Tag: dehydration

dehydration

  • Skin Problems: হিটওয়েভে বিপদে ত্বক! তীব্র গরমে ত্বকের কোন বিপদ বাড়ছে? কাদের বাড়তি খেয়াল রাখা জরুরি?

    Skin Problems: হিটওয়েভে বিপদে ত্বক! তীব্র গরমে ত্বকের কোন বিপদ বাড়ছে? কাদের বাড়তি খেয়াল রাখা জরুরি?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    তাপমাত্রার পারদ ক্রমশ বাড়ছে! আবহাওয়ায় বাড়াচ্ছে অস্বস্তি! একাধিক শারীরিক সমস্যার মতোই পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ত্বকের সমস্যা। শিশু থেকে বয়স্ক, এই গরমে ত্বকের সমস্যায় কমবেশি সকলেই ভুগছেন। তীব্র গরমে তাই ত্বক নিয়ে বাড়তি সচেতন থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন ত্বক-বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, রোদের তাপ প্রচন্ড। তার সঙ্গে দিনভর ঘাম! সব মিলিয়ে একটা অস্বস্তি তৈরি হচ্ছে। এই সময়ে ত্বকের সমস্যা দেখা দিলে, বাড়তি ভোগান্তি হবে। তাই ত্বক ভালো রাখতে কয়েকটি দিকে নজর রাখা জরুরি। তাহলে সহজেই ত্বকের ভোগান্তি কমানো যাবে।

    এই আবহাওয়ায় কী ধরনের সমস্যা হচ্ছে?

    ত্বকে ছড়াতে পারে ছত্রাক সংক্রমণ!

    ত্বক বিশেষজ্ঞেরা জানাচ্ছেন, প্রচন্ড গরমে ত্বকে নানা রকম ফ্যাঙ্গাল ইনফেকশন হয়। সাধারণত মহিলাদের এই সমস্যা বেশি দেখা যায়। গরমে কুঁচকি, বগলের নীচে কিংবা স্তনের নীচে অতিরিক্ত ঘামের জেরে একধরনের ছত্রাক জন্মায়। যার ফলে শরীরে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ে। চুলকানি, লাল দাগ হয়। এমনকি সংক্রমণ বাড়লে ঘা হয়ে যেতে পারে। গরমে যাতে ত্বকে এই ধরনের সংক্রমণ না হয়, সেদিকে বিশেষ নজরদারি জরুরি।

    সানবার্ন!

    দিনের বেশির ভাগ সময় যাদের বাড়ির বাইরে থাকতে হচ্ছে, তাদের সানবার্নের মতো‌ ত্বকের সমস্যা হতে পারে। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, প্রচন্ড রোদের মধ্যে থাকলে ত্বক পুড়ে যায়। এর ফলে ত্বকের রং পরিবর্তন হয়। তাছাড়া, ত্বকের উপরে একটা কালো আস্তরণ পড়ে। এর জেরে ত্বক রুক্ষ হয়ে যায়। ত্বকের দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি হয়।

    ঘামাচির ভোগান্তি বাড়ে!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, গরমে সবচেয়ে বড় ত্বকের সমস্যা হলো ঘামাচি। ছোটো ছোটো লাল ফুসকুড়ি শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। অতিরিক্ত ঘাম থেকেই এই ধরনের সমস্যা তৈরি হয়। তাঁরা জানাচ্ছেন, এই সমস্যা শিশুদের সবচেয়ে বেশি হয়। কারণ, শিশুরা অতিরিক্ত দৌড়াদৌড়ি করে। এর ফলে ঘাম হয়। তার ফলেই ত্বকে এই ধরনের সমস্যা তৈরি হয়।

    ব্রণর সমস্যা বেড়ে যায়!

    ত্বক বিশেষজ্ঞেরা জানাচ্ছেন, অনেকেই ব্রনের সমস্যায় ভোগেন। এই আবহাওয়ায় সেই ভোগান্তি আরও বাড়তে পারে। তাঁরা জানাচ্ছেন, এই সময়ে অতিরিক্ত ঘাম। ত্বকের মধ্যে তেল ভাব বেশি হয়। এই তৈলাক্ত ত্বক ব্রণর সমস্যা বাড়িয়ে দেয়।

    ডিহাইড্রেশন ত্বকের সমস্যা বাড়িয়ে দেয়!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই তীব্র গরমে সবচেয়ে বেশি বিপদ বাড়ায় ডিহাইড্রেশন। অর্থাৎ, শরীরে জলের ঘাটতি দেখা যায়। অতিরিক্ত তাপপ্রবাহ এবং ঘামের জেরে শরীরে জলের ঘাটতি হয়। তার ফলে ত্বকের একাধিক সমস্যা তৈরি হয়। ত্বক আরও শুষ্ক হয়ে যায়। ত্বকের আদ্রতা কমে। ফলে ত্বকে নানান অ্যালার্জি হতে পারে।

    এই আবহাওয়ায় কীভাবে ত্বকের ভোগান্তি কমবে?

    ঘরোয়া ডিটক্স ওয়াটার কমাবে বিপদ!

    ত্বক বিশেষজ্ঞেরা জানাচ্ছেন, এই আবহাওয়া মোকাবিলায় সবচেয়ে বড় হাতিয়ার ডিটক্স ওয়াটার। তাঁদের পরামর্শ, ঘরোয়া সহজ পদ্ধতিতে তৈরি ডিটক্স ওয়াটার বড় বিপদ আটকাতে সাহায্য করবে। তাঁরা জানাচ্ছেন, দু’লিটার জলের মধ্যে কুচানো আদা, একটি পাতিলেবুর রস এবং একটি আমলকি মিশিয়ে রাখতে হবে। সারাদিন ওই জল মাঝেমধ্যে খেলে শরীরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের চাহিদা পূরণ হবে। এই আবহাওয়ায় অতিরিক্ত ঘামের ফলে শরীরে যে ধরনের সমস্যা হচ্ছে, সেগুলো মোকাবিলা করা সহজ হবে।

    পর্যাপ্ত পরিমাণ জল ও রসালো ফল খাওয়া জরুরি!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন,এই আবহাওয়ায় শরীরে জলের ঘাটতি যেন না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখা সবচেয়ে জরুরি। তাই পর্যাপ্ত পরিমাণ জল খাওয়া দরকার। প্রাপ্ত বয়স্কদের নিয়মিত চার লিটার জল খাওয়া জরুরি। ছোটোদের অন্তত তিন লিটার জল খাওয়া প্রয়োজন। এর পাশপাশি ডাব, তরমুজ, আমের মতো রসালো ফল খাওয়া জরুরি। এতে শরীরে জলের চাহিদা মেটায়।‌ ফলে ত্বকের শুষ্কতা কমে।

    সানস্ক্রিন ব্যবহার অপরিহার্য!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, রোদে ত্বক পুড়ে যাওয়ার পাশপাশি ত্বকের একাধিক দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি হয়। চিকিৎসকদের পরামর্শ, এই রোদে বাইরে যাওয়ার আগে সানস্ক্রিন ব্যবহার অপরিহার্য। তাঁদের পরামর্শ, বাচ্চা থেকে বয়স্ক, সকলের উচিত বাইরে যাওয়ার আগে হাতে, মুখের যে অংশে রোদ লাগতে পারে, সেখানে ভালোভাবে সানস্ক্রিন লাগিয়ে তারপরে বাইরে যাওয়া। আবার, দীর্ঘ সময় বাইরে থাকলে প্রতি তিন ঘণ্টা অন্তর সানস্ক্রিন ব্যবহার করা জরুরি।

    গরমে অতিরিক্ত মেকআপ ব্যবহার করা উচিত নয়!

    ত্বক বিশেষজ্ঞেরা জানাচ্ছেন, এই আবহাওয়ায় অতিরিক্ত মেকআপ করা উচিত নয়। অনেক সময়েই অতিরিক্ত মেকআপ করলে ঘাম আরও বেশি হয়। এই গরমে যা ত্বকের বাড়তি ক্ষতি করবে!

    দিনে একাধিকবার ত্বক পরিষ্কার করা জরুরি!

    চিকিৎসকদের, একাংশ জানাচ্ছেন, দিনে একাধিকবার ত্বক পরিষ্কার করা জরুরি। বিশেষত যারা অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রম করছেন, ঘাম বেশি হচ্ছে, তাদের বারবার পরিষ্কার জলে ত্বক ধুয়ে ফেলতে হবে। শরীরে বেশি সময় ঘাম থাকলেই ত্বকে অ্যালার্জি, ছত্রাক সংক্রমণের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই দিনে বারবার শরীর পরিচ্ছন্ন রাখলে এই ধরনের সমস্যা এড়ানো সহজ হবে।

    হালকা ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার জরুরি!

    গরমে ত্বক তেলতেলে মনে হলেও, ঘাম হলেও নিয়মিত ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার জরুরি বলেই জানাচ্ছেন ত্বক বিশেষজ্ঞেরা। তাঁরা জানাচ্ছেন, হালকা ময়েশ্চারাইজার নিয়মিত রাতে ব্যবহার করলে এই গরমে ত্বকের শুষ্ক ভাব এড়ানো সহজ হবে।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
  • Muscle cramps: হঠাৎ পায়ে-কোমরে খিঁচ! কেন হচ্ছে এই সমস্যা? কীভাবে মোকাবিলা করবেন?

    Muscle cramps: হঠাৎ পায়ে-কোমরে খিঁচ! কেন হচ্ছে এই সমস্যা? কীভাবে মোকাবিলা করবেন?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    ঘুম থেকে উঠে‌ কিংবা নিত্যদিনের ঘরোয়া কাজ করতে গিয়ে হঠাৎ পা কিংবা কোমরে যন্ত্রণা অনুভব হয়। অনেকেই হঠাৎ এই পা, ঘাড় কিংবা কোমরের পেশিতে খিঁচ (Muscle cramps) অনুভব করেন। যার ফলে দিন কয়েক ধরে ভোগান্তি চলে। স্বাভাবিক কাজ ব্যাহত হয়। এমনকী মারাত্মক ব্যথার জন্য অনেক সময় হাঁটাচলা করতেও সমস্যা হয়। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অনেকের ঘন ঘন এই ধরনের পেশিতে টানের মতো সমস্যা দেখা দেয়। আর তখন বাড়তি সতর্কতা জরুরি। বারবার দেহের বিভিন্ন পেশিতে টান, জানান দেয় শরীরে একধিক ঘাটতি দেখা দিচ্ছে। সতর্ক না হলে বড় বিপদ হতে পারে।

    কেন‌ বারবার পেশিতে খিঁচ ধরে? (Muscle cramps)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, পেশিতে খিঁচ বা টান অনুভব হয় মূলত দূর্বলতার কারণে।‌ তাঁরা জানাচ্ছেন, শরীরের ক্ষমতার বাইরে একটানা পরিশ্রম করলে, পেশি দুর্বল হয়ে যায়। আর তখন পেশিতে ল্যাকটিক অ্যাসিড জমা হয়। আর তার জেরেই পেশিতে টান বা খিঁচের মতো সমস্যা দেখা দিতে থাকে। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, অনেক সময়ে খেলোয়াড়দের প্র্যাক্টিসের সময় পেশিতে টান ধরে। লাগাতার অক্লান্ত পরিশ্রমের জেরেই এই সমস্যা হয়। দুর্বলতার পাশপাশি শরীরে জলের অভাব পেশিতে খিঁচের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, মানুষের শরীরের ৭০ শতাংশ জল থাকে। সেই জলের সাহায্যেই মানুষের শরীরের একাধিক অঙ্গ সক্রিয় থাকে। পেশির সচলতা বাড়াতেও শরীরের ভিতরের জল সাহায্য করে। শরীরে এই পর্যাপ্ত পরিমাণ জল না থাকলেই পেশিতে নানান সমস্যা দেখা যায়। তার জেরেই কোমর, ঘাড় কিংবা হাতে-পায়ে খিঁচের সমস্যা দেখা দিতে পারে।
    তবে, এর পাশপাশি শরীরে ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম এবং ভিটামিনের ঘাটতি হচ্ছে কিনা সেদিকে নজরদারি জরুরি বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, শরীরে এই উপাদানের ঘাটতি হলেই দুর্বলতা দেখা দেয়। পেশি শক্তি কমে এবং খিঁচ হতে পারে (Muscle cramps)।

    কীভাবে এই সমস্যার মোকাবিলা সম্ভব?

    বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, লাগাতার কাজ করবেন না। দিনে যতই কাজের চাপ থাকুক না কেন, কাজের ফাঁকে অন্তত আধ ঘণ্টা অন্তর কিছুটা সময় বিশ্রাম জরুরি। সকালে ঘুম থেকে উঠেই কাজ শুরুর আগে কিছুটা সময় শারীরিক কসরত জরুরি। তবেই পেশি সচল থাকবে। পেশিতে টান ধরার (Muscle cramps) সমস্যাও কমবে।
    নিয়মিত পর্যাপ্ত পরিমাণে জল খাওয়া জরুরি বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, শরীরে জলের ঘাটতি না হলে পেশিতে টান ধরার ঝুঁকিও কমে।
    জল খাওয়ার পাশপাশি ভিটামিন সি এবং ভিটামিন বি ১২ জাতীয় খাবার নিয়মিত খাওয়া দরকার। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, নিয়মিত লেবুর রস, ডিম খাওয়া দরকার। এই ধরনের খাবারে শরীরে এনার্জির জোগান পাওয়া যায়। দুর্বলতা কম হয়‌। ভিটামিন সি এবং ভিটামিন বি ১২ চাহিদা পূরণ হয়। ফলে, পেশিতে টান ধরার সমস্যাও কমে।
    নিয়মিত যে কোনও ধরনের বাদাম, কাঠবাদাম, পেস্তা জাতীয় খাবার খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, এই ধরনের খাবার থেকে শরীর সহজেই পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়ামের চাহিদা পূরণ করে‌। এর ফলে শরীরের পেশি মজবুত হয়। খিঁচের ঝুঁকিও কমে (Muscle cramps)।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Temperature: বাড়ছে তাপমাত্রার পারদ! হঠাৎ করেই জ্বরের প্রকোপ? সন্তানকে সুস্থ রাখতে কোন খাবার জরুরি?

    Temperature: বাড়ছে তাপমাত্রার পারদ! হঠাৎ করেই জ্বরের প্রকোপ? সন্তানকে সুস্থ রাখতে কোন খাবার জরুরি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এপ্রিলের শুরুতেই চড়ছে তাপমাত্রার পারদ। রোদের তাপে বাইরে থাকা যথেষ্ট কষ্টকর।‌ আগামী কয়েক দিনের মধ্যে তাপমাত্রা আরও বাড়বে বলেই জানাচ্ছেন আবহবিদরা। আর এই আবহাওয়ায় (Temperature) শিশুদের জ্বরের প্রকোপ বাড়ছে, যা অভিভাবকদের একাংশের উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, বহু শিশুর শরীরের তাপমাত্রা হঠাৎ করেই বেড়ে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে শিশুকে সুস্থ রাখতে ঘরোয়া উপাদানেই ভরসা রাখছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

    কেন শিশুদের মধ্যে জ্বরের প্রকোপ বাড়ছে (Temperature)?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, তাপমাত্রার পারদ বাড়ছে। কিন্তু জলীয় বাষ্প বাড়ছে না। অর্থাৎ, গরম লাগলেও সেরকম ঘাম হচ্ছে না। বরং বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাইরে গরম হাওয়া দিচ্ছে। আর এই আবহাওয়া শরীরকে শুকিয়ে দিচ্ছে। শরীরে জলের ভাব কমে যাচ্ছে। আর এর ফলেই শিশুদের শরীরে নানান রোগ বাসা বাঁধছে। দেখা দিচ্ছে নানান ভাইরাস ঘটিত অসুখ। যার ফলে শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে যাচ্ছে। আবার শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, শিশুদের শরীরের সোয়েট গ্ল্যান্ড অর্থাৎ, যেখান থেকে ঘাম নিঃসরণ হয়, তা প্রাপ্তবয়স্কদের মতো সক্রিয় হয় না। এর ফলে বাইরের তাপমাত্রা বাড়লে শরীর নিজের তাপমাত্রার সঙ্গে সেটা মানিয়ে নিতে পারে না। এর ফলে হঠাৎ করেই তাপমাত্রার পারদ চড়লে, শরীরের তাপমাত্রাও বাড়তে থাকে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অনেকে ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, শিশুর শরীরের তাপমাত্রা ১০০ ডিগ্রি ফারেনহাইটের কাছাকাছি। কিন্তু সর্দি-কাশি বা অন্য কোনও উপসর্গ নেই। অভিভাবকদের উদ্বেগ বাড়ছে। আবহাওয়ার কারণেই শিশুদের এই ভোগান্তি বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

    শিশুর শরীর সুস্থ রাখতে কোন ঘরোয়া উপাদানে ভরসা বিশেষজ্ঞ মহলের?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, চলতি মাসে গরম আরও বাড়বে। তাই প্রথম থেকেই সতর্কতা জরুরি। তাঁরা জানাচ্ছেন, এই আবহাওয়ায় অতিরিক্ত পরিমাণ জল খাওয়া দরকার। সাধারণত নিয়মিত শিশুদের তিন থেকে চার লিটার জল খাওয়া দরকার। কিন্তু এই শুকনো আবহাওয়ায় জল খাওয়ার পরিমাণ বাড়াতে হবে। তাঁরা জানাচ্ছেন, অন্তত দিনে পাঁচ লিটার জল খাওয়া দরকার। তাতে শরীরে জলের পরিমাণ ঠিক থাকবে। ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকিও কমবে। আবার শরীরের তাপমাত্রাও (Temperature) স্বাভাবিক থাকবে।

    লেবুর রস নিয়মিত খাওয়ান (Temperature)

    শিশুদের জলের পাশপাশি শশা, তরমুজ, লেবু জাতীয় রসালো ফল খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, এই ধরনের ফলে শরীরে জলের পরিমাণ ঠিক থাকবে। পাশপাশি এই ধরনের ফলে শরীরে এনার্জির ঘাটতি সহজেই পূরণ হয়। আবার লেবুর রস নিয়মিত খেলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ে। প্রচণ্ড গরমে এতে যে কোনও ভাইরাস ঘটিত অসুখের বিরুদ্ধে মোকাবিলাও সহজ হয়।

    ডাবের জল খাওয়া জরুরি

    এই আবহাওয়ায় সুস্থ থাকতে নিয়মিত ডাবের জল খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, ডাবের জলে থাকে একাধিক খনিজ পদার্থ। তাই এই আবহাওয়ায় ডাবের জল অত্যন্ত উপকারী। এতে শরীরের আদ্রতা বজায় থাকে। আবার পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজের মতো খনিজ উপাদান শরীরের ক্লান্তি দূর করে। তাই শিশুদের (Child Health) নিয়মিত একটি ডাবের জল খাওয়া জরুরি বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

    মৌরি ও মিছরি ভেজানো জল অন্ত্রের জন্য ভালো

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, শিশুদের গরমে (Temperature) মৌরি এবং মিছরি মিশিয়ে সারারাত ভিজিয়ে রেখে, সকালে খালি পেটে ওই ভেজানো জল খেলে শরীরে একাধিক উপকার পাওয়া যাবে। তাঁরা জানাচ্ছেন, মৌরি ও মিছরি ভেজানো জল অন্ত্রের জন্য বিশেষ উপকারী। এই আবহাওয়ায় শিশুদের হজমের সমস্যা হয়। তাই জল খেলে অন্ত্র ভালো থাকে। হজমের গোলমাল কমে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Dehydration: হঠাৎ বাড়ছে তাপমাত্রা! ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকিও বাড়ছে! কী পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞেরা?

    Dehydration: হঠাৎ বাড়ছে তাপমাত্রা! ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকিও বাড়ছে! কী পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞেরা?

    মাধ্যম ডেস্ক: বসন্তের মাঝেই চড়ছে তাপমাত্রার (Temperature) পারদ। আবহবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, চলতি সপ্তাহে গরম আরও বাড়বে। এবার মার্চেই বাঙালি উষ্ণতা টের পেতে পারে। রোদের ঝাঁঝ বাড়ছে। তার সঙ্গে বাড়ছে অস্বস্তি। তাপমাত্রার পারদ বেড়ে যাওয়ার বাড়ছে রোগের ঝুঁকিও। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, সবচেয়ে বেশি আশঙ্কা ডিহাইড্রেশন (Dehydration) নিয়ে। এর জেরে মারাত্মক শারীরিক সমস্যা হতে পারে।

    কেন আশঙ্কায় চিকিৎসকেরা (Dehydration)?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, বসন্তকালে একাধিক রোগের প্রকোপ বাড়ে। শীত ফুরিয়ে আসে। আবার গরমের মরশুম শুরু হয়। এর ফলে, বাতাসে নানান ভাইরাস সক্রিয় হয়ে ওঠে। কিন্তু চলতি বছরে হঠাৎ করেই তাপমাত্রা অনেকখানি বদলে গেল। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, রাজ্য থেকে শীত দ্রুত বিদায় নিয়েছে। আর তারপরেই চড়ছে তাপমাত্রার পারদ। আর গত কয়েকদিনে সেই পারদ অনেকখানি চড়েছে! এর ফলে নানান রোগের সংক্রমণের ঝুঁকিও অনেকখানি বেড়ে গিয়েছে। বিশেষত ডিহাইড্রেশনের (Dehydration) ঝুঁকি বাড়ছে। চিকিৎসকদের একাংশের আশঙ্কা, হঠাৎ গরমে আবহাওয়ায় শুষ্ক ভাব অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে। এর ফলে শরীরেও জলের চাহিদা বাড়ছে। সেই চাহিদা পূরণ না হলেই ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি তৈরি হয়। বিশেষ করে শিশুদের জন্য এই ঝুঁকি বেশি বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, শিশুরা অনেক বেশি দৌড়াদৌড়ি করে, এর ফলে তাদের ঘাম বেশি হয়। তারা বেশি‌ ক্লান্ত হয়ে পড়ে। শরীরে পর্যাপ্ত পরিমাণ জল না থাকলে তাই এই পরিবেশে (Temperature)  শিশুদের ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

    কী পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, জল খাওয়ার পরিমাণের দিকে নজরদারি জরুরি। তাঁরা জানাচ্ছেন, শিশুদের পাশপাশি প্রাপ্ত বয়স্কদের ও জলের পরিমাণ নিয়ে সজাগ থাকা জরুরি। প্রাপ্ত বয়স্কদের দিনে চার থেকে পাঁচ লিটার জল খাওয়া দরকার। পাঁচ বছরের বেশি বয়সী শিশুদের দুই থেকে তিন লিটার জল নিয়মিত খাওয়া জরুরি।

    জলের পাশপাশি নিয়মিত রসালো ফল খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, এই সময়ে তরমুজ, পেঁপে জাতীয় ফল নিয়মিত খেলে খুবই উপকার হবে। এই ধরনের ফল রসালো। এই ফল খেলে সহজেই শরীরে জলের ঘাটতি পূরণ হয়।

    এই আবহাওয়ায় এসি ঘরে না থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, এসি ঘরে দীর্ঘক্ষণ থাকলে শুষ্কতা বাড়ে। তাই এই আবহাওয়ায় এসি ঘরে থাকলে একাধিক রোগে আক্রান্ত (Dehydration) হওয়ার ঝুঁকিও বাড়বে।

    ঘাটতি মেটাতে লেবুর রস খাওয়ার পরামর্শ

    শরীরে জলের ঘাটতি মেটাতে লেবুর রস খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, যেকোনও ধরনের লেবুতে‌ ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। এর ফলে শরীরে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ে। পাশপাশি ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকিও কমে।

    এই আবহাওয়ায় শরীর সুস্থ রাখতে হালকা সহজ পাচ্য খাবার খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের (Temperature) একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন এই শুষ্ক আবহাওয়ায় হজমের গোলমালে অনেকেই ভোগেন। এতে শরীরে আরও নানান সমস্যা তৈরি হয়। তাই কম তেল ও মশলা দিয়ে তৈরি হালকা খাবার খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, এতে সহজেই হজম হবে। অ্যাসিডিটির (Dehydration) সমস্যা তৈরি হলে শরীরে আরও জলের ঘাটতি দেখা দিতে পারে। তাই সহজে হজম হয় এমন খাবার খাওয়া জরুরি।

  • Vegetables: শীতের রোগ মোকাবিলা করবে কোন পাঁচ সবজি? কী পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞেরা? 

    Vegetables: শীতের রোগ মোকাবিলা করবে কোন পাঁচ সবজি? কী পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞেরা? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    শীত মানেই পিকনিক, বেড়াতে যাওয়া, বড়দিনের উৎসব। কিন্তু শীতের সময়েই হানা দেয় নানান ভাইরাস ঘটিত অসুখ, পেটের গোলমাল, হজমের সমস্যার মতো একাধিক স্বাস্থ্য সমস্যা। এর ফলে ভোগান্তি বাড়ে। শিশু থেকে বয়স্ক, শীতের সময়ে অনেকেই নানান রোগের দাপটে নাজেহাল হয়। সর্দি-কাশির মতো অসুখের পাশপাশি অনেকেই ফুসফুসের নানান সংক্রমণের শিকার হন। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, শীতের সবজিতেই (Vegetables) হতে পারে বাজিমাত। তাঁরা জানাচ্ছেন, শীতের সবজির পুষ্টিগুণ একাধিক। রয়েছে রোগ মোকাবিলা শক্তি। তাই শীতের মরশুমে নিয়মিত কয়েকটি সবজি খেলেই সুস্থ থাকবে শরীর। আসুন, দেখে নিই, কোন কোন সবজির কী কী পুষ্টিগুণ?

    পালং শাক বাড়াবে রোগ প্রতিরোধ শক্তি (Vegetables)

    শীতের সবজির তালিকায় প্রথমেই থাকে পালং শাক। এর পুষ্টিগুণ প্রচুর। পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, পালং শাকে থাকে ভিটামিন এ, বি, সি, ই এবং ভিটামিন কে। এই একাধিক ভিটামিন থাকার জেরেই এই শাক শীতকালে খেলে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ে। আবার পালং শাকে প্রচুর ম্যাগনেশিয়াম এবং আয়রন রয়েছে। ফলে, হাড় মজবুত হয়। শীতে অনেকেই বাতের যন্ত্রণায় কাবু হন।‌ তাই শীতে এই শাক নিয়মিত খেলে ক্যালসিয়ামের জোগান সহজ হয়। আবার আয়রন থাকায় হিমোগ্লোবিনের জোগানও পাওয়া যায়।

    ব্রোকলি হজমে বাড়তি সাহায্য করে

    শীতের মরশুমে অনেকেই হজমের গোলমালে ভোগেন। হজম না হওয়া কিংবা বমি, পেটের সমস্যার মতো‌ ভোগান্তিও দেখা দেয়। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, ব্রোকলি এই সমস্যা কমাতে অনেকটাই সাহায্য করে। তাঁরা জানাচ্ছেন, ব্রোকলিতে (Vegetables) আছে‌‌ ভিটামিন কে, সি, ফাইবারের মতো উপাদান। ফলে, ব্রোকলি খেলে হজম ভালো হয়। পাচনতন্ত্র সুস্থ থাকে।

    শরীর সুস্থ রাখতে এবং ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণ করবে ফুলকপি

    শীতের অন্যতম সবজি ফুলকপি। বাঙালির রান্নাঘরে শীতে ফুলকপি থাকবেই। পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, শীতে ফুলকপি শুধু স্বাদে নয়, পুষ্টিগুণেও ভরপুর। তাঁরা জানাচ্ছেন, ফুলকপিতে থাকে প্রচুর ক্যালসিয়াম। তাছাড়া, ম্যাগনেশিয়াম এবং জিঙ্কের মতো খনিজ পদার্থও যথেষ্ট থাকে। তাই ফুলকপি খেলে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়িয়ে তোলে। পাশপাশি ক্যালসিয়ামের চাহিদা সহজেই পূরণ হয়।

    ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি কমায় এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে মূলো (Vegetables)

    শীতের মরশুমে বিয়ে‌বাড়ির নেমন্তন্ন কিংবা বনভোজনের ভূরিভোজে মেতে ওঠেন কমবেশি সকলেই। আর দেদার খাওয়া-দাওয়ার জেরে অনেকেই কিন্তু ওজন বাড়িয়ে ফেলেন। অতিরিক্ত ওজন একাধিক রোগের কারণ। তবে শীতে এই ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে মূলো। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, মূলো খুবই কম ক্যালোরি যুক্ত একটি সবজি। তাই নিয়মিত মূলো খেলে ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে। তাছাড়া মূলোতে জলীয় পদার্থের পরিমাণ বেশি থাকে। তাই মূলো ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকিও কমায়। শীতে অনেকেই জল খাওয়ার পরিমাণ কমিয়ে দেন। ফলে, শরীরে জলের ঘাটতি দেখা দিতে পারে। মূলোর মতো সবজি খেলে এই ঝুঁকি (Winter diseases) কমবে।

    শরীরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের জোগান দেবে গাজর

    সর্দি-কাশির মতো সমস্যা হোক কিংবা ফুসফুসের অসুখ, যে কোনও রোগের সঙ্গে লড়াই করতে জরুরি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। শরীরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের জোগান ঠিকমতো থাকলে রোগ মোকাবিলা সহজ হয়। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, গাজরে (Vegetables) থাকে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। নিয়মিত গাজর খেলে তাই শরীর সুস্থ থাকবে। রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়বে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Alzheimer’s Disease: মধ্য চল্লিশেই স্পষ্ট লক্ষণ? অ্যালজাইমার্স রোগের জানান দেবে কোন উপসর্গ?

    Alzheimer’s Disease: মধ্য চল্লিশেই স্পষ্ট লক্ষণ? অ্যালজাইমার্স রোগের জানান দেবে কোন উপসর্গ?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দেখা দিচ্ছে স্মৃতিশক্তি হারিয়ে ফেলার সমস্যা। বিশ্ব জুড়ে এই রোগে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। অধিকাংশ প্রবীণ নাগরিক অ্যালজাইমার্সে আক্রান্ত হচ্ছেন। এর জেরে জীবনযাপনের মান কমছে। স্বাভাবিক জীবন নষ্ট হচ্ছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো ভারতেও অ্যালজাইমারের মতো রোগের প্রকোপ বাড়ছে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে, এই রোগের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ, রোগ নির্ণয় না হওয়া। অধিকাংশ ক্ষেত্রে রোগী অ্যালজাইমার (Alzheimer’s Disease) আক্রান্ত কিনা, তা বুঝতেই অনেক দেরি হয়ে যায়। পাশপাশি এই রোগ নিরাময়ে নির্দিষ্ট কোনও ওষুধ নেই। তাই পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। তাই প্রথম পর্যায়েই রোগ নির্ণয় করতে পারলে, নানান থেরাপির মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হয় বলেই জানাচ্ছে চিকিৎসকদের একাংশ।

    কী বলছে নয়া গবেষণা? (Alzheimer’s Disease)

    বিশ্ব জুড়ে অ্যালজাইমার নিয়ে একাধিক গবেষণা চলছে। সম্প্রতি ইংল্যান্ডের রয়্যাল কলেজ অব ফিজিশিয়ান-এর একদল চিকিৎসক-গবেষক জানিয়েছেন, অ্যালজাইমারের মতো রোগের কিছু উপসর্গ চল্লিশ বছরের পরেই স্পষ্ট হয়। কিন্তু অধিকাংশ মানুষ এই ধরনের উপসর্গকে অবহেলা করেন। কিন্তু সেই উপসর্গ দেখা দিলে পরিবারকে সচেতন হতে হবে। তাঁরা জানাচ্ছেন, ঘরোয়া কিছু সাধারণ পরীক্ষার মাধ্যমে বোঝা যেতে পারে ওই ব্যক্তির অ্যালজাইমারের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি‌ কতখানি! তাহলে নানান থেরাপির মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে করা সহজ হয়। ওই চিকিৎসক-গবেষকেরা জানাচ্ছেন, এই রোগ সম্পর্কে সচেতনতা না বাড়ালে পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হতে পারে।

    অ্যালজাইমার্স কী?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে, অ্যালজাইমার (Alzheimer’s Disease) হল মস্তিষ্কের স্নায়ুঘটিত এক ধরনের সমস্যা। এই রোগে আক্রান্ত হলে মস্তিষ্কের একাধিক স্নায়ু কার্যক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। ফলে, ব্যক্তির স্মৃতিশক্তি কমতে থাকে। নিজের পরিচয়, নাম এগুলোও আক্রান্ত ভুলে যান। আস্তে আস্তে শরীরের ক্ষমতাও হারিয়ে যায়। ফলে স্বাভাবিক জীবন যাপন সম্পূর্ণ নষ্ট হয়। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছে, ষাট বছরের পরে অধিকাংশ মানুষ এই রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। কিন্তু সাম্প্রতিক ওই আন্তর্জাতিক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, চল্লিশের পরে এই রোগের কিছু লক্ষণ স্পষ্ট হয়। কিন্তু কোন লক্ষণকে বাড়তি গুরুত্ব দিচ্ছে গবেষণা?

    দিনের সাধারণ ঘটনা মনে থাকছে তো!

    সাম্প্রতিক ওই গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, দিনের খুব সাধারণ ঘটনা মনে থাকছে কিনা সেদিকে খেয়াল করা জরুরি। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছে, চল্লিশের পরে অনেকেই খুব সাধারণ জিনিস ভুলে যান। অনেক সময়েই কাজের চাপে মনে রাখার ক্ষমতা কমে। কিন্তু অ্যালজাইমারের মতো রোগের অন্যতম উপসর্গ এই ভুলে যাওয়া। তাই খেয়াল রাখা জরুরি চল্লিশোর্ধ ব্যক্তি নিয়মিত সাধারণ জিনিস ভুলে যাচ্ছেন কিনা। ওই গবেষকদের একাংশ জানাচ্ছে, দশ মিনিট আগে ঘটনা কোনও ঘটনা, হয়তো কাঁচের গ্লাস ভেঙে যাওয়া কিংবা পরিবারের কোনও সদস্যের বাইরে যাওয়ার মতো কথা একেবারেই মনে করতে না পারলে, নিয়মিত এই ধরনের ভুলে যাওয়ার প্রবণতা বাড়লে সতর্ক হতে হবে। এটা অ্যালজাইমারের লক্ষণ।

    বারবার মেজাজ বদল বিপজ্জনক! (Alzheimer’s Disease)

    পরিবারের চল্লিশোর্ধ্ব সদস্যের বারবার মেজাজ বদল হলে সচেতনতা জরুরি বলেই জানাচ্ছে চিকিৎসকদের একাংশ। তারা জানাচ্ছে, হঠাৎ করেই রেগে যাওয়া, অকারণে উত্তেজিত হয়ে থাকা, সামান্য বিষয়েও বিরক্তি বা মারাত্মক উদ্বিগ্ন হয়ে থাকা ব্যক্তিকে নিয়ে সতর্ক থাকা জরুরি। মস্তিষ্ক নানান আবেগকে নিয়ন্ত্রণ করে। নিয়মিত দ্রুত এই মেজাজ বদল ইঙ্গিত দিচ্ছে মস্তিষ্ক আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না। তাই এই ধরনের উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

    ঘরের জিনিস রাখা মনে থাকছে কি?

    গবেষকদের একাংশ জানাচ্ছে, ঘরে কোথায় কোন জিনিস রাখা হয়, সেটা বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে (Problems in Mid-forties) মনে থাকছে কিনা সেটা খেয়াল করা দরকার। তাঁরা জানাচ্ছেন, রান্নাঘরে চা তৈরির সামগ্রী কোথায় থাকে কিংবা ব্যাঙ্কের ডকুমেন্ট আলমারির কোথায় রাখা হয়, সেটা মনে রাখতে পারছেন কিনা সে নিয়ে সতর্ক থাকতে হবে। অনেক সময়েই দেখা যাচ্ছে, বয়স পঞ্চাশের চৌকাঠে পা দেওয়ার আগেই অনেকে এই সব গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মনে রাখতে পারছেন না। এই ধরনের সমস্যা দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছে, বেশ কিছু নির্দিষ্ট থেরাপি রয়েছে, যা স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। তাই দ্রুত রোগ (Alzheimer’s Disease) নির্ণয় হলে মোকাবিলা সহজ হবে। দরকার সচেতনতা। তবেই অ্যালজাইমারের মতো রোগের দাপট রুখতে পারবে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dengue Fever: বর্ষার মরশুমে ডেঙ্গি‌ বাড়াচ্ছে উদ্বেগ! কোন জেলার পরিস্থিতি বিপজ্জনক?

    Dengue Fever: বর্ষার মরশুমে ডেঙ্গি‌ বাড়াচ্ছে উদ্বেগ! কোন জেলার পরিস্থিতি বিপজ্জনক?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বর্ষার মরশুমে এ বছরেও চোখ রাঙাচ্ছে ডেঙ্গি। ইতিমধ্যেই কলকাতা সহ রাজ্যের একাধিক জেলায় ডেঙ্গি (Dengue Fever) সংক্রমণ উদ্বেগজনক। যদিও কলকাতা পুরসভার তরফে বারবার বলা হচ্ছে ডেঙ্গি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। কিন্তু স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট জানাচ্ছে, গত বছরের মতোই এবছরেও রাজ্যবাসীর ভোগান্তির কারণ হবে ডেঙ্গি। পরিস্থিতি নিয়ে যথেষ্ট উদ্বিগ্ন স্বাস্থ্য কর্তারা।

    কোন জেলা চিন্তা বাড়াচ্ছে? (Dengue Fever)

    স্বাস্থ্য ভবনের কর্তাদের একাংশ জানাচ্ছে, চলতি বছরে ডেঙ্গি নিয়ে সব চেয়ে বেশি চিন্তা বাড়াচ্ছে কলকাতা। তাঁরা জানাচ্ছেন, বছরভর কলকাতায় ডেঙ্গি সংক্রমণ হচ্ছিল। কিন্তু জুন মাস থেকে সংক্রমণ কয়েক গুণ বেড়ে গিয়েছে। কলকাতায় চলতি মাসে শতাধিক মানুষ নতুন করে ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন। কলকাতার পাশপাশি উত্তর চব্বিশ পরগনা, হাওড়া, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ এবং হুগলি নিয়েও যথেষ্ট উদ্বিগ্ন রাজ্যের স্বাস্থ্য প্রশাসন। ২০২৩ সালে নদিয়া এবং মুর্শিদাবাদ জেলায় ডেঙ্গি পরিস্থিতি ছিল ভয়ানক। এই দুই জেলার প্রায় পনেরো হাজারের বেশি মানুষ ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়েছিলেন। চলতি বছরেও সংক্রমণ যথেষ্ট ছিল। তবে গত দেড় মাসে এই দুই জেলায় সংক্রমণের হার উদ্বেগজনক‌ভাবে‌ বেড়েছে।

    বাড়তি দুশ্চিন্তা ম্যালেরিয়া?

    স্বাস্থ্য দফতরের এক কর্তা জানান, ডেঙ্গি (Dengue Fever) নিয়ে নাজেহাল রাজ্য প্রশাসন। প্রত্যেক বছরেই সংক্রমণ, আগের সব রেকর্ড ছাপিয়ে যায়। এবছরে তার সঙ্গে বাড়তি দুশ্চিন্তার কারণ ম্যালেরিয়া। কারণ, বর্ষার মরশুম (Rainy Season) শুরু হওয়ার আগেই কলকাতা ও তার আশপাশের জেলায় ম্যালেরিয়ার দাপট জারি ছিল। প্রত্যেক মাসে শতাধিক মানুষ ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বর্ষার মরশুমে সেই সংক্রমণ কয়েক গুণ বেড়েছে। 
    একদিকে ডেঙ্গি, আরেক দিকে ম্যালেরিয়া, মশাবাহিত এই দুই জোড়া সংক্রমণ রুখতে আরও সক্রিয়তা জরুরি বলেই জানাচ্ছেন স্বাস্থ্য প্রশাসনের কর্তাদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, প্রত্যেক এলাকা পরিষ্কারের দিকে এই সময়ে বাড়তি নজর দিতে হবে। স্কুল, কলেজ, পার্ক এই সব জায়গায় যাতে জল জমে না থাকে, আগাছা না জন্মায় সেটা দেখা জরুরি। বাড়িতে গিয়ে পরিদর্শন আরও বাড়াতে হবে। মশার আঁতুরঘর ভাঙতে পারলেই রাজ্যবাসীর ভোগান্তি কমবে। তবে সাধারণ মানুষকেও‌ সচেতন হতে হবে। প্রশাসনের সঙ্গে সহযোগিতা করতে হবে বলেই জানাচ্ছেন স্বাস্থ্য কর্তারা।

    পরিস্থিতি কীভাবে মোকাবিলা করবেন? (Dengue Fever)

    স্বাস্থ্য দফতরের কর্তাদের একাংশ জানাচ্ছেন, রাজ্যের সমস্ত বিভাগের মধ্যে সমন্বয় না বাড়ালে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। পুরসভা, পঞ্চায়েত, পুর্ত দফতর সবাইকেই একযোগে কাজ করতে হবে। এক স্বাস্থ্য কর্তার কথায়, “ডেঙ্গি কিংবা ম্যালেরিয়া কীভাবে নিয়ন্ত্রত করতে হয়, এটা এখন সকলেই জানেন। শুধু সক্রিয়তা বাড়াতে হবে। পুরসভা আর পঞ্চায়েতকে আরও সক্রিয় হতে হবে। আর স্বাস্থ্য দফতরেও ঠিকমতো রিপোর্ট পাঠাতে হবে। নিজেদের মতো যা খুশি করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ মুশকিল (Rainy Season)।”

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Drinking water: গরমে বেশি জল খেয়ে বিপদ বাড়ছে না তো? কী সতর্কবার্তা দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞেরা? 

    Drinking water: গরমে বেশি জল খেয়ে বিপদ বাড়ছে না তো? কী সতর্কবার্তা দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞেরা? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    গরমের দাপট অব্যাহত। নাজেহাল বঙ্গবাসী। ৩৭-৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা হলেও ৪৫-৫০ ডিগ্রির মতো উত্তাপ অনুভব হচ্ছে। আর এই গরমের মোকাবিলা করতে চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, বেশি পরিমাণে জল (Drinking water) খেতে হবে। কিন্তু সকলের জন্যই কি এই পরামর্শ চলবে? কিছু এমন শারীরিক সমস্যা রয়েছে, যাদের দেহে অতিরিক্ত জল বাড়তি বিপদ তৈরি করে। জেলে মেপে না খেলে হতে পারে নানান ক্ষতি।

    এই গরমে অতিরিক্ত পানীয় কাদের জন্য বিপজ্জনক? (Drinking water)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, হার্ট কিংবা কিডনির সমস্যায় আক্রান্তদের শরীরে অতিরিক্ত জল বাড়তি বিপদ তৈরি করে। এঁদের শরীরে দু’লিটারের বেশি জল ইনটেক বিপজ্জনক। এতে শরীরে সোডিয়াম ও পটাশিয়ামের পরিমাণে হেরফের হতে পারে। এর জেরে রক্ত সঞ্চালনের সময়েও সমস্যা তৈরি হতে পারে। তাই হৃদরোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়। আবার কিডনির সমস্যা বাড়িয়ে তোলে অতিরিক্ত জল। যাঁরা কিডনির সমস্যায় ভুগছেন, তাঁদের অতিরিক্ত পানীয় (Drinking water) কিডনির কার্যকারিতা বাড়ায়। এর জেরে নানান শারীরিক জটিলতা দেখা দিতে পারে। কলকাতার একাধিক বেসরকারি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানাচ্ছে, এই গরমে কিডনি ও হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ছে। প্রায় ১৮ থেকে ২০ শতাংশ রোগীভর্তি বেড়েছে। হৃদরোগ কিংবা কিডনির সমস্যার পাশাপাশি রক্তের জটিল রোগে আক্রান্তদের জন্যও বিপদ বাড়াচ্ছে এই ভয়ানক গরম। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, শরীর থেকে অতিরিক্ত জল বেরিয়ে যাওয়ার জেরে রক্তের ঘনত্ব বাড়ছে‌। এর জেরে রক্ত সঞ্চালনে সমস্যা হচ্ছে। আবার, রক্ত জমাট বাঁধার আশঙ্কাও তৈরি হচ্ছে।

    কী পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল? (Drinking water)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই গরমে সব বয়সীদের জন্য নানান শারীরিক সমস্যা দেখা দিচ্ছে। ডায়েরিয়া থেকে অ্যাজমা রোগী, সকলের হয়রানি বাড়াচ্ছে অস্বস্তিকর এই আবহাওয়া। তবে, হৃদরোগ ও কিডনি রোগীদের জন্য বাড়তি বিপদ। তাই তাদের এই সময়ে দরকার বিশেষ যত্ন। বিশেষজ্ঞদের একাংশের পরামর্শ, এই পরিস্থিতি কীভাবে মোকাবিলা করবেন, তার জন্য দরকার চিকিৎসকের ঠিকমতো পরামর্শ। তাঁরা জানাচ্ছেন, অনেক সময়েই রোগীর নিয়মিত ওষুধের ডোজ পরিবর্তন করা হয়। যাতে এই গরমে তাঁদের ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি কমে।

    তাঁরা আরও জানাচ্ছেন, এই গরমে অতিরিক্ত ঘাম হচ্ছে। তাই যাদের কম জল খেতে হয়, তাদের ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি বেড়ে যাচ্ছে। তাই কতখানি জল খাওয়ার পরিমাণ বাড়ানো যাবে, সে ব্যাপারেও চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া দরকার। প্রয়োজন হলে তরমুজ, ডাবের মতো রসালো ফল কতটা খাওয়া যাবে, সে নিয়েও চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, অনেক সময়েই এই গরমে এক থেকে দেড় লিটার অতিরিক্ত জল (Drinking water) খাওয়া যেতে পারে। কারণ, রোগীর যাতে ডিহাইড্রেশন না হয়, সেদিকেও নজর রাখতে হবে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Heatwave: তীব্র গরমেও যেতে হচ্ছে বাইরে? কোন কোন ঘরোয়া জিনিসে শরীর ভালো থাকবে? 

    Heatwave: তীব্র গরমেও যেতে হচ্ছে বাইরে? কোন কোন ঘরোয়া জিনিসে শরীর ভালো থাকবে? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    চলছে তাপপ্রবাহ! দিনভর গরমে (Heatwave) নাজেহাল অনেকেই। কিন্তু তার মধ্যেও অনেকেই বাইরে যাচ্ছেন। কাজের জন্য ভরদুপুরেও অনেককে বাইরে যেতে হচ্ছে‌‌। কিন্তু বেলা বাড়তেই তাপমাত্রার পারদ চড়ছে। এর ফলে সমস্যা আরও বাড়ছে‌। অনেকেই এর জেরে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। তবে চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন,‌ কয়েকটি জিনিসে বাড়তি সতর্কতা রাখলেই বড় শারীরিক সমস্যা এড়ানো যাবে। এবার দেখা যাক, কোন কোন জিনিস সঙ্গে রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা?

    পর্যাপ্ত পরিমাণে জল এবং ওআরএস (Heatwave)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, বাইরে গেলে অবশ্যই সঙ্গে জল এবং ওআরএস রাখতে হবে। কারণ, বাইরের গরমের জেরে শরীরে জলের পরিমাণ কমে যাচ্ছে। আর তার জেরেই ডিহাইড্রেশনের মতো সমস্যা দেখা যাচ্ছে। এমনকী হিট স্ট্রোকের ঝুঁকিও দেখা দিচ্ছে। তাই সঙ্গে পর্যাপ্ত পরিমাণ জল রাখা জরুরি। কিছু সময় অন্তর জল খাওয়া দরকার। এর পাশপাশি ওআরএস রাখতে হবে। যাতে শরীরে শর্করার পরিমাণ ঠিক থাকে। ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি কমে।

    নিয়মিত কাঁচা আম খাওয়া দরকার

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই গরমে নিয়মিত কাঁচা আম খাওয়া শরীরের জন্য খুবই উপকারী। তাঁরা জানাচ্ছেন, কাঁচা আমে থাকে পটাশিয়াম। তাই শরীরে পর্যাপ্ত পটাশিয়াম থাকলে, শরীর ঠান্ডা থাকবে‌। পাশপাশি ম্যাগনেশিয়ামের মতো খনিজ পদার্থের চাহিদা পূরণ করে কাঁচা আম। তাই এই গরমে (Heatwave) নিয়মিত কাঁচা আম খেলে শরীরে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়বে। গরম প্রতিহত করতে নিয়মিত টক ডাল, আম পোড়া সরবত খাওয়ারও পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাই বাইরে যাঁদের নিয়মিত যেতে হচ্ছে, তাঁরা অবশ্যই কাঁচা আম দিয়ে তৈরি অন্তত একরকম কোনও রান্না খেয়ে অবশ্যই বাইরে যাবেন।

    তরমুজ ও ডাবের জল খাওয়ার‌ দরকার (Heatwave)

    বিশেষজ্ঞদের একাংশের পরামর্শ, তরমুজের কয়েক টুকরো অবশ্যই সঙ্গে রাখা দরকার। এই পরিস্থিতিতে বাইরের অতিরিক্ত তেলমশলা দেওয়া খাবার একেবারেই এড়িয়ে চলতে হবে। কারণ এতে অসুস্থ হয়ে পড়ার ঝুঁকি বাড়ে‌। কিন্তু শরীরের চাহিদা অনুযায়ী খাবার খাওয়া জরুরি। তাই তরমুজের মতো রসালো ফল সঙ্গে থাকা জরুরি। বাড়ি থেকে তরমুজের কয়েক টুকরো কেটে টিফিন কৌটোয় সঙ্গে রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। কারণ এই ফলে শরীরে শর্করা এবং জলের চাহিদা পূরণ হয়। তরমুজের পাশাপাশি এই গরমে যাঁরা বাইরে যাচ্ছেন তাঁদের নিয়মিত ডাবের জল খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। কারণ ডাবের জলে থাকে একাধিক খনিজ পদার্থ। এর জেরে এই গরমেও লিভার ও অন্ত্র ভালো থাকে‌। তাই ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি কমানোর পাশপাশি পেটের গোলমাল দূরে রাখতে নিয়মিত ডাবের জল খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    ভিজে তোয়ালে সঙ্গে রাখা জরুরি

    অনেককে এই গরমেও দীর্ঘ সময় রোদে থাকতে হচ্ছে। তাঁদের সান স্ট্রোকের (Heatwave) ঝুঁকি বাড়ছে। তাই ঝুঁকি কমাতে তাঁদের ভিজে তোয়ালে সঙ্গে রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, বারবার জল দিয়ে চোখ-মুখ ধোয়া দরকার। এতে শরীর ঠান্ডা থাকে। আবার ভিজে তোয়ালে ঘাড় ও মাথায় রাখলে শরীর দ্রুত ঠান্ডা হয়। এতে সান স্ট্রোকের মতো রোগের ঝুঁকি কমবে‌।

    রঙিন ও প্যাকেটজাত ঠান্ডা পানীয় এড়িয়ে চলতে হবে (Heatwave) 

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, যাঁরা নিয়মিত বাইরে যাচ্ছেন, তাঁদের রঙিন সরবত এবং প্যাকেটজাত ঠান্ডা পানীয় এড়িয়ে চলতে হবে। কারণ, এই ধরনের পানীয়তে শরীরে একাধিক খারাপ প্রভাব পড়ে‌। শরীরে পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম এবং শর্করার মাত্রা ওঠানামা করে। এর জেরে অসুস্থ হয়ে পড়ার ঝুঁকি বাড়ে। পাশপাশি রঙিন সরবত থেকে অনেক সময়েই পেটের গোলমাল হয়। যা এই গরমে বাড়তি ভোগান্তি তৈরি করবে। তাই এই ধরনের সরবত ও পানীয় এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Heatwave: প্রবল গরমেও ত্বক শুষ্ক, ফাটছে ঠোঁট! কীভাবে যত্ন নেবেন? 

    Heatwave: প্রবল গরমেও ত্বক শুষ্ক, ফাটছে ঠোঁট! কীভাবে যত্ন নেবেন? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    তাপমাত্রার পারদ প্রতিদিন বাড়ছে‌। রাজ্যের একাধিক জায়গায় তাপপ্রবাহের সতর্কতাও জারি করেছেন আবহাওয়া দফতরের কর্তারা। এই তীব্র গরমে একাধিক শারীরিক সমস্যার মধ্যে দেখা দিয়েছে ত্বকের সমস্যাও। এই গরমে (Heatwave) ত্বকের শুষ্কতা আরও বেড়েছে। ত্বক বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, সাধারণত এ দেশের আবহাওয়ায় ত্বকের শুষ্কতা শীতকালে বেশি দেখা যায়। গরমে অতিরিক্ত ঘামে ত্বকে র‍্যাশ জাতীয় সমস্যা কিংবা সান বার্নের মতো অসুবিধায় ভোগেন অধিকাংশ রোগী। কিন্তু এবছরে গরমে বাড়তি সমস্যা তৈরি করছে ত্বকের শুষ্কতা। তাই চিকিৎসকদের পরামর্শ, গরমে ত্বকের বাড়তি যত্ন জরুরি। পাশপাশি কয়েকটি জিনিস এড়িয়ে চললেই শুষ্কতা কমানো যাবে। তবেই এই গরমেও এড়ানো যাবে ত্বকের সমস্যা।

    কোন দিক এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা? (Heatwave) 

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, গরম থেকে বাঁচতে, আরামের জন্য অধিকাংশই এসির মধ্যে থাকছেন। আর এই অতিরিক্ত এসিতে থাকাই বিপত্তি বাড়াচ্ছে। কারণ, অতিরিক্ত সময় এসিতে থাকলে ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা নষ্ট হয়ে যায়। ফলে শুষ্কতা বাড়ে। তাছাড়াও অনেকেই এই সময়ে ছুটির দিনে সুইমিং পুলে সময় কাটান। অতিরিক্ত সময় সুইমিং পুলে থাকলে ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়। কারণ, সুইমিং পুলের জলে পিএইচ মাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি থাকে। তাই ত্বকের শুষ্কতা বাড়ে। তবে, অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা যায়, শরীরে জলের ঘাটতিতে শুষ্কতার সমস্যা বাড়ছে। গরমে (Heatwave) অনেক সময়েই প্রয়োজন‌ মাফিক জল খাওয়া হয় না। যতখানি ঘাম হয়, শরীর থেকে জল বের হয়, ততটা জল খাওয়া হয় না। এর ফলেই ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়। তাই এই তিনটি বিষয়ে নজর দিলে শুষ্কতার সমস্যা কিছুটা কমানো যাবে বলেই মনে করছেন চিকিৎসকদের একাংশ। ঘরোয়া পদ্ধতিতেই কি এই সমস্যার সমাধান রয়েছে? বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, কয়েকটি ঘরোয়া জিনিস এই গরমেও ত্বকের শুষ্কতা কমিয়ে, ত্বক ভালো রাখতে বিশেষ‌ভাবে‌ সাহায্য করবে।

    তরমুজ, লেবু, ডাবের জল নিয়মিত খাওয়া জরুরি

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই গরমে (Heatwave) শরীর সুস্থ রাখতে কিছু ফল নিয়মিত খাওয়া জরুরি। তাঁদের পরামর্শ, পর্যাপ্ত পরিমাণে জল খাওয়ার পাশপাশি তরমুজ, লেবুর মতো রসালো ফল নিয়মিত খেতে হবে। এগুলো শরীর ও ত্বক শুষ্ক হতে দেয় না। এছাড়া, লেবুতে রয়েছে ভিটামিন সি। তাই লেবুর রস খেলে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ে। এছাড়াও এই গরম মোকাবিলা করতে নিয়মিত ডাবের জল খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, ডাবের জলে রয়েছে একাধিক খনিজ পদার্থ। তাই শরীরে হরমোনের ভারসাম্য বজায় থাকে। ত্বক ভালো থাকে।

    সপ্তাহে অন্তত একবার মধু মাখলে কমবে সমস্যা (Heatwave)

    বিশেষজ্ঞদের একাংশের পরামর্শ, ত্বকের শুষ্কতা কমাতে সপ্তাহে অন্তত একবার মুখে মধু মাখলে উপকার পাওয়া যাবে। মধু ত্বকের শুষ্কতা দূর করে। ত্বক‌ মসৃণ করে।

    নিয়মিত টক দই দেবে বাড়তি উপকার

    ত্ব‌ক ভালো রাখতে নিয়মিত টক দই খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, নিয়মিত টক দই লিভার ভালো রাখে। লিভার সুস্থ থাকলে ত্বকের একাধিক সমস্যা কমে। তাই এই গরমে (Heatwave) ত্বক ভালো রাখতে নিয়মিত টক দই খাওয়া দরকার।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share