Tag: defence news

defence news

  • HAL-GE Jet Engine Deal: প্রস্তাব পাশ মার্কিন কংগ্রেসে, যৌথ উদ্যোগে ভারতেই তৈরি হবে যুদ্ধবিমানের জেট ইঞ্জিন

    HAL-GE Jet Engine Deal: প্রস্তাব পাশ মার্কিন কংগ্রেসে, যৌথ উদ্যোগে ভারতেই তৈরি হবে যুদ্ধবিমানের জেট ইঞ্জিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দ্বিপাক্ষিক সমঝোতা স্বাক্ষরিত হয়েছিল প্রধানমন্ত্রীর ঐতিহাসিক মার্কিন রাষ্ট্রীয় সফরকালে। ভারত-মার্কিন যুদ্ধবিমানের জেট ইঞ্জিন উৎপাদনের চুক্তিকে এবার সবুজ সঙ্কেত দিল মার্কিন কংগ্রেসও (HAL-GE Jet Engine Deal)। ফলে, দুদেশের যৌথ উদ্যোগে ভারতেই তৈরি হবে যুদ্ধবিমানের জেট ইঞ্জিন।

    ভারত-মার্কিন এফ-৪১৪ জেট ইঞ্জিন চুক্তি

    গত গত জুন মাসে তিনদিনের রাষ্ট্রীয় সফরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গিয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)। সেই সময় দেশীয় যুদ্ধবিমান প্রস্তুতকারক সংস্থা হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড (হ্যাল)-এর (HAL) সঙ্গে সমঝোতা হয়েছিল মার্কিন সংস্থা জেনারেল ইলেকট্রিক (জিই)। চুক্তি (HAL-GE Jet Engine Deal) অনুযায়ী, যৌথ উদ্যোগে যুদ্ধবিমানের জন্য এফ-৪১৪ জেট ইঞ্জিন (F-414 Jet Engine) তৈরি হবে। ভারতেই তৈরি হবে ইঞ্জিনগুলি। ফলে, ভারতের হাতে প্রযুক্তি হস্তান্তর করতে হবে জিই-কে। যেহেতু, এই চুক্তি দুই সরকারের মধ্যে না হয়ে দুটি সংস্থার মধ্যে ছিল, তাই বাস্তবায়নের জন্য এই চুক্তির মার্কিন কংগ্রেসের অনুমোদন পাওয়ার প্রয়োজন ছিল।

    বাইডেনের ভারত সফরেই চূড়ান্ত চুক্তি?

    নিয়ম অনুযায়ী, চুক্তির বিষয়টি মার্কিন বিদেশ দফতরের তরফে মার্কিন কংগ্রেস এবং সেনেটের বিদেশ বিষয়ক কমিটিকে বিষয়টি জানানো হয়েছিল। প্রথা অনুযায়ী, কমিটিকে জানানোর নির্দেশিকা জারির ৩০ দিনের মধ্যে যদি কোনও কংগ্রেস সদস্য আপত্তি না জানান, তাহলে ধরে নেওয়া হয়, প্রস্তাব পাশ হয়েছে (HAL-GE Jet Engine Deal)। মার্কিন সংবাদসংস্থার খবর, এই চুক্তির প্রস্তাবে কেউ আপত্তি না জানানোয় তা আপনা-আপনি গৃহীত হয়। জি-২০ বৈঠকের জন্য সেপ্টেম্বরেই ভারত সফরে আসছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। সূত্রের খবর, তখনই জেট ইঞ্জিন চুক্তি চূড়ান্ত হবে।

    আরও পড়ুন: সামরিক শক্তিকে মজবুত করতে বিশেষ ফাইটার ইঞ্জিন তৈরি হবে ভারতেই

    ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’-এ জোর মোদি সরকারের

    ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসা ইস্তক, ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’-র ওপর জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। কেন্দ্রীয় সরকারের লক্ষ্য, বিদেশ থেকে সরাসরি আমদানি কমিয়ে দেশে উৎপাদন করা। কেন্দ্রের এই নীতির স্বপক্ষে ভারতে এখন বহু পণ্য উৎপাদন হচ্ছে, যা আগে বিদেশ থেকে সরাসরি আমদানি করা হতো। সেই তালিকায় আরও একটি নাম জুড়তে চলেছে। এবার দেশে তৈরি হবে অত্যাধুনিক ফাইটার জেট ইঞ্জিন (HAL-GE Jet Engine Deal)।

    তেজস মার্ক-২ যুদ্ধবিমানে ব্যবহৃত হবে এই ইঞ্জিন

    আমেরিকার আইনসভা এই চুক্তিকে ছাড়পত্র (India-US Jet Engine Deal) দেওয়ায় এবার জিই-র থেকে প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র পাওয়ার পর এদেশেই এফ-৪১৪ জেট ইঞ্জিন বানাতে পারবে হ্যাল। ৮০ শতাংশ প্রযুক্তি হ্যাল-এর হাতে তুলে দেবে জেনারেল ইলেকট্রিক। যা ঐতিহাসিক বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ, এর আগে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে এতটা প্রযুক্তি হস্তান্তর কারও সঙ্গে করেনি কোনও মার্কিন সরকার। আশা করা হচ্ছে, তিনবছরের মধ্যেই ভারতে তৈরি হয়ে যাবে প্রথম এফ-৪১৪ ইঞ্জিন (F-414 Jet Engine)। ভারতে তৈরি তেজস মার্ক-২ যুদ্ধবিমানে ব্যবহৃত হবে এই ইঞ্জিন।

    শক্তিশালী ইঞ্জিনের খোঁজে ছিল ভারতীয় বায়ুসেনা

    বর্তমানে ভারতীয় বায়ুসেনায় অন্তর্ভুক্ত লাইট কমব্যাট এয়ারক্র্যাফট ‘তেজস মার্ক ১’ যুদ্ধবিমানের জন্য এই জিই সংস্থার ‘এফ-৪০৪’ ইঞ্জিন ব্যবহৃত হয়। সেটিও এদেশেই তৈরি হয়। কিন্তু, পূর্বসূরীর তুলনায় আরও ক্ষমতাশালী পরবর্তী প্রজন্মের বিমান হতে চলেছে ‘তেজস মার্ক ২’ (Tejas Mk2)। এটি মিডিয়াম কমব্যাট ক্যাটেগরির। এটি হতে চলেছে আধুনিক, ভারী এবং বেশি অস্ত্রবহনে সক্ষম। ফলত, ‘এফ-৪০৪’ ইঞ্জিন যথেষ্ট নয়। দীর্ঘদিন ধরেই অধিক শক্তিশালী ইঞ্জিনের খোঁজ করছিল বায়ুসেনা। এবার, তেজস মার্ক-২ পাবে অত্যাধুনিক এফ-৪১৪ ইঞ্জিন। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • LCA Tejas Mk-1A: আরও ১০০টি তেজস মার্ক-১এ যুদ্ধবিমান কিনছে ভারতীয় বায়ুসেনা! শীঘ্রই বরাত হ্যাল-কে

    LCA Tejas Mk-1A: আরও ১০০টি তেজস মার্ক-১এ যুদ্ধবিমান কিনছে ভারতীয় বায়ুসেনা! শীঘ্রই বরাত হ্যাল-কে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিন-পাকিস্তান দ্বৈত সীমান্তের কথা মাথায় রেখে ভারতীয় বায়ুসেনাকে (Indian Air Force) শক্তিশালী করার প্রক্রিয়া বেশ কয়েক বছর ধরেই করে আসছে মোদি সরকার। সেই প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিয়ে যেতে দেশীয় লাইট কমব্যাট এয়ারক্র্যাফট (এলসিএ) তেজস যুদ্ধবিমানের আরও ১০০টি নতুন ‘মার্ক ১এ’ (LCA Tejas Mk-1A) সংস্করণ কেনার বিষয়ে উদ্যোগী হলো বায়ুসেনা। এই প্রেক্ষিতে একটি প্রস্তাব বায়ুসেনার তরফে কেন্দ্রের কাছে পেশ করা হতে পারে। সূত্রের খবর, হয়ত তা কেন্দ্রের সবুজ সঙ্কেত পেয়েও যাবে। সব ঠিকঠাক চললে, খুব শীঘ্রই এই বিমান প্রস্তুতকারী সংস্থা হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেডকে বরাত দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। 

    বায়ুসেনায় ৩০০টির ওপর তেজস

    বায়ুসেনার (Indian Air Force) তরফে যে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, সেই অনুযায়ী, ‘তেজস মার্ক ১এ’ (LCA Tejas Mk-1A) যুদ্ধবিমানের আধুনিক সংস্করণের ১০০টি ইউনিট কেনা হবে। খুব দ্রুত এর জন্য বরাত দেওয়া হবে হ্যাল-কে। জানা গিয়েছে, এই ১০০টি বিমান হাতে আসতে প্রায় ১৫ বছর লাগবে। সেটা হওয়ার পর বায়ুসেনার হাতে ৪০টি এলসিএ তেজস মার্ক-১, ১৮০টি এলসিএ তেজস মার্ক-১এ এবং অন্তত ১২০টি তেজস মার্ক-২ (বর্তমানে পরীক্ষার স্তরে) যুদ্ধবিমান থাকবে। 

    গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বায়ুসেনা প্রধান

    বুধবার, বায়ুসেনার (Indian Air Force) সদর দফতরে এলসিএ প্রকল্পের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন বায়ুসেনা প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল ভি আর চৌধুরি। সেখানেই বায়ুসেনার উচ্চ পদস্থ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক হয়। ওই বৈঠকে বায়ুসেনার শীর্ষ আধিকারিকদের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রক, হ্যাল, ডিআরডিও এবং এডিএ-র শীর্ষ পদাধিকারীরা। সেখানেই এই ১০০টি যুদ্ধবিমান (LCA Tejas Mk-1A) কেনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ হয়। মৌখিকভাবে, হ্যালকে সেই সিদ্ধান্ত জানিয়েও দেওয়া হয়েছে। আপাতত, অপেক্ষা সরকারি সিলমোহরের। 

    দেশের গর্ব এলসিএ তেজস

    চতুর্থ প্রজন্মের ‘লাইট কমব্যাট এয়ারক্র্যাফ্‌ট’ গোত্রের তেজস সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি। এর ৬৫ শতাংশেরও বেশি যন্ত্রাংশ ও সরঞ্জামও ভারতীয় সংস্থাগুলি তৈরি। ছ’দশকের পুরনো রুশ যুদ্ধবিমান মিগ-২১ বাইসন যুদ্ধবিমানের পরিবর্ত হিসেবে তেজস ব্যবহার করতে শুরু করে ভারতীয় বায়ুসেনা। ভারতীয় বায়ুসেনায় এলসিএ তেজস মার্ক-১ যুদ্ধিবিমানের অন্তর্ভুক্তি হয়েছিল ২০১৬ সালে। প্রথম স্কোয়াড্রনটি ছিল বায়ুসেনার ৪৫ স্কোয়াড্রন, পোশাকী নাম ‘ফ্লাইং ড্যাগার্স’। তেজস ব্যবহারের আগে, এই স্কোয়াড্রন মিগ-২১ বাইসন ব্যবহার করতো। 

    চলছে আধুনিকীকরণ

    পরবর্তীকালে, ২০২১ সালের গোড়ায় দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ৮৩টি হালকা যুদ্ধবিমান তেজসের উন্নত সংস্করণ মার্ক-১এ (LCA Tejas Mk-1A) কেনার বিষয়ে ছাড়পত্র দিয়েছিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার নিরাপত্তা বিষয়ক কমিটি। এখন সেগুলির উৎপাদন চলছে সংস্থার বেঙ্গালুরুর কারখানায়। হ্যাল-এর তরফে জানানো হয়েছে, ২০২৪ ফেব্রুয়ারি থেকেই ওই শুরু হবে এই বিমানগুলোর ডেলিভারি প্রক্রিয়া। তার আগেই, বায়ুসেনার (Indian Air Force) তরফে আরও ১০০টি আধুনিক সংস্করণের যুদ্ধবিমানের বরাত পেতে চলেছে হ্যাল। উৎপাদনের পাশাপাশি, প্রতিনিয়ত এই যুদ্ধবিমানকে আরও শক্তিশালী ও আধুনিক করার প্রক্রিয়া একইসঙ্গে চলছে। তেজসকে সম্প্রতি ‘অ্যাক্টিভ ইলেকট্রনিক্যালি স্ক্যান্‌ড অ্যারো রেডার’ (এএসইএ), মিড এয়ার ফুয়েলিংয়ে সজ্জিত করার কাজও সম্পূর্ণ করে ফেলেছে হ্যাল। ইতিমধ্যেই ভারতীয় নৌবাহিনীর বিমানবাহী রণতরী আইএনএস বিক্রমাদিত্য (INS Vikramaditya) থেকে সফল উড়ান এবং অবতরণ পরীক্ষা হয়েছে তেজসের। 

    শক্তিশালী ‘অস্ত্র’-এ সজ্জিত তেজস

    শুধু তাই নয়, তেজস-এর (LCA Tejas Mk-1A) মারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি করার পরীক্ষাও চলছে ক্রমাগত। বুধবারই ২০ হাজার ফুট উচ্চতায় তেজস যুদ্ধবিমান থেকে পরীক্ষামূলকভাবে নিক্ষেপ করা হয় স্বদেশীয় ‘অস্ত্র’ ক্ষেপণাস্ত্রের। গোয়ায় ডিআরডিও-র তত্ত্বাবধানে এই পরীক্ষা চলে। ‘অস্ত্র’  হলো ১০০ কিলোমিটার পাল্লার মাক ৪.৫ (শব্দের চেয়ে সাড়ে চার গুণ বেশি গতি) বিয়ন্ড ভিজ্যুয়াল রেঞ্জ বা দৃষ্টিসীমার বাইরে থাকা লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম আকাশ-থেকে-আকাশ ক্ষেপণাস্ত্র। এক কথায়, বিমান থেকে এই ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া যায়। এই ক্ষেপণাস্ত্র মূলত আকাশপথে হামলাকারী শত্রু বিমান, হেলিকপ্টার, ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন ধ্বংস করতে সক্ষম। সুখোই-৩০ যুদ্ধবিমানে ইতিমধ্যেই যুক্ত করা হয়েছে এই মিসাইল। বুধবারের পরীক্ষা সফল হওয়ায়, শীঘ্রই তেজসেও এই বিশেষ ক্ষেপণাস্ত্র যুক্ত করা হবে। বর্তমানে এই ক্ষেপণাস্ত্রের আরও উন্নত ও অধিক ১৬০ কিমি পাল্লার সংস্করণ নিয়ে পরীক্ষা চলছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • AH-64E Apache: উৎপাদন শুরু হলো আমেরিকায়, ২০২৪ সালেই অ্যাপাচে হেলিকপ্টার পাচ্ছে ভারতীয় সেনা

    AH-64E Apache: উৎপাদন শুরু হলো আমেরিকায়, ২০২৪ সালেই অ্যাপাচে হেলিকপ্টার পাচ্ছে ভারতীয় সেনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শীঘ্রই শক্তি বৃদ্ধি হতে চলেছে ভারতীয় সেনার (Indian Army)। আগামী বছরই ভারতের স্থলসেনার হাতে আসতে চলেছে বিশ্বের অন্যতম সেরা অ্যাটাক হেলিকপ্টার ‘এএইচ-৬৪ই অ্যাপাচে’ (AH-64E Apache)। সম্প্রতি, হেলিকপ্টারের নির্মাণকারী সংস্থা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বোয়িং-এর তরফে এমনটাই খোলসা করা হয়েছে। ট্যুইটারে বোয়িং জানিয়েছে, আমেরিকার অ্যারিজোনার মেসায় বোয়িংয়ের কারখানায় এই হেলিকপ্টারের উৎপাদনের কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। ২০২৪ সালে এই যুদ্ধ-কপ্টার ভারতের হাতে পৌঁছে যাবে।

    চিন-পাক সীমান্তে বহুগুণ শক্তিবৃদ্ধি

    চিন ও পাকিস্তান সীমান্তের নিরাপত্তাকে নজরে রেখে ২০২০ সালে ছ’টি ‘এএইচ-৬৪ই অ্যাপাচে’ কপ্টার কেনার জন্য চুক্তি করেছিল ভারতীয় সেনা (Indian Army)। চুক্তির মূল্য ছিল প্রায় ৪ হাজার ১০০ কোটি টাকা। এবার সেগুলোর উৎপাদন শুরু হয়েছে। জানা গিয়েছে, ভারতীয় সেনার আর্মি এভিয়েশন কোরের জন্য এই ৬টি হেলিকপ্টার কেনা হচ্ছে। এর আগে, ২০১৯ সালে ভারতীয় বায়ুসেনায় যুক্ত করা হয়েছিল ২২টি ‘এএইচ-৬৪ই অ্যাপাচে’ (AH-64E Apache) হেলিকপ্টার। এবার ভারতীয় স্থলসেনার হাতেও আসতে চলেছে এই অত্যাধুনিক অ্যাটাক হেলিকপ্টার। বোয়িং জানিয়েছে, এই কপ্টারের মূল কাঠামো বা ফিউসেলাজ তৈরি হয়েছে হায়দরাবাদে অবস্থিত টাটা বোয়িং অ্যারোস্পেস লিমিটেডের কারখানায়। 

    ছুড়তে পারে ‘নরকের আগুন’!

    ‘এএইচ-৬৪ই অ্যাপাচে’ (AH-64E Apache) হল এই মুহূর্তে বিশ্বের অন্যতম সেরা ও আধুনিক অ্যাটাক হেলিকপ্টার। একসঙ্গে একাধিক কাজ করতে পারে কপ্টারগুলি। এই হেলিকপ্টারের সঙ্গে যুক্ত থাকে বিশ্বের অন্যতম ভয়ঙ্কর বলে পরিচিত ‘হেলফায়ার’ মিসাইল, যা লেজার-চালিত। এয়ার-টু-এয়ার ‘স্ট্রিঙ্গার’ ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়তেও সক্ষম অ্যাপাচে। এছাড়া, এই কপ্টার একলপ্তে ৮০টি ৭০ মিমি রকেট নিয়ে উড়তে সক্ষম। এতেই শেষ নয়। অ্যাপাচের ঠিক নাকের নিচে ৩০ এমএম বন্দুক রয়েছে। যা দু’মিনিটেরও কম সময় ১,২০০ রাউন্ড গুলি ছুড়তে পারে। 

    ‘উড়ন্ত ট্যাঙ্ক’ হিসাবে পরিচিত

    প্রতিপক্ষের ট্যাঙ্ক ধ্বংস করতে ‘এএইচ-৬৪ই অ্যাপাচে’ (AH-64E Apache) কপ্টারের জুড়ি মেলা ভার। তাই অ্যাপাচে হেলিকপ্টারগুলিকে ‘ট্যাঙ্ক কিলার’ নাম দেওয়া হয়েছে। প্রায় অভেদ্য বর্মের জন্য ‘উড়ন্ত ট্যাঙ্ক’ হিসাবেও জানা যায় এই কপ্টারকে। দিন হোক বা ঘুটঘুটে অন্ধকার, যে কোনও সময়, যে কোনও পরিস্থিতিতে লড়াইয়ে চূড়ান্ত দক্ষ ও নির্ভরশীল অ্যাপাচে। শত্রুঘাঁটিকে খুঁজে বের করে ধ্বংস করতে নিপুণ এই বিশেষ কপ্টার। এর পাশাপাশি, এই কপ্টারে রয়েছে লংবো ফায়ার কন্ট্রোল রেডার যা ১ মিনিটে ১২৮টি লক্ষ্যবস্তুকে চিহ্নিত করতে সক্ষম। অ্যাপাচে এএইচ-৬৪ই হেলিকপ্টারের সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ২৮৪ কিলোমিটার। প্রতি মিনিটে ২৮০০ ফুট ওপরে উঠতে সক্ষম আমেরিকায় তৈরি এই যুদ্ধ কপ্টার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • INS Vindhyagiri: কতটা শক্তিশালী ‘আইএনএস বিন্ধ্যগিরি’? চিনে নিন এই স্টেলথ গাইডেড-মিসাইল ফ্রিগেটকে

    INS Vindhyagiri: কতটা শক্তিশালী ‘আইএনএস বিন্ধ্যগিরি’? চিনে নিন এই স্টেলথ গাইডেড-মিসাইল ফ্রিগেটকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার কলকাতায় রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর (President Draupadi Murmu) হাতে শুভ সূচনা হলো ভারতীয় নৌসেনার (Indian Navy) নতুন যুদ্ধজাহাজের। ‘আইএনএস বিন্ধ্যগিরি’ (INS Vindhyagiri) নামের ওই স্টেলথ গাইডেড-মিসাইল ফ্রিগেট গোত্রের রণতরীকে নির্মাণ করেছে গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্স। ‘প্রজেক্ট-১৭ আলফা’ বা সংক্ষেপে ‘পি-১৭এ’ প্রকল্পের আওতায় ৭টি স্টেলথ গাইডেড-মিসাইল ফ্রিগেট তৈরি হয়েছে দেশে। এর মধ্যে ৪টে নির্মিত হয়েছে মুম্বইয়ের মাজগাঁও ডকইয়ার্ডে। বাকি তিনটির নির্মাণ হয়েছে জিআরএসই-তে। ‘আইএনএস বিন্ধ্যগিরি’ হলো প্রকল্পের ষষ্ঠ তথা এখানে তৈরি হওয়া বরাতের তৃতীয় তথা শেষ জাহাজ। এর আগে, এখান থেকেই উদ্বোধন হয়েছে যথাক্রমে ‘আইএনএস হিমগিরি’ ও ‘আইএনএস দুনাগিরি’। এই দুটিই এখন সমুদ্র-ট্রায়ালে রয়েছে। সম্ভবত, চলতি মাসেই নৌসেনায় অন্তর্ভুক্ত হতে চলেছে ‘আইএনএস হিমগিরি’।

    আরও পড়ুন: কলকাতায় নৌসেনার নতুন যুদ্ধজাহাজের উদ্বোধন করলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু

    জাহাজের মূল বৈশিষ্ট্য ‘স্টেলথ’

    প্রজেক্ট-১৭ আলফা-র আওতায় নির্মিত জাহাজগুলোর নকশা করেছে নৌসেনার (Indian Navy) অধীনস্থ সংস্থা ওয়ারশিপ ডিজাইন ব্যুরো (পূর্বতন ডিরেক্টরেট অফ নেভাল ডিজাইন)। ডিজেল-ইলেক্ট্রিক শক্তিচালিত এই জাহাজের মূল বৈশিষ্ট্য হল এগুলো ‘স্টেলথ’ (Stealth Missile Frigate) প্রকৃতির। অর্থাৎ, শত্রুর রেডারে এই জাহাজগুলো সহজে ধরা পড়ে না। এর প্রধান কারণ হলো, জাহাজের নকশা এমনভাবে করা হয়, যাতে ধারালো কোণ থাকে না। এই জাহাজগুলোর নির্মাণে ব্যবহৃত হয়েছে কম্পোজিট মেটিরিয়াল। এছাড়া, এদের রঙের আস্তরণ এমন থাকে, যা রেডারের তরঙ্গ প্রতিফলিত করে না। ফলত, এই শ্রেণির জাহাজগুলোর রেডার-ক্রস সেকশন অত্যন্ত নগন্য।

    ‘আইএনএস বিন্ধ্যগিরি’-র ডিজেল-ইলেকট্রিক ইঞ্জিন

    ‘আইএনএস বিন্ধ্যগিরি’-র (INS Vindhyagiri) মূল চালিকাশক্তি হলো চারটি ইঞ্জিন। ২টি ডিজেল ও ২টি ইলেক্ট্রিক ইঞ্জিন চালিত এই জাহাজটি দৈর্ঘ্যে প্রায় ১৫০ মিটার। এর ওজন প্রায় ৬ হাজার ৬৭০ টন। সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ৩২ নট। (প্রায় ৬০ কিমি/ঘণ্টা)। এই জাহাজটি ২৮ নট গতিতে একটানা ২,৫০০ নটিক্যাল মাইল অতিক্রম করতে সক্ষম। অন্যদিকে, ১৬-১৮ নট গতিতে এটির পাল্লা বেড়ে যায় ৫,৫০০ নটিক্যাল মাইল। জাহাজে ৩৫ অফিসার সহ ২২৬ জনের থাকার সংস্থান রয়েছে।

    যুদ্ধজাহাজের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা

    জাহাজের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা ব্যবস্থা অত্যন্ত মজবুত। এতে রয়েছে একাধিক সেন্সর, রেডার ইডব্লিউ সুইট। ‘আইএনএস বিন্ধ্যাগিরি’-তে রয়েছে অত্যাধুনিক এমএফ-স্টার আয়সা রেডার। আকাশ হোক বা ভূমি— শত্রুর যে কোনও জাহাজ, ড্রোন, বিমান বা ক্ষেপণাস্ত্র, তা সে যত ছোটই হোক না কেন, ৩৬০ ডিগ্রি নজরদারি চালানোর ক্ষমতাসম্পন্ন এই রেডারে সব ধরা পড়বে। ৪৫০ কিমি দূরত্ব পর্যন্ত যে কোনও নিশানাকে ট্র্যাক করতে সক্ষম এই বিশেষ রেডার। এছাড়া, এতে রয়েছে দ্বিতীয় সারফেস-সার্চ রেডার, যা ৪৬০ কিমি পর্যন্ত যে কোনও যুদ্ধবিমান ও ক্ষেপণাস্ত্রকে ট্র্যাক করতে সক্ষম। 

    এই জাহাজে সোনার ও রেডারের ক্ষমতা কেমন?

    ‘আইএনএস বিন্ধ্যগিরি’ (INS Vindhyagiri) জাহাজে রয়েছে ডিআরডিও-নির্মিত সোনার, যা জলের নিচে থাকা সাবমেরিন ও টর্পিডোকে বা আন্ডার-ওয়াটার মাইনকে ট্র্যাক ও ট্র্যাক করতে সক্ষম। এর পাশাপাশি, এতে লাগানো হয়েছে অত্যাধুনিক ‘শক্তি’ ইলেক্ট্রনিক ওয়ারফেয়ার স্যুইট (ইডব্লিউ স্যুইট)। দেশীয় ওই বিশেষ সুরক্ষা ব্যবস্থা একদিকে যেমন যে কোনও জাহাজ-বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্রের হামলা চিহ্নিত করতে সক্ষম, তেমন ভাবেই প্রথাগত রেডারের সিগন্যাল জ্যাম করতে বা নিরস্ত্র করতেও পারে। শুধু তাই নয়, শত্রু যদি চায় এই জাহাজের সিগন্যাল ব্লক করতে, তখন এই ইডব্লিউ স্যুইট পাল্টা তাকে রুখে দিতে সক্ষম, যাতে জাহাজের নিজস্ব যোগাযোগ ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।

    অস্ত্রের বৈচিত্র্যে ভরপুর ‘আইএনএস বিন্ধ্যগিরি’

    এবার নজর দেওয়া যাক এই ‘আইএনএস বিন্ধ্যগিরি’-র অস্ত্রসম্ভারের দিকে। ‘পি-১৭এ’ ফ্রিগেটগুলোতে বিভিন্ন বিপদের কথা মাথায় রেখে বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র মজুত করা হয়েছে। স্থলে বা জলে (ভাসমান) যে কোনও হামলা প্রতিহত করার জন্য এতে রয়েছে বিশ্বের অন্যতম সেরা প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। এই জাহাজে রয়েছে ৮টি ‘ব্রহ্মোস’ জাহাজ-বিধ্বংসী ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র। এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর গতি শব্দের ৩ গুণ। এছাড়া রয়েছে একটি ৭৬ এমএম ‘ওটো মেলারা’ নেভাল গান এবং ১টি ৩০ এমএম ‘একে-৬৩০’ ক্লোজ-ইন উইপন সিস্টেম (সিআইডব্লিউএস)।

    আকাশপথে হামলা প্রতিহত করার জন্য এই জাহাজে রয়েছে ৩২টি ‘বারাক-৮’ ইআর মাঝারি পাল্লার ভূমি থেকে আকাশ ক্ষেপণাস্ত্র। ১৫০ কিমি পাল্লার এই ক্ষেপণাস্ত্র যে কোনও যুদ্ধবিমান, হেলিকপ্টার, জাহাজ-বিধ্বংসী মিসাইল, ক্রুজ মিসাইল, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ধ্বংস করতে পারদর্শী। ইজরায়েলের এই মিসাইল বর্তমানে প্রযুক্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে ভারতেই উৎপাদন করা হচ্ছে। 

    ভূমি ও জলের ওপরের মতোই জলের নিচে দিয়ে করা হামলার জবাব দিতেও পারদর্শী ‘আইএনএস বিন্ধ্যগিরি’ (INS Vindhyagiri)। সাবমেরিন বা টর্পিডো ধ্বংস করতে এতে রয়েছে ২টি টর্পিডো লঞ্চার। এক-একটি লঞ্চারে ৩টি করে টর্পিডো তৈরি থাকে। এছাড়া রয়েছে, সাবমেরিন-বিধ্বংসী রকেট লঞ্চার যা ১ কিমি পর্যন্ত যে কোনও বস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। 

    আত্ম-সুরক্ষা ব্যবস্থাও জোরদার

    প্রতিঘাতের পাশাপাশি ‘আইএনএস বিন্ধ্যগিরি’ (INS Vindhyagiri) জাহাজে আছে অত্যাধুনিক আত্ম-সুরক্ষা ব্যবস্থা। যার মধ্যে রয়েছে ২টি ‘মারীচ’ টর্পিডো-কাউন্টার মেজার ডিকয় সিস্টেম এবং চারটি ‘কবচ’ ক্ষেপণাস্ত্র-বিধ্বংসী ডিকয় লঞ্চার। শত্রুর টর্পিডো বা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হলে এই মারীচ ও কবচ জাহাজের ঢাল হয়ে দাঁড়ায়। তখন, শত্রু টর্পিডো-ক্ষেপণাস্ত্রগুলো এদের টার্গেট ভেবে ধ্বংস করে, বেঁচে যায় জাহাজ। অন্যদিকে, এই জাহাজে ২টি হেলিকপ্টার থাকতে পারে। হ্যাঙ্গারে থাকে একটি, অন্যটি থাকতে পারে ডেকে। সম্ভবত, অ্যাডভান্সড লাইট হেলিকপ্টার (এএলএইচ) ‘ধ্রুব মার্ক-৩’ বা ‘ওয়েস্টল্যান্ড সি-কিং’ হেলিকপ্টার থাকবে। পরবর্তীকালে, উল্লেখিত হেলিকপ্টারের জায়গায় আসবে সিকর্সকি ‘এমএইচ-৬০ রোমিও’ হেলিকপ্টার (Indian Navy)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Draupadi Murmu: কলকাতায় নৌসেনার নতুন যুদ্ধজাহাজের উদ্বোধন করলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু

    Draupadi Murmu: কলকাতায় নৌসেনার নতুন যুদ্ধজাহাজের উদ্বোধন করলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরও শক্তিশালী হলো ভারতীয় নৌসেনা (Indian Navy)। এক তারকাখচিত অনুষ্ঠানে বৃহস্পতিবার কলকাতার গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্সে (GRSE) নৌসেনার নতুন স্টেলথ গাইডেড-মিসাইল ফ্রিগেটের উদ্বোধন করলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। ‘আইএনএস বিন্ধ্যগিরি’ (INS Vindhyagiri Launch) নামের এই রণতরী ভারতীয় নৌসেনার ‘প্রজেক্ট-১৭ আলফা’ বা সংক্ষেপে ‘পি-১৭এ’ প্রকল্পের ষষ্ঠ জাহাজ। এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রতিরক্ষা প্রতিমন্ত্রী অজয় ভাট, নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল আর হরি কুমার সহ শীর্ষ পদাধিকারীরা। এছাড়া, উপস্থিত ছিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, মেয়র ফিরহাদ হাকিম, প্রাক্তন ভারত ক্রিকেট অধিনায়ক তথা প্রাক্তন বিসিসিআই সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় প্রমুখ।

    বোতাম টিপে রণতরীর শুভ-সূচনা

    এদিন বোতাম টিপে ‘আইএনএস বিন্ধ্যগিরি’কে (INS Vindhyagiri Launch) জলে ভাসিয়ে দেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। এর আগে, স্বস্তিক চিহ্ন এঁকে, নারকেল ফাটিয়ে ও মালা পরিয়ে জাহাজের পুজো করা হয়। সেই শুভ কাজ করেন রাষ্ট্রপতি। তার পর তিনি জাহাজটিকে জাতির উদ্দেশে উৎসর্গ করেন এবং বোতাম টিপে জাহাজের নাম ফলক প্রকাশ করেন। বক্তব্য রাখতে গিয়ে দেশের জলসীমার সুরক্ষিত রাখার জন্য ভারতীয় নৌসেনার প্রশংসা করেন। সময়মতো জাহাজের নির্মাণ শেষ করার জন্য জিআরএসই কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান নৌসেনা প্রধান আর হরি কুমার। 

    ‘পি-১৭এ’ প্রকল্পের ষষ্ঠ জাহাজ ‘আইএনএস বিন্ধ্যগিরি’

    নৌসেনার ‘পি-১৭এ’ প্রকল্পের অধীনে সাতটি নিলগিরি-শ্রেণির (এই প্রজেক্টের প্রথম জাহাজ ‘আইএনএস নিলগিরি’-র নামে শ্রেণিভুক্ত) ৭টি স্টেলথ গাইডেড-মিসাইল ফ্রিগেট তৈরি হচ্ছে। এর মধ্যে ৪টে নির্মিত হয়েছে মুম্বইয়ের মাজগাঁও ডকইয়ার্ডে। বাকি তিনটির নির্মাণ হয়েছে কলকাতায় গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্স (জিআরএসই)-তে। ‘আইএনএস বিন্ধ্যগিরি’ (INS Vindhyagiri Launch) হলো এই প্রকল্পের ষষ্ঠ তথা এখানে তৈরি হওয়া তৃতীয় তথা শেষ জাহাজ। সেই দিক থেকে কলকাতার জাহাজ নির্মাণকারী সংস্থা জিআরএসই-র মুকুটে যুক্ত হলো নতুন পালক। এর আগে, এখান থেকেই উদ্বোধন হয়েছে যথাক্রমে ‘আইএনএস হিমগিরি’ ও ‘আইএনএস দুনাগিরি’। এই দুটিই এখন সমুদ্র-ট্রায়ালে রয়েছে। সম্ভবত, চলতি মাসেই নৌসেনায় অন্তর্ভুক্ত হতে চলেছে ‘আইএনএস হিমগিরি’।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Stealth Missile Frigate: আগামী সপ্তাহে নৌসেনার স্টেলথ গাইডেড মিসাইল ফ্রিগেটের উদ্বোধন কলকাতায়

    Stealth Missile Frigate: আগামী সপ্তাহে নৌসেনার স্টেলথ গাইডেড মিসাইল ফ্রিগেটের উদ্বোধন কলকাতায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শীঘ্রই ভারতীয় নৌসেনার (Indian Navy) মুকুটে নতুন পালক যুক্ত হতে চলেছে। আগামী ১৭ তারিখ, কলকাতার গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্স ডকইয়ার্ডে উদ্বোধন হতে চলেছে নতুন যুদ্ধজাহাজের। স্টেলথ গাইডেড-মিসাইল ফ্রিগেট (Stealth Missile Frigate) গোত্রের এই যুদ্ধজাহাজের নাম হতে চলেছে ‘আইএনএস বিন্ধ্যগিরি’ (INS Vindhyagiri)। প্রশাসনিক সূত্রের খবর, যদি সব ঠিকঠাক থাকে তাহলে জাহাজের উদ্বোধন উপলক্ষে কলকাতায় আসতে পারেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। প্রধান অতিথি হিসেবে তাঁর ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার কথা।

    আরও পড়ুন: স্বাধীনতা দিবসের পরই একদিনের সফরে রাজ্যে আসছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু?

    নৌসেনার ‘প্রজেক্ট-১৭ আলফা’

    নৌসেনার (Indian Navy) ‘প্রজেক্ট-১৭ আলফা’ বা সংক্ষেপে ‘পি-১৭এ’ প্রকল্পের আওতায় নিলগিরি-শ্রেণির (এই প্রজেক্টের প্রথম জাহাজ ‘আইএনএস নিলগিরি’-র নামে শ্রেণিভুক্ত) ৭টি স্টেলথ গাইডেড-মিসাইল ফ্রিগেট তৈরি হচ্ছে। এর মধ্যে ৪টে নির্মিত হয়েছে মুম্বইয়ের মাজগাঁও ডকইয়ার্ডে। বাকি তিনটির নির্মাণ হয়েছে কলকাতায় গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্স (জিআরএসই)-র তত্ত্বাবধানে। ‘আইএনএস বিন্ধ্যগিরি’ (INS Vindhyagiri) হলো এখানে তৈরি হওয়া তৃতীয় তথা শেষ জাহাজ। এর আগে, এখান থেকেই উদ্বোধন হয়েছে যথাক্রমে ‘আইএনএস হিমগিরি’ ও ‘আইএনএস দুনাগিরি’। এই দুটিই এখন সমুদ্র-ট্রায়ালে রয়েছে। সম্ভবত, চলতি মাসেই নৌসেনায় অন্তর্ভুক্ত হতে চলেছে ‘আইএনএস হিমগিরি’।

    বেড়েছে সংস্থার আয়-মুনাফা

    ভারতীয় নৌসেনার জন্য বহু এবং বিভিন্ন ধরনের রণতরী ও বোট তৈরি করেছে জিআরএসই। সেই তালিকায় রয়েছে ফ্রিগেট, অ্যান্টি-সাবমেরিন ওয়ারফেয়ার করভেট, মিসাইল করভেট, ল্যান্ডিং শিপ ট্যাঙ্ক, ল্যান্ডিং ক্রাফট ইউটিলিটি, সার্ভে ভেসেল, ফ্লিট ট্যাঙ্কার, ফাস্ট প্যাট্রল ভেসেল, অফশোর/ইনশোর প্যাট্রল ভেসেল, ওয়াটার-জেট ফাস্ট অ্যাটাক ক্রাফ্ট এবং ফাস্ট ইন্টারসেপ্টর বোট। শুধু তাই নয়, এখানে তৈরি হওয়া যুদ্ধজাহাজ বিদেশেও পাড়ি দিয়েছে। মরিশাস ও সেশেলসের উপকূলরক্ষী বাহিনীর জন্য জাহাজ তৈরি করেছে জিআরএসই। সম্প্রতি, সংস্থার ত্রৈমাসিক আয়ের রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, চলতি অর্থবর্ষের প্রথম ত্রৈমাসিকে মোট আয় হয়েছে ৮২৭ কোটি টাকা। যা গত অর্থবর্ষের প্রথম ত্রৈমাসিকের চেয়ে ২০৬ কোটি বা ৩৩ শতাংশ বেশি। এই সদ্য সমাপ্ত হওয়া ত্রৈমাসিকে সংস্থার মোট লাভের পরিমাণ ১০২ কোটি টাকা। গত এক বছরে সংস্থার শেয়ার দর বেড়েছে ৫৩ শতাংশ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Tejas Fighter Jet: কাশ্মীর-লাদাখ সীমান্তে তেজস মোতায়েন ভারতের, পাকিস্তানকে বার্তা দিতে শুরু মহড়াও

    Tejas Fighter Jet: কাশ্মীর-লাদাখ সীমান্তে তেজস মোতায়েন ভারতের, পাকিস্তানকে বার্তা দিতে শুরু মহড়াও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তান সীমান্তে আকাশসীমাকে সুরক্ষা করতে আরও জোরদার প্রস্তুতি নিল ভারত। সম্প্রতি, পাক-সীমান্ত লাগোয়া জম্মু কাশ্মীরের আকাশে দেখা গিয়েছে দেশীয় লাইট কমব্যাট এয়ারক্র্যাফট (এলসিএ) তেজস-এর (Tejas Fighter Jet) মহড়া। 

    বায়ুসেনার (Indian Air Force) তরফে জানানো হয়েছে, কাশ্মীর ও লাদাখের পার্বত্য অঞ্চলের ভৌগলিক বৈশিষ্ট্যর সঙ্গে যুদ্ধবিমানগুলিকে অবগত করাতেই নাকি এই বিশেষ মহড়া চালানো হয়েছে। প্রতিরক্ষা কর্তারা বলেছেন, উপত্যকায় উড়ানের অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করতে এলসিএ-র একটি ফ্লিটকে ফরোয়ার্ড বেসে পাঠানো হয়েছে। সেখানে পর্বতাঞ্চলের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যর সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে এই বিশেষ ব্যবস্থা। জানা গিয়েছে, সেনার উদ্দেশ্য তেজসকে এই অঞ্চলে যে কোনও যুদ্ধ পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত রাখা।

    মিগ-২১ বাইসন আউট, তেজস ইন!

    বলা বাহুল্য, দীর্ঘদিন ধরে ভারত-পাক সীমান্তের সুরক্ষার দায়িত্ব ছিল মিগ-২১ বাইসনের হাতে। এখন, ধীরে ধীরে রুশ নির্মিত এই যুদ্ধবিমানকে পাকাপাকিভাবে অবসরে পাঠাতে তৎপর কেন্দ্র। তার জায়গায় তেজস যুদ্ধবিমানকে অন্তর্ভুক্ত করাই লক্ষ্য। অর্থাৎ, নিকট ভবিষ্যতে, পাক সীমান্তের আকাশসীমার নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে তেজস ও রাফাল। রাফালের একটি স্কোয়াড্রন আম্বালায় রয়েছে। মূলত, ভারত-পাক সীমান্তের কথা বিবেচনা করেই তাদের এই জায়গায় মোতায়েন করা হয়েছে। এবার তাদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নিরাপত্তার দায়িত্ব ভাগ করে নেবে তেজস (Tejas Fighter Jet)।

    তেজসের ওপর নির্ভরতা বাড়ানোই লক্ষ্য

    দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরী তেজস-এর (Tejas Fighter Jet) ওপর ধীরে ধীরে আস্থা ও নির্ভরতা বাড়াতে উদ্যোগী মোদি সরকার। প্রতিনিয়ত এই যুদ্ধবিমানগুলিকে আরও প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত করার কাজ চলছে। বাড়ানো হচ্ছে তেজস-এর ধার-ভার ও অস্ত্রবহনের ক্ষমতা। কেন্দ্রের লক্ষ্য, আগামী ৪-৫ বছরের মধ্যে পুরনো, ধুঁকতে থাকা মিগ যুদ্ধবিমানকে একেবারে সরিয়ে নতুন প্রযুক্তির তেজসকে নিয়ে আসা। সেক্ষেত্রে, জম্মু কাশ্মীরের মতো দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে কী ভাবে লড়াই করতে হয়, সময় থাকতে থাকতে সেই কৌশল শিখে নেওয়াই বাঞ্ছনীয় বলে মনে করছেন প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা। 

    চিন-পাকিস্তানের জেএফ-১৭ বনাম ভারতের তেজস

    ইতিমধ্যে তেজস-এর (Tejas Fighter Jet) দুটি স্কোয়াড্রনকে বায়ুসেনায় (Indian Air Force) অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তারা ইনিশিয়াল অপারেশনাল ক্লিয়ারেন্স ও ফাইনাল অপারেশনাল ক্লিয়ারেন্স পেয়ে গিয়েছে। অর্থাৎ, এই দুটি স্কোয়াড্রন যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত। এই যুদ্ধবিমানগুলি মার্ক-১ শ্রেণিভুক্ত। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতের তৈরি বিমানগুলি চিন ও পাকিস্তানের থেকে অনেক বেশি সমর্থ ও কার্যকরী। পাকিস্তান ও চিনের তৈরী জেএফ-১৭ বিমানের থেকে অনেকটাই ভালো মানের। আগামী দিনে এই লাইট ওয়েট যুদ্ধবিমানে আরও উন্নত প্রযুক্তি যোগ করা যেতে পারে। সেই নিয়ে ডিআরডিও বৈজ্ঞানিকরা গবেষণা করছেন বলেই সূত্রের খবর। এছাড়া, আগামী কয়েক বছরের মধ্যে ৮৩টি মার্ক-১এ শ্রেণির বিমান বায়ুসেনার হাতে চলে আসবে। এগুলি আরও অন্নত। মার্ক-২ শ্রেণির তেজস নিয়ে এখন পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। একইসঙ্গে গবেষণা চলছে অ্যাডভান্সড মিডিয়াম কমব্যাট এয়ারক্র্যাফট (অ্যামকা) নিয়েও। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • Indigenous LRSAM: দেশীয় ‘এস-৪০০’! নিজস্ব ত্রিস্তরীয় এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম তৈরি করছে ভারত?

    Indigenous LRSAM: দেশীয় ‘এস-৪০০’! নিজস্ব ত্রিস্তরীয় এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম তৈরি করছে ভারত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে আত্মনির্ভরতার লক্ষ্যে আরও এক ধাপ এগলো ভারত। এবার দেশের আকাশসীমার (Air Defence System) সুরক্ষার্থে, দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি নিজস্ব অত্যাধুনিক দূরপাল্লার মিসাইল তৈরি করছে ভারত। জানা যাচ্ছে, রুশ নির্মিত ‘এস-৪০০’ ক্ষেপণাস্ত্রের মতোই নতুন এই লং রেঞ্জ সারফেস টু এয়ার মিসাইল (Indigenous LRSAM) বা দূরপাল্লার ভূমি থেকে আকাশ ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা হবে ৪০০ কিলোমিটার।

    কেন নতুন দূরপাল্লার এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম প্রয়োজন?

    বর্তমানে, দেশের আকাশসীমাকে রক্ষা (Air Defence System) করার জন্য রাশিয়া থেকে কেনা ‘এস-৪০০ ট্রায়াম্ফ’ ক্ষেপণাস্ত্র সিস্টেমকে চিন ও পাকিস্তান সীমান্তে মোতায়েন করেছে ভারত। ৪০০ কিমি দূরত্বের মধ্যে যে কোনও টার্গেটে আঘাত হানতে সক্ষম এই অত্যাধুনিক মিসাইল। বিশ্বের সেরা এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমগুলির অন্যতম রাশিয়ার এই এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম। এই মিসাইলের তিনটি স্কোয়াড্রন ইতিমধ্যেই ভারতে পৌঁছে গিয়েছে। তাদের মতোয়েনও করা হয়ে গিয়েছে। কিন্তু, বাকি আরও ২টি সিস্টেম কবে আসবে, তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েই গিয়েছে।

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর, স্বদেশীয় এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম (Air Defence System) নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই আলোচনা চলছিল। প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে আত্মনির্ভরতা বাড়াতে এবং নিজস্ব ক্ষমতা দেশকে রক্ষা করার লক্ষ্যেই এই বিশেষ ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির ভাবনাচিন্তা করা হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই মিসাইলের (Indigenous LRSAM) নির্মাণ-পর্ব কার্যকর হলে, ৪০০ কিলোমিটার দূর পর্যন্ত যে কোনও শত্রু বিমান, ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন ধ্বংস করা অত্যন্ত সহজ হয়ে যাবে। এর ফলে, দেশের আকাশসীমা সুরক্ষা অনেক বেশি সুরক্ষিত ও নিশ্ছিদ্র হবে। 

    এই সিস্টেম তৈরি হলে কতটা লাভ ভারতের?

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর, প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের অভ্যন্তরীণ বৈঠকে এই স্বদেশীয় ত্রিস্তরীয় ভূমি থেকে আকাশ ক্ষেপণাস্ত্র সিস্টেম (Indigenous LRSAM) তৈরির প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছে। হয়ত শীঘ্রই এই মিসাইল সিস্টেম উৎপাদনের সবুজ সঙ্কেত মিলতে পারে। এই ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির প্রজেক্টে আনুমানিক ২৫০ কোটি মার্কিন ডলার (আনুমানিক ২০ হাজার ৪৮৫ কোটি টাকা) খরচ হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে, প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, একবার এই মিসাইল সিস্টেম তৈরি হলে, তা হবে অত্যন্ত গর্বের। ভারত বিশ্বের হাতেগোনা কয়েকটি দেশের তালিকায় ঢুকে পড়বে, যাদের স্বদেশীয় ত্রিস্তরীয় এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম (Air Defence System) রয়েছে। 

    আকাশসীমার সুরক্ষায় বর্তমানে ‘এস-৪০০’ ক্ষেপণাস্ত্রের পাশাপাশি, ভারতের নিজস্ব ক্ষেপণাস্ত্র সিস্টেমের কয়েকটি নির্মাণ-পর্বে ও কয়েকটি গবেষণা ও পরীক্ষামূলক স্তরে রয়েছে। তবে, কোনওটাই ‘এস-৪০০’ সমকক্ষ নয়। ‘মৈত্রী কুইক রিয়্যাকশন এসএএম’ (QRSAM) নিয়ে পরীক্ষা চলছে। এটির সাফল্যের হার অত্যন্ত ভালো। ভারতের প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা এই মিসাইল নিয়ে ভীষণই আশাবাদী। এটি তৈরি করছে দেশের প্রতিরক্ষা গবেষণা সংস্থা ডিআরডিও। এছাড়া, ভারতের আস্তিনে রয়েছে ‘আকাশ’, ‘ত্রিশূল’, ‘আকাশ-এনজি’। এছাড়া রয়েছে ‘অ্যাডভান্সড এয়ার ডিফেন্স’ মিসাইল যা ১০ কিমি পর্যন্ত শত্রু-টার্গেটকে ধ্বংস করতে সক্ষম। এটি ভারতীয় বায়ুসেনা ব্যবহার করে।

    কী থাকবে এই সিস্টেমে?

    জানা যাচ্ছে, দেশীয় এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমে (Air Defence System) তিন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র মজুত থাকবে, যা মূলত তিন ধরনের দূরত্বের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হবে। এক-একটি সিস্টেমে ৩ ধরনের পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র থাকবে। একটি দূরপাল্লার— যা আনুমানিক ৪০০ কিমি দূরত্বে যে কোনও লক্ষ্যবস্তুকে ধ্বংস করতে পারবে। দ্বিতীয় স্তর হলো মাঝারি পাল্লার, যা ৭০ কিমি পর্যন্ত বস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম হবে। তৃতীয় তথা শেষ স্তর হবে স্বল্পপাল্লার। যা ৩৫ কিমি পর্যন্ত যে কোনও বস্তুকে ধ্বংস করতে পারবে। ইতিমধ্যে, ইজরায়েলের সঙ্গে যৌথভাবে মাঝারি পাল্লার সারফেস টু এয়ার মিসাইল (MRSAM) প্রযুক্তি তৈরির কাজ চলছে। যা ৭০ কিমি দুরত্বে যে কোনও লক্ষ্যকে আঘাত হানতে সক্ষম হবে। প্রতিটা এলআরএসএএম সিস্টেমের (Indigenous LRSAM) অঙ্গ হিসেবে থাকবে তিন ধরনের মিসাইল, রেডার, কন্ট্রোল সিস্টেম, ভার্টিকাল লঞ্চার ও দু-ওয়ে কমিউনিকেশান লিঙ্ক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kargil Vijay Diwas: শ্রদ্ধাজ্ঞাপন রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর, দেশজুড়ে পালিত কার্গিল বিজয় দিবস

    Kargil Vijay Diwas: শ্রদ্ধাজ্ঞাপন রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর, দেশজুড়ে পালিত কার্গিল বিজয় দিবস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কার্গিল যুদ্ধজয়ের ২৩ তম বর্ষপূর্তি হিসেবে দেশজুড়ে মহাধুমধামের সঙ্গে পালিত হচ্ছে কার্গিল বিজয় দিবস (Kargil Vijay Diwas)। ১৯৯৯ সালে আজকের দিনে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কার্গিল যুদ্ধে জয়ী (Victory Over Pakistan) ঘোষিত হয়েছিল ভারতীয় সেনা। ১৯৯৯ সালের ২৬ জুলাই, অপারেশন বিজয়ের সাফল্য ঘোষণা করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ী। প্রায় ২ মাস ধরে চলা রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে ভারতের অনেক বীর সন্তান দেশের জন্য প্রাণের বলিদান দিয়েছেন। প্রতি বছর এই দিনে ভারতের সেই যোদ্ধাদের বীরত্বকে স্মরণ, সম্মান ও শ্রদ্ধা জানিয়ে দেশজুড়ে পালিত হয় কার্গিল বিজয় দিবস। 

    কী বললেন রাষ্ট্রপতি?

    এদিন কার্গিল যুদ্ধজয়ের ২৩ তম বর্ষপূর্তিতে ভারতীয় সেনাকে শ্রদ্ধঘা জানালেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু থেকে শুরু করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় সেনাবাহিনীর তরফেও। এদিন ট্যুইট করে দ্রৌপদী মুর্মু লেখেন, ‘‘আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর অসাধারণ বীরত্ব, পরাক্রম ও দৃঢ় সংকল্পের প্রতীক এই কার্গিল দিবস৷ ভারত মাতার রক্ষার জন্য প্রাণ বলিদান দেওয়া সব বীর সৈনিককে আমি প্রণাম জানাই৷ সব দেশবাসী, তাঁদের পরিবারের প্রতি সর্বদা ঋণী থাকবে৷ জয় হিন্দ!’’

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ট্যুইটে তিনি লেখেন, ‘‘কার্গিল বিজয় দিবস মা ভারতীর গৌরবের প্রতীক৷ মাতৃভূমিকে রক্ষা করার জন্য পরাক্রম দেখানো দেশের সাহসী সুপুত্রদের আমার শত শত প্রণাম৷ জয় হিন্দ!’’ 

    তিনি আরও লেখেন, ‘‘কার্গিল বিজয় দিবস (Kargil Vijay Diwas) ভারতের সেই অসাধারণ সাহসীদের বীরগাথাকে স্মরণে আনে, যাঁরা সর্বদা দেশবাসীর জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবেন। এই বিশেষ দিনে, আমি তাঁদের প্রতি আমার হৃদয়ের গভীর থেকে প্রণাম এবং অভিবাদন জানাচ্ছি। জয় হিন্দ!”

    অমিত শাহের শ্রদ্ধাজ্ঞাপন

    কার্গিল দিবস উপলক্ষে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ট্যুইট করে বলেছেন, ‘‘কার্গিল বিজয় দিবস কোটি কোটি দেশবাসীর কাছে সম্মানের এক মুহূর্ত। আমি কার্গিলের দুর্গম পাহাড়ে তেরঙ্গা উত্তোলন করে দেশের অখণ্ডতা অক্ষুণ্ন রাখার জন্য আপনার উৎসর্গকে সালাম জানাই।’’

    দ্রাসে কার্গিল যুদ্ধসৌধে শ্রদ্ধা রাজনাথের

    জম্মু ও কাশ্মীরের দ্রাস সেক্টরের কার্গিলে হওয়া এই যুদ্ধে শহিদ হয়েছিলেন ৫২৭ জন ভারতীয় জওয়ান। আহত হয়েছিলেন ১৩৬৩ জন। তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংও। এদিন লাদাখের দ্রাসে কার্গিল যুদ্ধের স্মৃতিসৌধে (Kargil Vijay Diwas) পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

    রাজনাথ বলেন, ‘‘১৯৯৯ সালে ইসলামবাদ পিছন থেকে ভারতের পিঠে ছুরি মেরেছিল। ভারতের উপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়। যুদ্ধে ভারতীয় জওয়ানরা যে বীরত্ব দেখিয়েছিলেন, তাকে কুর্ণিশ।’’ একইসঙ্গে পাকিস্তানকে হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়ে রাখেন, নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবার বেআইনি অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটছে। এ নিয়ে ভারত চুপ করে বসে থাকবে না।

    সংসদেও কার্গিল দিবস পালন

    ২৪ বছর আগে ওই রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে জীবন উৎসর্গকারী সেনাদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করলেন রাজ্যসভা ও লোকসভার সাংসদরা। উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ বুধবার লখনউতে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে কার্গিল যুদ্ধে নিহত সৈন্যদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। বুধবার তিনি ট্যুইটে লেখেন, “কার্গিল বিজয় দিবসে রাজ্যের সমস্ত মানুষকে আন্তরিক অভিনন্দন। ভারত মাতার সমস্ত অমর পুত্রদের প্রতি শত শত প্রণাম যাঁরা দেশের সেবায় তাঁদের সর্বস্ব উৎসর্গ করেছেন!”

    মিগ-২৯ বিমানের ফ্লাই পাস্ট

    সেনাবাহিনীর তরফে এদিন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। বায়ুসেনা প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল ভিআর চৌধুরী কার্গিল বিজয় দিবস (Kargil Vijay Diwas) উপলক্ষে দ্রাস সেক্টরে কার্গিল যুদ্ধের স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। ভারতীয় সেনাবাহিনির তিনটি চিতাল হেলিকপ্টার দ্রাসের কার্গিল যুদ্ধ স্মৃতিসৌধে ফুল বর্ষণ করা হয়। ফ্লাই পাস্ট করে নৌসেনার ৪টে মিগ-২৯ যুদ্ধবিমান।

     

    ফোর্ট উইলিয়ামেও কার্গিল দিবস উদযাপন

    কলকাতাতেও পালিত হলো কার্গিল দিবস (Victory Over Pakistan)। এদিন সেনার পূর্বাঞ্চলীয় সদর দফতর ফোর্ট উইলিয়ামে শহিদবেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন পূর্বাঞ্চলীয় সেনা কমান্ডার জিওসি-ইন-সি লেফটেন্যান্ট জেনারেল আর পি কালিতা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • MQ-9 Predator Drone: মোদির সফরের আগেই মার্কিন ঘাতক প্রিডেটর ড্রোন কেনায় সম্মতি ভারতের

    MQ-9 Predator Drone: মোদির সফরের আগেই মার্কিন ঘাতক প্রিডেটর ড্রোন কেনায় সম্মতি ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি মাসেই প্রথমবার সরকারি আমন্ত্রণে মার্কিন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ঠিক তার আগে, প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে বড় সিদ্ধান্ত নিল মোদি সরকার। আমেরিকা থেকে ঘাতক ড্রোন (MQ-9 Predator Drone) কেনার বিষয়ে বৃহস্পতিবার অনুমোদন দিল প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। 

    অপেক্ষা শুধু সিসিএস-এর চূড়ান্ত অনুমোদনের

    সূত্রের খবর, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের নেতৃত্বাধীন ডিফেন্স অ্যাকুইজিশন কাউন্সিল (ডিএসি) বা প্রতিরক্ষা সামগ্রী ক্রয় পর্ষদ, যারা সামরিক অস্ত্র ও সরঞ্জাম কেনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়, তারা এদিন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে এমকিউ-৯ রিপার সিরিজের ‘প্রিডেটর’ ড্রোন (MQ-9 Predator Drone) কেনার বিষয়ে সবুজ সঙ্কেত দিয়েছে। এরপর বিষয়টি ক্যাবিনেট কমিটি অন সিকিউরিটির (সিসিএস) সামনে পেশ করা হবে। তারা চূড়ান্ত অনুমোদন দিলেই নির্মাতাদের কাছে বরাত পেশ করতে পারবে ভারত।

    ৫০ হাজার ফুট উচ্চতা থেকেও লক্ষ্যবস্তুতে নির্ভুল আঘাত

    সূত্রের খবর, ভারত যে ড্রোনটি কিনতে চলেছে, তা হল এই প্রিডেটর সিরিজের এমকিউ-৯বি ‘সি-গার্ডিয়ান’ ড্রোন (MQ-9B Sea Guardian)। প্রাথমিকভাবে স্থির হয়েছে, ৩০টি ড্রোন কেনা হবে, যার মধ্যে ১৫টি নেবে নৌসেনা। হতে পারে পরবর্তীকালে, প্রয়োজনে সংখ্যা বাড়ানো হবে। আত্যাধুনিক এই ড্রোন কিনতে খরচ হবে প্রায় ২৪ হাজার কোটি টাকার বেশি। এই ড্রোন তৈরি করেছে মার্কিন সংস্থা জেনারেল অ্যাটোমিক্স। হানাদার এই ড্রোনগুলি ৫০ হাজার ফুট উচ্চতা থেকে লক্ষ্যবস্তুতে নির্ভুল আঘাত হানতে সক্ষম। টানা ৩০ ঘণ্টা এটি উড়তে পারে। বহন ক্ষমতা সর্বোচ্চ ১৭৪৬ কেজি। ঘণ্টায় ২৩০ কিলোমিটার গতিতে উড়ে পারে এই ড্রোনটি।

    চাপে বাড়বে চিন-পাকিস্তানের

    আমেরিকার তৈরি ঘাতক ড্রোন (MQ-9 Predator Drone) ভারতের হাতে এলে প্রবল চাপে পড়ে যাবে পাকিস্তান ও চিন। কারণ, এর ফলে, সামুদ্রিক হোক বা পার্বত্য— যে কোনও ধরনের ভূমি ও পরিবেশে শত্রুর ওপর তীক্ষ্ণ নজর রাখতে পারবে ভারত। বর্তমানে, এই সিরিজের ২টি ড্রোন ভারতীয় নৌসেনা লিজ নিয়ে ব্যবহার করছে। ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চিনা জাহাজের উপস্থিতি ও তার ওপর নজর রাখার পাশাপাশি সমুদ্রে জলদস্যুদের ওপরও নজর রাখতে সাহায্য করে এই ড্রোন। 

    আরও পড়ুন: অভিন্ন দেওয়ানি বিধি নিয়ে তৎপর আইন কমিশন

    বিশ্বে ঘাতক ‘প্রিডেটর’ হিসেবে পরিচিত এই ড্রোন

    এই ড্রোনের হামলায় খতম হয়েছিল তালিবান নেতা মোল্লা ওমর কিংবা বায়তুল্লা মেসুদ। আল কায়দা প্রধান আয়মান আল জাওয়াহিরিকেও হত্যার সময় এই ড্রোন (MQ-9 Predator Drone) ব্যবহার করা হয়েছিল। সেই সয়ম প্রিডেটর ড্রোন থেকে ‘হেলফায়ার’ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা খতম করা হয়েছিল জাওয়াহিরিকে। ভারতকে সেই মিসাইল আগেই দিতে রাজি হয়েছে বাইডেন প্রশাসন। এই ড্রোনের মাধ্যমে সীমান্ত নজরদারি যেমন সম্ভব হবে, তেমনি জঙ্গি ঘাঁটি ওড়াতেও ব্যবহার করা যাবে। লাদাখে চিনা আগ্রাসনের সময় এই অত্যাধুনিক ড্রোন কেনার পরিকল্পনা নিয়েছিল নয়াদিল্লি। ন্যাটোভুক্ত দেশ না হয়েও ভারতই একমাত্র দেশ, যারা এমকিউ-৯ রিপার সিরিজের ড্রোন পেতে চলেছে।

    প্রথমবার সরকারি আমন্ত্রণে মার্কিন মুলুকে মোদি

    আগামী ২১ জুন চারদিনের সফরে আমেরিকা যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের আমন্ত্রণে নমোর এটি তৃতীয়বার মার্কিন সফর। এই প্রথমবার সরকারি আমন্ত্রণে মোদি মার্কিন মুলুকে যাচ্ছেন। হোয়াইট হাউসে তিনি সরকারি নৈশভোজে অংশ নেবেন। সম্ভবত, ক্যাপিটলে তিনি ভাষণও দেবেন। সম্প্রতি, হোয়াইট হাউসের তরফে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছিল, মোদির এই মার্কিন সফর দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ের সূচনা হবে। এদিন মার্কিন ঘাতক ড্রোন (MQ-9 Predator Drone) কেনার বিষয়ে অনুমোদন দিল প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। প্রধানমন্ত্রীর মার্কিন সফরের মুখে এই সিদ্ধান্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে কূটনৈতিক মহল। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share