Tag: Delhi AIIMS

Delhi AIIMS

  • RG Kar Protest: আরজি করকাণ্ডের প্রতিবাদ, ৯ অক্টোবর দিল্লিতে এইমসের ডাক্তারদের মোমবাতি মিছিল

    RG Kar Protest: আরজি করকাণ্ডের প্রতিবাদ, ৯ অক্টোবর দিল্লিতে এইমসের ডাক্তারদের মোমবাতি মিছিল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করকাণ্ডে (RG Kar Protest) নির্যাতিতার ন্যায় বিচারের দাবিতে দিল্লি এইমসের (Delhi AIIMS) ডাক্তাররা সরব হলেন। রাস্তায় নেমে আন্দোলনের কথাও তাঁরা ঘোষণা করলেন। ইতিমধ্যেই জুনিয়র ডাক্তাররা ধর্মতলায় অনশন শুরু করেছেন। এই আন্দোলনকে দিল্লি এইমসের রেসিডেন্ট ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন (আরডিএ)-এর পক্ষ থেকে সমর্থন জানানো হয়েছে।

    ন্যায় বিচারের দাবিতে মোমবাতি মিছিল (RG Kar Protest)

    সংগঠনের দেওয়া প্রেস বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ‘‘আরজি কর ইস্যুতে যেভাবে সাহসের সঙ্গে বাংলার জুনিয়র ডাক্তাররা (RG Kar Protest) লাগাতার আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন, নয়াদিল্লির এইমসের রেসিডেন্ট ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন (আরডিএ) পক্ষ থেকে প্রশংসা করা হয়েছে। কারণ, এই ধরনের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর কেউ চুপ করে বসে থাকতে পারে না। তাঁদের দাবিকে আমরা পূর্ণ সমর্থন করছি। ‘জাস্টিস ফর অভয়ার’ দাবিতে আমাদের আন্দোলন চলবে। ধর্ষণ করে খুন করার ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি। এই আন্দোলন শুধু বাংলার ডাক্তারদের একার নয়। দেশের সকল চিকিৎসকরা এই ঘটনায় চুপ হয়ে বসে থাকতে পারে না। তাই, ন্যায় বিচারের দাবিতে আমরা রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানাতে চলেছি। ৯ অক্টোবর সন্ধ্যা ৬ টায় দিল্লির জেএলএন অডিটোরিয়াম থেকে মোমবাতি মিছিল শুরু করা হবে। সেখানে সংগঠনের সদস্যরা হাজির থাকবেন। মিছিলের মধ্যে দিয়ে অভয়ার জন্য ন্যায় বিচারের দাবি জানানো হবে। একইসঙ্গে কলকাতায় ডাক্তারদের আন্দোলনের পাশে যে রেসিডেন্ট ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন রয়েছে, তারও বার্তা দেওয়া হবে।’’

    আরও পড়ুন: ধর্মতলায় আমরণ অনশন জুনিয়র ডাক্তারদের, এবার যোগ দিলেন আরজি করের অনিকেত

    দাবি না মানায় আন্দোলনে ডাক্তাররা

    প্রসঙ্গত, শুক্রবার আরজি কর (RG Kar Protest) হাসপাতালের প্রতিবাদী চিকিৎসকরা রাজ্য সরকারকে তাঁদের দাবি পূরণের জন্য ২৪ ঘণ্টার চূড়ান্ত সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিলেন। কিন্ত, সময়মতো দাবি পূরণ না হওয়ায় তাঁরা আন্দোলন শুরু করেছেন। উল্লেখ্য, ৯ অগাস্ট কলকাতার আরজিকর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের সেমিনার হলে চিকিৎসক ছাত্রীর মৃতদেহ উদ্ধার হয়। আর সেই ঘটনার পর থেকে রাজ্যজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়ে যায়। যার জেরে ন্যায় বিচারের দাবিতে লাগাতার আন্দোলন চলছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Hospital: আরজি কর কাণ্ডে রাজ্যজুড়ে কর্মবিরতি-বিক্ষোভ চিকিৎসকদের, আঁচ দিল্লিতেও

    RG Kar Hospital: আরজি কর কাণ্ডে রাজ্যজুড়ে কর্মবিরতি-বিক্ষোভ চিকিৎসকদের, আঁচ দিল্লিতেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজিকর হাসপাতালে (RG Kar Hospital) তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুনের (Doctor Rape-Murder Incident) ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ-কর্মবিরতিতে সামিল হয়েছেন রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালের (State Government Hospital) জুনিয়র চিকিৎসকরা। শুধু তাই নয়, খাস কলকাতার বুকে ঘটে যাওয়া এমন ঘটনার আঁচ পড়তে দেখা গিয়েছে দিল্লিতেও। এই ঘটনায় স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্ত চেয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছে দিল্লি এইমস রেসিডেন্ট ডক্টর্স অ্যাসোসিয়েশন।

    অন্যদিকে, চণ্ডীগড়ের রেসিডেন্ট ডক্টর্স অ্যাসোসিয়েশনও এমন ঘটনায় (RG Kar Hospital) উদ্বেগপ্রকাশ করে সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়েছে।  এর পাশাপাশি, মহিলা চিকিৎসকদের শুধুমাত্র দিনের বেলায় ডিউটি দিতে হবে এমন দাবিও করেছে তারা। এরই সঙ্গে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ প্রভাবিত চিকিৎসক সংগঠন, ‘ন্যাশনাল মেডিক্যাল অর্গানাইজেশন’ রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লিখেছে এবং চিকিৎসকদের কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে তারা।

    নির্ভয়াকাণ্ডের থেকেও নৃশংস ঘটনা (RG Kar Hospital)

    পেডিয়াট্রিক সার্জারি অ্যাসোসিয়েশন এই ঘটনাকে নির্ভয়াকাণ্ডের থেকেও নৃশংস বলে দাবি করে মহিলা চিকিৎসকদের জন্য নিরাপদ পরিবেশের দাবি জানিয়েছে। অন্যদিকে, রাজ্যের মধ্যে কলকাতা সমেত জেলায় জেলায় মেডিক্যাল কলেজগুলিতে এদিন দিনভর প্রতিবাদ-কর্মবিরতি চলছে। আন্দোলনকারী (Doctor Rape-Murder Incident) ডাক্তারি পড়ুয়া ও জুনিয়র চিকিৎসকেদর সাফ কথা, ‘‘আমরা রাত জেগে রোগীদের জীবন রক্ষা করব, অথচ আমাদের নিজেদের জীবনের কোনও সুরক্ষা থাকবে না? আগে তা নিশ্চিত করতে হবে। তবেই বিক্ষোভ প্রত্যাহার।’’

    কলকাতায় চলছে বিক্ষোভ-কর্মবিরতি (Doctor Rape-Murder Incident)

    নৃশংস এই ঘটনায় (RG Kar Hospital) ইতিমধ্যেই একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। কিন্তু জুনিয়র চিকিৎসকদের একাংশ জানিয়েছেন, দোষীর উপযুক্ত শাস্তি না হওয়া পর্যন্ত কাজে যোগদান করবেন না তাঁরা। কলকাতা থেকে জেলা সর্বস্তরে চিকিৎসকদের হাতে এদিন রয়েছে পোস্টার, তাতে লেখা ‘বিচার চাই’। কলকাতা মেডিকেল কলেজেও বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন জুনিয়র চিকিৎসকরা (Doctor Rape-Murder Incident)। একই ছবি দেখা গিয়েছে কলকাতা ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ, শিশু মঙ্গল হাসপাতাল, সাগর দত্ত মেডিকেল কলেজ ও নীলরতন সরকার হাসপাতালেও। সর্বত্র প্রতিবাদ-কর্মবিরতি চলছে।

    নিজেদের নিরাপত্তা ও ঘটনার দোষী বা দোষীদের কঠোর সাজা দাবি করছেন জুনিয়র চিকিৎসকরা

    কলকাতা মেডিকেল কলেজের জুনিয়র চিকিৎসকরা রোগীর পরিবার-পরিজনদের এদিন সাফ জানিয়ে দেন যে, তাঁরা কোনও রকমের চিকিৎসা পরিষেবা দেবেন না। কলকাতা ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজের জুনিয়র চিকিৎসকরা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, হাসপাতালের নিরাপত্তা বৃদ্ধি করতে হবে রাতে, সেই সঙ্গে মৃত তরুণীর (RG Kar Hospital) জন্য উপযুক্ত তদন্ত ও অভিযুক্ত বা অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজেও হাতে পোস্টার হাতে বসে পড়েছেন জুনিয়র চিকিৎসকরা।

    অন্যদিকে, শিশুমঙ্গল হাসপাতালের জুনিয়র চিকিৎসকরা এদিন সকাল থেকেই বিক্ষোভ-কর্মবিরতিতে সামিল হয়েছেন (Doctor Rape-Murder Incident)। তাঁদের হাতেও রয়েছে পোস্টার। হাসপাতালে নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং নিয়ম আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন শিশুমঙ্গল হাসপাতালের জুনিয়র চিকিৎসকরা। এর পাশাপাশি, তাঁরা জানিয়েছেন যে এই ঘটনায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে দোষী বা দোষীদের। এছাড়া,  সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল এবং এনআরএস-এর জুনিয়র চিকিৎসকরা কর্মবিরতি-বিক্ষোভ অবস্থানে (RG Kar Hospital) নিজেদের নিরাপত্তা ও ঘটনার দোষী বা দোষীদের কঠোর সাজা দাবি করছেন।

    জেলাগুলিতেও চলছে প্রতিবাদ-কর্মবিরতি 

    অন্যদিকে জেলার হাসপাতালগুলিতেও দেখা যাচ্ছে একই চিত্র। প্রতিবাদ-কর্মবিরতি চলছে বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিকেল কলেজে, বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ, মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ, উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল সর্বত্র। উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজে বহির্বিভাগও বন্ধ করে দিয়েছেন চিকিৎসকরা। কমবেশি প্রতিটি মেডিক্যাল কলেজের আন্দোলনকারীদের বক্তব্য একই, দোষীদের অবিলম্বে চিহ্নিত করতে হবে এবং কঠোর সাজা (RG Kar Incident) দিতে হবে। একইসঙ্গে হাসপাতালে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবিও জানিয়েছেন জুনিয়র চিকিৎসকরা।

    কী বলছেন জেলার মেডিক্যাল কলেজের পড়ুয়ারা?

    বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের এক আন্দোলনকারী বলেন, ‘‘ডাক্তারদের মারধর, অসম্মান এত দিন আমরা সহ্য করেছি। কিন্তু এই ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না। অবিলম্বে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। যত ক্ষণ না তা হচ্ছে, বহির্বিভাগের পরিষেবা বন্ধ থাকবে। তবে জরুরি পরিষেবা খোলা আছে। আমরা বিচার চাই।’’ তবে এমন আন্দোলনের প্রভাব দেখা গিয়েছে চিকিৎসা পরিষেবাতেও। জরুরি বিভাগ খোলা থাকলেও কর্মবিরতির কারণে কোথাও জুনিয়র চিকিৎসকরা কাজে যোগ দেননি।

    কী বলছেন আরজি করের জুনিয়র চিকিৎসরা? 

    আরজি করের এক জুনিয়র চিকিৎসকের কথায়, ‘‘আমাদের কোনও নিরাপত্তা নেই এখানে। গত দিনের ঘটনার পর আমরা ভয়ে আছি। আমাদের পরিবার চিন্তায় আছেন। আমাদের এক জনকে হাসপাতালের মধ্যে ধর্ষণ করে খুন করে ফেলে দেওয়া হল। তার পরেও কীভাবে আমরা এই হাসপাতালে কাজ করব?’’ অন্য এক বিক্ষোভকারী বলেন, ‘‘ওঁর সঙ্গে যা হয়েছে, আগামী দিনে তা আমার সঙ্গেও হতে পারে। আমরা এখানে ঝুঁকি নিয়ে কাজ করি। নিরাপত্তা নিশ্চিত না করলে, দোষীদের কঠোর শাস্তি না হলে আমরা কাজে ফিরব না।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Delhi AIIMS: শিশুর ফুসফুসে গেঁথে ছিল সূচ! শক্তিশালী চুম্বক দিয়ে বের করলেন দিল্লি এমসের ডাক্তাররা

    Delhi AIIMS: শিশুর ফুসফুসে গেঁথে ছিল সূচ! শক্তিশালী চুম্বক দিয়ে বের করলেন দিল্লি এমসের ডাক্তাররা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাশি সঙ্গে বের হচ্ছিল রক্ত। মাত্র সাত বছরের শিশুর এই সমস্যাকে ঘিরে পরিবারের লোকজন আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন। চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গেলে প্রথমে শিশুর বুকের এক্স-রে করা হয়। দেখা যায় ফুসফুসের বাঁ দিকে গেঁথে রয়েছে সূচ। এই ঘটনায় ডাক্তাররা রীতিমতো আশঙ্কা প্রকাশ করেন। শিশুর প্রাণ বাঁচাতে অস্ত্রোপচারের কথাও বলেন। কিন্তু অস্ত্রোপচার ভীষণ ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। চিকিৎসকরা শিশুর প্রাণ বাঁচালেন বিশেষ পদ্ধতি প্রয়োগ করে। চুম্বক দিকে বের করা হল ফুসফুসে গেঁথে থাকা সূচকে। এই বিরল চিকিৎসায় সাফল্যের ঘটনা ঘটেছে দিল্লির এমস (Delhi AIIMS) হাসপাতালে।

    কী বলল এমস (Delhi AIIMS)?

    দিল্লি এইমস (Delhi AIIMS) থেকে এই চিকিৎসা সম্পর্কে বলা হয়, “পেডিয়াট্রিক সার্জারি বিভাগের ডাক্তাররা চুম্বক দিয়ে শিশুর বুক থেকে সূচ বের করেছেন।” বিভাগের প্রফেসর ডাক্তার বিশেষ জৈন বলেন, “গত বুধবার ওই শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কাশির মধ্যে দিয়ে রক্ত বের হচ্ছিল শিশুর। পরীক্ষা করে দেখা যায় ৪ সেন্টিমিটার লম্বা এবং ১.৫  সেন্টিমিটার মোটা সূচ গেঁথে ছিল। জায়গাটা এমন ছিল যে অস্ত্রপচারের জন্য যন্ত্রপাতি ব্যবহার করার মতো পরিসর ছিল না। অবশেষে চুম্বক দিয়ে সূচ বের করা হয়েছে।”

    ডাক্তাররা আর কী বললেন?

    শিশুটির জীবন রক্ষা করতে চাঁদনি চক মার্কেট থেকে শক্তিশালী চুম্বক কিনে আনার পরামর্শ দেন ডাক্তার জৈন। আর তা দিয়েই সূচ বের করা হয়। এই বিভাগের এমসের (Delhi AIIMS) আরেক চিকিৎসক ডাক্তার দেবেন্দ্র কুমার যাদব বলেন, “শিশুর শারীরিক অবস্থার যাতে ক্ষতি না হয়, তার কথা ভেবে টেকনিক্যাল অফিসারদের সঙ্গে আলোচনা করেই এই বিশেষ অভিনব পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়েছে।”

    কীভাবে বের করা হল?

    এমস (Delhi AIIMS) সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রথমে শিশুর বুকে থাকা সূচের অবস্থানকে এন্ডোস্কোপির দ্বারা চিহ্নিত করা হয়। এরপর খুব সাবধানে পাইপের মধ্যে যন্ত্র প্রবেশ করানো হয়। সুতো এবং রবার ব্যান্ড দিয়ে একটি শক্তিশালী চুম্বক আটকানো ছিল যন্ত্রে। আর তা দিয়েই বের করা হয়েছে সূচ। জানা গিয়েছে, এই ভাবে যদি বের করা না যেত, তাহলে বুক কেটে ওপেন হার্ট সার্জারি করতে হতো। আর তা আরও অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হতো।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Cyber Attack: দিল্লি এইমসে সাইবার অ্যাটাক! হ্যাকারদের টাকা চাওয়ার দাবি অস্বীকার করল দিল্লি পুলিশ

    Cyber Attack: দিল্লি এইমসে সাইবার অ্যাটাক! হ্যাকারদের টাকা চাওয়ার দাবি অস্বীকার করল দিল্লি পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লি এইমস হাসপাতালের সাইবার অ্যাটাক (Cyber Attack) নিয়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছিল। কিন্তু এবারে সাইবার অ্যাটাক কাণ্ডে এল নয়া মোড়। সূত্রের খবর অনুযায়ী জানা গিয়েছিল যে, হ্যাকাররা ক্রিপ্টোকারেন্সির মাধ্যমে ২০০ কোটি টাকা দাবি করেছে। কিন্তু এই খবরকে অস্বীকার করল দিল্লি পুলিশ। দিল্লি পুলিশ সূত্রে খবর, এইমসের সার্ভার ডাউন থাকলেও হ্যাকারদের তরফে কোনও টাকা চাওয়া হয়নি।

    ঠিক কী ঘটে?

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, কিছুদিন আগেই দিল্লির এইমস হাসপাতালের সার্ভার ডাউন হয়ে যায় সাইবার অ্যাটাকের (Cyber Attack) জন্য। হ্যাকিং-এর এই বিষয়টি প্রথম বোঝা যায় গত বুধবার। বুধবার সকালে ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শোরগোল পড়ে গিয়েছিল। সোমবার নিয়ে টানা ষষ্ঠ দিন এইমসের সার্ভার ডাউন ছিল। ঘটনার ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু হয়েছে। সাইবার অ্যাটাকের পর খবর এসেছিল যে, হ্যাকাররা ক্রিপটোকারেন্সিতে টাকা দাবি করেছে। তবে আজ দিল্লি পুলিশ এ বিষয়ে জানায় যে, কোনও টাকাই দাবি করা হয়নি।

    গত বুধবার সকালে হওয়া এই হ্যাকার-হামলার জেরে প্রায় ৩-৪ কোটি রোগীর ডেটা হ্যাকারদের হাতে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকতে পারে। এইমস একটি বিবৃতি জারি করে বলেছে, “ডেটা পুনরুদ্ধার এবং সার্ভার ঠিক করার কাজ চলছে এবং ডেটার পরিমাণ এবং হাসপাতালের পরিষেবার জন্য প্রচুর সার্ভারের কারণে কিছু সময় নিচ্ছে। সাইবার নিরাপত্তার জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।”

    আরও পড়ুন: কল্যাণী এইমস মামলায় বিপাকে সিআইডি, তদন্ত চালাতে লাগবে কেন্দ্রের অনুমতি, জানাল হাইকোর্ট

    ম্যানুয়াল মোডে পরিষেবা…

    সাইবার অ্যাটাকের (Cyber Attack) পর সার্ভার ডাউন হলে সব পরিষেবা ম্যানুয়াল মোডে করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে এইমস। এইমস থেকে জানানো হয়েছে, “বহিরাগত রোগী, ইন-পেশেন্ট, ল্যাবরেটরি ইত্যাদি সহ হাসপাতালের সমস্ত পরিষেবা ম্যানুয়াল মোডে চলছে।” এর আগে শনিবার, এইমস কর্তৃপক্ষ বলেছিল যে, তারা জাতীয় মেডিকেল ইনস্টিটিউটে ডায়াগনস্টিকস, ল্যাব এবং ওপিডি পরিষেবাগুলি চালানোর জন্য অতিরিক্ত কর্মী মোতায়েন করেছে।

    ইনস্টিটিউটের মেডিকেল সুপারিনটেনডেন্ট, ডাঃ ডি কে শর্মা জানিয়েছে, পরিষেবায় যাতে কোনও ব্যাঘাত না ঘটে, তাই বিভিন্ন বিভাগে বেশি কর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। তিনি জানিয়েছেন, সার্ভার ডাউন হওয়ার পরেও ডিজিটাল রেকর্ডের তুলনায় বেশি রোগী দেখা গেছে। গত তিন দিনে, তাঁরা প্রতিদিন প্রায় ১২ হাজার রোগীর চিকিৎসা করেছে।

    তদন্তে কেন্দ্রীয় সংস্থা…

    দিল্লির এইমস-এ সাইবার অ্যাটাকের (Cyber Attack) তদন্তে এখন বেশ কয়েকটি কেন্দ্রীয় সংস্থা জড়িত রয়েছে। গত শুক্রবার, ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (এনআইএ) এই তদন্তে যোগ দিয়েছে। এর পাশাপাশি এই কাণ্ডের তদন্ত করছে ইন্ডিয়া কম্পিউটার ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম, দিল্লি পুলিশ, ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো, সেন্ট্রাল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (সিবিআই)।

LinkedIn
Share