Tag: defence acquisition council

defence acquisition council

  • Defence Acquisition: একদিনেই ৬১ হাজার কোটি টাকার প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কেনার অনুমোদন কেন্দ্রের, তালিকায় কী কী?

    Defence Acquisition: একদিনেই ৬১ হাজার কোটি টাকার প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কেনার অনুমোদন কেন্দ্রের, তালিকায় কী কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৬১ হাজার কোটি টাকা মূল্যের প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ও সমরাস্ত্র কেনার (Defence Acquisition) বিষয়ে সবুজ সঙ্কেত দিল মোদি সরকার (Modi Government)। বৃহস্পতিবার একদিকে, ডিফেন্স অ্যাকুইজিশন কাউন্সিল বা ডিএসি (DAC) ৫৪ হাজার কোটি টাকারও বেশি মূল্যের আটটি প্রস্তাব অনুমোদন করেছে যার মধ্যে রয়েছে— সেনাবাহিনীর অন্যতম ভরসা টি-৯০ ভীষ্ম ট্যাঙ্কের জন্য আরও শক্তিশালী ইঞ্জিন, নৌবাহিনীর জন্য অ্যান্টি-সাবমেরিন টর্পিডো (Anti-Submarine Torpedo) এবং বায়ুসেনার জন্য এয়ারবোর্ন আর্লি ওয়ার্নিং অ্যান্ড কন্ট্রোল এয়ারক্রাফট সিস্টেম। এর আগে, একই দিনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন ক্যাবিনেট কমিটি অন সিকিউরিটি বা সিসিএস (CCS) প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা মূল্যের ভারতে তৈরি অ্যাডভান্সড টাওড আর্টিলারি গান সিস্টেম কেনার বিষয়ে অনুমোদন দেয়।

    দেশের তিন সীমার সুরক্ষা বৃদ্ধিতে বিরাট পদক্ষেপ

    জল-স্থল-আকাশ, দেশের তিন সীমার সুরক্ষা বৃদ্ধি করতে বিরাট পদক্ষেপ করল মোদি সরকার (Modi Government)। প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের নেতৃত্বাধীন ডিফেন্স অ্যাকুইজিশন কাউন্সিল (Defence Acquisition) বৃহস্পতিবার এক বারেই বিপুল সামরিক সরঞ্জাম এবং অস্ত্র কেনার অনুমোদন দেয়। সেই তালিকার প্রথমেই রয়েছে স্থলসেনার অন্যতম ভরসা টি-৯০ (T-90 Tank) যুদ্ধট্যাঙ্কের জন্য আরও উন্নত ইঞ্জিন। বর্তমানে এই ট্যাঙ্কে ব্যবহার করা হয় ১০০০ অশ্বশক্তির ইঞ্জিন। মোদি সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এবার এই ট্যাঙ্কে আরও শক্তিশালী ১৩৫০ অশ্বশক্তির ইঞ্জিন বসানো হবে। এই নতুন ইঞ্জিন কেনার জন্য এদিন ‘অ্যাকসেপট্যান্স অফ নেসেসিটি’ (এওএন) বা প্রয়োজনীয়তার গ্রহণযোগ্যতা প্রদান করে প্রতিরক্ষা ক্রয় পরিষদ। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নতুন উন্নত ইঞ্জিনের ফলে, ট্যাঙ্কটির শক্তি বনাম ওজনের অনুপাত ভালো হবে। এর ফলে, দুর্গম অঞ্চলের যুদ্ধক্ষেত্রে এই ট্যাঙ্কগুলির গতিশীলতা অনেকটাই বৃদ্ধি পাবে।

    বিপুল সংখ্যায় বরুণাস্ত্র টর্পিডো কিনবে নৌসেনা

    একইভাবে, ভারতীয় নৌবাহিনীর জন্য দেশীয়ভাবে তৈরি বরুণাস্ত্র টর্পিডো (Varunastra) কেনার জন্য অনুমোদন (Defence Acquisition) দিয়েছে কাউন্সিল। দেশীয় সংস্থা নেভাল সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজিক্যাল ল্যাবরেটরি নির্মিত জাহাজ থেকে নিক্ষেপযোগ্য এই সাবমেরিন-বিধ্বংসী টর্পিডোর বিপুল সংখ্যায় কেনার বিষয়ে অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্র। এর ফলে, দেশের জলসীমা আরও নিরাপদ হবে। আবার, আকাশসীমার নিরাপত্তায় ভারতীয় বায়ুসেনার জন্য এয়ারবোর্ন আর্লি ওয়ার্নিং অ্যান্ড কন্ট্রোল (AEW&C) এয়ারক্রাফট সিস্টেম কেনার বিষয়েও অনুমোদন দিয়েছে ডিএসি। এর ফলে, বায়ুসেনার সক্ষমতা ব্যাপক বৃদ্ধি পাবে, যা বিভিন্ন সমরাস্ত্রের সক্ষমতা বৃদ্ধি করে যুদ্ধের সম্পূর্ণ পট-পরিবর্তন করতে সক্ষম।

    ‘আত্মনির্ভর ভারত’-এর প্রতীক ‘এটিএজিএস’

    রাজনাথ সিংয়ের নেতৃত্বে একদিকে ৫৪ হাজার কোটি টাকার প্রতিরক্ষা কেনায় অনুমোদন (Defence Acquisition) দেওয়ার আগে, একই দিনে ৭ হাজার কোটি টাকার দেশে তৈরি ‘আত্মনির্ভর ভারত’-এর (Atmanirbhar Bharat) প্রতীক ১৫৫ মিমি অ্যাডভান্সড টোড আর্টিলারি গান সিস্টেম (ATAGS) অধিগ্রহণের অনুমোদন দিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভার কমিটি। সম্পূর্ণ দেশীয়ভাবে নির্মিত সর্বাধুনিক প্রযুক্তি এবং উচ্চ মারণশক্তির এই আর্টিলারি গান (কামান) ভারতীয় সেনাবাহিনীর কার্যকরী ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য প্রস্তুত। ৫২ ক্যালিবার ব্যারেল সমন্বিত এটিএজিএসের পাল্লা ৪০ কিমি। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, সেনায় এর অন্তর্ভুক্তি যুদ্ধে গেমচেঞ্জার হিসেবে প্রমাণিত হতে পারে। বর্তমানে সেনায় যে সমস্ত ১০৫ মিমি এবং ১৩০ মিমি আর্টিলারি গান রয়েছে, সেগুলিকে দ্রুত প্রতিস্থাপন করে এই নতুন শক্তিশালী, উন্নত এবং সর্বাধুনিক প্রযুক্তির আর্টিলারি গান মোতায়েন করা হবে। বিশেষ করে, দেশের পশ্চিম ও উত্তর সীমান্তে এটির মোতায়েন ভারতীয় সামরিক বাহিনীর অপারেশনাল প্রস্তুতি এবং শক্তি বৃদ্ধি করে উল্লেখযোগ্য কৌশলগত সুবিধা প্রদান করবে।

    সময়ের অপচয় রুখতে নির্দেশিকা জারি…

    ২০২৫ সালকে ‘সংস্কারের বছর’ হিসাবে উদযাপন করছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। যে কারণে, সামরিক কেনাকাটাকে (Defence Acquisition) আরও ত্বরাণ্বিত করার ওপর জোর দিচ্ছে মোদি সরকার (Modi Government)। সামরিক সরঞ্জাম কেনার ক্ষেত্রে যাতে সময়ের অপচয় না হয় এবং বিষয়টি যাতে দ্রুত সম্পন্ন করা যায়, তার জন্য নির্দিষ্ট কয়েকটি গাইডলাইনও অনুমোদন করেছে রাজনাথ সিংয়ের নেতৃত্বাধীন প্রতিরক্ষা পরিষদ। বিবৃতিতে এও বলা হয়েছে, মোদি সরকারের ‘আত্মনির্ভর ভারত’-এর (Atmanirbhar Bharat) লক্ষ্যকে মাথায় রেখে বিপুল পরিমাণ দেশীয় সামরিক সরঞ্জাম কেনার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। এর ফলে, সরকারের আত্মনির্ভরশীলতা বৃদ্ধি পেয়েছে। রাজনাথ সিং প্রকাশ করেছেন যে, ২০২৩-২৪ সালে প্রতিরক্ষা উত্পাদন ১.২৭ লক্ষ কোটি টাকার রেকর্ড সংখ্যা ছুঁয়েছিল। ২০২৫-২৬ সালে তা আরও অতিক্রম করে মধ্যে ১.৬০ লক্ষ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে। একইসঙ্গে প্রতিরক্ষা রফতানি (India Defence Exports), যা ২১ হাজার কোটি টাকার রেকর্ড সংখ্যা ছুঁয়েছিল ওই একই সময়ে, এবার তা বেড়ে ৩০ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে।

  • LCA Tejas Mk-1A: সবুজ সঙ্কেত কেন্দ্রের, বাহিনীর হাতে আসছে ৯৭ তেজস মার্ক-১এ, ১৫৬ প্রচণ্ড হেলিকপ্টার

    LCA Tejas Mk-1A: সবুজ সঙ্কেত কেন্দ্রের, বাহিনীর হাতে আসছে ৯৭ তেজস মার্ক-১এ, ১৫৬ প্রচণ্ড হেলিকপ্টার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামরিক বাহিনীকে আরও শক্তিশালী করা এবং একইসঙ্গে আত্মনির্ভর ভারত গড়ার লক্ষ্যে বড় পদক্ষেপ নিল মোদি সরকার। ৯৭টি লাইট কমব্যাট এয়ারক্র্যাফট (এলসিএ) তেজস মার্ক-১এ (LCA Tejas Mk-1A) এবং ১৫৬টি প্রচণ্ড লাইট কমব্যাট হেলিকপ্টার (এলসিএইচ) কেনার বিষয়ে অনুমোদন দিল কেন্দ্রের ডিফেন্স অ্যাকুইজিশন কাউন্সিল (Defence Acquisition Council) বা ডিএসি। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রের খবর, এর মধ্যে ভারতীয় স্থলসেনার ‘আর্মি অ্যাভিয়েশন কোর’ পাবে ৯০টি।  ৯৭টি তেজস যুদ্ধবিমানের সঙ্গে ৬৬টি প্রচণ্ড (LCH Prachand) পাবে ভারতীয় বায়ুসেনা। এর ফলে, এই দুই বাহিনীর শক্তি এক ধাক্কায় অনেকটা বেড়ে যাবে। শুধু তাই নয়। সূত্রের খবর, খুব শীঘ্রই নৌসেনার জন্য দ্বিতীয় দেশীয় বিমানবাহী রণতরীর বিষয়েও সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে এই কমিটি। তেমনটা হলে, দেশের জলসীমা সুরক্ষায় নৌবাহিনীর শক্তিও অনেকটাই বেড়ে যাবে।

    পাখির চোখ তেজস ও প্রচণ্ড

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের নেতৃত্বাধীন ডিএসি বৈঠকে বসেছিল বৃহস্পতিবার। সেখানেই তেজস যুদ্ধবিমান (LCA Tejas Mk-1A) ও প্রচণ্ড যুদ্ধ কপ্টার কেনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে (Defence Acquisition Council)। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, তেজস যুদ্ধবিমান আর প্রচণ্ড লাইট কমব্যাট হেলিকপ্টার (LCH Prachand) কেনার পাশাপাশি, ভারতীয় বায়ুসেনার ব্যবহৃত সুখোই-৩০ যুদ্ধবিমানগুলির আধুনিকীকরণের সিদ্ধান্ত হয়েছে ওই বৈঠকে। এই তিনটের জন্য মোট বরাদ্দ ধার্য করা হয়েছে ১.১ লক্ষ কোটি টাকা। গত সপ্তাহেই, বেঙ্গালুরুস্থিত তেজস নির্মাণকারী রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা হিন্দুস্থান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড বা হ্যাল-এর কারখানা পরিদর্শনে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখানে তিনি দুই-আসন বিশিষ্ট তেজস মার্ক-১ যুদ্ধবিমানের একটি ট্রেনার বিমানে চেপে প্রায় ৪৫ মিনিট আকাশে চক্কর কাটেন। 

    আর্টিলারিকে আরও বিধ্বংসী করে তোলার সিদ্ধান্ত

    তেজস (LCA Tejas Mk-1A) ও প্রচণ্ড কেনার পাশাপাশি, সেনার জন্য বিভিন্ন ধরনের আর্টিলারি কেনার বিষয়েও অ্যাকসেপটেন্স অফ নেসেসিটিতে অনুমোদন দিয়েছে কমিটি (Defence Acquisition Council)। এর আওতায় স্থলসেনার জন্য দুধরনের গোলা ও ফিল্ড গান বা কামান কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ট্যাঙ্ক-বিধ্বংসী এরিয়া ডিনায়াল মিউনিশন (এডিএম) টাইপ-২ ও টাইপ-৩। এটি শত্রুর যে কোনও যুদ্ধট্যাঙ্ক বা সাঁজোয়া গাড়ি ধ্বংস করতে সক্ষম। পাশাপাশি, কার্যমেয়াদ অতিক্রান্ত হওয়া ইন্ডিয়ান ফিল্ড গান পাল্টে তার জায়গায় অত্যাধুনিক টাওড গান সিস্টেম (টিজিএস) অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল সেনা। তা এদিনেক বৈঠকে অনুমোদন পেয়েছে। এর সঙ্গেই অনুমোদিত হয়েছে ১৫৫ এমএম আর্টিলারি গান (কামান)-এ ব্যবহার করার জন্য ১৫৫ এমএম নাবলেস প্রোজেক্টাইল।

    মোট খরচ বরাদ্দ ২.২৩ লক্ষ কোটি টাকা

    এছাড়া, সেনার অন্যতম ভরসা টি-৯০ মেন যুদ্ধট্যাঙ্কের সক্ষমতা আরও বৃদ্ধি করতে অটোমেটিক টার্গেট ট্র্যাকার ও ডিজিটাল বাসালটিক কম্পিউটার কেনার বিষয়ে অনুমোদন মিলেছে। নৌসেনার জন্য মাঝারি পাল্লার শত্রু জাহাজ-বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র (এমআরএএসএইচএম) কেনার বিষয়েও অনুমোদন মিলেছে। এই ক্ষেপণাস্ত্রটি মূলত হালকা ওজনের এব অত্যন্ত সহজেই এগুলোকে জাহাজে মোতায়েন করা সম্ভব। এই সব কেনার জন্য মোট ২.২৩ লক্ষ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে ডিএসি (Defence Acquisition Council)। এর মধ্যে ২.২ লক্ষ কোটি টাকা অর্থাৎ ৯৮ শতাংশ খরচই দেশীয় সংস্থার থেকে তোলা হবে বলে জানা গিয়েছে (LCA Tejas Mk-1A)। এতে সামরিক ক্ষেত্রে ‘আত্মনির্ভর’ হওয়ার পথ সুগম হবে যেমন, দীর্ঘমেয়াদি কর্মসংস্থানও তৈরি হবে বলে দিল্লির একটি সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Indian Navy IAC 2: আরও একটি দেশীয় বিমানবাহী রণতরী আসছে নৌসেনার হাতে! সিদ্ধান্ত আজই?

    Indian Navy IAC 2: আরও একটি দেশীয় বিমানবাহী রণতরী আসছে নৌসেনার হাতে! সিদ্ধান্ত আজই?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরও শক্তিশালী হতে চলেছে ভারতীয় নৌসেনা। ভারত মহাসাগরে চিনা নৌবাহিনীর বাড়বাড়ন্তকে মাথায় রেখে আইএনএস বিক্রান্ত-এর পর দেশে আরও একটি প্রায় সমান ক্ষমতাসম্পন্ন বিমানবাহী রণতরী (Indian Navy IAC 2) নির্মাণ করার প্রস্তাবে সম্ভবত শীঘ্রই সায় দিতে চলেছে কেন্দ্র। 

    ভারত মহাসাগরে চিনকে রোখা প্রয়োজন

    সূত্রের খবর, ভারতীয় জলসীমার নিরাপত্তা ও সুরক্ষার বিষয়টি মাথায় রেখে বেশ কিছুদিন আগেই দ্বিতীয় দেশীয় বিমানবাহী রণতরীর জন্য প্রস্তাব পাঠিয়েছিল ভারতীয় নৌসেনা। প্রস্তাবটি পাঠানো হয়েছিল ডিফেন্স প্রোকিওরমেন্ট বোর্ডের বা সংক্ষেপে ডিপিবি-র কাছে। এই ডিপিবি হল এমন কমিটি যারা মূলত বৃহত সামরিক ক্রয় বিষয়ক প্রস্তাবগুলি খতিয়ে দেখে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সুপারিশ পাঠায় কেন্দ্রের সামরিক সরঞ্জাম কেনার শীর্ষ কমিটি ডিফেন্স অ্যাকুইজিশন কাউন্সিল বা সংক্ষেপে ডিএসি-র (Defence Acquisition Council) কাছে। 

    রাজনাথ সিংয়ের নেতৃত্বে বসছে বিশেষ বৈঠক

    নিয়ম অনুযায়ী, ডিপিবি-র সুপারিশের ওপর সময় মতো অ্যাকসেপ্টেন্স অফ নেসেসিটি (এওএন) বা সিলমোহর দেয় ডিএসি (Indian Navy IAC 2)। তার পর সব শেষে কেনার ছাড়পত্র দেয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন ক্যাবিনেট কমিটি অন সিকিউরিটি বা সিসিএস।  যার পরেই, গোটা প্রক্রিয়া কার্যকর হয়। সূত্রের খবর, দেশে দ্বিতীয় বিমানবাহী রণতরী তৈরি করার প্রস্তাবকে সবুজ সঙ্কেত দিয়ে ডিএসি-র টেবিলে পাঠিয়েছে ডিপিবি। আগামিকাল বসছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের নেতৃত্বাধীন ডিএসি-র (Defence Acquisition Council) বৈঠক। সেখানে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এই বিষয়ে। তবে, কেন্দ্রীয় সূত্রের দাবি, চিনের কথা মাথায় রেখে সম্ভবত এই প্রস্তাব গৃহীত হতে পারে। 

    আইএনএস বিক্রান্ত-এর ‘মিরর’ হতে চলেছে আইএসি-২

    যা জানা যাচ্ছে, প্রাথমিকভাবে সিদ্ধান্ত হয়েছিল, ইন্ডিজেনাস এয়ারক্র্যাফট ক্যারিয়ার ১ বা আইএনএস বিক্রান্ত-এর তুলনায় ৩০ শতাংশ বড় হবে আইএসি-২ (Indian Navy IAC 2)। বিক্রান্তের ওজন ৪৪ হাজার টন। সেখানে নকশা অনুযায়ী, আইএসি-২ এর ওজন হওয়ার কথা ছিল ৬৫ হাজার টন। পরবর্তীকালে, তা বাতিল করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে বিক্রান্তের মতোই নকশা অনুযায়ী হবে দ্বিতীয় বিমানবাহী রণতরী। অর্ছাৎ, নকশায় কোনও পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই। এর ফলে, সময় বাঁচবে। জানা যাচ্ছে, তেমনটা হলে, ৮-১০ বছরের মধ্য়েই ভারতীয় নৌসেনার হাতে আইএসি-২ আসতে পারে।

    নতুন রণতরীর ডেকে থাকবে রাফাল-এম

    আইএনএস বিক্রান্ত তৈরি করতে খরচ হয়েছিল ২৩ হাজার কোটি টাকা। জানা গিয়েছে, নতুন বিমানবাহী রণতরী নির্মাণে খরচ হবে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা। ওই রণতরী থেকে উড়বে অত্যাধুনিক ফরাসি রাফাল-এম যুদ্ধবিমান। কয়েকদিন আগে, নৌসেনা প্রধান আর হরি কুমার জানিয়েছিলেন, আপাতত রিপিট অর্ডারের দিকেই ঝোঁকা হচ্ছে (Indian Navy IAC 2)। অর্থাৎ, ওজনে প্রায় এক হবে নতুন জাহাজটি। তবে, আরও অধিক ক্ষমতাসম্পন্ন হবে। সেই সময় তৃতীয় বড় আকারের বিমানবাহী রণতরীর নকশা তৈরি করা হবে। যা হবে ওই ৬৫ হাজার টনের আশেপাশে। যে সময় সেটি অন্তর্ভুক্ত হবে নৌসেনায়, আইএনএস বিক্রমাদিত্য অবসর নেবে।

    বৈঠকের নজরে প্রচণ্ড ও তেজস-ও

    নতুন বিমানবাহী রণতরীর পাশাপাশি, আগামিকালের বৈঠকে বায়ুসেনার পেশ করা ৯৭টি তেজস মার্ক-১এ যুদ্ধবিমান কেনার বিষয়েও আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর জন্য খরচ ধরা হয়েছে প্রায় ৫৫ হাজার কোটি টাকা। এছাড়া রয়েছে স্থলসেনার জন্য ১৫৬টি প্রচণ্ড সামরিক হেলিকপ্টার, যার মূল্য হতে পারে ৪৫ হাজার কোটি টাকা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।  

  • Indian Defence: প্রতিরক্ষায় আত্মনির্ভর! ৭৬ হাজার কোটি টাকার সমরাস্ত্র কেনায় সায় কেন্দ্রের

    Indian Defence: প্রতিরক্ষায় আত্মনির্ভর! ৭৬ হাজার কোটি টাকার সমরাস্ত্র কেনায় সায় কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতিরক্ষায় আত্মনির্ভরতা বাড়াতে নয়া পদক্ষেপ প্রতিরক্ষামন্ত্রকের। দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি সমরাস্ত্র কেনায় মিলল ছাড়পত্র। সায় দিল প্রতিরক্ষামন্ত্রক (Ministry of defence)। এজন্য অনুমোদন করা হয়েছে ৭৬ হাজার কোটি টাকা। ডিফেন্স অ্যাকুইজিশন কাউন্সিলের (defence acquisition council) বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath singh) এর সভাপতিত্বে ওই বৈঠক হয়।

    জানা গিয়েছে, এই অর্থে ভারতীয় সেনাবাহিনীর জন্য রাফ টেরেন ফর্ক লিফ্ট ট্রাক (RTFLT), ব্রিজ লেইং ট্যাঙ্ক (BLT), হুইলড্ আর্মার্ড ফাইটিং ভেহিকল (WhAFV), অ্যান্টি ট্যাঙ্ক গাইডেড মিসাইল (ATGM) কেনা হবে। দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি উয়েপন লোকেটিং রাডারও (WLR) কেনা হবে। ৩৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নৌবাহিনীর জন্য পরবর্তী প্রজন্মের করভেট (NGC) যুদ্ধজাহাজ কেনায়ও মিলেছে সায়। মোট ৮টি করভেট (Corvette) নির্মাণ করা হবে। পাশাপাশি, নজরদারি এবং এসকর্ট অপারেশনকে আরও অত্যাধুনিক করার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে ওই বৈঠকে।

    আরও পড়ুন : সফল উৎক্ষেপণ অগ্নি-৪ ক্ষেপণাস্ত্রের, আওতায় ভারতের প্রতিবেশীরা

    উপকূলরক্ষী বাহিনী (Coast Guard) অত্যাধুনিক করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। এজন্য একটি প্রকল্পও হাতে নেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্পের আওতায় বাহিনীর নানা সারফেস ও অ্যাভিয়েশন অপারেশন, লজিস্টিকস, ফিন্যান্স এবং এইচআর প্রক্রিয়াগুলি জিডিটাইজ করার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে ওই বৈঠকে।

    প্রতিরক্ষায় আত্মনির্ভরতার ডাক দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi)। আত্মনির্ভরতার পথে চলতি বছর বিপুল পরিমাণ অস্ত্র রফতানি করে ভারত। লোকসভায় সরকারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম রফতানি বেড়েছে প্রায় ৬ গুণ। চলতি অর্থবর্ষের ২১ মার্চ পর্যন্ত ১১ হাজার ৬০৭ কোটি টাকার প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম রফতানি করেছে ভারত।

    আরও পড়ুন : হজরত মহম্মদ মন্তব্য বিতর্কে পাকিস্তানকে পাল্টা তোপ ভারতের

    আত্মনির্ভর ভারত গড়তে প্রধানমন্ত্রী যে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ, তার প্রমাণ মিলেছে নানা সময়। ২০২১ সালে দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি আকাশ (Akash) মিসাইল রফতানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। রাজনাথ জানান, ২০২৪-২৫ সালের মধ্যে মহাকাশ গবেষণা ও প্রতিরক্ষা সংস্থার সঙ্গে প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকার সরঞ্জাম রফতানির লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে।

     

     

LinkedIn
Share