বলে উত্তরাখণ্ড সরকার সূত্রে খবর। যাদের দেহ উদ্ধার হয়েছে তাঁদের মধ্যে ছিলেন এভারেস্টজয়ী তথা নিমের প্রধান সবিতা কাঁসওয়াল। সবিতা কাঁসওয়াল  উত্তরকাশীর  লংথ্রু গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন।

    আরও পড়ুন: যদি আমরা ১০ সেকেন্ড সময়ও পেতাম, আমরা আরও জীবন বাঁচাতে পারতাম…     
     
    উত্তরকাশীতে  কিছুদিন আগেও তুষারধসে (Uttarkashi Avalanche) মৃত্যু হয়েছিল  ১০ জনের।  তার দুদিন পর আবার এমন দুর্ঘটনায় নড়েচড়ে বসছে উত্তরাখণ্ড সরকার। ট্রেকিং এর অনুমোদন দেওয়ার আগে কড়া নিরাপত্তা বলয় তৈরির কথা ইতিমধ্যেই ঘোষণা করা হয়েছে। 

    রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, ইন্দো-তিব্বত সীমান্ত পুলিশ এবং ভারতীয় বিমান বাহিনী নিখোঁজ পর্বতারোহীদের (Uttarkashi Avalanche) সনাক্ত করতে গতকাল একটি যৌথ অভিযান চালায়। খারাপ আবহাওয়ার কারণে বিকেল চারটের দিকে অভিযান বন্ধ করে দেয় সেই দল। ইতিমধ্যে ভারতীয় সেনাবাহিনী দক্ষ পর্বতারোহীদের দল পাঠিয়েছে। ভারতীয় বায়ুসেনা অভিযানের জন্য সারসাওয়া থেকে দুটি এবং বেরেলি থেকে একটি হেলিকপ্টার মোতায়েন করেছে।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
  • Pakistan Flood: ভয়াল বন্যায় বিপর্যস্ত পাকিস্তান, মৃত্যু হাজার পার, সমবেদনা জানালেন মোদি

    Pakistan Flood: ভয়াল বন্যায় বিপর্যস্ত পাকিস্তান, মৃত্যু হাজার পার, সমবেদনা জানালেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভয়াবহ বন্যার (Flood) কবলে পাকিস্তান (Pakistan)। সোমবার পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা (Death Toll) ১ হাজার ১৩৬ জন। দেশের জনসংখ্যার এক সপ্তমাংশকে ঘরবাড়ি ছেড়ে আশ্রয় নিতে হয়েছে অন্যত্র। দেশ-বিদেশ (Foreign) থেকে সাহায্য আসতে শুরু করেছে পাকিস্তানে।

    দেশের দক্ষিণাঞ্চলে ভারী বর্ষণের জেরে ভয়াল বন্যায় শাহবাজ শরিফের দেশ। পাকিস্তানের জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী শেরি রহমানের মতে এই দশকের ভয়ঙ্কর বন্যা এটি। এই বন্যার প্রভাব পাকিস্তানের অর্থনীতিতে পড়বে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী মিফতা ইসমাইল। এমনিতেই অর্থনীতির হাল বেহাল পাকিস্তানে। তার ওপর এই বন্যা কার্যত অভিশাপ হয়ে দেখা দিয়েছে সে দেশে।

    আরও পড়ুন : চিন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোরে তৃতীয় দেশের অন্তর্ভুক্তি! কড়া সমালোচনা ভারতের

    মন্ত্রীর মতে, এই বন্যায় যা ক্ষতি হয়েছে, তা পুনর্গঠন করতে বছর পাঁচেক সময় লাগবে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ হাজার কোটি মার্কিন ডলারের বেশি। জানা গিয়েছে, বন্যায় মৃতের সংখ্যা ১ হাজার ১৩৬ জন। জখম হয়েছেন ১ হাজার ৬৩৪ জন। প্রচুর বাড়িঘর ধ্বংস হয়েছে। বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছেন বহু মানুষ। দেখা দিয়েছে খাদ্য, পানীয় জলের সংকট। প্রাণ হারিয়েছে সাত লক্ষেরও বেশি প্রাণী। সপ্তাহভর টানা বৃষ্টির জেরে ধুয়ে গিয়েছে জমির ফসল। নারী ও শিশু মিলিয়ে অন্তত ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে জলে ডুবে। দুর্গতদের নিয়ে যাওয়ার পথে সিন্ধু নদে নৌকা উল্টে নিখোঁজ হয়েছেন ৩০ জন। পাকিস্তানের প্রবীণ এক পুলিশ আধিকারিক জানান, সিন্ধের পুলিশ পাকিস্তান নৌসেনার সঙ্গে যৌথভাবে উদ্ধার করেছে সাতজন বন্যা দুর্গতকে। খাইবার পাখতুন প্রদেশের হাজার হাজার বাসিন্দা দেশের বাকি অংশের সঙ্গে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন। বিপদে পড়া দেশটিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে তুরস্ক ও আরব আমিরশাহি। সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডারও।

    প্রতিবেশী দেশের ভয়াল বন্যায় ক্ষয়ক্ষতির জেরে শোকপ্রকাশ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। বন্যায় মৃতের পরিবারকে সমবেদনা জানিয়েছেন তিনি। ট্যুইটবার্তায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, বন্যায় যাঁরা প্রাণ হারিয়েছেন, যাঁরা আহত হয়েছেন এবং প্রাকৃতিক এই দুর্যোগে যাঁরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন তাঁদের পরিবারকে সমবেদনা জানাই। দেশটি দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরবে বলেও আশা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Assam Flood: জল সামান্য কমলেও, এখনও বন্যার কবলে ২১ লক্ষ আসামবাসী, মৃত ১৩৪

    Assam Flood: জল সামান্য কমলেও, এখনও বন্যার কবলে ২১ লক্ষ আসামবাসী, মৃত ১৩৪

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একমাসের টানা বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত আসাম (Assam Flood)। বন্যার জল সামান্য নামলেও, এখনও ২২ জেলার ২২৫৪ গ্রামে ২১ লক্ষেরও বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্থ। এবারের বন্যায় এ পর্যন্ত ১৩৪ জন মানুষ জলে ডুবে বা ভূমি ধ্বসের কারণে প্রাণ হারিয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় প্রাণ গিয়েছে দুই শিশুসহ মোট আট জনের। যে জেলাগুলি সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে, সেগুলি হল, বাজালি, বকসা, বরপেটা, কাছার, চিরাং, দারাং, ধেমাজি, ডিমা হাসাও, গোয়াল পাড়া, গোলাঘাট, হাইলা কান্ডি, কামরূপ, কামরূপ মেট্রোপলিটন, করিমগঞ্জ, লখিমপুর, মাজুলি, মরিগাও, নওগাঁ, নলবাড়ি, শোণিতপুর, তামুলপুর এবং উদালগুড়ি। 

    রাজ্যজুড়ে এখনও ১,৯১,১৯৪ লক্ষ মানুষ ৫৩৮টি আশ্রয় শিবিরে রয়েছেন। ১৮ জেলায় ৭৪,৬৫৫ হেক্টর ফসলের জমি এখনও জলের তলায়। শতাধিক বাড়ি, রাস্তা, ব্রিজ, খাল, বাঁধ বন্যার জেরে ক্ষতিগ্রস্থ। 

    বরপেটা জেলার পরিস্থিতি সবচেয়ে খারাপ। ৬,১৪,৯৫০ জন ক্ষতিগ্রস্থ। এরপরেই রয়েছে নওগাঁ, ৫,১৩,০৬১ জন ক্ষতিগ্রস্থ। কাছার জেলায় ৪,৭৭,১৬৫ জন ক্ষতিগ্রস্থ।  

    আরও পড়ুন: আসামে বন্যায় মৃত ৮২, ক্ষতিগ্রস্ত ৪৭ লক্ষ! মুখ্যমন্ত্রীকে ফোন অমিত শাহের

    পানীয় জলের কষ্ট দেখা দিয়েছে শিলচর জেলায়। শিলচরে ভারতীয় বিমান বাহিনী আকাশ পথে ত্রাণ বিতরণ করছে। উদ্ধারকাজে সেনাবাহিনী ও জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী হাত লাগিয়েছে।

    আনম্যানড এরিয়াল ভেইকেল (UAV) শিলচরে বন্যা কবলিত এলাকার ম্যাপ তৈরির কাজ শুরু করেছে। 

    আরও পড়ুন: অসমের চিরাংয়ে দুর্গতদের উদ্ধারে দমকল, যে কোনও মুহূর্তে ভেসে যাওয়ার আশঙ্কা

    [tw]


    [/tw]

    আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা (Himanta Biswa Sarma) শনিবার আকাশপথে শিলচরের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে। এই নিয়ে তিনি দুই বার শিলচরের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে যান। তিনি বন্যাকবলিত মানুষকে সব ধরনের সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তবে আসাম প্রশাসনের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, প্রবল বৃষ্টির কারণে উদ্ধারকাজ ব্যহত হয়েছে। গত দুদিন বৃষ্টি কমায় জোড় কদমে উদ্ধারকাজ শুরু হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, গত কয়েকদিন বৃষ্টি কমায় রাজ্যে বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। সোমবার আসামের চার জেলায় আরও আটজনের মৃত্যু হয়েছে।    
     

     

LinkedIn
Share