Tag: Defence Ministry

Defence Ministry

  • Anti Tank Guided Missile: ডিআরডিওর মুকুটে নয়া পালক! অ্যান্টি ট্যাঙ্ক গাইডেড মিসাইলের সফল পরীক্ষা

    Anti Tank Guided Missile: ডিআরডিওর মুকুটে নয়া পালক! অ্যান্টি ট্যাঙ্ক গাইডেড মিসাইলের সফল পরীক্ষা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আত্মনির্ভর ভারত প্রকল্পে আরও এক সাফল্যের মুখ দেখল ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক (Defence Ministry)। ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের (Defence Research and Development Organisation) তৈরি অ্যান্টি ট্যাঙ্ক গাইডেড মিসাইলের (Anti Tank Guided Missile) পরীক্ষা সফল হয়। গত ২৯ জুন মহারাষ্ট্রের (Maharashtra) আহমেদনগরের (Ahmednagar) কেকে রেঞ্জ থেকে ভারতীয় সেনারা এই মিসাইল ছুঁড়ে এর পরীক্ষা করে। ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক থেকে জানানো হয়েছে, সফলভাবে যুদ্ধ ট্যাঙ্ক অর্জুন থেকে অ্যান্টি ট্যাঙ্ক গাইডেড মিসাইল ছুড়ে নজির গড়ল ডিআরডিও ও ভারতীয় সেনা। কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh) এদিন ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট অর্গানাইজেশন ও ভারতীয় সেনাদের এই সাফল্যের জন্যে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

    [tw]


    [/tw]

    আরও পড়ুন: চালকবিহীন যুদ্ধবিমানের সফল পরীক্ষা ডিআরডিও’র! উচ্ছ্বসিত প্রতিরক্ষামন্ত্রী

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর, মিসাইলটি নিখুঁত নিশানায় আঘাত করতে পেরেছে এবং যে নির্দিষ্ট পরিমাণ দূরত্বকে টার্গেট করা হয়েছিল তা সফলভাবে পূরণ হয়। ফলে এই মিসাইলের টেস্ট ফায়ার সফল হয়।

    [tw]


    [/tw]

    DRDO-এর চেয়ারম্যান, ডঃ জি সতীশ রেড্ডি (Dr G Satheesh Reddy ) অ্যান্টি ট্যাঙ্ক গাইডেড মিসাইল সিস্টেমের নকশা, উন্নয়ন এবং পরীক্ষায় জড়িত দলগুলিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি আরও জানিয়েছেন যে লেজার গাইডেড অ্যান্টি ট্যাঙ্ক মিসাইলটি এমবিটি অর্জুন যুদ্ধ ট্যাঙ্ককে আরও শক্তিশালী করে তুলবে।

    আরও পড়ুন:’পৃথ্বী-২’ ক্ষেপণাস্ত্রের সফল নৈশকালীন উৎক্ষেপণ ভারতের

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের মতে, অ্যান্টি ট্যাঙ্ক গাইডেড মিসাইলের কিছু সীমাবদ্ধতার কারণে নিম্ন রেঞ্জের লক্ষ্যগুলিকে নিক্ষেপ করতে সমস্যা হলেও অর্জুন ট্যাঙ্কের জন্য এই মিসাইলটি ছোঁড়া সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। মন্ত্রণালয় থেকে আরও জানানো হয়েছে যে, অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক গাইডেড মিসাইলটি যে সর্বনিম্ন থেকে সর্বোচ্চ রেঞ্জের লক্ষ্যবস্তুতে নিক্ষেপ করতে সক্ষম তা এই টেস্ট- ফায়ারের মাধ্যমে জানা যায়।  এখানেই শেষ নয়, অল ট্যাঙ্ক গাইডেড মিসাইলটিকে (ATGM) বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম থেকে যাতে সহজেই উৎক্ষেপণ করা যায় সেই অনুযায়ী তৈরি করা হয়েছে। বর্তমানে এমবিটি অর্জুনের ১২০ মিমি রাইফেল বন্দুক থেকে এটিকে উৎক্ষেপণ করার জন্য পরীক্ষা করা হচ্ছে।

     

  • Agnipath Scheme: ‘অগ্নিপথ’ প্রকল্প কী? কীভাবে করতে হবে আবেদন? জেনে নিন সব খুঁটিনাটি 

    Agnipath Scheme: ‘অগ্নিপথ’ প্রকল্প কী? কীভাবে করতে হবে আবেদন? জেনে নিন সব খুঁটিনাটি 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:অগ্নিপথ’ (Agnipath) প্রকল্পের মাধ্যমেই এবার থেকে জওয়ান নিয়োগ করা হবে সেনাবাহিনীতে (Indian Army)। মঙ্গলবার এমনই ঘোষণা করেছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক (Ministry of Defence)। ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর স্থল, নৌ এবং বায়ুসেনায় নিয়োগের ক্ষেত্রে আধুনিক এই পন্থা অবলম্বন করতে চায় কেন্দ্র। 

    কেন্দ্রের ঘোষণা অনুযায়ী, এই প্রকল্পে অংশ নিতে পারবেন, সাড়ে ১৭ থেকে ২৩ বছর বয়সি ছেলেরা। এই প্রকল্পে যাদের সেনাবাহিনীতে নিয়োগ করা হবে, তাঁরা ‘অগ্নিবীর‘ (Agniveer) নামে পরিচিত হবেন। প্রতিবছর সেনাবাহিনীর বিভিন্ন রেজিমেন্টে যত শূণ্যপদ হবে, তার ওপর নির্ভর করে প্রতিবছর নিয়োগ করা হবে।  প্রথম বছর নেওয়া হবে ৪০ হাজার যুবককে। প্রথম বছর তাঁরা পাবেন ৩০ হাজার টাকা। চতুর্থ বছরে গিয়ে পাবেন ৪০ হাজার টাকা। আয়ের ৩০ শতাংশ তাঁরা জমাতে পারবেন। সম পরিমাণ টাকা দেবে সরকারও। 

    আরও পড়ুন: অগ্নিবীরদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত নয়! রয়েছে নানা সুযোগ
     
    প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানায়, চার বছরের মেয়াদ শেষে প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের ২৫ শতাংশকে স্থায়ী কর্মী হিসেবে সেনাবাহিনীতে নেওয়া হবে। বাকি ৭৫ শতাংশকে দেওয়া হবে ১০-১১ লক্ষ টাকা করমুক্ত ভাতা।

    এক নজরে এই প্রকল্প সম্পর্কে কিছু তথ্য জেনে নেওয়া যাক: 

    আরও পড়ুন: “Agnipath”: সেনায় ৪ বছর দিক যুবারা, “অগ্নিপথ” প্রকল্পের ঘোষণা রাজনাথের

    অগ্নিপথ প্রকল্পটি কী? 

    সশস্ত্র বাহিনীতে প্যান ইন্ডিয়ার চ্যুক্তিভিত্তিক নিয়োগ প্রক্রিয়া। যারা এই প্রকল্পে চাকরি পাবেন তাঁদের ‘অগ্নিবীর’ বলা হবে। পাহাড়, মরুভূমি, স্থল, বায়ু, সমুদ্র যেকোনও বিভাগের দায়িত্ব পেতে পারেন অগ্নিবীররা।

    মহিলারা এই পদে আবেদন করতে পারবেন? 

    এই মুহূর্তে না। কিন্তু পরবর্তীতে মহিলাদেরও সুযোগ দেওয়া হবে। 

    এই চাকরির সময়সীমা কী?

    চারবছরের জন্যে নিয়োগ করা হবে এই অগ্নিবীরদের।

    কত বেতন পাবেন এই অগ্নিবীরেরা?

    শুরুতে বেতন হবে ৪.৭৬ লক্ষ। সময়ের সঙ্গে বেতন বাড়বে। শেষের বছরে ৬.৯২ লক্ষ অবধি বেতন পাওয়া যাবে।

    এই অগ্নিবীররা কী সশস্ত্রবাহিনীতে স্থায়ী চাকরি পেতে পারেন?

    চার বছর শেষে এই অগ্নিবীরদের মধ্যে ২৫%-কে স্থায়ীভাবে সশস্ত্রবাহিনীতে নিয়োগ করা হবে এবং বাকিদের করমুক্ত ভাতা দিয়ে অবসর দেওয়া হবে।

    কীভাবে আবেদন করা যাবে এই চাকরিতে?

    এই ওয়েবসাইটগুলিতে কিছুদিন পর থেকে আবেদন করা যাবে।

    joinindianarmy.nic.in
    joinindiannavy.gov.in
    careerindianairforce.cdac.in

    ট্রেনিং-এ কী কী বিষয় রয়েছে?

    সাধারণ সশস্ত্র বাহিনীর ট্রেনিং-এর সাথে অগ্নিবীরদের আংশিক মিলিটারি ট্রেনিং-ও দেওয়া হবে। 

    কখন আবেদন করা যাবে?

    মঙ্গলবারই এই প্রকল্পের ঘোষণা করেছে কেন্দ্র। কিছুদিনের মধ্যেই শুরু হবে আবেদনের প্রক্রিয়া। 

     

  • MiG-21: আর নয় মিগ-২১! এই যুদ্ধবিমানকে বিদায় জানানোর সিদ্ধান্ত প্রতিরক্ষামন্ত্রকের

    MiG-21: আর নয় মিগ-২১! এই যুদ্ধবিমানকে বিদায় জানানোর সিদ্ধান্ত প্রতিরক্ষামন্ত্রকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাড়মের-কাণ্ডের জেরে মিগ-২১ (single-engine MiG-21) পুরোপুরি বাতিল করতে চলেছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকরাশিয়ার (Russia) সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে তৈরি মিগ-২১ বাইসন যুদ্ধবিমানের চারটি স্কোয়াড্রন এখন রয়েছে ভারতের কাছে। ভারতীয় বায়ুসেনার (Indian Air Force) একটি স্কোয়াড্রনে কম-বেশি ১৬টি বিমান থাকে। আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর তার মধ্যে একটি, শ্রীনগরের ৫১ নম্বর স্কোয়াড্রনের (Srinagar 51 squadron) বিমানগুলিকে অবসরে পাঠানো হবে। ২০২৫ সালের মধ্যে পর্যায়ক্রমে অবসরে পাঠানো হবে অন্য স্কোয়াড্রনের মিগ যুদ্ধবিমান এবং প্রশিক্ষণে ব্যবহৃত বিমানগুলিকে।

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর, এই অবসরের সঙ্গে গত ২৮ জুলাই বাড়মেরে মিগ দুর্ঘটনার কোনও যোগসূত্র নেই। নতুন ফাইটার জেট আনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। তার জেরেই এবার মিগ ২১কে বিদায় নিতে হবে। এটাই ভারতের দীর্ঘদিনের ফাইটার প্লেন। এর বয়স হয়ে গিয়েছে। তাই স্বাভাবিক নিয়মেই এগুলিকে এবার বিদায় নিতে হবে।

    আরও পড়ুন: নৌসেনার হাতে এল দেশে তৈরি প্রথম বিমানবাহী রণতরী আইএনএস বিক্রান্ত, অন্তর্ভুক্তি কবে? 

    ১৯৬৩ সালে এয়ার ফোর্স প্রথম সিঙ্গল ইঞ্জিন মিগ ২১ যুদ্ধ বিমান হাতে পেয়েছিল। গত ছয় দশক জুড়ে এই বিমান ব্যবহার করছে ভারতীয় সেনা। প্রসঙ্গত, গত তিন দশকে ২০০ বারেরও বেশি দুর্ঘটনায় পড়েছে ভারতীয় বায়ুসেনার মিগ-২১। দুর্ঘটনাপ্রবণ বলে ভারতীয় বায়ু সেনা মহলে ‘উড়ন্ত কফিন’ নামে পরিচিত এই যুদ্ধবিমান। কয়েক বছর আগেই মিগ২১-কে অবসরে পাঠিয়ে পরিবর্ত হিসেবে বায়ুসেনাকে তেজস যুদ্ধবিমান দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়।

    আরও পড়ুন: ফের দুর্ঘটনার কবলে মিগ ২১, মৃত দুই পাইলট

    ২০১৯ সালের একটি আলোচনাসভায় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংকে উদ্দেশ্য করে তৎকালীন বায়ুসেনা প্রধান বিএস ধানোয়া মিগ-২১-এর অবসর নিয়ে সরব হয়েছিলেন। এবার বায়ুসেনার দাবি মেনে মিগ-২১কে বিদায় জানাতে চলেছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। তবে, প্রাক্তন অ্য়াসিস্ট্যান্ট চিফ অফ এয়ার স্টাফ এয়ার ভাইস মার্শাল অবসরপ্রাপ্ত সুনীল নানোদকার জানিয়েছেন, আকাশপথে পাহারার জন্য পর্যাপ্ত সংখ্যক ফাইটার প্লেনও প্রয়োজন। তাই দ্রুত বিকল্প যুদ্ধবিমান প্রস্তুত করতে হবে।

  • Defence ministry: গত আর্থিক বর্ষে ১৩ হাজার কোটি টাকা রেকর্ড রফতানি ভারতের

    Defence ministry: গত আর্থিক বর্ষে ১৩ হাজার কোটি টাকা রেকর্ড রফতানি ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Modi) স্বপ্নের আত্মনির্ভর ভারতের দিকে আরও এক ধাপ এগোল দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রক (Defence Ministry )। ২০২১-২২ অর্থবর্ষে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম রফাতানিতে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করল ভারত (India)। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর, গত আর্থিক বর্ষে ১৩ হাজার কোটি টাকা রফতানি করেছে ভারত। প্রধানমন্ত্রীর আত্মনির্ভর ভারতের দিকে লক্ষ্য রেখে কেন্দ্রের তরফে একাধিক কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। গত ২০২১-২২ আর্থিক বর্ষে ১৩ হাজার কোটি টাকা প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম রফতানি করা হয়েছে বলে মন্ত্রকের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে। মোট রফতানি অর্থের বেসরকারি খাত থেকে এসেছে ৭০ শতাংশ এবং ৩০ শতাংশ এসেছে সরকারি খাত থেকে।

    প্রতিরক্ষামন্ত্রক সূত্রে খবর, আগের আর্থিক বছরগুলির তুলনায় ২০২১-২২ অর্থবর্ষে রফতানি বহু গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা রেকর্ড। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ফিলিপাইন, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, পশ্চিম এশিয়া এবং আফ্রিকার বেশ কয়েকটি দেশে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম রফতানি করা হয়। প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম রফতানির বৃদ্ধির কথা জানান প্রতিরক্ষামন্ত্রকের অতিরিক্ত সচিব সঞ্জয় জাজু (Sanjay Jaju)।

    আরও পড়ুন: পূর্ব লাদাখে নিয়ন্ত্রণ রেখার কাছে চিনের যুদ্ধবিমান

    প্রতিরক্ষামন্ত্রক সূত্রে আরও খবর, ২০২১-২২ অর্থবর্ষে রফতানি পরিমাণ বেড়েছে তার আগের বছরগুলির তুলনায় প্রায় পাঁচ গুণ। ২০২০-২১ আর্থিক বর্ষে রফতানির পরিমাণ ভারতীয় টাকায় ছিল প্রায় ৮ হাজার ৪৩৪ কোটি টাকা। ২০১৯-২০ সালে ৯ হাজার ১১৫ কোটি এবং ২০১৫-১৬ সালে এই পরিমাণ ছিল ২ হাজার ৫৯ কোটি। করোনা অতিমারির জন্যই ২০২০-২১ অর্থ বর্ষে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম রফতানি কিছুটা কম হয়েছিল বলে মন্ত্রক জানিয়েছে।

    আরও পড়ুন: মোদি-আবে রসায়নই কি চিন্তা বাড়িয়েছিল চিনের? ইন্দো-জাপান মধুর সম্পর্কের স্থপতি শিনজো

    প্রসঙ্গত, প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর,  যুদ্ধজাহাজের উদ্বোধন করতে কলকাতায় আসছেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং। ১৫ জুলাই গার্ডেনরিচ শিপ বিল্ডার্সে একটি যুদ্ধজাহাজের উদ্বোধন করবেন তিনি। গার্ডেনরিচ শিপ বিল্ডার্স যে তিনটি ফ্রিগেজ জাহাজ নির্মাণের বরাত পেয়েছে তার মধ্যে দ্বিতীয় জাহাজ এটি। 

  • Chief of Defence Staff: রাওয়াতের জায়গায় নতুন সিডিএস নিয়োগ শীঘ্রই! কী বললেন রাজনাথ?

    Chief of Defence Staff: রাওয়াতের জায়গায় নতুন সিডিএস নিয়োগ শীঘ্রই! কী বললেন রাজনাথ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শীঘ্রই নতুন চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ (Chief of Defence Staff) নিয়োগ করা হবে। জেনারেল বিপিন রাওয়াতের (General Bipin Rawat) মৃত্যুর পর ৬ মাস ফাঁকা পড়ে ছিল এই পদ। দেশের নিরাপত্তার স্বার্থে শীঘ্রই এই পদে পুনর্নিয়োগ করা হবে। মঙ্গলবার এক সাংবাদিক বৈঠকে একথা জানালেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং (Defence Minister Rajnath Singh)। তিনি জানিয়েছেন, চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ নিয়োগ প্রক্রিয়া খুব শীঘ্রই শুরু হবে। যাবতীয় প্রক্রিয়া চলছে। 

    আরও পড়ুন: ১১৪ যুদ্ধবিমান কেনার পথে বায়ুসেনা, ৯৬টি তৈরি হবে ভারতেই

    ২০২১ সালের ডিসেম্বর মাসে হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছিলেন ভারতের প্রথম চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ সংক্ষেপে সিডিএস (CDS) জেনারেল বিপিন রাওয়াত। তাঁর মৃত্যুর পর প্রায় ৬ মাস কেটে গিয়েছে। এখনও শূন্যই রয়ে গিয়েছে সেই পদ। আবার এক নতুন সিডিএস পাবে ভারত। দেশের পরবর্তী চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ কে হবেন, তা এখনও জানা যায়নি।   

    চলতি মাসের শুরুর দিকেই কেন্দ্র এই পদের জন্য বিজ্ঞপ্তির ঘোষণা করেছিল। সম্প্রতি কেন্দ্র প্রতিরক্ষা বিষয়ক বেশ কিছু আইনে পরিবর্তন এনেছে। পরিবর্তিত আইন অনুযায়ী, চাকরি করছেন বা অবসরপ্রাপ্ত যেকোনও লেফটেন্যান্ট জেনারেল, এয়ার মর্শাল এবং ৬২ বছরের কম হলে ভাইস অ্যাডমিরল সিডিএস পদের আবেদন করতে পারবেন। নতুন নিয়ম অনুযায়ী সেনা, বিমান ও নৌবাহিনীর শীর্ষ স্থানীয় আধিকারিকরা এই সিডিএস পদে আবেদন করতে পারেন। 

    আরও পড়ুন: অগ্নিবীরদের জন্য অগ্নিপথ

    ২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাসে দেশে চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ বা সিডিএস পদটি তৈরি করা হয়। ২০২০ সালের ১ জানুয়ারি ভারতের প্রথম চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ হিসেবে যোগদান করেন জেনারাল বিপিন রাওয়াত। সিডিএস হওয়ার পর বিপিন রাওয়াত এয়ার ডিফেন্স কমান্ড (Air Defence Command) তৈরি করেন। অতিমারীর পর সিডিএস হিসেবে বিপিন রাওয়াত বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। প্রতিরক্ষা বিষয়ক আমদানি (Defence Imports) কমিয়ে আনার ওপর জোর দিয়েছিলেন তিনি। দেশেই সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদনের ওপর জোর দেন।  

    আরও পড়ুন: রাষ্ট্রপতি পদে সর্বসম্মত প্রার্থী বাছাইয়ের দায়িত্ব নাড্ডা, রাজনাথকে

    ১৯৯৯ সালে কার্গিল যুদ্ধের পর দেশের নিরাপত্তা সংক্রান্ত ব্যবস্থাকে আরও জোরদার করতে একটি উচ্চ পর্যায়ে কমিটি গঠন করার সুপারিশ করা হয়। সামরিক উপদেষ্টা হিসেবে চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ নিয়োগের পরিকল্পনা নেয় ভারত। ২০১৯ সালের ১৫ অগাস্ট লালকেল্লায় বক্তব্য রাখার সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi) ফের বিষয়টিকে উত্থাপন করেন। পরবর্তীতে ২০১৯ সালের ২৩ অগাস্ট জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার (NSA) অজিত ডোভালের (Ajit Doval) অধীনে একটি কমিটি গঠন করা হয়। এই কমিটিতে ছিলেন মন্ত্রীপরিষদ সচিব, প্রতিরক্ষা সচিবসহ কেন্দ্র সরকারের শীর্ষ স্থানীয় আধিকারিকরা। এরপর ২৪ ডিসেম্বর নিরাপত্তা সংক্রান্ত কমিটি চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফের পদ প্রতিষ্ঠা করে। 

     

  • Agnipath Scheme Protest: বিক্ষোভকারীদের কোনও জায়গা নেই অগ্নিপথে, স্পষ্ট করল কেন্দ্র

    Agnipath Scheme Protest: বিক্ষোভকারীদের কোনও জায়গা নেই অগ্নিপথে, স্পষ্ট করল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিক্ষোভকারীদের (Protestors) কোনও জায়গা নেই ‘অগ্নিপথ‘ প্রকল্পের (Agnipath Scheme) চাকরিতে। পরিস্কার জানিয়ে দিল কেন্দ্র। অগ্নিপথ নিয়োগের আগে চাকরিপ্রার্থীকে মুচেলেকা (Written Pledge) দিয়ে জানাতে হবে তাঁরা বিক্ষোভের সাথে কোনওভাবে জড়িত ছিলেন না। এরপর সেই বক্তব্যের পুলিশি যাচাই হবে। সেই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে তবেই চার বছরের জন্যে হওয়া যাবে অগ্নিবীর (Agniveers)। 

    রবিবার অগ্নিপথ প্রকল্প নিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল অনিল পুরী (Lt Gen Anil Puri)। প্রথমেই তিনি জানান কোনও পরিস্থিতিতেই প্রত্যাহার করা হবে না অগ্নিপথ প্রকল্প। বিক্ষোভকারীদের জন্যে অগ্নিপথে কী প্রক্রিয়ায় নিয়োগ হবে, সে প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে অনিল পুরী কড়া ভাষায় বলেন, বিক্ষোভকারী স্থান নেই সেনাাহিনীতে। তিনি বলেন,‘‘প্রত্যেক আবেদনকারীকে মুচলেকা দিয়ে জানাতে হবে, তাঁরা কোনও বিক্ষোভের অংশ ছিলেন না। পুরোনো পুলিশি রেকর্ডের যাচাইও হবে।’’ 

    আরও পড়ুন: আরও বাড়ল বয়সের ঊর্ধ্বসীমা! ১০ শতাংশ সংরক্ষণ কেন্দ্রীয় সশস্ত্র বাহিনীতে

    গত সপ্তাহেই সেনাবাহিনীতে নিয়োগের নতুন প্রকল্প অগ্নিপথের ঘোষণা করেছে প্রতিরক্ষামন্ত্রক। চুক্তিভিত্তিক এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় চার বছরের জন্য দেশের সাড়ে ১৭-২৩ বছর বয়সি তরুণদের সেনাবাহিনীতে নিয়োগ করা হবে। চার বছর পরে ২৫%-কে সেনাবাহিনীতে স্থায়ী পদ দেওয়া হবে, বাকিদের এককালীন ভাতা দিয়ে অবসর দেওয়া হবে।  

    ঘোষণার পর থেকেই এই প্রকল্প নিয়ে দেশজুড়ে আন্দোলন শুরু হয়েছে। পথ অবরধ থেকে সরকারি সম্পত্তি নষ্ট, বিক্ষোভকারীরা কোনও কিছুতেই পিছপা হয়নি। বিক্ষোভের প্রতিক্রিয়া দিয়ে রবিবার সাংবাদিক বৈঠকে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফ থেকে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে। প্রকল্প প্রত্যাহার করবে না কেন্দ্র। উল্টে কবে নিয়োগ হবে, কবে থেকে অনলাইনে আবেদন করা যাবে, সবকিছুই বিশদে জানানো হয়েছে এদিনের বৈঠকে।

    আরও পড়ুন: তারুণ্যে ভরপুর সেনা! অগ্নিপথ সঠিক দাবি কংগ্রেস নেতার 

    ২৪ জুন থেকে ভারতীয় বায়ুসেনায় নিয়োগের আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। ২৪ জুলাই প্রথম দফার অনলাইন পরীক্ষার শুরু হওয়ার দিন ধার্য হয়েছে। ডিসেম্বরের শেষে প্রথম দফার নিয়োগ শুরু হবে। ৩০ ডিসেম্বর শুরু হবে প্রথম ব্যাচের প্রশিক্ষণ। অন্য দিকে নৌবাহিনীতে ২১ নভেম্বর থেকে প্রশিক্ষণ শুরু করবে বলে জানিয়েছেন নৌবাহিনীর ভাইস অ্যাডমিরাল দীনেশ ত্রিপাঠী। তিনি জানিয়েছেন, নৌবাহিনীতে মেয়েদেরও নিয়োগ করা হবে ‘অগ্নিবীর’ হিসেবে।      

    আপাতত অগ্নিপথে ৪৬ হাজার আবেদনকারীকে সুযোগ দেওয়া হবে। পরে পর্যায়ক্রমে এক লক্ষ ২৫ হাজার অগ্নিবীরের শূন্যপদ তৈরি হবে সেনাবাহিনীতে।

     

  • Defence MSME: এমএসএমই থেকে প্রতিরক্ষা সামগ্রী কেনার পরিমাণ ছুঁল সর্বকালীন রেকর্ড

    Defence MSME: এমএসএমই থেকে প্রতিরক্ষা সামগ্রী কেনার পরিমাণ ছুঁল সর্বকালীন রেকর্ড

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রের বি টু জি (B2G) পোর্টাল গভর্নমেন্ট ইমার্কেটপ্লেসে (Government eMarketplace), ক্ষুদ্র ও মাঝারি ও কুটীর শিল্পোদ্যোগ (MSME) এবং অন্যান্য সংস্থার কাছ থেকে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের (Defence Ministry) প্রতিরক্ষা সম্পর্কিত বিভিন্ন পণ্য এবং পরিষেবা কেনার (Defence Procurement) পরিমাণ চলতি অর্থবর্ষে আগের বছরের তুলনায় প্রায় ২৫০ শতাংশ বেড়েছে। শনিবার মন্ত্রকের একটি বিবৃতি অনুসারে, জিইএম-এর মাধ্যমে চলতি অর্থবর্ষে ১৫,০৪৭.৯৮ কোটি টাকার পণ্য ক্রয় হয়েছে, যা সর্বকালীন রেকর্ড।
      
    মন্ত্রকের কথায়, পুরনো টেন্ডার প্রক্রিয়াকে পুনর্গঠন করতে এবং ডিজিটাইজেশনের মাধ্যমে সরকারি ক্রয়ের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা আনতে ২০১৬ -র অগাস্ট মাসে শুরু হয়েছিল জিইএম। প্রতিষ্ঠার পর থেকে অল্প সময়ের মধ্যে, প্রতিরক্ষা মন্ত্রক ডিজিটাল ড্রাইভের পথ অনুসরণ করেছে। প্রতিবন্ধকতা থাকা সত্ত্বেও সাফল্য লাভ করেছে সরকারের এই পদক্ষেপ। 

    ২০২০ সালের মার্চ মাসে রাজ্যসভায় কেন্দ্রীয় ক্ষুদ্র, মাঝারি এবং কুটীর শিল্প মন্ত্রকের তৎকালীন দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী নিতিন গড়কড়ির দেওয়া তথ্য অনুসারে, ২০২০ অর্থবর্ষের মাঝামাঝি সময় অবধি প্রতিরক্ষা পাবলিক সেক্টর ইউনিটগুলিকে সরবরাহকারী মোট এমএসএমই বিক্রেতার সংখ্যা ছিল ১০,৫০৬। ২০১৯- এ সেই সংখ্যা ছিল  ৮,৬৪৩ এবং ২০১৮-এ ৭,৫৯১। ২০২১ সালের ডিসেম্বর নাগাদ সেই সংখ্যা বেড়ে ১২,০০০-এ পৌঁছয়। ফলস্বরূপ, এমএসএমই থেকে ডিপিএসইউ- র অর্থ সংগ্রহের পরিমাণ ২০১৯ অর্থবর্ষে ৪৮৪২.৯২ কোটি টাকা থাকলেও তা ২০২১ অর্থবর্ষে বেড়ে দাঁড়ায় ৫৪৬৩.৮২ কোটি টাকা।   

    ২০২০ সালে সরকার প্রতিরক্ষা অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া (DAP) ‘মেক প্রজেক্ট’ (Make Projects) চালু করে, যাতে সরকারি তহবিল এবং শিল্প তহবিল উভয়ের মাধ্যমেই প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের দেশীয়করণ এবং উন্নয়ন সম্ভব হয়। ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ (Make in India) পোর্টাল অনুসারে, মেক  প্রকল্পগুলি প্রতিরক্ষায় এমএসএমইর ভূমিকাকে আরও জোরাল করতে সাহায্য করেছে। এই সংক্রান্ত প্রকল্পগুলির ৪০ শতাংশ অর্ডার ক্ষুদ্র, মাঝারি ও কুটির শিল্প সংস্থাগুলির জন্যে সংরক্ষণ করা হয়েছে। ১০০০ কোটি টাকার কাজ বরাদ্দ করা হয়েছে এমএসএমই সংস্থাগুলোর জন্যে।

    ইতিমধ্যে, জিইএম-এর সামগ্রিক ৪২.৩৫ লক্ষ বিক্রেতা এবং মন্ত্রকের ৬০,০০০ সরকারি বিভাগ মিলিয়ে প্রায় ২.৪০ লক্ষ কোটি টাকার কেনাবেচা হয়েছে। মোট বিক্রেতার সংখ্যার মধ্যে ৭.৭০ লক্ষই ক্ষুদ্র এবং ছোট উদ্যোগ থেকে আসা। জিইএমের তথ্য অনুসারে শুধুমাত্র ক্ষুদ্র এবং ছোট উদ্যোগের সংস্থাগুলিই ৫৬%  ব্যবসা করেছে এই পোর্টালে।

     

     

LinkedIn
Share