Tag: debra

debra

  • Cyclone Dana: বৃষ্টিতে ভেসে গিয়েছে রাস্তা, ডেবরায় টিউবে বসিয়ে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হল রোগিণীকে

    Cyclone Dana: বৃষ্টিতে ভেসে গিয়েছে রাস্তা, ডেবরায় টিউবে বসিয়ে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হল রোগিণীকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাংসদ থেকে বিধায়ক সকলেই তৃণমূল। ২০১১ সাল থেকে রাজ্যে তৃণমূলের সরকার চলছে। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পরিষদও শাসক দলের দখলে রয়েছে দীর্ঘদিন। কিন্তু, নিকাশির হাল ফেরেনি ডেবরা (Debra) ব্লকের ৫/১ অঞ্চলের বাড়াগড় এলাকায়। ডেবরা ব্লকের এই এলাকা ঘাটাল লোকসভার অধীনে রয়েছে। ঘাটালের সাংসদ রয়েছেন দেব। তিনিও এই এলাকার নিকাশি সমস্যা সমাধানে উদ্যোগী হননি বলে অভিযোগ। অল্প বৃষ্টিতেই ভেসে যায় পথ। ঘূর্ণিঝড় দানার (Cyclone Dana) প্রভাবে লাগাতার বৃষ্টিতে তাই রাস্তা এখন আস্ত নদী। তখন এলাকায় কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে এভাবেই টিউবের উপর বসিয়ে রোগীকে নিয়ে যেতে হয় হাসপাতালে। স্থানীয় বাসিন্দার প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ। তাঁদের অভিযোগ,  তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় থেকেও এতবছর যে নিকাশি সমস্যা সমাধানে কিছু করেনি।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Cyclone Dana)

    তৃণমূল সরকারের উদাসীনতার খেসারত দিত হল ডেবরার স্থানীয় বাসিন্দা লক্ষ্মী নায়েক ও তাঁর পরিবারকে। দিন দশেক আগে মা হয়েছেন লক্ষ্মী। শুক্রবার বাইরে তখন প্রচণ্ড বৃষ্টি (Cyclone Dana)। তার মধ্যে হঠাৎই অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। সিজ়ার হওয়া রোগিণীকে আবার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার প্রয়োজন হয়। কিন্তু রাস্তার কোথাও কোমরসমান, তো কোথাও হাঁটুর উপর জল। উপায় কী? অগত্যা বাতিল হওয়া টিউবে রোগিণীকে চাপিয়ে পার করা হল জলমগ্ন রাস্তা। কোনওক্রমে রোগিণীকে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। শেষ পর্যন্ত অবশ্য মহিলাকে হাসপাতালে ভর্তি করাতে হয়নি। হাসপাতাল থেকে তাঁকে বাপের বাড়ি নিয়ে যান পরিজনেরা। অসুস্থ বধূকে টিউবে করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সেই ছবি প্রকাশ্যে আসতেই হইচই পড়ে যায়।

    আরও পড়ুন: বিরাম নয় বারিধারায়! শনিবারও কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    স্থানীয়দের (Cyclone Dana) বক্তব্য, “দীর্ঘদিন ধরে কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে টিউবে চাপিয়ে জলমগ্ন রাস্তা পার করানো ছাড়া আমাদের আর কোনও উপায় থাকে না। কিন্তু, প্রশাসন এ বিষয়ে উদাসীন। তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রী-বিধায়কদের বারবার বলা হলেও এই সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে কোনও উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। তাই, ফি-বছর বৃষ্টির সময় কাউকে হাসপাতাল নিয়ে যেতে হলে টিউবই আমাদের কাছে একমাত্র ভরসা।”

    স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রধান কী বললেন?

    যদিও পঞ্চায়েত প্রধান পূর্ণিমা ভুঁইয়া বলেন, “চলতি মরসুমেই নিকাশি সংস্কারের (Cyclone Dana) লক্ষ্য রয়েছে আমাদের। দ্রুত নিকাশি ব্যবস্থার সংস্কার করা হবে। যে পরিস্থিতিতে ওই মহিলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে তা মর্মান্তিক।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • TMC: মিছিলকে লক্ষ্য করে কটূক্তি, তৃণমূলের পার্টি অফিসে আগুন দিলেন আদিবাসীরা

    TMC: মিছিলকে লক্ষ্য করে কটূক্তি, তৃণমূলের পার্টি অফিসে আগুন দিলেন আদিবাসীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আদিবাসীদের রোষের মুখে পড়ল তৃণমূল (TMC) কার্যালয়। বুধবার দুপুরে আদিবাসী দিবসের অনুষ্ঠানের মিছিলকে উদ্দেশ্য করে কটুক্তির অভিযোগ। তৃণমূলের পার্টি অফিস ভাঙচুর করে আগুন জ্বালিয়ে দিল আদিবাসী জনকল্যাণ মঞ্চের সদস্যরা। তীব্র উত্তেজনা ছড়ায় পশ্চিম মেদিনীপুরের ডেবরার ভবানীপুর-১ নম্বর অঞ্চলের শ্যামনগর গ্রামে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন ঝাড়গ্রামের মঞ্চে আদিবাসী সমাজের কল্যাণে বক্তব্য রাখছেন, ঠিক সেই সময় ডেবরার শ্যামনগর গ্রামে আদিবাসী সমাজের মানুষেরা আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবসকে সামনে রেখে একটি মিছিলের আয়োজন করেন। অভিযোগ, সেই সময় তৃণমূল পার্টি অফিসে বেশ কয়েকজন তৃণমূল (TMC) কর্মী সমর্থক বসেছিলেন। পার্টি অফিসের সামনে দিয়ে আদিবাসীদের মিছিল যাওয়ার সময় পার্টি অফিসে বসে থাকা তৃণমূল কর্মীরা মিছিলে যোগ দেওয়া আদিবাসীদের উদ্দেশ্য করে কটুক্তি করেন। এতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন মিছিলে থাকা আদিবাসী সমাজের মানুষেরা। রীতিমতো ক্ষিপ্ত হয়ে তৃণমূলের পার্টি অফিসে ভাঙচুর চালায়। পরিস্থিতি বেগতিক দেখেই তৃণমূল কর্মীরা পার্টি অফিসে ছেড়ে দৌড়ে পালান। পরে, দলীয় কার্যালয় ভাঙচুর করে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। যদিও এ নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোন প্রতিক্রিয়া মেলেনি তৃণমূলের তরফে।

    কী বললেন আদিবাসী জনকল্যাণ মঞ্চের নেতা?

    আদিবাসী জনকল্যাণ মঞ্চের তারাপদ সিং বলেন, এদিন আমরা সংগঠনের পক্ষ থেকে আদিবাসী সমাজের মানুষ শান্তিপূর্ণ মিছিল করছিলাম। কিন্তু, তৃণমূলের (TMC) ওই কার্যালয় থেকে কয়েকজন আদিবাসীর নাম করে নানা কটূক্তি করেন। যা আমাদের সমাজের সদস্যদের চরম অসন্মান করা হয়। এতেই কিছু সদস্য ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তাঁরা ওই কার্যালয়ে চড়াও হয়ে ভাঙচুর চালায়। পরে, আগুন ধরিয়ে দেয়। যে বা যারা আমাদের উদ্দেশ্য করে নানা কটূক্তি করেছে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি হবে। না হলে আমরা বৃহত্তর আন্দোলনে নামব। এই ঘটনার প্রতিবাদে দোষীদের বিরুদ্ধে যতদূর যেতে হয় তা আমরা যাব।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share