Tag: delhi court

delhi court

  • Dhruv Rathee: বিজেপির মানহানি মামলায় আপপন্থী ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিকে তলব দিল্লি আদালতের

    Dhruv Rathee: বিজেপির মানহানি মামলায় আপপন্থী ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিকে তলব দিল্লি আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিকে (Dhruv Rathee) তলব করল দিল্লির আদালত। ধ্রুব আপপন্থী ইউটিউবার। তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হয়েছে মানহানির মামলা। মামলাটি দায়ের করেছেন বিজেপির স্বেচ্ছাসেবক ও সফ্টওয়্যার ইঞ্জিনিয়র বিকাশ পান্ডে। চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট অঙ্কিত গর্গ ধ্রুবকে ১৯ নভেম্বর আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। আদালত জানিয়েছে, শুনানির সময় তাঁর উপস্থিতি অত্যন্ত প্রয়োজন। তাই তিনি অনুপস্থিত থাকতে পারবেন না।

    কী বলছেন বিকাশ? (Dhruv Rathee)

    ধ্রুবর উদ্দেশে ট্যুইট-বার্তা দিয়েছেন বিকাশ স্বয়ং। লিখেছেন, “প্রিয় ধ্রুব রাঠি, তুমি সদ্য বাবা হয়েছো বলে খারাপ খবর দিতে ঘৃণা হচ্ছে। কিন্তু তোমাকে আমার বিরুদ্ধে করা ভুয়ো ভিডিওগুলি নিয়ে আদালতে হাজির হওয়ার নোটিশ পাঠানো হয়েছে। এখন সময় হয়েছে আইন থেকে পালানো বন্ধ করে আদালতে হাজির হওয়ার।” ঘটনার সূত্রপাত ২০১৮ সালে। সেই সময় ধ্রুব একটি ভিডিও সিরিজ প্রকাশ করেন। সেখানে তিনি অভিযোগ করেছিলেন, বিকাশ সংস্কৃত্যায়ন, যিনি বিকাশ পাণ্ডে নামেও পরিচিত, তিনি বিজেপি আইটি সেলের সদস্য ছিলেন। তিনি মহাবীর প্রসাদ নামের এক ব্যক্তিকে ৫০ লাখ টাকা ঘুষ দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। যিনি নিজেকে বিজেপির আইটি সেলের প্রাক্তন সদস্য বলে দাবি করেছিলেন তাঁর বিরুদ্ধে কথা বলার জন্য।

    রাঠির স্বীকারোক্তি

    ভিডিও সিরিজটি (Dhruv Rathee) প্রকাশিত হয় তিন পর্বে। তাঁর বিরুদ্ধে ১৫ লাখ টাকার মানহানির মামলা দায়ের করেছিলেন বিকাশ। রাঠি দাবি করেছিলেন, মহাবীর প্রসাদের কাছে এমন একটি ফোন কলের রেকর্ডিং ছিল, যেখানে পান্ডে তাঁকে রাঠির বিরুদ্ধে কথা বলার জন্য ঘুষ দিয়েছিলেন। অবশ্য মামলা দায়ের হওয়ার পর অন্য একটি ভিডিওতে রাঠি (Dhruv Rathee) স্বীকার করেন, ৫০ লাখ ঘুষ দেওয়ার প্রস্তাবের রেকর্ডিং তাঁর কাছে নেই।

    আরও পড়ুন: “ভূস্বর্গে যে পরিবর্তন হয়েছে, এই নির্বাচনই তার প্রমাণ”, বললেন শাহ

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Medha Patkar: পাঁচ মাসের কারাদণ্ড মেধা পাটকরকে, কেন জানেন?

    Medha Patkar: পাঁচ মাসের কারাদণ্ড মেধা পাটকরকে, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাঁচ মাসের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে মেধা পাটকরকে (Medha Patkar)! সোমবার এমনই নির্দেশ দিয়েছেন দিল্লির সাকেত আদালতের মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাঘব শর্মা। ২০০১ সালে মামলাটি দায়ের করেছিলেন বিনয় কুমার সাক্সেনা। বর্তমানে তিনি দিল্লির উপ-রাজ্যপাল। কারাদণ্ডের পাশাপাশি বিনয়কে ১০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণের নির্দেশও দিয়েছে আদালত।

    আদালতের নির্দেশ

    ম্যাজিস্ট্রেট জানান, কারাদণ্ডের এই আদেশটি স্থগিত থাকবে ৩০ দিনের জন্য। মেধা যাতে উচ্চ আদালতে মামলা করতে পারেন, তাই এই সময় বলে ধারণা আইনজ্ঞদের। প্রসঙ্গত, গত ২৪ মে এই মামলায় দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছিল মেধাকে (Medha Patkar)। এদিন ঘোষণা করা হল সাজা। ২০০০ সালে ‘ন্যাশনাল কাউন্সিল অফ সিভিল লিবার্টিজ’ নামে এক সংগঠনের সভাপতি পদে ছিলেন বিনয়। সেই সময় ‘নর্মদা বাঁচাও’ আন্দোলনের নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন মেধা। আন্দোলন জোরদার করতে এই সময় মেধা একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেন বলে অভিযোগ।

    মেধার বিরুদ্ধে গুচ্ছ অভিযোগ

    পরে বিনয়কে ‘কাপুরুষ’ অভিধায় ভূষিত করেছিলেন মেধা। হাওয়ালা লেনদেনে বিনয়ের যোগ রয়েছে বলেও অভিযোগ করেছিলেন নর্মদা বাঁচাও আন্দোলনের নেত্রী। বিনয়কে গুজরাট সরকারের দালাল বলেও অভিহিত করেছিলেন তিনি। মেধার আরও অভিযোগ, গুজরাটের জনগণ ও তাঁদের সম্পদকে বিদেশি স্বার্থের কাছে বন্ধক রাখা হয়েছে। এসবেরই প্রেক্ষিতে ২০০১ সালে আহমেদাবাদের এক আদালতে মেধার (Medha Patkar) বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের করেছিলেন বিনয়। ২০০৩ সালে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে মামলাটি স্থানান্তরিত হয়েছিল দিল্লিতে।

    আর পড়ুন: আমলা দম্পতির বিরুদ্ধে অবমাননাকর মন্তব্য, তৃণমূল সাংসদের জরিমানা ৫০ লাখ

    ২৪ মে এই মানহানি মামলায় মেধাকে দোষী সাব্যস্ত করার সময় বিচারক বলেছিলেন, ‘ইচ্ছাকৃতভাবেই এবং অঙ্ক কষেই মেধা পাটকর ওই প্রেস বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিলেন। এর মাধ্যমে বিনয় সাক্সেনার মানহানি করার উদ্দেশ্য ছিল তাঁর’। বিচারক আরও বলেছিলেন, ‘বিনয়কে অবৈধ ও অনৈতিক আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে যুক্ত বলায়, তাঁর খ্যাতি ও মানের বড় ক্ষতি হয়েছে। মেধার কাছে এই সব অভিযোগের কোনও উপযুক্ত প্রমাণ নেই।’ আদালত জানিয়েছে, বিনয়ের বিরুদ্ধে করা মেধার অভিযোগগুলির নেপথ্যে ছিল জনগণের ক্ষোভ উসকে দেওয়ার উদ্দেশ্য। রায় শুনে মেধার (Medha Patkar) প্রতিক্রিয়া, “আমরা আদালতের এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Vande Mataram: জাতীয় সঙ্গীত ‘জন গণ মন’ এর মতো জাতীয় গীত বন্দেমাতরমকেও বিশেষ সম্মান জানানোর পক্ষে সওয়াল কেন্দ্র সরকারের

    Vande Mataram: জাতীয় সঙ্গীত ‘জন গণ মন’ এর মতো জাতীয় গীত বন্দেমাতরমকেও বিশেষ সম্মান জানানোর পক্ষে সওয়াল কেন্দ্র সরকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাতীয় গান বন্দেমাতরমকেও (Vande Mataram) এবার বিশেষ মর্যাদা দেবার জন্য দেশের নাগরিকদের নির্দেশ দিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। শনিবার দিল্লি হাইকোর্টে একটি হলফনামা দিয়ে জানাল কেন্দ্র সরকার। অর্থাৎ দুটো সঙ্গীতকেই সমান মর্যাদার পক্ষে কেন্দ্র। উল্লেখ্য, জাতীয় সঙ্গীত বাজানো বা গাওয়ার ক্ষেত্রে সংবিধানে নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। কিন্তু ভারতের জাতীয় গান বন্দেমাতরমের ক্ষেত্রে তেমন কোনও নিয়ম বা তা অমান্য করলে শাস্তিমূলক বিধান নেই।
    বিশিষ্ট আইনজীবী ও বিজেপি নেতা অশ্বিনী উপাধ্যায় দিল্লি হাইকোর্টে একটি পিটিশন দাখিল করেছিলেন। সেই আবেদনের প্রেক্ষিতেই দিল্লী হাইকোর্টে হলফনামায় এই নির্দেশিকা দেয় অমিত শাহের দপ্তর। কেন্দ্রের তরফে দিল্লি হাইকোর্টে জানানো হয়েছে, দেশের শীর্ষ আদালতে এই বিষয়ে একটি মামলা উঠেছিল। সুপ্রিম কোর্ট এই বিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে বা রায় জানাতে অস্বীকার করে। কারণ হিসেবে সুপ্রিম কোর্টের তরফে জানানো হয়, আদালতে জাতীয় সঙ্গীত ও জাতীয় গানের বিষয়ে কোনও উল্লেখ নেই। সেই কারণে এই বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট কোনও মন্তব্য করতে পারে না। পরবর্তীকালে উচ্চ আদালতের তরফে বন্দে মাতরম গান বাজানোর নির্দেশিকার আবেদন করে একটি পিটিশন খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি হাইকোর্টের তরফে জানানো হয়েছে, ‘বন্দে মাতরম’ ও ‘জন গণ মন’-এর মধ্যে কোনও বিরোধ থাকতে পারে না। কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের আদেশ কেন্দ্র মেনে চলে।

    প্রসঙ্গত, বন্দেমাতরম হল বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের আনন্দমঠ উপন্যাসের একটি কবিতা। ১৮৯৬ সালে প্রথমবার গানটি গাওয়া হয় কংগ্রেসের কলকাতা অধিবেশনে। দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসের সঙ্গেও এই গানটি ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। তবে যখন জাতীয় সঙ্গীত নির্বাচনের বিষয় আসে, তখন বন্দে মাতরমের পরিবর্তে জনগণমনকেই বেছে নেন বিশেষজ্ঞরা। একইসঙ্গে সিদ্ধান্ত হয় জনগণমনর মতো একই মর্যাদা দেওয়া হবে বন্দে মাতরমকেও। সেই মতো ১৯৫০-এর ২৪ জানুয়ারি জনগণমনকে (National Anthem) জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে গ্রহণ করার পাশাপাশি বন্দেমাতরমকে জাতীয় গান (National Song Of India) হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

    অপরদিকে,কবিগুরুর রচিত জনগণমন গানটি প্রথম গাওয়া হয়েছিল ১৯১১ সালের ২৭ ডিসেম্বর কলকাতায় আয়োজিত ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের ২৬তম বার্ষিক অধিবেশনে। আর তার ঠিক পরের দিন দ্য বেঙ্গলি পত্রিকায় গানটির ইংরেজি অনুবাদসহ একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এরপর ১৯১২ সালের জানুয়ারি মাসে তত্ত্ববোধিনী পত্রিকায় ভারত-বিধাতা নামে প্রকাশিত হয় গানটি। তারও পরে গানটির ইংরেজি অনুবাদ করেন রবীন্দ্রনাথ। পরবর্তীকালে ১৯৩৭ সালে প্রথম সুভাষচন্দ্র বসু (Subhas Chandra Bose) জনগণমন-কে জাতীয় সঙ্গীত করার প্রস্তাব করেন।

    এরপর কেটে যায় আরও অনেকগুলো বছর। ১৯৪৭-এ দেশ স্বাধীন হওয়ার পর কোনও একটি অনুষ্ঠানে বাজানোর জন্য জাতিসংঘে নিযুক্ত ভারতীয় প্রতিনিধিদের থেকে জাতীয় সংগীতের একটি রেকর্ড চাওয়া হয়। তাঁরা বিষয়টি ভারত সরকারকে জানান এবং জনগণমন-কেই (Jana Gana Mana) বাজানোর পক্ষে মত দেন। এরপর সরকারের অনুমতি অনুসারে জাতিসংঘের অর্কেস্ট্রাবাদনের একটি রেকর্ড সেই অনুষ্ঠানে বাজানো হয়। আরও পরে অন্যান্য বিশেষজ্ঞরাও এই গানটিকেই দেশের জাতীয় সঙ্গীত করার পক্ষে মতপ্রকাশ করেন। যার জেরে ১৯৫০ সালের ২৪ জানুয়ারি জনগণমনকেই দেশের জাতীয় সঙ্গীত (National Anthem) হিসেবে গ্রহণ করা হয়।

  • Anubrata Mondal: কথা বলতে চাইলেন কেষ্ট, নিজের জায়গায় বসে রইলেন মণীশ! কী হাল অনুব্রতর? 

    Anubrata Mondal: কথা বলতে চাইলেন কেষ্ট, নিজের জায়গায় বসে রইলেন মণীশ! কী হাল অনুব্রতর? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একদা তিনি ছিলেন বীরভূমের বেতাজ বাদশা। এখন বোলপুরের দেওয়ালে খুঁজে পাওয়া যাবে না তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের নাম। এবারের কালীপুজোও জেলেই কাটাতে হবে তাঁকে (Anubrata Mondal)। ফের ২৯ নভেম্বর পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে অনুব্রত মণ্ডল, তাঁর কন্যা সুকন্যা মণ্ডল, সায়গল হোসেন-সহ তিহাড়ে থাকা গরু পাচারে-যুক্ত (Cow Smuggling Case) বাকি বন্দিদের। এমনই নির্দেশ দিল্লির রাউজ এভিনিউ কোর্টের। 

    একা হচ্ছেন অনুব্রত?

    এখন তিহাড় জেলে দিন কাটছে কেষ্টর। আগের থেকে বেশ খানিকটা ওজন ঝরেছে বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal)। শরীরিক অবস্থা দর্শিয়ে মঙ্গলবার জামিন পেতে চেয়েছিলেন অনুব্রত। কিন্তু হয়নি। মঙ্গলবারও জামিন খারিজ হয়ে যায় তাঁর। এদিন কোর্ট রুমে একসময়ের তাঁর হিসাবরক্ষক মণীশ কোঠারির সঙ্গে কথা বলতে চান অনুব্রত। কিন্তু নিজের জায়গা ছেড়ে উঠে এসে অনুব্রত মণ্ডলের সঙ্গে কথা বলতে অস্বীকার করেন সদ্য জামিনপ্রাপ্ত মণীশ। ২০১৩–১৪ সাল থেকে বীরভূম তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের ঘনিষ্ঠ হয়ে ওঠেন বোলপুরের বাসিন্দা মণীশ কোঠারি। তারপরই তাঁর সম্পত্তি বৃদ্ধি পায় বলে অভিযোগ। ইডি সূত্রে খবর, গরু পাচারের কালো টাকা সাদা করার পিছনে মণীশের সক্রিয় ভূমিকা ছিল। কিন্তু এখন সে সব অতীত। অনুব্রতের থেকে দূরত্ব বাড়াতে সচেষ্ট একদা তাঁর ঘনিষ্ঠেরা। তৃণমূলের সাংগঠনিক পরিমণ্ডলে বীরভূম জেলায় অনুব্রত মণ্ডলের ছায়া ক্রমশ মিলিয়ে যাচ্ছে বলেই মনে করছেন রাজনীতির কারবারিরা।

    আরও পড়ুন: জ্যোতিপ্রিয়-কন্যার সই করা বিজ্ঞপ্তি বদল! দুর্নীতির আঁচ থেকে দূরে থাকতে চাইছে শিক্ষা সংসদ?

    পরবর্তী শুনানি চার সপ্তাহ পরে

    সূত্রের খবর, আজও অনুব্রত (Anubrata Mondal) নিজের আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলার সময় বারেবারে পায়ে ব্যথার কথা বলেন। এ দিন,আইনজীবীদের জানান, তাঁর পায়ের হাড় ক্ষয়ে যাচ্ছে। ডান দিকের পায়ে ব্যথা। যার জেরে পা ক্রমশ রোগা হয়ে যাচ্ছে। গত সেপ্টেম্বরেই অনুব্রত মণ্ডলের হিসাবরক্ষক চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট মনীশ কোঠারি জামিন পেতেই প্রশ্ন উঠছিল, তাহলে কেষ্টও শীঘ্রই জামিন পাবেন? কিন্তু তাঁর জামিনের আবেদনের বিরোধিতা করে সিবিআই। এই প্রসঙ্গে সিবিআই-এর আইনজীবী এস ভি রাজু আদালতে বলেন, ‘অনুব্রত প্রভাবশালী, জেল থেকে বাইরে এলে যা ইচ্ছে তাই করবেন, ক্ষতি হবে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যেতে।’ মামলার পরবর্তী শুনানি চার সপ্তাহ পরে হবে বলে নির্দেশ দেন বিচারপতি অনিরুদ্ধ বসু এবং বেলা এম ত্রিবেদী।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Coal Scam: ছত্তিসগড় কয়লা-ব্লক বণ্টন দুর্নীতি মামলায় দোষী সাব্যস্ত প্রাক্তন সাংসদ, কয়লা সচিব

    Coal Scam: ছত্তিসগড় কয়লা-ব্লক বণ্টন দুর্নীতি মামলায় দোষী সাব্যস্ত প্রাক্তন সাংসদ, কয়লা সচিব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছত্তিসগড়ে কোল-ব্লক বিলি কেলেঙ্কারি (Coal Scam) মামলায় দোষী সাব্যস্ত হলেন রাজ্যসভার প্রাক্তন সাংসদ বিজয় দারদা (Vijay Darda)। দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে প্রাক্তন কয়লা সচিব এইচসি গুপ্তাকেও। এছাড়াও আরও পাঁচজনকে বৃহস্পতিবার দোষী বলে ঘোষণা করে দিল্লির রাউস অ্যাভেনিউ আদালত। এই আদালতের স্পেশাল জাজ সঞ্জয় বনশাল রায় ঘোষণা করেন। এ নিয়ে কয়লা কেলেঙ্কারি মামলায় দোষী সাব্যস্ত করা হল ১৩ জনকে। এদিন যাঁদের দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে, তাঁরা হলেন দেবেন্দর দারদা, আইএসএস অফিসার কেএস কোরফা এবং কেসি সামরিয়া। একটি বেসরকারি সংস্থার ডিরেক্টর মনোজ কুমার জয়সওয়ালও রয়েছেন। ষড়যন্ত্র, প্রতারণা এবং প্রিভেনশন অফ কোরাপশান অ্যাক্টে তাঁদের দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। অভিযুক্তদের এদিন দোষী সাব্যস্ত করা হলেও, সাজা ঘোষণা হয়নি। সাজা ঘোষণা হবে ১৮ জুলাই।

    কোলব্লক বণ্টন বেআইনি

    প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালেই নিলাম না করে সরকারের মর্জিমাফিক কয়লার ব্লক (Coal Scam) বণ্টনকে বেআইনি বলে ঘোষণা করেছিল সুপ্রিম কোর্ট। সর্বোচ্চ আদালত জানিয়েছিল, ১৯৯৩ সাল থেকে শুরু করে ২০১০ পর্যন্ত কয়লার যত ব্লক বণ্টিত হয়েছে, সব অবৈধ। ২০১২ সালের ক্যাগ রিপোর্টে প্রথম প্রকাশ্যে আসে ১ লক্ষ ৮৬ হাজার কোটি টাকার এই কেলেঙ্কারির খবর।

    আরও পড়ুুন: ‘অরুণাচল প্রদেশ ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ’, প্রস্তাব পাশ মার্কিন সেনেটে

    সেখানে নানা অনিয়মের কথা বলা হয়। সুপ্রিম কোর্টের তত্ত্বাবধানে শুরু হয় তদন্ত। তদন্তের রিপোর্ট সন্তোষজনক না হওয়ায় সিবিআইকে খাঁচার তোতা বলে ভর্ৎসনা করেছিল দেশের শীর্ষ আদালত। তার পরেও তদন্ত চালিয়ে যায় সিবিআই। তদন্তের শুনানির জন্য সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সিবিআই স্পেশ্যাল কোর্টও গঠন করে।

    প্রধানমন্ত্রীকে ভুল তথ্য

    এদিন আদালত সাফ জানায়, দোষী সাংসদ (Coal Scam) তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংকে ভুল তথ্য দিয়ে চিঠি পাঠিয়েছিলেন। ওই সাংসদ তখন কোল পোর্ট ফোলিওর দায়িত্বে ছিলেন। এটা করা হয়েছিল ছত্তিসগড়ের একটি বেসরকারি সংস্থাকে ফতেপুরের ওই কোল-ব্লকটি পাইয়ে দিতে। ২০০৫ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০০৮ এর নভেম্বর পর্যন্ত গুপ্তা ছিলেন কয়লা সচিব। ইউপিএ সরকারের আমলে কোল-ব্লক বিলিতে তাঁর বিরুদ্ধে অনিয়মের ১২টি মামলা রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Mohammed Zubair: হিন্দু ধর্ম সবচেয়ে সহনশীল, জানুন জুবের-জামিনকালে কী বলল আদালত

    Mohammed Zubair: হিন্দু ধর্ম সবচেয়ে সহনশীল, জানুন জুবের-জামিনকালে কী বলল আদালত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু ধর্ম পৃথিবীর অন্যতম প্রাচীন এবং সহনশীল ধর্ম। এই ধর্মে যাঁরা বিশ্বাস রাখেন, তাঁরাও সহনশীলতার পরিচয় দেন৷ অল্ট নিউজের প্রতিষ্ঠাতা মহম্মদ জুবেইরকে (Mohammed Zubair) জামিন দিতে গিয়ে এই মন্তব্য করলেন দিল্লি আদালতের বিচারক। তিনি আরও বলেন, গণতন্ত্রে বিরোধী মত থাকাটাও প্রয়োজন৷ তাই শুধুমাত্র কোনও রাজনৈতিক দলের সমালোচনা করার কারণে ১৫৩ (এ) বা ২৯৫ (এ)-র মতো গুরুতর ধারা প্রয়োগ করা উচিত নয়। তাই জুবেরের জামিন মঞ্জুর করছে আদালত।

    জামিনের আবেদন মঞ্জুর করার সময়ে আদালতের তরফে বলা হয়েছে, হিন্দু ধর্ম সবচেয়ে সহনশীল। তাই সরকারের বিরোধিতা করার সঙ্গে ধর্মের যোগ টেনে আনা একেবারেই উচিত নয়। ২০১৮ সালে জুবেইরের (Mohammed Zubair) একটি ট্যুইট ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করেছে, সেই মামলায় শর্তসাপেক্ষে জামিন দেওয়া হয়েছে জুবেইরকে। ব্যক্তিগত বন্ডে পঞ্চাশ হাজার টাকা দিতে হবে তাঁকে। দেশ ছেড়ে বেরতেও পারবেন না তিনি। আদালত জানিয়েছে, জুবেইরের ট্যুইটের ফলে কার আবেগে আঘাত লেগেছে, তার বিবরণ দিতে পারেনি দিল্লি পুলিশ। ট্যুইটের প্রভাব পড়েছে এমন কোনও ব্যক্তির বয়ানও আদালতে পেশ করতে পারেনি পুলিশ। 

    রায় দেওয়ার সময়ে পাটিয়ালা হাউস কোর্টের বিচারপতি বলেছেন, “সুস্থ গণতন্ত্রের জন্য বিরোধী কন্ঠস্বরের উপস্থিতি খুবই প্রয়োজন। কোনও রাজনৈতিক দলের সমালোচনা করলে সেই ব্যক্তির বিরুদ্ধে ভারতীয় দন্ডবিধির ১৫৩এ বা ২৯৫এ ধারা কার্যকর করার মানেই হয় না।” প্রসঙ্গত, ধর্মের ভিত্তিতে অশান্তি তৈরির অভিযোগ দায়ের হয় ১৫৩এ ধারায়। ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করার অভিযোগ দায়ের হয় ২৯৫এ ধারা অনুসারে। 

    আরও পড়ুন: জেলেই জুবের! ১৪ দিনের জেল হেফাজত অল্ট-নিউজের সহ-কর্ণধারের

    এরপরেই হিন্দু ধর্মের প্রসঙ্গ টেনে বিচারপতি বলেছেন, “সনাতন হিন্দু ধর্ম সবচেয়ে বেশি সহনশীল। হিন্দু ধর্মাবলম্বী মানুষও একইরকম সহনশীল। সাধারণ মানুষ অনেক সময়েই দেব দেবীর নামে নিজের সন্তানদের নাম রাখে। এমনকী কোনও প্রতিষ্ঠানের নামের সঙ্গেও জড়িয়ে থাকে দেবতার নাম।” হিন্দুদের ভগবানের নামে কোনও প্রতিষ্ঠান বা শিশুর নাম রাখা হলে তা আইন ভাঙে না। যতক্ষণ না তার মধ্যে অপরাধ প্রবণতা থাকে। কোনও অসৎ উদ্দেশে এই কাজ হলে তা অপরাধ।

    সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) পরে পাটিয়ালা হাউস কোর্টেও জামিন পেলেন মহম্মদ জুবেইর। তবে বৃহস্পতিবার হাথরস আদালতে তাঁকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল বলে আপাতত মুক্তি পাবেন না তিনি। উত্তরপ্রদেশে নতুন করে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে জুবেইরের বিরুদ্ধে। মোট সাতটি মামলা ঝুলছে তাঁর উপরে। সবক’টি মামলা খারিজ করতে চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছেন জুবেইর। সেই সঙ্গে জামিনের আরজিও জানিয়েছেন তিনি।

  • Qutub Minar Case: কুতুব-মামলায় স্থগিতাদেশ, জমির অধিকার নিয়ে আদালতে রাজ পরিবার

    Qutub Minar Case: কুতুব-মামলায় স্থগিতাদেশ, জমির অধিকার নিয়ে আদালতে রাজ পরিবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কুতুব মিনার (Qutub Minar) চত্বরে মন্দির পুনরুদ্ধার সম্পর্কিত মামলায় স্থগিতাদেশ দিল দিল্লির আদালত (Delhi Saket Court)। এই সৌধ চত্বর তাঁদেরই বলে দাবি করে এক ব্যক্তির আর্জি ঘিরে এই মামলা অন্য মোড় নিয়েছে। ওই ব্যক্তির নাম কুনওয়ার মহেন্দ্র প্রসাদ সিং। নিজেকে আগরার এক রাজ পরিবারের সদস্য (Royal Family} বলে দাবি করেছেন তিনি। আদালতকে মহেন্দ্র জানিয়েছেন, তিনি বেসওয়ান রাজপরিবারের কর্তা। তাঁরা জাঠ। আদতে আলিগড়ের বাসিন্দা ।  দক্ষিণ দিল্লির বহু এলাকা তাঁদের অধীনেই আছে। 

    আরও পড়ুন : হিন্দু মন্দিরের ওপরই গড়ে তোলা হয়েছিল কুতুব মিনার! প্রমাণ এএসআই রিপোর্টে

    মহেন্দ্রর আর্জির শুনানি প্রসঙ্গে অতিরিক্ত জেলাশাসক দীনেশ কুমার জানান, আগামিদিনে এই মামলার শুনানি হবে। মহেন্দ্র সিং নামের ওই ব্যক্তির আইনজীবী এমএল শর্মার দাবি, ১৯৪৭ সালে তাঁর মক্কেলের পূর্বপুরুষ রাজা রোহিণীরমণ প্রসাদ সিংয়ের জীবিতকালে ভারত স্বাধীনতা লাভ করেছিল। ১৯৫০ সাল পর্যন্ত মিরাট থেকে আগরা পর্যন্ত চারটি এস্টেটের মালিক ছিলেন তিনি। আদালতে শর্মা জানান, স্বাধীনতার পরে তৎকালীন জওহরলাল নেহরু সরকারের পক্ষ থেকে তাঁর পরিবারের সঙ্গে কোনও চুক্তি করা হয়নি। অধিগ্রহণও হয়নি। দেওয়া হয়নি ক্ষতিপূরণও।

    আরও পড়ুন :অধ্যয়ন করা হবে কুতুব মিনারে পাওয়া হিন্দু ও জৈন মূর্তিগুলির! বিবেচনা সংস্কৃতি মন্ত্রকের

    মহেন্দ্রর অভিযোগ, এতদিন দিল্লি ও উত্তর প্রদেশ সরকার কোনও আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ না করেই তার আইনি অধিকার হরণ করেছে। তাঁর আইনজীবীর দাবি, তিনি মামলাটি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে খতিয়ে দেখেছেন এবং তাঁর মক্কেলের সম্পত্তির আইনি অধিকার রক্ষা করাই তাঁর মূল লক্ষ্য। কুতুব-চত্বরের আইনি অধিকার কার, সেই শুনানির পরই মন্দির পুনরুদ্ধার সংক্রান্ত মামলা শোনা হবে বলে জানিয়েছে আদালত। 

    কিছুদিন আগেই দাবি ওঠে, কুতুবউদ্দিন আইবক তাঁর শাসনকালে হিন্দু ও জৈন মিলিয়ে মোট ২৭টি মন্দির ধ্বংস করেছিলেন। সেই জায়গায় গড়ে তুলেছিলেন মসজিদ। আদালতে উঠলে এই মামলা গোড়াতেই থামিয়ে দিয়েছিল আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়া । তাদের তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়, মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য স্থাপত্য খনন করে মাটি তছনছ করা চলবে না। পরে আবার একই দাবি জানিয়ে মামলা দায়ের হয়।

     

LinkedIn
Share