Tag: Defence Procurement

Defence Procurement

  • Defence Ministry: দেশীয় কোম্পানিগুলির সঙ্গে প্রায় ৩২,০৮৬ কোটি টাকার প্রতিরক্ষা চুক্তির অনুমোদন

    Defence Ministry: দেশীয় কোম্পানিগুলির সঙ্গে প্রায় ৩২,০৮৬ কোটি টাকার প্রতিরক্ষা চুক্তির অনুমোদন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের নিরাপত্তাকে জোরদার করতে সদা সক্রিয় মোদি সরকার। ভারতীয় সেনাবাহিনীর শক্তি বাড়াতে মার্চ মাসে দেশীয় কোম্পানিগুলির সঙ্গে প্রায় ৩২,০৮৬ কোটি টাকার প্রতিরক্ষা চুক্তি অনুমোদন করেছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। সব মিলিয়ে এক লক্ষ কোটি টাকা অনুমোদন করা হয়েছে। এর আগে ১৭ মার্চ ৭০ হাজার কোটি টাকার প্রতিরক্ষা চুক্তি অনুমোদিত হয়েছিল।

    আত্মনির্ভর ভারত

    আত্মনির্ভর ভারত অভিযানের অধীনে মেক ইন ইন্ডিয়াকে আরও শক্তিশালী করতে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক ভারতীয় সংস্থাগুলির সঙ্গে ৩০ হাজার কোটি টাকারও বেশি একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এর আওতায় সেনাবাহিনীর জন্য অস্ত্র, সামুদ্রিক নৌযান, ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থাসহ অন্যান্য সরঞ্জাম সংগ্রহ করতে হবে। বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য ৬,০০০ কোটি টাকার একটি চুক্তি করা হয়েছে। অর্থের বেশিরভাগটাই ব্যয় করা হবে নৌবাহিনীর জন্য। তবে, ফ্লিট সাপোর্ট শিপের জন্য নৌসেনাকে আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে।

    ১১টি পরবর্তী প্রজন্মের টহল জাহাজ

    নৌসেনার জন্য ১১টি পরবর্তী প্রজন্মের টহল জাহাজ এবং ৬টি পরবর্তী প্রজন্মের ক্ষেপণাস্ত্র জাহাজ কেনার লক্ষ্যে ১৯,৬০০ কোটি টাকার সর্বোচ্চ প্রতিরক্ষা চুক্তি করা হয়েছে। এছাড়াও উপকূলীয় প্রতিরক্ষার জন্য নৌবাহিনীকে দেওয়া হবে ব্রহ্মোস সুপারসনিক মিসাইল। ১১টি টহল জাহাজ নির্মাণের চুক্তি দেওয়া হয়েছে দুটি দেশীয় সংস্থাকে। এর মধ্যে সাতটি গোয়া শিপইয়ার্ড লিমিটেড (GSL) জিএসএল দ্বারা এবং চারটি গার্ডেন রিচ শিপবিল্ডিং অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্স কলকাতার (GRAC) দ্বারা তৈরি করা হবে। এই চুক্তিটি ৯,৭৮১ কোটি টাকায় করা হয়েছে। ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর মাস থেকে তাদের সরবরাহ শুরু হবে।

    আরও পড়ুুন: তিলজলা থানায় প্রহৃত এনসিপিসিআর কর্তা, রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে সরব বিজেপি

    আকাশ এয়ার ডিফেন্স মিসাইল

    সেনাবাহিনী ৬০০০ কোটি টাকার আকাশ এয়ার ডিফেন্স মিসাইল সিস্টেমের দুটি রেজিমেন্ট কেনার জন্য ভারত ডায়নামিক্স লিমিটেডের সঙ্গে একটি চুক্তি করেছে। এছাড়াও, প্রতিরক্ষা মন্ত্রক ভারত ইলেকট্রনিক্স লিমিটেডের সঙ্গে ১৭০০ কোটি টাকার ১৩টি লিনাক্স-ইউ-২ ফায়ার কন্ট্রোল সিস্টেমের জন্য একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক গাজিয়াবাদের ভারত ইলেকট্রনিক্স লিমিটেডের (বিইএল) সাথে যে চুক্তি করেছে , সেই অনুযায়ী ভারতীয় সেনাবাহিনীর জন্য এমন একটি ব্যবস্থা তৈরি করবে, যা ভারতীয় সেনাবাহিনীকে আকাশে শত্রুর চালকে ধ্বংস করতে সাহায্য করবে। তথ্য অনুযায়ী, এর জন্য বিইএলকে দেওয়া হবে ১৯৮২ কোটি টাকা। স্থলে-জলে-আকাশে নিরাপত্তা জোরদার করা হবে। এই প্রতিরক্ষা চুক্তিতে ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র, যুদ্ধজাহাজ এবং বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কেনার চুক্তিও রয়েছে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Defence MSME: এমএসএমই থেকে প্রতিরক্ষা সামগ্রী কেনার পরিমাণ ছুঁল সর্বকালীন রেকর্ড

    Defence MSME: এমএসএমই থেকে প্রতিরক্ষা সামগ্রী কেনার পরিমাণ ছুঁল সর্বকালীন রেকর্ড

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রের বি টু জি (B2G) পোর্টাল গভর্নমেন্ট ইমার্কেটপ্লেসে (Government eMarketplace), ক্ষুদ্র ও মাঝারি ও কুটীর শিল্পোদ্যোগ (MSME) এবং অন্যান্য সংস্থার কাছ থেকে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের (Defence Ministry) প্রতিরক্ষা সম্পর্কিত বিভিন্ন পণ্য এবং পরিষেবা কেনার (Defence Procurement) পরিমাণ চলতি অর্থবর্ষে আগের বছরের তুলনায় প্রায় ২৫০ শতাংশ বেড়েছে। শনিবার মন্ত্রকের একটি বিবৃতি অনুসারে, জিইএম-এর মাধ্যমে চলতি অর্থবর্ষে ১৫,০৪৭.৯৮ কোটি টাকার পণ্য ক্রয় হয়েছে, যা সর্বকালীন রেকর্ড।
      
    মন্ত্রকের কথায়, পুরনো টেন্ডার প্রক্রিয়াকে পুনর্গঠন করতে এবং ডিজিটাইজেশনের মাধ্যমে সরকারি ক্রয়ের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা আনতে ২০১৬ -র অগাস্ট মাসে শুরু হয়েছিল জিইএম। প্রতিষ্ঠার পর থেকে অল্প সময়ের মধ্যে, প্রতিরক্ষা মন্ত্রক ডিজিটাল ড্রাইভের পথ অনুসরণ করেছে। প্রতিবন্ধকতা থাকা সত্ত্বেও সাফল্য লাভ করেছে সরকারের এই পদক্ষেপ। 

    ২০২০ সালের মার্চ মাসে রাজ্যসভায় কেন্দ্রীয় ক্ষুদ্র, মাঝারি এবং কুটীর শিল্প মন্ত্রকের তৎকালীন দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী নিতিন গড়কড়ির দেওয়া তথ্য অনুসারে, ২০২০ অর্থবর্ষের মাঝামাঝি সময় অবধি প্রতিরক্ষা পাবলিক সেক্টর ইউনিটগুলিকে সরবরাহকারী মোট এমএসএমই বিক্রেতার সংখ্যা ছিল ১০,৫০৬। ২০১৯- এ সেই সংখ্যা ছিল  ৮,৬৪৩ এবং ২০১৮-এ ৭,৫৯১। ২০২১ সালের ডিসেম্বর নাগাদ সেই সংখ্যা বেড়ে ১২,০০০-এ পৌঁছয়। ফলস্বরূপ, এমএসএমই থেকে ডিপিএসইউ- র অর্থ সংগ্রহের পরিমাণ ২০১৯ অর্থবর্ষে ৪৮৪২.৯২ কোটি টাকা থাকলেও তা ২০২১ অর্থবর্ষে বেড়ে দাঁড়ায় ৫৪৬৩.৮২ কোটি টাকা।   

    ২০২০ সালে সরকার প্রতিরক্ষা অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া (DAP) ‘মেক প্রজেক্ট’ (Make Projects) চালু করে, যাতে সরকারি তহবিল এবং শিল্প তহবিল উভয়ের মাধ্যমেই প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের দেশীয়করণ এবং উন্নয়ন সম্ভব হয়। ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ (Make in India) পোর্টাল অনুসারে, মেক  প্রকল্পগুলি প্রতিরক্ষায় এমএসএমইর ভূমিকাকে আরও জোরাল করতে সাহায্য করেছে। এই সংক্রান্ত প্রকল্পগুলির ৪০ শতাংশ অর্ডার ক্ষুদ্র, মাঝারি ও কুটির শিল্প সংস্থাগুলির জন্যে সংরক্ষণ করা হয়েছে। ১০০০ কোটি টাকার কাজ বরাদ্দ করা হয়েছে এমএসএমই সংস্থাগুলোর জন্যে।

    ইতিমধ্যে, জিইএম-এর সামগ্রিক ৪২.৩৫ লক্ষ বিক্রেতা এবং মন্ত্রকের ৬০,০০০ সরকারি বিভাগ মিলিয়ে প্রায় ২.৪০ লক্ষ কোটি টাকার কেনাবেচা হয়েছে। মোট বিক্রেতার সংখ্যার মধ্যে ৭.৭০ লক্ষই ক্ষুদ্র এবং ছোট উদ্যোগ থেকে আসা। জিইএমের তথ্য অনুসারে শুধুমাত্র ক্ষুদ্র এবং ছোট উদ্যোগের সংস্থাগুলিই ৫৬%  ব্যবসা করেছে এই পোর্টালে।

     

     

LinkedIn
Share