Tag: Defamation Case

Defamation Case

  • Swarup Biswas: যৌন হেনস্থা মন্তব্য! স্বরূপের বিরুদ্ধে ২৩ কোটির মানহানির মামলা ২৩৩ জন পরিচালকের

    Swarup Biswas: যৌন হেনস্থা মন্তব্য! স্বরূপের বিরুদ্ধে ২৩ কোটির মানহানির মামলা ২৩৩ জন পরিচালকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীপাবলির আবহে উত্তপ্ত টলিউড। ৬০ শতাংশ পরিচালক-প্রযোজক নাকি যৌন হেনস্থার মতো অভিযোগে অভিযুক্ত, গত সেপ্টেম্বরে পুজোর আগে এমনই অভিযোগ এনেছিলেন ফেডারেশন অফ সিনে টেকনিসিয়ান্স অ্যান্ড ওয়ার্কার্স অফ ইস্টার্ন ইন্ডিয়ার সভাপতি স্বরূপ বিশ্বাস (Swarup Biswas)। তাঁর আরও একটা পরিচয় রয়েছে, রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের ভাই। এমন মন্তব্যের কারণে টলিউডের ২৩৩ জন পরিচালক এবার স্বরূপের বিরুদ্ধে ২৩ কোটির মানহানির (Defamation Case) মামলা করলেন।

    আরও পড়ুন: ব্রাজিলে জি২০ সম্মেলনে দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করবেন সুকান্ত মজুমদার

    দুর্গাপুজো মিটতেই মানহানির মামলা (Defamation Case) করা হল

    প্রসঙ্গত, আরজি করের ঘটনার পরেই, গত অগাস্ট মাস থেকে উত্তাল হয় সারা রাজ্য। যৌন নির্যাতন, শ্লীলতাহানি, মহিলাদের ওপর যে কোনও অত্যাচারের প্রতিবাদে সরব হয়ে রাস্তায় নামতে দেখা যায় মানুষকে। এরই মধ্যে বেফাঁস মন্তব্য করে ফেলেন স্বরূপ বিশ্বাস। বিতর্কিত মন্তব্যে তিনি (Swarup Biswas) বলেন, ‘‘টলিউডের ৬০ শতাংশ পরিচালক যৌন হেনস্থা করেন।’’ এমন মন্তব্যের কারণেই নড়েচড়ে বসেন টলিউডের পরিচালকরা। এই তালিকায় ছিলেন পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়, কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়, অপর্ণা সেন, অঞ্জন দত্ত, সুদেষ্ণা রায়-সহ ডিরেক্টর্স অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা। এরপরে দুর্গাপুজো মিটতেই মানহানির মামলা করা হল স্বরূপের বিরুদ্ধে।

    এখনও পর্যন্ত মুখ খোলেননি স্বরূপ (Swarup Biswas)

    এনিয়ে ডিরেক্টরস গিল্ডের সভাপতি সুব্রত সেন জানিয়েছেন, পরিচালকরা একজোট হয়ে এমন পদক্ষেপ করেছেন। সুব্রতর নিজের ভাষায়, “কোনও সংগঠন এই রকম পদক্ষেপ করতে পারে না। পরিচালকরা এক জোট হয়ে ব্যক্তিগত স্তর থেকে এই পদক্ষেপ করেছেন।”  তবে এখনও পর্যন্ত তৃণমূল ঘনিষ্ঠ পরিচালকরা স্বরূপ বিশ্বাসের (Swarup Biswas) এই মন্তব্যের প্রতিবাদ করেছেন কি না সে বিষয়ে কিছু স্পষ্ট জানা যাচ্ছে না। পরিচালক রাজ চক্রবর্তী তৃণমূলের বিধায়কও বটে। তাই তাঁর কী মন্তব্য স্বরূপ বিশ্বাসের কথার প্রসঙ্গে, সে বিষয়ে এখনও কিছু জানা যায়নি। আবার স্বরূপ বিশ্বাসও এ নিয়ে সংবাদমাধ্যমের সামনে মুখ খোলেননি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Medha Patkar: পাঁচ মাসের কারাদণ্ড মেধা পাটকরকে, কেন জানেন?

    Medha Patkar: পাঁচ মাসের কারাদণ্ড মেধা পাটকরকে, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাঁচ মাসের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে মেধা পাটকরকে (Medha Patkar)! সোমবার এমনই নির্দেশ দিয়েছেন দিল্লির সাকেত আদালতের মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাঘব শর্মা। ২০০১ সালে মামলাটি দায়ের করেছিলেন বিনয় কুমার সাক্সেনা। বর্তমানে তিনি দিল্লির উপ-রাজ্যপাল। কারাদণ্ডের পাশাপাশি বিনয়কে ১০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণের নির্দেশও দিয়েছে আদালত।

    আদালতের নির্দেশ

    ম্যাজিস্ট্রেট জানান, কারাদণ্ডের এই আদেশটি স্থগিত থাকবে ৩০ দিনের জন্য। মেধা যাতে উচ্চ আদালতে মামলা করতে পারেন, তাই এই সময় বলে ধারণা আইনজ্ঞদের। প্রসঙ্গত, গত ২৪ মে এই মামলায় দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছিল মেধাকে (Medha Patkar)। এদিন ঘোষণা করা হল সাজা। ২০০০ সালে ‘ন্যাশনাল কাউন্সিল অফ সিভিল লিবার্টিজ’ নামে এক সংগঠনের সভাপতি পদে ছিলেন বিনয়। সেই সময় ‘নর্মদা বাঁচাও’ আন্দোলনের নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন মেধা। আন্দোলন জোরদার করতে এই সময় মেধা একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেন বলে অভিযোগ।

    মেধার বিরুদ্ধে গুচ্ছ অভিযোগ

    পরে বিনয়কে ‘কাপুরুষ’ অভিধায় ভূষিত করেছিলেন মেধা। হাওয়ালা লেনদেনে বিনয়ের যোগ রয়েছে বলেও অভিযোগ করেছিলেন নর্মদা বাঁচাও আন্দোলনের নেত্রী। বিনয়কে গুজরাট সরকারের দালাল বলেও অভিহিত করেছিলেন তিনি। মেধার আরও অভিযোগ, গুজরাটের জনগণ ও তাঁদের সম্পদকে বিদেশি স্বার্থের কাছে বন্ধক রাখা হয়েছে। এসবেরই প্রেক্ষিতে ২০০১ সালে আহমেদাবাদের এক আদালতে মেধার (Medha Patkar) বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের করেছিলেন বিনয়। ২০০৩ সালে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে মামলাটি স্থানান্তরিত হয়েছিল দিল্লিতে।

    আর পড়ুন: আমলা দম্পতির বিরুদ্ধে অবমাননাকর মন্তব্য, তৃণমূল সাংসদের জরিমানা ৫০ লাখ

    ২৪ মে এই মানহানি মামলায় মেধাকে দোষী সাব্যস্ত করার সময় বিচারক বলেছিলেন, ‘ইচ্ছাকৃতভাবেই এবং অঙ্ক কষেই মেধা পাটকর ওই প্রেস বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিলেন। এর মাধ্যমে বিনয় সাক্সেনার মানহানি করার উদ্দেশ্য ছিল তাঁর’। বিচারক আরও বলেছিলেন, ‘বিনয়কে অবৈধ ও অনৈতিক আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে যুক্ত বলায়, তাঁর খ্যাতি ও মানের বড় ক্ষতি হয়েছে। মেধার কাছে এই সব অভিযোগের কোনও উপযুক্ত প্রমাণ নেই।’ আদালত জানিয়েছে, বিনয়ের বিরুদ্ধে করা মেধার অভিযোগগুলির নেপথ্যে ছিল জনগণের ক্ষোভ উসকে দেওয়ার উদ্দেশ্য। রায় শুনে মেধার (Medha Patkar) প্রতিক্রিয়া, “আমরা আদালতের এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Saket Gokhale: আমলা দম্পতির বিরুদ্ধে অবমাননাকর মন্তব্য, তৃণমূল সাংসদের জরিমানা ৫০ লাখ

    Saket Gokhale: আমলা দম্পতির বিরুদ্ধে অবমাননাকর মন্তব্য, তৃণমূল সাংসদের জরিমানা ৫০ লাখ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৫০ লাখ টাকা জরিমানা তৃণমূল সাংসদের। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী ও তাঁর স্ত্রী তথা প্রাক্তন কূটনীতিক লক্ষ্মী পুরীর বিরুদ্ধে সোশ্যাল মিডিয়ায় অবমাননাকর মন্তব্য করার অভিযোগ উঠেছিল তৃণমূলের সাকেত গোখেলের (Saket Gokhale) বিরুদ্ধে। সেই কারণেই তাঁকে জরিমানা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে দিল্লি হাইকোর্ট (Delhi High Court)।

    সাকেতকে আদালতের নির্দেশ (Saket Gokhale)

    সোমবার দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতি অনুপ জয়রাম ব্রহ্মাণীর বেঞ্চের নির্দেশ, লক্ষ্মীর কাছে ক্ষমা চেয়ে সাকেতকে এক্স হ্যান্ডেলে পোস্টও করতে হবে। আদালতের নির্দেশ, অন্তত ছমাস সাকেতের (Saket Gokhale) ওই পোস্ট থাকতে হবে এক্স হ্যান্ডেলে। এর পাশাপাশি একটি সর্বভারতীয় ইংরেজি দৈনিকে লক্ষ্মীর কাছে ক্ষমা চেয়ে বার্তা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে ব্রহ্মাণীর বেঞ্চ। ঘটনার সূত্রপাত ২০২১ সালের জুন মাসে। লক্ষ্মী ও তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ তুলে এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেছিলেন সাকেত। পোস্টে তৃণমূলের এই সাংসদ লিখেছিলেন, লক্ষ্মী পুরী সুইৎজারল্যান্ডে সম্পত্তি কিনেছেন। লক্ষ্মী ও তাঁর মন্ত্রী স্বামীর আয়ের উৎস নিয়েও সোশ্যাল মিডিয়ায় একাধিকবার পোস্ট করেছিলেন তৃণমূলের এই সাংসদ।

    মানহানির মামলা দায়ের

    এর পরেই সাকেতের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের করেন লক্ষ্মী। দাবি করেন পাঁচ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণও। তাঁর ও তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে এমন মিথ্যে, অসত্য ট্যুইট ডিলিট করার নির্দেশ সাকেতকে দিতে আদালতে আবেদন জানান লক্ষ্মী। ওই বছরেরই ১৩ জুলাই লক্ষ্মীর বিরুদ্ধে করা সমস্ত পোস্ট চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে ডিলিট করার নির্দেশ সাকেতকে দিয়েছিল দিল্লি হাইকোর্ট। লক্ষ্মীর বিরুদ্ধে আর কোনও মানহানিকর পোস্ট করা থেকেও সাকেতকে বিরত থাকতে নির্দেশ দিয়েছিল আদালত।

    আর পড়ুন: ইভিএম নিয়ে ভুয়ো খবর, মিড ডে-র রিপোর্টার সহ একাধিক ব্যক্তির নামে এফআইআর

    লক্ষ্মীর মতো প্রাক্তন আমলা তাঁর স্বামী হরদীপও। তিনি ১৯৭৪ ব্যাচের আইএফএস। ব্রাজিল, জাপান, ব্রিটেন-সহ বিভিন্ন দেশে রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব পালন করেছেন। চাকরিজীবন শেষে ২০১৩ সালে বিজেপিতে যোগ দেন তিনি। বর্তমানে হরদীপের কাঁধে রয়েছে পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রকের দায়িত্ব। এহেন এক আমলা দম্পতির বিরুদ্ধে অবমাননাকর মন্তব্য করার খেসারত দিতে হবে (Delhi High Court) তৃণমূলের সাংসদকে (Saket Gokhale)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • High Court: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করলেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস

    High Court: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করলেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজভবনকে কেন্দ্র করে একের পর এক আক্রমণ করে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শ্লীলতাহানির অভিযোগ পর্ব থেকে সেই যে বিতর্ক শুরু, তারপর মুখ্যমন্ত্রী টানা আক্রমণ করে গিয়েছে সি ভি আনন্দ বোসকে। যদিও এই পর্বে অনেকটাই রক্ষণাত্মক রাজ্যপাল। কিন্তু এবার বিচার চাইতে হাইকোর্টের (High Court) দ্বারস্থ হলেন সি ভি আনন্দ বোস। তিনি কলকাতা হাইকোর্টে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেছেন বলে সংবাদ সংস্থা পিটিআই সূত্রে খবর।

    শপথ ঘিরে জটিলতা (Governer)

    শুধু মুখ্যমন্ত্রী নয়, রাজ্যের আরও কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে রাজ্যপাল ওই মামলা (High Court) করেছেন বলে জানা গিয়েছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কলকাতা হাইকোর্টের আইনজীবী জানিয়েছেন, এখন অবধি মামলা লিস্টেড হয়নি। প্রসঙ্গত বৃহস্পতিবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “মেয়েরা ওখানে (রাজভবন) যেতে ভয় পাচ্ছে। এই মন্তব্য উল্লেখ করে মামলাটি করেছেন রাজ্যপাল (Governer)। প্রসঙ্গত রাজভবন নাকি বিধানসভায়, শপথ কোথায় হবে এ নিয়ে জটিলতা অব্যাহত। সদ্য জয়ী তৃণমূলের দুই বিধায়ক চাইছেন বিধানসভায় শপথ করানো হোক। অন্যদিকে রাজভবনে এসে শপথ নেওয়ার সময় দিয়েছিলেন রাজ্যপাল। বিধায়করা সেখানে না যাওয়ার ফলে দুই বিধায়কের শপথ ঘিরে জটিলতা অব্যাহত। এরই মাঝে তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ জানিয়েছেন, সোমবারের মধ্যে শপথ জটিলতার সমাধান না হলে রাজ্যপালের বিরুদ্ধে তিনি আবার বোমা পাঠাবেন। অন্যদিকে বিধানসভার সামনে বরানগর কেন্দ্র থেকে জয়ী সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন বলে দিয়েছেন তখন আর কিছু বলার নেই। ভয় তো লাগতেই পারে।”

    আরও পড়ুন: তৃণমূলের মদতেই সরকারি জমি বিক্রি! শিলিগুড়িতে মিলল বড় চক্রের হদিশ

    অর্থাৎ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন বলে দিয়েছেন, তাই বিধায়কদের ভয় লাগছে। কিন্তু বাকি একজন পুরুষ বিধায়কের কেন শ্লীলতাহানির ভয় নাকি দলের হুইপের ভয় তা জানা যায়নি।  

    বিজেপির প্রতিক্রিয়া (High Court)

    সংবাদ সংস্থা পিটিআই জানাচ্ছে, শুক্রবার মামলাটি কলকাতা হাইকোর্টে (High Court) দায়ের করা হয়। মামলার কপির সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্য উল্লেখ করা আছে। রাজ্যপালের এই মামলা প্রসঙ্গে বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা বলেন, “রাজ্যপাল (Governer) সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে এই সিদ্ধান্ত অনেক আগে নেওয়া উচিত ছিল। রাজ্যপালের সঙ্গে রাজ্যের মর্যাদা জড়িত আছে। এ বিষয়ে রাজ্যপালের প্রতি আমার সমর্থন রয়েছে।”

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • MS Dhoni: ধোনির বিরুদ্ধে মানহানির মামলা! জানেন কেন দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ মাহির বন্ধু?

    MS Dhoni: ধোনির বিরুদ্ধে মানহানির মামলা! জানেন কেন দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ মাহির বন্ধু?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইপিএল শুরু হতে আর বেশি দিন বাকি নেই। সম্প্রতি ব্যাট হাতে নেটে দেখা গিয়েছে চেন্নাই সুপার কিংসের অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনিকে (MS Dhoni)। তার মধ্যেই বিপত্তি। আইনি জটিলতায় ফাঁসলেন প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক। তাঁর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের করলেন এক সময়ে ধোনির ব্যবসায়িক সঙ্গী মিহির দিবাকর। কিছু দিন আগেই প্রাক্তন ব্যবসায়িক সহযোগীদের বিরুদ্ধে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ এনেছিলেন মাহি। এবার সেই সহযোগীরাই আদালতে ধোনির বিরুদ্ধে পাল্টা মানহানির মামলা করলেন। 

    ধোনির বিরুদ্ধে অভিযোগ

    সম্প্রতি ধোনি তাঁর প্রাক্তন ব্যবসায়িক সঙ্গী মিহির দিবাকর, তাঁর স্ত্রী সৌম্যা দাস এবং তাঁদের কোম্পানি অর্ক স্পোর্টস ম্যানেজমেন্টের বিরুদ্ধে ১৫ কোটি টাকার আর্থিক প্রতারণার মামলা করেছিলেন। ধোনি এবং তাঁর ঘনিষ্ঠদের অভিযোগ ছিল, চুক্তির শর্ত লঙ্ঘন করেছে দিবাকরের সংস্থা। অন্তত ১৫ কোটি টাকা ধোনির বকেয়া রয়েছে বলেও জানানো হয়েছিল। পরবর্তীকালে চুক্তি ভেঙে দেওয়া হয়। বারবার দিবাকরকে ওই বকেয়া অর্থ মিটিয়ে দেওয়ার কথা বলা হলেও, তাতে কোনও লাভ হয়নি। অনেক চিঠির জবাব আসেনি বলেও অভিযোগ ওঠে। এরই পাল্টা হিসেবে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন মিহির ও তাঁর স্ত্রী। আগামী ১৮ জানুয়ারি বিচারপতি প্রতিভা এম সিং মামলাটি শুনানি করবেন। মিহির এবং সৌম্যা জানিয়েছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ আনা হয়েছে। ধোনি যে অভিযোগ করেছেন তার কোনও সত্যতা নেই বলে দাবি করেছেন তাঁরা। এই কারণেই ধোনির বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: অলিম্পিক্সের দৌড়ে! হকিতে ইতালিকে ৫-১ গোলে হারাল ভারতের মেয়েরা

    ধোনির দাবি

    ২০০০ সালে অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপে ভারতীয় দলে ছিলেন মিহির দিবাকর। ধোনির সঙ্গে তাঁর দারুণ ঘনিষ্ঠতাও ছিল। এখন সেই সম্পর্ক আদালতের চৌকাঠে এসে দাঁড়িয়েছে। ধোনির যাবতীয় অভিযোগকে ভিত্তিহীন এবং অবমানকর বলে দাবি করে মানহানির মামলা করেছেন মিহির। তবে জানা যায়, ধোনি প্রথমেই আদালতের দ্বারস্থ হননি। প্রথমে দিবাকর এবং সৌম্যার সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা মিটিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। চুক্তির শর্ত কেন অমান্য করা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন করেন। যথাযথ উত্তর না পাওয়ায়, ২০২১ সালের ১৫ অগস্ট, আর্কা স্পোর্টসকে নিজের নাম ব্যবহার করার অনুমতি প্রত্যাহার করে নেন চিঠি দিয়ে। তাতেও কাজ না হওয়ায় বেশ কয়েক বার আইনি চিঠিও দেন ধোনি। কিন্তু সংস্থাটির পক্ষ থেকে সদুত্তর না পেয়ে শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: শুভেন্দুর বিরুদ্ধে মানহানির মামলায় অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ হাইকোর্টের

    Suvendu Adhikari: শুভেন্দুর বিরুদ্ধে মানহানির মামলায় অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) বিরুদ্ধে দায়ের করা মানহানি মামলার নির্দেশে স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। নিম্ন আদালতের নির্দেশের ওপর স্থগিতদেশ দিলেন বিচারপতি শম্পা সরকার। শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে মানহানি মামলা করেন রাজ্যের জনস্বাস্থ্য কারিগরি মন্ত্রী পুলক রায়। হাইকোর্টের নির্দেশ নিম্ন আদালতে আপাতত ওই মামলার বিচারপ্রক্রিয়া স্থগিত থাকবে। পাশাপাশি বিরোধী দলনেতাকে মামলাকারীর কাছে নোটিস পাঠানোর নির্দেশও দিয়েছে উচ্চ আদালত।

    শুভেন্দুর অভিযোগ

    ‘জল জীবন মিশন’ প্রকল্পের একাধিক বিষয়ে জনস্বাস্থ্য কারিগরি মন্ত্রী পুলক রায়ের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ তুলেছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। ‘ফেরুল’ অর্থাৎ মূল পাইপ থেকে মুখ জোড়ার যন্ত্রাংশ কেনা-সহ একাধিক বিষয়ে বেনিয়মের অভিযোগ তোলেন শুভেন্দু। পুলকের বিরুদ্ধে শুভেন্দু অভিযোগ করেছিলেন, খোলা বাজারে যে ফেরুলের দাম ২১৩ টাকা, সেটাই কেনা হয়েছে ৫৭০ টাকায়। এ ছাড়া, নির্দিষ্ট কিছু সংস্থাকে দিয়ে ফেরুল কেনা হয়েছে। ১,০৮৬ কোটি টাকার প্রকল্পে নূন্যতম ৫০০ কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে, বলে জানান শুভেন্দু। বিরোধী দলনেতা অসত্য তথ্য সামনে এনেছেন এই অভিযোগ তুলে ৫ কোটি টাকার মানহানির মামলা করেন পুলক। 

    আরও পড়ুন: ১ বছরেই বৃদ্ধি ৪০ শতাংশ! পর পর ৫ বছর অ্যাসিড হামলায় শীর্ষে বাংলা

    কী বলল আদালত

     প্রথমে রাজ্যের মন্ত্রী পুলক, শুভেন্দুকে (Suvendu Adhikari) আইনি নোটিস পাঠান। অভিযোগ, ওই নোটিসের কোনও জবাব দেননি বিরোধী দলনেতা। এর পরে গত ৩ জানুয়ারি উলুবেড়িয়া মহকুমা আদালতের দেওয়ানি বিভাগে শুভেন্দুর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের হয়। নিম্ন আদালত এক পক্ষ শুনেই শুভেন্দু অধিকারীকে লিখিত জবাবি হলফনামা দিতে বলে। কিন্তু শুভেন্দু অধিকারী সেই নির্দেশে জানিয়েছিলেন, হলফনামা জমা করবেন না। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন শুভেন্দু। তার প্রক্ষিতেই শুনানি ছিল হাইকোর্টে। বিচারপতি শম্পা সরকার আপাতত নিম্ন আদালতের নির্দেশে স্থগিতাদেশ দিয়েছেন। বিচারপতির নির্দেশ, আপাতত ওই মামলার বিচারপ্রক্রিয়া স্থগিত থাকবে। হাইকোর্টে মামলার বিষয়টি জানিয়ে মন্ত্রী পুলককে আগে নোটিস দেবেন শুভেন্দু। মামলাকারী মন্ত্রী শুভেন্দুর কাছ থেকে নোটিস পাওয়ার পরেই মামলাটি হাইকোর্টে আবার উঠবে। আগামী ১১ জানুয়ারি এই মামলার পরবর্তী শুনানি। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Rahul Gandhi: ‘মোদি’ পদবি মন্তব্যের জেরে কারাদণ্ড, সাজা মকুব করতে সুপ্রিম কোর্টে রাহুল

    Rahul Gandhi: ‘মোদি’ পদবি মন্তব্যের জেরে কারাদণ্ড, সাজা মকুব করতে সুপ্রিম কোর্টে রাহুল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোদি (Rahul Gandhi) পদবি নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে দু বছরের কারাদণ্ড হয়েছিল কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর। গুজরাটের সুরাটে ফৌজদারি আদালতের রায় বহাল রেখেছিল গুজরাট হাইকোর্ট। গুজরাট হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে শনিবার সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) দ্বারস্থ হন রাহুল। রাহুল সুপ্রিম কোর্টে যেতে পারেন আঁচ করেই ক্যাভিয়েট দাখিল করে রেখেছিলেন মামলাকারী প্রাক্তন বিধায়ক বিজেপির পূর্ণেশ মোদি। আগামী সপ্তাহে এই মামলার শুনানি হওয়ার সম্ভাবনা।

    রাহুলের বিতর্কিত মন্তব্য

    উনিশের লোকসভা নির্বাচনে কর্নাটকের এক জনসভায় প্রচার করতে গিয়ে মোদি পদবি নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন রাহুল (Rahul Gandhi)। তিনি বলেছিলেন, “সব চোরেদের পদবি মোদি হয় কেন?” আইপিএল কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত ললিত মোদি, ব্যাঙ্ক ঋণ মামলায় পলাতক নীরব মোদির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির তুলনা টেনেছিলেন তিনি।

    মানহানির মামলা

    রাহুলের বিরুদ্ধে সুরাটের একটি আদালতে মানহানির মামলা করেন পূর্ণেশ। চলতি বছর ২৩ মার্চ সুরাট আদালতের বিচারক এইচএইচ ভার্মা রাহুলকে দোষী সাব্যস্ত করেন। দু বছরের কারাদণ্ডও দেন। সুরাট আদালতের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে গুজরাটেরই দেওয়ানি আদালতের দ্বারস্থ হন প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি। সেখানে বহাল রাখা হয় সুরাট আদালতের রায়কেই। এর পর রাহুল যান গুজরাট হাইকোর্টে। সেখানে রাহুলের শাস্তির ওপর স্থগিতাদেশ দিতে অস্বীকার করেন বিচারপতি হেমন্ত প্রচ্ছক। তিনি বলেন, রাহুলের বিরুদ্ধে অন্তত ১০টি ফৌজদারি মামলা বিচারাধীন। এই মামলা ছাড়াও আরও কয়েকটি মামলা রয়েছে। রাহুলের আবেদন খারিজ করে দিয়ে বিচারপতি বলেন, সুরাট আদালতের নির্দেশের ওপর হস্তক্ষেপের প্রয়োজন নেই।

    আরও পড়ুুন: “তিন তালাক নিষিদ্ধ হওয়ায় মুসলমানদের মধ্যে ডিভোর্সের হার কমেছে”, বললেন কেরলের রাজ্যপাল

    রাহুলকে (Rahul Gandhi) দোষী সাব্যস্ত করার পরে পরেই খারিজ হয়ে যায় তাঁর সাংসদ পদ। কেড়ে নেওয়া হয় সরকারি বাংলোও। গুজরাট হাইকোর্টে রাহুলের সাজা বহাল থাকায় কংগ্রেসের এই নেতা দ্বারস্থ হন সুপ্রিম কোর্টের। সেখানেও যদি দু বছরের কারাদণ্ডের সাজা বহাল থাকে, তাহলে লোকসভা নির্বাচনে দাঁড়াতেই পারবেন না তিনি। সেক্ষেত্রে ঘোর বিপাকে পড়বে কংগ্রেস। কারণ গান্ধী পরিবারের বাইরে যে কিছুই ভাবতে পারে না গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টি!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Rahul Gandhi: ‘মোদি’ পদবী মামলায় গুজরাট হাইকোর্টের দ্বারস্থ রাহুল, শুনানি শীঘ্রই

    Rahul Gandhi: ‘মোদি’ পদবী মামলায় গুজরাট হাইকোর্টের দ্বারস্থ রাহুল, শুনানি শীঘ্রই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘মোদি’ পদবী মামলায় এবার গুজরাট হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। চলতি সপ্তাহে মামলার শুনানি হতে পারে। মোদি পদবী অবমাননার মামলায় সুরাটের দায়রা আদালতে দোষী সাব্যস্ত হন রাহুল। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে মঙ্গলবার গুজরাট হাইকোর্টে (Gujarat High Court) যান কংগ্রেস নেতা। 

    কংগ্রেসের মত

    ২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচনের সময় নরেন্দ্র মোদিকে নিশানা করতে গিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করে বসেন রাহুল গান্ধী। রাহুলের এই মন্তব্যের নিন্দায় সরব হয় বিজেপি। এরপর মন্তব্যের জন্য সুরাটের একটি আদালতে কংগ্রেস নেতার বিরুদ্ধে একটি মানহানি মামলা দায়ের হয়। ঘটনার প্রায় চার বছরের মাথায় গত ২৩ মার্চ ‘মোদি’ পদবী মামলায় রাহুল গান্ধীকে দোষী সাব্যস্ত করে সুরাটের ফৌজদারি আদালত। ২ বছরের কারাদণ্ডের শাস্তি শোনায় আদালত। কংগ্রেসের আইনজীবী নেতা অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি মঙ্গলবার জানান, এই ধরনের মামলায় সরাসরি সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে। তবু শীর্ষ আদালত, আগে হাইকোর্টে মামলার শুনানির জন্য বলতে পারে ধরে নিয়ে রাহুলের তরফে হাইকোর্টে সাজা বাতিলের আর্জি জানানো হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: প্রয়াত পাঞ্জাবের লৌহপুরুষ প্রকাশ সিং বাদল! ২ দিনের পূর্ণ রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা কেন্দ্রের

    উল্লেখ্য, যদি রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া ফৌজদারি মানহানি মামলায় তাঁর দোষী সাব্যস্ত হওয়ার উপর হাইকোর্ট স্থগিতাদেশ দেয়, তাহলে তিনি ফের সাংসদ পদ ফিরে পেতে পারেন। সেই উদ্দেশেই রাহুল দ্বারস্থ হয়েছিলেন সুরাট কোর্টের। সেখান থেকে স্বস্তি না পেয়ে তিনি গুজরাট হাইকোর্টে যান। প্রসঙ্গত, গত মাসে সাংসদ পদ হারান রাহুল। বিধি অনুযায়ী কোনও সাংসদ যদি ২ বছর বা তার বেশি সময় ধরে কারাবাসের সাজা পান, তাহলে তাঁর সাংসদ পদ খারিজ হয়। গুজরাট হাইকোর্টে যদি স্বস্তি না মেলে তাহলে সেক্ষেত্রে রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে আপিল করতে পারবেন রাহুল। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kangana Ranaut: জাভেদ আখতার মানহানি মামলায় মুম্বাই আদালতে হাজিরা কঙ্গনার

    Kangana Ranaut: জাভেদ আখতার মানহানি মামলায় মুম্বাই আদালতে হাজিরা কঙ্গনার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাভেদ আখতারের (Javed Akhtar) করা মানহানির মামলায় (Defamation Case) আদালতে গিয়ে বয়ান রেকর্ড করলেন বলিউডের ‘কুইন’ কঙ্গনা রানাওয়াত (Kangana Ranaut)। ২০২০ সালের নভেম্বরে অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেছিলেন বলিউডের গীতিকার জাভেদ আখতার। সেই মামলার বিষয়েই সোমবার, ৪ জুলাই আদালতে হাজিরা দেন কঙ্গনা। বয়ান রেকর্ডের সময়ে তাঁর সঙ্গে তাঁর দিদি রঙ্গোলি ও তাঁর আইনজীবী থাকবেন, এমন অনুরোধ করেছিলেন তিনি। সেইমতো তাঁরাও সেদিন উপস্থিত ছিলেন মুম্বাই আদালতে।

    আরও পড়ুন: অ্যাকশনে ভরপুর ‘ধাকড়’ ছবির ট্রেলার, রণংদেহী মেজাজে কঙ্গনা, সঙ্গী শাশ্বত  

    কঙ্গনা তাঁর বয়ানে এদিন বলেন যে, হৃতিক রোশনের (Hrithik Roshan) কাছে ক্ষমা চাইতে রাজি না হওয়ায় তাঁকে অপমান করেছিলেন জাভেদ আখতার। এমনকি, জাভেদ আখতার নাকি তাঁকে এমনও হুমকিও দিয়েছেন যে ক্ষমা না চাইলে পরিণতি খুব খারাপ হতে পারে। এমনটাই দাবি করেছেন বলিপাড়ার ‘রেবেল’ নায়িকা। 
     
    শুধু তাই নয়, কঙ্গনার আরও দাবি, জাভেদ আখতার তাঁকে আত্মহত্যার প্ররোচনা পর্যন্ত দিয়েছেন যার জন্য তাঁর মানসিক স্থিতি ব্যাহত হয়েছে। 

    এর আগে সংবাদমাধ্যমের সামনেও এমন দাবি করেছিলেন কঙ্গনা। এরপরেই অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেন জাভেদ আখতার। জাভেদের অভিযোগ ছিল, এক সাক্ষাৎকারে বলিউডকে আক্রমণ করার সময়ে তাঁর নামও নিয়েছিলেন  কঙ্গনা।

    সাক্ষাৎকারে কঙ্গনা দাবি করেন যে, জাভেদ আখতার তাঁকে ও তাঁর দিদিকে জুহুর বাড়িতে ডেকে হৃতিক রোশনের কাছে ক্ষমা চাইতে জোর করেছিলেন। ক্ষমা না চাইলে হুমকিও দেন বলে অভিযোগ করেন কঙ্গনা।  

    বলিউডে ‘লাগামহীন জিভ’- এর জন্যে পরিচিত কঙ্গনা রানাওয়াত। কখন কাকে তিনি আক্রমণ শানিয়ে বসেন তা নিয়ে ভয়ে থাকেন বলিউডের তাবড় তাবড় অভিনেতা- নির্দেশকরা। কিছুদিন আগেই মুক্তি পেয়েছে কঙ্গনার ছবি ধাকড়। ছবিটির ট্রেলার সাড়া ফেললেও শেষ পর্যন্ত বক্স অফিসে খুব একটা সুবিধে করে উঠতে পারেনি সিনেমাটি। মাত্র ১০ কোটি টাকা আয় হয়েছে সিনেমাটি থেকে। এর জন্য সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রোলডও হয়েছেন অভিনেত্রী। ছবিতে তাঁকে একজন স্পাইয়ের চরিত্রে দেখা গিয়েছে। কঙ্গনা ছাড়াও অভিনয় করেছেন শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়, অর্জুন রামপাল, দিব্যা দত্ত। প্রযোজনা করেছেন দীপক ও সোহেল মাকলাই।  

     

  • PPE kit row: সিসোদিয়া-বিশ্বশর্মা সংঘাত, মণীশের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা হিমন্তের

    PPE kit row: সিসোদিয়া-বিশ্বশর্মা সংঘাত, মণীশের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা হিমন্তের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাবধান করেছিলেন আগেই। এবার পিপিই কিট (PPE kit row ) ইস্যুতে দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধ্ব মানহানির মামলা করলেন আসামের মুখ্যমন্ত্রী। দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়ার (Manish Sisodia) বিরুদ্ধে মানহানির মামলা (Defamation Case) করলেন আসামের  মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা (Himanta Biswa Sarma)। ২০২০ সালে করোনাকালে আসামের তৎকালীন স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিমন্ত, তাঁর স্ত্রী ও ছেলের ব্যবসায়িক অংশীদারিত্ব আছে, এমন সংস্থাকে পিপিই কিটের বরাত পাইয়ে দিয়েছিলেন, এমনই ভয়ঙ্কর অভিযোগ করেছিলেন মণীশ সিসোদিয়া। 

    আরও পড়ুন: জল সামান্য কমলেও, এখনও বন্যার কবলে ২১ লক্ষ আসামবাসী, মৃত ১৩৪

    এই অভিযোগকে মিথ্যে বলে উড়িয়ে দিয়েছেন আসামের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। এর আগেই মণীশ সিসোদিয়ার বিরুদ্ধে ১০০ কোটি টাকার মানহানির মামলা করেছেন হিমন্ত বিশ্বশর্মার স্ত্রী রিনিকি ভুঁইয়া শর্মা। 

    আরও পড়ুন: মুসলমানরা আগে হিন্দু ছিলেন! আরএসএসের অনুষ্ঠানে দাবি হিমন্ত বিশ্বশর্মার

    এক সংবাদমাধ্যমের ধারাবাহিক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, তৎকালীন স্বাস্থ্য মন্ত্রী  হিমন্ত বিশ্বশর্মা ওই সংস্থাকে বাজারের চলতি দামের অনেক বেশি টাকায় পিপিই কিট এবং হ্যান্ড স্যানিটাইজার সরবরাহের বরাত পাইয়ে দিয়েছিলেন। সঠিক টেন্ডার প্রক্রিয়াও অনুসরণ করা হয়নি। 

    আপ নেতা তথা দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী সেই সময় দাবি করেছিলেন, আসাম সরকার  একটি সংস্থা থেকে ৬০০ টাকায় পিপিই কিট কিনছিল। কিন্তু হিন্ত বিশ্বশর্মার স্ত্রী এবং ছেলের ব্যবসায়িক অংশীদারদের মালিকানাধীন কোম্পানিগুলিকে প্রতিটি পিপিই  কিটের জন্য ৯৯০ টাকা দেওয়া হয়। সিসোদিয়া অভিযোগ করেন, “বিজেপির রাজনীতিবিদরা দুর্নীতি নিয়ে অনেক কথা বলেন, কিন্তু আমি তাদের জিজ্ঞাসা করতে চাই যে তারা এই পিপিই কিট মামলায় তাঁরা হিমন্ত বিশ্বশর্মার দুর্নীতি খতিয়ে দেখবেন কি?”   

    এই অভিযোগের পরপরই সিসোদিয়ার বিরুদ্ধে ফুঁসে ওঠেন হিমন্ত। হিমন্তের দাবি, ওই সংস্থা পিপিই কিটগুলি দান করেছিল, একটি টাকাও নেয়নি। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, “গোটা দেশ যখন মহামারীর কবলে, পিপিই কিটের ব্যাপক অভাব দেখা দেয়, আমার স্ত্রী সেই সময় সাহস করে এগিয়ে এসেছিলেন এবং মানুষের জীবন বাঁচানোর তাগিদে আসাম সরকারকে প্রায় ১৫০০ কিট বিনামূল্যে দান করেছিলেন।”

    সম্প্রতি এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট আপ নেতা সত্যেন্দ্র জৈনকে গ্রেফতার করেছে। আয়ের সঙ্গে সঙ্গতিহীন সম্পত্তির মামলায় জৈনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। 

     

     

     

LinkedIn
Share